নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

X Girlfriend ( এক্স গার্লফেন্ড)

 X-girls

X Girlfriend
রাত তখন ১টা বেজে ৩৯ মিনিট, হঠাৎ মেসেন্জারে Sms আসার শব্দ হল, সিন করতেই দেখলাম একটা ছবি,  সাথে সাথে আরেকটা sms, “এটার নাম কি”? একটু অবাক হলাম, এত রাতে এটা কিসের photo  দিল, আবার ছবির বস্তুটার নাম জানতে চাচ্ছে। এতটা অবাক হতাম না, যদি আগে কখনো কথা হত। ছবিটাই ত প্রথম sms, এর আগে ত আর কথা হয় নি ওনার সাথে। আইডির নামটা দেখলাম,  নাম দেখে যতটা বুঝতে পারলাম এটা কোনো মেয়ের আইডি। কিন্তু এত রাতে, একটা মেয়ে sms করল তাও একটা অদ্ভুত রকমের ছবি দিয়ে তার নাম জানতে চাইল। অনেক কিছু ভেবে reply  দিলাম কে আপনি? -আগে যা জানতে চাইছি তা বুলুন
 -কি বলব?
 -ঐ যে ছবিটা দিলাম, কি এটা বলেন? এবার আর ভেবে পাচ্ছি না ঠিক কি হচ্ছে amar সাথে, অনেক ভেবে উত্তর দিলাম, ছবিটর জিনিসটা ঘর সাজানোর কোনো বস্তু হবে, দেখে ত তুলার তৈরি ডিম মনে হচ্ছে। -হয় নাই, অন্য কিছু বলেন।
 -sorry, আমি আর বলতে পারতেছি না, এবার আপনার পরিচয়টা দেন।
 -মজা করলাম আপনার সাথে, এটা আসলে স্পন্জ, আমরা মেকআপ করার সময় ব্যবহার করি।
 -এসব ব্যবহার করি না, তাই কোনো ধারনা নাই। এবার আপনার পরিচয়টা দিন।
 -আমি Mim, বাসা ” অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি, ” সরকারি কলেজ।
 -Sorry চিনতে পারলাম না আপনাকে,
 -চিনতে না পারারই কথা,
 -তাহলে এত রাতে Nock করলেন যে, কয়টা বাজে দেখছেন?
 – হুম দেখছি মাত্র আড়াইটা বাজে,
 – কি! রাত আড়াইটা আপনার কাছে মাত্র মনে হচ্ছে?
 -হ্যা, যার সাথে সারা রাত কথা বলতাম, তার সাথে আইড়াইটা ত কোনো রাত ই না।।
 – কি বলতেছেন এইসব?
 -হ্যা ঠিক ই ত বলতেছি।।।।।। পরপর ২টা screenshot  আসল, আমার সাথে কি হচ্ছে, আর কি হতে যাচ্ছে কিছুই বুঝতেছি না। screenshot গুলো দেখলাম, নাহ কিছুই বুঝতে পারলাম না, বিন্দু মাত্র ধারনা করতে পারতেছি না কে এই মিম, আর এত রাতে কেনই বা আমাকে নক করল। -Sorry আমি আপনাকে চিনতে পারতেছি না,
 – হ্যা চিনতে না পারারই, কথা। তবে এত তারাতারি ভুলে যাবা ভাবি নি। এবার ত আমার অবস্থা আরো খারাপ, এখন দেখি আমাকে তুমি করে বলা শুরু করল, আল্লাহ রক্ষা কর আমাকে। এমনিতেই এত রাতে কারো সাথে বিশেষ কোনো দরকার ছাড়া কথা বলি না, তার মধ্যে অপরিচিত কোনো মেয়ে তুমি করে বলতেছে। সব কিছু ভাবতে ভাবতে reply  দিলাম- -দেখুন কে আপনি, আমি ঠিক চিনতে পারতেছি না। কোনো দরকার থাকলে বলুন। আর পরিচিত কেউ হলে সঠিক পরিচয় দেন।
 -এই কয়দিন কথা বলিনি বলে, তোমার এসএমএসের reply  দেইনি বলে তুমি থেকে আপনি হয়ে গেলাম?
 -আমি আপনাকে চিনতে পারিনাই এখনো, আর অপরিচতদের আপনি করেই বলি।
 -এত তারাতারি কেউ কারো X girlfriend  কে ভুলে যায়? এবার Ami বড় ধরনের সক্ড খাইলাম, সে এক্স হইছে এখনো ১বছর হয়নি। কিন্তু ওর ত আমাকে নক করার কথা না, কারন যা হইছে ত ওর জন্যই হইছে ওনিজেই ব্রেক করেছে। তাহলে আজ এত রাতে- -আসলে দেখুন আপনার এই Id টা আমার কাছে পরিচিত মনে হচ্ছে না, আর নামটাও
 -তুমি এত তারাতারি কি করে ভুলে গেলা আমাকে? শুনেছি মানুষ কখনোই তার X girlfriend  কে ভুলে না। আর তুমি, -দেখুন আমি আপনাকে চিনতে পারতেছি না, আর আপনি আমার X girlfriend  হবেন কিভাবে, এটা ত কখনোই সম্ভব না।
