বাংলা মজার জোকস, বাংলা কৌতুক, হাসির কৌতুক, bangla jokes, bangali jokes, mojar jokes, bangla funny koutuk, hasir koutuk, bangla koutuk, bangla hasir koutuk, doctor jokes, Bd Jokes, খারাপ জোকস, ছোট ছোট হাসির জোকস,

বর্তমানের সত্য প্রেমের গল্প |||না পড়লে কিন্তু মিস করবেন||| Current story of true love ||| Do not miss but |||

 বর্তমানের  সত্য প্রেমের গল্প |||না পড়লে কিন্তু মিস করবেন|||  Current story of true love ||| Do not miss but |||

প্রীতি এবং অসীম ।

এটি এদের জীবনের ঘটনা । প্রীতি তখন যশোর সরকারী মহিলা কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্রী । নীলিমা তার খুব ঘনিষ্ট বান্ধবি । তারা একই সাথে হোস্টেলে থাকত ।

যেখানেই যাক না কেন দুজনকে একই সাথে পাওয়া যেত ।


একদিনের ঘটনা । সেদিন তারা যশোর শহরের মধ্যে দিয়ে কোথায় যেন যাচ্ছিল । হঠাত্‍ পেছন থেকে

কে যেন ডাক দিল ‘এই নীলিমা ।’দুজনেই পেছন ফিরে তাকাল । দেখল এক সুদর্শন যুবক । আরে এতো

নীলিমার দূর সম্পর্কের মাসতুতো দাদা অসীম । যাহোক ঐদিনই অসীমের সাথে পরিচয় হয় প্রীতির।

বেশ কিছুদিন কেটে গেল । প্রীতি কেন যেন মনের কোন একখানে অসীমের প্রতি টান অনুভব করল ।

ওদিকে অসীমেরও একই অবস্থা । অসীম প্রায়ই প্রীতিদের হোষ্টেলে আসতে লাগল প্রীতিকে দেখার

জন্য । কিন্তু মনের কথাটি আরবলা হয় না তাকে । এদিকে প্রীতি এই টান আর সহ্য করতে পারল

না । সেই প্রথম বলল ভালবাসারকথাটি । শুরু হল দুটি জীবনেরএকটি নতুন অধ্যায় ।

ওদিকে নীলিমা সবই জানতে পারল । সে তাদের সবরকম সহযোগিতা করতে লাগল । এভাবেই চলছিল এক

অবুঝ প্রেম । তারা একসাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াত । অনেক আনন্দ আর সুখ ছিল সেইদিন

গুলোতে ।

একসময় ওরা সিদ্ধান্ত নিল ওরা বিয়ে করবে । গোপনে করেও ফেলল । দুই ফ্যামিলির কেউ জানল না

। যাহোক এসব খবর বেশি দিন চাপা থাকে না । জেনে গেল দুইফ্যামিলি ।

অসীমরা ছিল

ব্রাক্ষ্মন আর প্রীতি নিচু কুষ্টের মেয়ে । অসীমের বাবা মা এই বিয়ে মেনে নিল না ।


প্রীতির বাড়ি থেকেও প্রায় একই সমস্যা হল । তবুও তারা বিচ্ছিন্ন হল না । তারা যশোরে একটি

বাসা ভাড়া নিল । অসীম তার জমানো টাকা দিয়ে ছোট খাট একটা ব্যবসা ?

??ুরু করল । বেশ সুখে শান্তীতেই চলছিল তাদের দুজনের সংসার ।

কিন্তু হায় ! নিয়তির কি নির্মম পরিহাস । হঠাত্‍ করেই অসীম অসুস্থ হয়ে পড়ল । এরপর

হসপিটাল, মেডিকেল চেকাপ, রিপোর্ট । রিপোর্টে জানা গেল অসীম ক্যান্সার আক্রান্ত । মাথায়

আকাশ ভেঙে পড়ল প্রীতি । একমুহূর্তেই যেন সমস্ত জ্ঞান হারিয়ে ফেলল সে । নিজেকে কোন মতে

সামলে নিল । ডাঃ জানাল ৫০লাখটাকা লাগবে । তাহলেই অসীমকে পূর্ণ সুস্থ করা যাবে ।


প্রীতি সাথে সাথে অসীমের বাবা মার কাছে গেল অসীমকে নিয়ে । অসীমের বাবা জানালেন তিনি কোন

টাকা দিতে পারবে না ।

যদিও তিনি ছিলেন প্রচুর সম্পদের মালিক ।

প্রীতি আর দাড়াল না । অসীম কে নিয়ে চলে এল বাবার বাড়ি ।বাবার ছোট একটা ব্যবসা ছিল ।

তার যা পুঁজি ছিল সবটুকুই দিয়ে দিল অসীমের চিকিত্‍সারজন্য । টাকা ফুরিয়ে গেল কিছুদিনের

মধ্যে । এদিকে অসীমেরও দিন ফুরিয়ে আসছে ।

একদিন সকাল প্রতি ঘুম থেকে উঠে অসীম কে ডাকল । কিন্তু ঐদিন অসীম আর ঘুম থেকে উঠল না।


প্রীতি নির্বাক পাথর হয়ে গেল । তার মুখে কোন কথা নেই ,চোখে নেই অশ্রু । শুধু থেকে থেকে

একটি কথাই বলছিল “আজ তুমি কোথায় গেলে আমাকে ছেড়ে , আমাকে কেন বলে গেলে না যে তুমি চলে

যাচ্ছ ?” অসীম কে চিতার আগুনে দগ্ধ করা হল । তখনো প্রীতির চোখে অশ্রুর ফোটা গড়িয়ে পড়ে নি ।

সে আজ বড় একা । ৫ বছর পার হয়েছে । তবু এখনো ভোলেনি অসীমের কথা । বিধবার সাজে চাপা কষ্ট

নিয়ে আজো ঘুরে বেড়ায় । তবে সে এখন মাঝে মাঝে কাঁদে । সেআজো অসীমের বড় বাঁধানো ছবি

বুকের উপর নিয়ে ঘুমায় ।

যখন সে তার জীবনের এই কাহীনিটা বলছিল তার চোখে জলের ধারা দেখেছি আমি । জানিনা তুমি কোথায় আছ , কেমন আছ ।

আজ তোমাকে বড় বেশি মিস করি । যেখানেই থাকো , ভাল থাকো ।
Share:

অন্যরকম একটি পরকীয়া প্রেমের গল্প।Other stories of an alien love story


অন্যরকম একটি পরকীয়া প্রেমের গল্প।

".....হ্যালো জান, কি কর?"

....এইতো কিছু না।

....তোমাকে ভীষন miss করছি। কাল ভোরেই পৌছে যাবো। তোমাকে দেখার জন্য আমিতো একেবারে পাগল হয়ে আছি.....

তৃপ্তি এমন  ভাবে কথাগুলো শুনতে থাকে। মাঝেমধ্যে একটু হুঁ-হাঁ করে। অভিনয় আজকাল সে ভালোই পারে। মনে মনে একটু হাসি পায় তার, তাতে দু্ঃখ মেশানো। ফোন কেটে দিয়ে একদৃষ্টিতে আয়নায় নিজের দিকে দেখতে থাকে। ভেজা চুল থেকে টপটপ করে জল ঝরছে। নিজের চেহারাটা নিজের কাছেই বড্ড অচেনা মনে হয়। "তৃপ্তি! তুই তো এমন ছিলি না! কেন করছিস তুই এসব? Bondho কর----আয়নার ভেতরের প্রতিবিম্বটা যেন ধিক্কার দিতে থাকে তাকে।

..........................................



স্বপন তৃপ্তির হাতদুটো ধরে নিজের হাতে নিয়ে একনাগাড়ে বকবক করে চলেছে। সিঙ্গাপুরে গিয়ে এত মানুষের মধ্যে থেকেও সে তৃপ্তিকে কতটা মিস করেছে, কি কি গিফট কিনেছে এসব। তৃপ্তির এসবে মন নেই। সে শুধু একবার নিজের হাতদুটোর দিকে তাকায়। কেমন নির্জীব হয়ে পড়ে আছে! তার দৃষ্টি যায় স্বপনের চেহারার দিকে। কেমন যেন এক ঘৃণায় গা গুলিয়ে উঠে। হাত ছাড়িয়ে নিতে চায় তবু তার হাত যেন মনের সাথে সাড়া দেয় না। স্বপন হঠাৎই তৃপ্তিকে বুকে টেনে নেয়। বুকভরে একবার নিঃশ্বাস নেবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তৃপ্তি, বাতাসটাও যেন বিষাক্ত হয়ে আছে। স্বপন দীর্ঘ চুমু খায় কিন্তু সেখানেও তৃপ্তি অনুপস্থিত। প্রিয়তমাকে কাছে পাবার উত্তেজনায় স্বপনের চোখ এড়িয়ে যায় এই অনীহাগুলো। তাছাড়া সে জানে, তৃপ্তি বরাবর এমনই-শান্ত, চুপচাপ। কিছুটা ধাতস্থ স্বপন তৃপ্তিকে আলিঙ্গন থেকে মুক্তি দেয়। মেয়েটার চোখে একটা বিষন্নতা, যা কখনই মোছে না। তবু ঐ চাহনীতে কী যেন আছে, স্বপন অনেক দেখেও চোখ ফেরাতে পারে না।

----------------------------------------------



বিকালবেলা অফিস থেকে ফিরেই অনুপ হাত পা ছড়িয়ে বিছানায় এলিয়ে পড়ে।

"....উফ! কাজের এত চাপ অফিসে! সরি তৃপ্তি, আজ তোমাকে একবারও কল দিতে পারিনি। তুমি নিশ্চয়ই ঘরে বসে বসে বোর হয়ে গেছ।"

তৃপ্তি কিছু বলছেনা দেখে অনুপ আবার বললো,

"...ঠিক আছে। এই উইকএন্ড-এ আমরা মুভি দেখতে যাবো একসাথে, কেমন?"

একটুখানি মাথা দুলিয়ে তৃপ্তি সায় দেয়। আসার পর থেকে সে অনুপের মুখের দিকে তাকিয়েই আছে। চোখ সরায় না এক মুহুর্তের জন্যেও। অনুপ না তাকিয়েও বুঝতা পারে তৃপ্তি তাকে দেখছে। অনুপ কিছুটে অস্বস্তি বোধ করে। কিন্তু এই দৃষ্টির মানে সে বুঝতে পারে না।

"কি এত দেখে মেয়েটা?"

অনুপ প্রায়ই লক্ষ্য করে বিষয়টা। তৃপ্তি কেমন করে যেন তাকিয়ে থাকে, যেন অনুপ একটা অচেনা মানুষ! তবে একটা সময় ছিল, যখন তৃপ্তির চোখের সামান্য পলকটুকুর অর্থও অনুপ ধরতে পারতো। তিন বছরের সংসার ওদের। এমন লক্ষী বউ সবার কপালে জোটে না। অনুপ পেয়েছে। চোখ বন্ধ করে একমুহুর্তের জন্য সে তৃপ্তির হাসিমুখ মনে করার চেষ্টা করে।

কই, মনে পড়ছে না তো! আশ্চর্য্য! হঠাৎই আবিষ্কার হয় গত ছয়মাসে তৃপ্তিকে সে একবারও প্রাণখুলে হাসতে দেখেনি। অবাক ব্যাপার তো! তবুও অনুপ চেষ্টা করে। হঠাৎই একটা হাসিমুখ তার চোখের সামনে ভেসে উঠে।

----------------------------------------------



"লীনা!!

অনুপের ছোটবেলার ভালোবাসা। লীনাকে কখনোই বলা হয়নি মনের কথা। কোনদিন সাহস করে বলা হয়নি "ভালোবাসি"। স্কুল ছাড়িয়ে কলেজ জীবনে পা দেয়ার সময়েই লীনা হারিয়ে যায় তার জীবন থেকে। কয়েকটা বছর কী যে হাহাকার করে কেটেছে তার! তারপর জীবনে আসে তৃপ্তি। তৃপ্তিকে ভালো সে কখনোই বাসেনি সে লীনার মতন করে, কিন্তু মেয়েটাকে কেন যেন জীবনের সাথে জড়িয়ে নেয় সে। ওকে ভালোবাসতে শেখায়। তার কাছ থেকেই তৃপ্তি শেখে- ভালোবাসা কি?



তৃপ্তিকে নিয়ে ভালোই কাটছিল জীবন। নাইবা হল ভালোবাসা, তৃপ্তি তো তাকে ভালোবেসেছে খাঁটি। তৃপ্তির সেই নিষ্পাপ ভালোবাসার সামনে ওকে কখনোই বলা হয়নি "ভালোবাসিনা"। অবুঝ মেয়েটা যে কিছুতেই তা মেনে নিতে পারতো না। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া লীনা যে আবার হঠাৎই তার জীবনে ফিরে আসবে তা কি অনুপ জানতো?!!!

তারপর যখন লীনা একদিন তাকেজড়িয়ে ধরে কান্নায় বলে সেও অনুপকে সেই স্কুল থেকে ভালোবাসে, তারপর কি আর স্থির থাকা যায়?



অনুপের সমস্ত দুনিয়া ওলট পালট হয়ে যায়। না, লীনাকে সে হারাতে পারবে না। কিছুতেই না। লীনাও মেনে নেয় এই পরকীয়া সম্পর্ক। অবশ্য অনুপের মতে এটা পরকীয়া নয়। লীনা তার প্রথম ভালোবাসা, তৃপ্তি দ্বিতীয়।



অনুপ চোখ মেলে ছাতের দিকে তাকিয়ে থাকে। ফ্যানটা সর্বশক্তি দিয়ে ঘুরছে। সেই সাথে অনুপের ভাবলাগুলোও কেমন যেন ঘুরতে থাকে। লীনা আর তৃপ্তি- এই দুজনের একজনও কম গুরুত্বপুর্ণ না তার জীবনে। লীনাকে সে ছাড়তে পারবে না, আবার তৃপ্তিকেও সে হারাতে পারবে না। আচমকা সবকিছু বড় নীরব মনে হয়।



তৃপ্তিকে কিছু একটা বলবে বলে ঘাড় ফেরাতেই দেখে তৃপ্তি ঠান্ডা জলের গ্লাস হাতে বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে। চোখে সেই কেমন করা দৃষ্টি!

.................................................................





রাত দুটো বেজে ছাব্বিশ। অনুপ ঘুমুচ্ছে। সেদিকে একবার তাকিয়েই চোখ ফিরিয়ে নেয় তৃপ্তি, অন্ধকার আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার নীরব চোখের জলে ভিজে গেছে শাড়ির অনেকটা অংশ। অনুপের বিশ্বাসঘাতকতার কথা সে জেনেছে ছয়মাস আগে। সেই ভয়াবহ দিনটার কথা যতই সে ভুলতে চেষ্টা করে ততই আরও যেন বেশি করে মনে পড়ে যায়। কিভাবে ভুলবে তৃপ্তি? ১৭ বার অজ্ঞান হয়েছিল সে। বারবার চেতন-অচেতনে একটাই প্রশ্ন ছিল,

"কেন অনুপ কেন?

---- কেন এমন করলে তুমি? আমার সমস্ত বিশ্বাসকে এভাবে টুকরো টুকরো করার আগে একবারও কি মনে হয়নি আমার কথা? কীভাবে পারলে তুমি?...



নীরব চিৎকার যেন ঝড় হয়ে এখনো বয়ে চলেছে মনে। সে জানে, আজ সারা দিন অনুপ কোথায় ছিল। লীনার সাথে। নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে হারানোর তীব্র কষ্টে তৃপ্তির দম বন্ধ হয়ে আসে। নিজের শুন্যতা নিজের মধ্যেই চেপে রেখে দিয়েছে, এমনকি আজ পর্যন্ত অনুপকেও জানতে

দেয়নি। একবার মনে হয়েছিল চলে যাবে অনুপের জীবন থেকে। কিন্তু কোথায় যাবে? অনুপের ভালোবাসা হয়তো মরে গেছে, কিন্তু তৃপ্তি? তৃপ্তিতো আজও অনুপকেই ভালোবাসে। একটা মানুষকে একই সাথে কীভাবে এত ভালোবাসা যায়, আবার একইভাবে ঘৃণাও করা যায়-ভেবে হাসি পায় তৃপ্তির। প্রতিশোধ! প্রতিশোধের নেশায় সেও জড়িয়ে পড়েছে পরকীয়ায়।



"কিন্তু আমিতো শান্তি পাই না অনুপ। এক দিন, এক মুহুর্তের জন্যেও আমি স্বপনকে ভালোবাসতে পারিনি। মন জুড়ে শুধু তুমি আর তুমি। তবে তুমি কিভাবে পারলে? ভুলে গেলে আমাকে? কি অকপটে তুমি মিথ্যার পর মিথ্যা বলে যাও! চোখের দুফোঁটা জল রেলিংয়ের উপর পড়ে ছোট ছোট বিন্দুর মত ছিটকে যায় এদিক ওদিক। হাতের ওষুধের শিশিটার দিকে একবার তাকায় সে। শান্তি চাই, একটু শান্তি! কেউ দেবে আমায়??? কোথায় গেলে আমি একটু শান্তি পাবো- নীরব আকাশের বুকে যেন এই প্রশ্নটা জ্বলজ্বল করে জ্বলতে থাকে.......
Share:

2019 সালের সেরা মজার মজার জোকস

 ২০১৯ সালের সেরা মজার মজার জোকস

প্রেগন্যান্ট এর মানে...
টিংকু : মা মা, প্রেগন্যান্ট কি??

