নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

লাইফ_পার্টনার💞 #Life__Partner💞 #Part_1

#লাইফ_পার্টনার💞
#Life__Partner💞
#Part_1
#Writer__Nupur

🕟🕜সকালবেলা ঘুম ভাঙল এলার্মের শব্দে। পৃথিবীর সবচেয়ে বিরক্তিকর শব্দ হচ্ছে এই এলার্মের শব্দ। মনে হয় এইতো সবেমাত্র এলার্মটা সেট করে ঘুমানোর জন্য চোখ বন্ধ করতে না করতেই এলার্ম বেজে উঠল। আমার যখন উঠতে হয়, তার আধা ঘন্টা আগের এলার্ম সেট করে রাখি। কারণ, আর ৫ মিনিট আর ৫ মিনিট করতে করতে আমার আধা ঘন্টা লেগেই যায় বিছানা ছেড়ে উঠতে। আবার, সকাল সকাল উঠতে এতটাই আলসেমি লাগে যে, ফোন বা ঘড়িতে এলার্ম সেট করে দূরে রেখে দেই যাতে এলার্ম বন্ধ করতে উঠে যেতে হয়। আর এই ফাঁকে ঘুমটাও ভেঙে যায় কিছুটা।

যাই হোক বহুত হলো এলার্মের কাহিনী।


এখনও বিছানায় শুয়ে আছি। ভাবছি কোন বাহানায় আজকে কলেজে যাওয়াটা ভেজতে দেওয়া যায়। কলেজে গেলেও মজা লাগে কিন্তু আজকে যেতে মন চাইছে না। চুপচাপ শুয়ে আছি। আমি না হয় চুপচাপ থাকলাম, এলার্ম বাবাজিকেও না হয় ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করে দিলাম। কিন্তু আমার মাতা শ্রী!! ওনাকে চুপ কে করাবে?? এক গলায় ডেকেই চলেছে। ধুর, ভাল্লাগেনা!!


আম্মু: অরি! এই অরি!


নাম আমার #অরিয়ানা_আজরিন... সবাই অরি বলেই ডাকে। আম্মুর চেঁচানো আর সহ্য করতে না পেরে উঠে ডাইনিং রুমে গেলাম।

আম্মু: কি রে অরি! ৭:৩০ বাজে, এতক্ষণ লাগে উঠতে? এলার্ম দিয়ে রাখিসনি?
.
আমি: এলার্মের কি দরকার? তোমার চেঁচানোই তো যথেষ্ট। আচ্ছা আমি কি ঠশা? এতোবার ডাকা লাগে?
.
আম্মু: আহা! এতই শ্রবণশক্তি আপনার তো এতক্ষণ লাগলো কেনো উঠে আসতে?
.
আমি: আসলে আমি ভাবছিলাম...
.
আম্মু: কলেজে যাবিনা। এই তো? এতো ভাবনা চিন্তা বাদ দিয়ে তারাতারি যা রেডি হ। ৮:৩০ এ তোর ফিজিক্স প্রাইভেট আছে। তারপর কলেজ করে বাসায় ফিরবি।
.
আমি: আজকে না হয় না যাই প্লিজ!!!!
.
আম্মু: মার খাওয়ার আগে তারাতারি যা। আর এই তুই অনিকের শার্ট পড়ছিস আবার? কি আবোলতাবোল জিনিস পড়ে থাকিস এগুলো? তোকে আমি জামাকাপড় কিনে দেই না?
.
আমি: শার্ট পড়তে মন চাইছিলো তাই পড়ছি। আমার ভাইয়ের শার্ট আমি পড়ছি। বাই দ্য ওয়ে,, নবাবজাদা কই?
.
আম্মু: আমার ছেলে তোর মতো কুঁড়ে হয়। অনিক মর্নিং ওয়াকে গেছে। এখন তুই বকবক না করে তারাতারি যা তো। তোদের সবকিছু রেডি করে দিয়ে আমারও ক্লিনিকে যেতে হবে।


