নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

Golpo বাড়িওয়ালার_দুষ্টু_মেয়ে (৬ষ্ট পার্ট)

#বাড়িওয়ালার_দুষ্টু_মেয়ে
(৬ষ্ট পার্ট)
Writer:-  SA Shaheen Alam
.
.
আমি আর রিমি কলেজের ভিতরে
প্রবেশ করলাম। রিমি বলল,
.
-- স্যার, আপনি কলেজের আশেপাশটা
ঘুরে দেখেন... আমি ক্লাসে যাই।
এমনিতেই দেরি হওয়ার
কারণে ১ম ক্লাসটা মিস হয়ে গেছে।
.
-- ওহ্... তা তোমার ক্লাস
শেষ হবে কখন.?
.
-- দেরি হবে অনেক.! আপনি এক
কাজ করেন, কলেজে আপনার কি কি
কাজ আছে, সেগুলো সব শেষ
করে ক্যাম্পাসের দক্ষিণ পাশের বড়
আম গাছটার নিচে থাকিয়েন।
আমি ক্লাস শেষ করে ওখানে আসবো।
.
-- আচ্ছা।
.
-- তাহলে আমি এখন
ক্লাসে যাই.?
.
-- ঠিক আছে, যাও।
.
-- হুমম।
.
রিমি ওর ক্লাস রুমে চলে গেল আর
আমি কলেজের চারিপাশটা ঘুরে-ঘুরে
দেখতে লাগলাম।
কিছুক্ষণ এদিক-সেদিক ঘুরাঘুরির পর
অফিস রুমে গেলাম। সেখানে গিয়ে ভর্তির
কাজগুলো সব সম্পূর্ণ করলাম।
.
আঙ্কেল আগেই কলেজে ফোন দিয়ে সব
বলে রাখার কারণে ভর্তি হতে খুব
একটা ভেজাল হলো না।
কলেজে ভর্তি হওয়ার পর আমি
ক্যাম্পাসের দক্ষিণ পাশের বড় আম
গাছটার নিচে গিয়ে বসলাম।
আশেপাশে তাকিয়ে সবার কাজ-কর্মগুলো
দেখতে লাগলাম।
.
ক্যাম্পাসের মাঠে অনেক ছেলে-মেয়ে
বসে আড্ডা দিচ্ছে, অনেকে বসে
বই পড়ছে, আবার কেউ গিটার বাজিয়ে
গান গাইছে.!
অনেকে আবার প্রেমও করছে.!
আমার ঠিক পিছনে বসে এক জোড়া
কপোত-কপোতি মিষ্টি-মিষ্টি
প্রেমের কথা বলছে।
একজন আরেক জনকে বাদাম
খাইয়ে দিচ্ছে।
.
আমি এসব দেখে একটা দীর্ঘশ্বাস
ছাড়লাম।
আমার কপালে মনে হয় এসব নেই.!
আজ পর্যন্ত একটা মেয়ের সাথে ভালো
করে কথাই বলতে
পারলাম না, প্রেম তো দূরে থাক।
সত্যি-ই আমার কপালটাই খারাপ.!
এই পোড়া কপালে মনে হয়
প্রেম-ভালোবাসা নেই।
সারাজীবন সিঙ্গেল থাকাই লেখা আছে।
.
আমি চুপচাপ বসে থেকে সবার
প্রেম-ভালোরাসা দেখতে লাগলাম।
এ ছাড়া আমার আর কি-ই বা
করার আছে.?
.
.
.
এদিকে রিমি ক্লাস শেষ করে ওর
বান্ধবীদের নিয়ে কলেজের পিছনে পুকুর
পাড়ে গিয়ে বসলো।
বাদামওয়ালাকে ডেকে বাদাম কিনলো।
রিমির বান্ধবী মিথিলা, বাদামের খোসা
ছাড়াতে ছাড়াতে রিমিকে বলল,
.
-- রিমি, তখন দেখলাম তোর সাথে
একটা ছেলে কলেজে আসলো।
তুই ছেলেটার সাথে কথাও বলতেছিলি.!
