নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

গল্প ব্ল্যাক ভাইরাস

গল্প ব্ল্যাক ভাইরাস
writer:MD.Helal


হিয়া অর্ধ উলঙ্গ হয়ে কারো সাথে ভিডিও কলে কথা বলছে ক্লাস রুমে,
এমন সময় ক্লাসে ঢুকে পড়ে বোকা ছেলে  দুদু মিয়া,
আর দাঁড়িয়ে দেখছিলো হিয়ার চরম
,,,,,,,,,,উত্তেজনা আর দুদু মিয়া  ভয়ে
চিৎকার দিয়ে উঠে,
দুদুর চিৎকার শুনে হিয়া চমকে যায়,
আর ভয়ে তারাতারি জমা পড়ে দুদু মিয়ার কাছে আসে,

হিয়া ভয়ে ভয়ে দুদু মিয়ার কাছে আসে

হিয়া; আপনি কে?
--হামি হামি দুদুদু,,,,(চোখ বড় বড় করে)

হিয়া; প্লিজ ভাইয়া কাউ কে কিছু বলবেন না,আপনি কে বলেন?

---হামি হামি দুদুদু,
এবার হিয়া রেগে বলল আরে আপনি যা দেখার দেখছেন তো আবার বলছেন কেনো,

--না, বলছি মানে আমি দুদু মিয়া;

হিয়া; কি মিয়া,
---দুদু মিয়া,
---ফাইজলামি করেন আমার সাথে,
---এই যে আমার আইডি কার্ড দেখেন,আচ্ছা আপনি কি করছিলেন

--ঐ তো মেমেকাপ ঠিক করছিলাম,
--ও এই ভাবে মেকাপ ঠিক করে বুঝি,

হিয়া; আচ্ছা আপনি কোন ডিপার্টমেন্টের,

--আমি এই ডিপার্টমেন্টের আজই নতুম আসছি,
হিয়া; মানে

--মানে আমি ট্রান্সফার হয়ে আসছি,

হিয়া; ও তাহলে তো আমরা একই ডিপার্টমেন্টে আমরা প্লিজ কাউ কে বলো না,

দুদু মিয়া দাঁত বের করে একটা হাসি দিয়ে আচ্ছা বলব না,

হিয়ার কাছে বিচ্ছিরি লাগলেও কিছু করার নাই,মেনে নিতেই হবে,

হিয়া; আচ্ছা এত সকালে আসছো কেনো,?

--আমি নতুন তো তাই চিনি না জানি না,তাই আর কি,

হিয়া অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী,ইউনিভার্সিটির ১০টা সুন্দরী মেয়ের মধ্যে হিয়া একজন,
আর দুদু মিয়া হাবা,বোকা একটা ছেলে ঢিলেঢালা  ফুল হাতা শার্ট গায়ে,
বাচ্চাদের মত মাথায় শীথি করা,
আর স্কুলের বাচ্চাদের মত ব্যাগ কাধে,
দেখতে অধভূত ২০১৯ সালে এমন ছেলে আছে,ভাবতেই অবাক লাগে,
যাক সে কথা আবার গল্পে ফিরে আসি,
একে একে সব স্টুডেন্ট চলে আসে আর ১০টায় ক্লাস শুরু হয়,
রফিক স্যার প্রথম ক্লাস নেয় এসে সবার দিকে তাকাতে নতুন মুখ দেখতে পায়,

রফিক স্যার; এই তুমি কে, তোমাকে তো আগে দেখি নাই,নাম কি?

---স্যার আমি দুদু,
---হ্যাঁ, কি নাম
--স্যার আমি দুদু মিয়া,
সবাই হোহো করে হেসে দেয় নাম শুনে,
স্যার সবাই কে থামিয়ে,

---তা দুদু কি করো,,,
এই কথা শুনে স্যারের মুখের দিকে সবাই তাকিয়ে আছে,

আর স্যার বেপার টা বুঝতে পারলো তাই কাশি দিয়ে বললেন, মানে বলতে চাইছি,তুমি বসে কি করছিলে,।
আচ্ছা বাদ দেও,
তোমাকে তো আগে দেখি নাই,

দুদু মিয়া; স্যার আমি আজই ট্রান্সফার নিয়ে এই ইউনিভার্সিটিতে আসছি,

স্যার; আচ্ছা বসো,

সন্ধ্যা ৭টায় হিয়া ফোন টা হাতে নেয়,দেখে ৬০টা মিস কল,আর  ফোনে টাকা না থাকায় তখন ফেসবুকে লগইন করে,
দেখে ১০০+ মেসেজ দেখে  অবাকই হয়ে যায়,
অনেকে মেসেজ করছে সব এমন
আপু short Film টা কিন্তু অস্থির হয়ছে,আরো দেখে আপনি এত হট কেনো,
আরো নিচের দেখে ফ্রেন্ডরা মেসেজ করছে,
হিয়া এই সব কি ভিডিও পিক দেখলাম।
তুই এমন বিশ্বাস করতেও কস্ট হচ্ছে,

হিয়া খুব চিন্তায় পড়ে যায়, যে কি হয়ছে,
এমন সময় একজন একটা ভিডিও পাঠায় আর সেই ভিডিও তে হিয়া,
যে টা আজ সকালের,
তাহলে কি দুদু মিয়া কি?
ভেবে আবার টাইমলাইন দেখতে লাগলো,আর যা দেখলো তা হল লিমনের আইডি থেকে নুড ভিডিওটা আপলোড করা হয়েছে,আবার হিয়া কে ট্যাগ করা হয়েছে,(সব সময় গল্প গ্রুপে পোস্ট করা সম্ভব হয় না,তাই বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)

