নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

হ্যাকার_বউ part 5 (Haker Bow Golpo)

#হ্যাকার_বউ
part 5
লেখক:#Joy_Ahmed_Raton




➡আরে এতো রাগার কী আছে নাম বলছি তো..
আমার নাম হলো নীলা এখন তো কথা বলবা..
(ওপাশ থেকে বলল)
আমি:আচ্ছা আর একটা কথা আমি আপনার সাথে কী সত্যি ইয়ে করছি নাকি আপনি আমার সাথে মজা নিচ্ছেন..
নীলা:সালা তুই আমার সাথে ওই গুলো করার পর এখন সব ভূলে গিয়েছিস না..
দাড়া আজকেই আমি তোর বাসায় যাবো😠..
আমি:এই না এইরকম কিছু করবেন না প্লিজ..
নীলা:তাহলে স্বীকার কর যে আমার পেটে যে বেড়ে উঠছে সেটা তোর সন্তান ..
আমি:আরে শুধু আমার না আমার বাবারও সন্তান তাও আপনি আমার বাসায় যাবেন না😨..
নীলা:😠 কি বললি তোর বাবার সন্তান মানে😠..
আমি:🤭 সরি ওটা আমি ভূলে বলে ফেলছি..
নীলা:ইটস ওকে..
আর হ্যা যেটা বলার জন্য ফোন করেছি সেটা হলো  আজ বিকেলে আমি তোমার সাথে দেখা করব..
তৈরি থেকো আর যদি মুখ দেখার চেষ্টা করো তাহলে কিন্তু খবর আছে..
আমি:যদি আমার পেটে..
থুক্কু আপনার পেটে আমার সন্তান থাকেই তাহলে আবার আপনার মুখ দেখাতে প্রবলেম কই🙄..
নীলা:প্রবলেম আছে অনেক বড় প্রবলেম..
আর এইজন্যই তুমি আমাকে একদম বাসর ঘরে দেখতে পাবে..
আমি:কিন্তু..
নীলা:ওকে বায় বিকেলে দেখা হচ্ছে 😘..
ফোন কেটে দিলো..
হঠাৎ বাইরে থেকে কয়েকটা মহিলার গলার আওয়াজ পেলাম..
ওরা ওয়াশরুমের দড়জায় ধাক্কা দিচ্ছে..
তাই তাড়াতাড়ি বাইরে গেলাম..
বাইরে গিয়ে তো অবাক হয়ে গেলাম তাড়াতাড়ি করে ফোন রিসিভ করতে গিয়ে লেডিস বাথরুমে ডুকে গিয়েছিলাম..
আমি তাড়াতাড়ি ওখান থেকে সরে গেলাম না হলে আজ এই মহিলাদের জুতা খেয়ে আমি বড় লোক হয়ে  যেতাম..
গিয়ে দেখি জান্নাত আমার দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে..
আমি:কি হলো আমার দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে থাকার মানে কী🙄..
জান্নাত:কোন মাইয়া ফোন করেছিল যে এতো সময় লাগল..
আমি:কই কোনো মাইয়া তো ফোন করে নাই..
আমার এক বন্ধু ফোন করেছিলো..
জান্নাত:আমারে বোকা পাইছো তাই না..
আমি জানি তোমার কোনো র্গালফ্রেন্ডই ফোন করে ছিলো আর এই জন্য আমার সামনে ফোন রিসিভ করো নাই..
আমি আজকেই এটা আব্বুকে বলব.. (কান্না করতে করতে বলল)
আমি:এই নাও তুমি নিজেই দেখে নাও কোনো মাইয়া মানুষ ফোন করে ছিলো নাকি..
তারপর তো তোমার বিশ্বাস হবে..(ঝাড়ি দিয়ে বললাম)
জান্নাত:না লাগবে না যাও তোমার কথা বিশ্বাস করলাম😒..
এখন চলো আর একজায়গায় যাবো ..
আমি:কোথায়😲...
জান্নাত:আমার বান্ধবীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো তোমাকে চলো..
আর মুখ টা একটু বন্ধ করো না হলে মশা ঢুকে যাবে তো..
আমি:আজকেই পরিচিত হতে হবে 🤔..
জান্নাত:কেনো তোমার কোনো কাজ আছে নাকি..
আমি:হুমম একটা কাজ আছে..
কাজ না ঘন্টা আছে আমি তোর সাথে যামু না কারণ তোর সাথে কম করে হলেও দশ জন আসবে আর এদের কে খাওয়াতে গেলে তো আমার পকেট ফাকা হয়ে যাবে আর আমি তো এটা হতে দিতে পাড়ি না😏..
জান্নাত:কী কাজ আছে 🙄..
আমি:একজনের সাথে দেখা করতে হবে 😑..
জান্নাত:ওয়েট..
