বাংলা মজার জোকস, বাংলা কৌতুক, হাসির কৌতুক, bangla jokes, bangali jokes, mojar jokes, bangla funny koutuk, hasir koutuk, bangla koutuk, bangla hasir koutuk, doctor jokes, Bd Jokes, খারাপ জোকস, ছোট ছোট হাসির জোকস,

খারাপ মেয়েদের নাম পড়তেছো কেন

খারাপ মেয়েদের নাম

 ছেলে পড়তেছে- ‘আভা, বিভা, প্রভা’।
মা : ছি বাবা, Ashob খারাপ মেয়েদের নাম বলতেছ কেন?
ছেলে : Sir এগুলো পড়তে দিছে মা।মা স্যারের কাছে গিয়ে বলছেন-মা : আপনি ছাত্রদের এমন খারাপ মেয়েদের নাম পড়তে বলেন কেন?
Sir : নাহ, আমি তো এমন কিছু পড়তে বলি নাই, আমি তো ওদের ‘আলো’র সমার্থক শব্দ পড়তে বলেছিলাম।

****Apni যে কৃপণ লোক একদিন ক্লাসে শিক্ষক তার Sonar আংটিটা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন।
শিক্ষক : Bol to, এই আংটিটাতে মরিচা ধরবে কি না?
ছাত্র : ধরবে না স্যার।
শিক্ষক : Good, Very Good। আচ্ছা বল তো, কেন ধরবে না?
ছাত্র : স্যার, আপনি যে কৃপণ লোক সেটা তো আমরা জানি। যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো, আপনি কখনই আপনার Sonar আংটি পানিতে রাখতেন না।

****পাগলদের কান্নাকাটিএকদিন এক মানসিক Hospital এ  সব পাগল কান্নাকাটি করছিল। কিন্তু এক পাগল চুপচাপ শুয়েছিল।
চিকিৎসক : তুমি শুয়ে আছো কেন?
পাগল : Are বেকুব, Ami তো মারা গেছি। এর জন্যই সবাই কান্নাকাটি করতাছে!

****প্লাস্টিক সার্জারির জন্য
১ম বন্ধু : অনেক টেনশনে আছি রে।
২য় বন্ধু : কেন রে, কি হইছে?
১ম বন্ধু : Ak লোকরে ৫ লাখ Taka দিছিলাম।
২য় বন্ধু : কস কি! Taka লইয়া ভাগছে নাকি?
১ম বন্ধু : আরে না... প্লাস্টিক সার্জারির জন্য Taka দিছিলাম, কিন্তু এখন তো চিনতেই পারতেছি না কারে Taka দিছিলাম!

Share:

আমার নিজের লেখা গল্প: আমার প্রথম ডেটিং

 আমার ডেটিং

একদিন ডেটিং

আমার প্রথম Bf আমাকে ধর্ষণ করেছিলো। সেদিন ওদের বাসায় কেউ ছিলো না। আমি পড়াতে গিয়ে দেখি বাসা ফাঁকা। তারপর সে আমাকে জোর করে ধর্ষণ করে। প্রথমে বাধা দিলেও পরে আর বাধা দেই নি। নিজেকে সান্ত্বনা দেই এই বলে -' ভালবাসার মানুষই তো। '" কথাগুলো এক নিঃশ্বাসে বলে এক চুমুকে অরেঞ্জ ড্রিংক্সের গ্লাসটার অর্ধেক খালি করে লাবন্য। তবে আমি হিসেব মিলাতে পারছি না Bf কে কেউ প্রাইভেট পড়ায় কি করে ? আমাকে বিচলিত থাকতে দেখে লাবন্য আবার নিজে থেকেই বললো, " ও আমার দুই ব্যাচ জুনিয়র ছিলো। আমি ছিলাম ইন্টারমিডিয়েটে। আর ও Class টেনে। ও অনেক কিউট ছিলো। সত্যি বলতে ওর উপর ক্রাশ খেয়ে ওকে সেধে টিউশন দিতে রাজী হই আমি। " Class টেনের ছেলে ধর্ষণ করে দিয়েছে। যদিও শুনলে বিশ্বাস হচ্ছে না। কিন্তু অস্বাভাবিক কিছু নয়। ব্যাপারটা হচ্ছে এখনকার ছেলে মেয়েরা একটু তাড়াতাড়ি পেকে গেছে। সবই আধুনিক হবার কল্যাণে।