হিয়া মুহুর্তেই মাথা ঘুরে পড়ে যায়,
লিমন যে এমন করবে তা স্বপ্নেও ভাবতেও পারে নাই হিয়া,

হিয়া বাহিরে যেতে পারে না,হিয়ার বড় আপু রিয়া এসে বলে তুই এত টা জঘন্য কাজ করবি তা কোন দিন ভাবতে পারি নাই,যদি বাবা মা জানতে পারে কি হবে জানিস,
আমার তো মনে হয় না এই সব গোপন থাকবে না,
২ঘন্টায় লাইক পড়েছে ২০হাজার লাইক,শেয়ার ২৫হাজার আর কমেন্ট তো বলার বাহিরে,
ছেলে টা কে নাম বল ঠিকানা দে,আমি কথা বলবো,

হিয়া তার বড় আপু রিয়া ঠিকানা দেয়, তারপর ফোন দেয় লিমন কে কিন্ত লিমনের ফোন বন্ধ, সারা রাত ট্রাই করে কিন্ত লিমনের ফোন অফ,।
হিয়া বাড়ি থেকে লজ্জায় বের হতে পারে না,
হিয়ার বড় রিয়া পরেরদিন লিমনের বাসায় যায়, সাথে হিয়া কে নিয়ে যায়,
বাসার সামনে রিক্সা থেকে নেমে দেখে অনেক মানুষ বাসায় আর কিছু একটা
বলাবলি করছে,
দুই বোন বাসার ভিতরে যায়,কিন্ত ঘর ভর্তি মানুষ আর পুলিশও  দেখা যাচ্ছে,
হিয়া আর একটু এগিয়ে যায় মানুষজন কিছু একটা ভিড় করে দেখছে,
হিয়া ভিড় ঠেলে ভিতরে যেতেই দেখে,
লিমনের ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে আছে,
মানে লিমন খুন হয়েছে,
লিমনের সারা শরীরে পেরেক মারা আর লিমনের পুরুষাঙ্গ তে ২টা পেরেক মারা,আর বুকের উপর চামড়া কেটে লিখা ব্ল্যাক ভাইরাস,

গল্প_ব্ল্যাক_ভাইরাস
writer:MD.Helal
পর্ব-০১

গল্প_ব্ল্যাক_ভাইরাস
writer:MD.Helal
পর্ব-০২
,
যে নুড ভিডিও ভাইরাল করছে সে এখন   লাশ হয়ে পড়ে আছে,আর হিয়াও জীবন টাও অন্ধকারে ঢেকে গেলো,
হিয়া আর রিয়া বাড়ি চলে আসে,, রিয়া বলে তুই  তোর ফোন অফ করে রাখ
নতুন কোন ঝামেলায় জড়ানোর কোন
দরকার নেই,
এখন হিয়ার মনে একটাই প্রশ্ন লিমন কে কে খুন করবে,আমার জানামতে ও তো কারো ক্ষতি করে নাই,
কিন্ত হিয়া ভেবে কোন কুল কিনারা পাচ্ছে না,
হিয়া আজ ৫দিন হল ইউনিভার্সিটিতে
আসে না,
একদিন আসছিলো কিন্ত বাজে কথা
শুনতে হয় তাই আর আসা হয় না,
কিন্ত এই কয়দিনে দুদু মিয়া একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে যায়,
মেয়ে একটা বোরখা ওয়ালী কলেজে আসে বোরকা পড়ে,খুব পর্দা করে মেয়েটা, মেয়েটি কারো সাথে কথা বলে না,কথা বললেও খুব কম কথা বলে,
দুদুই প্রথম মেয়েটির সাথে সেধে কথা
বলতে যায়,

--আসসালামু আলাইকুম, আমি দুদু মিয়া,আপনার নাম কি?
মেয়েটি সালামের উত্তর দিয়ে বলে আমি মাইশা,

দুদু মিয়া; আচ্ছা আমরা কি বন্ধ হতে পারি,

মাইশা;কেনো আমি আপনার সাথে বন্ধত্ব করতে যাবো,

দুদু মিয়া ঃ হে তাই তো,আমাল সাতে ক্যান বন্ধত্ব কলবেন,আমি তো বোকা হাবলা বলদ,কথা গুলো কান্নার শুরে বলল,

মাইশা; এ আল্লাহ আপনি কাঁদছেন কেনো,প্লিজ কাঁদবেন না,

--তো কি কলবো,আল্লাহ আমালে বোকা বানাইয়া পাঠাইছে দুনিয়ায়,

---আচ্ছা আচ্ছা,,,
মাইশা একটু ভেবে বলল,ভাবলো ও তো বোকাসোকা বন্ধু হলে সমস্যা নাই,
আচ্ছা আমরা ফ্রেন্ড কিন্ত কিছু শর্ত
আছে,,,

---হুম বলেন,

---আমাকে কখনো দেখতে চাইবেন না,
দুই আমাকে কখনো ছুয়া যাবে না,

---আচ্ছা আমি বোকা মানুষ ছুয়ে কি করব,
--আর তোমাকে আমি অন্য নামে ডাকবো, দুদু মিয়া কেমন নাম একটা, মানুষ হাসে,

--তুমি বললে বাপের নামসহ চেন্স করে ফেলবো,
--আরে বাবার নাম চেন্স করতে হবে না,
তাহলে আজ থেকে তোমার নাম হবে রিয়াদ,
--আচ্ছা ঠিক আছে,

