নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

নতুন পথচলা গল্প

"নতুন পথচলা "
সন্ধ্যায় অফিস থেকে বাসায় ফিরলাম, এসেই দেখি কয়েকজন লোক বসে আছে সোফায়। আমাকে দেখা মাত্র সবাই হাস্যউজ্জল চোখে তাকালো আমার দিকে। কিন্তু কাউকেই তেমন চিনতে পারলাম না বলে আমিও হাসির ভঙ্গিতে তাকিয়ে রুমে চলে গেলাম। হঠাৎ মনে পড়লো কাল মা বলেছিলেন তারা নাকি আমাকে ফাসিতে ঝুলাবার জন্য কোন মেয়ে দেখেছে, তাদেরও নাকি আসার কথা। এখন বুঝলাম যে এরা তাহলে কারা! ফাসি বলেছি কারন বিয়েটা ছেলেদের কাছে একরকম ফাসির মতোই। স্বাধীন ভাবে চলার পথে যদি কোনো মেয়ে সঙ্গী হয় তাহলে আর মনের মতো চলা যায় না। তার জন্য অনেক চিন্তা-ভাবনা করে সামনে আগাতে হয়, অনেকদিক থেকে উপদেশও আসে আমি আর একা নই। আগে ছিলাম দু'পা এখন হয়েছি চার'পা তাই বুঝে শুনে চলতে হবে। এরকম অনেক দেখতাম মামাতো,খালাতো,ফুফাতো আর চাচাতো ভাইদের সাথে ঘটেছে। তখন অবশ্য আমিও তাদের উপদেশ দিতাম। এখন সেই সবকিছু ঘটবে আমার সাথে, ভাবতেই কেমন যেনো লাগছে আমার।
-
-
মা এসে বললেন তাদের সাথে দেখা করতে। আমিও এখন তাকে কিছু বলতে পারছি না কারন অনেক ঘ্যানঘ্যান শুনে বলেছিলাম আমি রাজি কারন বেশি ঘ্যানঘ্যান সহ্য হয় না আমার। তাই চুপচাপ মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালাম। ব্যাবসা ক্ষেত্রে কত মানুষের সাথে কথা বলি বৈঠক করি তার হিসেব নেই কিন্তু আজ এখন তাদের সামনে যেতে আমার অস্বস্থী লাগছে। কি পরে যাব কি বলবো কিছুই বুঝতেছি না, নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে। সাতপাঁচ না ভেবে চলে গেলাম যেমম আছি তেমন ভাবেই। বলাবাহুল্য আমি রুমে এসে শুধু ফ্রেশ হয়েছি কাপড় বদলাইনি, শার্ট আর প্যান্ট পরা ছিলাম শুধু টাই খুলেছি। আমি কি বলবো কিছুই মাথায় আসে না, তবে এতটুকু ভেবে শান্ত যে আমার আগ বাড়িয়ে কিছু বলতে হবে না, তারা হয়তো আমার ব্যাবসা নিয়ে নয়তো অন্যকিছু নিয়ে জানতে চাইবে। অতঃপর গেলাম,
-
বাবাঃ মারুফ আয় বস।
আমিঃ আস-সালামুয়ালাইকুম, জ্বী আব্বু(সালাম জানিয়ে বসলাম)।
বাবাঃ মারুফ এই হিচ্ছে জনাব, মোঃ হাবিবুর রহমান আর এই হচ্ছে তার অমুক তমুক(ইত্যাদি সবার নাম বলে পরিচয় করিয়ে দিলেন বাবা)
আমিঃ সবাইকে সাদুবাদ জানিয়ে হাসির ভঙ্গিতে তাকলাম আর সবার সাথে হাত মিলিয়ে নিলাম।(আমি জানতামও না যে মা যেই মেয়ে দেখেছে তার নাম কি! তবে বাবা যাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন তিনি নিশ্চয়ই মেয়ে বাবা।)
মেয়ের বাবাঃ তা বাবা কেমন আছেন আপনি?
