নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

Story::দুষ্টু মেয়ে ও ফাজিল ছেলের ভালোবাসা part::১০

Story::দুষ্টু মেয়ে ও ফাজিল ছেলের ভালোবাসা
part::১০
writing by::#Tarek Ahmed Munna
-----❤💘
আমি::ওকে ডান্স করছি।
সুমি::খেলাতো এখনও শেষ হয়নি জান ৩।
আমি::মানে।
সুমি::আর হ্যা তারেকের সাথে পার্টনার হয়ে আসবে নিতু।
আমি::ওই কি করলা এইটা।ও কি ডান্স পারে নাকি তাও জানিনা আর আমার আর ওর ডান্স কি মিলবে কখনও।
সুমি::কেন?দেখো জান কেমন লাগে আমাকে আর শাওনকে দিয়ে যা করাইলা আমিও তোমাদের দিয়ে তাই করালাম।
আমি::তাই বলে এইটা।
সুমি::হা হা হা হিহিহি
শয়তানি মার্কা হাসি দিয়ে চলে যাচ্ছিলো শাওনের হাত ধরে...
হঠাৎ ঘুরে এসে পাপ্পি দিয়ে হাসতে হাসতে চলে গেলো।
আমি মাথা নিচু করে আছি ভাবছি মনে হয় অপমানিত হোলাম আজকে সবার কাছে।
হঠাৎ একটা হাত আমার হাত ধরলো।
আমি অবাক হয়ে মাথা উঁচু করে তাকালাম একি এটাতো নিতু।
নিতু::কি হলো সবাই অপেক্ষা করছে চলুন শুরু করি।
আমি::নিতু এটা মজা করার সময় না ডান্স করা লাগবে বুঝলা আর ডান্স সহজ নয় যে মজা করে বললা আর হয়ে গেলো।
নিতু::আমি জানি।চলুন শুরু করি।
আমি::নিতু মজা করোনাতো দাও মাইক্রোফোনটা দাও আমি সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নি।
নিতু::মাইক্রোফোন নিয়ে বললো..সুমি আপু আপনি একটু মঞ্চে আসবেন প্লিজ।
সুমি মঞ্চে আসলো।নিতু সুমিকে একটা পাপ্পি দিয়ে বললো..
নিতু::আসলে আমি খুশি হয়ে উনাকে পাপ্পি দিলাম।আমি তারেকের অনেক ডান্স দেখেছি।আর আমার ওর ডান্স খুব ভালো লাগে আমার ও ইচ্ছে ছিলো তারেকের সঙ্গে ডান্স করার।আজকে সুমি আপুর জন্য সেই ইচ্ছেটাও পূর্ণ হচ্ছে।তারপর আরেকটা পাপ্পি দিলো সুমিকে।
আমি ভাবছি এই মেয়ে কি করতে চাচ্ছে।
হঠাৎ নিতু বললো
নিতু::আমি আজকে তারেকের প্রিয় গান কিনা জানিনা তবে আমার প্রিয় গান (পাগলী তোরে রাখবো বড় আদরে)। এই গানে ডান্স করতে চাই।
সবাই আনন্দ শুরু করলো আর চিল্লাচিল্লি শুরু করলো।
আমি শুধু শুনছি আর ভাবছি ও কি করবে আজকে।
নিতু::কি হলো গানটা বাজান।
আমি::হুম বলে অংকুশ এর (ইডিয়ট)মুভির গান :{পাগলী তোরে রাখবো বড় আদরে} গানটি ফাইল থেকে বের করলাম।আর ইমন কে ডাকলাম।
ইমন::হুম বল?
আমি::যা গানটি প্রথম থেকে দিয়ে আয়।
ইমন::ওকে বলে গেলো গান দিতে।
আমি এদিকে ভাবছি কি হবে।
নিতু::কি ভাবছেন পারবোনা।না না পারবো আপনার জন্যে সব পারবো আপনার ফোনে নিউ ফোল্ডারের ভেতর পারসোনাল বলে একটা ফাইল আছে তার মধ্যে আবার ডান্স বলে একটা ফাইল আছে আর সেই ফাইল এর ১৮ নাম্বার গান এটা।
...
আমিতো অবাক হয়ে যাচ্ছি ও সব জানছে কেমন করে..
