নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

গল্পের নামঃ স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা!!!

গল্পের নামঃ স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা!!!
লেখক মোঃ রুহুল আমিন!!!
Part --2

সাগর - মামা বাইরে আই।।
আমি - ((সাগরের কথা শুনে বাইরে যাচ্ছি।।))
আম্মু - কিরে কি হয়েছে আর কোথায় যাচ্ছি।
আমি - আম্মু তুমি বস আমি আসছি।

আমি মনে করছিলাম। সাগর হয়ত কোন মেয়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। আর মেয়েটা সমস্যা করেছে তাই হয়ত আমাকে ডাকছে।।
আমি - মামা কি হয়েছে।
সাগর - আর একটু সামনে চল বুঝতে পারবি।
আমি - কি কোন মেয়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছিস নাকি।
সাগর - মামা,,,,  একটু সামনে গেলে বুঝবি। ((হাসতে হাসতে))
আমি - আচ্ছা,,,,  চল,,,,
সাগর - মামা ওই দেখ,,,,,
আমি - দেখে তো আমার চমকে গেলাম।
সাগর - কেমন দিলাম।
আমি - মামা এতো দেখছি পরী।
সাগর - হুম,,,,
আমি - মামা চল পরী সাথে কথা বলি।
সাগর - মামা কালকের কথা ভুলে গেছিস।
আমি - আরে চল সমস্যা নাই।

আমি আর সাগর পরী কাছে গেলাম।
আমি - হাই পরী।
রিয়া - কি?
আমি - সরি,,,, হাই রিয়া।
রিয়া - আপনি এখানে কেন?
আমি - এইতো ঘুড়তে যাচ্ছি।
রিয়া - ঘুড়তে যাচ্ছে না আমার পিছু নিয়েছেন।
আবারও এইভাবে কিছুক্ষণ বকা শুরু করলো। আর আমি শুনে যাচ্ছি। একটু পরে ময়না এসে।
ময়না - কিরে রিয়া এত জরে কথা বলছিস কেন?
রিয়া - আর বলিশ না এই ফালতু ছেলে গুলা সব সময় আমাকে ডিস্টাপ করে।
ময়না - কোন ছেলে দেখাতো।
রিয়া - ওইযে ওই ছেলেটা।
ময়না - দারা আমি দেখছি।

ময়নাকে আসতে দেখে আমি আর সাগর ওই খান থেকে চলে এসেছি।। একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছি। ময়না আমাকে দেখে।
ময়না - হাই।
আমি - হ্যালো।
ময়না - কেমন আছেন।
আমি - ভালো,,,,  তুমি।।
ময়না - জি ভালো।।
আমি - ময়না তুমি টেনে করে কোথায় যাচ্ছো।
ময়না - আমার বান্ধবীদের বাসায়।
আমি - ওওওওও
ময়না - একটু সমস্যায় পরে গেছি।
আমি - কি সমস্যা।।
ময়না - আমার বান্ধবীকে না একটা ছেলে খুব ডিষ্টাপ করে।
((আমি মনে মনে বলছি আমি তো সেই ছেলে))
রিয়া - ওই তুই ওর সাথে কি কথা বলছিস। ((আমাদের কাছে এসে))
ময়না - তকে এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিই।।
রিয়া - কার সাথে,,,,  এই ফালতু ছেলের সাথে।
ময়না - তুই কাকে কি বলছিস। তুই জানিস সে কে।।
রিয়া - ও একটা ফালতু ছেলে।
ময়না - তোর হয়ত কোথাও ভুল হচ্ছে। আর তুই চুপ করে থাক।। আর ভাইয়া আপনি কিছু মনে কইরেন না।
আমি - না না আমি কিছু মনে করি নাই।
ময়না - ও আপনার সম্পকে জানে না তো তাই এমন করেছে।
আমি - ওকে,,,,  সমস্যা নাই।
ময়না - ভাইয়া আমরা গেলাম। পরে কথা হবে।

আমার সাথে ময়না ভালো ভাবে কথা বলছে এটা দেখে রিয়ার প্রচন্ড রাগ হচ্ছিলো। তাই রাগে রিয়ার হাতে টিকিট ছিলো টিকিটটি ছিড়ে ফেলে।