 -থাক, আর চিনতে হবে না। এই কয়দিনে তুমি আমাকে এতটা দূরে সরিয়ে দিবা ভাবিনি। বাদ দেও আমাকে আর চিনতে হবে না, এবার বল তোমার গার্লফ্রেন্ডের কি অবস্থা? Reply  দেওয়ার মত কিছু খুজে পেলামনা এবার, তাই নিরব থাকলাম কিছুক্ষন।। -কি হল, বলবা না তোমার বর্তমানের কথা? আরে বয় নাই বলতে পার, আমি আবার বেক করব না তোমার লাইফে। এবার মনে হচ্ছে মেয়েটা আমার মাথা নষ্ট করে ছাড়বে, রাত প্রায় ৩টা বাজে, আর এমন সব কথা বলতেছে, নেট অফ করেও শান্তি পাব না এর শেষটুকু না বুঝে। এবার একটু বুন্ধি কাটিয়ে জিজ্ঞেস করলাম – -তুমি কি সত্যি আমার এক্স বলতেছ? Please  সত্যি করে বল।
 -হ্যা, তোমার কি আমার কথা বিশ্বাস হয় না?
 -হ্যা এবার কিছুটা বিশ্বাস হচ্ছে, আচ্ছা তোমার কি মনে আছে ব্রেকআপের আগে শেষ বার যখন ভালোভাবে কথা বলেছিলাম কি কি বলে ছিলাম সেই রাতে? -হ্যা মনে ত আছেই, তোমার প্রতিটি কথাই আমার মাথায় এখনো ঘুরে। তোসার সাথে ব্রেকআপ করে আমি ভুল করেছি, সেটা এখন বুঝতে পারতেছি। -তাই, আচ্ছা চল না আজ রাতেও আমরা সেই Romantic  কথা গুলো বলি, তোমার মাথায় ত কথা গুলো ঘুরতেছে তাই তুমিই শুরু কর, আগে ত সব সময় আমি শুরু করতাম। নীরবতা, ১মিনিট, ২মিনিট, ৩মিনিট -কি হলো চুপ কেন, বল না। এত দিন পর তুমি ফিরে এসেছ, তোমার মুখ থেকে খুব শুনতে ইচ্ছে করতেছে কথা গুলো।।।।
 -ভাই আমাকে মাফ করেন,
 -ওমা, আগে আমি Apni ডাকতাম বলে তুমি রাগ করছিলা, কত সুন্দর করে তুমি ডাকতেছিলা। এখন আমি তোমাকে তুমি ডাকতেছি কিছু শুনতে চাচ্ছি এবার ভাই ডাকতেছ কেন? X girlfriend  কি কখনো ভাই হয়? – Sorry ভাই মাফ করেন আমাকে।
 -তুমি sorry বলতেছ কেন, আর মাফ চাওয়ার কি আছে, যা শুনতে চাচ্ছি তা ত আমরা আগে নিয়মিতই বলতাম।
 -sorry ভাই, আমি আপনার X Girlfriend  না। আর ওনার সাথে যা বলতে তা আমি আপনার সাথে বলতে পারব না কখনোই। -এটা কি হল, তুমি আমাকে আপনি করে বলতেছ কেন? দেখ আমি ত চিনতে পারছি তোমাকে।
 – হ্যা আমি বুঝতেছি আপনি খুব ভালো করেই চিনতে পারছেন আমি আপনার X girlfriend  না। আমি আপনার সাথে মজা করছি, মাফ করেন এবার।
 -এত রাতে মজা, তাও আবার আমার X girlfriend  সেজে?
 – আসলে হঠাৎ করে দেড়টার দিকে ঘুম ভেঙ্গে গেছে, আর Net এ ডুকে দেখি আপনি একা এক্টিভ, তাই ভাবলাম একটু মজা করি। কিন্তু এভাবে ধরা খেয়ে যাব বুঝিনি। -হুম বুঝতে পারলাম, তবে একটা কথা বলে রাখি, সব ছেলেদের ক্ষেত্রে এমনটা কি না জানি না, তবে আমার এক্সের কিছু জিনিস মাথায় এমন ভাবে সেট হয়ে আছে যা কখনোও অন্য কেউ মিলাতে পারবে না, পারবে না সেই Work গুলো ঠিক তার মত করে করতে, তাই যতই চেষ্টা করা হোক না কেন কেউ ওর পরিচয় দিয়ে ধরা না খেয়ে রক্ষা পাবে না। -এত রাতে বিরক্ত করার জন্য সরি, আসলে আমি মজা করতে চাচ্ছিলাম, আর দেখলাম প্রথমে আপনি পিছু হাটতেছেন, তাই আরো বেশি মজা করার মত সাহস পাচ্ছিলাম, কিন্তু কখনো ভাবিনি এভাবে পিছু হেটে নিজের অবস্থানটা শক্ত করে তার পর আমাকে এভাবে ধরবেন। -sorry, আমি পিছু হাটিনি, সব অপরিচিতদের সাথেই এভাবে কথা বলি। আপনাকেও পরিচিত মনে হয় নি তাই এভাবে কথা বলছি। অনেক রাত হইছে, আশা করি অনেক মজা পাইছেন, আপনি ত আমার X girlfriend  হতে চাইছিলেন, কিন্তু আমার বর্তমান যদি জানি আমি আপনার সাথে এত রাত জেগে কথা বলছি তাহলে কি হবে আল্লাহ জানেন। -তার মানে আপনার বর্তমান আছে, Please  ওনার সম্পর্কে একটু কথা বলি, x সম্পর্কে ত জানলাম।
 -আমাকে মাফ করেন, কারন এখন ওর সম্পর্কে কিছু বলতে গেলে দেখা যাবে সকাল হয়ে গেছে, আর তখন দেখব সে আমার x হয়ে গেছে, তখন কিন্তু আপনাকেই আমার বর্তমান হতে হবে। X girlfriend  অভিনয় করতে গিয়ে বর্তমান হতে না চাইলে এবার বিদায় হোন।।।