মাইশা তখন বলল,আচ্ছা রিয়াদ,
--রিয়াদ কে,
--আরে তোমার নাম তো রিয়াদ,
--ওহওহ আমি তো রিয়াদ,

মাইশাঃ তুমি কি  টাংগাইল এসপি পার্ক চিনো,

রিয়াদ; চিনমো না ক্যান, আমার বাসার কাছেই তো,

মাইশা; আমাকে নিয়ে যাবা, আমি কখনো কোন পার্কে যাইনি,আমার পার্ক দেখতে খুব ইচ্ছে,

রিয়াদ; হুম নিয়া যামু,
মাইশা; আচ্ছা আমাদের ক্লাসের হিয়ার ঘটনা টা জানো কি,

রিয়াদ;আমি অনেক কিছু জানি, বলা যাইবো না,

মাইশা; আমরা না ফ্রেন্ড, আর ফ্রেন্ড কে সব বলতে হয়,

রিয়াদ; তাই সব কইতে হয়,তাহলে ক্যাম্পাসে চল এখানে না,

তারপর দুজনে ক্যাম্পাসে যায়, তারপর সব মাইশা কে,
রিয়াদ আর মাইশা ক্যাম্পাসে ঝাল মুড়ি
খাচ্ছাছিলো এমন সময় কিছু ছেলে
মাইশা কে টিচ করে কিছু বাজে কথা বলে,বোরখা ধরে টানাটানি করে,
রিয়াদ কিছু বলতে গেলে মাইশা বাধা দেয়,,,
সেদিন ঐ ঘটনা ঐখানেই শেষ,
সারাদিন পর হিয়া ফোন টা হাতে নেয়,
আর অবাক করা কান্ড দেখে লিমনের
আইডি active দেখতে পায়,
হিয়া এটা কি ভাবে সম্ভব,লিমনের ফোন তো পাওয়া যাচ্ছিলো না শুনলাম,।তাহলে লিমন এই সব ভাইরাল করেনি
তাহলে কি আইডি হ্যাক করা হয়ছে,

এমন সময় লিমনের আইডি থেকে  মেসেজ আসে,
--নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো আমি লিমন না,
হিয়া; তাহলে কে আপনি,

--আমি ব্ল্যাক ভাইরাস,
কথা শুনে হিয়ার অন্তর টা কেপে উঠে,

হিয়া; আমাকে মেসেজ করছেন কেনো,

--হিসাব বোঝনাই তোমার উপরে যাওয়ার টাইম হয়ে গেছে,

হিয়া  ভয়ে ভয়ে বলে আমি কি করছি,

--তুই একটা সমাজের ভাইরাস,৩টা ছেলের সাথে তোর শারীরিক সম্পর্ক হয়ছে,
(সব সময় গল্প গ্রুপে পোস্ট করা সম্ভব হয় না,তাই বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)
হিয়া;আপনি জানলেন কি ভাবে,আর এই সব মিথ্যা কথা,

--এই সব মিথ্যা না,তাদের কাছ থেকে আবার ১লাখ করে টাকাও নিয়েছো,
একজন এই সব এর ভয়ে সুইসাইড করছে,

--এই সব মিথ্যা, আমি কিছু করি নাই,
তখন কিছু ভিডিও পাঠায়,আর সেই সব দেখে হিয়ার চোখ কপালে উঠে যায়।

তখন ব্ল্যাক ভাইরাস একটা ভয়েস  মেসেজ দেয়,
বলে তোকে মরতে হবে,তুই যদি নিজে সুইসাইড না করিস, তোর সব ভিডিও ভাইরাল করব,তোর বাবা মায়ের ফোনে দেবো এই সব ভিডিও,

হিয়া; প্লিজ এই সব করবেন না,

--আমি যে কি করতে পারি তা তোর কল্পনার বাহিরে,তাই বলছি তুই সুইসাইড কর,
আর হাত কেটে লেখবি ব্লাক ভাইরাস,
এই সব করতে হবে,আমি ভিডিও কল দিবো তারপর,
আর হিয়া তাই করলো ব্ল্যাক ভাইরাস যা বলল,
পরেরদিন সকাল বেলা,,,,
হিয়ার লাশ ফ্যানে ঝুলছে আর হাত কেটে লেখা ব্ল্যাক ভাইরাস,
পুলিশ আসে আর ব্ল্যাক ভাইরাস লেখা দেখে চমকে যায়,
কারো মাথায় ঠোকে না, এই ব্ল্যাক ভাইরাস কে আসলে,

গল্প_ব্ল্যাক_ভাইরাস
writer:MD.Helal
পর্ব-০৩
,
হিয়ার লাশ ফ্যানে ঝুলছে,পুলিশ কোন খুনির কোন চিহ্ন পাচ্ছে না, পাচ্ছে না কোন প্রমাণ, হিয়ার ফোন থেকে কিছু বের করবে তাও সম্ভব না,ফোনের সিস্টেম পুরা খারাপ হয়ে গেছে,
হিয়ার সুইসাইডে কলেজে ভালই সারা
ফেলেছে,
পরেরদিন,,,,
কলেজের ক্যাম্পাসে বসে একা মাইশা,
রিয়াদ দৌড়ে এসে বলে,,,
রিয়াদ; মাইলা মাইলা শুনছো?
মাইশা; আমাকে কি নামে ডাকলে