ময়না রিয়াকে নিয়ে তাদের কেবিনে গেলো। কিছুক্ষণ পরে টিটি এসে বলে মেডাম টিকিটটা দেখি। রিয়া আর টিকিট দেখাতে পারছে না। রিয়া আর ময়না অনেক ভাবে টিটিকে বুঝানোর চেষ্টা করছে কিন্তু বুঝাতে পারছে না। তাই বাধ্য হয়ে ময়না আমাকে ফোন দিয়ে।
ময়না - ভাইয়া আপনি একটু আমাদের কেবিনে আসেন তো।
আমি - কেন কি হয়েছে।
ময়না - ভাইয়া টিটি একটু সমস্যা করছে।
আমি - আচ্ছা,,,,  আসছি।
আমি রিয়াদের কেবিনে এসে।।।
আমি - ময়না কি হয়েছে।
ময়না - ভাইয়া,,,  টিটি টিকিটের জন্য ঝামেলা করছে।
আমি - টিকিট দেখাও তাহলে তো হয়ে যাই।
ময়না - সমস্যা টাতো ওইখানে। রিয়া টিকিটটা ছিড়ে ফেলেছে।
আমি - টিটি সাহেব।। আপনার টিকিটের দাম কত।
টিটি - আমি টাকা নিবো না।।। আমার টিকিট লাগবে।
আমি - আপনাকে টিকিটের দাম নিয়ে নেন তাহলেই তো হয়ে যাই।
টিটি - না,,,,  আমি আইন ছাড়া কোন কাজ করি না।
আমি - আপনি আইন ছাড়া কোন কাজ করেন না।
টিটি - না।
আমি - আপনি একটু আমার কাছে আসেন।

টিটি আমার কাছে আসার পর আমি টিটি কে আমার মানিবেগ থেকে একটা জিনিস দেখালাম সেটা দেখে।
টিটি - স্যার আপনি আগে বলবেন না।
আমি - এবার আপনি যেতে পারেন।
টিটি - ওকে স্যার,,,,, আর মেডাম আপনাদের কোন সমস্যা হলে আমাকে বলবেন।

টিটি রুম থেকে চলে যাওয়ার পর।।।

ময়না - ভাইয়া টিটি আপনাকে স্যার বললো কেন?
আমি - ওটা কিছু না।
ময়না - ভাইয়া আপনি এমন কি দেখালেন যে আপনাকে স্যার বলে চলে গেলো।।
আমি - সময় হলে যানতে পারবে।।। এবার আমি গেলাম।।।

আমি রিয়াদের কেবিন থেকে চলে আসলাম। কি আপনারা ভাবছেন যে আমি এমন কি দেখালাম যে টিটি স্যার বললো। জানতে চান আপনারা। থাক এখন আর বলছি না পরে বলবো।

ময়না - দেখলি ছেলেটা কেমন।
রিয়া - ((চুপ করে আছে))
ময়না - তুই ভাইয়ার সাথে খারাপ ব্যবহার করছিলি। তুই যদি ভাইয়ার সম্পকে জানিস তাহলে বুঝবি ভাইয়া কেমন মানুষ।।
রিয়া - বল একটু শুনি।। ((আসতে করে))

তখন ময়না রিয়াকে আমার বেপারে সব কথা বললো। আমার বেপারে শুনার পর রিয়ার আমার প্রতি রাগটা কমে গেলো।

আমি আর সাগর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। পিছন থেকে রিয়া এসে।
রিয়া - হাই।
আমি - চুপ করে আছি।
রিয়া - সরি,,, আমার ভুল হয়েছে।
আমি - ওকে,,
রিয়া - আচ্ছা আপনারা কোথায় যাচ্ছেন।।
আমি - চিটাগাং।।
রিয়া - আমি ও তো চিটাগাং যাচ্ছি। আর আপনি চিটাগাং কোথায় যাচ্ছেন।
আমি - কোথায় যাবো আমি জানি না আমার আম্মু জানে। আর আপনি।
রিয়া - আমাদের বাসায়।
আমি - ওওওও।
রিয়া - এই নিন আমাদের বাসার ঠিকানা। ২দিন পর আমাদের বাসায় বিয়ে আসবেন কিন্তু।

আমাকে ঠিকানাটা দিয়ে চলে গেলো।
সাগর - মামা,,,,
আমি - হুম।।
সাগর - মামা ঠিকানা দিলো যাবি নাকি।।।
আমি - কি বলিস,,,, যেতে তো হবেই।।।।
সাগর - মামা,,,  আন্টির বান্ধবীর মেয়ের বিয়েও তো ওই দিনে।
আমি - রাখ,,,,  আম্মু বান্ধবীর মেয়ের বিয়েতে আম্মু থাকবে। আর আমরা যাবো। রিয়াদের বাড়িতে।