নিতু::ভাবা পরে এখন আসেন শুরু করি।
আমি::হুম।
গান শুরু হলো আমরা ডান্স করছি।আমি নিতুর ডান্স দেখছি আর অবাক হচ্ছি যে ও হুবুহু ডান্স করছে।আমরা ডান্স করছি সবাই আনন্দ করছে।ডান্স শেষ হলো সবাই করোতালি দিলো আর সবাই বলছে খুব সুন্দর হয়েছে।
আমি::ধন্যবাদ নিতু।
নিতু::কেন ধন্যবাদ কেন?
আমি::আমার সম্মান রক্ষার জন্য।
নিতু::কি যে বলেন এইটা আমার কর্তব্য আপনার সম্মান রক্ষা করার জন্য আমি সব করতে পারি।
আমি::ওকে।আচ্ছা আমি গেলাম।
নিতু::দাঁড়ান।
আমি::বলো।
নিতু::আমাকে পাপ্পি দিলো একটা সবার সামনে।
সবাই হাসাহাসি করতে লাগলো আমি লজ্জায় মাথা নিচু করে চলে আসলাম আর ফ্রেশ হয়ে নিলাম।
সব গেষ্ট প্রায় চলে গেছে শুধু আমার বন্ধুরা আর কয়েকজন আছে।
হঠাৎ আম্মু এসে বললো..
আম্মু::তারেক একটা কথা বলি বাবা।
আমি::হুম মা বলো।
আম্মু::শোননা বলছিলাম যে আজকে তো অনেকে আছে তোর আপুরাও আছে আর ভিডিও ক্যামেরাও আছে। তাই আমি বলছিলাম কি আজকে সবাইকে নিয়ে একটু ঘুড়ে আয় আর ভিডিও করে রাখ স্মৃতি হয়ে থাকবে।
আমি::বুঝেছি। তা এতো ঘুড়িয়ে পেঁচিয়ে না বললেও হতো।
আম্মু::যাও তাহলে ওদেরকে নিয়ে।
আমি::তুমিও চলো আম্মু।
আম্মু::না আমি বাসায় থাকি তোমার আব্বু আসছে তো।
আমি::ওহ্ আচ্ছা আমরা যায় তুমি আর আমার আব্বাজান একটু টাংকি মারো আর প্রেম আলাপ করো।
আম্মু::দাঁড়া ঝাঁড়ু টা আগে আনি হারামি।
আমি::হাহাহা আমি আর নায়(দৌড়ে বাইরে আসলাম)
আমি::শরীফ ভাই চলেন ভিডিও করবেন আজকে সবাই হালকা ঘুইরা আসি।
শরীফ ভাই::আচ্ছা।
মেহেদীকে ফোন দিলাম..
আমি::ওই শালা কুত্তা হারামি ইঁন্দুর বাদুঁড় গাঁধা বলদ কোই তুই।
মেহেদী::তোর বাসার বাইরে মিমকে রেখে আসি।
আমি::না থাকুক ওরে নিয়ে চলে আসো।
মেহেদী::কেন?
আমি::সবাই একসাথে ঘুরতে যাবো শালা বলদা।
মেহেদী::ওকে আসছি।
ওরা আসলো।
আমি::চলো সবাই ঘুরে আসি আর আসার সময় ফুসকা খাবো।
সবাই::ওকে।
আমি::চলো যাওয়া যাক।
আমি,ইমন,মেহেদী,জিম,শিমুল,টুটুল,আর শরীফ ভাই শাওন এই আটজন ছেলে
আর মেয়েরা মনে হয় ১০ জন মতো। যাওয়ার জন্য বের হলাম।
আমি::সবাই কি হেঁটে যাবা নাকি গাড়ি নিবো।
নিতু::সবাই গাড়িতে আটবোনা চলুন হাঁটি সবথেকে ভালো হবে।তাইনা সানজিদা আপু।
সানজিদা আপু::হুম তারেক চল হেঁটে যাই।
আমি::ওকে আপু।
সবাই হাঁটা শুরু করলাম।
নিতু::এই শোনো।
আমি::হুম বলো।
নিতু::মেঘলা আর জিমকে একটু গল্প করার সুযোগ দাও না ওদের ও তো মন আছে তাই না।
আমি::তো আমি কি ওদের মনে তালা লাগাই রাখছি।
নিতু::তা নয় তবে জিম হয়তো ভয় পাচ্ছে।
আমি::কেন?
