নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

Silent Killer Part:2 Writer:WiZzes Story(E M O N)

Silent Killer
Part:2
Writer:WiZzes Story(E M O N)
..............................................
--ওই তোরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি দেখছিস?ওকে থেরাপি টা দে?
<নেহা আপু কথা টা বলার সাথে সাথেই পাশের মেয়ে গুলো আমার হাতে চুড়ি,ঠোটে লিপস্টিক দিয়ে দিতে লাগলো>
--এসব কি করছেন?আমি কি মেয়ে নাকি?(আমি)
--চুপ,কোনো কথা হবে না।কথা বললেই কিন্তু ডাইরেক্ট নিচে মেরে দিবো।
<কি আর করবো বাধ্য হয়ে চুপ থাকতে হলো।এভাবে আরো  কিছুক্ষণ পর ওরা আমাকে ছাড়লো।>
--ওই রুহি,শ্রাবনি,রিয়া,দেখতো তোরা আশেপাশে থেকে কোনো মিরর সংগ্রহ কর‍তে পারো কিনা?(পাশের মেয়ে গুলো কে বললো)
--হুম।(পাশের মেয়ে গুলো)
<কিছুক্ষণ পর ওরা কোথা থেকে জেনো  একটা মিরর নিয়ে আসলো।এসে আমার মুখের সামনে ধরলো।OMG>
--এটা কে?(আমি)
--ওটা তুই।(নেহা আপু)
<একদম মেয়েদের মতো লাগছে।Ohhhh no....>
--এবার যা,ক্লাসে যা।(নেহা আপু)
--এভাবে ক্লাসে কি করে যাবো?
--যেভাবে ইচ্ছা যাবি...
--প্লিজ একটু পানির ব্যবস্থা করুন।কেউ দেখে ফেললে কি ভাববে?
--কি যে সুন্দর লাগছে তোকে?(বলেই নেহা আপু হেসে ফেললো।)
--প্লিজ,আপু একটু হেল্প করেন।(আমি)
--এমনি তে তো ক্ষ্যাত,হাদারামের মতো লাগে।তাই একটু সাজিয়ে দিলাম।এখন ই অনেক সুন্দর লাগছে তোকে।(বলেই চলে গেলো নেহা আপু।কিন্তু এই দিকে আমি তো টেনশনে পড়ে গেলাম।এখন কি যে করি।কেউ দেখে ফেলার আগে মুখ টা ধুয়ে ফেলতে হবে।এসব ভাবছি তখনি পিছনে কারো হাতের স্পর্শ অনুভব করলাম।)
--কি রে তুই?তুই আসছিস ক্যান?সালা লজ্জা করে না,বিপদে বন্ধু কে একা ফেলে গেছিলি।(আমি)
--এই নে মাম,এটা দিয়ে মুখ টা আগে ক্লিন করে নে।(নিলয়)
--তোর আর হেল্প করা লাগবে না।(আমি)
--লাগবে না?ওকে থাক,আচ্ছা আসি।
--না না,লাগবে।এদিকে দে।
--হুম।
(তারপর মুখটা ভালো ভাবে ক্লিন করে নিলাম।)
--আচ্ছা মামা,বুঝলাম না।কলেজে এতো স্টুডেন্ট থাকতে,নেহা আপু কেনো তোর পিছনে পড়ে আছে?(নিলয়)
--জানি না।
--তোকে মনে হয় কলেজ টা ছারতেই হবে।
--দেখি,কি হয়?
--হুম।
                       <NeXt DaY>             
--বাবা নিরব,তোমার কলেজ লাইফ কেমন চলছে?(নিলয়ের আম্মু)
--এই তো, ভালো আন্টি।(আমি)
--ভালোভাবে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।
--জ্বী।
--তা তুমি টিউশনি গুলো ক্যানো করো?এতে তো তোমার পড়াশুনার অনেক ক্ষতি হচ্ছে।তোমার কখনো টাকার প্রয়োজন হলেই তো আমাকে বললেই পারো।(নিলয়ের আম্মু)
--না,আন্টি।আসলে আমার টিউশন -ই করতে ভালো লাগে।
--হুম।
--আচ্ছা আন্টি কলেজের সময় হয়ে গেছে।আসি,বায়।
--হুম,আজ তো তোমাকে একাই যেতে হবে।নিলয়ের শরীলটা তো ভালো নেই।
--হুম,আন্টি নিলয়ের দিকে খেয়াল রাখবেন।
--আচ্ছা।
(তারপর রওনা দিলাম কলেজের পথে।কিন্তু মন চাচ্ছে না কলেজে দিকে এগোতে।কারন তো ওই একটাই।কলেজে গিয়েও তো লাভ নেই।প্রতিদিন ওই একটা ঝামেলার জন্য আমার প্রতিটা ক্লাস মিস হচ্ছে।এসব ভাবতে ভাবতে কলেজের গেটে চলে আসলাম।বুকে কিছুটা ভয় নিয়ে এক পা, এক পা করে সামনে এগোচ্ছি।আবার সেই খুব চেনা ডাক)
--ওই,এদিকে আয়।(নেহা আপু)
--হুম,জ্বী বলেন।(আমি)
--গতকাল রাতে, সারা টা রাত ঘুমাতে পারিনি।
--ক্যানো?
