নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

ব্ল্যাক ভাইরাস গল্পের ৬ থেকে সব পার্ট black Virus Golpo First To Last Part

 ব্ল্যাক ভাইরাস গল্পের ৬ থেকে সব পার্ট
Writer:MD.Helal
পর্ব-০৬

রিয়াদ কোমর থেকে একটা রিভালবার বের করে সরি বলে দৌড় দেয়,
এদিকে ক্লাসের স্যার সহ সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে যে এটা কি দেখলাম, অনেকে নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতেও কস্ট হচ্ছে,
সবার মত মাইশাও গোলোক ধাধায় পড়ে যায়,
এটা কি ছিলো? কি হল?কি দেখলাম?
রিয়াদ কই গেলো তা দেখার জন্য, মাইশা বাহিরে যায়,কলেজে হইচই পড়ে গেছে আর মুহূর্তের মধ্যে  কলেজে অনেক গুলো পুলিশের গাড়ি আসে,
কিছুক্ষন পর প্রায় ৪০-৫০জন লোক এক জায়গায় একত্র হল,আর সবার হাতে রিভালবার আর কানে হেডফোন, আর যা দেখা যাচ্ছে তা হল তারা ১২ জন কে ধরেছে,আর একজন স্পট ডেটথ,যা মনে হচ্ছে এটা একটা সিক্রেট মিশন ছিলো,
কলেজের অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়ে ছিলো,একটু পর স্টেজে রিয়াদ কে দেখা যায় মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে ফু দেয়,তারপর,
আসসালামু আলাইকুম,
সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের আনন্দ মাটি করার জন্য,
এই কলেজে আমাকে অনেকে চিনেন দুদু মিয়া নামে কিন্ত আমি দুদু মিয়া না,
আমি এস,আই রানা,তখন রানা, এই কলেজে বড় ধরেনের একটা ক্রাইম হতে চলেছিল আমরা গোয়েন্দার মাধ্যমে জানতে পারি, আর এদের ধরতে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়,
আজকের দিন টা বেচে নেওয়া হয় তার কারন হল,এরা সব সময় একত্রে থাকে না আজই এরা একত্র হবে আমাদের কাছে খবর ছিলো,
এর মধ্যে একজন বলে স্যার এই ব্ল্যাক ভাইরাস টা কে?
তখন রিয়াদ বলে সরি রিয়াদ না রানা বলে,
ব্ল্যাক ভাইরাস সম্পর্কে এখন কিছু বলতে চাই না,এটার দায়িত্বে অন্য অফিসার আছে,
আপনাদের আর কোন ভয় নেই,
আপনাদের অনুষ্ঠান শুরু করতে পারেন,
ধন্যবাদ,
বলে রানা স্টেজ থেকে নেমে যায়,
এই দিকে মাইশা রানার সাথে কথা বলতে চায়,
কিন্ত কোন ভাবে রানার কাছে পৌছাতে পারে না, তার আগে গাড়িতে উঠে চলে যায়,

রাতে মাইশা ফোন দেয় রানা কে,
কিন্ত ১০বার ফোন দেওয়ার পরেও,
রানা ফোন রিসিভ করে না,
মাইশা হতাশ হয়ে ফোন রেখে শুয়ে পড়ে,আর ভাবতে থাকে হয়তো রিয়াদ কে আর সরি বলা হবে না,
কারন ঐ দিন মাইশা পুলিশ কে বলেছিলো এই ছেলে আমাকে ইভটিজিং করছে,কিন্ত তারপর মাইশা থানায় যায় কিন্ত পায় না রিয়াদ কে তারা কিছু বলতেই পারলো না,
আর অনুষ্ঠানের দিন মুলত রিয়াদ কে সরি বলতে আসছিল নীল শাড়ি পড়ে আর কিছু না বলা মনের কথা বলতে,
মুল গল্পে ফিরে যাই,

মাইশা ফোন রেখে,শুয়ে ভাবতে থাকে রিয়াদের কথা,এমন সময় মাইশার ফোন টা বেজে উঠে,
মাইশা দৌড়ে গিয়ে ফোন টা হাতে নেয়,
ফোনের ডিসপ্লেতে রিয়াদের নাম ভাসছে,
মাইশা ফোন টা রিসিভ করে কানে ধরতেই মোটা ভারি কন্ঠে বলে উঠলো কে আপনি বার বার দিচ্ছেন,

মাইশা; আমি মাইশা,
রানা--আপনি ফোন দিয়েছেন কেনো?
---এতদিন তুমি করে বলতা আজ আপনি বলছো কেনো,

রানা--আগের আমি আর এখনকার আমি এক না,

---রিয়াদ আমি তোমার সাথে দেখা কর‍তে চাই?

