নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

গল্পঃ- অতৃপ্ত পিপাসা Balobasar Story in Bangla

গল্পঃ- অতৃপ্ত পিপাসা
Balobasar Story in Bangla
Writer:- Khairozzaman Akash
পার্টঃ ......০১

- এবার কিন্তু আমি মা হতে চাই!

  রুমি নিজেকে উন্মুক্ত করতে-করতে বললো! রুমি কথা শুনেই আকাশ হেঁসে ফেললো। তারপর রুমিকে নিজের কাছে টেনে নিয়ে বললো,

-আচ্ছা, আমি কি মানা করেছি। সেই প্রথম থেকেই তো আমিও বাবা হতে চেয়েছি তুমিই তো মানা করেছো। বলেছো আগে সংসার টা গুছিয়ে নিয়ে তারপর মা হতে চাও।
আরো গল্প পড়ুন বন্ধুর বোনের সাথে প্রেম part:10 Valobasar Story Bondhur Boner Sathe Prem
-হুম,এখন আমি মা হয়ে মাতৃত্বের স্বাদ পেতে চাই।

  রুমি আদুরে গলায় বলতে-বলতে অনাবৃত নিজেকে মিশিয়ে দিলো আকাশের বুকে। রুমি কে আকাশে নিজের কাছে নিয়ে বললো,.....




-আচ্ছা দেখা যাক! বলেই নিজেই পুরু ঠোঁটদুটো মিশিয়ে দিলো রুমি ঠোঁটে.......

"  দুপুর বেলায় লান্স করে সবে মাত্র কফির পাত্রে চুমুক দিয়েছে তখনি ফোনটা বেজে উঠলো। ফোন রিংটোন টা বেজে উঠতেই মনে মনে ভেবেছিলো নিশ্চয়ই রুমি ফোন করেছে খেয়েছি কি-না?

" ফোনের স্কিনের দিকে তাকিয়েই রুমির নামটা দেখে মনের অজান্তেই হেসে উঠলো। বড্ড বেশি ভালবাসে মেয়েটা,খেয়াল রাখে আকাশের।

" আকাশ ফোন রিসিভ করে কানের কাছে নিতেই ওপাশ থেকে বলে উঠলো.....

- কি করছো? দুপুরে খেয়েছো?
- জ্বী,আপনি খেয়েছেন?
- হুম, কি করো??

" রুমির কথা শুনেই আকাশ বললো....

- এইতো বসে আছি। তুমি কি করো??
- এই শুয়ে আছি। আচ্ছা আজ বাসায় আসবে কখন?
- সেতো জানি না। তবে আজকে মিটিং আছে,মনে হয় দেরি হবে।কেনো কোনো বিশেষ দরকার?
- নাহ! আমি একটু কাজে বাহিরে যাবো তো তাই।

" রুমির কথা শুনেই আকাশ কিছুটা রেগে গেলো। প্রতি বার বাহিরে যাওয়ার আগে আকাশের কাছে ফোন করে অনুমতি চেয়ে নিবে। আচ্ছা অনুমতি নেওয়ার কি আছে? যখন দরকার যাবে,আর প্রয়োজন ছাড়া কি বাহিরে যাবে?

" রুমির কথায় রেগে গিয়ে বললো.....

- সেটাও কি বলে যেতে হবে?
- কেনো না মশাই। হাজার হোক একটা মাত্র বর আমার।
- হয়েছে, এতো ঢং করতে হবে না।
- হুম, আচ্ছা এখন রাখি পরে কথা হবে। খেয়াল রেখো টাটা...
- এই শোন.....

" যাহ! কিছু বলার আগেই কেটে দিলো। ভীষণ রাগ হলো রুমির উপর। তখনি অফিসের পিয়ন এসে বসের রুমে যেতে বললো। আকাশ ফোন রেখে বসের রুমের দিকে পা বাড়ালো।

" আকাশ বসের রুম থেকে বেড়িয়ে অনেক খুশি হলো। যাক আজকে তাহলে বেশ তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে পারবে। একবার রুমিকে ফোন করে ভেবেছিল জানিয়ে দিবে। তবে পরক্ষনেই ভাবলো রুমিকে একটা সারপ্রাইজ দেওয়া যাবে। কতদিন হলো একসাথে বাহিরে ঘুরতে যাওয়া হয় না।

" আকাশ অফিস থেকে বের হতেই নীলিমা কোথাও থেকে এসে বললো.....

- আকাশ, আমাকে একটা লিফট দে না। গাড়ি পাচ্ছি না....

" নীলিমার কথা শুনেই ভ্র কুঁচকে বললো....

- গাড়ি পাচ্ছিস না সেটা না বলে বল আমার সাথে যাওয়ার ইচ্ছে।

" নীলিমা মুখ ভেংচি কেটে বললো....