--মাইলা, সরি মাইশা
---রিয়াদ তুমি না,কি বলব,
---রিয়াদ টা আবাল কে?
এই কথা শুনে মাইশা চোখ বড় বড়
করে তাকায়,
--ও মনে পড়ছে আমি তো রিয়াদ, নো দুদু মিয়া,
--হুম এবার বলো কি হয়েছে,
--ওই যে একটা মেয়ের কথা বলছিলাম না,
--কোন মেয়ের কথা বলছিলা(মাইশা)
--ঐ যে লেংটা হয়ে ফোনে কথা বলছিলো লিয়া,
--রিয়াদ ছি এই সব কি বলছো লিয়া না হিয়া,
--আলে যাই হোক, সে লেংটা মেয়েটা কাল রাতে নাকি সুইসাইড করছে,
---ছি রিয়াদ তুমি আমার লে,,,, বলছো,
--তোমার ঐ সব খবর রাখার দরকার নাই,তুমি বোকাসোকা দূরে দূরে থাকবা,

---আমি শুনলাম আর কি,,

--আমাকে না তোমার এসপি পার্কে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো,
--ওহ হে নিয়া যামু তো,কবে যাবা কও,
--কাল যাবো, তাহলে,
--আচ্ছা,
মাইশাঃ আচ্ছা রিয়াদ তোমার প্রেম করতে ইচ্ছে করে না,

রিয়াদ এদিক ওদিক তাকিয়ে তুমি কারে কও,এখানে তো আমি আর তুমি ছালা তো কেউ নাই,আর আমি তো দু,,,বলে জিব্বা বের করে কামড় দিয়ে আমি তো রিয়াদ, সলি সলি সলি,

মাইশা হাহাহহাহা হেসে বলে তোমার কথা এমন হয় শুনে আমার হাসি পায়,
প্লিজ রাগ করো না,

রিয়াদ; না রাগ কইরা কি অইবো,

মাইশা  একটা মেয়ে কে লক্ষ করে বলে
ঐ যে দেখছো একটা মেয়ে বসে আছে,

রিয়াদ মাথা নেরে হুম দেখছি তো,,
মাইশা; মেয়েটি দেখতে কেমন,

রিয়াদ ; মে,,,,,লা সুন্দর ম্যাইয়া,কিন্ত ম্যাইয়া টা মনে হয় অনেক গরিব তাই না যাই,ম্যাইয়া টা রে ১০০টাকা দিয়ে আসি,

মাইশা ; এই কই যাও, বসো বলছি মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না সব তোমার পিঠে পড়বে,

মাইশা; কি দেখে মনে হচ্ছে ও গরিব,

রিয়াদ; ওরে আল্লাহ দেখো না ছিড়া একটা প্যান্ট পড়ে আছে, আর কোন ছেলের কাছ থেকে একটা শার্ট ধার করে আনছে,

মাইশা; বলছে তোমাকে ও গরিব, ওর চেহারা দেখছো ওকে দেখে গরিব মনে হয়,

রিয়াদ; আমি তো ঐডাই কই,আল্লাহ ওরে রুপ দিছে কিন্ত টাকা পয়সা দেয় নাই আহারে,
যাই আমি ১০০টাকা দিয়া আসি আর বলে আসি আমার মাথায় হাত দিয়া দোয়া কইরা দেন আপনার মতো যেনো ১০টা বউ পাই,বলে উঠে চলে গেলো,

মাইশা ডাকতে লাগলো এই যেয়ো না মারবে কিন্ত,এই রিয়াদ,কিন্ত চলে গেলো,
একটু ওবাবা ওমা ওওঅঅ বাঁচাও গো,
৩মিনিট পর মাইশার সামনে এসে,

মাইলা আমারে ওরা মাইলা মাইলা শেষ কইরা ফালাইছে,,,

মাইশা রিয়াদের কথার আগা মাথা কিছুই বুঝতে পারলো না,

মাইশা; আমি আগেই বলছিলাম যেয়ো না মারবে,আমার কথা তো শুনলা না,
আর ঐ ছিড়া প্যান্ট না ওটা ফ্যাশন বুঝলা,হাবলা একটা বলে চলে গেলো,

ঐ মেয়েটির নাম নীলিমা,দিন নতুন বয়ফ্রেন্ড পাল্টায়,
কত ছেলের যে জীবন নস্ট করছে এই রুপ দেখিয়ে তা বলার বাহিরে,
নীলিমা অনার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী,
আর নীলিমা এমন একটি চক্র চালায়,সে চক্রে ৫জন মেয়ে আছে,আর
সেটা হল ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক করে মিট করতে  আসা ছেলেদের কাছ থেকে টাকা মোবাইল এই সব রেখে দিতো,
আমাদের দেশে এমন অনেক হয়, হয়তো লজ্জায় অনেকে বলে না,
২দিন পর,,,,
মাইশা রিয়াদ কে বলল, আমি একটি ছেলে কে ভালবাসি,
তুমি আমার বন্ধু এটা তোমার জানার অধিকার আছে,
কথা টা শুনে রিয়াদের চোখ থেকে টুপ টুপ  করে পানি ঝরতে লাগলো,

মাইশা রিয়াদের চোখের দিকে তাকাতেই,,

মাইশা কিছু বলার আগেই রিয়াদ বলল দেখো তো আমার চোখে
কি গেলো,

(সব সময় গল্প গ্রুপে পোস্ট করা সম্ভব হয় না,তাই বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)
মাইশা; তোমার দু চোখ দিয়ে পানি পড়ছে,
রিয়াদ একটু পর বলল  বের হয়ে গেছে,
বুকে কস্ট মুখে হাসি নিয়ে বলল,
রিয়াদ তাহলে ট্রিট টা কবে দিচ্ছো,