রানা; আমি রিয়াদ না,আমি রানা।

---তুমি আমার কাছে রিয়াদ,কাল ক্যাম্পাসে আসবা তো,
রানা;;;আমার হাতে সময় নেই,

--তাহলে আমি থানায় আসবো,

রানা; না, তা আসার দরকার নেই,আসবো আমি,
বলে ফোন টা কেটে দেয় রানা,

মাইশা নিজে নিজেই রেগে  সালা পুলিশ না হলে ফোনের মধ্যে ঢুকেই মারতাম,আর বলতাম সালা আরও ফোন কাটবি,
কাল সরি বলেই আমি কেটে পড়বো,কারো কাছে অপরাধী থাকতে পারব না,,,
নয় আবার পড়ে গান গাইবো,, ম্যাইয়া রে ম্যাইয়া রে তুই অপরাধী রে,,,আমার যত্ন গড়া ভালবাসা দে ফিরাইয়া দে,,,,,
না বাবা আমি এই অপরাধী হতে চাই না,
কাল সকাল সকাল যেয়ে সরি বলে চলে আসবো,,,
এই সব ভাবতে ভাবতে ঘুমের ঘরে ঢলে
পড়ে মাইশা,

সকালে ঘুম ভাঙতেই ঘড়িতে তাকিয়ে দেখে ৯.৩০টা বাজে,,,,
মাইশা; ও আল্লাহ রিয়াদের সাথে ১০টায় দেখা করার কথা এখন কি হবে,,,,
মাইশা তারাতাড়ি উঠে সাজুগুজু করে
চলে গেলো ক্যাম্পাসে,
১১টা বাজে কিন্ত রিয়াদের কোন খবর নেই,
এসে চলেই গেছি নাকি আল্লাহই জানে,

মাইশা তখন ফোন টা বের করে ফোন দেয় রিয়াদ কে,

মাইশা; হ্যালো স্যার আপনি কই?

রিয়াদ; ৫মিনিট লাগবে  আসতে,

মাইশা; হুম আসেন,একটু সময়ের মূল্য দিতে শিখেন,বলে ফোন কেটে দেয়,

কিছুক্ষন পর মাইশার চোখ গেটের দিকে পড়ে এমন সময় রিয়াদ বাইক নিয়ে কলেজে ঢুকে,
এই সালা দুদু মিয়া যে বাইক চালাতে পারে তা তো আগে জানতাম না,
মাথায় সেই আর আগের বোকা সিথি নেই,চুলে জেল লাগাইছে,চোখে কালো সানগ্লাস, আগে হয়তো মেকাপ করতো
আগের তুলনায় গায়ের রঙ অনেক টাই উজ্জল, গায়ে হোয়াইট টি-শার্ট আবার
জিন্স প্যান্ট পড়ছে দেখি,
দেখতে কাছে চলে আসে রিয়াদ,
কিন্ত আজ রিয়াদ কে দেখেই মাইশার মনে প্রেমের ঘন্টা বেজে গেছে,
রিয়াদ যতই কাছে আসছে ততই ভালবাসার ঝড় বইছে মনে,
মনের ভেতর অজানা এক অনুভূতি কাজ করতে থাকে,

রিয়াদ এসেই কি বলবেন বলেন,, খুব তারাহুরো করে কথা টা বলল,

মাইশা; এত তারা কিসের বাসায় কি বউ রেখে আসছো,

রিয়াদ; এই ফাউ পেচাল পারার জন্য
আসতে বলছিলেন,

মাইশা; তা হবে কেনো,সেদিন তো সিরিয়াস কিছু বলতে আসছিলাম,
কিন্ত তার আগেই আসল রুপ দেখিয়ে দিলে,তা আমার সাথে পরিচয় টাও কি অভিনয় ছিলো,

রিয়াদ কিছু বলতে পারছে না,কারন রিয়াদও মাইশার প্রতি দুর্বল,
রিয়াদও মাইশার কাছ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে চায়,কিন্ত যত দেখছে ততই আরো মাইশার মায়া জালে আবদ্ধ হচ্ছে,
রিয়াদ আবার আমাকে কি জন্য ডাকছেন তাই বলেন,

এখন মাইশা ভাবছে কি বলবে,
এখন কি বলা উচিত,
এমন সময় রিয়াদ ধমক দেয়, কিছু বলছেন না কেনো,

মাইশা ধমক খেয়ে বলে দেয় খুব দ্রুত আমি তোমাকে ভালবাসি,,,,,

রিয়াদ শুনে অবাক তাই আবার জিজ্ঞেস করলো কি বললেন আপনি,

এখন মাইশা ভয়ে বলে ফেলছে ভালবাসি,
ভয়ে বললেও সত্যি কথাই বলছে,

মাইশা ; তুমি ভুল কিছু শুনো নি,

(কাল গ্রুপ পোস্ট করব না,শুধু আমার আইডিতেই পোস্ট করব ,তাই বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)

রিয়াদ; ভালই তো অভিনয় করতে পারেন দেখি,কিছুদিন আগে কি বলছিলেন,যখন আমি দুদু মিয়া ছিলাম,

মাইশা; তখন তো তুমি দুদু মিয়া ছিলা,একটা বোকার বাক্স ছিলা,

রিয়াদ তখন বাহ খুব ভালো, এখন যদি আমার চাইতে ভালো ছেলে দেখো তখন তো তার সাথেই,,,,,,,,? আর এটাই তোমাদের মত মেয়েদের স্বভাব,,,