আমি প্রশ্ন করলাম, " তারপর ? "
 -" বছরখানেক পর আমি ভার্সিটিতে ভর্তি হলে আমাদের ব্রেকাপ হয়ে যায়। আমি ভেঙে পরি। এমন সময় আমাকে সাপোর্ট দেয় রিহান। আমার Class মেট প্লাস ছোটবেলার বন্ধু। বেস্টফ্রেন্ডও বলতে পারেন। "
-" ব্রেকাপ কেনো হয়েছিলো ? "
 -" আবরাম মানে আমার প্রথম বিএফের আরো কয়েকটা রিলেশন ছিলো। "
-" আপনি হাতেনাতে ধরতে পেরেছিলেন ? "
-" নাহ! আমাকে রিহান বলেছিলো। "

এখন মেয়েটার উপর আমার মেজাজটা গরম হলো।মন চাচ্ছে দু'গালে কষিয়ে থাপ্পড় দেই। কিছু মেয়ে আছে যারা নিজের প্রেমিকের চেয়ে নিজের সো কল্ড ছেলে বেস্ট ফ্রেন্ডকে বিশ্বাস করে। ওই Best Friend যা বলে তাই বিশ্বাস করে। এক পর্যায়ে ওই বেস্ট ফ্রেন্ডের সাথেই নতুন রিলেশনে চলে যায়। এখানেও মে বি তাই হয়েছে। বার্গার চিবোতে চিবোতে বললাম, " এরপর কি হলো ? "

 -" হুট করে রিহান আমাকে বললো কক্সবাজার ঘুরতে যাবে। আমিও রাজী হয়ে গেলাম। হোটেলে আমরা দু'জন মিলে একটা রুমই নিয়েছিলাম। হোটেলের রুমে রিহান আমাকে প্রপোজ করে। আমি আর না করতে পারি নি।

 " আহারে! কি দরদী মেয়ে! না করতে পারে নি। অবশ্য না করতে পারে না বলেই আজ আমার সৌভাগ্য হয়েছে ডেট করার।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, " এরপর কি হলো ? "
-" আমরা প্রায় সপ্তাহখানেক কক্সবাজার ছিলাম। কিন্তু আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে সেও আবরামের মতো একই কাজ করলো। "
-" আপনি সরল ? আপনি ভার্সিটি পড়ুয়া একটা মেয়ে। একটা ছেলে বললো আর আপনি নাচতে নাচতে কক্সবাজার চলে গেলেন। প্রপোজ করলো রাজী হয়ে গেলেন। আর এখন বলছেন সরলতার সুযোগ নিয়েছে।

" আমার কথা শুনে লাবন্য রেগে গেলো। একরাশ ক্রোধ নিয়ে বললো, " আসলেই অল ম্যান আর ডগস।

 লাবন্যর কথায় সম্মতি জানাতেই আমি ঘেউঘেউ করে উঠলাম। রেস্টুরেন্টে বসা বাকী কপোত-কপোতীরা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
আমার হাতটা ধরে লাবন্য বললো, " কি করছেন এসব ? "
-" অল ম্যান আর ডগস। তাই ঘেউঘেউ করলাম। "
-" টোটালি ইডিয়ট আপনি। "
-" বাকীরাও তাই বলে। "
-" এখন আপনার কাহিনী বলুন। "

এবার কাহিনী বলতে গিয়ে কেঁদে ফেললো লাবন্য। কাঁদতে কাঁদতে বললো, " কক্সবাজার থেকে আসার পর পরই রিহান বদলে যায়। আমাকে এভয়েড করতে থাকে। আমাকে ইগ্নোর করে চলতে থাকে।এমন সময় আমার ফিজ আপ খানের সাথে পরিচয়। আমার ভার্সিটির বড় ভাই। ফেসবুকের নাম করা সেলিব্রেটি। "
-" তারপর ? "
-" সেলিব্রেটি ফিজ আপ খান একদিন নিজে থেকে আমার নাম্বার চায়। আমিও নাম্বার দিয়ে দেই। এতোবড় সেলিব্রেটি না করি কিভাবে ? তারপর থেকে আমাদের নিয়মিত কথা হতো। আর এভাবেই আমরা রিলেশনে জড়িয়ে পরি। "
-" এরপর ? "
-" এরপর আমরা দু'বছর লিভ টুগেদারে ছিলাম। তারপর আমাদের মেন্টালিটি মিলে না বলে আমরা আলাদা হয়ে যাই। বাট স্টিল নাও উই আর গুড ফ্রেন্ড। "