মাইশা; খুব তারাতারি দিবো, কিন্ত অর সাথে না ঝগড়া চলছে একটা বিষয় নিয়ে,
রিয়াদের আর সেদিন ক্লাস করলো না,,
শরীর খারাপ বলে চলে গেলো,
মাইশাও বাসায় চলে যায়,
বাসায় যেতেই মাইশার bf রাজ মেসেজ করলো,
তাহলে তুমি তোমার নুড পিক দিবা না,

মাইশা; এই সব দিলেই কি ভালবাসা প্রমান হয় বলো,

রাজ; আমি তো তোমাকে ভালবাসি,আর বিয়েই আমি করব,আর ঐ সব তো আমার জন্যই।

মাইশা; সেটা বিয়ের পর এখন না,
প্লিজ রাজ এই সব এর জন্য আমাকে চাপ দিও না,

রাজ তখন বলে তুমি আমাকে ভালবাসো না,তুমি আমাকে বিশ্বাস করো না,
আমাদের রিলেশনের ৭মাস হয়ে গেছে তার জন্য আজ পর্যন্ত দেখা করনি,

মাইশা; তুমি ভুল বুঝতাছো, আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি রাজ,

রাজ; না আমি বিশ্বাস করি না,

কিন্ত এক সময় মাইশা রাজি হয়ে যায় নুড পিক দিতে,
কিন্ত আগে একটা শর্ত দেয়, মাইশা বলে আগে তোমার নুড পিক দিতে হবে,
তার পর আমি দিবো,
রাজ অনেক খুশি মুহুর্তেই রাজ তার নুড পিক দেয়,
আর মাইশা কে বলে এখন তুমি তোমার নুড পিক দেও,কিন্ত মাইশা,,,,,,,


গল্প_ব্ল্যাক_ভাইরাস
writer:MD.Helal
পর্ব-০৪
.
মাইশা বলল আগে তোমার নুড পিক দেও, তার পর আমি দিবো,
রাজ খুব খুশি হয়ে নুড পিক গুলা দেয়,
আর এদিকে  রাজ বেকুল হয়ে আছে মাইশার নুড পিক দেখার জন্য, আর বলছে মাইশা  তোমার নুড পিক দেও,
তারপর মাইশা তার নুড পিক দেয়,
আর রাজ সে গুলো মন ভরে দেখে,
এদিকে রিয়াদ মন মরা হয়ে থাকে আগের মত কথা বলে না,
সেই আগের দুদু মিয়া হয়ে গেছে,
রিয়াদ  ক্যাম্পাসে বসে আছে একা,
এমন সময় মাইশা এসে জিজ্ঞেস করলো, কি ব্যাপার আজ ক্লাস করলা না কেনো,

রিয়াদ; এমনি
মাইশা; কি মন খারাপ?
রিয়াদ ; না,
মাইশা; তাহলে ক্লাসে গেলে না কেনো,
রিয়াদ একটু বিরক্ত হয়ে বললাম না এমনি,

মাইশা; এমন করছো কেনো,বলবা তো মন খারাপ কেনো,

রিয়াদ ; বোকাদের মন খারাপ কোন কারন লাগে না,

এমন সময় মাইশার ফোন টা বেজে উঠলো,
মাইশা তখন বলল রাজ ফোন করেছে,আমাকে যেতে হবে,
আজ ওর সাথে প্রথম মিট করতে যাচ্ছি,
তুমি যাবে,

রিয়াদ ; আমি একটু বাসায় যাবো, আম্মা আজ বাসায় তারাতাড়ি যাইতে কইছে,

মাইশা; আচ্ছা তাহলে আমি যাই,

রিয়াদ বসেই রইলো,মন হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলো,
মাইশা রাজের সাথে দেখা করলো,
দুজই খুব খুশি,,,
কিন্ত কথার এক পর্যায়ে রাজ বলে বসে,চল আজ কোন এক হোটেলে যাই,

মাইশা আকাশ থেকে মনে হয় পড়লো কথা টা শুনে,
মাইশা; কি বললা, তুমি?

রাজ; বলছিলাম চল হোটেলে যাই,

মাইশা; হোটেলে কেনো?
রাজ; একা একটু সময় কাটালাম দুজনে,কথা বললাম আর তুমি তো,
মুখ থেকে পর্দাই সরাচ্ছো না,

মাইশা; লাগবে না,কথা বলার থাকলে এখানে বলো, আমি কোথাও যেতে পারব না,আর তুমি আমাকে অন্য ৮-১০টা মেয়ের মত মনে করলে ভুল করবে,

রাজ; তাহলে তুমি যাবে না?
মাইশা; না,আমি যাবো না,
রাজ তখন ওখানেই ব্ল্যাকমেইল করা শুরু করলো,বলল তুমি যদি না যাও তাহলে, তোমার নুড পিক গুলা ভাইরাল
করে দিবো,
মাইশা তখন বলল,তুমি এমন এখন এই কু প্রস্তাব দিচ্ছো ছি রাজ,

রাজ; আমার সাথে এখন না গেলে,পরে বুঝতে পারবে,আমি কি?

