নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

ফেসবুকের বোন পর্ব:০৫ Balobasa Golpo Sister of facebook

ফেসবুকের বোন
পর্ব:০৫
Balobasa Golpo Sister of facebook
লেখক:জাঈম

সবগুলো ভয়ে পালালো।
ছেলেরা আসলো আর মহাইমিনুল আমাকে বললো....
মহাইলিনুল:তোমার কিছু হয়নিতো দোস্ত?
আমি:আরে না আমি ঠিক আছি।আর ওই পুলিশ সাহেব এর গুনধর ছেলেটার দাঁত মনে হয় নরে গেছে।ব্যাটাকে দিছি তিনটা।
রনি:হয়ছে এতো সাহস দেখানো লাগবেনা তোর যদি কিছু হয়ে যেতো।
আমি:কিছু হবেনা।তোমরা সবাই যাও  আমি আসতাছি।
আরো গল্প পড়ুন: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে পর্বঃ ০১ valobasar Golpo Naughty girl in the head master
সবাই:ওকে।
আমি:আর এইযে শুনুন আপনাকে বাঁচানোর জন্য ওরকম বলেছি যদি ভুল করে থাকি তাহলে ক্ষমা করে দিন।
মেয়েটি:আরে না সমস্যা নাই আপনি না থাকলে আজ যে কি হতো।
আমি:ওসব বাদ দিন।আমি জাঈন।আপনি?
মেয়েটি:-আমার নাম বৃষ্টি।
আমি:-ওয়াও খুব সুন্দর নাম।তা কিসে পড়েন?
বৃষ্টি:জ্বি আমি এখানে নতুন আসছি এস.এস.সি. পরিক্ষা দিলাম এবার।
আমি:-ওহ্।রাজশাহীতে কোথায় থাকছেন?
বৃষ্টি:মামার বাসায়।এখন রাজশাহীতে পড়াশোনা করবো।
আমি:ওহ্।নদীর ধারে ঘুরতে এসেছেন না কী?
বৃষ্টি:হুম
আমি:ওকে চলেন নদীর ধারে।
বৃষ্টি:চলেন।

আমার নদীর ধারে ঘুরে সাবাই মিলে একটা রেস্টুরেন্টে যেয়ে বসলাম।রেস্টুরেন্টে বৃষ্টি তার মামাতো বোনদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল।সবাই মিলে আমরা আনেক মজা করলাম।রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে বৃষ্টিদেরকে একটা গাড়িতে উঠিয়ে আমরা বন্ধুরা হাটতে লাগলাম।হাঁটতে হাঁটতে রনি বললো কাল আমার বাসায় সবার দাওয়াত থাকলো।
সোহাগ:কিসের দাওয়াত
সাহিল:কাল মনে হয় রনির গার্লফ্রেন্ডের বিয়া তাই দুখে আমাদেরকে দাওয়াত দিচ্ছে
রনি:সামিল সবসময় মজা করিস না
আমি:আরে রনি রাগছিস কেন, সামিল বলছে তা হতেও তো পারে
রানি:জাঈম তুইও এইরকম করছিস
আমি:কি করলাম আবার। আচ্ছা বলো কাল আমাদের দাওয়াত কিসের
রনি:কাল আমার জন্মদিন
আমার সাবাই:ওকে আসবো

তারপর আমরা সবাই নিজ নিজ বাসায় চলে গেলাম। আমি বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে শুয়ে থাকতে কখন ঘুমিয়ে পরেছি জানি না।
আম্মু:জাঈম বাবা জাঈম বাবা...... (ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়)
আমি:হুম আম্মু আসছি(ঘুমিয়ে মধ্যে)
আম্মু আমাকে ডেকেই যাচ্ছে আমি যাচ্ছি না।কিছুক্ষণ পরে আম্মু আমার রুমে এসে......
আম্মু: জাঈম ঘুম থেকে উঠবি না কী পানি আনবো
আমি:উঠছি আম্মু দুই মিনিট
আমি:দাড়া আমি পানি নিয়ে আসাছি
আম্মু পানি নিয়ে আসতেই আমি ঘুম থেকে উঠে রেডি।
আম্মু:ভালো করে ডাকলাম তো উঠলি না আর এখন পানি নিয়ে আসলাম তো ঘুম থেকে উঠে রেডি
আমি:কী আর করবো বলো আম্মু
আম্মু:তোকে কিছু করতে হবে না, আই খেতে আই
আমি:আসছি

আমি খেয়ে আমার রুমে চলে আসলাম।আমার রুমে এসে ফেসবুকে ডুকলাম।দেখলাম আপু অনলাইনে আছে।