মা (খুব রেগে গিয়ে) : যা এখান
থেকে ফাজিল...

টিংকু ভাবল প্রেগন্যান্ট অর্থ রাগ
করা। এরপর দিন টিংকু স্কুল থেকে বাসায় আসার সময় তার ক্লাসের
একটি মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল।

মেয়েটির মা (খুব রেগে গিয়ে) :
ফাজিল, বাঁদরামি কর? দেব এক চড়!

টিংকু (খুব অবাক হয়ে) : আরে,
\
/
\
/
\
/
যা কিছু ঘটেছে আপনার মেয়ের সাথে ঘটেছে, প্রেগন্যান্ট হবে আপনার মেয়ে! আপনি কেন
প্রেগন্যান্ট হলেন??

অবজার্বেশন পাওয়ার এর টেস্ট


মেডিকেল কলেজে একজন শিক্ষক ক্লাস নিচ্ছেন। তিনি তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেন, “শোন তোমরা, কোন রুগীকে প্রেসকিপশন দেওয়ার আগে ভালো করে অবজার্ব করতে হবে। এখন আমি তোমাদের একটি অবজার্বেশন পাওয়ার এর টেস্ট নিব, দেখি তোমাদের অবজার্বেশন পাওয়ার কেমন?”
এই বলে তিনি একটি টেস্টটিউব বের করলেন। বললেন, এটি একটি ইউরিনের স্যম্পল। এটিকে ভালোভাবে অবজার্ব করতে হলে এর স্বাদ, গন্ধ সব টেস্ট করে দেখতে হবে। তো তিনি তার একটি আঙ্গুল টেস্টটিউব এ ডুবিয়ে তা মুখে দিয়ে দেখালেন। বললেন, ইউরিন টেস্ট করতে হয় এইভাবে। তারপর তিনি তার ছাত্রদের বললেন একে একে টেস্ট করতে।
ছাত্ররা একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে লাগল। তারপর একজন সাহস করে, টেস্টটিউব হাতে নিয়ে টেস্ট করে দেখল। তার দেখাদেখি বাকি সবাই এক এক করে টেস্ট করলো। সবাই কোন না কোন মন্তব্য করলো। কেউ বলল, ঝাঁঝালো, কেউ বলল টক।
শেষ ছাত্র টেস্ট করার পর শিক্ষক বললেন, “তোমাদের অবজার্বেশন পাওয়ার খুবই খারাপ, তোমরা কেউই খেয়াল করলে না যে আমি ২য় আঙ্গুল টেস্টটিউব এ দিয়েছি আর মুখে দিয়েছি ৩য় আঙ্গুল”।

আহত হয়নি নিহত হয়েছে


দুই বন্ধু বসে গল্প করছে
১ম বন্ধু: জানিস, আমার এক আত্মীয় পাঁচতলা থেকে নিচে পড়েও আহত হয়নি।
২য় বন্ধু : বলিস কি পাঁচতলা থেকে পড়েও আহত হয়নি?
১ম বন্ধু : আরে! সে তো, নিহত হয়েছে।

একশ গুন স্মার্ট


একদিন দুই বন্ধু সাগরে গেলো জেলেদের সাথে মাছ ধরতে। সেই জালে আটকা পড়লো এক জলকুমারী। জলকুমারী তাদেরকে বললো, তোমরা আমাকে মুক্ত করে দাও। তোমাদের একটা ইচ্ছা আমি পূর্ণ করবো।
তারা জলকুমারীকে মুক্ত করে দিলে জলকুমারী তাদের মনোবাসনা জানতে চাইলো।
প্রথম জন বললো, আমি মহাস্মার্ট হতে চাই।
জলকুমারী বললো, তুমি তো স্মার্ট আছোই।
প্রথম জন বললো, আমি আরো দশগুন স্মার্ট হতে চাই।
জলকুমারী তাকে দশগুন স্মার্ট বানিয়ে দিলো।
দ্বিতীয় জন বন্ধুর এই অবস্থা দর্শনে উত্তেজিত হয়ে পড়ল। সে জলকুমারীকে বললো, আমি আমার বন্ধুর চেয়ে একশগুন স্মার্ট হতে চাই।
জলকুমারী বললো, এটা কিন্তু বিপদজনক। তুমি আবার ভেবে দেখো।
দ্বিতীয় জন বললো, ভাবাভাবির কিছু নাই, তুমি আমাকে একশ গুন স্মার্ট করে দাও।
জলকুমারী, তথাস্তু বলতেই দ্বিতীয়জন একটা মেয়েতে রূপান্তরিত হয়ে গেলো।
আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে


একবার এক ট্র্যাফিক পুলিশ দেখে কী একটা অদ্ভুত জন্তুর পিঠে এক সর্দারজী বইসা মনের সুখে হেইলা দুইলা আইতেছে । পুলিশের কাছে আইসা সর্দারজী কয়, ‘ওস্তাদ, এই জানোয়ারের জাত কী মামা?’
‘এইটারে কয় জলহস্তী, তুমি এইটার পিঠে চড়লা ক্যামনে?’
‘জলহস্তী? আমি ভাবছি এইটা বোধহয় স্থল-মহিষ । বাচপান কালে কতো চড়াইসি বাপের বাথানে! আমি হের নাম দিসি কাল্লু !’
‘তুমি শিগগির এইটারে চিড়িয়াখানায় রাইখা আসো । নাইলে খবর আছে!’
‘ঠিক হ্যায়, ওস্তাদ । অ্যাই কাল্লু! হ্যাট ! হ্যাট হ্যাট! চল্, চিড়িয়াখানায় যাই!’
পরের দিন সেই পুলিশ দেখে ঠিক সেই সর্দারজী, ঠিক সেই কাল্লু থুক্কু জলহস্তীর পিঠে মহা আয়েশ কইরা আসতেছে ।
‘সর্দারের পো! তোমারে না গতকাল কইছি জানোয়ারটারে নিয়া চিড়িয়াখানায় যাইতে?’
‘গেছিলাম তো ! কাল্লুর খুব পছন্দ হইছিল । আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে ! অ্যাই কাল্লু! হ্যাট! হ্যাট! হ্যাট!’


রাইতে শিডিউল


একবার দুই সর্দারজী মহাকাশ ভ্রমন নিয়া কথা বলছে-
১ম জন: আম্রিকানরা চান্দে গেছে।
২য় জন: তো কী হইসে? আমরা সুর্যে যামু ।
১ম জন: সম্ভব না । সুর্যের ১৩ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে আইলে রকেট গইলা রায়তা হইয়া যাইবো ।
২য় জন (মাথা চুলকায়া): ঠিক আছে । রাইতে শিডিউল ফেললে রকেটের কিছু হইবো না ।


বানর দেখতে পাশের খাঁচায়


১ম বন্ধুঃ আমার সিংহের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনাটা কি তোকে বলেছি?
২য় বন্ধুঃ না! কী হয়েছিল রে?
১ম বন্ধুঃ কী আর বলবো, সঙ্গে বন্দুকও নেই, সিংহটাও সামনে গর্জাচ্ছে আর এগিয়ে আসছে ক্রমশ…
২য় বন্ধুঃ হায় আল্লাহ! তখন কী করলি তুমি?
১ম বন্ধুঃ কেন, বানর দেখতে পাশের খাঁচায় চলে গেলাম।

পরের নয়জনের জন্য আগাম দিলাম


এক পাড়ার মাস্তান পুলিশের গুলিতে মারা গেছে, তাকে দাফন করার জন্য আর নয়জন সঙ্গীরা বাড়ি বাড়ি দশ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। তারপর এক বাড়িতে যাওয়া মাত্র বাড়িওয়ালা একশত টাকার নোট বের করে দিলেন। না, দাদা, দশ টাকা দিলেই হবে। না, না, একশত টাকাই রাখো পরের নয়জনের জন্য আগাম দিলাম।

অতিথি আপ্যায়ন কৌশল


অনেক দিন পর বাড়িতে একজন মেহমান এসেছেন। মেহমান দেখে বাড়ির মালিক হাসিমুখে  বললেন, তা কেমন আছেন, হঠাৎ অনেক দিন পর এলেন, আজ তো আর থাকবেন না, আবার কবে আসবেন?
মেহমান(হেসে) : অনেক দিন পর এলাম, যেতে তো আর দিবেন না, লুঙিটা দিন গোসলটা সেরেই আসি।


Share:

পরকীয়া Pirates

 পরকীয়া Pirates

পরকীয়া Pirates
পরকীয়া, রায় সম্পর্কে দু-চারটে কথা।

পরকীয়া সংক্রান্ত ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের
সাম্প্রতিক রায়টি সম্পর্কে একটু সঠিক ধারণা নিন।
একটা রায় বোঝার জ্ঞান আমাদের নেই! অথচ আমরা টর্নেডোর গতিতে ট্রল করে ফেললাম!
এবার দেখুন-

* ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট বললো, ‘নারী পুরুষের অধীন নয়, নারীর শরীরের মালিক নারী নিজে’। অর্থাৎ এখানে নারীকে পূর্ণাঙ্গ মানুষের সম্মান দেওয়া হয়েছে।
আর আপনারা বললেন, ‘ভারত পরকীয়া বৈধ করে দিয়েছে’।

* ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট বললো, ‘পরকীয়ায় শাস্তি আগে শুধু পুরুষ পেতো, এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে একটা বৈষম্য থাকে’।
আপনারা বললেন, ‘ভারত পরকীয়া বৈধ করে দিয়েছে’।

* ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট বললো, ‘পরকীয়া রাষ্ট্রের সমস্যা নয়। এখানে রাষ্ট্র বা পুলিশের নাক গলানোর কিছু নেই। এটা ওই নারী ও পুরুষের ব্যক্তিগত বিষয়’।
আপনারা বললেন, ‘ভারত পরকীয়া বৈধ করে দিয়েছে’।

* ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট বললো, ‘শুধু পরকীয়ায় জড়িত নারীর স্বামীর অধিকার ছিলো আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার। কিন্তু জড়িত পুরুষের স্ত্রীর সেই অধিকার ছিলো না। এখন নিতে পারবে।
আপনারা বললেন, ‘ভারত পরকীয়া বৈধ করে দিয়েছে’।

* ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট বললো, ‘মানুষ কার সাথে সম্পর্ক বা যৌন সম্পর্ক করবে তা সমাজ ঠিক করে দিতে পারে না। এই ধারাটি স্বেচ্ছাচারিতার সমান’।
আপনারা বললেন,’ভারত পরকীয়া বৈধ করে দিয়েছে’।

- সুকান্ত মোদক
(Copied)
Share:

সত্য ভালবাসা কাকে বলে

 সত্য ভালবাসা

সত্য ভালবাসা
বিবাহ করে আনার পর আমার স্ত্রী নেহাকে নিয়ে বের হতে লজ্জা ই লাগতো।বেপার টা এ নয় যে আমার স্ত্রী অসুন্দরী,কুৎসিত বা মোটা।এগুলো হলে হয়তোবা লজ্জা লাগতোনা।আমার স্ত্রী সুন্দরী।যে সে সুন্দরী নয়, চট করে কোন মেয়েকে দেখে কেউ যখন বলে দিতে পারে,দেখ মেয়েটা সুন্দর না!

আমার লজ্জা মুখ টা আমায় নিয়ে।আমার স্ত্রীকে নিয়ে লজ্জা পাবার মতন সাহস আমার নাই।সে বয়সে আমার চেয়ে ১৯বছরের ছোট।যখন আমাদের বিবাহ হয় সে সবে এস এস সি পরীক্ষা দিয়েছে আর আমি চাকরিতেও ৪বছর পার করেছিলাম।প্রথম প্রথম আমার বেশ আপত্তি থাকলেও মায়ের যুক্তির কাছে আমি হেরে যাই। বিয়েতে অমত জানাতে আসলেই মা তার নিজের আর বাবার বয়সের ফারাক এর কথা উদাহরণে এনে আমায় ঘায়েল করে দিতেন।

মেয়ে পক্ষের অমত ছিলনা।আমার থাকার মাঝে ছিল মাথায় কিছু চুল আর সৎ চরিত্র।এছাড়া আমার নেই চেহারা বা ছিলনা চাকরিতে ভালো বেতন।নেহাকে বিয়ের রাতে জিজ্ঞেস করেছিলাম বিয়েতে রাজি হবার কারণ কী?

নেহা ইতস্তত হয়ে বলেছিল,জন্ম,মৃত্যু,বিয়ে উপর থেকেই ফিক্সড করা থাকে।আমি রাজি হবার কে?

আমি হেসে বলেছিলাম,তার মানে আগে যে বিয়ের প্রস্তাব আসতো তোমার অমত থাকতোনা।



নেহা তখন মুখ বাঁকিয়ে বলে এর আগে আর বিয়ের প্রস্তাব আসেনি।

তখন আমার আরো খারাপ ই লেগেছিল।হয়তো আরো দিন দেখলে আমার চেয়ে ভালো বর পেতে পারতো।হয়তো সিদ্ধান্ত ভুল নিয়েছে নেহা বা নেহার পরিবার ওর উপর চাপিয়ে দিয়েছে।কিন্তু স্ত্রীর ওই কথা মনে করে নিজেকে স্বান্তনা দিতাম।বিয়ে উপর থেকেই ঠিক করে দেয়া।

সেবার নেহাকে কলেজ থেকে আনতে গেলাম।নেহার বান্ধবীদের কাছে কি অকপটেই আমায় পরিচয় করিয়ে দিল,আমি তার স্বামী।তারা যে আমার আড়ালে নিশ্চই বলবে, দেখ নেহার বর টা কি বুড়োটে, তাতে কোন ভুল নেই।আমি সবার চোখে টিটকারি চাহুনি দেখতে পেয়েছিলাম।

সেদিন বিছানায় শুয়ে খবরের পেপার পড়তে পড়তে নেহাকে জিজ্ঞেস করলাম,আচ্ছা তোমার বান্ধবীরা কখনো বলেনা যে এই বুড়ো লোকরে কেন বিয়ে করলে?

নেহা তখন রেগে গিয়ে বললো তার মানে তোমার কলিগ রা বলে এই পিচ্চি মেয়েকে কেন বিয়ে করেছো?আচ্ছা আমায় কি তুমি তোমার পাশে বেমানান মনে করো?

ওর উল্টো রাগ দেখে আমার খারাপ লাগেনি।বরং চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হয়েছিল,কপালে এমন ভালো বউ ছিল দেখেই হয়তো এতকাল মেয়েদের কাছ থেকে রিজেক্টেড হয়েছিলাম।

বিয়ের ৫বছরের মাথায় আমাদের কন্যা সন্তান এলো।নওশীন কে প্রথম কোলে নিয়েও আমি ভেবেছিলাম,যখন ও স্কুলে ভর্তি হয়ে বলবে এই আমার বাবা,তখন কি ওর বন্ধুরা হেসে বলবে,বাবা নাকি নানা?

মেয়ে হবার পর নেহার চাচাতো বোন দেখতে আসলো বাসায়।দুজন কথা বলতে বলতে এক পর্যায় বললো,বাচ্চাটা নেয়া উচিৎ হয়নিরে তোর।

নেহা রেগে গিয়ে বললো,কেন?