মাইশা; ছি  রাজ আমি ভাবতেও পারি নাই তুমি এমন,

রাজ; হুম আমি এমন,কত খারাপ তা হয় তো তুমি জানো না,,,,,

কিন্ত মাইশা রাজ এর কোথায় কান না দিয়ে চলে গেলো,
রাত ৮টা বাজে এমন সময় রিয়াদ ফোন দেয় মাইশা কে,,,,,
মাইশা; হে রিয়াদ বলো?
রিয়াদ ; তোমার আইডি থেকে এই সব
কি দেখছি,কিছু অশ্লীল পিক,তোমার
আইডি তে ট্যাগ করা, উপরে তোমার নাম লেখা,

মাইশা; কি বলছো,
ফোন কেটে দিয়ে তখন রাজ কে ফোন দেয় আর বলে আমি তোমার কথায় রাজি,
মাইশা ফোন কেটে দিয়ে ফেসবুকে
লগইন করে দেখে রাজের আইডি নাকি,
আবার কিছুক্ষন যেতেই আবার রাজের
আইডি ফিরে আসছে,
কিন্ত সেখানে রাজের নুড ভিডিও আর পিক,
তখন রাজ আবার মাইশা কে ফোন দেয়
আর বলে মাইশা এটা কি করলা তুমি,
তুমি আমার আইডি হ্যাক করে নিলা,
কিন্ত আমার ভিডিও আপলোড দিলা কেনো,
প্লিজ ঐ সব ডিলেট করো,

মাইশা তখন বলল,আমি তো কিছু করি নাই,আমি ঐ সব বুঝি নাকি,
আস্তে আস্তে রাজের ৭টা ভিডিও আপলোড হল,
সে গুলো এমন ভিডিও, এর আগে ৭টা মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ব্ল্যাকমেইল করে, তাদের সাথে সেক্স করছে এই গুলো আবার রাজ গোপনে ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল করতো,ভিডিও গুলো রাখা থাকতো, রাজের ল্যাপটপে,
তখন রাজ এক হ্যাকার কে তার ল্যাপটপ টি দেখায় তখন সেই হ্যাকার বলে আপনার ল্যাপটপ হ্যাক হয়েছে আর সব ডাটা চুরি হয়ে গেছে,
আপনার ল্যাপটপ টি এখন ব্ল্যাক ভাইরাস হ্যাকারদের দখলে,
রাজ হতাশ হয়ে বসে পড়ে,
তার কারন রাজের কু কর্মের সব প্রমান ল্যাপটপে রাখা ছিলো,
কত মেয়ের যে জীবন নস্ট করছে রাজ, তা বলার বাহিরে,আবার রাজ পতিতালয়ে ব্যবসা করতো,সুন্দরী মেয়ে দের পতিতালয় বিক্রয় করে দিয়েছে,,
রাজ ভদ্র সমাজে থাকে হয় তো বুঝতে পারে না মানুষ, ভদ্রতার আড়ালে যে জানোয়ার লুকিয়ে আছে তা হয় তো অনেকে জানে না,

রাজ তখন হ্যাকার কে বলে আপনি,
ব্ল্যাক ভাইরাস কে ধরে দিতে পারবেন,
হ্যাকার তখন বলে সরি পারবো না এটা আমার ক্ষমাতার বাহিরে,
আর রাজ বুঝে গেছে তার উপর ব্ল্যাক ভাইরাসের নজর পড়েছে,আর ব্ল্যাক ভাইরাসের অজানা কিছুই নাই,রাজ কত টা পাপি,
যেমন ভাবনা তেমন কাজ,,,,
সকাল হতেই মানুষের ভিড় কলেজের গেটের সামনে,,,,
অনেক মানুষের সমাগম, তখন মাইশা
আর রিয়াদ কলেজে আসছিলো,
গেটের সামনে মানুষ দেখে এগিয়ে যায়,
দেখার জন্য কি হয়েছে এত ভিড় কিসের,
(সব সময় গল্প গ্রুপে পোস্ট করা সম্ভব হয় না,তাই বাকি গল্প পেতে Add দিয়ে সাথে থাকুন)
মাইশা  জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখেই বেহুশ,
কারন ওইটা ছিলো রাজ,
মাইশা রাজ কে দেখে জ্ঞান হারায়নি,
রাজ কে খুব বাজে ভাবে মারা হয়েছে,
সারা শরিরে পেরেক মারা,আর জিব্বাহ টা হয়তো টেনে বের করে কপালের সাথে পেরেক মেরে আটকিয়ে দিয়েছে,
আর রাজের পুরুষঙ্গ পেঁয়াজের মত কুচি কুচি করে কাটা,
আর পাশে ল্যাপটপে রাজের কু-কর্মের ভিডিও প্লে করা সে গুলো,পাবলিক দেখছে আর বলছে ঠিক কাজ করছে,
তখন পুরা কলেজে হইচই পড়ে যায়,
মাইশা কে নিয়ে ধরে নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে যায়,
মুখে পানি দিতেই মাইশার জ্ঞান ফিরে আসে,
জ্ঞান ফিরতেই রিয়াদ কে জরিয়ে ধরে বলে আমাকে বাড়ি নিয়ে যাও,আমার খুব ভয় করছে,
আচ্ছা আমার কিছু হবে না তো,
রিয়াদ বলে না তোমার কিছু হবে না,
আচ্ছা ওকে কে মারলো, এই ভাবে,ওর
ব্যাপারে তো শুধু তুমি জানতে,
আর তো কেউ জানতো না,
রিয়াদ তুমি কি আমার সাথে অভিনয় করছো নাকি,

রিয়াদ; তুমি পাগল, আমি অভিনয় করতে যাবো কেনো,

আমি তো রাজ কে আমার নুড পিক দিয়েছিলাম তাহলে সে গুলোর কি হবে,

রিয়াদ; আরে চিন্তা করো না তো ব্ল্যাক ভাইরাস সব মুচে দিয়েছে,

মাইশা; ব্ল্যাক ভাইরাস মুচে দিসে তুমি জানলা কেমনে,
তুমি কে আসলে রিয়াদ বলো,তুমি রাজের সেক্স ভিডিও ভাইরাল করেছো,বলো তুমি কে?