আমরা চলে আসলাম চিটাগাং। ইস্টেশন থেকে বের হয়ে আমি গাড়ি খুজছি।
আম্মু - এভাবে কি খুজছো।
আমি - গাড়ি আম্মু।
আম্মু - গাড়ি খুজা লাগবে ৫ মিনিট পরে গাড়ি চলে আসবে।
আমি - মানে।
আম্মু - তোর ছোট্ট মামার কাছে ফোন দিয়েছিলাম। তোর মামা গাড়ি পাঠাচ্ছে।
আমি - আম্মু এটা কিন্তু কথা ছিলো না।
আম্মু - আমি ঠিক করেছি। তুই এখানে ২ দিন থাকবি। তোর কি গাড়ি লাগবে না।
সাগর - রিয়াদ আন্টি তো ঠিক বলেছে। গাড়ি থাকলে আমরা পুরা এলাকাটা গুরে দেখতে পারবো।

আমি কিছু না বলে দাঁড়িয়ে আছি। এক জন আমাকে এসে বলছে।
----স্যার এই নিন চাবি.।।
----কিসের চাবি।।।
----সেলিম স্যার গাড়ি পাঠিয়েছে।।
----সাগর ওই চাবিটা নে।((রেগে গিয়ে))

সাগর চাবিটা নিলো। আমরা গাড়িতে গিয়ে বসে। সাগর কে বললাম তুই গাড়ি চালা। আমি সাগর এর পাশে বসে। ফেসবুকে একটা ছবি পোষ্ট করলাম। আর সেইটা ছিলো চিটাগাং রেল ইস্টশনে তোলা। ছবিটা পোষ্ট করা ১০-১৫ মিনিট পরে আমার কাছে একটা ফোন এল।
আমি - হ্যালো।
রানা - কিরে কেমন আছিস।
আমি - রানা তুই।।।। হুম ভালো আছি তুই কেমন আছিস।
রানা - মামা আছি আর কি। মামা তুই চিটাগাংগে আছিস তাই না।
আমি - হুম।।।
রানা - মামা আজকে আমার বাসায় আমার এখানকার সব  বন্ধু-বান্ধবীরা আমার বাসায় এসেছে। আমি চাই তুই ও আসবি।।
আমি - রানা এখন যাওয়া হবে না। সাতে আম্মু আছে।
রানা - আন্টিকে দে।

আমি ফোনটা আম্মু কে দিলাম। রানা আম্মুকে বললো। আর আমাকে বললো। তুই আমাকে নামিয়ে দিয়ে রানার বাসায় যাবি। আমি ঠিক তাই করলাম।

আমি আর সাগর রানার বাসায় গেলাম। অনেক মজা করলাম রানার সাথে।
আমি - রানা অনেক দিন পরে দেখা হল তাই না।
রানা - হুম মামা,,,,
আমি - ভাবি কোথায়।
রানা - তোর ভাবী তার বাবা বাসায় গেছে।
আমি - ওওও,,,, আর রানা এখন তাহলে আমরা যাই।
রানা - আর একটু পরে যা।
সাগর - না,,,, মামা,,,, বেশি দেরি করলে আন্টি আমাকে মারবে।

রানা আচ্ছা ঠিক আছে যা তাহলে তোরা। আমরা রানা বাসা থেকে চলে আসলাম। রহিমা আন্টির বাসায় আসতে আসতে রাত ১১ টা বেজে গেলো।

আমি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কলিংবেল চাপার পর।
রিয়া - আপনি এখন এখানে।
আমি - হ্যা,,,, আমি এখানে।(( রিয়ার দিকে না তাকিয়ে))
রিয়া - এত রাতে আমাদের বাসা এসেছেন কেন। আপনাকে না বলেছি ২দিন পরে বিয়ে।
আমি - সাগর কোন ঠিকানাই এনেছিস।
সাগর - মামা ঠিকানা তো ঠিক আছে।
আন্টি - রিয়াদ ভিতরে আসো বাবা।।(( আন্টি দরজার সামনে এসে))

আমি রহিমা আন্টিকে রিয়ার বাসায় দেখে। আর রিয়া আম্মু আমাকে চিনে তাই দেখে আমরা দুই জন অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি।
আন্টি - রিয়া রিয়াদকে নিয়ে ভিতরে আই।
রিয়া - আচ্ছা,,,, আম্মু।।। ((মনে মনে,,,,  এতক্ষন বাড়ির সবাই যার কথা বলছিলো রিযাদ দেই ছেলে))
রিয়াদ - ((আমি কি রিয়ার বিয়েতেই এসেছি নাকি))

চলছে ---------------আর-----------------চলবে

বন্ধুরা আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার গল্পটা পরার জন্য। আর যারা আগের পাঠ পাও নাই তারা আমার পোফাইলে চলে যাও পেয়ে যাবে।।।।
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label