আমি আমার রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। সাইন্স নিয়ে পড়তে পড়তে জীবনটা তামা তামা হয়ে গেলো। আম্মু নিজে ডাক্তার, তাই আমাকেও বানাতে চায়। কিন্তু আমার মেডিকেল পড়ার প্রতি আগ্রহ নেই। ইন্টারমিডিয়েটে সাইন্স পড়তেই তো বেহাল অবস্থা। দুই মাস পর ইয়ার চেন্ঞ্জ পরীক্ষা। তাই পড়ালেখার বেশ চাপ। ফ্রেশ হয়ে, রেডি হয়ে, ব্যাগ নিয়ে নাস্তা করতে গেলাম।


অনিক: গুড মর্নিং, আপি!
.
আমি: মর্নিং মর্নিং! কি খাস?
.
অনিক: বয়েল্ড এগ আর ভেজিটেবল স্যালেড। খাবা?
.
আমি: ধুর! সরা তোর ভেজিটেবল। আম্মু আমার পরোটা আর চা দাও।
.
অনিক: তুমি প্রতিদিন এই পরোটা আর চা তে কি পাও? পরোটাতে কত্ত তেল থাকে আর তুমি তো ইচ্ছা মতো চিনি দিয়ে চা কে শরবত বানাও। সকাল সকাল এইসব খাওয়া ঠিক না, আপু।
.
আমি: তুই তোর ঘাসপাতা গিল। তুই কি বুঝবি পরোটা চায়ের মজা??
.
আম্মু: এই নে অরি, তোর চা আর পরোটা। চুপচাপ দুইজন খেয়ে নাও।


আমি খাওয়ার পর বেরিয়ে পড়লাম। পকেটে অনেকগুলো বাদাম নিলাম। সারা রাস্তা খাবো আর যাবো। প্রাইভেট শেষ করে, কলেজে গেলাম। একটার পর একটা বোরিং বোরিং ক্লাস এ্যাটেন্ড করলাম। ৪র্থ বেন্ঞ্চে বসি আমি,নিলিমা(নিলি),ঝুমুর(ঝুম) আর ইরা। প্রতিদিন আমরা ৪ জন একসাথে বসি। অনেক মজা করি। আমাদের ৪ জনের বন্ধুত্ব অনেক গভীর।

কলেজ শেষ করে, ৪ জন একসাথে গল্প করতে করতে বের হলাম। সোজা গেলাম চটপটির দোকানে। চটপটি ছাড়া দিনই অসম্পূর্ণ। চটপটি খেতে খেতে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে যার যার বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। বেশ ভালোই কড়া রোদ পড়েছে আজ। আমি বাস স্ট্যান্ডের কাছে এসে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। রাস্তার সাইড দিয়ে ছোট্ট একটা বিড়ালের বাচ্চা হাটছে। " Aww" কত্ত কিউট একটা বিলাই😍😍


আমি এক দৃষ্টিতে বিড়ালের দিকে তাকিয়ে আছি। বিড়ালটা হাঁটতে হাঁটতে রোডে চলে গেলো। রাস্তাও অবশ্য ফাঁকা, কিন্তু যদি কোনো গাড়ির নিচে চাপা পড়ে? তাই আমি বিড়ালটিকে রাস্তা থেকে সরাতে যাচ্ছিলাম। যাওয়া শুরু করতেই কোথা থেকে যেনো একটা কালো কার স্পিডে চলে আসছিলো। আমি দৌড়ে গেলাম বিড়ালটিকে তুলতে। বিড়ালটিকে দ্রুত হাতে তুলে সরে এলাম। আর একটু হলেই গাড়িচাপা পড়তো। মেজাজটা তো খারাপ হয়ে গেলো। গাড়িটা অল্প একটু সামনে গিয়েই থেমে গেলো। কিন্তু কেউ গাড়ি থেকে নামছে না।

ভাবলাম দাঁড়া ব্যাটা আজকে তোকে মজা দেখাচ্ছি। বিড়ালটিকে হাতে নিয়েই আমি গাড়ির দিকে এগোচ্ছিলাম।


