নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

গল্প💖ডেজ্ঞারাস খালাতো_বোন পার্ট_৮

গল্প💖ডেজ্ঞারাস খালাতো_বোন
লেখক💖ইরফাত হোসেন  ইমন।
#পার্ট_৮

আমাকে বলে ছিলি তোর সাথে দুই মাস সংসার করলে তোর প্রেমে পড়বো? দেখলি আমি তোর প্রেমে পড়িনি বরং তোকে সবার সামনে খারাপ ছেলে হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছি। আমাকে থাপ্পড় দেওয়ার পরিনাম কি হয় আজ তাহলে বুঝতে পারছিস? (মীম)

আমি:- তোমাকে তো আমি একটা থাপ্পড় দিয়েছি এমন সময় হবে যা এই থাপ্পড়টা আবার ফিরে পাবে এক সাথে অনেক গুলা। যাক তুমি যা করেছো তা ভালোই করেছো আমি চলে যেতেছি।

মীম:- হ্যা তা তো তোর যেতে হবেই। আর তুই থাকতে চাইলেও আজকে তোকে থাকতে দিবে না।

আমি:- আমার থাকার ইচ্ছে নেই তোমার সাথে কারন আমি তোমার মত মেয়েকে জীবন সাথী হিসাবে চাইনা।

মীম:- আর তোর মত ছেলে কে আমি আমার বর হিসাবে চাইনা। তুই এখুনি আমাদের বাসা ছেড়ে চলে যা বলছি।

আমি:- হ্যা যাচ্ছি, দেখি সরো মীমকে ধাক্কা দিয়ে আমি দরজা খুলে বেরিয়ে আসবো এমনি পেছন থেকে আমার ব্যাগ টেনে ধরছে চেয়ে দেখি খালাম্মা।

খালাম্মা:- দাড়া আমার কিছু কথা আছে তোর সাথে তারপর তুই যাবি।

মীম:- আম্মু তুমি ওকে যেতে দাও ওর সাথে কোন কথা বলতে হবে না।

খালম্মা:- মীম তুই চুপ থাক আমার ইমনের  সাথে কিছু কথা আছে। আয় ইমন বলে আমার হাত ধরে টেনে রুমে নিয়ে এসে দরজা বন্ধ করে দিয়েছে ভীতরে আম্মু ছিলো আগে।

আম্মু:- তুই সত্যি করে বলতো কাহিনি কি?

আমি:- কাহিনি কিছুনা আমি মীমের সাথে সংসার করতে পারবো না।

খালাম্মা:- তুই আমার গা ছুয়ে বল যে তুই মীমকে ভালোবাসিস না। যদি বলতে পারিস তাহলে কালকে তোদের ডির্ভোসের এপলিকেশন করিয়ে দিব।

আমি:- মুখে বললে হয়না এখানে গা ছুয়ার কি আছে?

আম্মু:- তোর তো খালাম্মা হয় মিথ্যা কথা বললে ওনার ক্ষতি হবে তাতে তোর কি বল গা ছুয়ে।

আমি:- একার পক্ষে কারো সাথে সংসার করা যায়না তাই বলিকি আম্মু এখানে সমাপ্তি দাও আমাদের দুজনের বিবাহ জীবন।

খালাম্মা:- আমাদের যেইটা বুঝার ছিলো আমরা দুই বোন সেইটা বুঝে গেছি। এখন তোর ইচ্ছা তুই আমাদের দু বোনের স্বপ্ন পুরুণ করবি নাকী ভেঙে দিবি। ইমন এখানে একটা খাম তোদের হানিমুনের টিকিট  রাখা আছে। আমি চাই মীম তোর সাথে সারা জীবন সংসার করুক।

আমি:- কিন্তু খালামনি মীম কি রাজি হবে এত কিছুর পর?

খালাম্মা:- রাজি করাবার দ্বায়িত্ব আমার তুই শুধু একবার আমার সামনে মীমকে সরি বলে দিবি।

আমি:- (সরি বলবো আমি কোন দোষ না করে ঠিক আছে এখন সময়টা ওর যা খুসি করে নেক। আমার সময়টা আসুক তখন সব কিছুর প্রতিশুধ ভালো করে নেব।) ঠিক আছে তাই হবে।

আম্মু:- আমাকে ক্ষমা করে দিস বাবা আমি ঠিক বুঝতে পারিনি। আমরা তিনজন রুম থেকে বের হয়েছি সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। মীম তাকিয়ে আছে আমার দিকে। আমি কাছে গিয়ে মীমকে সরি বলেছি মীম আমার ভূল হয়েছে আমাকে ক্ষমা করে দাও প্লিজ।

মীম:- তোকে আমি ক্ষমা করবো না।

খালাম্মা:- দেখ মীম ও যেহেতু ভূল বুঝতে পারছে তাহলে ওকে ক্ষমা করে দেওয়া ভালো হবে। আর আজ রাতে তো আমাদের বিবাহ বার্ষিকী তাই এখন কথা কম বলে সব কিছুর আয়োজন করতে হবে।

মীম:- কিন্তু আম্মু?

