নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

অফিসের_বস_যখন_দুষ্ট_মেয়ে। #পর্ব__২৭__(_সাতাশ __) #লেখক_আবারও_তুই। #Writer_Nahid_Hasan

#অফিসের_বস_যখন_দুষ্ট_মেয়ে।
#পর্ব__২৭__(_সাতাশ __)
#লেখক_আবারও_তুই।
#Writer_Nahid_Hasan
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::



 আপনি কে আর আমাকে এইভাবে বার বার কল দেওয়ার কারণ কি?
মেয়েটা- আচ্ছা তুমি কি একটু মিষ্টি ভাবে কথা বলতে পার সারাদিন রাগে কথা বল তার চেয়ে বড় কথা তুমি আমার সাথে বেশি বেশি কর একটু সব কিছু।
আমি কি করেছি যে আমার সাথে এমন কথা বলতে হবে।
আমার আর বুঝতে বাকি থাকলো না এটা যে আনিকা।
তার পরেও আকি সরাসরি শিওর হতে
আমি- আপনি কে বলুন আর আপনার সাথে আবার একটু বেশি বেশি করলাম আপনাকে কি আমি কোথাও দেখেছি বা চিনি,
এখন ভাল হবে আপনার পরিচয় দেন, না হলে আমি কল কেটে দিলাম আমার অচেনা মানুষের সাথে কথা বলার একদমি ইচ্ছা নেই সে যদি হয় মেয়ে টা বলে তো কথাই নেই।
মেয়েটা- কেন বাসায় বৌউ আছে নাকি যে সে অচেনা মেয়েদের সাথে কথা বলতে বারণ করবে।
আমি আর কোন কথা না বলে কল টা কেটে দিয়ে শুয়ে পড়ি আবার কিন্তু আবার কল আসতে লাগলো আমি আর নিতে পারছি না ভাবতেছি ফোন টা অফ করে রাখবো কিন্তু কোন কারনে যদি রাতে আমাকে কেহ কল দেয় এটা ভেবে আর অফ করলাম না।
অনেক বার কল আশার জন্য আমি এইভাবে কল রিসিভ না করে থাকতে পারলাম না।
আমি কল টা রিসিভ করে একটু রেগে,
আমি- ওই আপনার কি কোন কাজ নেই আমাকে বার বার কল দিয়ে যাচ্ছেন আবার যদি কল দেন তা হলে আপনার খবর আছে বলে দমিলাম।
মেয়েটা- বুঝছি তুমি সত্যি রেগে গেছো,
আমাকে চিনতে পারলে না আমি জান্নাতুল।
আমি- জান্নাতুল মানে আমার ক্লাস মেট সেই জান্নাতুল তুই।
জান্নাতুল- তুই কটা জান্নাতুল কে চিনিশ বল তো।
আমি- সরি রে আমি তোকে চিনতে পারলাম না।
তার চেয়ে বড় কথা তুই আমার নাম্বার কই পেলি আর আমাকে তুমি করে বলতে কবে থেকে শুরু করলি।
জান্নাতুল- আমি কালকে দেশে আসলাম আজকে সকালে সবার সাথেই দেখা করেছি নাম্বার টা আমি সিয়ামের কাছ থেকে নিয়েছিলাম তার পর থেকে তোকে কল দিয়ে যাচ্ছি বার বার অফ পাচ্ছি।
প্রথম বার যখন কল দিলাম তখন রিসিভ করিস নাই বলে একটু মজা করলাম,
যাই বলিস তুই আগেই মতোনি রয়ে গেলি।
একটু কথা বলবো বলে কল দিলাম তা না তুমি বার বার কল কেটে দিবি বলে যাচ্ছিস।
আমি- তা হলে আগে পরিচয় টা কেন দেস নাই।
জান্নাতুল- হয়েছে এই গুলো নিয়ে আর কথা না বলি,
কালকে কি একবার আমার সাথে দেখা করতে পারবি।
আমি- হুম কেন না,তবে কখন যাচ্ছিস তুই বল।
জান্নাতুল- তোর যখনি সমায় হবে তখনি করলেই হবে।
আমি- তা হলে আমরা কালকে বিকালে দেখা করি,কি বলিস সবাই আবার একসাথে হওয়া যাবে।
জান্নাতুল- হুম এর জন্য আমার দেশে আশা, অনেক বছর পড়ে তোদের সবার সাথে দেখা হচ্ছে।
জান্নাতুলের সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে রেখে দেই।
জান্নাতুল হল আমার যে কটা বন্ধু রয়েছে তাদের মতো একমাত্র মেয়ে ফ্রেন্ড ও।