সে আমতা আমতা করে বললো আমি জানি তোর মনে কষ্ট।তোর দুলাভাই ও বলে এখনো তোর বিয়ের বয়স হয়নি।বুঝাই যায়না তোর বাচ্চা হয়েছে।সেখানে জহির ভাইকে বেশ বয়স্ক লাগে।



নেহা ক্ষেপে গিয়ে তখন বলে ফেললো, বাচ্চা ছেলে বিয়ে করেতো আপু ১০বছরেও বাচ্চার মুখ দেখার জন্য কাঁদো।
কই ইচ্ছে করলেই কি বাচ্চা নিতে পারো!

সেই কথার ভিত্তিতে তাদের সম্পর্ক একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। কি অদ্ভুত মেয়েরা তাইনা!স্বামীকে কিছু বললে তারা তাদের রক্তের সম্পর্কের সাথেও যুদ্ধ করে।

নেহাকে বললাম এভাবে বলা ঠিক হয়নি।মিথ্যে কিছু বলেনি।তুমি বলতে যে বুড়োর সেবা করতে হবে। আমিও বুড়ি হয়ে গেলেতো সেবা করতে পারবোনা।তাই বেছে বুড়ো বিয়ে করেছি।মরার আগে যাতে তাকে সেবা করে কবরে পাঠাতে পারি।
এই কথা নিয়েও রেগে মেয়েটা আমার সাথে ৫দিন কথা বলেনি।

সেবার অনেক হাসাতে চেষ্টা করেও ওকে হাসাতে পারছিনা।শেষ রাতের দিকে নিজের ইচ্ছেতেই এসে আমায় জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিল।

বললাম কি হয়েছে নেহা?

নেহা: আচ্ছা মানুষ কি বয়স অনুপাতেই মরে?তাহলে আমার ছোট ভাই কেন আমার আগে মরে গেল?

নেহার ভিতর অনেক টা আমার মায়ের গুন ছিল।সে যুক্তি বা উদাহরণ দিয়ে মানুষ কে ঘায়েল করে ফেলে।ভোর রাতে এমন কথা শুনে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম আর এসব বলবোনা।আমি এই দুনিয়ায় চিরযৌবন সম্পন্ন পুরুষ। এভার গ্রিন।

নেহা হেসে কুটি কুটি হয়ে আমার বুকে মাথা রেখে বললো,ইয়েস,মাই হাবি ইজ ইয়াং ম্যান।হি ইজ এভার গ্রীন।
নওশীন ক্লাস থ্রি তে উঠলো।নেহা আজকাল কেমন মনমরা হয়ে যাচ্ছে। আমি বুঝি হয়তো এতদিন বাচ্চামি কেটে গেছে ওর। ও এখন অনুভব করে,সি ডিজার্বস বেটার।

জানালার পাশে প্রায় ই দাড়িয়ে আনমনে তাকিয়ে থাকে।প্রতিজ্ঞার কারনে বলিও না যে নেহা আমি বুড়ো তাই বলে আমায় তুমি দয়া করোনা।যদি তুমি চাও সিদ্ধান্ত নিতে পারো।

অল্প বয়সের মেয়েটার চোখের নিচে কালি জমে গেছে।রাতে বারান্দায় বসে জিজ্ঞেস করালাম,নেহা তুমি কি আমার সাথে সামাঞ্জস্যতা রাখার চেষ্টা করছো?

নেহা মলীন ভাবে বললো মানে?

আমি চায়ে চুমুক দিয়ে বললাম,এই যে আমার সাথে নিজের বয়স এক করাতে নিজের যত্ন করা ছেড়ে দিয়েছো।

নেহা:কই?মনে হয় চোখ ও বুড়া হয়ে গিয়েছে তোমার। সব উল্টা পাল্টা দেখো।এই বলে রেগে চলে গেল।

বিছানায় গিয়ে শুতেই নেহা আমার দিকে ফিরে বললো রাগ করেছো?মাফ করে দেও।

ইদানীং ওর হাব ভাব বুঝতে পারিনা।সব কিছুর আগে পরে ক্ষমা চায়।

নেহা ক্ষমা চাইছো কেন?

নেহা হেসে বলে যদি চলে যাই? ক্ষমা চাইবার সময় না পাই?

আমার বুক টা ধক করে উঠলো।তার মানে কি ও আমায় ছেড়ে চলে যাবে কারো কাছে?এতদিন আমি ই চাইতাম মুক্তি দিতে কিন্তু আজ ওর মুখে শুনে কষ্ট হচ্ছে।হয়তে এতদিনে বৃদ্ধ বয়সের সাথি ওকেই ভেবে ফেলেছি।এখন চট করে সব ফাঁকা হয়ে গেলে আমি কি করে মেনে নিব!

আজকাল অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে ভয় পাই খুব।মনে হয় বাসায় গিয়ে সব ফাঁকা দেখবো।টেবিল এর উপর খাম দেখতে পাবো।

বাসায় ঢুকে টেবিল এর উপর সাদা কাগজ দেখে বার বার নেহাকে ডাকছি।বার বার গলা ধরে এসেছে।কী করবো আমি!কিভাবে বাঁচবো ভাবতে ভাবতে কান্না করে বসে পরলাম।

নেহা ঘাড় এ হাত রেখে উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করলো এই কী হয়েছে তোমার! কাঁদছো কেন?অফিসে কিছু হয়েছে?

আমি নেহাকে জড়িয়ে ধরে বললাম তুমি যাওনি নেহা?

নেহা: কই যাব? ওয়াশ রুমে ছিলাম।ডাকার সাথে সাথে আসি কিভাবে?আমার কি পাখা আছে?নাকি পায়ে চাকা ফিট করা?

আমি চোখ মুছে টেবিল এর উপর কাগজ টা তুলে বললাম এটা কি?

নেহা: তোমার মেয়ে তোমায় এঁকেছে। আমায় বার বার বলে গেছে পাপা অফিস থেকে আসার পর ই দেখাতে।

আমি হেসে দিলাম।

নেহা আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো, তুমি ভেবেছিলে আমি চলে গেছি হি হি

আমি: আরেনা।ভাত দেও ক্ষুধা লেগেছে।

জ্বরের মাত্রা বেড়ে চলেছে নেহার।তার ভিতরে বার বার বলছে,নওশীনের বাবা ভেবেছিলে আমি তোমার সেবা করবো কিন্তু দেখোনা আজ তোমার ই সেবা করা লাগছে।আল্লাহ চাইলে এমন ই হয়।বার বার নিজেকে বুড়া ভেবে আমার পাপ বাড়িয়েছো তাই আল্লাহ আমায় বুড়া করে দিয়েছেন। আল্লাহ আমার উপর ক্ষেপে গিয়েছেন।

আমি ওর মুখে হাত দিয়ে বললাম,বউ এর সেবা করতে পারে ক জন?আল্লাহ আমার পরীক্ষা নিচ্ছেন?

নেহা: কিসের পরীক্ষা?

আমি : এভার গ্রীন ক্ষেতাপ পাবার যোগ্য কিনা সেটার।

নেহা জ্বরের ভিতর ও থেমে থেমে হাসছে।

অফিস যাবার আগে নেহা আমায় হাত শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো, সকালের নাস্তা করে দিতে পারলাম না।খুব ক্লান্ত আমি।আজ যেওনা অফিসে।

আমি সেদিন রয়ে গেলাম।

নেহা: আচ্ছা আমি মারা গেলে নওশীন এর কি হবে?
ওর এই কথাটা শুনে আমি থমকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম মাথা কি গেছে একেবারেই?নওশীন আসুক স্কুল থেকে ওর জানা উচিৎ ওর মা পাগল হয়েছেনেহা: শোন না আমি কাল আমার ভাইকে স্বপ্ন দেখলাম।আমায় লাল জামা দিয়ে বলছে এদিকে অল্প বয়সে যারা আসে তারা লাল জামা পরে।এটা পরে নে।

আমি ওর কপালে হাত দিয়ে বললাম জ্বর হলেই এত ভয় পেতে হয় নেহা?আমি আছিনা?

নেহা আমায় জড়িয়ে ধরে বললো,আমার না খুব বাঁচতে ইচ্ছে করে জানো?
বিয়ের পর নাম ধরে বা ওগো বলে ডাকতে লজ্জা হতো।বার বার চাইতাম বাচ্চা আসুক, ওর বাবা বলে ডাকবো।নওশীন আসার পর ওগো বলতে খুব ইচ্ছে হতো।এখন আমার ইচ্ছে হয় দুজন বৃদ্ধ বয়সে ঘুরে বেড়াতে পারতাম!মেয়েকে বিয়ে দেবো।

আমি ধমক দিয়ে বললাম,মেয়ে বিয়ে দিও,দরকার হলে আমায় ও আবার বিয়ে দিও।এখন থামো

নেহা: মরে যাবার পর সাথে সাথেই বিয়ে করে ফেলোনা যেন। যদি আমি আত্মা হয়ে দেখার সুযোগ পাই, কিনা রাগে আবার মরে যাই। পর পর দুবার মরার ব্যাথা নেয়া কি ঠিক হবে?

আমি: কি বলছো?

নেহা: মেয়েরা অনেক হিংসুক হয়।কবরে গিয়েও মনে হয় বরের দিকে নজর রাখতে পারলে ছারেনা।আমার নানা বলতেন কি জানো?নানুর কবরের কাছে গেলেই মনে হয় নানু বলে,ও নাছিমার বাপ বাজারে গিয়া ওই মহিলারে কেন দেখলেন?হি হি হি

আমি: আমিও মরে গেলে এমন বলবো কবরের কাছে যাইয়ো তুমি।

নেহা মলীন মুখ নিয়ে চোখ বন্ধ করে বললো, মেয়ের তাগিদে বিয়ে করো।আমি কষ্ট পাবোনা।

আমি: এই বুড়া বয়সে আমারে বিয়া দিতে চাও হা হা হা

নেহা চোখ না খুলেই বললো মাই হাবি এভার গ্রীন।তার মনের মতন বিশাল মন আমি আর কাউকে দেখিনি।

তার এক সপ্তাহের মাথায় ই নেহার ব্রেন ক্যান্সার ধরা পরলো।আমায় সময় ই দিল না সেবা করার।মাস খানেক এর মাঝেই আমায় ছেড়ে চলে যায়।

সেদিন নিজেই বললো আজ খুব সুস্থ লাগছে।ব্রেন ক্যান্সার ও মনে হয় বরের সেবায় ভালো হয়ে যায়।

নিজেই খাবার রান্না করলো।ওর এমন হাসি মুখ দেখে বুকে সাহস পাচ্ছিলাম।হয়তো মিরাকল কিছু হবে।

রাতে শুয়ে কাছুমাছু হয়ে বুকে মাথা রেখে বললো নওশীন আমার সি সি ক্যামেরা।ও আমার হয়ে নজর রাখবে।উল্টা পাল্টা করলেই খবর আছে কিন্তু।আমি হাসলাম।

গভীর রাতে বুকটা কেমন শীতল অনুভব করলাম।ভেবেছিলাম নেহার শরীর ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে হয়তো জ্বর আসবে।কিন্তু না,নেহা শক্ত হয়ে গেল।আমার কোমল বউ টা অল্প কয়েক ঘন্টার মাঝে এমন শক্ত হয়ে গেল কী করে!সেই উত্তর আমি আজ ও পাইনি।পাবো ও না।

নওশীনের ভার্সিটিতে আজ প্রথম দিন আমায় নিয়ে এলো জোর করে।চারদিকে এমন তরুণ তরুণীর মা বাবার ভিতর নিজেকে বয়স্ক লাগছে।নেহার চলে যাওয়াও আমার বয়স বাড়িয়ে দিয়েছে তিনগুন।নেহার জায়গায় কাউকে আনতে পারিনি।ওর এভার গ্রীন হাসবেন্ড কে কেউ হয়তো এভাবে দাম দিতনা।আমি জীবনে শুধু স্ত্রী ই পেয়েছিলাম না স্ত্রীর মতন স্ত্রী পেয়েছিলাম।যার বিরহে আমি কাঁদতে পারি আমরণ। আমার ক্লান্তি আসবেনা।

মেয়ে এসে বললো চলো পাপা সেল্ফি তুলি।

আমি বললাম বুড়া বয়সে কিসের পিক আর মা?

নওশীন আমার হাত শক্ত করে ধরে বললো,মাই পাপা ইজ ইয়াং ম্যান।হি ইজ অলসো এভার গ্রীন।খানিক সময় মনে হলো নেহা ফিরে এসেছে আমার মেয়ের ভিতর।আবার মনে হল নেহার গলা মেয়ের গলায় বসিয়ে দিল।বার বার মনে হচ্ছে নেহা বলছে,কিগো বুড়া বলেছিলাম না আমার।মেয়ে হলো আমার কার্বন কপি।আমার সি সি ক্যামেরা।ও নজরে রাখবে তোমায়।মিললো তো?
Share:

সমবয়সী সুন্দরী মেয়ে থাকলেই সমস্যা

 সমবয়সী সুন্দরী মেয়ে থাকলেই সমস্যা

সমবয়সী মেয়ে

পাশের ফ্ল্যাটে সমবয়সী সুন্দরী মেয়ে থাকলেই সমস্যা হয় ।যেকোন সময় বিপদ ঘটতে পারে।এতদিন চুপ করে ছিলাম,আজকে খুবই বিগড়ে গিয়েছি।

নতুন ফ্ল্যাটে ওঠার অল্প কদিনের মধ্যেই আম্মু,আপু সবার সাথে পাশের ফ্ল্যাটের সকলের গভীর ভাব হয়ে যায়।আমি আবার ভাব জমাতে ওত এক্সপার্ট নয়।তাছাড়া এসব ব্যাপারে আমার ইন্টারেস্টও নেই।শুধু পাশের বাসার আন্টি আমাদের বাসায় আসলে যদি আমার চোখের সামনে পড়ে,তবেই একটা দায়সারা সালাম দিই।ব্যাস,এটুকুই।আর এ বাসা থেকে ও বাসা সবার যাতায়াত নিয়মিত থাকলেও আমার সীমানা ছিল শুধুমাত্র আমার রিডিং রুমের চার দেওয়ালের মাঝে।
বাসায় ওঠার কদিন পর পাশের আন্টি একদিন আমাদের বাসায় এসে ডেকোরেশান দেখছিলেন।আমি তখন দরজা বন্ধ করে পড়ার টেবিলে বই উল্টাচ্ছিলাম।এমন সময় আমার দরজা ঠেলে রুমে ওনার প্রবেশ।ঘাড় ঘুরিয়ে সালাম দিতে গিয়েই চোখে পড়ল মেয়েটাকে।দেখলাম সে ও আমার দিকে তাকিয়ে।অবাক হয়ে এক মুহূর্ত চেয়ে রইলাম।তারপর চোখ নিচে নামালাম টেনে।মেয়েটার রূপের বর্ণনা দেওয়ার মতো শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না,বর্ণনা দিয়েও বোঝাতে পারবো না,শুধু বলি,মেয়েটাকে একপলক দেখেই চোখ যে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল,আর সেদিন ঘুমানোর জন্যও চোখ বন্ধ করতে পারিনি।

পরদিন আম্মুর কাছে বিস্তারিত জানলাম,পাশের ফ্ল্যাটের বড় মেয়ে,মেয়েটা আমার ক্লাসেই পড়ে,লেখাপড়ায়ও খুব ভাল।শুনে খুশি হলাম।তবে ঐরকম চিন্তা ভাবনা ভুলেও করিনি একবারের জন্যও।

বন্ধুত্ব করার শখ আমার নেই।মোটেও নেই।গাছের সুন্দর ফুল দেখে সকলেই অভিভুত হয়,তাই বলে যে সকলেই ফুলটাকে ছিড়তে চায়,এমনটা কিন্তু নয়।আমিও তেমনই একজন,সুন্দরের পূজারী,তবে গ্রাসী নয়।



তাকে মাঝেমাঝেই দেখি।কলেজ যাওয়ার পথে,সিঁড়িতে উঠতে নামতে,মাঝেমাঝে আমাদের বাসায় আসলেও।তবে কথা হয়না।ভুল বশত দুজনের চোখে চোখ দুএকবার পড়লেও হাই হ্যালো বিন্দুমাত্রও নেই।গম্ভীর ভাব থাকে সবসময় দুজনের।সেদিন বিকেলে কলেজ থেকে যখন ফিরছিলাম,বাসার একেবারেই কাছাকাছি,তখনই হঠাৎ কথুকে একটা হাত এসে খপ করে ধরে ফেলল আমার হাতটাকে।চমকে উঠলাম।মুখের দিকে তাকাতে না তাকাতেই সেই পাশের ফ্ল্যাটের সেই মেয়েটা জোর গলায় বলে উঠল,”সৌরভ,এসেছে এখন?কতক্ষণ অপেক্ষা করছি,চলো চলো।” কিছুই বুঝলাম না,মেয়েটা আমার হাত ধরে দ্রুত গতিতে আমাকে টানতে টানতে তিনতলায় বাসায় উঠে গেল।তারপর আমার হাতটা ঝামাড় দিয়ে নিজের ফ্লাটের দরজা ঠেলে ঢুকে পড়ল তাড়াহুড়ো করে।আমি নির্বোধ বাচ্চাদের মতো কিছু না বুঝেই আমার