খালাম্মা:- কোন কিন্তু নয়,ইমন মীমকে নিয়ে রুমে যা।

আমি:- জ্বি খালামনি বলে মীমের হাত ধরে সোজা রুমে নিয়ে এসেছি।

মীম:- তোর সাহোস দেখে বাচিনা ছাড় বলছি আমার হাত। মীম এক টান মেরে আমার হাতটা ছারিয়ে নিয়ে আমাকে একটা থাপ্পড় দিয়ে বলে এর পর যদি কোন দিন আমার হাত ধরিস তাহলে তোর খবর আছে বলে দিলাম।

আমি:- এই তুই আমার কি খবর করবি বলে আমিও মীমকে একটা ঠাসসস করে থাপ্পড় দিয়েছি। মীম গালে হাত দিয়ে খাটের উপর শুয়ে পড়েছে। এই শুন তুই আমার প্রেমে পড়বি মাত্র ৪৫ দিনে সবার সামনে রাস্থায় দাঁড়িয়ে দু হাত জোর করে আমার কাছে ক্ষমা চাইবি তোকে আমার জীবনে নেওয়ার জন্য। তখন আমি ভেবে দেখবো যে তোকে আমার জীবন সাথী হিসাবে নিব কিনা?

মীম:- আর আমি যদি তোর প্রেমে না পড়ি তাহলে তুই আমার পায়ে হাত দিয়ে ধরে সবার সামনে ডির্ভোসের কাগজে সাইন করে ক্ষমা চেয়ে যাবি।

আমি:- ঠিক আছে আমি রাজি আছি মনে থাকে যেন?

মীম:- হ্যা মনে তো থাকবেই।

আমি:- ভালো করে রেখো, এই কথা বলে আমি ফ্রেস হতে চলে গেছি কিছুক্ষণ পর রুমে এসে দেখি মীম শুয়ে আছে তবে ওর ঠোট কেটে রক্ত পড়তেছে। আমি কাছে গিয়ে ড্রয়ার থেকে তুলা আর কিছু মেডিসিন নিয়ে ওর পাশে বসেছি। ও চোখ বুঝে শুয়ে আছে আমি কাছে গিয়ে যখনি ওর রক্ত মুছে দিতেছি তখনি,,,

মীম:- খবরদার আমার গায়ে টাচ্ করবি না।

আমি:- ৪৫দিন টাচ্ করবো কারন এই কিছুদিন আমরা স্বামি স্ত্রী।

মীম:- ভালো হবে না কিন্তু বলে দিলাম।

আমি:- তুমি একটু চুপ করে বসো তাহলে কাজটা করতে আমার জন্য সুবিদার হবে। মীম আমাকে দিবেইনা করতে।

মীম:- বুঝতে পারছি আমাকে কেয়ার করা হচ্ছে যাতে করে তোর প্রেমে পড়ি। কোন লাভ হবে না কোন দিন তোর প্রেমে পড়বোনা।

আমি:- কথা কম বলবে নাকী খালামনিকে ডাক দিবো?

মীম:- দে আমি ভয় পায় নাকী?

আমি:- ঠিক আছে দিতেছি খালাম্মা বলে ডাক দিয়েছি তখনি মীম আমার মুখ চেপে ধরেছে আর আমি মীমের হাত ধরে কত গুলা কিস করে দিয়েছি। মীমম হাত টান দিয়ে নিয়ে গেছে। কি মেডিসিন লাগাতে দিবে নাকী?

মীম:- বুঝতে পারছি ব্লাক মেইল করছো?

আমি:- মনে করো তাই,
 মীম বসে আছে আমি মীমের ঠোটে মেডিসিন লাগিয়ে দিয়েছি। মীম চেয়ে আছে আমার দিকে তবে আজকে প্রথম মীমের চাওয়াটা একটু ভালোবাসার চাওয়া মনে হলো। সরি আপু!

মীম:- সরি কেন?

আমি:- ঐ থাপ্পড়টা দেওয়ার জন্য। তখনি মীম বলে,,,

মীম:- আমি আজকে রাজিবকে আর আমাদের অফিস কলিকদের দাওয়াত দিয়েছি। আম্মু যদি কিছু জিগেস করে তাহলে তুমি বলো যে ওরা তোমার পরিচিত।

আমি:- ঠিক আছে তাই হবে, চলো এখন বাহিরে যাই আচ্ছা একটা কথা বলি?

মীম:- কি কথা?
এখন থেকে নিয়মিত গল্প পাবেন।সবাই ফলোয়িন করে সাথে থাকবেন।
আমি:- রাজীবকে কি আপনি অনেক ভালোবাসেন?