মাইশা আঙুল তোলে এই কথা হুস করে বলবা,বোকা ছেলে কে কোন মেয়ে ভালবাসবে হে,,,

রিয়াদ; কেনো আমাকে কি তখন ঠিক করে নেওয়া যেতো না,একবার চেস্টা করে দেখতে,

মাইশা; সেটাই তো আমার ভুল হয়ছে,,
তার সরি অন্য দিকে মাইশা মুখ করে,

রিয়াদ ; এখন বলে লাভ নাই,

মাইশা; আরে স্যার সরি বললাম তো,

রিয়াদ ; বললাম না বলে লাভ নাই,,আমার বউ আছে,আমি বিবাহিত,

বলে রিয়াদ চলে গেলো,

মাইশা রেগে আগুন আর রাগে একা একা বক বক করতে লাগলো সালা তুই
বিবাহিত আগে বলবি না,,,,,
ইচ্ছে করছে মেরে ফেলি,,,,
কিছুক্ষন একা বসে রইলো আর
ভাবলো যদি বিয়ে করে থাকে তাহলে, এত কথা বলল কেনো,বলে দিলেই হতো আমি বিবাহিত, তাহলে কি আমাকে বোকা বানিয়ে গেলো,
দাঁড়া কাল থানায় যাবো আমি,,,,
মাইশা বাসায় চলে যায়,,,,,
রিয়াদ বাসায় যেতেই নেট টা অন করে ফেসবুকে যেতেই দেখে মাইশার ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট,,,,
তখন একটা কথা মনে পড়ে যায় রিয়াদের
রাজ যে নুড পিক গুলো ভাইরাল করেছিলো তার সাথে তো   মাইশার কোন মিল নেই,
তাহলে ঐ নুড পিক কার,,,,,,,,,আর মাইশা কে,,,,,,,,,,,?

গল্প_ব্ল্যাক_ভাইরাস
Writer:MD.Helal
পর্ব-০৭
,
রাজ যে নগ্ন পিক গুলো ভাইরাল করেছিলো তার সাথে তো   মাইশার কোন মিল নেই,
তাহলে ঐ নুড পিক কার,,,,,,,,,আর মাইশা কে,,,,,,,,,,,?
রিয়াদের মনে হল এই সব মাইশা কে জিজ্ঞেস করার,
কিন্তু কি ভাবে করবে যদি,,,,
থাক জিজ্ঞেস করার দরকার নাই,
এত সুন্দরী ম্যাইয়া কি ভাবে খুনি হবে,
এই ভাবতে ভাবতে বিছানায় গা হেলিয়ে দিতেই আবার লাফ দিয়ে উঠে পড়ে,
কারন কিছুক্ষন আগে একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে আর মেয়েটা রিয়াদের
কলেজের মেয়ে,
রিয়াদ তখন ভাবতে থাকে নাম টা যেনো কি কি,
ও মনে পড়েছে, নাম নীলিমা ব্ল্যাক ভাইরাস মেসেজ দিয়েছে তার পাপের ঘড়া পূর্ন হয়েছে,এবার তার মরার পালা,
পরেরদিন,,,,
সকাল বেলা ঘুমাচ্ছে রিয়াদ এমন সময় ফোন টা বেজে উঠে,
রিয়াদ ফোন টা রিসিভ করতে যাবে এমন সময় রিমি এসে ফোন টা রিসিভ করে,(রিমি হল রিয়াদের ছোট বোন)

রিমি; হ্যালো কে,ভাইয়া ঘুমাচ্ছে?

--আমি থানা থেকে বলছি,,

রিমি; রাসেল ভাই,আপনি কি বলেন,

---স্যার কে বলো ম্যাডাম আসছে,

রিমি; নতুন ম্যাডাম আসছে,দেখতে কেমন,

---এই ম্যাডাম সেই ম্যাডাম না,

রিমি; তাহলে?

--একটি খুবই সুন্দরী মেয়ে আসছে আর এসে বলল আমি SI রিয়াদের স্ত্রী,
স্যার আমাদের না জানিয়ে বিয়ে করলেন,তুমিও জানালে না,

মাইশা ফোন টা কানে ধরে হা করে তাকিয়ে আছে রিয়াদের দিকে,,,,

রিয়াদ; কে ফোন করছিলো রে রিমি,

রিমি; ভাইয়া তুই এই টা করতে পারলি,

রিয়াদ / কি করছি,

রিমি; আল্লাহ তুই আমার ভাই না,আসলেই আমার মা বাবা তোরে কুড়িয়ে পাইছে,

রিয়াদ; দেখ রিমি ঘুমাতে দে,বিরক্ত করবি না,

রিমি; বিয়ে করে এখন তো ঘুমাবি

রিয়াদ ; দেখ রিমি, এখন কিন্ত সত্যি মাইর খাবি,কে বলছে আমি বিয়ে করছি,

রিমি; আল্লাহ আল্লাহ যদি আমি এখন ম্যানি ব্যাগ থেকে টাকা চুরি করতে না আসতাম তাহলে তো কিছুই জানতে পারতাম না,আল্লাহ তার জন্যই আমাকে প্রতিদিন তোর ম্যানি ব্যাগ থেকে চুরি করতে পাঠায়,

রিয়াদ ; তুই আমার ম্যানি ব্যাগ থেকে প্রতিদিন টাকা নেস তাহলে দাঁড়া আজ তোর খবর আছে,,,,

রিমি; চুপ ঐ টা আল্লাহর আমারে দিয়া করিয়েছে,
দাঁড়া আমি আম্মা কে এখনি বলতাছি,তুই বিয়ে করছিস,
আম্মা ও মা আম্মা,