আরো পড়ুন ভাইয়ের X-Girlfriend
Share:

ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ড Bro Vai ar Girlfriend

ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ড

দুপুর বেলায় Mobile টা  টেবিলের উপর রেখে আমি টিভি দেখতে ছিলাম ।কিছুক্ষণ পরেই ছোট বোন এসে টেবিলের উপর থেকে Mobile টা নিয়ে যায় । আমার Mobile  দিয়েই ছোট বোন আর ছোট ভাই ওরা অনেক সময় গেমস খেলে Movie বা নাটক দেখে। আমি তাই কখনোই Mobile লক করে রাখি না । তার চেয়ে বড় কথা হয়েছে কখনো লক করে রাখার প্রয়োজন বোধ হয় না ‌ কারন আমার Mobile এ  এমন কিছু থাকে না যা পরিবারের কেউ দেখলে সমস্যা হবে ।

কিছুক্ষণ পরেই ছোট বোন চিৎকার দিয়ে মাকে ডাকলো , ডেকে বলতেছে মা আপনার বড় ছেলের কান্ড দেখে যান । তার চিৎকার শুনে ঘরের সব সদস্য এসে হাজির । ছোট বোন আমাকে Mobile দেখিয়ে ছোট বোন বলছে , এসব কি ভাইয়া ।
আমি মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দেখি ।

কে যেন আমাকে Sms এ লিখছে , কেমন আছো বাবু , তোমাকে অনেক মিস করতেছি , তোমার সাথে দেখা করতে ইচ্ছে করছে , তিন দিন হয়ে গেছে তোমার সাথে দেখা হয়নি , আমার কিছু ভালো লাগছেনা বাবু ।

আমি Message  গুলো দেখে পুরাই টাস্কি খেয়ে বসে আছি । এসব কি , আমি জীবনে কোন মেয়ের সাথে প্রেম করতে পারলাম না। কিন্তু এখন যখন একটা মেয়ের সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে ঠিক হয়েছে । ঈদের কয়েকদিন পরেই তার সাথে Amar বিয়ে হওয়ার কথা । এর মধ্যে এ আবার কোন মেয়ে আমাকে এসব লিখছে ।

Ami পরিবারের সবাইকে বোঝাতে লাগলাম যে আমি এই মেয়েটার সম্পর্কে কিছু জানি না , বলতেও পারব না । কিন্তু কে শুনে কার কথা কেউ আমাকে বিশ্বাস করলো না ।



কিছুক্ষণ পর সেই Number  থেকে আবার একটা sms আসে । তাতে লেখা , আচ্ছা বাবু Tomar পরিবার যদি আমাকে পছন্দ না করে তুমি বলছিলে তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে তুমি আমাকে বিয়ে করবে । আচ্ছা যদি সত্যি সত্যি তোমার পরিবারের Amader সম্পর্ক মেনে না নেয় তাহলে কি সত্যিই আমাকে নিয়ে পালিয়ে যাবে ।

এই Message টা দেখার পর মনে হয় ঘরের মধ্যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে । ছোট বোন বলতেছে ভাইয়া আপনার কাছ থেকে এসব আশা করিনি । আমাদের কত স্বপ্ন আছে Amader বড় ভাইয়ের বিয়েতে আমরা অনেক আনন্দ ফুর্তি করব । আর আপনি কিনা পালিয়ে বিয়ে করে আমাদের সব স্বপ্ন মাটি করে দিতে চান ।