আমি:কেমন আছো আপু?
আপু আমার মেসেজ দেখে রেখে দিল।আমি আবার মেসেজ দিলাম আপুকে.....
আমি:আপু.... 
সরি আপু আরও হবে না.....
সরি.....
আপু আমার পরিক্ষা ছিল তাই আমি ফেসবুকে আসতে পারেনি......
আপু বারবার আমার মেসেজ দেখে রেখে দিচ্ছে কিন্তু কোন রিপ্লাই দিচ্ছে না।
আমি:ওকে আপু রিপ্লাই না দিলে থাক, আমি চলে গেলাম
আপু:দাড়া কোথায় যাচ্ছিস🤬🤬
আমি:ঘুমাতে।তুমি যদি মেসেজের রিপ্লাই না দেও তো আমি ফেসবুকে থেকে কী করবো
আপু:যা😠😠
আমি:যাচ্ছি না।সরি আপু আমার পড়াশুনার চাপ বেরে যাওয়ায় আরও পরিক্ষা থাকার আমি ফেসবুকে আসতে পারেনি।
আপু:আমাকেতো আগে আগে জানাতি পারতি
আমি:হঠাৎ ফেসবুক বন্ধ করাতে আমি জানাতে পারেনি
আপু:পরিক্ষা কেমন হলো তোর
আমি:হয়েছে মোটামুটি
আপু:মোটামুটি কেন ভালো পরিক্ষা দিতে পারেসনি
আমি:আপু প্রশ্ন পএ এবার আনেক কঠিন হয়েছিল তাই মোটামুটি হয়েছে
আপু:ভালোভালোভাবে পড়াশুনা না করলে প্রশ্ন কঠিন লাগবেই তো।
আমি:আপু আমি ভালোকরেই পড়াশুনা করেছি
আপু:ওকে।কেমন আছো তুমি
আমি:ভালো।তুমি কেমন আছো?
আপু:ভালো আছি।কী করছো ভাইয়া
আমি:শুয়ে আছি।তুমি কী করছো আপু
আপু:চ্যাটিং করছি
আমি:ডিনার করেছো আপু
আপু:না।তুমি ডিনার করেছো কী ভাইয়া
আমি:হুম করেছি।তুমি ডিনার করনি কেন আপু
আপু:এমনি ভাইয়া। খুদা নাই
আমি:খুদা না থাকলেও খেয়ে নেও আপু

আপুর সাথে আনেকে ঝগড়ার পরে আপুকে জোর করে রাতে খাওয়ালাম।আপু ডিনার করে আবার অনলাইনে আসলো।
আমি:ডিনার করলা আপু
আপু:হুম করলাম
আমি:আপু রাতে ডিনার করলে তোমার কী হয়ে
আপু:কিছু হায় না ভাইয়া
আমি:তো রাতে খাও না কেন
আপু:আমার রাত করে খেতে ইচ্ছা করে না
আমি:রাত করে খেতে ইচ্ছা না করলেও খেতে হবে আপু না হলেতো অসুস্থ হয়ে পরবাস
আপু:কিছুই হবে না ভাইয়া
আমি:কে বললো তোমাকে কিছু হবে না তোমার
আপু:কেউ না
আমি:ওকে এখন আনেক রাত হয়েছে ঘুমিয়ে পরো আপু।গুড নাইট
আপু:গুড নাইট ভাইয়া

আমি সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে একবার ফেসবুকে ডুকলা।আপুকে অনলাইনে দেখে.......
আমি:গুড মনিং আপু
আপু:গুড মনিং ভাই।কী করছো ভাইয়া
আমি:শুয়ে আছি
আপু:এখন ও ঘুম থেকে উঠনি তুমি
আমি:না আপু
আপু:যাও বেড থেকে উঠে নাস্ত করে নেও।
আমি:যাচ্ছি আপু
আপু:যাচ্ছি বললে হবে না, এখনই বেড থেকে উঠো
আমি:ওকে