ছেলেটা কে রে.?
আগে তো কখনো দেখি নি.!
.
মিথিলার সাথে রিমির অন্য বান্ধবীগুলোও
এক জোটে বলে উঠলো,
.
-- হ্যা, হ্যা... আমরাও দেখেছি.!
ছেলেটা কে রে, রিমি.?
.
-- আমার স্যার.!
.
সরাসরি উত্তর দিল রিমি। রিমির কথা
শুনে সবাই চমকে উঠলো।
একদম 'থ' মেরে গেল।
অবিশ্বাসের চোখে সবাই রিমির দিকে
তাকালো।
রিমির বান্ধবী ইতু বলল,
.
-- What..?? ওই ছেলেটা
তোর স্যার.?
.
রিমি মুখ ভেটকে উত্তর
দিলো,
.
-- হুমম। গতকাল রাতে বাবা ওকে
কোত্থেকে যেন নিয়ে এসেছে।
আমি এসবের কিছুই জানতাম না।
সকাল বেলা জানতে পারলাম।
মা বলল, ওই ছেলেটা নাকি আজ থেকে
আমাকে পড়াবে।
ছেলেটা নাকি আমার
স্যার.!
.
রিমির কথা শুনে ওর বান্ধবী
তানজিলা অবাক গলায় বলল,
.
-- ছেলেটাকে দেখে তো বেশি
বয়স মনে হলো না।
তাহলে এত কম বয়সে তোর স্যার
হলো কিভাবে.?
আর তোকে পড়াবেই বা কি.?
.
-- ধুররউ.! বালের স্যার আমার.!
ওকে স্যার বলতে আমার ঠ্যাকা পড়ছে।
আসলে সেদিন মৃনাল স্যারকে তাড়িয়ে
দেওয়ার পর থেকেই মা-বাবা
দু'জনেই আমার উপর প্রচন্ড রেগে আছে।
আবার আজ সকালে বাবা আমাকে
ওয়ার্নিংও দিছে.! বলছে, এবার যদি আমি
উল্টা-পাল্টা কিছু করি তাহলে আমাকে
বাড়ি থেকে বের করে দিবে।
তাই তাদের ঠান্ডা করার জন্য
একটু অভিনয় করছি।
না হলে ওর মতো বাঁন্দরকে কে
স্যার বলে ডাকবে.?
.
-- ওহ্... তা ছেলেটার
নাম কি রে.?
.
-- উমম... মা কি যেন নাম বলল.?
ও হ্যা, মনে পড়েছে... ছেলেটার
নাম শাহিন.!
.
-- ভালো। কিসে পড়ে.?
.
-- আমাদের কলেজে অনার্স
১ম বর্ষে ভর্তি হয়েছে।
.
-- ওহ্... থাকে কোথায়.?
.
-- আমাদের বাড়িতে থাকবে আর
আমাকে পড়াবে।
.
-- কি তোদের বাড়িতে
থাকবে.?
.
-- হুমম।
.
এবার রিমির বান্ধবীরা সবাই একসাথে
হেসে উঠলো।
হাসতে হাসতে ইতু বলল,
.
-- আগে বলবি না.! তাহলে তো
ছেলেটা এবার শেষ.!
তা এটা যেন তোর কত
নাম্বার মুরগী.?
.
রিমি কিছুক্ষণ ভেবে
উত্তর দিলো,
.
-- উমম... মনে হয় ১৮ নাম্বার.!
.
-- ওহ্... তা এই মুরগীটাকে কিভাবে
শায়েস্তা করবি.?
কিভাবে একে বাড়ি থেকে তাড়াবি.?
.
-- ভাবছি। তবে একে আলাদা
ভাবে টাইট দিতে হবে।
শালা, আমাকে কাজের মেয়ে বলেছে।
ওকে আমি মজা বোঝাবো.!
কত ধানে কত চাল তা হারে হারে
টের পাওয়াবো। আমাকে চিনে না, হু...
