নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

ভালোবাসার লেখা বিষাক্ত_জীবন Valobasar Lakha Bisakto jibon Writer:Sheikh Mahmud পর্ব-০২


ভালোবাসার লেখা বিষাক্ত_জীবন
  Valobasar Lakha Bisakto jibon

Writer:Sheikh Mahmud
পর্ব-০২
,
নীলিমার চুমু খাওয়া দেখে রাজ একটু অন্য রকম হয়েই পড়ে কারন এর আগে কেউ রাজ কে ভালবেসে জরিয়ে চুমু খাইনি,
কিন্ত রাজের চোখে ঐ দৃশ্যটাই বার বার ভেসে উঠছে,
নীলিমা অবস্থা আরও বেগতিক,,
সে এখন লজ্জায় বের হতে পারছে না,
রাজ কে কি করে মুখ খানা দেখাবে,
ভুল তো নিলিমা আমি নিজেই করিছি কিন্ত সেটা তো খুশিতে আত্মহারা হয়ে,,

রাজ ইউনিভার্সিটিতে চলে গেলো,
ক্যাম্পাসের এক কোণে বসে আছে রিমি, রিমি রাজের খুব ভালো ফ্রেন্ড,

রাজ ক্লাসের দিকে যাচ্ছে দেখে রিমি ডাক দেয়,

রিমি; এই রাজ এই এই সালা বয়রা,৩.৪বার ডাক দেওয়ার পর রাজ ফিরে তাকায়,

রাজ; কি?

রিমি; কই যাস,

রাজ; ক্লাসে, তুই যাবি না,,

তখন রিমি হাত দিয়ে ইশারা করে এদিকে আয়,,

রাজ আসতেই রিমি বলল বস,

তখন রিমি কিছু বলার আগেই রাজ বলে উঠলো,,, এই চুমু খাওয়া টা কি ঠিক হয়ছে বল,

রিমি; কি বললি চুমু? কে খেলো কাকে,,,
নেশাটেশা করেছিস নাকি,,,,কি হয়েছে বল দেখি কে চুমু খেলো,,,

রাজ; আমি গিফট টা দিলাম আর সাথে সাথে জরিয়ে ধরে চুমু খেয়ে ফেললো,তুই তো আমার ভাভাভা........?

রিমি; এরকম ভাভাভা করছিস কেনো,তোর কথা কিছুই বুঝতাছি না,,,

রাজ ভ্রম থেকে বের হয়ে,,,, না না কিছুই না,

রিমি; মাত্র বললি চুমু খেলো,

রাজ ; কি কি বলিস কে চুমু খাবে,

রিমি; তোর মাথা পুরাই গেছে, তোর কাধের দিকে তাকিয়ে দেখ,,

রাজ; এই  ছেড়ি তোর ভেনেটি ব্যাক আমার কাধে কেনো,,,

রিমি; ঐ টা আমার হবে কেনো, তুই বাসা থেকে কাধে করে নিয়ে আসছিস,
আর বাংলা বিভাগের দিকে কিসের ক্লাস করতে যাচ্ছিলি,

রাজ তখন চুপ করে থাকে,,মনে হচ্ছে রাজ নিজের মধ্যে নেই,,,,

আর রিমি তো হাসতে হাসতে শেষ মেয়েদের ব্যাগ বাসা থেকে রাজ কাধে নিয়ে আসছে,,,

রিমি; তোর কি হয়ছে বলতো, আমি কিন্ত হাসি থামাতে পারছি না,,,,,,,

রাজ; দোস্ত আমারে কিস করছে,

রিমি; কে?

রাজ; বলা যাবে না,বললে তুই বিশ্বাস করবি না,

রিমি; বল না কে? আমি বিশ্বাস করব,

রাজ; নীলিমা ভাবি,

রিমি অবাক হয়ে কি বললি ভাবি তোকে,,,দেখ দোস্ত সব সময় ফাইজলামি ভালো লাগে না,থাক তুই আমি যাই,,,

রিমি উঠে চলে গেলো আসলেই তো এই কথা বিশ্বাসের যোগ্য না,,

রাজ কিছুক্ষন বসে থেকে বাসায় চলে যায় ক্লাস না করেই,

আর বাসায় যেয়ে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে লম্বা এক ঘুম দেয় টেনিশন দূর করার জন্য,সেদিন আবার সখ করে লুঙ্গি পড়ে ঘুমায় রাজ,,কিন্ত দরজা লাগাতে ভুলে যায় রাজ,,,
এদিকে নীলিমা আসে ডাকতে দুপুরের খাবার খেতে, রুমে প্রবেশ করেই যা দেখে, তা দেখার জন্য হয়তো নীলিমা প্রস্তুত ছিলো,,

রাজের লুঙ্গিটা গলায় চলে আসছে আর সব দেখা যাচ্ছে,,,

নীলিমা লজ্জায় আঁচল দিয়ে মুখ টা লুকিয়ে ফেলে বের হয়ে যাবে এমন সময় হঠাৎ টেবিলের দিকে চোখ যায়,
দেখে ঘুমের ট্যাবলেট এর কভার,নীলিমা ভাবে এখন শত ডাকলেও রাজ উঠবে না,

তাই দরজা বন্ধ করে দুপা এগাতেই একটা কথা মনে পড়ে,,
যে যদি মা বা মিন্নি ডাকতে আসে আর এই অবস্থা দেখে তাহলে,,,,।

তাই নীলিমা রুমের ভিতর যায় আর লুঙ্গি টা ঠিক করে দিয়ে গিট্র মেরে দেয়,
আর নিলিমা নিচে চলে যায়,