রিয়াদ ; মা কে ডাকিস না আগে বল,কি হয়ছে,,,,

আম্মা রান্না থেকে এসে কি হয়ছে,

রিয়াদ; তোমার মেয়ে প্রতিদিন আমার পকেট থেকে টাকা চুরি করে,,,,

মা; তোরে কে বললো,

রিয়াদ; চোর আজ নিজেই শিকার করছে,তোমার আদরের কুড়িয়ে পাওয়া মেয়ে,

রিমি; আমারে না তোরে কুড়িয়ে পাইছে,ঐ যে পচা ময়লা ফেলে ব্রিজের নিচে পড়ে ছিলি,সেই খান থেকে তোরে আমার মা বাবা পাইছে,

মা; তোদের এই ঝগড়া আর ভালো লাগে না,

রিমি; মা আসল কথা তো শুনলা না,

মা; আসল কথা কি আবার

রিমি; তোমার ছেলে তো বিয়ে করছে আমাদের না জানাইয়া,

মা; কি কস এই গুলা,ফাইজলামির কিন্ত একটা সিমা থাকে,

রিমি; বিশ্বাস হচ্ছে না,থানা থেকে রাসেল ভাই ফোন করে বলল, একটা মেয়ে আসছে আর সে বলছে সে নাকি ভাইয়ার বউ আর অনেক সুন্দর,,

রিয়াদ কপালে হাত দিয়ে কারে কি শুনাইলো,

মা; রিমি যা তো আমার e টা নিয়ে আয়,

রিমি; মা E টা কি?

মা; আমার ফোন টা নিয়ে আয়,

রিমি; কি করবা মা ফোন দিয়ে।

মা; সে টা তোকে বলতে হবে,(ধমক দিয়ে)

রিয়াদ আজ এমন করছে কেনো,নিশ্চিত মাইশা থানায় আসছে,

রিমি/ এই ফোন নাও,

মা রিমি কে বলল হা করে দেখছিস রাসেল কে ফোন করে বল মেয়ে টা কে নিয়ে আসতে বল বাড়িতে,,,,,,

রিয়াদ; মা আমি বিয়ে করি নাই,,

মা; বিয়ে করিস নাই ভালো নিয়ে আয় আমি কাজী ডেকে বিয়ে দেই,,,,

রিমি; ভাবছিলাম ভাবি আমি চয়েস করব,

মা; তুই কি চয়েস করবি,

রিমি; আমার দল ভারি করতে হবে না,

মা; তুই আছিস তোর চিন্তা নিয়ে,,,
আচ্ছা রিয়াদ তুই কি সত্যি বিয়ে করছিস,

রিয়াদ ; তুমি এটা বলতে পারলা,

মা; আচ্ছা আচ্ছা কিন্ত কত মেয়ে দেখাইলাম কিন্ত তোর পছন্দ হয় না,

রিয়াদ ; আচ্ছা আমাকে এখন থানাতে যেতে হবে,

রিমি; আমিও তোর সাথে যাবো,

রিয়াদ; একদম না,

রিমি; আমি ভাবি কে দেখবো শুধু,মা বলো না তুমি ভাইয়া কে?.

মা / রিয়াদ যখন বলছে তাহলে থাক,,,

রিয়াদের বাবা নেই, মা আর ছোট একটা বোন,বোন টা  ইন্টারে পড়ে,,,

পুলিশ নীলিমা কে শতর্ক করে দিলো আর সাবধানে চলা ফেরা করতে বলল,

কিন্ত নীলিমা সে সব একদম ধার ধারে,
উল্ট আরো বলে ব্ল্যাক ভাইরাস আসলে আমি বুঝাই দিবো কত ধানে কত চাল,

এদিকে রিয়াদ থানায় যায়,,,,,,গিয়ে দেখে মাইশা বসে আছে,,,,,

রিয়াদ/কি ব্যাপার আপনি এখানে কেনো,

মাইশা; ঘোষ দিতে আসলাম,

--কি জন্য,

--আমাকে ভালবাসতে হবে তোমরা পুলিশরা ঘোষ দিলে তো সব করে দেও,

---মাইশা তুমি কিন্ত সিমা ছাড়িয়ে যাচ্ছো,এটা কিন্ত থানা যা ইচ্ছে তাই বলতে পারো না,

---সরি সরি,আচ্ছা বলব না,চলে একটু বাহিরে যাই ঘুরে আসি,

--আমি ডিউটিতে আছি এখন,

--তোমার ডিউটি শুরু হতে এখনো ১ঘন্টা,,
---পুলিশের কোন ডিউটি সময় মেনে হয় না,
--অকে তাহলে আমিও এখন থেকে যাচ্ছি না,,,,বলে মাইশা আরও ভাল করে বসে,,,

রিয়াদ; আচ্ছা চল,,,

রাত ৩টা বাজে নির্জন শহর কোন শব্দ নেই,কারো পায়ের শব্দ শুনতে পায় নীলিমা,
আস্তে আস্তে নিজের বিছানা থেকে উঠে আর বালিশের নিচে থাকা পিস্তল টা হাতে নেয়,,,,
তারপর সামনের দিকে এগিয়ে যায়,
আর খোঁজতে থাকে, কিন্ত কোথাও কেউ নাই,
সারা ঘর খোঁজে দেখে কোথাও কেউ নেই,,,
তাই একটু ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ায় আর ফোন টা বের করে কেউ ফোন দিবে এমন সময় গার্ডেনের দিকে চোখ যায় কেউ একজন উপরের দিকে উঁকি মারছে,
নীলিমা তখন এক মুহূর্তেও দেরি করে না,
সাথে সাথে বাগানে চলে যায়,
আর পা টিপে টিপে কাছে গিয়ে পিস্তল টা তাক করে ধরে,,,