Maa রেগে গিয়ে বলল , তোকে আমি কতবার জিজ্ঞেস করছিলাম, কোন মেয়ের সাথে তোর Relation  আছে কিনা থাকলে আমাদেরকে বল। তুই বলছিলি তোর রিলেশন নাই , এখন যখন তোরে বিয়ের কথা বার্তা Final  হয়েছে আর এসব কি দেখতেছি । তোর থেকে এটা আমি আশা করিনি জাবেদ ।
Baba তো রেগে আগুন, তোর জন্য আমাদের সব মান সম্মান মাটিতে মিশে যাবে । ঈদের পরে তোর বিয়ে , এখন যদি সুমির বাড়ির লোকেরা এ সব জানতে পারে ‌। তাহলে কি অবস্থা হবে তুই একবার ভেবে দেখছিস ।( সুমি হচ্ছে যার সাথে Amar বিয়ে ঠিক হয়েছে )

আমার ছোট ভাই মমিন বললো , বড় ভাইয়ের কাছ থেকে তো ছোট ভাইয়েরা অনেক কিছু শিখে । আপনি যদি এখন এই অবস্থা করেন তাহলে আমরা বড় হলে আমরা কি করব ।

তখনই Amar মেজো ভাই জাহেদ বাইরে থেকে এলো , এসে যখন দেখল সবাই আমাকে ঘিরে আছে তখন সে জানতে চাইল কি হয়েছে । সবাই যখন বলল আমি কোন মেয়ের সাথে Relation  এ আছি ।কথাটা শুনে জাহেদ আমার পাশে এসে বসে বললো – ভাইয়া মেয়েটা কোথায় থাকে, নাম কি, দেখতে কেমন, আমাদেরকে তো কখনোই বললেন না ভাবীর কথা ।

মানে কাটা শরীরে লবণ ছিটা দেওয়া । আমার তখন করুন অবস্থা আমি কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে সবাইকে অনেক করে বোঝাতে চাইলাম । আমি সত্যিই কোন প্রেম করিনা কোন Relation  আমার নেই । কিন্তু তারা কেউ Amar কথা বিশ্বাস করল না ।
কিছুক্ষণ পরে সেই Number থেকে আবার sms । তখনো মোবাইল আমি আমার হাতে পায়নি ।ছোট বোনের হাতে মোবাইল ছিল সে সবাইকে পড়ে শোনাচ্ছিল Sms ।

সে লিখলো – আচ্ছা বাবু তুমি কোন রিপ্লাই দিচ্ছ না কেন , আর তোমার আগের Sim টা বন্ধ কেন কি হয়েছে ।
ছোট বোন বলে, দেখছেন ভাইয়া কত চালাক গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথাবার্তা বলার জন্য আলাদা Sim নিয়ে রেখেছে । যাতে করে আমরা বলতে না পারি , দাঁড়ান দেখাচ্ছি মজা ।

তারপর আমার ছোট বোন রিপ্লাই দিলো , আমিও তোমাকে অনেক miss করছি জান আমারও ইচ্ছে করছে তোমার সাথে দেখা করতে, চলো আজকে বিকেলে আমরা দেখা করি ।

কিছুক্ষণ পরেই আবার sms আসলো – ছোট বোন sms পড়ে সবাইকে শুনাচ্ছে ।তাতে লেখা – ওকে ঠিক আছে বাবু তাহলে আমরা আজকে বিকালে দেখা করতেছি । সব সময় যেখানে দেখা করি আজকে সেখানে আসবে । আর শোনো বাবু তুমি যে আমাকে একটা শাড়ি কিনে দিয়েছিলে আমি সেই শাড়ি পরে আসবো ।আর আমি যে তোমাকে দুটো পাঞ্জাবি Gift দিয়েছিলাম, সেখান থেকে তুমি একটা পাঞ্জাবী পড়ে আসবে ।



এ কথা শোনার পর থেকেই পরিবারের সবাই একে আরেক জনের মুখের দিকে তাকাতে লাগল । কারণ আমার জীবনে আমি কখনো পাঞ্জাবি পড়িনি , আমার কোন পাঞ্জাবি ও নাই । কিছুক্ষণ পরে সবার নজর গেল আমার মেজো ভাই জাহেদের দিকে , কারণ তিন দিন আগে সে দুইটা পাঞ্জাবি নিয়ে এসেছিলো , সে বলছিল সে মার্কেট থেকে কিনে এনেছে ।
সাথে সাথে কি দেখলাম জাহেদ আমার পাশ থেকে উঠে দিল এক দৌড় , দৌড়ে সেখান থেকে পালালো ।

পরে জানতে পারলাম আসল ঘটনা , ওই মেয়েটা হচ্ছে আমার মেজ ভাই জাহেদের Girlfriend  । সকালেই হাত থেকে পড়ে তার Mobile টা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল । তাই সে সকালে আমার Mobile  দিয়ে তার প্রেমিকার সাথে কথা বলছিলো । আর সেখান থেকেই এত কিছু ।