আমিঃ আল-হামদুলিল্লাহ এইতো ভালই আছি আংকেল আপনি?
মেয়ের বাবাঃ আল-হামদুলিল্লাহ। দিন কাল কেমন চলছে?
আমিঃ ভালই চলছে আংকেল। আপনার?
মেয়ের বাবাঃ হ্যা এই চলছে, বুড়ো হয়ে গেলাম যে। তা ব্যাবসা কেমন চলছে বাবা?
আমিঃ আল্লাহর রহমতে ভালই চলছে আংকেল।
-
-
এভাবে উপস্থিত সবাই টুকটাক প্রশ্ন করে সাক্ষাৎকার হলো। নাশতা শেষে আরও কথা হলো সবার সাথে, পরিশেষে তারা চলে গেলেন। আমিও হাফ ছেড়ে বাচলাম! মনে হচ্ছিলো যেন আজই আমার বিয়ে। রুমে গিয়ে কাপড় বদলে নিয়ে বসতেই মা এলেন,
-
মাঃ তোরে সেদিন বললাম রাতে বাসায় জলদি আসতে যাতে মেয়েটার ব্যাপারে বলতে পারি আর তুই সেদিন রাতে এলিই না?
আমিঃ মা আমি কিভাবে আসবো তোমাকে তো বললাম কুয়কাটায় নতুন হোটেল চালু হচ্ছে আমাদের, তাই রাতে ওইখানে থেকে গেছিলাম তাও এটা নিয়ে কথা বলছো?
মাঃ ওইটা তোর বাহানা। নয়তো বাসায় এসেও এইকদিন আমার সাথে কথা বললি না কি ব্যাস্ততা দেখাচ্ছিস এতো?
আমিঃ আরে না এমন কিছু নাহ।(যদি বলি বিয়ে থেকে বাচার জন্য দূরে দূরে থাকি তাইলে শেষ)
মাঃ এই নে মেয়ের ফোন নাম্বার, ওর নাম হিয়া। কাল দেখা করিস কোথাও। তোরা কেউ কাউকে দেখিসনি তাই এই ব্যাবস্থা করা হয়েছে। তাদের তোকে আর আমাদের হিয়াকে বেশ পছন্দ হয়েছে যা এইবার তোরা দেখা করলেই ঠিক করে ফেলবো।
আমিঃ ঠিক করে ফেলবা মানে? কি ঠিক করবা? রাজি হইতে পারলাম না এর মধ্যেই ঠিক!!
মাঃ তাইলে কি করবো? অমন ভাল নামাজী, পর্দাশীল মেয়েটা হাত ছাড়া করবো? তুইও তো এমনই চাইছিলি।
আমিঃ যা হোক আমি দেখা করতে পারবো না ওই মেয়ের যদি দেখার ইচ্ছে থাকে তাইলে আমার ছবি দিয়ে দিও। আমার অনেক কাজ আছে।
মাঃ তোর আগেই সে অসম্মতি জানিয়েছেন দেখা করায়। মেয়ে পর্দাশীল কিনা তাই। তোর যদি পরে কোনো কথা থাকে তাই এইটা আমি বলেছিলাম। তুই ও যদি না চাও তাইলে তো আর কোনো কথা নেই।
আমিঃ (মায়ের কথা শুনে কিছুটা চুপ হলাম, মেয়েটা তাইলে ভালই হবে যেহেতু দেখা করতেও তার অপরাগতা আছে।) আচ্ছা যা করার করেন।
-
-
শুনেই মা আমার কপালে চুমু দিয়ে হাসি মুখে রুম প্রস্থান করলেন। বোঝাই যাচ্ছে অনেক খুশি হয়েছে সে, অনেকদিন পরে তার মুখে এই হাসি দেখলাম। হয়তো ভাবছে তার পছন্দই আমি না দেখে সম্মতি দিয়ে দিয়েছি, আসলে ব্যাপারটা সেরকমই। আমি মায়ের পছন্দ খুব কম সময়ই গ্রহণ করেছি আর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম জীবনের সব চেয়ে বড় সঙ্গী তার পছন্দেই আসবে। তাই করলাম যার জন্য প্রশান্তিও পাচ্ছি বেশ। ওর নামটা মনে উকি দিচ্ছে বার বার, আমার নাম ভেঙে ওর নাম বানানো যাবে মনে হচ্ছে।