আর একটু কাছে গিয়ে দেখে এস আই রানা(রিয়াদ)

নীলিমা তখন আরে এস আই রানা যে এত রাতে এখানে কি চাই,,
আমাকে পাহাড়া দিচ্ছো বুঝি,
নাকি তুমি ব্ল্যাক ভাইরাস,,
কিন্ত রানা চুপ করে আছে কোন কথা বলছে না,,

নীলিমা আবার বলে কি হল কথা বলো, আর আমাকে পাহাড়া দিতে হবে না,তুমি যখন চলেই আসছো চল আমার বেডরুমে তোমাকে খুশি করে দেই,
তোমাকে আমার মনে ধরছে,

কিন্ত ওদিক থেকে কোন কথা বলছে না,,,

নীলিমা আবার বলে ভয় পেয়েও না বাসায় কেউ নেই চল,
তোমাকে খুশি করি,,,
বলে নীলিমা রানার হাত ধরে টান দিবে কিন্ত রানার হাত ধরতে পারছে না,আবার শরীরের উপর হাত দেয় ধরা যায় না, নীলিমা বুঝতে পারলো এটা হলোগ্রাফি, আর এটা একটা ফাঁদ
পিছনে ফিরে থাকাতেই দেখে কালো
পোশাক পরা একজন দাঁড়িয়ে আছে
মুখে মাস্ক পড়া,
নীলিমার থেকে ১ ইঞ্চি  দূরে,
আর লোক টি মাথায় একটা আগাত করতেই নীলিমা পড়ে যায় জ্ঞান হারিয়ে,

জ্ঞান ফিরতেই নিজেকে আবিষ্কার করে একটি চেয়ারে বসা হাত পা বাধা,
আর মুখ টাও,
কালো পোষাক পড়া লোকটি একটি ধারালো ছুরি নিয়ে নীলিমার কাছে আসে,
আর বলে তোর শরিরের অনেক যৌবন জ্বালা না এখনি মিটিয়ে দিচ্ছি,
বলে নীলিমাকে উলঙ্গ করে তার বুকের উপর ছুরি দিয়ে কেটে ব্ল্যাক ভাইরাস নাম টি লেখে,,,
তারপর নীলিমা কে এমন ভাবে দরজার সাথে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এমন ভাবে বাঁধে কেউ দরজা ধাক্কা দিলেই নীলিমার গলা কেটে পড়ে যাবে,মানে মুন্ডু টা মাটিতে পড়ে যাবে,

যেই কথা সেই কাজ করে পুলিশ কে মেসেজ পাঠিয়ে চলে যাবে এমন সময়
নীলিমা কিছু একটা বলবে তা ইশারায় বুঝায়, কিন্ত কোন কথা শুনে না ব্ল্যাক ভাইরাস,
ব্ল্যাক ভাইরাসে প্লান মত কাজ টি হয়ে যায়,
দরজা ধাক্কা দেওয়ার সাথে সাথে গলা কেটে মুন্ডু মাটিতে পড়ে মুখ টা কয়েক বার হা করতে থাকে,,,,
আর নীলিমার বুকে লেখা ব্লাক ভাইরাস,
ব্ল্যাক ভাইরাস খুব প্লান করে কাজ করছে তাই ধরতে হলে পুলিশ কেও প্লান করতে হবে,,,,,
নীলিমার বাড়িতে তল্লাশি করতে রানা আসে কিন্ত কিছুই পায় না,
কিন্ত  বের হয়ে যাবে এমন সময় দরজার কাছে একটা ফোন পড়ে থাকতে দেখে,
আর সেই ফোন টি হল,,,,,,


গল্প_ব্ল্যাক_ভাইরাস
Writer:MD.Helal
পর্ব-০৮

রিয়াদ বের হয়ে যাবে এমন সময় দরজার কাছেই একটা ফোন পড়ে থাকতে দেখে,
ফোন টা খুব চেনা চেনা লাগছে,
রিয়াদ ফোন টা হাতে নিয়ে এটা তো
মাইশার ফোন এখানে কেনো,
কিন্ত রিয়াদ ফোনটা লুকিয়ে ফেলে কেউ দেখার আগেই,
তারপর ফোন টা বাসায় নিয়ে আসে
রিয়াদ ফোন টা ওপেন করে কিন্ত দুর্ভাগ্য ফোন টা তে কিছুই নেই
ফোন টা যে মাইশার তার কোন প্রমাণ নেই,

রিয়াদ মাইশা কে ডাকে,,,,,,,
রিয়াদ মাইশা কে নিরিবিলি এক জায়গায় তে আসতে বলে,,,,,

মাইশাও এসে যায় খুশি মনে,,,

মাইশা এসে দেখে রিয়াদ খুব গম্ভীর চিন্তিত,,

তখন মাইশা জিজ্ঞেস করে,,,, রিয়াদ কি হয়েছে তোমাকে এমন চিন্তিত দেখাচ্ছে কেনো, আর কি কারনে আমাকে এখানে ডাকলে,,,

রিয়াদ ; মাইশা তোমার ফোন কোথায়?