রাত আটটা বাজে জাহেদ বাসায় আসলে , তাকে ঘিরে বসে পরিবারের Sobai । দুপুরে আমার যে অবস্থা হয়েছিল , সেই একই করুন অবস্থার মধ্যে এখন জাহেদ আছে ।

   আপনি কি আমাদের ওয়েব সাইটে গল্প লিখতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন 01946326870
Share:

Lip Kiss

 Lip kiss

লিপ কিসের যন্ত্রণায় আমার জীবন অতিষ্ঠ। এই Kiss টা আমার ঘেন্না লাগে, অথচ বিয়ের পর দেখা যাচ্ছে লিপ কিস বউয়ের ভীষণ পছন্দ। স্বামীকে নিয়ে ওর যতগুলো স্বপ্ন আছে তারমধ্যে লিপ kiss একটা। এদিকে ফিল্মে পর্যন্ত লিপ Kiss দেখলে আমার বমি বমি ভাব হয়।

কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, এই লিপ kias টা কোনো কালেই আমার পেছন ছাড়েনি। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। একটা মেয়েকে আমার ভীষণ ভালো লেগে যায়, মেয়েটির নাম জাহেদা। রাতে ঘুমোতে গেলে আমি কোল বালিশ জড়িয়ে ধরে ওরে কল্পনা করি। কোল বালিশে চুমু দিয়ে কল্পনা করি মেয়েটির কপালে গালে গলায় চুমু দিচ্ছি। ওর বান্ধবী একটার সাথে আমার বেশ ভাব ছিলো।

তাকে বুঝিয়ে বললাম আমার অবস্থা, সে আমার পক্ষ থেকে জাহেদাকে প্রস্তাব দিলো। জাহেদা কিরকম জানি সাথে সাথে আমার প্রেমের প্রস্তাব গ্রহণ করে ফেলল। সে অবশ্য গম্ভীর বা লাজুক মেয়ে নয়, ক্লাসে হৈহল্লা ওরাই করে বেড়ায়, খুব চঞ্চল একটা মেয়ে জাহেদা। যাইহোক, ওর সাথে আমার Number  আদানপ্রদান হল৷ প্রতিদিন রাতে ফোনে প্রেমালাপ হয়। দু’জনের মধ্যকার লজ্জাবোধ খানিকটা কমে এসেছে। আমরা এখন সব ধরনের কথা বলি। জাহেদাকে একদিন আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘ময়না পাখি, তুমি এত সহজে আমার প্রস্তাব গ্রহণ করলে কীভাবে?’ ওপাশ থেকে ফিক করে হাসির শব্দ এলো, তারপর বলল, ‘তোমাকে প্রথম থেকেই আমার ভীষণ ভালো লাগতো বাবু। বিশেষ করে তোমার ঠোঁট খুব মায়াবী।’ জাহেদার কথা শুনে আঁতকে উঠলাম, আমার ঠোঁট ওর প্রথম পছন্দ?

এরপর অনেকদিন কেটে যায়, আজকাল আমার খুব ইচ্ছে হয় জাহেদাকে জড়িয়ে ধরে গালে কপালে চুমু খাবো। একদিন সুযোগও হয়ে যায়। আমরা দু’জন দেখা করলাম কলেজের খানিক নির্জন একটা জায়গায়। জীবনে প্রথম কোনো মেয়েকে জড়িয়ে ধরবো ভাবতেই আমার ভেতরে কেমন তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে, জাহেদা আসতেই আমি ময়না পাখিটা আমার বলেই বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। জাহেদাও কেমন আবেশে আমাকে চেপে ধরেছে। তারপর আমি ওর কপালে গালে গলায় চুমু খেতে শুরু করেছি। হঠাৎ করে জাহেদা কেমন উত্তেজিত হয়ে গেলো। আমার ঘাড়ে ধরে টান দিয়ে সে দৈর্ঘ্য সময় নিয়ে লিপ kiss খাচ্ছে। একজনের ছ্যাপ আরেকজনের মুখে যাচ্ছে ভাবতেই আমার পেট কেমন জানি গুলিয়ে উঠলো। হঠাৎ লিপ kiss অবস্থায় আমি লক্ষ করলাম আমার বমি চলে আসছে, ধাক্কা দিয়ে জাহেদাকে যতটুকু পারি সরানোর চেষ্টা করেছি, তারপরও ওর মুখে আর বুকে বমি পড়ে যায়। কী একটা অস্বস্তির ব্যাপার ভাবুন তো! বেচারি লজ্জায় লাল হয়ে গেছে। টিস্যু দিয়ে মুছে খানিক্ষণ পর চলে গেলো। এরপর থেকে আমার সাথে আর সম্পর্ক রাখেনি।