...(next part Pete add diye sathei thakun)
.
.
বিড়ালটা হাতে নিয়েই গাড়ির দিকে এগোচ্ছিলাম। আজব! কেউ গাড়ি থেকে নামছে না! একটু উঁকিও তো মানুষ দেয়, নাকি?
গাড়িটা পুরো ব্ল্যাক কালারের। কিছুই দেখা যাচ্ছেনা ভালোমতো। আমি গাড়িটির সামনে দাঁড়িয়ে জানালায় নক করলাম। নক করার পরেও জানালার গ্লাসটা একটু নামালো না আর গাড়ি থেকেও কেউ বের হলো না। কেমন অভদ্র মানুষ! আমি আরেকবার জানালায় নক করতেই, গ্লাসটা একটুখানি নামালো। তারপরেও কিছুই দেখতে পাচ্ছিনা। এমনভাবে গ্লাসটা খুলল যে, ভেতর থেকে আমায় দেখতে পাচ্ছে কিন্তু আমি পাচ্ছিনা।

আমার কিছুই যায় আসেনা। ভেতরে কে আছে সেটা দেখার জন্য তো আর গাড়ির জানালার সাথে বানরের মতো ঝোলাঝুলি করতে আসিনি আমি। আমি এসেছি কথা শোনাতে। দেখা গেলেই কি আর না গেলেই কি।


আমি : ও হ্যালো মিস্টার! গাড়িকে কি উড়োজাহাজ মনে করেন নাকি? এত্ত সুন্দর একটা বিলাইয়ের বাচ্চা চোখে পড়ে না? নাকি কাইল্লা মার্কা গাড়িতে থাকতে থাকতে চোখে ছানি পড়ছে??


আমি কথা বলেই যাচ্ছি। কিন্তুু অপাশ থেকে কোনো শব্দই আসছে না। আরও কিছু বলার জন্য মুখ খুলতেই, হঠ্যাৎ গ্লাসটা আবার বন্ধ করে দিলো। গাড়ি নিয়ে সোজা চলে যাচ্ছে। আমি হা করে যাওয়া দেখছি। কত অভদ্র মানুষ! মনে মনে বলছি, শয়তান লোক মাঝ রাস্তায় যেন তোর গাড়ি খারাপ হয়ে যায়!

বিড়ালটিকে ফুটপাতের একটা সাইডে ছেড়ে দিয়ে রিকশা নিলাম। ফুপির বাসায় যাচ্ছি ডিরেক্ট। দাদীও আমাদের সাথেই থাকে। দুইদিনের জন্য ফুপির বাসায় গিয়েছিলো। আজ আমার দাদীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা। আমার নিজের বাড়ির পর সবচেয়ে বেশি ভালো লাগার জায়গা হলো ফুপির বাসা। প্রায় সময় তো আমার ফুপির বাসায়ই কাটে।
আমার যখন ৭ বছর বয়স, তখন আব্বু মারা যান। দাদী গ্রামে থাকতেন।আব্বু মারা যাওয়ার পর আমাদের কাছে চলে আসেন। আম্মুও সারাদিন ক্লিনিকে ব্যস্ত থাকে। ফুপি আর ফুপা আমাকে আর অনিককে নিজের সন্তানের থেকে বেশী আদর করে। আমার আর ফুপার বন্ডিংটা বেস্ট। ফুপা সবসময় বলে, "অরি হলো আমার বড় মেয়ে"...যেকোনো ধরনের কথা আমি ফুপার সাথে শেয়ার করতে পারি। একদম বন্ধুর মতো।

রিকশার ভাড়া মিটিয়ে ফুপির বাসার ভিতর ঢুকতেই আমার জান দুইটা আমার কাছে এসে আমায় জড়িয়ে ধরলো। প্রিয়া আর প্রীতি আমার জমজ দুইটা আদরের ফুপাতো বোন। অনিকের সমান একটা ফুপাতো ভাইও আছে, পিয়াস। পিয়াস আর অনিক একই ক্লাসে একই স্কুলে পড়ে। আমি ব্যাগ খুলে পিচ্চি দুইটার দিকে চকলেট এগিয়ে দিতেই হাত থেকে নিয়ে দৌড় দিলো।


দাদী: কি রে অরি! এতো দেরি কেনো? আমি কখন থেকে রেডি হয়ে বসে আছি তোর জন্য।
.
আমি: কেনো গো, দীদা? তোমার মেয়ে বুঝি তোমায় খেতে দেয় না! তাই আমার পথ চেয়ে বসে আছো?


