নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

গল্প_কথা Valobasar Golpo Kotha

গল্প_কথা
Valobasar Golpo Kotha
Sajib_Paul_Sanju
পর্ব_04

সানজু টাকা উঠিয়ে ওদের দিকে একবার তাকালো। দেখলো ওরা খাচ্ছে । তারপর নিচে চলে আসলো পাচ তলায়। এসে বস কে টাকা দিয়ে, শ্রাবণের কাছে গেলো।
ভাই ওই দুই রাক্ষসী আট তলায় বসে বার্গার খাচ্ছে ( সানজু)
ও তাই নাকি, তা বিলটা তুই দিয়ে আসতি( শ্রাবণ)
গার্লফেরেন্ড হলে ঠিকই দিয়ে আসতাম( সানজু)
ওলে বা লে, গার্লফেরেন্ড হবে । ওদের দেখেছিস কতো সুন্দর । আমাদের ভাব দিবে না( শ্রাবণ)
সেটা ত আমিও জানি, কিন্তুু আমরা ত মজা করতেই পারি( সানজু)
আচ্ছা যা এখন, আর রাতে একটু আগে বের হবি( শ্রাবণ)
কেনো, কি করবো আগে বের হয়ে( সানজু)
পূজার শপিং করবো, তর ও ত করা হয় নাই( শ্রাবণ)
হুমমমম, বসের কাছ থেকে বেতন চাইতে হবে( সানজু)

তিথী আর নন্দিতা দুজনে শপিং মল থেকে বের হয়ে । দুই বান্দরে এইখানে জব করে।
ভালোই লাগছিলো কিন্তুু দুজনকে( তিথী)
ভালো ত লাগবেই, ফরমাল ড্রেস পড়লে সবাইকেই ভালো লাগে( নন্দিতা)
কালকে ত শুক্রবার কলেজ ও বন্ধ । কালকে সবাই মিলে আসবো বসুন্ধরা শপিং মলে, শপিং করার জন্য ( তিথী)
এইটা ত প্রতি বছরই করে( নন্দিতা)
পূজার জন্য কি কনবি তুই( তিথী)
এখনো কিছু ঠিক করি নাই, কাল এসেই দেখবো সবকিছু, যেটা ভালো লাগে, সেটাই নিয়ে নিবো( নন্দিতা)

শ্রাবণ সানজুর কাছে এসে, সানজু তখন ওদের 15 নাম্বার দোকানে। যেটাতে বস থাকে না। এসেই বস শালার পুলায় বেতন দেয় নাই।
আমারও একই অবস্থা, আমাকেও দেয় নাই, বলে কালকে নিও( সানজু)
কালকে টাকা নিয়ে শপিং করতে দিবে। কাল যে ভির পরে বসুন্ধরায়। শালারা বলে কালকে নিও( শ্রাবণ)
দেখি কালকে দেয় কি না( সানজু)
আমার মনে হয় দিবে না, কারণ বন্ধ ত রবিবার, শনিবার বেতন দিবে( শ্রাবণ)
পূজায় কোথায় যাবি, গ্রামের বাসায় যাবি নাকি( সানজু)
ভাবছি এইবার ফরিদপুর যাবো, ওইখানে কখনো যাই নাই( শ্রাবণ)
ও আচ্ছা, এইবার গ্রামেই যাবো। এই পাচ বছর ধরে শুধু বাহিরে ঘুড়ছি, গ্রামের পূজাগুলো দেখা হচ্ছে না( সানজু)

পরের দিন সকালে তিথী আর নন্দিতা দুজনেই দেরি করে ঘুম থেকে উঠলো। আজ শুক্রবার তাই দেড়ি করে উঠেছে। নন্দিতা মা এই নন্দু যা শাওয়ার নিয়ে রেডি হও। আজকে শপিং এ যাবো।
তিথী একটু আগে উঠেছিলো, তাই শাওয়ার নিয়ে, নন্দিতা কে ডাকতে আসছে। ওরা ছোট থেকেই এই রকম। যে আগে উঠবে ফ্রেস হয়ে অন্য জনকে ডাকতে চলে আসবে।
কিরে নন্দিতা উঠেছিস নাকি( তিথী)
হুমমমম, উঠছি আয় রুমে আয়( নন্দিতা)
এখনো শাওয়ার নিস নাই, যা শাওয়ার নে। আর তর মোবাইল টা কই দে ত একটু ফেসবুকিং করি( তিথী)
ওই দেখ বালিশের পাসেই, অনেক দিন ধরে ফেবুতে ঢুকা হয় না( নন্দিতা)
আমি দেখছি কে কি বলছে তোকে, তুই গিয়ে তারাতারি শাওয়ার নে( তিথী)
নন্দিতা শাওয়ার নিতে ওয়াশরুমে ঢুকলো। আর তিথী নন্দিতার ফোন নিয়ে ফেসবুকে ঢুকলো। দেখলো অনেকগুলো নটিফিকেশন জমা হয়ে আছে। সাথে কয়েটা ফেরেন্ড রিকুয়েস্ট আসছে।
তিথী আগে রিকুয়েস্ট গুলো দেখলো, একটা আইডির নাম দেখে চোখ আটকে পড়লো....

[ছোট করে দেওয়ার জন্য সরি, সময় নেই তারাতারি করে লিখছি।]

চলবে...............
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label