নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

Ex এর প্রতিশোধ পাটঃ৩

#Ex এর প্রতিশোধ
#পাটঃ৩
#লেখকঃ নীরির আব্বু

আগের পাট গুলো আমার টাইম লাইনে দেওয়া আছে

রিমির বাবার অনেক টাকা আমার সাথে রিমির বিয়ে দিবে না বলেই আমি রিমির ভালোর জন্য ব্রেক আপ করে আসছি। আমি রিমির ভালোর জন্য বললাম কারন পরে যদি তার বাবা আমার সাথে বিয়ে না দেয় তাহলে
তাহলে রিমি নিজেকে শেষ করে দিবে। তাই আমি মিথ্যা বলে ব্রেক আপ করে আসলাম।

হঠাৎ করে জয়ের ডাকে বাস্তবে ফিরলাম। (তারমানে এতক্ষন আমি ধান্দা দেখছিলাম।)
জয় বলতে লাগলো,,,,,
জয়ঃ কিরে দুপুর হয়ে গেছে খাইতে যাবি না।
আমিঃ না রে আজকে কয়েকটা কাজ জমা পরে আছে(দেরিতে আসছি তো তাই কয়েকটা ফাইল জমা হয়েছে)
জয়ঃ আরে খেয়ে এসে কাজ করিস।
আমিঃ তুই যা আমি পরে খেয়ে আসবো।
জয়ঃ আচ্ছা।
জয় চলে গেলো আর আমি কাজে মন দিলাম। একটু পর আমার পাশ্বের ডেস্কের অরনি নামের মেয়েটা বলল,,,,,
অরনিঃ কি ব্যাপার নীল সাহেব খেতে যাবেন না।
আমিঃ আজকে খাওয়া হবে না। কয়েকটা কাজ পরে আছে পরে যাবো।
অরনিঃ ওওওও আচ্ছা। 

অরনি আলে গেল। আমি আবার আমার কাজে মনোযোগ দিলাম।  তারপর আমি কাজ করতে করতে সব ফাইল গুলো প্রায় শেষ করেই ফেলেছি আর মাএ একটা ফাইল আছে।  এদিকে খুব ক্ষুধা লাগছে।  তাই ভাবলাম আর তো মাএ ফাইল আছে তাইলে কেন্টিন থেকে কিছু খেয়ে এসে শেষ করবো।

চলে আসলাম কেন্টিনে।  এ সময় কেন্টিনে কোনো মানুষ থাকে না।   প্রায় ৪-৫ জন আছে। আরে অরনিয় দেখি আছে।  যাই ওর সাথে গিয়ে বসে কিছু খেয়ে নি। চলে গেলাম অরনির কাছে।  গিয়ে,,,,,,
আমিঃ কি ব্যাপার আপনি এখনি কাজে যাননি।
অরনিঃ আমি তো আবার আসলাম কফি খেতে। আপনিও লান্চের পর খেয়ে কাজ করে আবার কফি খেতে আসছেন নিশ্চই।
আমিঃ আরে না লান্চ করতে আসলাম। 
অরনিঃ কিইই ৫ টা বাকে আর এখনো লান্চা করেন নি।
আমিঃ কয়টা বাজে।
অরনিঃ ৫ টা বাজে। এত ক্ষন খালি কাজই করলেন।
আমিঃ হুমমম। আচ্ছা আপনি কি খাবেন।
অরনিঃ আমি অর্ডার দিছি আপনার টা দেন।
আমিঃ আচ্ছা।

তারপর আমি আমার খাবারটা অর্ডার দিলাম।  খাবার চলে এসেছে এমন এমন সময় দেখি রিমি মানে ম্যাডাম আমার  দিকে আসছে। তারপর আমার ভাবনাকে সত্য প্রমান করে দিয়ে আমার কাছে এসে বলল,,,,
ম্যামঃ কি ব্যাপার নীল সাহেব আপনি এখানে আপনাকে যে কাজটা দিয়েছিলাম তা শেষ করছেন।
আমিঃ জ্বী না মানে ম্যাম,,,,,,,
ম্যামঃ কি বলছেন ভালো ভাবে বলেন।
আমিঃ আর একটা ফাইল বাকি আছে।
ম্যামঃ কিইইই তাহলে আপনি এখনো এখানে বসে বসে মেয়েদের সাথে আড্ডা দিচ্ছেন।
আমিঃ নাম ম্যাম খুব ক্ষুধা লেগেছে তো তাই খাইতে আসছি।
ম্যামঃ এই এটা তোর বাপের অফিস যে যখন তখন খেতে আসবি। মেয়েদের সাথে আড্ডা দিবি।
আমিঃ ম্যাম দুপুরে,,,,,,
ম্যামঃ ১০ মিনিটের মধ্যে যেন আমি আমার টেবিলে ফাইল টা পাই।
আমিঃ ম্যাম আমি খেয়েই ফাইল টা নিয়ে আসছি।
ম্যামঃ খেতে হবে না আমার এখুনি চাই।
আমিঃ খাবারটা তো চলে আসছে।
ম্যামঃ তোর খাবার আমি খাওয়াচ্ছি।
বলেই ম্যাম আমার খাবারটা নিচে ফেলে দিল।
আর অরনি আমার পাশে বসে সব দেখছে আর শুনছে কোনে কথা বলছে না।  অরনি কিছু বললে তার চাকরি নিয়ে টানাটানি বেজে যাবে। তাই হয়ত চুপ করে আছে।

আমি চলপ আসলাম ওখান থেকে।  খুব কান্না পাচ্ছে।  একটু ভালো মতো দু বেলা খাবারের জন্য  কাজ করি। আর আজকে সামনে থেকে সেই খাবারটাই ফেলে দিলো। আমি জীবনে কখনো খাবার নষ্ট করিনা।  কারন আমি এখন বুঝি খাবারের জন্য কত কষ্ট করতে হয়। না যাই ফাইলটা শেষ করে ম্যামের কাছে যাই।
ডেস্কে এসে ফাইল টা শেষ করে ম্যামের কেবিনে চলে গেলাম।  তারপর সেখা গিয়ে সব কটা ফাইল জমা দিয়ে আমি আমার ডেস্কে এসে বসে আছি। এমন সময় পিয়নের।  ম্যাম আামরকে নাকি ম্যাম ডাকছে।

চলে আসলাম ম্যামের কাছে,,,,
আমিঃ ম্যাম আমাকে ডেকেছিলেন।
ম্যামঃ হুমমম বসেন।
আমিঃ জ্বী ম্যাম।
তারপর ম্যাম যা করলো তা আমি বিশ্বাস করতে পারছে না। 

চলবে,,,,,,,,,,,,,,

ভুলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন।
,, আমার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।  আগামি পর্বের অপেক্ষা করুন।  গুরুজনকে সন্মান করুন।  আর নামাজ আদায় করুন,,
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label