- বয়েই গেয়ে তোর সাথে যাওয়ার জন্য। আর তুই যে বিবাহিত সেটা ভুলে যাবি না।
- তাই নাকি?
- হুম, তাই....
- আচ্ছা, চল তোর বাসায় নামিয়ে দিবো।

" আকাশের কথা শুনে এবার বেঁকে বসলো নীলিমা। অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে বললো....

- না,যাবো না তোর সাথে।
- তাহলে ভালোই হলো। কিছুটা কষ্ট কম হবে।

" কথাগুলো বলেই গাড়ি টান দিলো। বেশ কিছু টা দূরে গিয়ে লুকিং গ্লাসে তাকিয়ে দেখে বেশ অভিমান করে যেনো আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। নীলিমা শুধু একজন কলিগ নাহ ভালো বন্ধুও আকাশের। আবার গাড়ি ব্যাক করে আসলো।

" আকাশ নীলিমার দিকে তাকিয়ে বললো....

- যাবি, নাকি আমিও তোর সাথে এসে দাঁড়াবো। পেত্নীর মতো গাল ফুলিয়ে আছিস যে....
- কি আমি পেত্নী?  তোর বউ পেত্নী.....

" কথা গুলো বলেই তেড়ে আসলো আকাশের দিকে। আকাশ হাসতে শুরু করলো। নীলিমাকে এই কথা বললেই কেনো জানি ভীষণ রেগে যায়। আকাশ হাসি থামিয়ে বললো.....

- আগে গাড়িতে ওঠ। দেরি হয়ে যাচ্ছে.....

" নীলিমা কিছু না বলে চুপচাপ গাড়িতে এসে বসলো। রাস্তায় অনেক গল্প করতে করতে দুজনে নীলিমার বাসার সামনে এসে দাঁড়ালো। আকাশকে চা খেয়ে যাওয়ার কথা বললে অন্য দিন বলে চলে যায়।

" উফ,এতো জ্যাম? কখন যে ছাড়বে.......
আরো গল্প পড়ুন বন্ধুর বোনের সাথে প্রেম part:10 Valobasar Story Bondhur Boner Sathe Prem
" নীলিমাকে বাসায় দিয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে আসতেই জ্যামে আটকা পড়ে যায়। মনে মনে ভীষন বিরক্ত হয়ে কথা গুলো বলে অন্য দিকে তাকাতেই মূহুর্তেই বুকের ভিতর কেউ যেনো আঘাত করে বসলো।

" এমন কিছু দেখবে কল্পনা করতে পারে নি। রুমি অন্য একজন ছেলের সাথে বেশ জড়িয়ে বসে আছে। ছেলেটির হাত রুমির নিষিদ্ধ জায়গায় বার বার ঘুরাঘুরি করছে।রুমি বেশ হাসিখুশী ভাবেই তা যেনো মেনে নিচ্ছে।

" আকাশ প্রথমে ভেবেছিলো ভূল কিছু দেখছে। তবে আকাশ ভূল না যা দেখছে তা সত্যি। রুমির দিকে তাকিয়ে থাকলেও রুমির সে দেখে খেয়াল নেই। সে ছেলেটির সাথে মজে আছে।

" আকাশ ফোন বের করে রুমির নাম্বারে কল দিলে বেশ কিছুক্ষণ পর রিসিভ করে। আকাশের চোখের সামনেই ফোন রিসিভ করে আকাশ কিছু বলার আগেই বলে উঠলো.....

- আমি একটু বিজি তোমাকে পরে ফোন করছি।

" কথা বলেই রুমি ফোন রেখে দিয়ে আবার ছেলে টিকে জড়িয়ে ধরে। আকাশের চোখ বেয়ে টপটপ পানি পড়তে থাকি। জ্যামের পড়ে তাদের কে লুকিয়ে ফলো করে। তাদের আড়ালেই অনেক কিছু দেখতে পায় যা এতোদিন অজানা ছিলো।

" সেদিন আকাশ বাসায় ফিরে নি। রুমি অনেক বার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেনি। অনেক রাতে বাসায় ফিরে।

" কলিং বেল দেওয়ার পরই রুমি দরজা খোলে আকাশ কে বললো...

- এতো দেরি করলে যে....?
- মিটিং ছিলো।
- ওহ, জানো আজ মার্কেটে কি কি করেছি।

" রুমি একাই বকবক করে যাচ্ছে। যা অসহ্য মনে হচ্ছে আকাশের কাছে। যখন কেউ মিথ্যা বলে একের এক আর সত্যি টা আগেই জানা থাকে। তাহলে তাঁর থেকে চরম অভিনয় ছাড়া অন্য কিছুই না।

" ফ্রেশ হয়েই চুপচাপ শুয়ে পরে। অন্যদিনের মতো কথা বলে নি।রুমি খাবার খাওয়ার জন্য ডাকলেও না করে দেয়। রুমি কিছু না বলে সব রেডি করে এসে শুয়ে পড়ে। আকাশকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়, আজও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। একবার সরিয়ে দিতে চাইলেও আকাশ তা পারেনি।

"রুমি ঘুমিয়ে পড়লেও আকাশ ঘুমায় নি। ড্রীম লাইটের আলোতে রুমিকে দেখে। রাগে ঘেন্নায় উঠে চলে যায়। বারান্দায় গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকে।

" আচমকাই কন্ঠ শুনে চমকে উঠে.....