নিতু::তুমি যদি ওকে রাগ করো আর বকো।
আমি::আরে নাহ্ যাও বলো ওদের কিন্তু দেখবা লিমিট যেন ক্রস না করে।
নিতু::ওকে গো।
আমি::হুম।
জিম আর মেঘলা টাংকি মারতে মারতে যাচ্ছে আর ইমন ও রিতু আর মেহেদী আর শারমিন ও টাংকি মারছে।শুধু আমি দেখছি সবাই কি করে।হঠাৎ নিতু এলো আর আমার হাতটা ধরলো।আমি হাত ছাড়িয়ে দিলাম।
নিতু::কি হলো হাত ছাড়ালে কেন?
আমি::রাস্তার মধ্যে ওসব ফান ভালো লাগেনা।
নিতু::কি বলো ফান করছি না তো ওরা সবাই যে যার মতো প্রেম করছে আর আমরা দেখছি।
আমি::তো কি করবো?
নিতু::চলো আমরাও প্রেম করি।
আমি::সময় নাই সইরা পড়ো আর দূরে গিয়া মরো।
নিতু::কেনো।
আমি::আমার ভালো লাগেনা তাই।
নিতু::আমি কি দেখতে অনেক খারাপ যে আমাকে তোমার ভালো লাগেনা।
আমি::হুম হইছে।
নিতু::আচ্ছা ভালো।তা আমার মধ্যে কি নেই যে তুমি আমাকে ভালোবাসোনা।
আমি::অনেক কিছু নেই বুঝলা অনেক কিছু।(চিৎকার করে বললাম)
সানজিদা আপু::তারেক তুই কি শুরু করলি এইটা রাস্তা তোর বাসা না বুঝলি এটা পাবলিক প্লেস।
আমি::ওহ স্যরি।
আমরা বাইপাসে গেলাম আর অনেক ঘুরলাম তারপর ফুসকা খেয়ে বাসায় চলে আসছি।
হঠাৎ নিতু আবার বললো
নিতু::তারেক সত্যি অনেক ভালোবাসি।
আমি::বললাম তো আমার তোমাকে ভালো লাগেনা।
নিতু::আচ্ছা। তুমি জানো আমার জন্য কতো ছেলে পাগল।
আমি::না জানিনা আর জানার দরকার নেই।
নিতু::দেখবা প্রমাণ করে দিচ্ছি।
আমি::তোমার ইচ্ছা।কেও তাকাবেইনা তোমার দিকে।
হঠাৎ এক বন্ধু ডাকলো আমাকে।
রাফি::কিরে চায়না কি খবর তোর।
আমি::ওই শালা চায়না তো বেশিদিন যায় না।
রাফি:::হাহাহা।
আসলে স্কুল লাইফের ফ্রেন্ড তো আর সবাই আমাকে চায়না বলে ডাকতো আর রাফি কে মেম্বার বলে ডাকতো।
আমি::ওকে কি খবর তোর।
রাফি::ভালো।এখন কি কাজ করিস তুই।
আমি::এইতো আব্বুর ব্যবসা দেখছি রে।
তোর সানিলিওন এর কি খবর রে
হঠাৎ জিম আসলো দৌড়ে আর বললো...
জিম::এই ভাই নিতু।
আমি::নিতু কি বল।এতো হাপাচ্ছিস কেন?
জিম::নিতু রাস্তার মধ্যে আরগিট আর ওর বন্ধুরা ছিলো তখন গিয়ে প্রোপজ করেছে।তারপর একটু হেসে কথা বলেছে।এখন রাস্তার মধ্যে ওরা নিতুর হাত ধরে টানাটানি করছে।ইমন আর মেহেদী বাঁধা দেওয়াই ওদের কে মেরেছে আর সানজিদা আপুকে ধাক্কা মেরেছে।
আমি::ওই রাফি চলতো(রেগ
ে বললাম)।
আমি আর রাফি দৌড়ে গেলাম।গিয়ে দেখলাম আরাফ নিতুর হাত ধরেছে আর সবাই হাসাহাসি করছে।আর সুমি ও মিমকে দিস্টাব করছে বাকিরা।সানজিদা আপু পরে গেছে হয়তো তাই কপাল কেঁটে গেছে।
আমি::ওই শালা কুত্তারবাচ্চারা।
সবাই থেমে গেলো।আমি আর রাফি গিয়ে ওদেরকে বকলাম আর ইমন ও মেহেদী উঠলো উঠেই বললো আরাফ নিতুর সাথে জোর জবরদস্তি করছিলো আপু বাঁধা দেওয়াই আরমান আপুকে ধাক্কা দিছে।
আমি::ওই শালা বলে থাপ্পর দিলাম আর গলা চেপে ধরলাম।
আরমানের জিহ্বা বের হয়ে গেছে সবাই ভয় পেয়ে গেছে।আপু আমাকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে।
সানজিদা আপু::তারেক ছার ওকে ভাই।তারেক ও মরে যাবে।প্লিজ ছাড় ওকে।
আমি::চুপ। ওই শালা তুই আমার বোনকে ধাক্কা মারছিস তোরে আজ আমি এক ধাক্কায় উওরে পাঠাই দিবো আমার বোনের রক্ত ঝরাইছিস তুই।
আপু আর সবাই মিলে টানা টানি করে ওকে ছাড়াইলো ও কাশতাছে আর গলা ধরে বসে পড়লো।
আমার রাগ হয়ে আছে আরাফকে থাপ্পড় দিলাম আর বললাম..