#গল্প_ব্ল্যাক_ভাইরাস
Writer:MD.Helal
পর্ব-০৫
,
রাজের সেক্স ভিডিও তুমি ভাইরাল করছো, আসলে তুমি কে রিয়াদ?
মাইশার কথা শুনে রিয়াদ বলল,
তুমি এই সব কি কইতাছো আমি দুদু মিয়া,তোমার কথার আগা মাথা কিছু বুঝতাছি না,
আর সেক্স ভিডিও কি?

মাইশা চোখ দুটো বন্ধ করে দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে নিয়ে বলল সরি সরি আসলে আমার মাথা ঠিক নেই,

রিয়াদ; আমি এখন কি করব?

মাইশা; কি করবা মানে?

রিয়াদ ; মাইশা তুমি কি আমাকে সন্দেহ করো,
মাইশা চুপ করে আছে কোন কথা বলছে না,
রিয়াদ বলল, আমি তোমাকে ভালবাসি কিন্ত সেটা আমার মনেই থাকে গোপনে,
তাই বলে আমি এই রকম কিছু করব না,আর আমার এত সাহস নাই,
আমি তোমাকে ভালবাসি,তোমাকে বাসতে হবে না,আর এটাও জানি তুমি কোন দিন ভালবাসবে না,তাই আমি একাই নিরবে ভালবেসে যাবো,
কথা গুলো মাইশা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে শুনলো কিন্ত কোন রেসপন্স নাই,

রিয়াদের মত রিয়াদ কথা বলে উঠে চলে গেলো,
এই দিকে রাজের খুন নিয়ে কলেজে হইচই পড়ে গেছে,,,
সবাই বলছে কাজ টা কলেজের কেউ করেছে,আবার নাকি কয়েকজন কে  ধরেছে,,,,
আর যদি ঐ ল্যাপটপ টা না থাকতো আরও অনেক ধরাধরি হতো,
ল্যাপটপ টা থাকার জন্য আসল সত্যি টা সবার সামনে এসেছে,
যার মাইশাও বেঁচে গিয়েছে,কারন মাইশাও রাজের শিকার ছিলো,
রাজ খুন হওয়ার পর সারা কলেজে
সিসিক্যামেরা লাগানো হয়,
৫দিন পর,,,,
৫দিন দুদু মিয়া কলেজে আসে,
ক্লাসে ঢুকতেই,,
কিছু বখাটে ছেলে দুদু মিয়া কে ডাকে

--এই যে দুধ দুধ,
--ভাইয়া আমার নাম দুধ দুধ না,আমার দুদু মিয়া,

আরেকজন বলে,,,, তা ছোট ভাই তুমি কি জানো কলেজে সিসি ক্যামেরা লাগলো হয়েছে,,

দুদু মিয়া; না তো ভাইয়া,,

সবাই ঐ সিসি ক্যামেরায় সামনে যেয়ে নিজের পরিচয় বলতে হয় আর চোখ মারতে হয়,আর একটা পাসওয়ার্ড বলতে হয়,

দুদু মিয়া; এ ভাই আমালে বোকা বানাবেন না,ফেসবুকে যাইতে পাসওয়ার্ড লাগে আমি, এখানে কিসের পিন,

এক বখাটে বলল,,আরে ছোটভাই তুমি যে দুদু মিয়া সেটার পাসওয়ার্ড,

দুদু মিয়া ; না আমি বলমু না,
না হলে সবাই বলবে তুমি ব্ল্যাক ভাইরাস,,

দুদু মিয়া; আল্লাহ তাই নাকি, ভাই আগে
আমার পরিচয় টা দিয়া আসি,ভাই পাসওয়ার্ড টা কি

---- পাসওয়ার্ড হল i love you,

বোকা দুদু মিয়া কি জানতো, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে কোন ম্যাডাম,,

সিসি ক্যামেরার সামনে গিয়ে,,

হাই, আমি দুদু মিয়া,আমি অনেক চালাক একটা পোলা,,, কিন্ত সবাই বোকা বলে,,,
তখন দুদু মিয়া মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল i Love you,আমি কিন্ত ব্ল্যাক ভাইরাস না,
এমন সময় একটা চশমা পড়া ছেলে এসে বলল,সরি ম্যাম এটা রাগিং ছিলো,

আর ছেলে টা বখাটেদের বলল, ব্ল্যাক ভাইরাস নিয়ে মজা করো না,এর ফল কিন্ত ভাল হবে না,।
ব্ল্যাক ভাইরাসের কথা শুনে সবাই চুপ করে চলে যায়,
আর ছেলে টা দুদু মিয়া কে ধমক দিয়ে
বলল তুমি তো আসলেই গাধা একটা,
তুমি জানো কি হতো যদি এখন না আসতাম,
এই ব্ল্যাক ভাইরাসের কথা আর একবারও উচ্চারণ করবে না,
এখন যাও,
দুদু মিয়া; আচ্ছা ভাইয়া আপনার নাম কি?