হ্যা ঠিক তাই, কিন্তু মিলল কিভবে এমন!অতঃপর দিনক্ষণ দেখে আমাদের বিয়ের দিন ঠিক হলো, বিয়ের দিন ওদের বাড়ি যাওয়ার পূর্বে মা বলে ছিলেন তার পরেই আমার জীবনে আমার অর্ধাঙ্গিনীর স্থান। সুতরাং আমি যেন হিয়াকে কখনো কোনো ভাবে তুচ্ছ না ভাবি। মাকে যেমন ভালবাসছি ওরেও তেমন ভালবাসা দিতে বললেন। আমি কোনো কথা বলিনি শুধু শুনেছি আর মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালাম। আমার বোন বলেছেন তোর বউর কাছে যেন কোনো অভিযোগ শুনতে না পাই! বাবারতো কথাই নেই। পৃথিবীতে ভয় পাই এই একটা মানুষকে, আজ পর্যন্ত কখনো চোখ তুলে কথা বলিনি, সে আসার আগে যাই করি বাসায় একবার তার প্রবেশের খবর পেলে আমি সব চেয়ে ভদ্র বনে যাই তখন শুধু আপু আমাকে খোচাতো! বাবাও বললেন বউ জানি কষ্ট না পায় সহজে। আমি আমার পরিবারের আন্তরিকতা দেখে মুগ্ধ হয়ে আছি, বিয়ে না করলে হয়তো জানাই হতো না এসব। যেখানে আজকাল বোনেরা বলে বিয়ে করে বউয়ের খুটি ধরিস না সেখানে আমার পরিবার কতটা আলাদা। খুব ভাল লাগছে, আসলে এদের জন্যই মানুষ কিছু করতে পাতে কিছু করতে চায় যারা সবাইকে আপন ভাবে। আপনি যদি নিজের ভাইয়ের বউকে পর ভাবেন আর ভাইয়ের সাথে তা বলেন তখন আপনার ভাই যতই আপন থাকুক তার মন ভাল থাকবে না আপনাকেও সে পরের চোখে দেখতে শুরু করবে। হাসি দিলেও সেটা দেখানো হাসি হবে। তারপর তাদের দাম্পত্য জীবনেও সমস্যা হবে কারন আপনিতো আগেই ভাইয়ের মনে বিষ ঢেলে দিয়েছেন। এমনটা যে শুধু বোনরা করে তা নয় বাবা-মা আর ভাইও অনেক সময় এই ক্ষেত্রে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। তবে সব পরিবার যে এমন তা নয়। গুটিকয়েক এমন হলেই সমাজটা নষ্ট করতে যথেষ্ট।
-
-
যাহোক পরিবারের এহেন গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য চুপচাপ শুনে সবাইকে নিয়ে চলে গেলাম ওদের বাড়িতে(মা বাদে)। বিয়ে করে বউ নিয়ে আসতে আসতে ধকলের যেন শেষ নেই। একটার পর একটা পর্ব লেগেই থাকে। অবশেষে বাসর ঘরে ঢুকবো, ভাবছি এইবার হয়তো সব পর্ব শেষ কিন্তু তাতেও রেহাই নেই।  রুমের সামনেই একদল ছোট ভাই বোনেরা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তাদের বাসর সাজানোর পারিশ্রমিকের জন্য।
-
আমিঃ কি ব্যাপার ভাই বোনেরা আপনারা এখানে কেন?