আমি::এই শালা তোকে অনেক কিছু দিয়েছিলাম আর অনেকের সাথে পরিচয় করায়ছিলাম। আর তুই ক্ষমতার জন্য আমাকেই এমন দূর করে দিছিস। ওই শালা তুই জানিস তোদের গ্রুপ লিডার কে আমার সাথে লড়তে হলে হাজার বার জন্ম নিতে হবে।এই যে কমিশনার কে দেখে সবাই চুপ তোরা আর এই কমিশনার রাফি আমার বন্ধু। আর ওর থেকে জেনে দেখ আমি কতোটা ডেন্জারাস।
রাফি::ওই চায়না থাম তুই।
আমি::শালা বাদ দে আর পুলিশকে ফোন কর ওদের কে আমি না হলে শেষ করে ফেলবো আজকে।
রাফি::ওই তারেক থাম।
আমি::ওকে।এই শোন ইমন আর মেহেদী কে মারলো তোদের।(ইমন আর মেহেদীকে বললাম)
ওরা::এই দুজন আর আরাফ।
আমি::মার ওই শালারে।
রাস্তার পাশে একটা গাছ ছিলো আমি গাছের ডাল ভেঙ্গে দিলাম আর বললাম মার।
ইমন আর মেহেদী ওদের মারছে।
আমি::শোন আরাফ তোর মতো ছেলেদের আমি ইচ্ছে করলে জায়গাই বসে এই ক্ষমতার বড়াই শেষ করে দিতে পারি।মনে আছে আমাকে মারার প্লান করেছিলি আমি বাসা থেকে বের হতে পারতাম না।তোরা কি ভেবছিলি ভয়ে বের হতাম না। না সব ভুল আমার ভাই জেনে গেছিলো।আর মোয়াজ্জেম ভাই বকেছিলো আর ঝামেলা করতে নিশেধ করেছিলো তাই কিছুই বলি নি।আর তুই সেই ভাইয়ের বোনকে ধাক্কা দিছিস তুই কি জানিস মোয়াজ্জেম ভাই একবার জানলে তোর কি হাল হবে তার শালা বাবু তো ১৪ নং এর মাস্তান বর্তমানে টপ লিডার তাকে বলবে আর তুই রাতের ভোরে হারায় যাবি।
আর যদি আমাকে বল তাহলে তোরে আমি একদম বলে ওর গলা ধরে উঁচু করে ফেলেছি আর ও ছটফট করছে আর গোংগাচ্ছে।
আপু::তারেক ওকে ছাড়।
আমি কোনো কথা শুনছিনা।সবাই মিলে জোর করে ওকে ছাড়ালো।ও পড়ে গেলো নিচে আর কাঁশি দিচ্ছে।
আপু::তারেক এখান থেকে চল।
আমি::এই রাফি যা বাসায় যা কিছু মনে করিস না।
আপু আমাকে নিয়ে যাচ্ছে।
আরাফ::কাজটা ঠিক হলোনা।
আমি শুনে দৌড়ে এসে মারলাম এক লাথি আর বললাম
আমি::ওই কুত্তা কি ঠিক করেছি আর কি না করেছি দেখবি।(কলার ধরে)বলে এক ঝাকি মেরে দিয়ে চলে আসলাম।
বাসায় আসার সময় নিতুর হাত ধরে টানতে টানতে আসলাম।সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে।আপু বারবার বলছে তারেক নিতুর হাতে লাগছে ছাড়।আমি কোনো কথা না শুনে বাসার মধ্যে ঢুকলাম আর ঢুকেই।
আমি::ঠাস্ ঠাস্।
আম্মু আর আব্বু চলে আসলো ড্রইং রুমে আপুর চিৎকার শুনে।
আম্মু::তারেক থাম ওকে চর মারছিস কেন।
আমি::আবার ঠাস্ (কোনো কথা না শুনে)
আম্মু::তারেক(চিৎকার করে)।