কিন্তু বিয়ের পর আমি একই বিপদে পড়ে গেলাম। বউ লিপ kiss দিতে চায়, আমি তাকে বুঝাই, ‘ সোনা বউটা আমার, লিপ kiss না সাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর, তুমি একটু চিন্তা করে দেখো একজন মানুষের ছ্যাপ আরেকজন চুষে খাচ্ছে, সেটাকে লিপ kiss বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ব্যাপারটা কী ভালো দেখায় বউ?’ বউ আমার যুক্তি খন্ডাতে চেষ্টা করে, সে পাল্টা যুক্তি দেয়, ‘বাবু কিছু কিছু ক্ষতি মেনে নিতে হয়, এই যে সিগারেট খাওয়া সাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তাহলে তুমি খাও কেন?’ ‘বউ তুমি কেন বুঝতে চাও না ব্যাপারটা তো ছ্যাপ!’
‘আমি কোনো কিছুই বুঝতে চাই না, স্বামীকে লিপ kiss না দিতে পারলে আমি আর কাকে দেব শুনি? এটা যে আমার একটা স্বপ্ন আমার একটা শখ৷ আর তোমার ঠোঁট আমায় ভীষণ টানে, কেমন মায়াবী ঠোঁট, তাকালেই kiss খেতে ইচ্ছে জাগে, তোমাকে লিপ kiss না দিয়ে মরে গেলে Amar মানবজনম বৃথা বাবু।’ ‘আচ্ছা বউ, তাহলে ছ্যাপ না লাগিয়ে ঠোঁটে হালকা করে চুমু দিয়ে দাও। বউ আচ্ছা বলেই আমার উপর ঝাপিয়ে পড়লো। Amar শুধু অস্ফুটে শব্দ বের হচ্ছে ‘আরে আরে কী করছো, ছেড়ে দাও, ব ব বমি বমি আসছে….
Share:

JSC & JDC Routine 2019 Starts 2 Nov 2019

#ব্রেকিং
২০১৯ সালেল জে.এস.সি/জেডিসি পরীক্ষা শুরু ২ নভেম্বর ২০১৯। প্রস্তাবিত সময়সূচি প্রকাশ।

jsc exam,routine of jsc exam 2019,jsc exam new routine,jsc exam schedule,jsc exam.com,jsc exam schedule 201i,about jsc exam,jsc exam routing,jsc jdc exam
Share:

খারাপ মেয়েদের নাম পড়তেছো কেন

খারাপ মেয়েদের নাম

 ছেলে পড়তেছে- ‘আভা, বিভা, প্রভা’।
মা : ছি বাবা, Ashob খারাপ মেয়েদের নাম বলতেছ কেন?
ছেলে : Sir এগুলো পড়তে দিছে মা।মা স্যারের কাছে গিয়ে বলছেন-মা : আপনি ছাত্রদের এমন খারাপ মেয়েদের নাম পড়তে বলেন কেন?
Sir : নাহ, আমি তো এমন কিছু পড়তে বলি নাই, আমি তো ওদের ‘আলো’র সমার্থক শব্দ পড়তে বলেছিলাম।

****Apni যে কৃপণ লোক একদিন ক্লাসে শিক্ষক তার Sonar আংটিটা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন।
শিক্ষক : Bol to, এই আংটিটাতে মরিচা ধরবে কি না?
ছাত্র : ধরবে না স্যার।
শিক্ষক : Good, Very Good। আচ্ছা বল তো, কেন ধরবে না?
ছাত্র : স্যার, আপনি যে কৃপণ লোক সেটা তো আমরা জানি। যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো, আপনি কখনই আপনার Sonar আংটি পানিতে রাখতেন না।

****পাগলদের কান্নাকাটিএকদিন এক মানসিক Hospital এ  সব পাগল কান্নাকাটি করছিল। কিন্তু এক পাগল চুপচাপ শুয়েছিল।
চিকিৎসক : তুমি শুয়ে আছো কেন?
পাগল : Are বেকুব, Ami তো মারা গেছি। এর জন্যই সবাই কান্নাকাটি করতাছে!

****প্লাস্টিক সার্জারির জন্য
১ম বন্ধু : অনেক টেনশনে আছি রে।
২য় বন্ধু : কেন রে, কি হইছে?
১ম বন্ধু : Ak লোকরে ৫ লাখ Taka দিছিলাম।
২য় বন্ধু : কস কি! Taka লইয়া ভাগছে নাকি?
১ম বন্ধু : আরে না... প্লাস্টিক সার্জারির জন্য Taka দিছিলাম, কিন্তু এখন তো চিনতেই পারতেছি না কারে Taka দিছিলাম!