ওরাঃ ভাইয়া টাকা দাও ৫হাজার তারপর ঘরে ঢুকবে তুমি।
আমিঃ আসলে হয়েছি কি! আমি আমার ওয়ালেট ঘরেই রেখেছি তোরা দাড়া আমি আনছি।
ওরাঃ এই বুদ্ধি অনেক পুরনো হয়ে গেছে ভাইয়া তুমি টাকা না দিয়ে ভিতরে যেতে পারবে না।
আমিঃ তাইলে এককাজ কর তোরা ভিতরে যা নয়তো এখানেই থাক আমি আজ অন্য ঘরে ঘুমাই নয়তো ছাদে গিয়ে হাওয়া খাই।
ওরাঃ এই না তুমি যেখানে যাও টাকা দিয়ে যাও।
আমিঃ আমি ঘরে ঢুকতে চাইনা।
ওরাঃ আচ্ছা তাহলে কত দিবা?
আমিঃ এইবার আসছিস লাইনে। আরে ভাই দানের টাকার কি কোনো হিসেব হয়? এইনে পকেটে হাত দিলাম যা উঠবে সব তোদের।
ওরাঃ না না কদু আজাদগিরী চলবে না তোমার ৩হাজার তো দিতেই হবে।
আমিঃ এইতো যা আছে তাই দিচ্ছি(বলে পকেট থেকে টাকা বের করে দিলাম। আমি নিশ্চিত ছিলাম ওইখানে ২হাজার এর বেশি ছিল তাই ওরা আর কিছু না বলে গেলো)।
-
-
অতঃপর ভিতরে ঢুকতেই ভাবিদের আগমন। রক্ষা নেই সারারাত ধরেই কি পর্ব চলবে নাকি বুঝিনা। যাহোক তারা অনেক ব্যাক্তিগত কথা বলিতে শুরু করেছেন যাহা শুনিয়া আমারতো মাথা নিচু হয়ে গেলো, লজ্জায় মনে হচ্ছিলো ঘর থেকে বের হয়ে যাই। কিন্তু এতো টাকা দিয়ে ঢুকে কোনো ব্যাবসায়ী ক্ষতির সম্মূখীন হবেন না আমিও তাই বের হলাম না। হিয়াও দেখলাম মাথা নত ঘোমটা দেয়া, এখনো ওর মুখ দেখিনি পিচ্চি গুলায় ভয় দেখাইছিলো বউ নাকি কালা, আমি কইলাম তোরা সবাই ভালা। আমকে ভয় পাওয়াইতে না পেরে আর আসেনি। ভাবিদের পর্ব শেষে তারাও ঘর প্রস্থান করে যেতেই দরজা দিলাম লাগিয়ে। আর কেউ জানি আসিতে না পারে।
-
-
হিয়া আর আমি ঘরে, এই প্রথম আমার ঘরে কোনো মেয়ে বসে আছে আমার শোবার স্থানে। কি বলবো বুঝলাম না চুপচাপ হুদাই ঘরের ভিতর হাটছিলাম। হঠাৎ দেখলাম সে উঠে দাড়ালো আমার দিকে আসছে দেখে ভয়ে শেষ আমি। এখনো ঘোমটা দেয়া, আর সহ্য হচ্ছে না এভাবে থাকতে, ওর মুখ দেখতে ইচ্ছে হচ্ছিলো খুব। সে এসে আমার পায়ে হাত দিয়ে সালাম দিলো, আমি কি বলবো বুঝলাম না তাও তাকে ধরে উঠিয়ে বললাম থাক থাক উঠুন, দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক, আমিন। সেও আমিন বলল, এই প্রথম তার কন্ঠ শুনলাম আমি কি মধুর কন্ঠ ছিল তার।
-
-
বিছানায় গিয়ে বসলাম দুজন তারপর,
আমিঃ কেমন আছেন আপনি?(ঠিক প্রশ্ন কিনা জানিনা তবে এটাই মাথায় এলো)
হিয়াঃ আল-হামদুলিল্লাহ। আপনি?
আমিঃ আল-হামদুলিল্লাহ। পুরো নাম কি আপনার?