আমি বেড থেকে উঠে নিচে আসলাম।

আম্মু:কি ব্যাপার আব্বাজান আপনার আজকে রূপকথার দেশের রাজকন্যা উদ্ধার করা লাগলো না যে।নাকি রূপকথার রাজকন্যা অন্য কোনো রাজপুত্রের হাত ধরে পালাইছে।
আমি::না আম্মাজান তা নয় আর আপনি তো জানেনই আমি কে।
(I am Jaim
Only one piece no two piece)
আম্মু:থাক থাক।
সারাদিন মুভি দেখবি আর আড্ডাবাজি করবি আর ডাইলগ দিয়ে বেড়াবি।আর সেই ডাইলগ ভাংগাই খাবি।
আমি:জ্বি আম্মাজান
বাইরে আসলাম আর রনি,সাহিল, মহাইমিনুল আর সোহাদকে ডাকলাম।
আমি:রনি  তুই ডেকোরেশন ঠিক কর আর লাইটিং করবি।
রনি:ওকে।
আমি:হুম। আর সাহিল আর সোহাদ তোরা বাজার করবি।
সাহিল ও সাহাদ:ওকে।
মহাইমিনুল:আর আমি।
আমি::তুই আমার সাথে থাকবি।চল সবাই কাজে লেগে পর।
রনি:আচ্ছা দাঁড়া জাহাঙ্গীর ভাই আর রিপন ভাইকে বলে দি আর ওরা ডেকোরেশন কাজ শুরু করুক।
আমি:ওকে।
রনি কল দিলো।
রনি:জাহাঙ্গীর ভাই আমি রনি বলছি।
জাহাঙ্গীর::বল রনি।
রনি:আজকে জাঈমের ভাগনার জন্মদিন জানোই তো।
জাহাঙ্গীর:হুম।
রনি:সবচেয়ে ভলো করে বাসা সজাবা আর লাইটিং করে দিয়ে আসো।নিজের মন মতো করে আর রিপন ভাইকে ডেকে নিয়ে রান্না করতে বলো রাজের রুমে বাজার আছে খবর দার কাওকে বলবানা যে আজকে কি।
জাহাঙ্গির:ওকে ভাই।
রনি:হুম যাও আর টাকা আমরা এসে দিচ্ছি।আর জাঈমের খাটের পাশে ঢাকা আছে চাউল আর বাজার সব।
জাহাঙ্গীর:আচ্ছা।
রনি:আচ্ছা রাখছি।
ফোন কেটে দিল।
আমি:ওই একাই সব করলি। ওকে চল এবার।
রনি:কোথাই।
আমি:এতিমখানা যাবো আর কিছু শীতের পোশাক ও খাবার দিয়ে আসি।
রনি:তুই শালা এতো কিছু ক্যামনে করলি বন্ধু।
আমি:সব বলবো চলতো।ওই বাইক স্টার্ট কর।আর মহাইমিনুল  তুই আমারটা চালা আজকে।আমি তোরটা চালামু।
মহাইমিনুল:ওকে।
আমি:ওই কেউ জোরে চালাবি না।
ওরা:ওকে।
আমরা চলে আসলাম এতিমখানায়।
এতিমখানার মালিক:আরে বাবা কেমন আছো।
আমি:হুম চাচা ভালো।আজকে সবাইকে কিছু পোশাক আর খাবার বিতরন করবো।
এতিমখানার মালিক:হুম জানি বাবা আজকে মাহাদের এর জন্মদিন।
আমি:হুম সবাইকে ডাকুন চাচা।
মালিক:ওকে।
সবাই চলে আসলো।
আমি:রনি আম্মুকে নিয়ে চলে আই।সময় মাত্র ১০ মিনিট।আমি এদের পোশাক দিবো আর আম্মু খাবার দিবে।
রনি:ওকে বাবা।
রনি চলে গেলো।আর আমি সবাইকে বললাম।
আমি সবাই ৪ টা লাইন করো আর কোনো হুরোহুরি করবানা সবাইকে দিবো আমি।
সবাই তাই করলো।
আমি:ওই তোরা ৩ জন ৩ জায়গায় দাঁড়া আর দিয়ে দে।
মহাইমিনুল, সাহিল ও সোহাদ  দিতে লাগলো।
রনি আম্মুকে নিয়ে আসলো।
আমি:আম্মু তুমি নিজ হাতে সবাইকে খাবার দাও।
আম্মু:ওকে