আবার ঘাপলা! ব্রেকাপের পর মানুষ আবার বন্ধু হয় কি করে ? বন্ধুত্ব থেকে ভালবাসা হয় ; কিন্তু ভালবাসা থেকে বন্ধুত্ব হয় কি করে এই জিনিসটা আমার মাথায় ঢুকছে না।

আমি টিস্যু দিয়ে ঠোঁট মুছে বললাম, " এখন কি আমায় ভালবাসবেন ? "
-" বাসা যায়। তবে শর্ত আছে। "
-" কি শর্ত ? "
-" এ বছরের লাস্টে আমরা বিয়ে করবো। "
-" রাজী। "
-" হানিমুনে ভারতে যাবো। "
-" রাজী। "
-" বিয়ের পর আপনার ফ্যামিলির সাথে আমি থাকতে পারবো না। তাই আমরা দু'জন আলাদা থাকবো। আমার জয়েন্ট ফ্যামিলি পছন্দ না। "

আমি এবার আর কোন উত্তর দিলাম না। একদম চুপ হয়ে গেলাম। তার সর্বশেষ শর্ত শুনে মাথা ঘুরছে। বলে কি মেয়ে আলাদা থাকতে হবে। পাগল নাকি ?

আমায় চুপ থাকতে দেখে লাবন্য বললো, " কি হলো বিয়ের কথা শুনে প্রেমের ভুত পালালো ? নাকি আমি ভার্জিন না বলে বিয়ে করতে চাচ্ছেন না ? "
আমি হাসতে হাসতে বললাম, " ভার্জিন ষোল টাকা হলেই পাওয়া যায়। ওটা কোন ফ্যাক্ট না। সন্দেহের অগ্নিপরীক্ষা রামায়ণ থেকেই শুরু। আজ যদি নারী জাতি অসতী হয় ; তবে পুরুষ জাতি চোর বটে। "
 -" তবে চুপ হয়ে গেলেন কেনো ? "
-" আমি মাছ খাই না। তবুও আমার মা সুন্দর করে মাছ রান্না করে হাতে লাঠি নিয়ে আমাকে ভাত খেতে বসান। এতো বড় হয়ে গেছি এখনো মেরে মাছ খাওয়ান। কিন্তু আপনাকে বিয়ে করলে আপনি আমাকে জোর করে মাছ খাওয়াবেন না। বলবেন-' ফ্রিজ থেকে একটা ডিম বের করে ভেজে খেয়ে নাও সোনা। ' আর এইজন্যই আমি আপনাকে বিয়ে করবো না। "

এমন সময় ওয়েটার এসে বিল দিয়ে গেলো। আলতো করে চোখ বুলিয়ে দেখি ১২৬৩ টাকা বিল এসেছে। দু'টো বার্গার আর ড্রিংক্সের দাম এতো ?

বিলটা লাবন্যর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললাম, " আমার বিল দেবার মুড নেই। আপনি দিয়ে দিন। আমি চললাম। "
-" মানে কি ? "
 -" কতোজন তো আপনাকে লুটেছে। আমি না হয় শুধু বিলটা দিতে বললাম। আর হ্যা আপনার তিন বিএফকে ভালবেসেছেন রূপ, সাপোর্ট আর পপুলারিটি দেখে। কারো মন দেখে মন দিয়ে ভালবাসুন ঠকবেন না। বিএফ তো অনেক হলো এবার একটা প্রেমিক খুঁজুন। "

আমি কথা না বাড়িয়ে উঠে হাটা শুরু করলাম।
লাবন্য বেশ জোরেশোরে সবাইকে শুনিয়ে বললো, " ডগস। "
আমি হাসতে হাসতে বললাম," একটা মেয়ে যেমন তার প্রেমিকের মাঝে বাবার ছায়া খুঁজে ; একটা ছেলেও তেমন প্রেমিকার মাঝে মায়ের মায়া খুঁজে। যেটা আপনার মাঝে নেই। ভাল থাকবেন। ঘেউঘেউ!!

Share:

Search This Blog

Blog Archive

Labels

Recent Posts

Label