আমি:কেনো😳(অবাক হয়ে)
জান্নাত:আরে একটু ওয়েট করো তো..
ফোন বের করে কার কাছে যেনো ফোন দিলো..
জান্নাত:আব্বু আব্বু তোমার ছেলে নাকি আমা..
আমি:আব্বু জান্নাত এখন আইসক্রিম চাইছে আমি দেই নাই জন্য কান্না করছে..
(ওর হাত থেকে ফোন নিয়ে বললাম)
আব্বু:তুই ওর কাছে ফোন টা দে..
আমি:আব্বু আমি বলছি তো যে এখন আইসক্রিম দেবো..
আব্বু:তুই দিবি নাকি তাই বল..
আমি:দিচ্ছি..
জান্নাতের কাছে ফোটা দিলাম..
জান্নাত:আব্বু তোমার ছেলে নাকি আমাকে রেখে অন্য মেয়ে নিয়ে ফূর্তি করতে যাবে..
আর আমি বললাম যে আমার এক বান্ধবীর সাথে ওর পরিচয় করিয়ে দেবো কিন্তু জয় এটা শুনার পর  আমাকে মারছে তা জানো..
তারপর সুন্দর করে ফোন টা আমার কাছে দিয়ে দিল..
আমি জানি এখন আব্বু আমাকে সাইন্স বোঝাবে..
আব্বু:হারামজাদা তুই জান্নাতের গায়ে হাত তুলেছিস তাই না..
আজ তুই বাসায় আয় দেখ তোর কি করি😠..
আর এখন জান্নাত যেখানে যেতে বলবে সেখানেই যাবি অন্য কোথাও যাওয়ার চিন্তা করবি তো তোর ঠ্যাং ভেঙে রেখে দেবো🤬😠..
আমি:ওকে আব্বু আমি ওর সাথেই যাচ্ছি😨..
ওরে কেও আমারে এককাপ হট কফি দে খাইয়া সুইসাইড বিক্রি করব😁..
ফোন রেখে দিয়ে জান্নাত আমারের দিকে তাকালাম..
জান্নাত:কী গো ওমন করে কী দেখো আমার লজ্জা করছে তো🙈..
আমি:এটা কী হলো আমি কখন তোমায় মারলাম 🙄..
জান্নাত:মারো নাই কিন্তু তোমার মন তো আমায় মারতে চাইছে তাই না😶..
আমি:জ্যোতিশ নাকি 🙄..
যে ভবিষ্যৎ দেখতে পাও হুু.

জান্নাত:এতো দিন তো ছিলাম না কিন্তু এখন হতে হচ্ছে..
আর আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি..
যে তোমার ভবিষ্যৎ প্রতিটা দিন তোমার লিপস্টিক খেয়ে কাটবে😘..
আমি:😨😨 পঁচা লিপস্টিক খেতে পাড়ব না..
জান্নাত:ওকে সেটা তো দেখবই একটু আগেই তো আমাকে ছাড়তেই চাইছিলে না..
আমি:ওটা তো প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তুমি যদি আমার সাথে ওটা না করতে তাহলে তো আর আমিও ওটা করতাম না😒..
জান্নাত:আমি করছি মানে নিজেই বিছানায়..
এইরে মাইয়া তো আমার মানসম্মানের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে..
তাড়াতাড়ি মুখ বন্ধ করতে হবে না হলে সব শেষ..
কিন্তু কী করব 🙄কিছু ভেবে না পেয়ে ওর ঠোঁটের সাথে আমার ঠোঁট এক করে দিলাম..
কিন্তু ওর ঠোঁটের সাথে ঠোঁট লাগাতেই মনে হলো কোনো চম্বুক যেনো আমার আর ওর ঠোঁট দুটোকে আটকে রাখছে কিছুতেই ছাড়াতে পারছি না..
প্রায় দুই মিনিট পড়ে আমি জান্নাতকে ছেড়ে দিলাম..
জান্নাত তখন জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে..
এতো সময় আমি ভূলেই গিয়েছিলাম যে আমরা এখন কফিশপে আছি..
তখন সবার হাত তালি তে আমার মনে পড়ল যে আমি আর জান্নাত এখন একটা কফি শপে আছি..
সবার হাত তালি দেওয়া দেখে নিজেকে হিন্দি মুভির নায়ক বলে মনে হচ্ছিল..
হঠাৎ আমার নজর পড়ল জান্নাতের দিকে..
জান্নাত লজ্জায় মাথা নিচু করে আছে..
বিষয় টা বুঝতে পেড়ে আমি ওকে নিয়ে ওখান থেকে বেরিয়ে গেলাম..
জান্নাত আর আমি সোজা ওখান থেকে একটা রেস্টুরেন্টের সামনে গেলাম..