মাইশা খুব বিব্রত হয়ে যায়,,,
আর বলে আমার ফোন দিয়ে তুমি কি করবে,,,,

রিয়াদ ; কারন আছে কারন তোমার ফোন টা এখন আমার কাছে,,,,

মাইশা হেসে কি পাগলের মত বলছো,, আমার ফোন তোমার কাছে কি করে,,,,

রিয়াদ; এটা আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করব মাইশা তোমার ফোন নীলিমার বাসায় গেলো কি করে,,,,

মাইশা; এবার এটা বলো না আমি ব্ল্যাক ভাইরাস,,,

রিয়াদ; হুম তুমি তাই ব্ল্যাক ভাইরাস,,,

মাইশা; হাহাহাহা রিয়াদ মজা করুনা প্লিজ,,,

রিয়াদ ; আমি মজ করছি না,তুমি তোমার ফোন দেখাও,,,,

মাইশা; তুমি নাকি আমার ফোন পাইছো তো দেখাও,

রিয়াদ ; তখন নিজের পকেট থেকে ফোন টা বের করে দেখায়,,,আর বলে দেখছো এটা তোমার ফোন আর এর পিছনে আমি একটা স্টিকার লাগাইছিলাম কলেজে থাকতে যখন আমি দুদু মিয়া ছিলাম,
আর তুমি ব্ল্যাক ভাইরাস প্রমাণিত, তাই আমি তোমাকে গ্রেফতার করছি এই মুহূর্তে,,,,,

মাইশা ; ওয়েট এস আই রানা,আমিও কিছু দেখাই,,,
তখন মাইশা নিজের পার্স থেকে সেইম একটা ফোন বের করে দেখায়,,,,,আর বলে এই যে আমার ফোন আর এর পিছনে আপনার লাগানো স্টিকার আছে এই যে দেখেন,,,,,
স্যামসাং এরকম একটা ফোন বানাইনি এরকম অনেক ফোন বানাইছে এই মডেলের আর অনেক গ্রাহক কিনেছে
তাহলে কি তারাও অপরাধী,,,,

রিয়াদ ; মাইশা তুমি যত চালাকি কর না কেনো,একটা কাজ করতে ভুলে গেছো,,,
তাহল তোমার ফোনের সিম,,,,

মাইশা; হাহাহাহা যে ব্ল্যাক ভাইরাস সে কাঁচা কাজ কি ভাবে করবে,ঐ টা আমি আসার সময় সিম রিপ্লেস করে নিয়ে আসছি,,,,

রিয়াদ তার নিজের ফোন থেকে কল দিয়ে দেখে মাইশার হাতের ফোন বাজছে তার মানে সিম রিপ্লেস করছে,,,,,

মাইশা তখন একটু পিছিয়ে চিৎকার করে বলল হে আমি ব্ল্যাক ভাইরাস,,,
কি করবে আমাকে? কিচ্ছু করতে পারবে না এস আই রানা,
আমি লিমন,হিয়া,রাজ,নীলিমা মেরেছি তার কারন ওরা অপরাধী ছিলো,
ভালবাসার নামে ধর্ষণ, জীবন নস্ট এই গুলা করতো,জীবন নিয়ে খেলতো ওরা
তাই আমি ওদের নিজের হাতে শেষ করে দিয়েছি,,,আর ওদের রক্তের ঘ্রাণ নিয়েছি অপরাধীর রক্তের গন্ধ আমার ভাল লাগে,

রিয়াদ ; তুমি তো একটা সাইকো,

মাইশা/ হুম আমি একটা সাইকো,,,,,আমি পাগল, আমি মানুষিক রোগী হিহিহি কি করবে এখন বলো,,

রিয়াদ; তোমার সময় শেষ সাইকো,,,রিয়াদ কোমর থেকে পিস্তল টা বের করে মাইশার দিকে তাক করে ধরে,,,,আমি আগেই টের পেয়ে ছিলাম কিন্ত প্রামনের অভাব ছিলো,কিন্ত এখন সব প্রমান হয়ে গেলো,
এই দেখো পেন ক্যামেরা,,,,, এখানে সব আছে,,,,, প্রমাণ করার মত,,,

মাইশা; বোকা এস আই, তুমি সেই দুদু মিয়া রয়ে গেছো জানু,,,

কথা টা শুনে রিয়াদ অবাক হয়ে যায় পিস্তলের সামনে দাঁড়িয়ে গলা উঁচু করে কথা বলছে,,,,,,

মাইশা রিয়াদের কাধে হাত দিয়ে হে আমার জানু তুমি কি জানো তোমার প্রিয় মা প্রিয় বোন মানে আমার হবু শাশুড়ী মা, আমার ননদ আমার কাছে,,,
খুব আরামে আছে আদরে আছে হবু
বউয়ের কাছে,
আমি যদি এখন থেকে না যেতে পারি
তাহলে কি হবে বুঝতেই পারছো,,,,,,

রিয়াদ; তুমি এত টা নিচ আমার মা বোন কে,,,,,,

মাইশা; আমি কত নিচ তা এখনো দেখাইনি,,,,
যদি এখন থেকে না যেতে পারি তাহলে বুঝতেই পারছো,,,,।
এখন পেন ক্যামেরা টা দিবে আর এখান থেকে আমাকে যেতে নাকি মা বোন,,

রিয়াদ ; না তুমি যাও,,,,,

মাইশা; good boy, My love,,,
bye bye,,,,,,,,, 
বলে চলে যায় মাইশা,,,,,
তার সাথে রিয়াদও চলে যায় বাসায়
আর গিয়ে দেখে মা আর রিমি তো বাসায়,
রিয়াদের নিজেই নিজের উপর রাগ হয়,
আর বলে আসলেই আমি একটা দুদু মিয়া,

