নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

বেশ্যার আত্মচিৎকার

#বেশ্যার আত্মচিৎকার
#পর্ব ১
#রায়হান রাফী 


10 বছর বয়সে রোড এক্সিডেন্ট মারা যায় কনকের মা বাবা।
মা বাবা মারা যাওয়ার পরে কনক সম্পূর্ণ একা হয়ে যায়।
ককিছুদিন তার এক দুঃসম্পর্কের চাচার বাড়িতে থাকে,,,
কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই চাচার কামুক দৃষ্টি রানীর উপরে পড়ে।
হঠাৎ একদিন রানীকে বাসায় একা পেয়ে চাচা তার কামুক দৃষ্টি সমঝোত করতে পারেনি।
হায়নাদের মতো লেলিয়ে পরে ছোট রানীর উপর।
রানী তো খুব ছোট চাচা কি করছে রানী বুঝে উঠতে পারছে না।
রানী - চাচা আমার ব্যাথা লাগে।
চাচা - একটু আদর করি।
রানী -এভাবে কিভাবে আদর করে,,,খুব কষ্ট হইতাছে চাচা।
চাচা - একটু কষ্ট কর,,,তোকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিব,,,তুই পড়ালেখা করবি।।
রানী - হাচা আমি আবার পড়ালেখা করমু।
চাচা - আরে হ এহন একটু কষ্ট কর।
রানী - আচ্ছা।

কিছু দিন পর ছোট রানীর ভমি ভমি ভাব হতে শুরু করে মাথা ঘুড়ায় পেটের আকার
টাও পরিবর্তন হতে থাকে।।
চাচা বুঝতে পারছে অলরেডি রানী প্রেগন্যান্ট হয়ে গেছে।।
চাচার তো মাথায় হাত এইবার যেই ভাবেই হউক ছোট রানী টাকে ঘর থেকে
বের করতেই হবে।
চাচা শহরের এক নারী খদ্দেরের সাথে কথা বলে।
২০ হাজার টাকা দিবে রানী কে তাদের কাছে দিয়ে দিতে বাকি টা উনারা বুঝে নিবে।।
চাচা খদ্দেরের কথায় রাজি হয়ে যায়।।

চাচা - রানী চল তোকে শহরে বড় স্কুলে ভর্তি করাবো।
তুই বড় স্কুলে লেখাপড়া করবি।।
রানী - হাচা চাচা আমি অনেক অনেক খুশি।
চাচা - তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে ঝা।
রানী - আচ্ছা চাচা।

এতোক্ষন যেই চাচার কথা বলছি উনার নাম করিম মাতাব্বর,,,,
উনার বউয়ের নাম হাজেরা বেগম।।।
হাজেরা বেগম রানী কে প্রচন্ড ভালোবাসে।
কারন রানী দেখতে পরীদের মতো,,,মায়াবি চেহারা মিষ্টি হাসি,,,হরিনি চোখ।
সব মিলিয়ে অসাধারন।
খুব মিষ্টি করে কথাও বলে রানী।
রানী কে শহরে পাঠাবে শুনে হাজেরা বেগম করিম মাতাব্বরের কাছে
জানতে চায় ঢাকা কেন পাঠাবে রানী কে।

করিম মাতাব্বর - নিজে খাইতো পারো পরের মাইয়া খাওইবা?
হাজেরা বেগম - আমরা ঝা খাই আমাদের সাথে দু মুঠো খেয়ে থাকবে।
করিম মাতাব্বর - তোর মতো মহিলা বিয়ে করায় আজ আমার এই অবস্তা।
ওকে বিক্রি করে দিব ২০ হাজার টাকা দিব আমারে।।
একটা কথা তাও বলবি না তাহলে তোকেই ডিভোর্স দিয়ে দিব।।
হাজেরা বেগম - ছিঃ আপনার মতো লোক আমার স্বামী আমার ঘৃনা লাগে।
আসলে আমার কপাল টাই খারাপ।
করিম মাতাব্বর - একটা কথাও বলতে বারন করছি তোরে আমি।
রানী - ও চাচা আমি প্রস্তুত হইছি বের হইবেন না?
আমার পূরনো বই গুলো নেয়া লাগবো নি চাচা?
করিম মাতাব্বর - নানা ওরা নতুন বই দিবে তোরে।।
রানী - আমরা বের হবো কখন?
করিম মাতাব্বর - এইতো এখন ই।
রানী - আমি চাচি কে বলে আসি?
করিম মাতাব্বর - না তোর চাচি অসুস্থ এখন যাওয়া লাগবে না তোর চাচির কাছে।।
রানী - চাচা কি হইছে চাচীর?উনারে অসুস্থ রেখে আমরা বের হবো?
করিম মাতাব্বর - আরে তোরে শহরের বাবুরা স্কুলে নিবনা তো দেরি করলে।
রানী - ও আচ্ছা।
করিম মাতাব্বর - হ বের হ আমি আসতেছি।
রানী - আমি বাড়ির সামনে গিয়া দাড়াই।
করিম মাতাব্বর - হ

#করিম মাতাব্বর হাজেরা বেগমের রুমে ডুকে শাষিয়ে দিয়ে আসলো ঝাতে কেউ
রানীর ব্যাপারে জানতে চাইলে বলে শহরে স্কুলে ভর্তি করাইতে নিচি।
যদি উলটা পালটা বলে তাহলে হাজেরা বেগম কে ডিভোর্স দিয়ে দিব।
তারপর রানী এবং করিম মাতাব্বর দুজনে লঞ্চ যোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
গোটা এক রাত লঞ্চের কেবিনেও করিম মাতাব্বর ছোট রানীর শরীর টা
হায়নার মতো উপভোগ করে।
সকালে ঘুম হীন ফেকাসে মুখের রানী কে নিয়ে খদ্দেরের উদ্দেশ্য রওনা হন
করিম মাতাব্বর।
সেই খদ্দেরের বাসা উত্তর বাড্ডা হোসেন মার্কেট করিম মাতাব্বর এবং রানী সুপ্রভাত
সিটিং সার্ভিস বাস যোগে উত্তর বাড্ডা এসে নামেন।
তারপর সোজা খদ্দেরের বাসা।
রানীর বয়স কম হলেও দেখতে লাম্বা সুন্দর মুখ টা বাটার মতো গোল চোখ গুলো
হরিনী এক কথায় অসাধারণ।
রানী কে দেখেই ওই মহিলার পছন্দ হয়ে যায়।
এতোখন যেই মহিলার কথা বলছি উনি উওর বাড্ডা নারী দেহ ব্যবসার মূল হোতা।
উনার নাম সেফালী বেগম।

রানী - চাচা আমাকে এখানে কেন এনেছেন?
করিম মাতাব্বর - উনি তোরে স্কুলে পড়াইবো।
রানী - ও আমি কি এইখানেই থাকমু?
করিম মাতাব্বর - হ
সেফালী বেগম - হ তুই এইখানেই থাকবি।

#চলবে
.........💙💚💛💜.........
   গল্পটি পরে কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন
....................................................................................
💗💖💕চাইলে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠাতে পারেন 💚💙
❤💓💔💕💖💗💙💚💛💜💝💞💟❣🖤💌
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label