-ঘুমাবে না?

  হঠাৎ করেই ঘুম ভেভেঙে যায়। বিছানা ফাঁকা দেখে রুমিও উঠে গেলো। বিছানায়  যখন আকাশ কে না পেয়ে মনের মাঝে কিছুটা সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। আজ আকাশ যেমন কেমন অন্য রকম, কেমন চুপচাপ হয়ে গেলো।

আকাশকে খুঁজে না পেয়ে কি মনে করে নিজেও বিছানা ছেড়ে উঠে বারান্দায় এসে দেখতে পেলো। আকাশের কাঁধে হাত রেখে যখন জানতে চাইলো আকাশ ভীষন চমকে উঠে। রুমিকে দেখে অপ্রস্তুত হয়ে যায়।

রুমিকে দেখেই চমকে উঠে নিজেকে স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করলেও কেনো জানি পারছে না। ইচ্ছে হচ্ছে কাঁধের উপর থেকে হাতটা সরিয়ে গালের মাঝে ঠাস করে চড় দিয়ে জানতে কেনো তাঁর সাথে এতো বড় প্রতরণা করলো।

তবে, তেমন কিছুই পারছে না। মানুষটিকে যে ভীষন ভালবাসে। নিজেকে সামলে নিয়ে আকাশ বললো....

-তুমি ঘুমোওনি?
-হুম,ঘুমিয়েছিলাম। হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গেলো। বিছানায় দেখি তুমি নেই। তা এখনও জেগে রয়েছো কেন?

"রুমির ছলনাময়ী আদরের গলায় তাঁর নামটা শুনেই ঘেন্নায় মুখ ফিরিয়ে নিতে ইচ্ছে হলো। অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে বললো.....

-ঘুম আসছে না! তুমি গিয়ে শুয়ে পড়।
- আচ্ছা, তুমি বেশি রাত জেগো না। তাড়াতাড়ি চলে আসো।

আকাশের কথা গুলো শুনেই রুমি কথা গুলো বলে চলে গেলো। রুমির চলে যাওয়া পথের দিকে ভীষন অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো। এই সেই মানুষ টি যে একটু দুঃচিন্তায় দেখলে কত টেনশনে থাকতো। যদি কখনোই রাত ঘুম না আসতো তাহলে মাথায় হাত ভুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিতো। আকাশের ভীষন খেয়াল রাখতো আর এখন.......

" এই মধ্য রাতে আকাশ না ঘুমিয়ে সজাগ থাকলেও কোনো কিছু যায় না। একটু করণা করেই যেনো চলে গেলো। মানুষ বদলে গেলো তখন আর প্রিয় মানুষটির দিকে খেয়াল থাকে না। প্রিয় মানুষ টি তখন অপ্রিয় হয়ে যায় যখন অন্য কেউ জীবনে চলে।

" আকাশ মনে মনে কথা গুলো বলতে বলতে আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেললো। কি এমন করেছিলো যার জন্য তাঁর সাথে এমন করলো।

" সকাল বেলায় না খেয়ে আকাশ অফিসের জন্য বেড়িয়ে পড়লো। আজ একটু বড্ড তাড়াতাড়ি বেড়িয়ে পড়লো। এমন মানুষের মুখটাও দেখা ঘৃণা করে।আকাশকে অন্যদিন বেশ জোর করেই খেতে হতো খেতে মন না চাইলে। নিজের হাতে টিফিনবাক্সে খাবার তৈরি করে দিতো। বাহিরের কিছু খেলে যদি অসুস্থ হয়ে যায় তবে আজ একবারো ডাক দিলো না। আকাশকে ডাক না দিলেও পিছনে ফিরে দ্বিতীয় বার তাকায় নি।
আরো গল্প পড়ুন বন্ধুর বোনের সাথে প্রেম part:10 Valobasar Story Bondhur Boner Sathe Prem
" অন্য দিন আকাশকে নিজের হাতে খাইয়ে দিয়ে রেডি করে অফিসের জন্য পাঠিয়ে দিতো। রুমি নিজের হাতেই শার্ট আর ট্রাই বেঁধে দিতো। রোজ যাওয়ার সময় কপালে চুমু না খেলেই যেনো হতো না।

- আকাশ, আমার কাজ গুলো করে দেনা।

" আজ অফিসের কাজ কম থাকায় নিজের টেবিলে বসে ভেবে যাচ্ছে। কোনো কূল কিনারা পাচ্ছে না হঠাৎ করেই নীলিমা এসে আকাশের কাঁধে হাত রেখে বললো।

" আকাশ কথা আর গায়ে হাত দেওয়ার স্পর্শ পেয়ে পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে নীলিমা হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। নীলিমাকে কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারেনি। মলিন মুখে নীলিমার দিকে তাকিয়ে আছে।

" আকাশের চুপচাপ থাকা দেখে ফের কিছুটা রেগে গিয়ে নীলিমা বললো.....