তখন মা এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে রিয়াদ,,,

রিয়াদ; কিছু না মা,তোমাদের একটু
সাবধানে থাকতে হবে,,,

মা; কেনো কি হয়ছে,,,

রিয়াদ; আমি ব্ল্যাক ভাইরাস ধরতে চলেছি তার জন্য,,,

মা কথা টা শুনে চমকে যায়, আর বলে বাবা তোর ওই সব এর পিছনে না যাওয়াই ভালো,

রিয়াদ ; মা আমি পুলিশ, ভয় পেলে চলবে।

মা; না আমি চাই না, ঐ ভয়ংকর ব্ল্যাক ভাইরাস কে ধরিস যদি কোন ক্ষতি করে,

রিয়াদ ; মা আমি পুলিশ, ওকে ধরাই আমার কাজ,,,।

মা; তাহলে চাকরি ছেড়ে দে, তাই তোকে ধরতেও হবে না,তারপর তোর পছন্দ করা মাইশার সাথে বিয়ে দিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে চাই আমরা,

রিয়াদ; কি বললে মা,মাইশা তুমি নাম জানলে কেমন করে,,,

রিমি; ভাইয়া তোকে তো বলাই হয়নি আজ সকালে মাইশা ভাবি এসেছিলো, তোর পছন্দ আছে ভাইয়া,আর আমদের রান্না করে খাইয়ে গেছে,,,,,

রিয়াদ কথা টা শুনে আশ্চর্য হয়ে যায়,,,,

আর তার মাকে বলে ঐ মাইশা কে জানো,,,,,,

গল্প_ব্ল্যাক_ভাইরাস
Writer:MD.Helal
পর্ব-০৯ (শেষ)
,
রিয়াদ তার মাকে মাকে বলে তুমি জানো ঐ মাইশা কে?

মা; আমাকে জানতে হবে না,কি লক্ষি একটা  মেয়ে,,

রিয়াদ ; তুমি যা কে লক্ষি বলছো সে  লক্ষি না,,,।

মা; এই সব কি বলছিস, আমার হবু
বউমা কে,,,,

রিয়াদ ; মা বুঝতাছো না,ও আসলে

মা; ও ব্ল্যাক ভাইরাস,জানি বলবি বউমা
বলে গেছে তুই এই সব বলবি,

রিয়াদ ; মা ও আসলেই ব্ল্যাক ভাইরাস,,

মা; তুই এখন যাবি এখান থেকে,,,

রিয়াদ রেগে যাচ্ছি, বুঝবা সময় হলে তার আগে না,,,,

রিয়াদ রেগে রুমে চলে গেলো,আর ভাবনার জগতে হারিয়ে গেলো,
আসলে মাইশা কি একাই এই কাজ গুলা করছে নাকি সাথে আরও কেউ আছে,,,
আর ওর এই সব করার পিছনে কারন টা কি কেনো করছে এই সব,,
এমন সময় ফোন টা বেজে উঠে,
আর রিয়াদ ভাবনার জগত থেকে ফিরে আসে,

ফোন টা রিসিভ করে,,,

--হ্যালো কে?
---আরে জামাই আমি মাইশা,,
--ফোন করেছো কেনো,
---প্রেম করতে,
--তোমার সাথে আমার হাসাবে না,,,।
--আমি হাসির কি এমন বললাম,,
--মাইশা তুমি আমার সাথে দেখা করতে পারবা,
---হুম তোমার মত তো আমি দুদু মিয়া,আমি দেখা করতে যাই আর তুমি জেলে ভরো আমাকে,,,,

---না তেমন কিছু করব না,শুধু কথা বলব,

--সেটা আমার মত করে নিবো,

---মানে?
--বলছি আমার সুযোগ বুঝে দেখা করব,,
--ওকে,,,,,,বলে রিয়াদ ফোন টা রেখে দেয়,,,,

রাত ৩ বাজে রিয়াদ ঘুমাচ্ছিলো হঠাৎ ঘুম টা ভেঙে যায়,ঘুম ভেঙে অনুভব করলো হাত পা বাধা,আর কেউ জরিয়ে ধরে শুয়ে আছে,,
রিয়াদ তার মা কে ডাকতে যাবে এমন সময় মুখ টা চেপে ধরে মাইশা,,,,,

মাইশা; এই চুপ আমাদের মাঝখানে মা কে ডাকছো কেনো,,,

রিয়াদ; তুমি এত রাতে এখানে,

মাইশা; জানি তুমি এটা ভাবতেও পারো নি আমি এত রাতে এখানে থাকবো,
তুমি যেটা ভাববে না সেটাই আমি করব,,

রিয়াদ ; আমাকে বাধার কারন?

মাইশা;আমাকে জেলে ভরতে পারো,তাই প্রটেকশন,

রিয়াদ; খোলে দেও আমার লাগছে?