ঘরে ঢুকে গেলাম।কাউকে কিছু বললামও না।সেদিন রাতেই দেখি ম্যাসেঞ্জারে নিউ ম্যাসেজ রিকুয়েস্ট দিয়ে দিয়ে লেখা,”অনেক ধন্যবাদ।কিছু বখাটে পিছু নিয়েছিল,তাই অভিনয়টা করতে হয়েছে।প্লিজ কিছু মনে করবেন না।ইতি পাশের ফ্ল্যাটের আলপনা।” আমি অবাক হলাম।সব বুঝলামও।মনেমনে কেন জানি একটু হাসলাম।এই হচ্ছে প্রাথমিক ধাপ।এরপর আবার সব স্বাভাবিক আগের মতোই হয়ে গেল আবার,তবে দেখা হলে ভুল বশত চোখে চোখ পড়ার সংখ্যাটা আগের চেয়ে একটু বড় হলো মনে হয়েছিল।

আরেকদিন কী হলো?আন্টি আমার কাছে এসে আমার বাংলা বইটা ধার নিয়ে গেল এই বলে যে, আলপনা বইটা হারিয়ে ফেলেছে।হুম,হারা

তেই পারে।অস্বাভাবিক না।দিয়ে দিলাম বইটা।কিন্তু অস্বাভাবিক মনে হয়েছিল তখন,যখন বইটা ফেরত পেয়ে তার সূচিপত্রে চোখ পড়তেই দেখলাম বড় নীল রঙের আর্ট করা লিখা,”আলপনা নামের মেয়েরা সবসময় খুব ভাল হয়।”এটা চোখে পড়ামাত্রই বিস্মিত হলাম।আমি আমার বইতে অপ্রয়োজনীয় একটা দাগও কাটিনা,আর সে এটা কী করল।রাগ হয়েছিল একটু,তবুও কাউকে কিছু বলিনি,অবাক ছিলাম অনেকক্ষণ।

এর কয়েকদিন পর ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম এমনিতেই,”আমি আমার আমিত্বে সদা বিশ্বাসী।তাই অবসর খুঁজে ফিরিনা।তবুও বলছি,যদি গল্প করতে চাও,তবে হাতে হাত রাখো;চোখে চোখ নয়।” স্ট্যাটাসটা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফেসবুকে চোখে পড়ল আলপনার একটা স্ট্যাটাস,”যারা চোখ বেঁধে রাখতে চায়,তাদের চোখ তুলে ফেলা উচিৎ।তবেই বুঝবে,চোখ দিয়ে না দেখলে স্পর্শ অর্থহীন।” কথাটা আমার মনকে যেন একটা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফুটো করে দিল মনে হয়েছে।প্রথমে ভেবেছি,এটা ডিরেক্টলি আমাকে অপমান।এর পরপরই কোন রিঅ্যক্ট না করে ভাবনাকে গভীরে নিয়ে দেখলাম,কথাটাতে অপমান নয়,কোন গভীর অর্থ আছে মনে হচ্ছে।কিছুক্ষণ ভেবে একটু খুশি মনেই হাসি উঠলাম আপনমতো।যাইহোক তবুও কাউকে কিছু বলিনি।

এরপর থেকে একটা কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলাম নিজে নিজে।চোখ আর উপরে তুলব না।কখনোই না,যত হাজারবারই সে আমাদের বাসায় আসুক না কেন,যেখানেই যা হোক,চোখে চোখ রাখবই না।প্রয়োজনে আমি চোখ উপরে তুলে একপলক দেখব,তবুও দু’মুখী শুভদৃষ্টি আর করব না।এবং করলামও তাই।এরপর সে যখনই যেখানে আমার সামনে পড়ে,আমাদের বাসায় হোক,বাইরে হোক,আমার চোখ সবসময় নিচের দিকে ফিক্সড।

আমি কিন্তু চলমান বিষয়গুলো বেশ ভালোই এনজয় করছিলাম।কিন্তু সেটা বড় কথা নয়,বড় কথা হচ্ছে মেয়েটা কী ভাবছে।এমনটা যখন চিন্তা করছিলাম,সে সময়ই ফেসবুকে ঐ রূপবতী মায়াপরীর একটা লিখা সামনে আসল,”মানুষ আসলেই খুব খারাপ।কল্পনারও বাইরে।” আচমকা দেখেই আমি শিহরিত হলাম।কথাটা কি আমার জন্য ছিল?ভাবলাম একটু।আমাকে এত জঘন্য একটা কথা বললেও আমার কিন্তু বেশ ভাল লেগেছিল।আমি আমার নীতিতে আরও জোর দিলাম।চোখে চোখ রাখা তো বন্ধই,এবার আমার রুম থেকেই বিনা প্রয়োজনে বের হওয়া বন্ধ করে দিলাম,যাতে আমাদের বাসায় আসলেও আমাকে আর না দেখতে পায়।তবুও মাঝেমাঝে হঠাৎ হঠাৎ কলেজ পথে,কিংবা এখানে ওখানে সামনাসামনি পড়ে যায়।তখন আরো ভাব নেওয়া শুরু করলাম।গভীর ভাব।কোন কথা না,একদম স্ট্রীক্ট।

এইভাবে দু একদিন যাওয়ার পর সে হঠাৎই একদিন আমাকে ফেসবুকে ম্যাসেজ দিলো।বলে রাখি এটা ছিল তার সেকেন্ড ম্যাসেজ।তাকে বখাটেদের হাত থেকে বাঁচানোর পর ধন্যবাদ জানিয়ে ঐ ম্যাসেজটার পর আর কোন কথা হয়নি আমাদের।ম্যাসেজটা পড়ে দেখলাম,”হাই!

কেমন আছেন?পড়াশোনা কেমন চলছে?” মানে কী বলব বুঝতে পারছি না,জানেন?ম্যাসেজটা পড়ে বারবার নিজের কাছে এটা মনে হচ্ছিল আমি যে নিজেকে এতো কন্ট্রোল করে চলাফেরা করি,এসব সে জানেও না,আমাকে নিয়ে তার কোন ভাবনাই নেই,সে আমাকে পাত্তাই দেয় না,দৃষ্টিও দেয় না।মনে হচ্ছিল সে জাস্ট স্বাভাবিকভাবেই আমার খোঁজ নিচ্ছে।আমি তো রেগে আগুন।সবই কি তাহলে আমার মনের মিথ্যা ধারণা?একটু চিন্তিত হলাম।ম্যাসেজটা seen করে ইচ্ছা করেই রিপ্লাই না দিয়ে রেখে দিলাম।

এরপরের দু একদিন আরো অফ মোডে ছিলাম।অহংকারী ভাব নিয়ে।তবে দু একবার তাকে দেখে মনে হয়েছিল তার মন ভীষণ খারাপ।খুবই খারাপ।জানিনা আমার মিথ্যা কল্পনা কিনা,সে যেন আমার থেকে কিছু একটার গভীর দাবিদার।



তবুও আমি কী করলাম?আমি ফেসবুকে আবার একটা স্ট্যাটাস দিলাম,”দূরে থাকো,ভাল থাকবে।অতি ঘনিষ্ঠ হলেই মনোমালিন্য বাড়বে।বাড়বেই,এটাই নিয়ম।Just Love YOURSELF।”

এরপর দিন।শুক্রবার সকালে।আম্মু আপু দুজনেই বাইরে গেছে কোন একটা কাজে।আমি পড়ার টেবিলে বসে বসে ভাবছি একটা কথা,আমার কী এটা ঠিক হচ্ছে?আমি কেন মেয়েটার সাথে এমন করছি?কোন অধিকারে?সত্যি কথা বলতে কী,আমি তো আসলেই মেয়েটাকে বহু আগেই ভালবেসে ফেলেছি।নইলে কেনই বা এত রিঅ্যাক্ট করছি?মেয়েটাও হয়ত সত্যিই আমাকে ভাল জেনে ফেলেছে,আর আমি এসব কী নোংরামি করছি,কেনই বা করছি!ভেবে নিজেকে ধিক্কার দিলাম,ছিঃ!গতদিনের দেওয়া স্ট্যাটাসটা ডিলিট করার জন্য ফোন হাতে নিলাম।এমনসময়ই কলিংবেল বেজে উঠল ক্রিংক্রিং শব্দে।উঠে গিয়ে দরজা খুললাম।দেখলাম আলপনা দাঁড়িয়ে আছে।সম্ভবত একটা তরকারির বাটি হাতে।আমার দিকে না তাকিয়েই সোজা ঘরে ঢুকে পড়ল।আমিও পেছন পেছন হাঁটা শুরু করে বললাম,”আম্মু,আপু কেউ বাসায় নেই,বাসায় শুধু আমি।”কোন জবাব নেই।সে ভেতরের দিকেই এগুচ্ছে।আবার বললাম,”বাসায় কেউ নেই তো।শুধু আমি।” কথা শুনল না।সোজা ভিতরের দিকে আম্মুর রুমে গিয়ে দাঁড়ালো।আমিও পেছন ছুটে হাজির হলাম সেখানে।এরপর আলপনা আমার দিকে তাকালো রাগি চোখে।আমি তার অপূর্ব সুন্দর মুখটার দিকে একবার তাকিয়ে চোখ নিচে নামালাম।হঠাৎ আলপনা তার হাত দিয়ে আমার নিচু মুখটা তার চোখ বরাবর তুলে রাগী কণ্ঠে বলল,”এখন যদি চিৎকার দিয়ে বাঁচাও বাঁচাও করি?যদি চিৎকার দিয়ে বলি আমাকে শেষ করে দিচ্ছে,কে কোথায় আছ?”

আমি থ!পাথর হয়ে গেছি কথা শুনে।ভয়ও পেলাম একটু।ভীরু কণ্ঠে জোর দিয়ে বললাম,”মানে,কী বলছেন এইসব?” “আপনি এক্ষুণি আমার চোখে চোখ রাখবেন।তারপর দুহাত দিয়ে আমার দুগালে হাত বুলিয়ে বলবেন আমি তোমাকে ভালবাসি,চোখে চোখ রেখে বললাম।তুমি প্লিজ কাছে এসো,দূরে যেও না।” আমি তো অবাক।এটা কী বলে!বললাম,”আপনার শরীর ঠিক আছে তো?” “আপনি কথাগুলো বলবেন নাকি আমি চেঁচাবো?” গেলাম আরো ভয় পেয়ে।বিরক্ত ভীত কণ্ঠে বলালাম,”এসব কী?এসব কিন্তু ভাল না।সরুন,পথ ছাড়ুন।” “আপনি বলবেন কিনা?আমি কিন্তু সত্যিই চেঁচাবো এবার!আমি তো নার্ভাস হয়ে গেছি।তার মুখে যদিও মিটিমিটি হাসি ছিল,তবুও রাগটাও বেশি ছিল।যদি আসলেই চেঁচায়?তাহলে তো মান ইজ্জত সব শেষ।আমি কাঁপতে শুরু করলাম।উপায় নেই।বলতেই হবে।কম্পিত গলাম বলতে শুরু করলাম,”আমি আপনাকে।”

” না এভাবে না।আপনার দুহাত আমার মুখের ওপর রাখুন,চোখ আমার চোখে রাখুন।” ভীত কণ্ঠে বললাম,”এটা কিন্তু আমাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে!” “আপনি শুরু করবেন নাকি আমি চেঁচাবো?” আর কি!আমি অসহায়।মনেমনে ভাবলাম,”এটা বুঝি ভালবাসা?এটা তো সন্ত্রাসীর শামিল।” কিছুই করার নেই।অগত্যা আমার দুই হাত তার নরম তুলতুলে মুখে জড়িয়ে,চোখগুলো তার চোখে রেখে একদৃষ্টেতে তোতলাতে তোতলাতে বলতে লাগলাম,”আমি তো আপনাকে প্রথম দেখাতেই ভালবেসে ফেলেছিলাম।কিন্তু…আজকে আপনি আমার মতো একটা নিরীহ,বাচ্চা ছেলেকে যেভাবে ব্ল্যাকমেইলটা করলেন,এটার বিচার একমাত্র আল্লাহই করবেন।আর আপনার মুখটা এত তুলতুলে,নরম কেন?ছাড়তে ইচ্ছে করছেনা।”

——সমাপ্ত——-
Share:

বাংলাদেশে সকল ছেলে vs মেয়ে সকল ফেসবুক গ্রুপ লিংক


ছেলে vs মেয়ে সকল ফেসবুক গ্রুপ লিংক

https://www.facebook.com/groups/236747283570536/

https://www.facebook.com/groups/455197168249746/

https://www.facebook.com/groups/326230767754320/

https://www.facebook.com/groups/1322786957773614/


https://www.facebook.com/groups/1819545408265458/

https://www.facebook.com/groups/516543135405186/


https://www.facebook.com/groups/342224042954563/

https://www.facebook.com/groups/138054780132055/

https://www.facebook.com/groups/640346812754658/


https://www.facebook.com/groups/269627560100905/


https://www.facebook.com/groups/150709258683400/


https://www.facebook.com/groups/1827537424149422/


https://www.facebook.com/groups/1359738187466274/

https://www.facebook.com/groups/unlimited.fun.adda.dustuchele.vs.mistymeye/

https://www.facebook.com/groups/NumberonegroupBD/

https://www.facebook.com/groups/250286198781656/

https://www.facebook.com/groups/1642080406079530/

https://www.facebook.com/groups/GirlsGroupBD/

https://www.facebook.com/groups/860957063983016/

https://www.facebook.com/groups/MaleVSFemaleOfficial/

https://www.facebook.com/groups/MaleVSFemaleOfficial/

https://www.facebook.com/groups/138366646879346/

https://www.facebook.com/groups/1860401814274885/

https://www.facebook.com/groups/210853642988630/

https://www.facebook.com/groups/274278159639935/

https://www.facebook.com/groups/2002313293165903/

https://www.facebook.com/groups/138366646879346/

https://www.facebook.com/groups/305908469995374/

https://www.facebook.com/groups/ChaleVSMaye/

https://www.facebook.com/groups/KuaraOfficial/

https://www.facebook.com/groups/unlimitedaddagroup/
Share:

X-Gf এক্স জিএফ এর বোন এখন আমার বউ

এক্স জিএফ এর বোন এখন আমার বউ

আরোহী আর আনহা দুই বোন,,আরোহী এর সাথে আমার পরিচয় ও আমার ক্লাসমেট ছিল ।কোন কারনে ওকে আমার খুব ভালো লাগতো ,,একটা সময় সবার মতো আমার আর ওর রিলেশন হয়ে যায় ।3 বছর স্থায়ী থাকা সত্ত্বেও আমাকে ধোকা দিয়ে পালিয়ে বিয়ে করে অন্য একটা ছেলের সাথে ।কিছুদিন মনখারাপ থাকলেও পরে সব ঠিক হয়ে যায় ।একটা ভুল মানুষকে মনে রেখে কষ্ট দিয়ে নিজেকে শেষ করে ফেলা ঠিক কাজ হবে না ,তাই সব ঠিক করে নেই আর নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য অনেক জিদ করি নিজে নিজে ,,7 বছর পর আজ আমি একজন ডাক্তার ।একদিন বাড়িতে আসছি ,হঠাৎই হাসির শব্দ শুনে পিছন তাকাই ,,আকাবাকা দাত কি চমৎকার হাসি ,,চোখ দুটোর মধ্যে অদ্ভুত মায়া ,,এক মুহূর্তের মধ্যেই নিজেকে হারিয়ে ফেললাম তার জগতে ।বন্ধুদের থেকে খোঁজ নিয়ে জানি ওই সেই আনহা ,আরোহীর বোন ।ওর সম্পর্কে সব শুনলাম ,,বুঝতে পারলাম মেয়েটা খুব ভাল আর আমার ও ইচ্ছে ছিল কাছে কাউকেই বিয়ে করে খুব সুখী রাখব তাকে ,যা আরোহী দেখবে আর আপসোস করবে ।খুব কষ্টে আনহার ফেবু আইডি যোগার করলাম আর রিকু দিলাম ।বাট ও নাকি ছেলেদের রিকু এক্সেপ্ট করে না ।আমার টাও হয়তো করবে না ।কিন্ত করলো এক্সেপ্ট ।বললাম আমাকে এক্সেপ্ট করলা যে ।আমাকে চিন তুমি ?
আনহা :চিনব না কেন !আর চিনি বলেই এক্সেপ্ট করছি ।আপনি অরনব ভাইয়া ।আমি ছোট ছিলাম কিন্ত বুঝতাম ।আর আপুর কাজের জন্য আপনার কাছে আমি মাফ চাইছি ।ওকে মাফ করবেন প্লিজ ।
আমি :বাদ দাও ওসব ।তোমার খবর কি !!
আনহা :এইতো ভালোই ।আপনার ??
আমি :খারাপ না ভালোই ।
এইভাবেই রোজ কথা হতো ফেবু তে ।ও একদম ওর আপুর মত কিন্ত মনটা ভিন্ন ।
আমি :আনহা আমি কিছু কথা বলব ।তুমি প্লিজ আমাকে ভুল বুঝবে না ।
আনহা :ওকে
আমি :দেখ ,,তুমি সব জানো ।আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই ।তুমি যদি চাও তাহলে আমি তোমার বাবাকে বলে রাজি করাব ।আর আমি নিশ্চয়ই তোমার যোগ্য ।আর তোমাকে অনেক ভাল রাখব ।বিশ্বাস করো আমি তোমার মাঝে তোমার আপুকে খুজে পাই আর অনেক ভালোবেসে ফেলছি তোমায় ।
আনহা :এমন কথা বলবেন ভাবতে পারি নি ।
আমি :প্লিজ ভেবে দেখ ।
আনহা :সিন কিন্ত রিপ্লাই নেই ।এরপর দিন ফেবু আসে নি ও ।একি আজ 3 দিন হয়ে গেল কিন্ত আনহা নেই ।
হঠাৎই 7 দিন পর আনহা এক্টিভ !!
আমি :কি হইছিল তোমার ?টেনশন দাও কেন আমাকে ??
আনহা :,,,,,,,,,,,,,,

#চলবে ,,,,,,,,??
Share:

সোনা একবার বলো ভালোবাসি

ak bar blolo valo basi

ছোট্ট একটা ঘর আমার
ছোট্ট একটা মন।
সেই ঘরেতে বাস করে
আমার প্রিয় জন..
ছোট্ট দুটি আখি তার
ছোট ছোট পা
তাই দেখে উরে গেল
আমার পরান টা…
– অবসর সময়ে দু
একটা কবিতা লেখে  সালমান..চাকরি করার পর
সময় মেলেই না..একটা প্রাইভেট
কম্পানীতে ছোট খাট একটা জব করে..সকাল
৭.৩০ সময় বাসা থেকে বের হয় সালমান..বাস
স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে থাকে বাসের জন্য..এই
সময়টা অনেক ব্যস্ত থাকে নগরী..সবাই যার
যার কাজের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য
ব্যস্ত..অনেক কষ্ট করে বাসে উঠতে হয়..তাও
আবার দাড়িয়ে থাকতে হয় অনেক সময়.
– প্রায় প্রতিদিন এমনই
হয়..স্ট্যান্ডে অনেকেই
দাড়িয়ে থাকে..কিন্তু সালমানের নজর
কারে একটা মেয়ে..প্রতিদিন বাসের জন্য
অপেক্ষা করে..মনে হয় স্টুডেন্ট
হবে..হাতে বই থাকে সব সময়..
– সালমান প্রতিদিন লক্ষ
করে মেয়েটাকে..কিন্তু সময়ের
অভাবে কথা বলা হয় না..
– মেয়েটা লক্ষ করে কিনা কে জানে.?
– প্রতিদিনের মত অফিস থেকে ফিরে রেস্ট
নিচ্ছে সালমান..আর মনে মনে ভাবছে মেয়েটার
কথা..
– রেহানা বেগম সালমানের রুমে আসলেন..সালমানের
মা ইনি..বাবা সালমান অনেক ত বয়স হল এবার
একটা বউ নিয়ে আয় ঘরে..দেখ আমার
অবস্থাও ভাল না..কত দিন আর
বাঁচব..যাওয়ার আগে তোর সুখের
সংসারটা দেখে যেতে চাই..
– মা তুমি এভাবে বলছ
কেন..তুমি যদি এভাবে বল
তাহলে আমি কি সইতে পারি.?
– তাহলে এবার বিয়ের জন্য মত
দে..আমি একটা মেয়ে দেখেছি তোর জন্য..তুই
হ্যাঁ বললেই পাকা কথা বলব..
– মা আমাকে আর ১০ দিন সময়
দেও..আমি একটু ভেবে দেখি..
– আচ্ছা ভেবে দেখ..তবে ১০ দিনের
বেশি সময় দিতে পারব না..
– তাতেই হবে..
– ফ্রেস হয়ে টেবিলে আয়..আমি খাবার
দিচ্ছি..
– রাতের খাবার খেয়ে সালমান বিছানায়
শুয়ে ভাবছে মেয়েটার কথা..কাল ত শুক্রু
বার,ছুটির দিন।
মেয়েটার সাথে দেখা হবে না..মনটা খারাপ
হয়ে গেল সালমানের..
– পরের দিন সকাল ১০টায় ঘুম ভাঙল
সালমানের..বিছানা থেকে উঠে নাস্তা করল..তারপর
বসল টিভি দেখতে..সপ্তাহে দুই দিন একটু
টিভি দেখার সময় হয়..
– সালমান জুম্মার নামাজ পরে বাসায়
এসে খাওয়া দাওয়া সেরে রেস্ট
নিচ্ছে..চিন্তা করছে বিকেলের
সময়টা কি করবে..?হটাত মনে পরল অনেক
দিন পার্কে গিয়ে সূর্য ডোবা দেখা হয় না..
– সালমান পার্কে বসে আছে এক
কর্নারে..আশে পাশে অনেক মানুষ
ঘুরতে এসেছে..সবাই অনেক হাসি খুশি..সালমান
দেখল একটা মেয়ে তার
দিকে আসছে..অনেকটা পরিচিত
লাগছে..খানিকটা কাছে আসতেই সালমান
চিনে ফেলল মেয়েটাকে..এ যে সেই বাস
স্ট্যান্ডের মেয়েটা..
– সালমান অনেক খুশি..যাক আজকেও
দেখা হয়ে গেল..আজ
কি বলে দেবে মেয়েটাকে যে,তাকে অনেক
পছন্দ আমার..
– মেয়েটা সালমানের
সামনে এসে দাড়াল..আচ্ছা আপনি কি আমাকে ফলো করছেন.?
– সালমান কেমন জানি ফিল করছে..বুকের ভিতর
ধুক ধুক করছে..
– কি হল উত্তর দিচ্ছেন না যে..
– কই না ত..আমি ত আপনার ফেবু
আইডি জানি না আর ফলো কিভাবে করব..
– আমি ফেবুর কথা বলছি না..আমি যেখানেই
যাই সেখানেই আপনি থাকেন..ব্যাপার কি..?
– সালমান
কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না..তা দাড়িয়েই
কথা বলবেন না কি বসবেন..?
বসে কথা বলতে সমস্যা নাই ত আপনার..?
– মেয়েটা বসল..তারপর জিজ্ঞেস করল
আপনি কি করেন.?
– সালমান উত্তর না দিয়ে বলল,আপনার
নামটা কি জানতে পারি..?
– নাম দিয়ে কি করবেন.?আগে আমার
প্রশ্নের জবাব দিন..

আসলে আমি আপনাকে ফলো করি না..কাকতালিয়
ভাবে আমাদের দেখা হয়ে যায়..হয়ত উপর
থেকেই সব করা হচ্ছে..আর
আমি একটা প্রাইভেট কম্পানিতে জব
করি..আর আমার নাম সালমান।
– হুম..সবই বুঝলাম..তবে আপনার নামটা যেন
কেমন অদ্ভুত..সালমান,শুনলেই কেমন
যানি একটা ফিল হয়..যাই হোক না বলতেই
সব বলে দিয়েছেন..আমার নাম
সুমাইয়া..পরাশুনা করি অনার্স ৩য় বর্ষ এবার..
– দু জনের
কথা বলতে বলতে সন্ধ্যা হয়ে এসেছে..সূর্য
অস্ত যাচ্ছে..সালমান সূর্য অস্ত
যাওয়া দেখছে..সূর্যের লাল রঙ সুমাইয়ার
মুখে এসে পরেছে..দেখতে এখন পরীর মত
লাগছে..
– আচ্ছা আজ
তাহলে উঠি..সন্ধ্যা হয়ে এসেছে..
– আচ্ছা নাম্বারটা কি পেতে পারি..?
– সুুুমাইয়া মুচকি একটা হাসি দিয়ে বলল
০১৯২৭ বাকি ডিজিট গুলো অন্য এক দিন
দেব..যে দিন আবার কাকতালিয়
ভাবে দেখা হবে আমাদের..
– সালমান একটু অবাক
হয়ে চেয়ে রইল…সুুমাইয়া চলে গেল..
– ৭ দিন হয়ে গেল,সুমাইয়াকে আর
দেখা যাচ্ছে না বাস স্ট্যান্ডে..সালমান
পাগলের মত
হয়ে খুজে যাচ্ছে এখানে সেখানে..সারা শহরের
সব কয়টা রেস্টুরেন্ট,পার
্ক,শপিং মল..কোথাও
দেখা মেলে না সুুুমাইয়ার..অফিসের কাজেও মন
বসে না..অফিস থেকে ৩ দিনের ছুটি নেয়
সালমান..
– – বাসায়
ফিরে ভাবছে কি করবে এবার..কোথায় পাব
সুমাইয়াকে..সুমাইয়ার দেওয়া অর্ধেক নাম্বারটার
কথা মনে পরল…বাকি ডিজিটগুলা বসিয়ে অনেক
ট্রাই করল কিন্তু কোন নাম্বারই সুমাইয়ার না..
– আজ ৮ম দিন…মার জানি কি হয়েছে..অনেক
অসুস্থ হয়ে পরেছে..হাসপাতাল
ভর্তি করেছে সালমান..চিন্তায় কুল
কিনারা পাচ্ছে না..
– সালমানের একটা বন্ধু আছে..খুব কাছের বন্ধু..এই
শহরেই থাকে..একটা প্রাইভেট
কম্পানিতে জব করে..ছোট বেলা থেকেই এক
সাথে বড় হয়েছে দুই জন..পার্থ নাম..
– সালমান ফোন করে সব কিছু জানায় পার্থকে..
– পার্থ সব শুনে চলে আসে হাসপাতালে..দুই
জনে মিলে অনেক
চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয় মা সুস্থ
হলেই মাকে বিয়ের জন্য
হ্যাঁ বলে দেবে সালমান..কিন্তু সালমান
একা বিয়ে করবে না সাথে পার্থও..দুই বন্ধু
একসাথে বিয়ে করবে..
– সালমান ডাক্তারের কাছে গেল..কত দিন
লাগবে সুস্থ হতে..?
– ডাক্তার বললেন প্রায় ১০-১৫ দিন ত
লাগবেই..তবে কাল বাসায়
নিয়ে যেতে পারবেন এবং পূর্ন
রেস্টে রাখবেন..
– সালমান সস্থির নিশ্বাস ফেলল.
– মাকে বাসায় নিয়ে গেল সালমান..
– সালমান আর পার্থ
বসে আছে পার্কে..কি করবে এখন..সুুমাইয়ার কোন
দেখা নাই..মনের কথা ত বলতে পারলই
না অন্য
দিকে মাকে কথা দিতে হবে..চিন্তা করছে সালমাান
– অন্য দিকে পার্থ চিন্তায় আছে তার
বিয়ের প্রস্তাব কি মেনে নেবে কবিতার
পরিবার..?
– কবিতা হল পার্থের অর্ধাংশ..৫ বছরের
প্রেম তাদের..অনেক মধুর সম্পর্ক দু
জনের..কবিতা পরাশুনা শেষ হতে এখনো ২
বছর বাকি..সেই কলেজ লাইফ থেকে পরিচয়
দু জনের..প্রথম দিনেই ঝগরা..তারপর
আস্তে আস্তে প্রেম.
– কবিতার আজ আসার কথা পার্কে..সমস্যার
একটা সমাধান করার জন্য..
– পার্থ বসে বসে ঘাস চাবাচ্ছে আর
ভাবছে আর সালমান আকাশ দেখছে..হটাত
সামনে এসে দাড়াল কবিতা..
– এই ছাগল ঘাস চাবাচ্ছ কেন.?
– তুমি এসেছ এতক্ষনে..ঘাস চাবাব না ত
কি করব..আমি ত তাও কিছু করছি আর ঐ দেখ
আরেক জন চিন্তায় আকাশের
সীমানা মাপছে..
– কবিতা সালমানকে সালাম দিয়ে বলল ভাল আছেন
ভাইয়া.?
– নাহ..ভাল আর কি করে থাকি..চিন্তায়
জীবন শেষ..
–কবিতা দুই জনের সব কথা শুনল..তারপর
পার্থকে বলল আজই বাসায় প্রস্তাব
পাঠাতে..বাকি কাজ কবিতা সামলে নিবে..আর
সালমাানকে বলল ভাইয়া কি আর করবেন
যাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না তাকে ভুলে যান..মায়ের
পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করেন..
– হুম কবিতা..আমিও তাই ভাবছি..সুুুমাইয়া বসন্ত
বাতাসের মত এসে কাল বৈশাখি ঝরের মত
চলে গেল..যাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে যাবে না তাকে মনে রেখে লাভ
কি..আজই মাকে হ্যাঁ বলে দেব..আর পার্থ তুই
আজই কিন্তু প্রস্তাব পাঠাবি.
–সালমান বাসায় এসে বসে বসে ভাবছে..তারপর
এক পর্যায়ে মার কাছে যায়.
– কি রে বাবু কিছু বলবি..?
– হ্যাঁ..মা আমি তোমার পছন্দের
মেয়েকে বিয়েতে রাজি..
– যাক
অবশেষে সুবুদ্ধি হল..তা মেয়ে দেখবি না.?
– নাহ..তুমি দেখেছ তাতেই
হবে..তুমি মেয়ে পক্ষের
সাথে কথা বল..বিয়ের দিন ঠিক
করে জানাও..পার্থকে জানাতে হবে..
– সালমান মায়ের রুম
থেকে বেরিয়ে সোজা পার্থের বাসায়
চলে এল..
– কিরে সালমান বলে দিলি তাহলে..আমিও
প্রস্তাব
পাঠিয়েছি..ওরা রাজি হয়েছে..কবিতা সব
মেনেজ করে নিয়েছে..এখন তোর বিয়ের দিন
ঠিক হলেই হল..
– পার্থ আমার না সুমাইয়ার জন্য কেমন
করছে মনটা..মনে হচ্ছে কি যেন
হারিয়ে ফেলছি..
– আরে মন খারাপ করিস না সালমান.যা হবার
ছিল তাই হচ্ছে..চল শপিং এ যাই মন ভাল
হয়ে যাবে..
– চল তাই করি..মনটা ভাল
করা দরকার..তা ছারা বিয়ে ত ঠিক হয়েই
গেছে..মাকে একটা ফোন করে চল
বেরিয়ে পরি..
– দুই বন্ধু মিলে গেল শপিং করতে..খুব আনন্দ
করছে দুই জন..অনেক শপিং করল
বিয়ের..হটাৎ পিছন থেকে সুমাইয়ার গলার
আওয়াজ.
– আরে সালমান ভাই না..কেমন আছেন..?ওয়াও এত্ত
শপিং করছেন..ব্যাপার কি..?
– ভাল আছি না মন্দ
আছি তা জেনে তুমি কি করবে..কত
খুজেছি তোমাকে..কোথায়
হারিয়ে গিয়েছিলে..?অবশ্ য এখন এ সব
বলে আর কি লাভ..
– কেন.?লাভ নেই কেন.?আর আমি অসুস্থ
ছিলাম অনেক..
– ও..থাক ভালই আছ মনে হয়..ক দিন
পরে আমার বিয়ে..তাই আর পুরান
কথা তুললাম না..ভাল থেক..
– ওয়াও..congratul ation
অগ্রিম..আমাকে ইনভাইট করবেন না..?
– কি করে করব..তোমার ত শুধু অর্ধেক
নাম্বার জানি আর বাসার ঠিকানাও
জানি না..
– তাও ঠিক..তাহলে আপনার নাম্বার দিন
আমি বিয়ের দিন চলে আসব ফোন করে..আর
বাকি ৩টা ডিজিত নিন
৬৩৪..বাকি তিনটা বিয়ের দিন
গিফটে লিখে দেব..
– সালমান অবাক..মেয়ে বলে কি..যাই হোক মনের
মানুষ ত..সালমান নিজের নাম্বারটা দিয়ে দিল..
———–
– আজ পার্থ আর সালমানের বিয়ে..দুই বন্ধু এক
সাথে বরের সাজে সেজেছে..পার্থ অনেক
খুশি কিন্তু সালমানের মনটা আজও খারাপ..কেন
যে সে দিন সুমাইয়ার সাথে দেখা হয়েছিল..
– সবাই এসে গেছে বিয়েও শেষ..সালমানের
বিয়ে হল মেঘ নামের এক
অজানা অদেখা মেয়ের সাথে..আর পার্থর হল
কবিতার সাথে..
– সবাই চলে যাচ্ছে..অনুষ্ঠান শেষ..সালমান
এখনো অপেক্ষা করছে সুমাাইয়র জন্য..শেষ
দেখাটা অন্তত দেখার জন্য..কিন্তু
সুমাইয়া যে আসে না..
– বাসর রাত আজ সালমানের..অদেখা আর
অচেনা এক মেয়ের
সাথে যাকে সে এখনো দেখেনি..
– রুমে ঢুকতেই মেঘ একটা গিফট এগিয়ে দিল
সালমানকে..বড় ঘোমটা থাকার
কারনে চেহারাটা দেখতে পেল না সালমান..
– গিফটা নিয়ে খুলতেই..
– সেখানে লেখা বাকি তিনটা ডিজিট
দিলাম মন চাইলে কল কর নইলে বিছানায়
আস..
– সালমান অবাক হয়ে চেয়ে আছে লেখাটার
দিকে..তাহলে এই কি আমার সুমাইয়া..?
– দেরি না করে ঘোমটা তুলতেই সেই চির
চেনা মুখটা দেখতে পেল সালমান..এই ত আমার
সুমাইয়া..
– কি অবাক হলেন.?খুজে পেলেন আপনার
সুমাইয়াকে..
– তুমি কেন..?আমার ত মেঘের
সাথে বিয়ে হয়েছে..মেঘ কোথায়..?
– আমিই মেঘ..মেঘ জান্নাত সুমাাইয়..এখন বলেন
সুমাইয়াকে ভালবাসেন না মেঘকে.?কার
সাথে সংসার করবেন..?
– উত্তরে একটাই নাম
আসে সুমাাইয়া..আমি তোমাকে ভালবাসি সুমাইয়া..অনেক
ভালবাসি..
– আর কিছু দিন পর বললে হয়ত আমাদের
বাচ্চারাও শুনতে পারত..তা কেমন লাগল
সারপ্রাইজ..সবই ছিল প্লান করা..আমার
শাশুরি আম্মা আর আমি দুজনে মিলেই এই
প্লান করেছি…
– ওও…আর আমি কষ্টে মরে যাচ্ছিলাম তার
দিকে খেয়াল নাই..
– খেয়াল আছে বলেই ত রোজ খোজ নিতাম
আপনার..
– তা আপনি করেই বলবে না তুমি করে..
– আমার না লজ্জা লাগছে এখন..
– ওরে আমার লজ্জাবতিরে..
এভাবেই খুনসুটি আর গল্পে কেটে যাচ্ছিল
দুই ভালবাসার পাখির দিনগুলো…
…..ছোট সে ঘরে জায়গা দিলাম
……মনের দুয়ার খুলে,
……বাসবে কি ভাল এমন করে
……সারা জীবন ধরে
=একবার যখন ধরেছি হাত
=ছারব না কভু
=তুমিও আমায় তেমনই বেস
=যেমনটা বেসেছিল এই হৃদয়..
Share:

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস এসএমএস ২০১৯


  বিশ্ব ভালোবাসা দিবস এসএমএস
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস এসএমএস

দুঃখ

সুখে থাকো দুঃখে থাকো,
খবরতো আর রাখো না ।
এখন তো আমায় তুমি ভালো
আর বাসো না ।
যতো ভালোবাসা ছিলো দিয়ে
ছিল তোমাকে ।
তবু তুমি কিছুতেই বুঝলেনা আমাকে ।

কঠিন হলেও সত্য

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কিছু সত্য


১) আপনি এমন কাউকে ভালবাসেন
যে আপনাকে শুধু ই ঘৃণা করে…

২) আপনি এমন কাউকে মিস করেন
যে আপনাকে মিস করার সময় খুঁজে পায় না…

৩) আপনি এমন কাউকে ভাবেন যার
কল্পনাতেও আপনার কোন অস্তিত্ব নেই…

৪) আপনি এমন কারো জন্য কাঁদেন
যার
কিনা আপনার এক ফোঁটা চোখের জল
মুছে দেয়ার সময় পর্যন্ত নাই…
তবে সব থেকে কষ্টের মুহূর্ত হয় তখন –
যখন আপনি এমন কাউকে এত
বেশি ভালবাসেন যে অন্তত
একটা বার
একটা মুহূর্তের জন্য হলেও ভুল
করে হলেও
আপনাকে একটু ভালবাসার
প্রয়োজন অনুভব
করে না…. !!
আমি ঠিক এমন একজনকেই
ভালোবাসি
শ্রেয়া

কেউ দুঃখ

কেউ দুঃখ পেয়ে সুখী,,
কেউ দুঃখ দিয়ে সুখী,,
কেউ হাসতে পেরে সুখী,,
কেউ বেশি বেশি কথা বলে সুখী,,
কেউ কথা গুলা নিরবে শুনে সুখী,,
তবে কেউই প্রকৃত সুখী না,
কিন্তু অভিনয়ে সবাই সুখী..!!

এক মুঠো স্বপ্ন দিলাম

এক মুঠো স্বপ্ন দিলাম,
নিজের মত গড়িয়ে নিও;
এক মুঠো ভালোবাসা দিলাম,
যত্ন করে রেখো;
এক মুঠো কষ্ট দিলাম,
বেদনায় নীল হয়ে যেও;
এক ফুটো বৃষ্টি দিলাম,
মনটাকে ভিজিয়ে নিও;
এক মুঠো রঙ দিলাম,
পৃথিবীটাকে সাজিয়ে নিও;
এক মুঠো বাতাস দিলাম,
দীর্ঘ নি:শ্বাস নিও;
এক মুঠো রঙধনু দিলাম,
মনটাকে রাঙিয়ে নিও।

খুব সহজেই কাওকে ভুলা যায়না

খুব সহজেই কাওকে যেমন
ভালোবাসা যায় না…
তেমনি, খুব সহজেই কাওকে
কখনও ভুলাও যায়না।
যাকে ভালোবাসা যায়,
তার চোখের দিকে তাকালেই,
সমগ্র পৃথিবী দেখা যায়…
কিন্তূ সেই ভালোবাসার
মানুষটি যদি হারিয়ে যায়…..
তখন পৃথিবীর সব কিছুই তখন
অন্ধকারে ঢেখে যায়…..
__অবুঝ মনের ভালোবাসা
একটা মেয়ে একটি ছেলেকে

একটা মেয়ে একটি ছেলেকে যত
বেশী ভালোবাসে, তার
চোখের দিকে তাকাতে সে তত
বেশী লজ্জা বোধ করে।
আর একটা ছেলে একটা মেয়েকে যত
বেশী ভালোবাসে, তার
বেশী সে তার ভালোবাসার
মানুষটিকে হারানোর
ভয়ে ভীত থাকে

তোমার জন্য আমি

তোমার জন্য আমি আর কাঁদি না
কাঁদলেও চোখের পানি ঝরে না,
চোখের পানি ঝরলেও কষ্ট হয়না
কষ্ট হলেও আমি আর তোমাকে ভালবাসিনা।
ভালবাসলেও তোমাকে বলবো না
জানি, বললেও তুমি শুনবেনা,
শুনলেও, তোমার কিছুই আসে যায় না
কারণ আমি আজ নিঃস্ব…বড়ই নিঃস্ব ।।

যে ভালোবাসায় ভোলায়

যে ভালোবাসায় ভোলায়
মোরে মিছে আশায় ভোলায় না
সেই ত আমার প্রিয়।
যে দুঃখে সুখে দোলায়
মোরে কল্পনাতে দোলায় না
সেই ত আমার প্রিয়।
যে সকল ঝড়ের আঘাত
থেকে বাঁচায়
মোরে আগলে রেখে
প্রদীপ হয়ে নিজেই জ্বলে, আগুন
হয়ে জ্বালায় না
সেই ত আমার প্রিয়।
যে আপন হাতের পরশ দিয়ে অশ্রু
আমার দেয় মুছিয়ে
মনের মালায় বাঁধে আমায়
বনফুলের মালায় না
সেই ত আমার প্রিয়।

রিমঝিম রিমঝিম

রিমঝিম রিমঝিম এল রে শ্রাবণ
বরষা সিক্ত হল তপ্ত ভুবন।
অম্বরে গুরু গুরু, বাজে মেঘ ডম্বরু
বিজলী আলোক হেরি কাঁপে নীপবন।
গোপন গন্ধ কেয়া ছড়াল কাননে
অজানা বেদনা ভাসে পূবালী পবনে
বিরহিণী একা ঘরে, শূন্য শয্যা ’পরে
কম্পিত হিয়া তার শঙ্কিত মন।

মিষ্টি মেয়ে

মিষ্টি মেয়ে , চোখটি তোলো
প্রথম তোমার সাথে দেখা
আর এইতো প্রথম ভালো লাগা ।।
কপালেতে নীল টিপ দিয়েছো
লাগছে মন্দ নয় ।
অদূর কোনের এই হাসিটুকু
আবার কবে দেখবো, আবার
কবে দেখবো ।।
কবরীতে মাধবী সাজিয়ে
রাঙ্গিয়ে দিলে এ মন ।
স্বপ্ন বিভোর মোর এই দুটি চোখ
তোমায় শুধু খুঁজবে, তোমায় শুধু খুঁজবে
Share:

Love মানে ভালবাসা


"Love মানে ভালবাসা" এই শব্দটাকে ব্যবহার করা যায় সকলের ক্ষেত্রে। যেমন মায়ের ভালবাসা, বাবার ভালবাসা, শিক্ষকের ভালবাসা .....................। আমি এই সকল প্রকার ভালবাসার কথা বাদ দিয়ে শুধু সেই ভালবাসার কথা বলতে চাই যাকে বিভিন্ন পর্যায়ে বিভক্ত করে আবার একত্রিত করা হয় একসময় অথবা তার বিপরীত রূপ ধারণ করে। পর্যায়গুলোকে সাজানো যায় এভাবে, ১। দেখা-স্বাক্ষাত, যোগাযোগ, পরিচয় ২। বন্ধুত্ব ৩। আন্তরিকতা ৪। প্রেম ৫। ভালবাসা। যাক বিশ্লেষণ বা ব্যাখ্যা বাদ দিয়ে মূল কথাই বলি :

একটা ছেলে একটা মেয়েকে কতটা ভালবাসতে পারে-

১। ছেলে যদি সত্যিকার অর্থে ভালবাসে কোন মেয়েকে তাহলে সে যেকোন মূল্যে তাকে জীবন সাথী করার জন্য ব্যাকুল হয়ে যায়।

২। ভালবাসতে গিয়ে মন প্রাণ উজাড় করে দেয়।

৩। পৃথিবীর কোন বাধাই তাকে থমকে দিতে পারেনা।

৪। ঐ ভালবাসার মানুষটিকে পাওয়ার জন্য সে প্রয়োজনে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। তবুও অন্য কারো প্রতি সে আকৃষ্ঠ হবে না।

৫। প্রতিক্ষণ, প্রতিটি প্রহর সে শুধু ভালবাসার মানুষকে নিয়ে কল্পনা করতে থাকে। মন যেন মনের অজান্তেই ছুটে যায় তার পানে।



এখানে অবশ্যই লক্ষ্য করবেন আমি প্রথমেই বলেছি সত্যিকার ভালবাসার কথা। অনেকেই আছে ভালবাসার ধারেকাছেও নাই শুধু দুষ্টুমির তালে থাকে তাদের কথা এখানে বাদ। কিন্তু ছেলেরা তারা ভালবাসাকে পায়নি বলে বিয়ে করেনি সারা জীবন একা থেকেছে এমন উদাহরণ অনেক আছে।



একটা মেয়ে একটা ছেলেকে কতটা ভালবাসতে পারে-

১। মেয়েদের ভালবাসা সত্যিকার হউক আর অন্য যাই হোক তা সবসময়ই যেন কচুপাতায় রাখা জলের মত। যেকোন সময় কারণে অকারণে টুপ করে পড়ে যেতে পারে।

২। মেয়েরা সাধারণত লোভী প্রকৃতির হয়ে থাকে এছাড়া খুব তাড়াতাড়ি মনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে নিতে পারে।

৩। মেয়েরা চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল করে দিতে পারে প্রাণের মানুষকে। অনেক সময় একজনের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রেখেই অন্য কারো সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে।

৪। অভিভাবকদের চাপে অথবা পরিবেশের প্রতিকূলতার জন্য সব কিছু উজার করে দেয় মনের মানুষকে ত্যাগ করতে পারে।

৫। ভালবাসার মানুষকে অন্য কারো ঢং, তামাসার অথবা মিথ্যা কথায় সন্দেহ করা শুরু করে দেয় এমনকি ভালবাসার মানুষের অন্তরে আঘাত দিয়ে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করে না।



তবে সকল ক্ষেত্রে তা সঠিক নাও হতে পারে। আমার অভিজ্ঞতার আলোকে আমি দেখেছি মেয়েরা ৯৯.৯৯% এরকম। জানিনা আপনারা একমত পোষণ করবেন কিনা।
Share:

ভালবাসা দিবস কি What is love day

 ভালবাসা দিবস কি

ভালবাসা দিবস কি

বিশ্ব ভালবাসা দিবস কি : এক নোংরা ও জঘন্য খারাপ ইতিহাসের স্মৃতিচারণের নাম বিশ্ব ভালবাসা দিবস। এ ইতিহাসটির বয়স সতের শত সাঁইত্রিশ বছর হলেও ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’ নামে এর চর্চা শুরু হয় সাম্প্রতিক কালেই এখনো চলছে। দুই শত সত্তর সালের চৌদ্দই ফেব্রুয়ারির কথা। তখন রোমের সম্রাট ছিলেন ক্লডিয়াস। সে সময় ভ্যালেন্টাইন নামে একজন সাধু, তরুণ প্রেমিকদেরকে গোপন পরিণয়-মন্ত্রে দীক্ষা দিত। এ অপরাধে সম্রাট ক্লডিয়াস সাধু ভ্যালেন্টাইনের শিরশ্ছেদ করেন। তার এ ভ্যালেন্টাইন নাম থেকেই এ দিনটির নাম করণ করা হয় ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ যা আজকের ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’।

বাংলাদেশে এই দিবসটি পালন করা শুরু হয় ১৯৯৩ইং সালে। কিছু ব্যবসায়ীর মদদে এটি প্রথম চালু হয়। অপরিণামদর্শী মিডিয়া কর্মীরা এর ব্যাপক কভারেজ দেয়। আর যায় কোথায় ! লুফে নিচ্ছে  বাংলার তরুণ-তরুণীরা। এরপর থেকে ঈমানের ঘরে ভালবাসার পরিবর্তে ভুলের বাসা বেঁধে দেয়ার কাজটা যথারীতি চলছে। আর এর ঠিক পিছনেই মানব জাতির আজন্ম শত্রু শয়তান এইডস নামক মরণ-পেয়ালা হাতে নিয়ে দাঁত বের করে হাসছে। মানুষ যখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস সম্পর্কে জানত না, তখন পৃথিবীতে ভালবাসার অভাব ছিলনা। আজ পৃথিবীতে ভালবাসার বড় অভাব। তাই দিবস পালন করে ভালবাসার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়! আর হবেই না কেন! অপবিত্রতা খারাপ কাজে আর শঠতার মাঝে তো আর ভালবাসা নামক ভালো বস্তু থাকতে পারে না। তাই আল্লাহ তা‘আলা মানুষের হৃদয় থেকে ভালবাসা উঠিয়ে নিয়েছেন।

বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে চেনার জন্য আরও কিছু বাস্তব নমুনা পেশ করা দরকার। দিনটি যখন আসে তখন শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তো একেবারে বেসামাল হয়ে উঠে। নিজেদের রূপা-সৌন্দর্য উজাড় করে প্রদর্শনের জন্য রাস্তায় নেমে আসে। শুধুই কি তাই ! অঙ্কন পটীয়সীরা উল্কি আঁকার জন্য পসরা সাজিয়ে বসে থাকে রাস্তার ধারে। তাদের সামনে তরুণীরা পিঠ, বাহু আর হস্তদ্বয় মেলে ধরে পছন্দের উল্কিটি এঁকে দেয়ার জন্য। তারপর রাত পর্যন্ত নীরবে-নিবৃতে প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে খোশ গল্প। এ হলো বিশ্ব ভালবাসা দিবসের কর্মসূচি! বিশ্ব ভালবাসা দিবস না বলে বিশ্ব বেহায়াপনা দিবস বললে অন্তত নামকরণটি যথার্থ হতো।
Share:

Valentine দিবস এর আসল ইতিহাস কি? এটা কি প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের নাকি সব ধরনের ভালবাসা প্রকাশের একটি প্রতীকি দিন?

