নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

2019 সালের সেরা মজার মজার জোকস

 ২০১৯ সালের সেরা মজার মজার জোকস

প্রেগন্যান্ট এর মানে...
টিংকু : মা মা, প্রেগন্যান্ট কি??

মা (খুব রেগে গিয়ে) : যা এখান
থেকে ফাজিল...

টিংকু ভাবল প্রেগন্যান্ট অর্থ রাগ
করা। এরপর দিন টিংকু স্কুল থেকে বাসায় আসার সময় তার ক্লাসের
একটি মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল।

মেয়েটির মা (খুব রেগে গিয়ে) :
ফাজিল, বাঁদরামি কর? দেব এক চড়!

টিংকু (খুব অবাক হয়ে) : আরে,
\
/
\
/
\
/
যা কিছু ঘটেছে আপনার মেয়ের সাথে ঘটেছে, প্রেগন্যান্ট হবে আপনার মেয়ে! আপনি কেন
প্রেগন্যান্ট হলেন??

অবজার্বেশন পাওয়ার এর টেস্ট


মেডিকেল কলেজে একজন শিক্ষক ক্লাস নিচ্ছেন। তিনি তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেন, “শোন তোমরা, কোন রুগীকে প্রেসকিপশন দেওয়ার আগে ভালো করে অবজার্ব করতে হবে। এখন আমি তোমাদের একটি অবজার্বেশন পাওয়ার এর টেস্ট নিব, দেখি তোমাদের অবজার্বেশন পাওয়ার কেমন?”
এই বলে তিনি একটি টেস্টটিউব বের করলেন। বললেন, এটি একটি ইউরিনের স্যম্পল। এটিকে ভালোভাবে অবজার্ব করতে হলে এর স্বাদ, গন্ধ সব টেস্ট করে দেখতে হবে। তো তিনি তার একটি আঙ্গুল টেস্টটিউব এ ডুবিয়ে তা মুখে দিয়ে দেখালেন। বললেন, ইউরিন টেস্ট করতে হয় এইভাবে। তারপর তিনি তার ছাত্রদের বললেন একে একে টেস্ট করতে।
ছাত্ররা একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে লাগল। তারপর একজন সাহস করে, টেস্টটিউব হাতে নিয়ে টেস্ট করে দেখল। তার দেখাদেখি বাকি সবাই এক এক করে টেস্ট করলো। সবাই কোন না কোন মন্তব্য করলো। কেউ বলল, ঝাঁঝালো, কেউ বলল টক।
শেষ ছাত্র টেস্ট করার পর শিক্ষক বললেন, “তোমাদের অবজার্বেশন পাওয়ার খুবই খারাপ, তোমরা কেউই খেয়াল করলে না যে আমি ২য় আঙ্গুল টেস্টটিউব এ দিয়েছি আর মুখে দিয়েছি ৩য় আঙ্গুল”।

আহত হয়নি নিহত হয়েছে


দুই বন্ধু বসে গল্প করছে
১ম বন্ধু: জানিস, আমার এক আত্মীয় পাঁচতলা থেকে নিচে পড়েও আহত হয়নি।
২য় বন্ধু : বলিস কি পাঁচতলা থেকে পড়েও আহত হয়নি?
১ম বন্ধু : আরে! সে তো, নিহত হয়েছে।

একশ গুন স্মার্ট


একদিন দুই বন্ধু সাগরে গেলো জেলেদের সাথে মাছ ধরতে। সেই জালে আটকা পড়লো এক জলকুমারী। জলকুমারী তাদেরকে বললো, তোমরা আমাকে মুক্ত করে দাও। তোমাদের একটা ইচ্ছা আমি পূর্ণ করবো।
তারা জলকুমারীকে মুক্ত করে দিলে জলকুমারী তাদের মনোবাসনা জানতে চাইলো।
প্রথম জন বললো, আমি মহাস্মার্ট হতে চাই।
জলকুমারী বললো, তুমি তো স্মার্ট আছোই।
প্রথম জন বললো, আমি আরো দশগুন স্মার্ট হতে চাই।
জলকুমারী তাকে দশগুন স্মার্ট বানিয়ে দিলো।
দ্বিতীয় জন বন্ধুর এই অবস্থা দর্শনে উত্তেজিত হয়ে পড়ল। সে জলকুমারীকে বললো, আমি আমার বন্ধুর চেয়ে একশগুন স্মার্ট হতে চাই।
জলকুমারী বললো, এটা কিন্তু বিপদজনক। তুমি আবার ভেবে দেখো।
দ্বিতীয় জন বললো, ভাবাভাবির কিছু নাই, তুমি আমাকে একশ গুন স্মার্ট করে দাও।
জলকুমারী, তথাস্তু বলতেই দ্বিতীয়জন একটা মেয়েতে রূপান্তরিত হয়ে গেলো।
আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে


একবার এক ট্র্যাফিক পুলিশ দেখে কী একটা অদ্ভুত জন্তুর পিঠে এক সর্দারজী বইসা মনের সুখে হেইলা দুইলা আইতেছে । পুলিশের কাছে আইসা সর্দারজী কয়, ‘ওস্তাদ, এই জানোয়ারের জাত কী মামা?’
‘এইটারে কয় জলহস্তী, তুমি এইটার পিঠে চড়লা ক্যামনে?’
‘জলহস্তী? আমি ভাবছি এইটা বোধহয় স্থল-মহিষ । বাচপান কালে কতো চড়াইসি বাপের বাথানে! আমি হের নাম দিসি কাল্লু !’
‘তুমি শিগগির এইটারে চিড়িয়াখানায় রাইখা আসো । নাইলে খবর আছে!’
‘ঠিক হ্যায়, ওস্তাদ । অ্যাই কাল্লু! হ্যাট ! হ্যাট হ্যাট! চল্, চিড়িয়াখানায় যাই!’
পরের দিন সেই পুলিশ দেখে ঠিক সেই সর্দারজী, ঠিক সেই কাল্লু থুক্কু জলহস্তীর পিঠে মহা আয়েশ কইরা আসতেছে ।
‘সর্দারের পো! তোমারে না গতকাল কইছি জানোয়ারটারে নিয়া চিড়িয়াখানায় যাইতে?’
‘গেছিলাম তো ! কাল্লুর খুব পছন্দ হইছিল । আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে ! অ্যাই কাল্লু! হ্যাট! হ্যাট! হ্যাট!’


রাইতে শিডিউল


একবার দুই সর্দারজী মহাকাশ ভ্রমন নিয়া কথা বলছে-
১ম জন: আম্রিকানরা চান্দে গেছে।
২য় জন: তো কী হইসে? আমরা সুর্যে যামু ।
১ম জন: সম্ভব না । সুর্যের ১৩ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে আইলে রকেট গইলা রায়তা হইয়া যাইবো ।
২য় জন (মাথা চুলকায়া): ঠিক আছে । রাইতে শিডিউল ফেললে রকেটের কিছু হইবো না ।


বানর দেখতে পাশের খাঁচায়


১ম বন্ধুঃ আমার সিংহের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনাটা কি তোকে বলেছি?
২য় বন্ধুঃ না! কী হয়েছিল রে?
১ম বন্ধুঃ কী আর বলবো, সঙ্গে বন্দুকও নেই, সিংহটাও সামনে গর্জাচ্ছে আর এগিয়ে আসছে ক্রমশ…
২য় বন্ধুঃ হায় আল্লাহ! তখন কী করলি তুমি?
১ম বন্ধুঃ কেন, বানর দেখতে পাশের খাঁচায় চলে গেলাম।

পরের নয়জনের জন্য আগাম দিলাম


এক পাড়ার মাস্তান পুলিশের গুলিতে মারা গেছে, তাকে দাফন করার জন্য আর নয়জন সঙ্গীরা বাড়ি বাড়ি দশ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। তারপর এক বাড়িতে যাওয়া মাত্র বাড়িওয়ালা একশত টাকার নোট বের করে দিলেন। না, দাদা, দশ টাকা দিলেই হবে। না, না, একশত টাকাই রাখো পরের নয়জনের জন্য আগাম দিলাম।

অতিথি আপ্যায়ন কৌশল


অনেক দিন পর বাড়িতে একজন মেহমান এসেছেন। মেহমান দেখে বাড়ির মালিক হাসিমুখে  বললেন, তা কেমন আছেন, হঠাৎ অনেক দিন পর এলেন, আজ তো আর থাকবেন না, আবার কবে আসবেন?
মেহমান(হেসে) : অনেক দিন পর এলাম, যেতে তো আর দিবেন না, লুঙিটা দিন গোসলটা সেরেই আসি।


Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label