কিন্তু ভেতরে গিয়ে বুঝতে পাড়লাম যে সেদিন আব্বুর ড্রয়ার থেকে যে ৮ হাজার টাকা চুরি করেছিলাম সেই টাকা টা আজ হাওয়া হয়ে যাবে😭..
মাত্র ষোল জন বান্ধবী আসছে 😕..
সবাই আমাকে আর জান্নাতকে দেখে আমাদের কাছে এলো..
এরপর সবাই মিলে খাওয়া দাওয়া করে বিল এলো দশ হাজার পাঁচশ টাকা 😰..
আব্বুর টাকা গুলো তো গেলোই সাথে আমার পকেট থেকেও আরও গেলো🥺..
টাকা গুলো দিতে মন চাইছে না কিন্তু আবার মান সম্মানের ভয়ে নাও করতে পাড়ছি না..
অবশেষে সকল মায়া ত্যাগ করে টাকা গুলো আমার থেকে চলে গেল..
আমি মন টাকে একটা কথা বলেই শান্তনা দিচ্ছি..
সেটা হলো যে টাকার উপর লেখা আছে..
ইহার গ্রাহক চাহিবার মাত্র দিতে বাধ্য থাকিবে😨..
তার মানে ওটার গ্রাহক আমি ছিলাম না তাই হয়তো আমার কাছে থাকলো না ওটা..
বিল দিয়ে সবার সাথে পরিচয় হয়ে জান্নাতকে ওর বাসায় দিতে গেলাম..
জান্নাত:এই যে মিস্টার এখন আর একটা দেন না প্লিজ 🙈..
আমি:কী দেবো থাপ্পড় নাকি😁..
জান্নাত:শালা একটু আগে কফিশপে যা দিলি ওটা দে..
আমি:ওহ্ ওটা 🤭..
তাহলে তো চোখ বন্ধ করতে হবে 😏..
জান্নাত:ওকে এই যে বন্ধ করলাম এখন দাও..
এহ্ চাইলেই পাওয়া যায় নাকি এটা কারো মামার বাড়ির আবদার নয় যে চাইলেই পাবে..
জান্নাত চোখ বন্ধ করছে আর আমি সেই সুযোগে ওখান থেকে পালিয়েছি😁🏃..
কিছু দূর আসার পর একটা কুকুর ডাকলো দৌড় দিবো আর তখনই মনে হলো এটা তো ম্যাসেজ টোন😒..
ম্যাসেজ টা সিন করে দেখলাম ওটাতে যা লেখা আছে..
সেটা দেখে আমি আবার জান্নাতের কাছে গিয়ে ওকে কিস করে আসলাম..
আসলে ওটায় লেখা ছিল এটা..
বাবা আপনার ছেলে আমার সাথে চিট করছে..
আজ আমার সাথে জোর করে শারিরীক সম্পর্ক টা করেছে কিন্তু আমাকে বাসায় দিয়ে যাবার সময় বলল যে আমাকে নাকি ও কিছুতেই বিয়ে করবে না..
তাই এখন আমার মরা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই..
আমাকে ক্ষমা করে দিবেন..
আর তার নিচে লেখা আছে..
এইযে মনু এটা যদি তোমার বাবার কাছে পাঠাই তা হলে কী হবে বুঝতে পারছো..
এখন তুমি ভেবে দেখো কি করবা কিস নাকি লাইফ টা মিস😙..
তো ভাই বুঝতেই পাড়ছেন যে ওটা আমার আব্বুু কাছে গেলে সিউর লাইফ মিস মানে জীবন টা শেষ হয়ে যাবে..
এর থেকে ভালো অপশন হচ্ছে ওকে কিস করা আর তাই কিস করে আসলাম😰🥺..
বাসায় আসতেই নীলার ফোন..
রিং হবার সাথে সাথে রিসিভ করলাম..
এখন নিজেকে অনেক বড় একজন প্রেমিক বলে মনে হচ্ছে..
নীলা:জয় তুমি এই ঠিকানায় চলে এসো আমিও আসছি..(একটা ঠিকানা দিয়ে বলল)
আমি:ওকে আসছি..
ফোন কেটে দিয়ে ওই জায়গার উদেশ্য বের হলাম..
কিন্তু প্রায় এক ঘন্টা থাকার পরও যখন কেও আসলো না তখন আমি চলে আসতে লাগলাম..
আর তখনই আমার সামনে একটা গাড়এলো..
গাড়ি টা যদি আর এক সেকেন্ড সময় পর ব্রেক করত তাহলেই আমি এতো সময়ে উপরে চলে যেতাম..
কিন্তু উপর গেলেও হয়তে এতোটা অবাক হতাম না যতটা না ওই গাড়ি থেকে যে বের হলো তা দেখে অবাক হয়লাম..
কারণ ওই গাড়ি থেকে বের হলো..
.
.
.
.
.
.
.
Waiting for next part..
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label