--তোর ফেসবুকের লাভ স্টোরি গুলো পরছিলাম।খুব ভালো ই তো লিখস? তোকে দেখে অবশ্য এতো টা রোমান্টিক মনে হয় না।দেখে তো ক্ষ্যাত মনে হয়।গ্রাম্য ভূত।
--জ্বী,আমি একটু ক্ষ্যাত।
--হুম,নেক্সট part কখন পোষ্ট করবি?
--লেখা হয়নি।লেখা হলেই পোস্ট করবো।
--লিখিস নি ক্যান?
--আপনার জন্য।
--আমার জন্য মানে?
--আপনি ই তো প্রতিদিন কলেজে আসলে মন খারাপ করে দেন।আর মন খারাপ থাকলে স্টোরি লেখা যায় না।
--ও আচ্ছা?আজ ইচ্ছে ছিলো খুব কঠিন একটা থেরাপি দিবো তোকে।কিন্তু না,তাহলে তো তোর মন খারাপ হয়ে যাবে।আচ্ছা আজ তাহলে একটা ছোটো থেরাপি দেয়া যাক।100 বার I love u বল।
--মানে কেনো?
--কেনো?মানে?যা বলছি সেটা কর।
--কিন্তু এটা তো কাউকে ভালোবাসলে বলে থাকে।কিন্তু এটা আমি কেনো বলবো আপনাকে?
--তুই আমাকে ভালোবাসিস, তাই বলবি আমাকে।
--মানে?ভালোবাসা আর আপনি।
--হুম।হাসছিস কেনো?
--ভালো তো একটা মেয়েকে বাসা যায়।কিন্তু আপনি?
--আমি কি?
--আপনি তো একটা ছেলে?
--কি?(সেই রকম রাগি লুক)
--সরি।
--হুম,এবার বল,যেটা বলতে বলছি।আরেকবার কথা পেঁচালে কিন্তু নিচে মারবো।
--হুম।বলছি।
<তারপর আর কি বাধ্য হয়ে বলতে হলো।প্রতিদিনের মতো আজও ক্লাস টা মিস হয়ে গেলো।এভাবে চলতে থাকলে তো আমার পড়াশুনার ১২টা বেজে যাবে।এমনিতেই অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে।>
                       <NeXt daY>                 
<প্রতিদিনের মতো আজও হাজারো ভয় নিয়ে পা বাড়াচ্ছি কলেজের দিকে।কিন্তু আজ নিলয় সাথে থাকায় কিছু ভরসা পাচ্ছি।যার কারনে ভয়টা কিছুটা কম হচ্ছে।)
--ওই ক্ষ্যাত,এদিকে আয়।(নেহা আপু)
<না,আজ আর এভাবে চলতে দেয়া যায় না>
--যা বলার তাড়াতাড়ি বলুন।আমার ক্লাস আছে।
--আজ 500বার I love u neha বল।
--কেনো?
--বলবি নাকি নিচে মারবো।
--আপনার যেখানে ইচ্ছে মারুন।কিন্তু আর আমি আপনার কোনো কথা ই শুনবো না।
--সত্যি ই মারবো কিন্তু।
--যা ইচ্ছা করুন।
--আচ্ছা থাক,আই লাভ ইউ বল।
--বলতে পারবো না।
--ক্যানো,আমাকে কি তোর ভালো লাগে না।আমার পিছনে হাজারও ছেলে ঘুরে।কিন্তু আমি পাত্তা দেই না।
--ওদের কাছে আপনাকে ভালো লেগে থাকলেও,আমার কাছে আপনাকে ভালো লাগে না।
--কেনো কোথায় কমতি আছে আমার?
--আপনি আমার সিনিয়র?
--আজকের জেনারেশনে এটা কোনো ব্যাপার না।
--তারপরও আমি কোনো মেয়েকে ভালোবাসবো।কিন্তু কোনো ছেলে কে  না।
--কেনো?আমাকে দেখে কি  মেয়ে মনে হয় না?
--না।
--কেনো?
--কীভাবে মনে হবে আপনাকে মেয়ে?একটা মেয়ে কে বুঝা যাবে তার পোশাক দেখে।একটা মেয়ে কখনো আপনার মতো প্যান্ট-শার্ট পড়ে মাস্তানি, কলেজের পথে ছেলেদের ধরে ধরে ডিস্টার্ব করবে না।আর তাছাড়া মেয়েরা লক্ষ্মী হয়,যাদের নিয়ে সংসারের হাজারটা স্বপ্ন দেখা যায় কিন্তু আপনাকে দেখে,সেসব ভেঙে যায়।
--আমি একদম তোর মনের মতো হয়ে যাবো।শুধু তুই একটু পাশে থাকলেই।(বলেই জড়িয়ে ধরলো।কিন্তু আমি নেহাকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সড়িয়ে দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলাম।)
--সম্ভব না,আপনার যদি আমার কোনো ক্ষতি করার ইচ্ছা থেকে থাকে করতে পারেন।(বলেই চলে আসলাম)।
--আচ্ছা মামা,কাজটা কি তুই ঠিক করছিস?(নিলয়)
--কেনো ও যেগুলো করছে ওগুলো কি ঠিক করছে?(আমি)
<চলবে.........>
(নেক্সট নিয়ে খুব শিঘ্রই আসছি।আর কেমন হলো তা জানাতে ভুলবেন না।)
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label