আমি ভাবছিলাম হয় তো আনিকা হবে।
কারণ প্রথমে ওর মতোন করেই কথা বলা শুরু করে দিয়েছিল ।
আমি এইসব বাদ দিয়ে নিচে চলে আসলাম,
এসে আব্বু-আম্মুর সাথে গল্প করে একেবারে ডিনার করে রুমে এসে খাটে শুয়ে
পরতেই  ঘুমিয়ে যাই প্রতিদিনের মতো আজকেও আম্মু ঘুম থেকে তুলে দিতে ফ্রেস হয়ে নেই আজকে আমার আবার অফিসে যাওয়া হবে না কারণ টা তো আপনারা জানেন তাই আর বললাম না।
আমি নাস্তা করছি এর মাঝে আদিরা কল দেয় এখনি বাসা থেকে বের হয়ে তাদের বাসায় যেতে বলা হয়।
আমি নাস্তা করেই আসছি এটা বলে কল কেটে দিতে নাস্তা করে রুমে এসে ঘুরতে যাবো এমন একটা ড্রেস পরে রেডি হয়ে নেই।
আমি এইভাবে ড্রেস পরে রেডি হয়ে নিচে আসলে আম্মু প্রশ্ন করে বসে আমি আজকে এইভাবে কেন বাহিরে যাচ্ছি।
আমি শুধু বললাম আজকে হয় তো কোথাও ঘুরতে যাওয়া পড়তে পাড়ে।
আমি এটা বলে বাসা থেকে বেরিয়ে আসলাম।
বাসা থেকে বের করে গাড়ি নিয়ে আদিরার বাসার চিনে এসে গাড়ি দার করিয়ে কল দিলাম প্রথম বার কল বাজতেই আদিরা রিসিভ করলো।
আমি নিচে দাঁড়িয়ে আছি এটা বললে আমাকে বাসার ভিতরে যেতে বলে আমি না করে নেই আমি ভিতরে যাবো না,
আদিরা কে তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসতে বলি।
ফাইভ মিনিট লাগবে এটা বলতে আমি কল কেটে দেই।
আদিরা পাঁছ মিনিটের ভিতরে চলে আসলো  ।
আদিরা আজকে আমার পছন্দ করে দেওয়া শাড়ি টা পরেছে যেটা  আমাকে দিয়ে ওই দিন জোর করিয়ে পছন্দ করিয়ে নিয়েছিল।
এতে যে আদিরা কে কত টা সুন্দর লাগছে আমি ভাষা তে বুঝাতে পারবো না।
আদিরা এসে সরাসরি আমার সাইটে বসে পরে আজকে ওকে থিকা ঠাক মনে হয়,
কালকে অনেক মায়া লাগছি কি যে অবস্থা করে ফেলছি আদিরা নিজের ও নিজেই হয় তো জানে না।
আদিরা গাড়িতে উঠে আমি জিগ্যেস করলাম কোথাও যাবো ও বলে আজকে আগে শপিং করবে তার পরে ঘুরতে যাবে।
আমি আদিরার কথা মতো একটা শপিং মলে নিয়ে আসলাম কোন কিছু না বলে না জিগ্যেস করে আর।
আমি শুধু আদিরার সাথে ছিলাম আর  মাঝে মাঝে জিগ্যেস করে যাচ্ছে এটা ভাল কি না এইসব আমিও হুম, না এই সব বলে যাচ্ছি।
আদিরা কি কি জানো কিনল তার পরে সেখান থেকে বের করে আমাকে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্ট আসলো সেখানে বসে দুজনে কফি খেলাম শুধু তার পরে সেখান থেকে বের হয়ে বললো স্যার নাকি আমাকে নিয়ে তাদের বাসায় লাঞ্চ করতে বলেছেন।
আজকে দুটা পর্যন্ত আদিরার কিছু পছন্দের এস্থানে ঘুরা ঘুরি করলাম।
আমার মনে হয় আদিরা আবার আগের পরিস্থিতিতে চলে এসেছে।
আমরা দুটায় বাসায় ফিরে আসলাম।
আমরা বাসায় আশার পরে স্যার আমাদের দুনজে কে ফ্রেস হয়ে নিতে বলে।
আমরা দুজনে ফ্রেস হয়ে আসলে স্যার আমাদের নিয়ে খাবার টেবিলে আসলেন।
আমরা খাবার খাচ্ছিলাম এর মাঝে স্যার বলেন যে,
স্যার - আফিফ কালকে একটু তোমাদের বাসায় যাবো তোমার আব্বু-আম্মু কে বলে রেখো।
এটা শুনে আমি বললাম যে স্যার...
#চলবে
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label