.
-- কি.? ছেলেটা তোকে কাজের
মেয়ে বলেছে.?
.
রিমির বান্ধবীরা অবাক হয়ে প্রশ্ন
করলো। রিমি কিছুটা
রাগী স্বরে বলল,
.
-- তাহলে, আর বলছি কি...
ওই বাঁন্দরটা আমাকে সত্যি সত্যি কাজের
মেয়ে বলেছে.!
.
-- তা, তোকে কাজের মেয়ে
বলেছে কেন.?
.
-- আমাকে দেখতে নাকি কাজের
মেয়েদের মতো লাগে.!
ভাব একবার, বজ্জাতটার সাহস কতো.!
আমাদের বাড়িতে এসে আমাকেই
কাজের মেয়ে বলে.!
.
-- তাহলে তো দেখছি ছেলেটাকে
সাইজ করতে হয়.!
.
-- তোদের কিছু করতে হবে না। ওর জন্য
আমি একাই যথেষ্ট.!
এই রিমির আসল রূপ ও এখনো দেখে নি।
ও জানে না আমি কতটা ভয়ংকর.!
দেখিস ১ সপ্তাহের মধ্যেই শাহিন বাপ
বাপ বলতে বলতে আমাদের বাড়ি
থেকে পালাবে।
আমাকে পড়াতে আসছে রে.!
শাহিন হয় তো জানে না, এই রিমি কারো
কাছে পড়ে না... সবাইকে পড়ায়.!
দেখিস, শাহিনের আমি কি অবস্থা করি.!
ওকে কচু কাটা করে আগুনে পোড়াবো.! তবেই
আমার শান্তি।
.
-- ওকে, অল দি বেস্ট.! দোআ করি
যাতে এই মুরগীটাকে তুই
চিকেন ফ্রাই বানাতে পারিস.!
.
কথাটা বলে সবাই হাসা শুরু করে দিল।
কিন্তু মিথিলার মন খারাপ।
মিথিলা মুখ ভার করে রিমিকে বলল,
.
-- শাহিনের সাথে ওমনটা
করার কি দরকার.?
.
মিথিলার কথা শুনে রিমি ওর দিকে
ভ্রু-কুচকে তাকালো।
কপাল ভাজ করে বলল,
.
-- কেন রে.? তোর এত জ্বলছে
কেন.?
.
-- কারণ শাহিনকে আমার
ভালো লেগেছে.!
.
-- কি.? শাহিনকে তোর
ভালো লেগেছে.?
.
রিমি অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো।
মিথিলা মুচকি হেসে উত্তর দিল,
.
-- হুমম।
.
রিমি এবার রাগে চোখ লাল করে
মিথিলাকে বলল,
.
-- মাথা ঠিক আছে তোর.?
কি সব উল্টা-পাল্টা কথা বলছিস.?
ওই হাবলুকে তোর ভালো লেগেছে.!
মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি.?
.
-- আমার মাথা ঠিক-ই আছে।
তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে।
আর আমি যা বলেছি একদম ঠিক বলছি।
শাহিনকে আমার ভালো লেগেছে.!
.
-- দেখ, মিথিলা.! তোকে একটা কথা
পরিষ্কার করে বলে দেই... তুই শাহিনের
ধারের কাছেও যাবি না।
.
-- কেন.? তোর এত
সমস্যা কেন.?
আমার শাহিনকে ভালো লাগাতে
তোর এত ফাটছে কেন.?
.
-- কারণ ওটা আমার শিকার.!
তাই ওর দিকে নজর দিলে খবর
খারাপ করে দিব.!
.
-- তোর শিকার মানে.?
আচ্ছা, একটা কথা বল তো, তুই পড়ালেখা
না করে এসব দুষ্টুমি করে কি মজা পাইস.?
কেন নিজের লাইফটাকে এভাবে
নষ্ট করছিস.?
.
মিথিলার কথা শুনে রিমি
হেসে উত্তর দিল,
.