Share:

আমার নিজের লেখা গল্প: আমার প্রথম ডেটিং

 আমার ডেটিং

একদিন ডেটিং

আমার প্রথম Bf আমাকে ধর্ষণ করেছিলো। সেদিন ওদের বাসায় কেউ ছিলো না। আমি পড়াতে গিয়ে দেখি বাসা ফাঁকা। তারপর সে আমাকে জোর করে ধর্ষণ করে। প্রথমে বাধা দিলেও পরে আর বাধা দেই নি। নিজেকে সান্ত্বনা দেই এই বলে -' ভালবাসার মানুষই তো। '" কথাগুলো এক নিঃশ্বাসে বলে এক চুমুকে অরেঞ্জ ড্রিংক্সের গ্লাসটার অর্ধেক খালি করে লাবন্য। তবে আমি হিসেব মিলাতে পারছি না Bf কে কেউ প্রাইভেট পড়ায় কি করে ? আমাকে বিচলিত থাকতে দেখে লাবন্য আবার নিজে থেকেই বললো, " ও আমার দুই ব্যাচ জুনিয়র ছিলো। আমি ছিলাম ইন্টারমিডিয়েটে। আর ও Class টেনে। ও অনেক কিউট ছিলো। সত্যি বলতে ওর উপর ক্রাশ খেয়ে ওকে সেধে টিউশন দিতে রাজী হই আমি। " Class টেনের ছেলে ধর্ষণ করে দিয়েছে। যদিও শুনলে বিশ্বাস হচ্ছে না। কিন্তু অস্বাভাবিক কিছু নয়। ব্যাপারটা হচ্ছে এখনকার ছেলে মেয়েরা একটু তাড়াতাড়ি পেকে গেছে। সবই আধুনিক হবার কল্যাণে।

আমি প্রশ্ন করলাম, " তারপর ? "
 -" বছরখানেক পর আমি ভার্সিটিতে ভর্তি হলে আমাদের ব্রেকাপ হয়ে যায়। আমি ভেঙে পরি। এমন সময় আমাকে সাপোর্ট দেয় রিহান। আমার Class মেট প্লাস ছোটবেলার বন্ধু। বেস্টফ্রেন্ডও বলতে পারেন। "
-" ব্রেকাপ কেনো হয়েছিলো ? "
 -" আবরাম মানে আমার প্রথম বিএফের আরো কয়েকটা রিলেশন ছিলো। "
-" আপনি হাতেনাতে ধরতে পেরেছিলেন ? "
-" নাহ! আমাকে রিহান বলেছিলো। "

এখন মেয়েটার উপর আমার মেজাজটা গরম হলো।মন চাচ্ছে দু'গালে কষিয়ে থাপ্পড় দেই। কিছু মেয়ে আছে যারা নিজের প্রেমিকের চেয়ে নিজের সো কল্ড ছেলে বেস্ট ফ্রেন্ডকে বিশ্বাস করে। ওই Best Friend যা বলে তাই বিশ্বাস করে। এক পর্যায়ে ওই বেস্ট ফ্রেন্ডের সাথেই নতুন রিলেশনে চলে যায়। এখানেও মে বি তাই হয়েছে। বার্গার চিবোতে চিবোতে বললাম, " এরপর কি হলো ? "

 -" হুট করে রিহান আমাকে বললো কক্সবাজার ঘুরতে যাবে। আমিও রাজী হয়ে গেলাম। হোটেলে আমরা দু'জন মিলে একটা রুমই নিয়েছিলাম। হোটেলের রুমে রিহান আমাকে প্রপোজ করে। আমি আর না করতে পারি নি।

 " আহারে! কি দরদী মেয়ে! না করতে পারে নি। অবশ্য না করতে পারে না বলেই আজ আমার সৌভাগ্য হয়েছে ডেট করার।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, " এরপর কি হলো ? "
-" আমরা প্রায় সপ্তাহখানেক কক্সবাজার ছিলাম। কিন্তু আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে সেও আবরামের মতো একই কাজ করলো। "
-" আপনি সরল ? আপনি ভার্সিটি পড়ুয়া একটা মেয়ে। একটা ছেলে বললো আর আপনি নাচতে নাচতে কক্সবাজার চলে গেলেন। প্রপোজ করলো রাজী হয়ে গেলেন। আর এখন বলছেন সরলতার সুযোগ নিয়েছে।

" আমার কথা শুনে লাবন্য রেগে গেলো। একরাশ ক্রোধ নিয়ে বললো, " আসলেই অল ম্যান আর ডগস।

 লাবন্যর কথায় সম্মতি জানাতেই আমি ঘেউঘেউ করে উঠলাম। রেস্টুরেন্টে বসা বাকী কপোত-কপোতীরা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
আমার হাতটা ধরে লাবন্য বললো, " কি করছেন এসব ? "
-" অল ম্যান আর ডগস। তাই ঘেউঘেউ করলাম। "
-" টোটালি ইডিয়ট আপনি। "
-" বাকীরাও তাই বলে। "
-" এখন আপনার কাহিনী বলুন। "