 Valentine দিবস

Valentine দিবস এর আসল ইতিহাস কি? এটা কি প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের নাকি সব ধরনের ভালবাসা প্রকাশের একটি প্রতীকি দিন?

ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে (সংক্ষেপে ভ্যালেন্টাইন'স ডে) একটি বার্ষিক উৎসবের দিন যা ১৪ই ফেব্রুয়ারি প্রেম এবং অনুরাগের মধ্যে উদযাপিত করা হয়। এই দিনে মানুষ তার ভালোবাসার মানুষকে ফুল, চিঠি, কার্ড, গহনা প্রভৃতি উপহার প্রদান করে দিনটি উদ্‌যাপন করে থাকে। ২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন'স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট ২য় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন। তাই এটা আক্ষরিক অর্থে মূলত প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের দিন, কিন্তু যেহেতু একজন মানুষের ভালবাসার ব্যাপ্তি তার আশেপাশের অনেক প্রিয়জন ঘিরে বিস্তৃত, তাই আজ ভালবাসা দিবস সার্বজনীন।

সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে বা ভালোবাসা দিবস মূলত ১৪ই ফেব্রুয়ারি উদ্‌যাপন করা হয়। ইতালির রোম-এ ২৬৯ সালে একজন পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন।খৃষ্টান ধর্ম প্রচার করার অভিযোগে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন।বন্দী অবস্থায় জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করেন।এতে জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স কে রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস মৃত্যুদণ্ড দেন।দিনটি ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারি।৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন।আক্ষরিক অর্থে প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের দিন হলেও মূলত ভ্যালেন্টাইন'স ডে একটি সার্বজনীন দিবস।

প্রাচীন যুগে রোমানদের ধর্ম ছিল প্যাগান ধর্ম এবং তারা বিভিন্ন দেবতাদের পুজা করতো। লুপারকাস ছিল তাদের বন্য পশু দেবতা। এই দেবতার প্রতি ভালবাসা জানিয়ে তারা ‘লুপারক্যালিয়া’ (Lupercalia) নামক পুজা উৎসব করতো। এই ‘লুপারক্যালিয়া’ উৎসব আগে ফেব্রুয়া (Februa) নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের উৎপত্তি। রোমানরা এই ‘লুপারক্যালিয়া’ পুজার উৎসব ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়াতে পালন করতো যার মূল দিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়া বা ফেব্রুয়ারী। এই পুজার প্রধান আকর্ষণ ছিল লটারি। বিনোদন ও আনন্দের জন্য যুবকদের মাঝে যুবতীদের বণ্টন করে দেয়াই ছিল এ লটারির উদ্দেশ্য। পরবর্তী বছর আবার নতুন করে লটারি না হওয়া পর্যন্ত যুবকেরা তাদের জন্য বরাদ্দ মেয়েদের এক বছর ভোগ করার সুযোগ পেত। এই ‘লুপারক্যালিয়া’র দিনে আরেকটি প্রথা ছিল। এদিন তারা ছাগল ও কুকুর তাদের দেবতাদের জন্য উৎসর্গ করত... আর উৎসর্গিত ছাগল ও কুকুরের রক্ত গায়ে মেখে তাদেরই চামড়ার পোশাক ও চাবুক বানিয়ে যুবকরা ঐ চাবুক দিয়ে যুবতীদের আঘাত করতো। তাদের বিশ্বাস ছিল এতে যুবতী নারীদের গর্ভধারণ ক্ষমতা বেড়ে যায়। রোমান শাসকেরা একসময় তাদের প্যাগান ধর্ম পরিবর্তন করে খ্রিষ্টানধর্ম গ্রহন করে। ধর্ম গ্রহণ করলেও তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য জনগনের প্যাগান সংস্কৃতি ঠিক রেখে তা খ্রিস্টধর্মের ব্যানারে নিয়ে যায়। যেমন Sunday তে রোমান প্যাগানরা তাদের Sun God এর পুজা করতো। খ্রিষ্টান হওয়ার পর তারা Sunday কেই তাদের খ্রিষ্টান ধর্মের উপসনার দিন বানিয়ে নেয়। ভ্যালেন্টাইন নামক এক পাদ্রি ছিল, তিনি তৃতীয় দশকে রোমে মারা গিয়েছিলেন... আর তার মৃত্যু দিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্যাগানরা ১৪ ফেব্রুয়ারিতে লুপারক্যালিয়া পালন করত, আর খৃষ্টানররা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত পাদ্রি ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যু দিবস হিসেবে। যাই হোক, মানুষের মাঝ থেকে প্যাগান ধর্মের চিহ্ন মুছে ফেলতে গেলাসিয়াস নামের খ্রিষ্টান পোপ এবার রোমান গড লুপারকাস এর বদলে খ্রিষ্টান পাদ্রী সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন এর নামে ১৪ ফেব্রুয়ারীকে ভ্যালেন্টাইন ডে ঘোষণা করে। তখন প্যাগানদের লুপারক্যালিয়াই রূপান্তর হয় খ্রিস্টানদের ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ তে। ''সংগৃহীত'' (https://www.facebook.com/nari.meye/posts/1798425737073749) সে হিসেবে এটি আসলে পুজোর একটি দিন, যাতে যুবক-যুবতীদের উল্লাস করার কথা।
Share:

কাছে থেকেও আজ তুমি কত দূরে

 কাছে থেকেও আজ তুমি কত দূরে

কাছে থেকেও আজ তুমি কত দূরে
কাছে থেকেও আজ তুমি কত
দূরে
কি বলব? কিছুই না……….
“আরি !মেয়েটা নিজের প্রফাইল
পিকচার দিছে !
ওয়াও !”
কমেন্ট করলাম ।
“NICE”
৫ মিনিট পর দেখলাম notification
আসছে একটা . . চেক করলাম ।
মেয়েটা কমেন্ট করেছে ।
“thanks”
একটা স্মাইল সিমবোল দিয়ে দিলাম ।
মেসেজ দিলাম ।
বললাম
“ফাটাফাটি একটা ছবি দিছো ।”
রিপ্লাই সাথে সাথেই এল ।
“হুম । আর পাম দেয়া লাগবে না”
খুব মজা পেলাম ।
এভাবেই ১0-১৫ দিন ফেসবুক এ মেসেজ
আদান
প্রদান চলল ।
একদিন হটাত্ ওর নাম্বার টা চাইলাম ।
সে জানতে চাইলো “কেন নাম্বার
কেন !”
বল্লাম “তোমাকে ডিস্টার্ব করব ।
তাই”
সে হেসে দিল ।
নাম্বার দিল ।
প্রথমবার এর মত কখা শুনলাম তার ।
অবাক হয়ে গেলাম । এত সুন্দর কন্ঠ !
আমি খুব ফান করতাম তার সাখে ।
আর সে শুধু হাসতো ।
ও হাসার সময় শুধু ওর হাসি টাই শুনতাম ।
এত সুন্দর করে যে কোন মানুষ
হাসতে পারে জানা ছিল না ।
আমাদের মধ্যে সারাদিন মেসেজ
চ্যাটিং হত ।
ও খুব বৃষ্টি পছন্দ করতো ।
আর আমি !
ওকে বলতাম . . .
“বৃষ্টি আবার কারো পছন্দ হয় নাকি !”
ও ঐ দিন খুব এক চোট হাসল ।
ওর কথাতেই জীবনে প্রথম বার এর মত
নিজের
ইচ্ছায় বৃষ্টিতে ভিজলাম ।
অদ্ভুত অনূভূতি হল ।
ওকে ওই দিন ফোন করে বললাম
“জানো ?
আজকে বৃষ্টিতে ভিজছি ।”
সে তো হাসতে হাসতে অবস্থাই
খারাপ করে ফেলল ।
ওই দিন বলেই ফেললাম
“হাসলে তোমাকে খুব সুন্দর
লাগে”
সে বলল “এই তুমি আমারে দেখছো ?
না দেখে কিভাবে বললা ?”
আমি বললাম “আমার মনের
মাঝে তোমার
একটা ছবি আকা আছে ।”
সে আবার ও হাসতে থাকল ।
আর আমি মুগ্ধ হয়ে শুনলাম ।
কতো যে কষ্টের রাত ওর
সাথে কথা বলে কাটিয়েছি !
কষ্টে থাকলেই ওর সাথে কথা বলতাম ।
কথা বলা শেষে অবাক হয়ে দেখতাম
মন ভাল
হয়ে গেছে ।
২.
২ দিন হল সে ফোন দেয় না । মেসেজ ও
দেয় না ।
অস্থির লাগতেছে ।
ও অবশ্য বলছিল যে ও সিম টা চেন্জ
করবে কারন
তাকে অনেকে ডিসটার্ব করে ।
তাই বলে ৪৮ ঘন্টা !
ভীষন অভিমান হল ।
সন্ধায় তার ফোন আসলো ।
সব রাগ অভিমান তার উপর
একসাথে প্রয়োগ
করলাম ।
সে কষ্ট পেল ।
তার চেয়ে বেশি কষ্ট পেলাম আমি ।
তাকে সরি বললাম । ওই দিন আর
সে কথা বলল না ।
ভীষন কষ্ট হল ।
৩.
ছোটবেলা থেকেই আমার
মাথা ব্যথা ।
ইদানিং ওটা বেড়েছে ।
অনেক মাথা ব্যথা করলে একসময় নাক মুখ
দিয়ে ব্লিডিং হয় । অনেক ডাক্তার
দেখাইছি । কিন্তু সবাই
বলে প্রবলেমটা মাথা ব্যাথা থেকেই
হয় ।
একদিন খবর পেলাম
অস্ট্রেলিয়া থেকে একজন
ডাক্তার এসেছেন ।
ওনাকে দেখাতে ঢাকা
গেলাম । ওর সাথে এই কারনে ২-৩ দিন
কথা হল
না ।
আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল ।
ডাক্তার আমাকে বলল
যে উনি অস্ট্রেলিয়া থেকে আবার
কয়েকমাস পর
আসবেন । তখন
তিনি আমার টেস্টের রেজাল্ট
গুলো দিবেন ।ডাক্তার
আমার মাথা থেকে বুক
পর্যন্ত সিটিস্ক্যান করিয়ে রিপোর্ট
টা নিজের
সাথে নিয়ে গেল ।
এত ঝামেলার জন্য ওর
সাথে কথা বলতে পারি নি ।
এর আগে কখনো মনে হয়নি । কিন্তু ওই
দিন
মনে হয়ছিল যে ওকে আমি অনেক
অনেক ভালবাসি ।
৩.
রাতে ওকে ফোন দিলাম ।
ভেবেছিলাম ও রেগে যাবে । অবাক
হয়ে গেলাম যখন ও
বললো “কই ছিলা ? আমার কথা
কি মনে পরে নাই ? কি হইছে তোমার ?”
আমি ওকে আসল কথাটা বলতে চাই নি ।
আমি জানি না কিভাবে যেন
সে বুঝে ফেলল
আমি মিথ্যা বলতেছি ।
শেষ পর্যন্ত বলতেই হল ।
কথাটা সে হয়তো ভুলে গেল । কিন্তু
আমার এই
প্রবলেমটা বাড়তেই থাকল ।
আমি খেলতে খুব পছন্দ করি । সেটা ও
জানে । কিন্তু
খেলার সময় আমি ব্যথা
পেতাম । আর ও
কিভাবে জানি বুঝে ফেলত ।
কয়েকদিন খুব বকা দিত । কিন্তু যখন বুঝল
আমাকে থামাতে পারবে না । তখন শুধু
বলল “প্লীজ লক্ষী । একটু
দেখে খেইলো ।”
আমি ওর এধরনের কথা শুনে খুব হাসতাম ।
ওর সাথে খুব মজা করতাম ।
আর ও আমাকে একটা মোহের
মধ্যে রাখত ।
৪.
একদিন রাতে সাহস করে বলেই
ফেললাম মনের কথা ।
মেসেজে বলেছিলাম কারন কল করে
বলার মত সাহস ছিল না । অনেকক্ষন পর
একটা মেসেজ আসল । যেটার মূল
কথাটা ছিল
যে সে আমাকে ভাল একজন ফ্রেন্ড
হিসেবে পেতে চায়
। ওই দিন খুব কষ্ট হইছিল ।
বুঝ হবার পর ওই দিন ই প্রথম চোখ
দিয়ে অঝোর
ধারায় পানি পরেছিলো ।
কয়েকদিন কথা বলিনি ওর সাথে । ও
প্রতিদিন ই কল
করতো আমাকে । সিদ্ধান্ত নিলাম
সে আমাকে যেভাবেই চায়
সেভাবেই থাকবো । ওর
জন্য ভালবাসাটুকু আমার বুকেই
জমা থাকুক ।
আবার আগের মত হয়ে গেলাম ।
আমার সাথে পরিচিত হওয়ার আগে ওর
অনেক
ফ্রেন্ড ছিল ।
কিন্তু আস্তে আস্তে ওর ফ্রেন্ড এর
সংখ্যা কমতে থাকল । ও আমার সাথেই
সব
শেয়ার করতো ।
আমি নিজেকে আস্তে আস্তে গুটিয়ে ন
িতে থাকলাম ।
কারন যখন সে
আর একটা ছেলের সাথে এভাবেই
কথা বলবে তখন
আর আমাকে মনে থাকবে না । তাই
নিজের কষ্ট গুলো নিজের ভিতরেই
লুকিয়ে রাখতাম ।
৫.
রোজা এসে গেল ।
অস্ট্রেলিয়া থেকে ডাক্তার এল ।
আমি একাই
ডাক্তার এর
সাথে দেখা করতে গেলাম ।
ডাক্তার আমাকে রিপোর্ট
গুলো দেখাতে চাইলো না প্রথমে ।
পরে অনেক চাপাচাপির পর আমার
হাতে দিল ।
রিপোর্ট টা পরলাম । ওখানে লেখা
ছিল কোন এক অজ্ঞাত কারনে আমার
ঘাড়ের
কাছে দুটো রগ জরিয়ে গেছে একটা
আরেকটার সাথে ।
অপারেশন প্রয়োজন । কিন্তু অপারেশন
টা খুব
রিস্কি । বাচার সম্ভাবনা ৫০-৫০
। আর অপারেশন টা না করলে আমার
জীবন আর
বড়জোড় ৫ বছর ।
মন ভেঙ্গে গেল ।
আব্বা আম্মা কে জানাতে পারলাম
না ।
আব্বা আম্মা এখনো জানেন নাহ ।
আমার
চাচা যেহেতু ডাক্তার শুধু ওনি আর
আমার কিছু
কাছের বন্ধু কে জানালাম বিষয়
টা ।
এত রাগ লাগতেছিলো ! ভেবেছিলাম
ভাল কোন
জায়গায় টিকার পর আমার স্বপ্নের
মানুষ
টাকে নিজের করে নিবো । তখন
সে আর
মানা করতে পারবে না । কিন্তু আমার
স্বপ্ন
শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল ।
রাগে দুঃখে মোবাইল , সিম সব
ভেঙ্গে ফেললাম । ওর
সাথে যোগাযোগ বন্ধ ।
কিন্তু ঈদের কিছুদিন আগে আর
থাকতে পারলাম না ।
নতুন একটা সিম থেকে কল
দিলাম । সে ফোন ধরে অনেক কথাই
বললো ।
বললো আমি নাকি ওর সাথে আর
কনটাক্ট
রাখতে চাই না ।
আর সামলাতে পারলাম না ।
কি হলো কিছুই বুঝলাম
না ।
ওকে গড়গড় করে সব বলে দিলাম । কিন্তু
সে ভাবল
হয়তো আমি মজা করতেছি ।
আমার পক্ষে সিমটা ২৪
ঘন্টা খোলা রাখা সম্ভব
না । আমি সিম টা খুলি শুধু ওর
কথা ওর হাসি শোনার জন্য ।
ওটা দিয়ে শুধু ওকেই
ফোন করি আমি ।
আজকে সকালে ফোন দিলাম ।
অনেকবার । ও
ধরলো না ।
আমি জানি ও প্রবলেম ছাড়া সবসময় ই
ফোন রিসিভ
করে । কিন্তু আজকে আমার কি হল
বুঝলাম না । অনেক
উল্টা পাল্টা কথা বলে ফেললাম
। ওকে মেসেজ দিয়ে বললাম
“আমাকে ভুলেই গেলা ? অবশ্য আর
তো মাত্র
কয়েকদিন”
মেসেজটা সেন্ড করে ফোন অফ
করে দিলাম ।
বিকালের দিকে খুব খারাপ লাগা শুরু
করলো ।
মনে হল ওর
সাথে কথা বললে হয়তো ভাল
লাগবে ।
ফোন দিলাম ধরলো না । বুঝলাম রাগ
করছে আমার
সাথে । সন্ধায় ওকে মেসেজ দিয়ে
বললাম “আমার খুব খারাপ লাগতেছে ।
তোমার
সাথে কথা বলার ইচ্ছা ছিল”
মেসেজ সেন্ড হল নাকি হল না দেখার
টাইম পেলাম
না । এর আগেই শুরু হল
ব্লিডিং । তারপর আর কিছু মনে নেই ।
সেন্স আসল । চাচা আমার পাশে বসা ।
আম্মা আব্বা বাড়িতে গেছে । একটু পর
চাচা চলে গেল । আমার ছোট ভাই আসল
একটু পর ।
এসে ফোন টা দিয়ে বলল আমার ফোন