-- নষ্ট কোথায় করছি.? আমি তো আমার
লাইফটাকে এনজয় করছি.!
.
-- তাই বলে এভাবে.? লেখাপড়াকে
বির্সজন দিয়ে.! কেন, বল তো.?
এর আগেও তুই অনেকগুলো টিচারকে
প্ল্যান করে তাড়িয়ে দিয়েছিস। আবার এখন শাহিনকেও তাড়ানোর প্ল্যান করছিস.!
আচ্ছা, এসব না করে মন দিয়ে
পড়ালেখা করতে কি হয়.?
পড়ালেখার পর তুই দুষ্টুমি
কর না... তখন তো আর কেউ
তোকে দুষ্টুমি করতে মানা করবে না।
.
মিথিলার এমন উপদেশমূলক কথা
শুনে রিমির গা জ্বলে উঠলো।
রাগে বসা থেকে উঠে দাঁড়ালো।
তারপর মিথিলাকে ধমক দিয়ে বলল,
.
-- এই শোন মোটকি, একদম আমাকে
জ্ঞান দিতে আসবি না।
আমি তোর চেয়ে এসব ভালো বুঝি.!
আর আমাকে জ্ঞান না দিয়ে
নিজের শরীরের দিকে একটু নজর দে।
দিনদিন তো ড্রাম হয়ে যাচ্ছিস.!
আবার আসছিস আমাকে জ্ঞান দিতে.!
যত্তসব ফাউল মেয়ে-ছেলে.!
.
কথাগুলো বলে রিমি হনহন করে সেখান
থেকে চলে আসলো।
ক্যাম্পাসের দক্ষিণ পাশের বড় আম
গাছটার নিচে এসে দেখলো, শাহিন সেখানে
বসে আছে।
রিমি নিজেকে একটু শান্ত করে শাহিনের
পাশে গিয়ে দাঁড়ালো।
মিষ্টি স্বরে বলল,
.
-- বাড়ি যাবেন না, স্যার.?
.
আচমকা রিমির কথায় শাহিন চমকে
উঠলো। তাড়াহুরো করে পিছনে
ঘুরে তাকালো।
দেখলো রিমি দাঁড়িয়ে আছে।
বলল,
.
-- তোমার ক্লাস শেষ.?
.
-- হ্যা, স্যার। চলেন এখন
বাড়ি যাই।
.
কথাটা বলে রিমি একটা দুষ্টু হাসি দিল।
মনে মনে বলল, "বাড়িতে খালি
চলেন না, দেখবেন আপনার আমি
কি হাল করি.!"
.
--  কি হলো, রিমি কি
ভাবছো.?
.
-- কিছু না, স্যার।
.
-- ওহ্... বাড়ি যাবে না.?
.
-- হুমম, যাবো। চলেন।
.
-- চলো।
.
অতঃপর আমি আর রিমি বাড়ির
উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
বাড়িতে পৌছাতে পৌছাতে প্রায় দুপুর
হয়ে এলো। খুব ক্লান্ত লাগছিল বলে রুমে
এসে শুয়ে পরলাম।
কখন যে ঘুমে চোখটা লেগে এসেছে
বুঝতে পারি নি।
.
হটাৎ কারো ডাকে আমার ঘুম ভেঙে গেল।
চোখ খুলে দেখি আন্টি পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
আমি শোয়া থেকে উঠে বসলাম।
আন্টি ভ্রু-কুঁচকে বললেন,
.
-- কি ব্যাপার শাহিন, ভর দুপুরে
ঘুমাচ্ছো কেন.?
শরীর খারাপ নাকি.?
.
-- না, আন্টি। এমনি শুয়ে
ছিলাম।
.
-- ওহ্, খেতে চলো... আমি টেবিলে
খাবার দিয়েছি।
.
-- জ্বি, আন্টি... আমি গোসলটা
সেরেই খেতে যাচ্ছি।
.
-- কি.? তুমি এখনো গোসল
করো নি.?
.
-- না, আন্টি।
.
-- দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে চললো
আর তুমি এখনো গোসল করো নি.!
.
-- হুমম।
.
-- তা কেন গোসল করো নি
সেটা কি জানতে পারি.?
.
-- আসলে আন্টি, কলেজ থেকে
ফিরে খুব ক্লান্ত লাগছিল তো তাই
একটু ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
.
-- ওহ্... ঠিক আছে, তাড়াতাড়ি
গোসল করে খেতে আসো।
আরেকটা কথা, আমাদের বাড়িতে
থাকতে হলে অনিয়ম করলে চলবে না।
ঠিক টাইমে গোসল
করতে হবে, খেতে হবে, ঘুমাতে
হবে, উঠতে হবে, আবার পড়ালেখাও
করতে হবে.!
.
-- জ্বি, আন্টি।
.
-- হুমম।
.
তারপর আন্টি চলে গেল আর আমি
গোসল করতে গেলাম।
গোসল করা শেষ করে নিচে
খেতে গেলাম।
নিচে গিয়ে দেখি, রিমি আর আন্টি
খাবার টেবিলে বসে আছে।
আমি গিয়ে রিমির পাশে বসলাম।
আন্টি প্লেটে খাবার বেড়ে দিল।
আমি আর রিমি খাওয়া শুরু করলাম।
খেতে খেতে আন্টিকে বললাম,
.
-- আন্টি, আঙ্কেল কোথায় গেছে.?
দেখছি না যে.!
.
-- তোমার আঙ্কেল, অফিসে গেছে।
ফিরতে রাত হবে।
.
-- ওহ্...
.
-- হুমম।
.
.
.
আমি খাওয়া-দাওয়া শেষ করে রুমে
চলে আসলাম।
কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে রিমিকে পড়ানোর
জন্য ওর রুমে গেলাম।
রিমির রুমে গিয়ে দেখি, রিমি বিছানার
উপর বসে গালে হাত দিয়ে কি যেন ভাবছে।
আমি আস্তে করে একটা কাশি দিলাম
কিন্তু রিমির ঘোর কাটলো না।
ও এক ধ্যানে কি যেন ভেবেই যাচ্ছে।
আমি রিমির ধ্যান ভাঙানোর জন্য আস্তে
করে রিমিকে ধাক্কা দিলাম। রিমি চমকে উঠলো।
অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো।
তারপর নাক কুঁচকে বলল,
.
-- স্যার, আপনি.?
.
-- হুমম। বই নিয়ে টেবিলে
বসো।
.
-- স্যার, এখন পড়াবেন.?
.
-- হুমম।
.
-- এখন পড়তে ইচ্ছা করছে
না, স্যার। রাতে পড়বো।
.
-- না, রাতে আমার পড়া আছে।
তুমি বই নিয়ে টেবিলে বসো।
আমি এখন-ই পড়াবো.!
.
-- জ্বি, স্যার। (মুখ গোমড়া করে)
.
আমার কথামতো রিমি বই নিয়ে
টেবিলে বসলো। আমি গিয়ে রিমির
সামনের চেয়ারে বসলাম।
রাগী রাগী ভাব নিয়ে বললাম,
.
-- ইংরেজি বইটা
বের করো।
.
-- দাঁড়ান স্যার, আগে
খেয়ে নিই.!
.
-- এখন আবার কি
খাবে.? (অবাক হয়ে)
.
-- দেখাচ্ছি...
.
কথাটা বলে রিমি ওর জ্যামিতি
বক্স থেকে একটা সিগারেটের
প্যাকেট বের করলো।
আমি সিগারেটের প্যাকেট দেখে অবাক
হলাম। রিমি কি সিগারেট খাই নাকি... ???
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
চলবে.....??????
.
#প্রেম_বিশেষজ্ঞ
.
গল্পটা কেমন হচ্ছে কমেন্টে জানান। আর আগের পার্টগুলো টাইমলাইনে আছে।
.
ধন্যবাদ.!
হ্যাপি রিডিং... ♥♥♥
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label