তখন রাজের মা জিজ্ঞেস করে বউমা
রাজ এলো না ও কখন খাবে,

নীলিমা; মা রাজ তো ঘুমাচ্ছে,

মা; ডাক দিতা,

নীলিমা; মা ওকে এখন যদি পানিতেও চুবাই তাও ঘুম ভাঙবে না,ও ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঘুমাইছে,

মা; এই বয়সে যদি ঘুমের ট্যাবলেট খায়,আর তো দিন পড়েই আছে,,,তোমরা কিছু বল অকে,

রাত  ৮টা বাজে,,, রাজের ঘুম ভেঙে যায়,,,চোখ কচলাতে কচলাতে বাথরুমের দিকে যায় কিন্ত ঠিক মত হাটতে পারছে না,৷

নিচের দিকে তাকিয়ে দেখে লুঙ্গিতে গিট,

গিট খোলে দুপা হাঁটতেই মনে পড়ে, আমি তো লুঙিতে গিট দেয় নাই,
গিট আসলো কথা থেকে,,,
রাজ তখন আরো চিন্তায় পড়ে যায়,ওয়াশরুমে যায় ফ্রেশ হয়ে বের হয়,,,দেখে মিন্নি ভাবি দাঁড়িয়ে আছে,,

মিন্নি ভাবি; কি জনাব ঘুম ভাঙলো, খেতে আসেন,,,

রাজ; পরে খাবো,,আচ্ছা ভাবি দুপুরে আমার,,,,,, ,,?  কথা বলতে যেয়ে থেমে যায়,,

মিন্নি; কি বুঝি নাই কি বললা,

রাজ তখন কথা টা ঘুরিয়ে বলে,,না মানে আমাকে দুপুরে ডাকো নাই কেনো,

মিন্নি; দুপুরে তো তুমি ঘুমাচ্ছিলা,

রাজ তখন একটু ভয়ে তুমি আসছিলা,,

মিন্নি; আমি না,নীলিমা ভাবি আসছিলো,,

রাজ মনে মনে ওরে খাইছে আমারে,,

তারপর মিন্নি ভাবি চলে গেলো রাজ লজ্জায় খেতে গেলো না,
রুমেই বসে রইলো,
৯টার দিকে নীলিমা ভাবি খাবার নিয়ে আসে কিন্ত রাজ লজ্জায় দৌড়ে ওয়াশরুমে চলে যায়, নীলিমাও বুঝতে পারে কি জন্য চলে গেলো,,
তাই নিলিমা দেড়ি না করে রুম থেকে বের হয়ে যায়,,,,,
রাজ খেয়ে আবার একটু ঘুম দেয়,
যখন ঘুম ভাঙে তখন রাত ১২টা বাজে,
কিন্ত রাজ কারো কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়,
ভালো করে কান পেতে শুনে কান্নার আওয়াজ টা বাহির থেকে আসছে,,
দরজা খোলে দেখে নীল ভাইয়ার রুমের সামনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে,,
কিন্ত এত রাতে কে,
দেখার জন্য এগিয়ে যায়,,,

কাছে গিয়ে মোবাইলের ফ্লাস মেরে দেখে নিলিমা ভাবি,,,,

রাজ; ভাবি এত রাতে তুমি এখানে কাঁদছো কেনো,,,আর বাহিরে কেনো,,,

কিন্ত নিলিমা কোন কথা বলে না,

নীলিমার থেকে কোন জবাব না পেয়ে
দরজায় নক করে,,,

তখন নিলিমা বলে, তুমি যাও রাজ,,

---আমি দেখি না কি হয়ছে,,

রাজ আবার নক দেয়,তখন খুব খারাপ ভাষায় একটা কথা বলে দরজা খোলে কিন্ত খোলে দেখে রাজ,,,

নীলের এই ব্যবহার দেখে রাজ পুরা হতভম্ব হয়ে যায়,নীল তখন পুরা মাতাল,

রাজ; ভাইয়া ভাবি এত রাতে বাহিরে কেনো, ভাবি কে ভিতরে নিয়ে নাও,তোমাদের মধ্যে যা ঝামেলা তা দিনে দেখা যাবে,
(সব সময় গ্রুপে পোস্ট করা সম্ভব হয় না,তাই বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)
নীল মাতাল অবস্থায় রাজ কে যা ইচ্ছে তাই বলে আর নীলিমা কে অনেক গালিগালাজ করে খুব খারাপ ভাষায়,,

আর রাজ কে বলে তোর খারাপ লাগলে তোর রুমে নিয়ে যা,,,,

রাজ বুঝতে পারে এই ঝগড়া আজকের না,
রাজ নীলিমা কে বলে ভাবি চল আমার রুমে,,,

নীলিমা ; না, তুমি যাও আমি এখানেই থাকবো,,

রাজ নীলিমার হাত ধরে টান দিয়ে বলে চল তো, টান দিতেই নীলিমা ওহ বলে উঠে,,,

রাজ ;কি হয়ছে আসো,

নিলিমা হাটতে পারছে না,

পায়ের দিকে মোবাইলের ফ্লাশ ধরতেই ফ্লোরে রক্ত দেখতে পায়,,,

রাজ দেখাতে বলে কি হয়ছে, কিন্তু নীলিমা লজ্জায় দেখায় না,

রাজ আবার বলে কি হয়ছে,,,

নীলিমা তখন হাঁটু পর্যন্ত শাড়ি তুলে দেখায়,রাজ দেখে অনেক খানি কেটে গেছে,,,

রাজ তখন নীলিমা কে,,,,,,,,,,,

(চলবে)
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label