আমি::ওই চুপ সবাই একদম চুপ।(রেগে বললাম)
সবাই আমাকে এরকম দেখে থেমে গেলো।
আমি::ওই কি ভাবিস তুই নিজেকে ওই তোর জন্য  আজকে আমার আপুর মাথা কেঁটে গেছে।তোর জন্য এই মেয়েগুলোর সাথে বাজে ছেলেরা ধস্তাধস্তি করেছে, তোর জন্যে আমার বন্ধুদের মার খেতে হয়ছে।আর তোরর এতো ভালোবাসা লাগবে তো ওদের কাছে একা যা আমার আপুদের সামনে বলেছিস কেন এখন চলে যা আর বল ওদের যে আমার ভালোবাসা লাগবে ভালোবাসা দাও তোমরা।
আম্মু তারেক বলে আমাকে থাপ্পড় দিলো আর বললো..
আম্মু::ছি তুই এতোটা নিকৃষ্ট কথা বলতে পারিস।
আমি::হ্যা পারি।তুমি জানো আজ ওর জন্যে আমার আপুর মাথায় রক্ত ঝরেছে।
আপু:তারেক থাম আমি কিছু মনে করিনি।
নিতু::স্যরি তারেক আমি বুঝতে পারিনি এমন হবে।
আমি::কিসের স্যরি এই কিসের স্যরি।তুই ভাবলি কি করে এতো কিছুর পর ও তোকে আমি ভালোবাসবো।তোকে ভালোবাসা তো দূরের কথা তোর মুখ দেখাও পাপ।
ইমন::তারেক থামবি তুই।
আমি::চুপ করতে বলেছিনা তোদপর তার ওপর কেনো কথা বলছিস তুই একদম চুপ থাক।
ইমন::তোরে কি কেও মেরেছে আমাদের মেরেছে আমরা কিছু বলছিনা তাহলে তুই কেন এমন করছিস।
আমি::ওই চুপ একদম চুপ আমার অনেক কিছু আমার আপুর লেগেছে আমার গাঁয়ে তো লাগবেই তুই কথা বলবিনা।
ইমন::হুম বুঝেছি আমাদের কি আমরা তো আর কেও না।চল মেহেদী আমরা চলে যায় এখানে থেকে কি করবো।
মেহেদী::হুম চল।আর থাকবোই না।
আমি::হুম যা যা।
মেহেদী আর ইমন চলে গেল।সাথে শাওন সুমি আর বাকিরাও।
আমি::কিরে তুই কেন আছিস এখনও তোর মুখ দেখতে ঘৃণা করছে আমার।(নিতুকে বললাম)
নিতু::হুম ঠিকি বলেছো আমার মুখ দেখাও পাপ।তোমাকে ভালোবাসি তাই তো আমি পাপি।তোমাকে পাওয়ার জন্য এতোকিছু করেছি তাইতো পাপি।তোমার জন্য সব ছেড়ে এখানে চলে এসেছি তাই আমি পাপী।তোমাকে খুব ভালোবাসি তুমি তখন বলেছিলা আমাকে কেও ভালোবাসবেনা তাই আমি এমন করেছিলাম আর এজন্যই এতোকিছু হয়েছে।হুম এ জন্যও আমি পাপী। তুমি যখন বলেছো এই মুখ দেখাও পাপ ওকে আমি চলে যাচ্ছি এই মুখ আর তোমাকে দেখাবোনা চলে যাচ্ছি আমি।(কাঁদতে কাঁদতে রুমে গেলো আর ব্যাগ গুছিয়ে নিয়ে চলে আসলো বাইরে)
আম্মু::তারেক ওকে আটকা বাবা।
আমি::পারবোনা বলে চলে আসলাম আমার রুমে।
কাওকে কিছু না বলে রুম বন্ধ করে ঘুমিয়ে গেলাম।
চলবে....
 waiting for next...
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label