সবাইকে খাবার দেওয়া শেষ হলো।
আর কিছু টাকা বের করে এতিমখানার মালিককে বললাম
আমি:কাকু এটা আপনার।আর এই টাকাগুলো নিন এগুলো বাচ্চাদের কোনো সমস্যাই কাজে লাগাবেন।
মালিক:ধন্যবাদ বাবা।
আমি:রাতের খাবার পাঠাই দিবো আমি সবার জন্য।
মালিক:ওকে।
চলে আসার সময় বললাম
আমি:আম্মু আপু ফোন দিলে কেউ বলবানা যে আমি ব্যবস্থা করছি সব।আর তুমিও এমন করবে যে কিচ্ছু জানোনা।
আম্মু:ওকে।
আমি:ওকে রনি আম্মুকে নিয়ে বাসায় পৌছে দিয়ে আই।
রনি:ওকে।
আমি:ওকে।
চলে আসলাম আমরা।
আমি:ওই মহাইমিনুল কেক এর অর্ডার দিবো আর নিয়ে যাবো চল।
মহাইমিনুল:কোথা থেকে নিবি।
আমি::সবাই বল কোথায় যাওয়া যায়।
সাহিল:ওকে চল শিশির বেকারিতে যায়।
সোহাদ:হুম চল।
আমি:ওকে চল।
বাইক স্টার্ট করে বেকারিতে চলে আসলাম।
বেকারি মালিকের ছেলে:আরে সাহিল কেমন আছো?
সাহিল:ভালো ভাই।আপনি কেমন আছেন?
মালিকের ছেলে::ভালো।কি দরকার তোমার?
সাহিল:ভাই আপনাকে বলেছিলাম না জাঈমের কথা।এই সেই জাঈম।(আমাকে দেখিয়ে বললো)
মালিকের ছেলে::আসসালামুআলাইকুম ভাই।কেমন আছেন।
আরো গল্প পড়ুন: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে পর্বঃ ০১ valobasar Golpo Naughty girl in the head master
আমি:ওয়ালাইকুম আসসালাম।
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভালো আছি।আপনি কেমন আছেন ভাই।
মালিকের ছেলে:জ্বি ভালো।
আমি:ওকে আজ আমার ভাগনার জন্মদিন একটা বড় করে ১০ পাউন্ডের কেক অর্ডার করবো।
মালিকের ছেলে:ওকে ভাই।আমি আপনার বড় ভক্ত।কি খাবেন বলুন।
আমি:ধন্যবাদ ভাই।আমি কিচ্ছু খাবোনা তবে কেকটা আমার তারাতারি লাগবে।আর ভালো হতে হবে।
মালিকের ছেলে:ওকে ১ ঘন্টার মধ্যে হয়ে যাবে।
আমি:ওকে। চলুন ভাই আমরা একটু ঘুরবো আপনিও চলুন।
মালিক:আরে না ভাই থাক।
আমি:আরে ভাই চলেন না প্লিজ।
মালিক:ওকে চলুন।ওই হাসান দোকানে বসো আর ভাইয়ের কেকটা ওরা রেডি করুক আমি একটু আসছি।
চলে আসলাম আর ভাইকে সাহিল ওর বাইকে নিলো।
আমি:আচ্ছা কোথাই যাওয়া যায় সোহাদ।
সোহাদ:চল পার্কে যায়।
আমি:ওকে।আর রনিকে ডেকে নে
সোহাগ:ওকে
চলে আসলাম পার্কে।কিছুক্ষণ পরে রনিও চলে আসলো।একটু ঘুরাঘুরি করলাম।
আমি:ওকে চল চাইনিজ খাবো আজকে।ভাই ও যাবে।
ভাই প্রথমে না করছিলো পরে জোড়াজুড়ি করাই রাজি হলো।
আমি:আচ্ছা খেয়া রেস্তোরাঁয় যায়।
সাহিল:না আজকে মামার দোকানে খাবো খুব ভালো লাগে।
মালিক :হু ঠিক বলেছো সাহিল।ভাই চলেন যায়।
আমি:ওকে তাই হোক।চলে আসলাম মামার মিনি চাইনিজ এ।
আফজাল মামা:আরে জাঈম মামা কেমন আছেন।
আমি:ভালো ছিলাম মামা বাট এখন নাই।
মামা:কেন?
আমি:আমি আপনার ছেলের মতো আর আপনি আমাকে আপনি করে বলেন।এই চলো সবাই আজকে খাবোই না।
মামা:আরে আরে কোই যাও আচ্ছা ভুল হয়েছে আসো আসো সবাই বসো।
আমি:ওকে।আর যেনো ভুল না হয়।
সবাই বসলাম।
আমি:মামা যে যা ইচ্ছা খাবে আজকে।আর তুমিও।
মামা:ওকে।
সবাইকে চিকেন দিলো।
আমি চিকেন খাচ্ছি হঠাৎ রনি বললো