- কি রে, এতো চুপচাপ দেবদাস হয়ে আছিস কেনো? এই নে আমার কাজ গুলো করে দে।

" নীলিমার দিকে তাকিয়ে আচমকাই কান্না করে ফেললো। আকাশের কান্না দেখে ভীষন অবাক হয়ে গেলো। সবসময়ই হাসি খুশি থাকা মানুষ টি হঠাৎ কান্না করে কেনো দিলো। আকাশের কান্নায় ভীষণ অপ্রস্তুত হয়ে টেবিলের পাশে ফাইল রেখে আকাশের পাশে বসলো।

" আকাশের হাতটি ধরে বললো.......

- কি হয়েছে? আজ সকাল থেকে দেখছি তুই কি যেনো ভাবছিস? বল আমাকে.......

" আকাশ চোখের পানি গুলো মুছে বললো.....

- না কিছু না। দে তোর ফাইল গুলো কাজ করে দিচ্ছি।

" নীলিমার রাখা ফাইল গুলোর দিকে হাত বাড়াতে চাইলে ভীষন ক্ষেপে যায় নীলিমা। ছু মেরে ফাইল গুলো নিয়ে দূরে সরিয়ে রাখা। আকাশের হাত ধরে চোখের দিকে তাকিয়ে বললো.....

- কিছু না মানে? তোর চোখ গুলো সাক্ষী দিচ্ছে তুই মিথ্যা বলে বলছিস। সত্যি টা বল.....

" নীলিমার কথা শুনেই আকাশ বলে উঠলো.....

- আচ্ছা, মানুষ এতো সুন্দর করে মিথ্যা অভিনয় কিভাবে? কিসের জন্য করে? কিসের অপূর্ণতা ছিলো?
- মানে.......???

" আকাশের কথা শুনে অবাক হয়ে জানতে চাইলো নীলিমা। আকাশের কথার অর্থ সে কিছুই বুঝতে পারছে না। আকাশ তখন নীলিমাকে একে একে সব কথা খোলে বললো।

" আকাশের কথা শুনেই চুপ হয়ে যায় নীলিমা। এমন কিছু শুনবে ভাবতেও পারেনি। নিজের বুকে যেনো কেউ আঘাত করেছে।

নীলিমা তখন আকাশ কে বললো.....

- তোর হয়তো কোথায় ভূল হচ্ছে। রুমি এমন মেয়ে হতেই পারে না।

" নীলিমার কথা শুনেই অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো। আকাশের হাসি দেখে কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো। আকাশ হাসি থামিয়ে বললো....

- ভূল! হ্যা অনেক বড় ভূল হয়েছে। তবে মানুষ চিন্তে ভূল করেছি। জানিস তোর মতো আমিও প্রথমে এটাই ভেবেছিলাম। তবে আমি যে বিশ্বাস করে ভূল করেছি।আমার ধারণাই ভূল ছিলো। রুমি আমার সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছে।

" আকাশের কথা শুনেই ক্ষেপে গিয়ে বললো.......

- তুই কি এমন দেখলি যে তোর মনে হচ্ছে রুমি তোর সাথে প্রতারণা করছে??
- জানি, এই কথা টি কেউ বিশ্বাস করবে না।

" নীলিমাকে কথা গুলো বলে হাত বাড়িয়ে ফোন নিলো। রুমির আড়াল থেকে লুকিয়ে ছবিটা বের করে নীলিমার হাতে দিয়ে বললো......

- এই নে,এখন বল আমি ভূল......

" আকাশের ফোন হাতে নিয়ে ছবির দিকে তাকিয়ে চমকে উঠে নীলিমা। মনের অজান্তেই মুখ থেকে অস্ফুট সুরে বেড়িয়ে এলো.......

- রুদ্র.......

" নীলিমার কন্ঠ শুনে আকাশ বললো.....

- তুই কি চিনিস?
- হুম,কেনো চিনবো না? এই যে.................(চলবে)
আরো গল্প পড়ুন বন্ধুর বোনের সাথে প্রেম part:10 Valobasar Story Bondhur Boner Sathe Prem
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label