--আমার নাম পলাশ,,,যাও তুমি এখন,
পলাশ ছেলেটি কয়েক দিন ধরে ক্যাম্পাসে দেখা যাচ্ছে,কিন্ত কেউ বলতে পারে না পলাশ কে সারাদিন ফোন নিয়ে পড়ে থাকে,
কারো সাথে তেমন কোন কথাও বলে না,

দুদু মিয়া একা ক্লাসে বসে মাইশা কে ছাড়া ভাল লাগছে না,
কিন্ত কিছুদিন হল মাইশাও আসছে না,ফোন টাও অফ,
দুদু মিয়া ক্লাস না করে বেরিয়ে যায়,
যেখানেই যায় ভালো লাগে না,
এই ভাবে ৪-৫দিন কেটে গেলো মাইশার কোন খবর নেই,
রিয়াদ ক্যাম্পাসে বসে ফোনে কথা বলছিলো এমন সময় পিছন থেকে মাইশা এসে বলল কি  gf  এর সারহে কথা হচ্ছে,
মাইশার উপস্থিতে রিয়াদের মুখ ফেকাসে হয়ে গেলো,

মাইশা; কি ব্যাপার এমন হা করে কি দেখছো,ভূত দেখার মত,

রিয়াদ মনে মনে ফোনে কি কথা বললাম হয়তো শুনতে পায়নি,

মাইশা; কি ব্যাপার বলছো না কেনো কার সাথে কথা বলছিলে,

রিয়া; ওই তো মা মায়ের সাথে কথা বলছিলাম,
রিয়াদ কিছু একটা নিয়ে চিন্তিত আছে তা মাইশা খুব ভালো করে বুঝতে পেরেছে,
কারন অনেক দিন পর দেখা হল রিয়াদের কোন রেসপন্স নেই,

মাইশা বলল রিয়াদ কোন কিছু বলছো না কেনো, আমি কি তোমাকে বিরক্ত করলাম আমি চলে যাবো,

রিয়াদ; একটু বসো আমি ফোনে কথা বলে আসছি,বলে রিয়াদ চলে গেলো ফোনে কথা বলতে,
মাইশা কিছুই বুঝতে পারলো না,
রিয়াদ কেমন জানি হয়ে গেছে এই কয়দিনে নাকি রাগ করে আছে,
যাক কিছুক্ষন পর আসলো রিয়াদ,
এসে বলল,
এত দিন কই ছিলা মাইশা,

মাইশা; আমার একটা কাজ ছিলো তাই আসতে পারি নাই,

রিয়াদ; ফোন অফ ছিলো কেনো,

মাইশা; এমনি,
রিয়াদ ; আমি আজ একটা কথা বলতে চাই,

--কি বলো,
--আমি তোমাকে ভালবাসি আর তোমাকেও ভালবাসতে হবে আমি আর পারছি না,তোমাকে ছাড়া,
--রিয়াদ তুমি কি পাগল, এটা তো আমাদের কথা ছিলো না,
--কথা ছিলো না,কিন্ত আমি তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি,(মাইশার হাত ধরে বলল)
--রিয়াদ হাত ছাড়ো, ক্যাম্পাসে কোন হাঙামা করো না,পুলিশ আছে পাশেই,

রাজের ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে সব সময় পুলিশ থাকে,

মাইশা খুব রেগে বলল,তুমি ভাবলে কি করে তোর মত বোকা আবুল মার্কা ছেলের সাথে আমি প্রেম করব,তোর সাথে আমার যায়,তোর দিকে তাকিয়ে দেখ আর আমার দিকে তাকিয়ে দেখ,রিয়াদ তখন উচ্চস্বরে কথা বলতে থাকে,
এক সময় দুজনের কথা কাটাকাটির মাঝখানে পুলিশ এসে যায়,
পুলিশ আসতেই মাইশা বলে বসলো স্যার এই ছেলেটা আমাকে ইফটিচিং
করছে,রিয়াদ কে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়,
পরেরদিন,,,
ইউনিভার্সিটিতে একটা ফাংশন ছিলো,
রিয়াদ ডিপার্টমেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে আছে কানে মিনি ব্লুটুথ হেডফোন লাগানো,
নীল রঙের শাড়ি পড়ে একটা মেয়ে ঘুরাঘুরি করছে দেখতে অনেক স্মার্ট সুন্দরী, কিন্ত সেদিকে রিয়াদের কোন নজর নেই,
মেয়েটি এক সময় রিয়াদের সামনে এসে দাঁড়ায়,কি ব্যাপার রিয়াদ তোমাকে না কাল পুলিশ ধরে নিয়ে গেলো,

রিয়াদ; আপনি কে?
--আরে আমাকে চিনতে পারছো না,আমি মাইশা,।
রিয়াদ শুধু পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখলো,
মাইশা আবার কিছু বলতে যাবে এমন স্যার মাইকে বলতে লাগলো মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের সকল স্টুডেন্ট ৫মিনিট এর মধ্যে তোমরা তোমাদের ক্লাস রুমে উপস্থিত হও,
সবাই ৫মিনিটের মধ্যে হাজির, রিয়াদের পাশে মাইশা বসেছে আঙুল দিয়ে খুচাচ্ছে,
স্যার এসে বলল সবাই সাইলেন্ট আমি কিছু কথা বলব,ক্লাস রুম।একদম নিরব,এমন সময় রিয়াদ একাই বলছে মিশন start, সবাই এলাট, প্লান A and B,
স্যার এমন বললেন কে কথা বলে,কার এত বড় সাহস,পাশ থেকে মাইশা বলল,চুপ স্যার আসছে রিয়াদ,
কিন্ত যা ঘটলো তা দেখে সবাই অবাক, রিয়াদ নিজের কোমর থেকে একটা
রিভালবার বের করে দিলো এক দৌড়,,,,,,,,,
এখন থেকে গল্প একদিন পর পর পোস্ট করা হবে,



Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label