নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

কাল্পনিক গল্প খুনসুটির ভালোবাসা

খুনসুটির ভালোবাসা
(বৃষ্টি পড়ছে)
লেখক:মোঃ তাজমুল হাসান
*
*
*
নীলা - এই তুই আমার হাত ধরেছিস কেন
শুভ - কেন আমার ইচ্ছে হয়েছে তাই ধরেছি
নীলা - কেন আমি কি তোর বউ নাকি
শুভ - বউ ই তো
নীলা - ইস আমার বয়েই গেছে তোর বউ হতে
শুভ - আচ্ছা বউ হতে হবে না তুই ভিজে যাবি তাই
তো তোর হাত ধরেছি কত বৃষ্টি হচ্ছে দেখছিস
না
নীলা -আমি বৃষ্টিতে ভিজবো শুভ
শুভ - না ভিজতে হবে না ভিজলে তোর
ঠান্ডা লাগবে আর টেনশান হবে আমার
নীলা - কেনো তোর টেনশান লাগবে
কেনো
শুভ - তোর ঠান্ডা লাগলে কার সাথে ঝগড়া করবো
ঝগড়া না করতে পারার টেনশান
নীলা - ও আচ্ছা তার মনে আমি শুধু তোর সাথে
ঝগড়া করি
শুভ - হ্যা করিস তো
নীলা - ওকে আজ থেকে আমি আর কিছু বলবনা
দূরে যা আমার হাত ধরবি না কুত্তা
শুভ - আহারে আমার বউটা রাগ করেছে
এমনি একটা মধুর বন্ধুত্বের সম্পর্ক শুভ ও
নীলার মধ্যে
শুভ অসম্ভব ভালো বাসে নীলাকে কখন
যে বন্ধুত্বের গণ্ডি পেরিয়ে নিলা কে
ভালোবেসে ফেলেছে শুভ নিজেও জানেনা
সবসময় নিজের কাজ কর্মের মধ্যে বোঝায় সে
তাকে কত ভালোবাসে নীলাকে
কিন্তু নিলা?
শুভ বুঝতে পারে না নিলা তাকে ভালোবাসে না শুধুই
বন্ধু ভাবে
শুভ দেখল রাস্তার ওইপাশে আইসক্রিমওয়ালাক
ে দাঁড়িয়ে থাকতে
শুভ - আইসক্রিম খাবি
নীলা - ওয়াও গ্রেট আইডিয়া খাবো
শুভ - ওকে তুই তাহলে এইখানে দাঁড়া আমি রাস্তার ওই
পাশ থেকে আইসক্রিম নিয়ে আসছি
শুভ ঠিক রাস্তার মাঝামাঝি গিয়েছে তখন নিলে
ডেকে ওঠে শুভ ও শোন নীলার ডাক শুনে
যখন পেছন ফিরে তাকায় তখন একটি গাড়ি এসে শুভ
কে ধাক্কা মারে আর শুভ রাস্তায় পড়ে যায়
নীলা - চেঁচিয়ে উঠে শুভ বলে
তারপর শুভ কে হসপিটাল এ নিয়ে যাওয়া হয় নীলা
শুভর পাশে বসে কাঁদছে এই ভাবে পিছন
থেকে মাঝ রাস্তায় ডাক দেওয়ার জন্য শুভর এই
অবস্থা এই ভেবে নীলা নিজে কে বারবার ধিক্কার
দিচ্ছে আর কেঁদেই যাচ্ছে
ডক্টর যদিও বলেছে সেরিয়াস তেমন কিছু
হয়নী রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় একটু চোট
পেয়েছে ও সারা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় একটু
কেটে গেছে ব্যথার জন্য ঘুমের ইনজেকশন
দেওয়া হয়েছে কিছুক্ষন পর ঘুম ভাঙবে
প্রায় চার ঘণ্টার পর শুভ ঘুম থেকে উঠে দেখে
নীলা পাশে বসে কাঁদছে
শুভ - কাঁদিস কেনো নীলা
নীলা - সরি শুভ আমার জন্য তোর এই রকম হলো
শুভ - ধুর পাগলী কিছুই হয়নী তো আমার আমি ঠিক
আছি
নীলা - শুভ তোর কিছু হলে আমি কিভাবে বাঁচবো
শুভ -(দুষ্টুমি করে) কেনো তুই কি আমার বউ নাকি?
নীলা - হ্যা আমিই তো তোর বউ গ্রহণ করবি না
আমায়
(শুভ বিশ্বাস করতে পারছে না নীলা এই কথা বলবে
)
শুভ - পাগলী ভালবাসিস কিন্তু এত দিন লাগে বলতে
নীলা - আমি কেনো বলবো তুই আগে বলিসনি
কেনো
শুভ - আমি তো কতো ভাবে তোকে
বোঝানোর চেষ্টা করেছি কিন্তু তুই তো কিছুই
বুঝিতিনা
নীলা - এখন কি ঝগড়া করবি? আমাকে বুকে টেনে
নিবিনা বলে (লজ্জায় মাথা ঝুঁকিয়ে নেয়)
শুভ - আই বুকে আই পাগলী ( এই বলে শুভ
নীলাকে বুকে টেনে নেয়) আর আস্তে
করে নীলার কপালে একটি ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে
দেয়
(শুভ দুষ্টুমি করে বলে তুমি আমাকে একদম
ভালোবাসোনা )
নীলা - কেন (অবাক হয়ে)
শুভ -............ (মুখ অন্য দিকে ঘুরিয়ে
নেয়)
নীলা - বুঝতে পেরে ওলে বাবালে আমার
বাবুটা অভিমান করেছে মনে হয় (এই বলে নীলা ও
শুভর কপালে একটি ভালবাসার চিহ্ন এঁকে দেয় )
এই ভাবে চলতে থাকে শুভর ও নীলার
খুনসুটির ভালোবাসা
(আপনারা ও প্রার্থনা করবেন ওরা যেন দুই জন সুখে
থাকে)
***কাল্পনিক গল্প***
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label