পেছন থেকে ফুপি এসে কানটা টেনে ধরলো।
.
.
ফুপি: খালি পাকা পাকা কথা, তাই না? যা ফ্রেশ হয়ে এসে লান্ঞ্চ কর তারাতারি।
.
আমি: এই যে তুমি আমায় নির্যাতন করছো, তো? ফুপাই শুধু আসুক। সব বলে দিবো।
.
ফুপি: ওরে আমার ফুপাই এর ভাতিজি রে! তারা তারি লান্ঞ্চ কর তো। পিচ্চি দুইটাকেও সাথে নিয়ে বস। তখন থেকে বলেই যাচ্ছে, আপুণি এলে খাবো। তোর কথা ছাড়া এখন আর কারও কথাই শুনবে না।


আমি ব্যাগ রেখে ফ্রেশ হয়ে পুচকিগুলোর কাছে গেলাম।

আমি: দিলবারস!! আসো বেবি..খাবানা?
.
প্রীতি: অরিপু, আমায় কোলে নাও।
.
প্রিয়া: না অরিপু! আমায় কোলে নাও।


আমি আমার দুই দিলবারকেই কোলে করে এনে প্লেটে ভাত বেড়ে নিলাম। তারপর মাছের কাঁটা বেছে বেছে ওদেরও খাইয়ে দিলাম আর নিজেও খেয়ে নিলাম। কিছুক্ষণ পরই দাদীকে নিয়ে বাসায় ফিরলাম।

আম্মু রান্না করে রেখেই গেছে। আমরা তো খেয়েই এসেছি। শুধু অনিক ফিরলে খাবে।

রাতে আম্মু ফিরার পর সবাই একসাথে ডিনার করে, যার যার রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।

পরের দিন ঐ একইরকম প্রাইভেট, কলেজ চলল। কলেজ শেষে আমি,নিলি,ঝুম আর ইরা চটপটির অর্ডার দিয়ে চুটিয়ে আড্ডা মারছি। একটু পরেই খেয়াল করলাম, রাস্তার এক সাইডে কালো একটা গাড়ি দাড় করানো।

কৌতুহল জাগলো মনে। কিছুক্ষণ ভালো মতো চেয়ে থেকে বুঝলাম, এইটা তো কালকের ঐ মিস্টার অভদ্রর সেই কাইল্লা গাড়িটা। আজকেও এখানে কি করে? ধুর! যা মন চায় করুক। আমার কি?

চটপটি খেয়ে ওরা তিনজন চলে গেলো। আমি রিক্সার জন্য অপেক্ষা করছি। কিন্তু একটা রিক্সাও পাচ্ছিনা। রোদও পড়েছে খুব। আরেকবার তাকিয়ে দেখলাম গাড়িটা এখনও ওখানেই দাঁড়িয়ে আছে। রোদের তাপ আর ভালো লাগছে না। রিক্সা না পেয়ে লোকাল বাসেই উঠে পড়লাম। বাসে উঠতেও আমার বেশ লাগে। বাসে উঠলে নিজেকে বড় বড় মনে হয়। ভাড়া দিতে গিয়ে ঝগড়া করি ইচ্ছা করে। মজা লাগে।

বাসে উঠার পর বাসের জানালার বাহিরে হাত বের করে পানি দিয়ে হাত ধুচ্ছিলাম। হঠ্যাৎ কিছুটা পেছনে নজর পড়তেই, চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো। এই কাইল্লা গাড়ি বাসের পিছু পিছু আসে কেনো? নাহ! হয়তো একই রাস্তায় যাওয়া দরকার তাই হয়তো।