রনি:ওই জাঈন দেখ দেখ ওই মেয়েটা তোর দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।
আমি:চুপ শালা।
রনি:হুহ।ওই তাকাচ্ছে।
সবাই হাসতে লাগলো। আমি বললাম।
আমি:আচ্ছা একটু মজা করি কেমন।
মহাইমিনুল:ওকে।
আমি:ওই এমন করে তাকাতে বলেছি তোকে ছ্যাচরা কোথাকার। (জোরে চিল্লিয়ে বললাম)
ওই মেয়ে মাথা নিচু করে ফেললো।আর সবাই হাসা হাসি শুরু করলো।
আমি:মামা আমাকে স্যুফ দেন।
মামা:ওকে।
আমি:মামা ওদেরকে ও দিন।
বেকারি মালিক:ভাই আমি আর খাবো না আপনারা আসেন আমি দোকানে গেলাম।
আমি:ওকে যান।আচ্ছা মামা তুমি দোকানে চিকেন পাঠাই দিবা সবার জন্য আর ভাইয়ার জন্য স্যুপ।
মামা:ওকে।
মালিক:আরে ভাই লাগবেনা থাক ওসব।
আমি:না ভাই আমি পাঠালাম আপনি যান আমরা আসছি।
মামা:এই নাও স্যুপ।(সবাইকে দিলো)
হঠাৎ ওই মেয়েটি বললো..
মেয়েটি:ওই মামা আমাদেরকে ৩ টা স্যুপ দিন।
মামা:ওকে।
মহাইমিনুল:ওলে বাবা লে। দেখলি আমাদের জাঈমের সাথে কি মিল।
সোহাদ:হুম ঠিকই।কি মিল।হি হি হি।
সাহিল,রনি,মহাইমিনুল ও সোহাদ হাসতে লাগলো।
আমি:ওই চুপ।একদম চুপ।(জোরে বললাম)
ওরা ভয়ে চুপ।
আমি:ওই শোন ওই মেয়েটার সাথে ওর আম্মু আছে।
সবাই:স্যরি।
আমি:ওকে ওকে।মামা বিল কতো হলো।
মামা:আরে তোমার যা ইচ্ছা দাও।
আমি:ওকে। ওই মহাইমিনুল মামাকে ২ টাকা দিয়ে দে।
মহাইমিনুল:কিহ্(আমার দিকে অবাক হয়ে তাকালো)
আমি:হা হা হা।আমার যা ভালো লাগে তাই দিতে বলেছে মামা।
মামা:হি হি হি।আচ্ছা যাও বাবা।
আমি:এই নিন মামা। (পকেট থেকে ২০০০ টাকা বের করে দিলাম)
মামা:আরে বাবা এতো কেন।চার ভাগের একভাগ দাও।
আমি:আরে ধরেন তো রাখেন।আমার ভাগনার জন্মদিন আজকে তাই খুশি হয়ে দিচ্ছি রাখেন মামা।
মামা:ওকে।
চলে আসতে যাবো তখন ওই মেয়েটি আর ওর মা আসলো
মেয়েটির মা:আমি কি একটু কথা বলতে পারি।
আমি মহাইমিনুল ও সাহিলে এর দিকে তাকালাম।
মহাইমিনুল:হুম অবশ্যই অবশ্যই পারেন।
আমি ওদের দিকে রেগে তাকালাম।
মেয়েটির মা:আচ্ছা বাবা তোমার নাম কি জানতে পারি?(আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো)
আমি:আশে পাশে তাকিয়ে তারপর বললাম।।জ্বি আমাকে বলছেন।
মেয়েটির মা:হুম তোমাকেই বলছি?
আমি::জ্বি আমার নাম জাঈম।
সোহাদ:ওই সম্পূর্ন নাম বল।আচ্ছা আমি বলছি ওর মোঃ জাঈম রিযা রহমান (জাঈম)।
মেয়টির মা:ওহ্।তা বাবা কি করো তুমি?
আমি:কিছুনা পড়াশুনা করি।
মেয়েটির মা:কিসে পড়ে
আমি:ইন্টারে
মেয়েটির মা:তা তোমার বাবার নাম কি?
আমি::জ্বি আমার বাবার নাম রাফি আহম্মেদ ।
মহিলা:ওকে।তোমার বাবা অথবা মায়ের নাম্বার দাওতো বাবা?
আমি:দুঃখিত আব্বু কাওকে নাম্বার দেন না আর আমি পারবোনা।
মহিলা:ওকে তোমার নাম্বার দাও
আমি:আমি সিম ইউজ করিনা।
রনি:না না আন্টি ও মিথ্যা বলছে।আচ্ছা ওর নাম্বার তুলন বলে নাম্বার দিলো।
আর ওই মহিলা নিয়ে চলে গেলো

( চলবে)
আরো গল্প পড়ুন: হেড মাষ্টারের দুষ্টু মেয়ে পর্বঃ ০১ valobasar Golpo Naughty girl in the head master
Share:

1 comment:

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label