মীম:- হ্যা অনেক ভালোবাসি যা তোমাকে বলে বুঝাতে পারবো না। আমি রাজীবের যায়গাটা কাওকে দিতে পারবো না।

আমি:- মীম দেখ তুমি একদিন তোমার স্বপ্ন পুরুণ করতে পারবে। আর তোমার সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষের কাছে। আচ্ছা এখন চলো সবাই অপেক্ষা করতেছে। আমি মীমকে নিয়ে বাহিরে এসেছি।

খালু:- সব কিছুর ব্যাবস্থা হয়ে গেছে আর রাতে অনুষ্টান তাই কিছু অতিথি আসবে। অনুষ্টান হবে কমিউনিটি সেন্টারে সবাই রেডি হয়ে নাও গিয়ে। আমরা কিছুক্ষণ পর ঐ খানে চলে যাবো। আর একটা কথা?

আব্বু:- কি কথা?

খালু:- আজকে সবাই পাঞ্জাবি পড়বে আর মেয়েরা শাড়ি পড়ে আসবে। তাই আমাদের বাসার সবাই কিন্তু শাড়ি পড়ে যাইবে।

মীম:- কিন্তু আমি তো শাড়ি পড়তে পারিনা।

আম্মু:- আমি পড়িয়ে দিতাম তবে আমার কাজ আছে।

খালাম্মা:- হ্যা তোর নিজের সাজগুজ করবি কখন আবার মীমকে শাড়ি পড়াবি।
এই চলেন সবাই যার যেমনে চলে গেছে আমি দাঁড়িয়ে আছি তখনি মীম বলে,,,

মীম:- আইডিয়া আমি পার্লারে ফোন করে একজনকে ডেকে আনি তাহলে তো হবে।

আমি:- (এত কষ্ট করার কি আছে আমাকে বললে হয় আমি পড়িয়ে দেয়। মনে মনে বললাম)
ঠিক আছে তাহলে তাই করো আমি একটু নিচ থেকে ঘুরে আসি। মীম চলে গেছে আমি সোজা নিচে এসে বসে আছি। প্রায় ২০ মিনিট পড় দেখে রিক্সায় করে একটা মেয়ে এসেছে।

মেয়ে:- ভাইয়া এই ফ্লাটে কি মীম নামে কোন মেয়ে থাকে?

আমি:- কেন কার কাছে এসেছেন?

মেয়ে:- আমি এসেছি বিউটি পার্লার থেকে ওনাকে শাড়ি পড়াতে।

আমি:- ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নিন!

মেয়ে:- আসলে তারা হুরা করতে গিয়ে মোবাইলটা ভূলে ফেলে চলে আসছি। আর ১৯ নাকী ২৯ নাম্বার বাড়ী বলছে ঠিক মনে নেই।

আমি:- ও বুঝতে পারছি আসলে এখানে মীম নামে কেও থাকেনা আর এইটা তো ১৯ নাম্বার বাড়ী মনে হয় ২৯ হবে।

মেয়ে:- ধন্যবাদ আপনাকে।

আমি:- স্বাগতম বলে সোজা এক দৌরে বাসায় চলে এসেছি। আমি রুমে গিয়ে দেখি মীম অনেক গুলা শাড়ি নিয়ে বসে আছে। আর মেয়েটিকে ফোন করতেছে আর ওর গুস্টি ওদ্দার করছে। আমার মনে যা আনন্দ লাগছে তা বলে বুঝাতে পারবো না। আমি মীমের কান্ড গুলা দেখে যাচ্ছি চুপ করে। এমনি খালু আমাদের রুমে এসেছে,,

খালু:- কিরে তুই এখনো রেডি হসনি দেরি হয়ে যাচ্ছে তো? এমনি খালাম্মা সহ সবাই রুমে এসেছে। আচ্ছা বাবা ইমন  তুমি মীমকে নিয়ে পড়ে এসো আমরা কমিনিউটি সেন্টারে যাই। তানা হলে সব মেহমানরা খারাপ মনে করবে।

আমি:- ঠিক আছে আমি মীমকে নিয়ে আসতেছি খালাম্মারা সবাই চলে গেছে তখনি মীম আমাকে বলে,,

মীম:- ইমন রাজীব সহ সবাই যদি আমাকে অনুষ্টানে না দেখে তাহলে সব গন্ডগোল হয়ে যাবে। আব্বু আম্মুকে যদি রাজীব কিছু বলে দেয় তাহলে আমার তো বারোটা বাজাবে আম্মু। প্লিজ তুমি আমাকে শাড়িটা পড়িয়ে দিবে?

আমি:- হ্যা দিতে পারি তবে আমার কিছু শর্ত আছে। যদি তুমি সেই শর্ত গুলা মেনে নাও তাহলে পড়িয়ে দিতে পারি।

মীম:- আগে শুনি কি তোমার শর্ত?

আমি:- তাহলে শুনো আমার শর্ত গুলি,,,,,

চলবে,,,,,,,
আগের অংশ পড়তে..... আমার আইডিতে যেতে পারেন
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label