কিছুক্ষণ পড়ে দেখি, তাও গাড়িটা বাসের পেছনে। সেদিন তো বিলাইকে উপেক্ষা করে খুব স্পিডে গাড়ি চালাচ্ছিলো। এখন বাসকে ওভারটেক করে যায় না কেনো? সেদিন মনে মনে বলেছিলাম, এই গাড়িটা যেন খারাপ হয়ে যায়। সেই কথাটা সত্যি হয়ে আবার গাড়ির স্পীড কমে গেলো নাকি? এমনটা হলে একদম ঠিক হয়েছে।

বাদাম চিবোতে চিবোতে বাকি রাস্তা কেটে গেলো। বাস থেকে নেমে, গলি তে ঢোকার আগেই দেখলাম, গাড়িটা না থেমে আমার সামনে দিয়ে চলে গেলো।
আমিও আর এই বিষয় নিয়ে কিছু ভাবলাম না। সোজা বাসায় চলে আসলাম।

বাসায় এসে দেখি দীদা ঘুমুচ্ছে। আমি গোসল করে খেয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম। খুব ক্লান্ত। আজ আবার ডান্স ক্লাসও আছে। আমি,ইরা,ঝুম আর নিলি মিলে একটা ডান্স ক্লাস চালাই। ছোট থেকেই আমার নাচের প্রতি খুবই ঝোঁক। ছোট থেকেই শিখেছি। এখন নিজে শিখছিও আর অন্যদের শিখাচ্ছিও। আমি আর ঝুম মূলত নাচ শিখাই। নিলি আর ইরা অন্য কাজ করে। একটা মেডামও আছে আমাদের সাথে। আমি নাচ শেখাই সপ্তাহে তিনদিন। শনি,সোম,বুধ। বাকি দিন ঝুম। আজ সোমবার।

এক ঘন্টা ভালোই ঘুম দিয়ে উঠলাম। পরে ডান্স ক্লাসের জন্য রেডি হয়ে নিলাম। অনিকও ফিরে এসেছে। দীদা আর অনিককে রেখে আমি বেরিয়ে পড়লাম।
ডান্স ক্লাসে পৌঁছে ক্লাস শুরু করে দিলাম। বদ্ধ ঘরে নাচতে ভালো লাগে না। তাই গার্ডেনে চিলেকোঠার মতো কিছুটা দেখতে একটা জায়গা ভাড়া নিয়েছি। ওখানেই নাচ শেখাই।

কিছুক্ষণ প্র্যাকটিস করানোর পর ১০ মিনিটের বিরতি দিলাম। পানির বোতল হাতে আমি আর নিলি একটা সাইডে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। কথা বলতে বলতে কিছুটা সামনে চোখ পড়তেই অবাক হলাম। আবার সেই কালো গাড়ি! না না, একইরকম দেখতে তো অনেক গাড়িই থাকতে পারে। সেদিন কলেজের সামনে গাড়িটার আগা গোড়া পর্যবেক্ষণ করতে করতে গাড়ির নাম্বার মুখস্থ হয়ে গেছে। একটা স্টুডেন্টকে পাঠালাম গাড়ির নাম্বার টা দেখে আসতে। মেয়েটা দেখে এসে নাম্বার টা বলতেই দেখি নাম্বার টা ঐ গাড়ির সাথে সম্পূর্ণ মিলে গেলো। এই গাড়ি এইখানে কি করে? আগে তো কখনও দেখিনি। কেয়িনসিডেন্স না হয় একবার হয়। তাই বলে বার বার? নিশ্চয়ই কোনো না কোনো ঘাপলা আছে।

একটু পরে দেখলাম, গাড়িটা চলে গেলো। বিরতি শেষ হওয়ার পর বাকি ক্লাস নিয়ে বাসায় ফিরলাম। গাড়ির ব্যাপারটা মাথা থেকে নামছেই না।


......চলবে......

Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label