মাইশা; প্লিজ বাবু সোনা একটু কস্ট করো না হয় আমার জন্য,,,,কি জন্য ডাকছো তাই বলো,

রিয়াদ; তুমি এমন কেনো,আমাকে কস্ট দিচ্ছো

মাইশা; আমি এমনি,,এটা কোন কস্ট না,,,

রিয়াদ;? তুমি আমার বাঁধন খোলে দেও,,আমি কিচ্ছু করব না,

মাইশা; না,

রিয়াদ; প্লিজ বিশ্বাস করো, আমি তোমাকে কিছু করব না,

মাইশা; পুলিশ কে বিশ্বাস কোন দিন, বিশ্বাস তো সেদিন উঠে গেছে যে দিন ৫-৬জন মিলে আমাকে ধর্ষণ করেছিলো, গিয়েছিলাম পুলিশের কাছে বিচার চাইতে উল্টো পুলিশ আমাকে বলল আমার নাকি চরিত্র খারাপ,
আর পতিতার সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিলো
ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট দিয়ে,

কথা গুলো শুনে রিয়াদ বাকরুদ্ধ হয়ে যায়,কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলে,

আমারও তো স্বপ্ন ছিলো ৮-১০টা মেয়ের  ছোট্ট একটা সংসার হবে আমার,

কিন্ত তা কি কোন দিন পারব,,
হতে পেরেছি সেট ব্ল্যাক ভাইরাস,
হয়ে গেছি সাইকো অপরাধীর রক্তের গন্ধ নিতে আমার ভালো লাগে,
নেশা হয়ে গেছে,,,

আমি আমার কাজ করব রিয়াদ আমাকে বাঁধা দিতে আসবে না,

রিয়াদ ; তুমি কি এই লাইফ থেকে ফিরে আসতে পারো না,,,,,

মাইশা; আসতে পারি করবে আমাকে বিয়ে বলো বলো হাহাহহা,,

রিয়াদ তখন মুখ ফিরিয়ে নেয়,আর বলে আমরা বন্ধু হয়ে থাকবো,

মাইশা; দেখছো তুমিও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছো তাহলে ফেসবুকের কেন পোস্ট দেও আমি ধর্ষিতা কে বিয়ে করতে রাজি কিন্ত যে সেচ্ছায় ধর্ষিত হয় তাকে না,,,,,
বলো তাহলে এমন টা কেনো বলো,

রিয়াদ তখন বলে  আমি তোমাকে বিয়ে করতে রাজি,,।।

মাইশা; কি বললা বিয়ে করবে আমাকে হাহাহহাহা আর হাসিয়ো না,,,খুব ভালো জোকস বলতে পারো,,,,

তখন রিয়াদের মা দরজার আড়াল থেকে বের হয়ে এসে বলে রিয়াদ মজা হাসাচ্ছে না আমি বলছি,,

রিয়াদ; মা তুমি,,,,

মাইশাও চুপ করে যায়,,,

মা; মাইশা তুমি কি রাজি,রিয়াদ কে বিয়ে করতে,,,,।

মাইশা; কিন্ত মা,

মা; কোন কিন্ত না,তোমাকে যা বলছি তার উত্তর দেও,

মাইশা; না,আমি রিয়াদের জীবন নস্ট করতে চাই না,সবাই যখন জানবে আমি ব্ল্যাক,,,,,,,,?.

মা; কেউ জানবে না,আমি বলছি,তুমি কি রাজি,,,,,

মাইশা; তারপরেও না, আমি রিয়াদ কে কি দিবো দেবার মত কিছু নেই আমার কাছে, আমার সুখের জন্য রিয়াদের,,,,,,,,

মা; তোমার বাসায় কে কে আছে,,,

মাইশা;আমার কেউ নেই ৬মাস আগে বাবা মারা গেছে তারপর থেকে আমি একা,

মা; দেখো মা  এই ভাবে জীবন চলবে না,তুমি রাজি হয়ে যাও,আমার রিয়াদ তো রাজি,আমি রাজি,তাহলে সমস্যা কোথায়, আর আমরা সব জেনে বুঝে মেনে নিয়েছি,
তখন মাইশা চুপ করে আছে কোন কথা নেই,।

মা জিজ্ঞেস করলো আমি কি বিয়ের আয়োজন করব,
তখন মাইশা মাথা টা নাড়িয়ে বলল হে,,,।
।রিয়াদ; বিয়ে পড়ে আগে আমাকে এই বাঁধন থেকে মুক্ত করো,

অতঃপর,,,,,
আজ রিয়াদ আর মাইশার বাসর রাত,,

---আচ্ছা মাইশা আজ রাতে মানুষ কি করে,,,,

মাইশা ; রিয়াদ তুমি কিন্ত মাইর খাবা,

---আচ্ছা রিয়াদ কে?আমি দুদু মিয়া,
---এখন কিন্ত সত্যি,,,
মাইশার একদম কাছে গিয়ে কি মারবে আমাকে,,,,,
 দুজনের ঠোঁট একদম কাছাকাছি আস্তে আস্তে দুজনের নিশ্বাস এক হয়ে যাচ্ছে,রিয়াদ তার ঠোঁট দিয়ে মাইশার ঠোঁটে ভালবাসার চিহ্ন একে দেয়,
মাইশা লজ্জায় মুহূর্তেই মুখ লুকিয়ে ফেলে,,,,
রিয়াদ বুঝতে পারে মাইশা লজ্জা পাচ্ছে তাই লাইট অফ করে দেয়,
তারপর তারপর (বাকিটা ইতিহাস)

বিঃদ্রঃ গল্পে ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন,,
ধৈর্য নিয়ে গল্প পড়ার জন্য সবাই কে ধন্যবাদ,,,
(সমাপ্ত)
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label