এবার কাহিনী বলতে গিয়ে কেঁদে ফেললো লাবন্য। কাঁদতে কাঁদতে বললো, " কক্সবাজার থেকে আসার পর পরই রিহান বদলে যায়। আমাকে এভয়েড করতে থাকে। আমাকে ইগ্নোর করে চলতে থাকে।এমন সময় আমার ফিজ আপ খানের সাথে পরিচয়। আমার ভার্সিটির বড় ভাই। ফেসবুকের নাম করা সেলিব্রেটি। "
-" তারপর ? "
-" সেলিব্রেটি ফিজ আপ খান একদিন নিজে থেকে আমার নাম্বার চায়। আমিও নাম্বার দিয়ে দেই। এতোবড় সেলিব্রেটি না করি কিভাবে ? তারপর থেকে আমাদের নিয়মিত কথা হতো। আর এভাবেই আমরা রিলেশনে জড়িয়ে পরি। "
-" এরপর ? "
-" এরপর আমরা দু'বছর লিভ টুগেদারে ছিলাম। তারপর আমাদের মেন্টালিটি মিলে না বলে আমরা আলাদা হয়ে যাই। বাট স্টিল নাও উই আর গুড ফ্রেন্ড। "

আবার ঘাপলা! ব্রেকাপের পর মানুষ আবার বন্ধু হয় কি করে ? বন্ধুত্ব থেকে ভালবাসা হয় ; কিন্তু ভালবাসা থেকে বন্ধুত্ব হয় কি করে এই জিনিসটা আমার মাথায় ঢুকছে না।

আমি টিস্যু দিয়ে ঠোঁট মুছে বললাম, " এখন কি আমায় ভালবাসবেন ? "
-" বাসা যায়। তবে শর্ত আছে। "
-" কি শর্ত ? "
-" এ বছরের লাস্টে আমরা বিয়ে করবো। "
-" রাজী। "
-" হানিমুনে ভারতে যাবো। "
-" রাজী। "
-" বিয়ের পর আপনার ফ্যামিলির সাথে আমি থাকতে পারবো না। তাই আমরা দু'জন আলাদা থাকবো। আমার জয়েন্ট ফ্যামিলি পছন্দ না। "

আমি এবার আর কোন উত্তর দিলাম না। একদম চুপ হয়ে গেলাম। তার সর্বশেষ শর্ত শুনে মাথা ঘুরছে। বলে কি মেয়ে আলাদা থাকতে হবে। পাগল নাকি ?

আমায় চুপ থাকতে দেখে লাবন্য বললো, " কি হলো বিয়ের কথা শুনে প্রেমের ভুত পালালো ? নাকি আমি ভার্জিন না বলে বিয়ে করতে চাচ্ছেন না ? "
আমি হাসতে হাসতে বললাম, " ভার্জিন ষোল টাকা হলেই পাওয়া যায়। ওটা কোন ফ্যাক্ট না। সন্দেহের অগ্নিপরীক্ষা রামায়ণ থেকেই শুরু। আজ যদি নারী জাতি অসতী হয় ; তবে পুরুষ জাতি চোর বটে। "
 -" তবে চুপ হয়ে গেলেন কেনো ? "
-" আমি মাছ খাই না। তবুও আমার মা সুন্দর করে মাছ রান্না করে হাতে লাঠি নিয়ে আমাকে ভাত খেতে বসান। এতো বড় হয়ে গেছি এখনো মেরে মাছ খাওয়ান। কিন্তু আপনাকে বিয়ে করলে আপনি আমাকে জোর করে মাছ খাওয়াবেন না। বলবেন-' ফ্রিজ থেকে একটা ডিম বের করে ভেজে খেয়ে নাও সোনা। ' আর এইজন্যই আমি আপনাকে বিয়ে করবো না। "

এমন সময় ওয়েটার এসে বিল দিয়ে গেলো। আলতো করে চোখ বুলিয়ে দেখি ১২৬৩ টাকা বিল এসেছে। দু'টো বার্গার আর ড্রিংক্সের দাম এতো ?

বিলটা লাবন্যর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললাম, " আমার বিল দেবার মুড নেই। আপনি দিয়ে দিন। আমি চললাম। "
-" মানে কি ? "
 -" কতোজন তো আপনাকে লুটেছে। আমি না হয় শুধু বিলটা দিতে বললাম। আর হ্যা আপনার তিন বিএফকে ভালবেসেছেন রূপ, সাপোর্ট আর পপুলারিটি দেখে। কারো মন দেখে মন দিয়ে ভালবাসুন ঠকবেন না। বিএফ তো অনেক হলো এবার একটা প্রেমিক খুঁজুন। "

আমি কথা না বাড়িয়ে উঠে হাটা শুরু করলাম।
লাবন্য বেশ জোরেশোরে সবাইকে শুনিয়ে বললো, " ডগস। "
আমি হাসতে হাসতে বললাম," একটা মেয়ে যেমন তার প্রেমিকের মাঝে বাবার ছায়া খুঁজে ; একটা ছেলেও তেমন প্রেমিকার মাঝে মায়ের মায়া খুঁজে। যেটা আপনার মাঝে নেই। ভাল থাকবেন। ঘেউঘেউ!!

Share:

Search This Blog

Labels

Recent Posts

Label