হিয়াঃ জান্নাতুল ফেরদৌস হিয়া।
আমিঃ খুব ভাল নাম। আমার নাম মোঃ মারুফ ইসলাম হৃদয়।
হিয়াঃ হুম।
আমিঃ আমার নাম ভাল লাগেনি?
হিয়াঃ লাগবে না কেনো? এই নাম দিয়েই হয়তো বিধাতা আমার নাম রেখেছে।
আমিঃ মানে আপনিও এটা বের করেছেন?
হিয়াঃ আমিও মানে আপনিও?
আমিঃ হ্যা। (দুজন মুচকি হাসলাম।) কিছু মনে না করলে একটা কথা বলি?
হিয়াঃ জ্বী অবশ্যই।
আমিঃ আমি কারো সামনে থেকে মুখ না দেখে কথা বলতে পারি কিন্তু নিজের বউয়ের মুখ ঢাকা থাকায় কিছুটা বিচলিত লাগছে।
হিয়াঃ বুঝতে পারি কিন্তু কি করবো বলুন এটা(ঘোমটা) সড়িয়ে নেয়া যে আপনারই দায়িত্ব।(অনেক জরতা আর লজ্জা নিয়ে বলল ও)
আমিঃ (কথাটা শুনেই কেমন যেনো লাগলো, কাপা কাপা হাতে সড়িয়ে নিলাম তার মুখের পর্দা। চোখ নিচু করে আছে লজ্জায় গাল দুটি লাল আভা ধারণ করলো তার। অপরূপ লাগছে তাকে, চোখের কাজলের মায়ায় যেন হারিয়ে যাচ্ছি আমি। সম্মহিত হয়ে গেলাম যেনো। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ঘোর কাটলো আমার। মোমবাতি জালিয়ে নিলাম, মোমের লাল আলয় আরও আলোকিত লাগছিলো তাকে। আল্লাহর কাছে অশেষ শুকুরিয়া আদায় করে নিলাম। তার থুতনি স্পর্শ করে) আমার দিকে তাকাবেন না?
হিয়াঃ (১মিনিট স্থির হয়ে, কয়েকবার চোখে পলক পড়লো তার, এক পলক তাকিয়ে আবার মাথা নিচু করে রইলো, হয়তো লজ্জায় তাকাতে পারছে না।) হুম।
আমিঃ ভাল লাগেনি আমায়?
হিয়াঃ কিছুই বলল না!
আমিঃ মৌনতা সম্মতির লক্ষণ কিন্তু আমার মনে হচ্ছে আমাকে আপনার ভাল লাগেনি,
হিয়াঃ লেগেছে!
আমিঃ জ্বী কিছু বললেন?
হিয়াঃ বলছি লেগেছে।
আমিঃ কি লেগেছে?
হিয়াঃ (লজ্জিত কন্ঠে) কিছু নাহ।
-
বুঝলাম সে লজ্জা কাটিয়ে উঠতে পারছে না তাই তাকে সময় দিলাম।
-
-
 আমি এখন কি বলবো কি করবো কিছুই বুঝিনা, শুরু করলাম পরিবার নিয়ে কথা বলতে। কাকে কিভবে খুশি করতে হবে সব বললাম ওরে। আর আজ সকালে আব্বু-আম্মু আর আপু কি বললেন তাও সব বললাম। শুনে সেও খুব খুশি হলো। তার পরিবার সম্পর্কে বলল। কথা বলতে বলতে রাত অনেক হয়ে গেলো, বিদ্যুৎ মাঝেই এসেছিলো।  তারপর দুজন শুয়ে পরলাম, সারাদিনের ক্লান্ত শরীর এখন অনেক সবল মনে হচ্ছে। জীবনের শ্রেষ্ঠ রাত পার করতেছি ঘুমের কোনো অবকাশ কারো চোখেই নেই।।। শুরু হলো জীবনের নতুন অধ্যায় নতুন সঙ্গী নিয়ে নতুন পথা চলা।
-
-
বি দ্রঃ ভূল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ, ভাক থাকবেন।
-
-
লিখাঃ Md Maruf Islam (খান সাহেব)
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label