আমি তখন ও পুরোপুরি ঠিক না । ও যে কল
দিছে বুঝতে টাইম লাগল ।
ও জানতে চাইল যে আমার কি হইছে ।
বললাম কিছু না । ও কেদে ফেলল ।
অবাক হলাম । ওর
কান্না কখনো শুনি নি । ধক
করে উঠলো বুক টা । অনেক
কষ্টে ওকে শান্ত
করে ফোন কাটলাম ।
কারেন্ট চলে গেল ।
অন্ধকারে শুয়ে শুয়ে ভাবতে থাকলাম
“কেন কাদল
সে ? তাহলে
কি সে আমাকে পছন্দ করে ?
নাকি শুধুই Sympathi ?”
যাই হোক । অনেক দেরি হয়ে গেছে ।
গান শুনতেছিলাম একটা . . .
গানের কথাগুলো আমার মনের কথার
সাথে মিলে গেল . .
” হাসতে গেলে এখন আমার
চোখে আসে পানি ,
কখন জানি হটাত্ আবার চোখের রক্ত
ঝরে ,
সৃষ্টি হবে অন্য রকম একটি গল্প আজ ,
আলোর
নিচে সাজবো আমি অন্ধকারের সাজ

দেখো আবার আসে না যেন তোমার
চোখে পানি ,
হটাত্
করে দেখবে তুমি হারিয়ে গেছি আমি ।

(আমার হাতে সময় আসলেই খুব কম । তার
পর ও
আমি বাচতে চাই । জানি না সে
আমাকে ভালবাসে কিনা । কিন্তু
আমি তার
স্মৃতি নিয়েই থাকতে চাই।
Share:

যে মেয়েকে সবাই বিয়ে করতে পাগল – জেনে নিন কেন ! This girl is crazy to marry all - Find out why!

 এই মেয়েটিকে সবাই বিয়ে করতে পাগল – জেনে নিন কেন !  This girl is crazy to marry all - Find out why!


যে মেয়েকে সবাই বিয়ে করতে পাগল – জেনে নিন কেন !
This girl is crazy to marry all - Find out why!

বলা যেতে পারে নেট দুনিয়ায় তরুণারা তাকে ‍বিয়ে করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। কিন্তু এমন কি আছে ২০ বছর বয়সী এই তরুণীর মাঝে যার জন্য সবাই তাকে বিয়ে করতে পাগল হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য মিরর জানায়, তেমন আহামরি কিছুই নেই তার এমন কি একটি হাতও নেই। তারপরেও তার জন্য পাগল তরুণেরা। লরেন নামের এই মেয়েটি বেশে হাসিখুশি এবং প্রাণবন্ত স্বভাবের।

তার হিউমার সেন্স খুব ভালো, যে কাউকে হাসাতে পারেন তিনি। এই যোগ্যতা কম কিসের। কজন মানুষ অন্য মানুষকে হাসাতে পারে? মানুষকে হাসাতে পারাটাও একটা বিশেষ যোগ্যতা।

সম্প্রতি লরেন তার একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন টুইটারে। ছবিটি প্রকাশের পরপরই ভাইরাল হয়। তরুণেরা এসে ছবির নিচে কমেন্টস করে বলেন. ‘আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই। যদি সম্ভব এখনই।’
অন্য আরেক তরুণ লিখেন, ‘আমি অবশ্যই বিয়ে করবো তোমাকে।’ এতো গেলো দুজনের উদাহারণ। এমন আরো অনেকেই লাইনে আছেন যারা বিয়ে করতে চান যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ডিয়েগোর এই বাসিন্দাকে।
জানা যায়, মর্মান্তিক মোটর বাইক দুর্ঘটনায় লরেন তার একটি হাত হারান। যদিও ঐ দুর্ঘটনায় লরেনের বেঁচে থাকার কোন আশাই ছিল না। তবে এ নিয়ে লরেন মোটেও মন খারাপ করে বসে নেই। তিনি আর সবার মতই বেশ আনন্দ নিয়ে স্বাভাবিক দিন কাটাচ্ছেন।
Share:

জেনে রাখুন মেয়েদের কিছু গোপন কথা Know some girls' secret things

 জেনে রাখুন মেয়েদের কিছু গোপন কথা  Know some girls' secret things

জেনে রাখুন মেয়েদের কিছু গোপন কথা

একটি মেয়ে সম্পর্কে জানা খুবই কষ্টসাধ্য। কেননা তারা নিজেকে বেশ লুকিয়ে রাখতে এবং তাদের চারপাশে একটি রহস্যময় পরিবেশ তৈরী করতে পছন্দ করেন। আপনি একজন পুরুষ হয়ে একজন নারীকে যতই বুঝতে চাননা কেন শেষতক দেখবেন আপনি কিছুই জানেন নি।

কিন্তু চিন্তা কি? আমরা এমন কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরবো যা দ্বারা আপনি মেয়েদের নিজস্ব গুনাগুন সম্পর্কে জানতে পারবেন -


মেয়েরা সাধারনত তাদের মেয়ে বন্ধুদের সাথে রাতে পার্টি করতে পছন্দ করে যা পুরুষদের জন্য রেস্ট্রিক্টেড।


মেয়েরা সাধারণত বলে তাঁরা ডাইটিং এ আছে, কিন্তু এটা খুব কমই হয়।


মেয়েরা সাধারণত রোমান্টিক ছবি দেখতে বেশী ভালবাসে। কোন করুন দৃশ্যের সময় এদের চোখ দিয়ে পানি টপটপিয়ে পড়তে থাকে।


মেয়েরা একটু নির্জন থাকার জন্য যে কোন প্লান বাদ দিতে পারে।


মেয়েদের মেজাজ খুব অল্পতেই বিগড়ে যায় যদি তাদের নখ পালিশ করার সময় একটু ভুল হয়ে যায়।


সাধারণত পুরুষদের চোখে চোখে পড়া এড়াতে মেয়েরা চশমা ব্যবহার করে বেশী।


প্রত্যেকটা মেয়ে মেইক আপ এর জন্য একটু বিশেষ সময় নিয়ে থাকে


মেয়েরা যদি দেখে কোন মেয়ে তার চেয়ে বেশী সুন্দর ড্রেস পড়েছে তাহলে তারা একটা ঈর্ষা পূর্ণ দৃষ্টিতে তার দিকে তাকায়।


মেয়েরা আর যাই করুক অপেক্ষা করতে পছন্দ করে না


মেয়েরা বিশ্বাস করে কুকুর তাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আর তারা তাদের এই পালিত বন্ধুর সাথে ভাল সময় কাটাতে চায়।
Share:

নারীদের যে গোপন বিয়য় গুলো ছেলেদের কখনো জানায় না Girls never tell secret girls

 নারীদের যে গোপন বিয়য় গুলো ছেলেদের কখনো জানায় না Girls never tell secret girls

নারীদের যে গোপন বিয়য় গুলো ছেলেদের কখনো জানায় না
Girls never tell secret girls

premik রা কি তাদের প্রেমিকার সম্পর্কে সব কিছু জানতে পারে? সম্পর্ক যত দীর্ঘ সময়ের হোক না কেন প্রেমিকার মনের সব গোপন কথা প্রেমিক কখনোই জানতে পারবে না এ কথা হলফ করে বলা যায়। মেয়েদের কিছু কিছু সিক্রেট থাকে যেগুলো তারা কাউকেই বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না।

বিশেষ করে তারা কিছু বিষয় ভুলেও প্রেমিককে জানায় না। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রেমিকাদের সেই ৬টি সিক্রেট বিষয়গুলো তারা প্রাণপণে লুকিয়ে রাখে প্রেমিকদের কাছ থেকে।

আসল বয়স
মেয়েদের আসল বয়স জানা আসলেই কঠিন। আসল বয়সটা ঠিক কত এটা বেশিরভাগ মেয়েরাই তার প্রেমিককে বলতে চায় না। এমনকি অনেক মেয়ে তার সবচাইতে কাছের মেয়ে বান্ধবীকেও নিজের আসল বয়স বলতে দ্বিধা বোধ করে। তাই নিজের প্রকৃত বয়সের চাইতে কয়েক বছর কমিয়ে বলার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায় অনেকের মধ্যেই। বয়স বললেই বুড়িয়ে যাবেন এমনটাই মনে করেন বেশিরভাগ নারী।

প্রেমের সংখ্যা
প্রেমিকার পূর্বে কত গুলো প্রেম ছিলো এটা জানাটা প্রেমিকদের জন্য মোটামুটি অসম্ভব একটি ব্যাপার। কারণ কোনো নারীই নিজের জীবনের সঠিক প্রেমের সংখ্যা বলে না কাউকে। প্রেমিককে তো একেবারেই নয়। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ নারীই তাদের প্রেমিকের কাছে বলে থাকে যে এটাই তার জীবনের প্রথম প্রেম।


কুমারীত্ব
বর্তমান সমাজে নৈতিক অবক্ষয়ের কারনে অনেক মেয়েই বিয়ের আগেই কুমারীত্ব হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু পরবর্তিতে দেখা যাচ্ছে সেই সম্পর্কটি টিকছে না এবং অন্য কোথাও বিয়ে করছে তারা। প্রেমিক কিংবা স্বামী যদি কুমারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন করে তাহলে প্রায় সব মেয়েই কুমারীত্ব হারানোর বিষয়টি অস্বীকার করে কিংবা এড়িয়ে যায়, কিংবা বানোয়াট একটা কাহিনী বলে। কখনোই স্বীকার করে না যে ব্যাপারটি তার মর্জিতেই হয়েছে।

প্রেমের প্রস্তাব
বেশিরভাগ নারীরাই মনে করেন যে প্রেমের প্রস্তাবের সংখ্যা যার যত বেশি সে তত বেশি সুন্দরী ও যোগ্য। আর তাই নিজের প্রেমিকের কাছে অনেক মেয়েই প্রেমের প্রস্তাবের সংখ্যাটা বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলে থাকে। জীবনে একটি প্রেমের প্রস্তাব না পেলেও অনেকেই সেটাকে বাড়িয়ে অনেক গুলো প্রেমের প্রস্তাব পাওয়ার কথা বলে থাকেন।

বাবার সম্পত্তি
মেয়েরা বাবার সম্পত্তি নিয়ে বেশ কিছু বিষয় প্রেমিকের কাছে সিক্রেট রাখে। অধিকাংশ মেয়ের ধারণা যে যার বাবার যত বেশি সম্পদ, প্রেমিকের কাছে তার দাম তত বেশি। আর এই ধারণার কারনেই বেশিরভাগ প্রেমিকা তার প্রেমিকের কাছে বাবার ধন সম্পদের বিবরণটা কিছুটা রঙ-চং মাখিয়ে বাড়িয়ে বলে থাকে। অর্থাৎ প্রেমিকার বাবার প্রকৃত আর্থিক অবস্থার বিষয়টি অনেক প্রেমিকই জানতে পারে না।

মেকআপ সিক্রেট
মেয়েরা মেকআপ করতে ভালোবাসে এই কথা সবাই জানে। কিন্তু তার পরেও বেশিরভাগ মেয়েই এই বিষয়টি স্বীকার করতে চায় না প্রেমিকের কাছে। অধিকাংশ মেয়েই প্রেমিকের কাছে বলে যে তারা খুব সাধারণ ভাবে মেকআপ ছাড়া থাকতেই ভালোবাসে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা প্রেমিকের সাথে দেখা করার সময় হালকা করে হলেও মেকআপ করে আসে।
Share:

মেয়েরা ছেলেদের কাছে যে ৪ টি বিষয় গোপন করে Girls hide the four things that boys have


 মেয়েরা ছেলেদের কাছে যে ৪ টি বিষয় গোপন করে  Girls hide the four things that boys have
মেয়েরা ছেলেদের কাছে যে ৪ টি বিষয় গোপন করে

যতই লিঙ্গ-সাম্যের প্রশ্ন নিয়ে কথা হোক না কেন, মেয়েদের ভুবনের একান্ত পরিসরগুলোতে পুরুষের প্রবেশ কিন্তু আজও  নিয়ন্ত্রিত। মেয়েদের এমন কিছু গোপন কথা রয়েছে, যা তারা কখনওই পুরুষের সঙ্গে শেয়ার করেন না। পুরুষরাও সচরাচর এই সব প্রসঙ্গের অবতারণা মেয়েদের সঙ্গে করেন না। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে মেয়েদের গোপন সেই রকম ৪টি বিষয়ের কোঠা উল্লেখ করা হল-

১। তারা কাকে ঈর্ষা করেন, একথা মেয়েরা কখনওই স্পষ্ট করে জানান না। যদি তাদের কোনও ঘনিষ্ঠজন বিষয়টির অবতারণা করেন, তারা সরাসরি তা অস্বীকার করেন। 

২। কয়েকটি প্রসাধন, বিশেষ করে ওয়াক্সিংয়ের মতো বিউটি ট্রিটমেন্টের কথা মেয়েরা পুরুষের কাছে চেপে যান। অবাঞ্ছিত লোমনাশন আজও এক ‘গোপন’ কর্ম।

৩। মাথায় চুল পাকলে তাকে কালো বা স্বাভাবিক রংয়ে রাঙিয়ে নেওয়া তেমন কোনও ব্যাপারই নয় আজ। তবু, কোনও নারী স্বীকার করতে চান না, চুলের কলপ-রহস্য।

৪। সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে কিছু অস্বস্তি হতেই পারে। কিন্তু প্রেমিকা বা সঙ্গিনী সেটা রীতিমতো চেপে যান। দাঁত চেপে সহ্য করেন। যেমন-সঙ্গীর গায়ের অথবা নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ।

ওপরের মন্তব্য বা মতামত তর্কের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু এতে কেউ দয়া করে মেয়েদের হেয় করার পথ খুঁজবেন না। একথা না মেনে উপায় নেই, মেয়েদের এই তথাকথিত স্বভাবগুলি পুরুষতান্ত্রিক সমাজেরই তৈরি। এর উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ। মেয়েরা এই কথাগুলি মুখ ফুটে না বললেও পুরুষ সবই জানে।
Share:

কম বয়সি মেয়েরা রসগোল্লার মত


মেয়েদের নিয়ে কিছু উক্তি

১)বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের চুইংগামের মত চাবাতে ইচ্ছে করে
                    (হুমায়ন আজাদ)
২)একটা মেয়ে যাকে ইচ্ছা মন দিতে পারে,তাকে শরিরটা দেওয়াও কিছুই নয়,এই শরিরে আছে কি?(বুদ্ধদেব গুহ)
৩)মেয়েদের সম্মান মেয়েদের কাছেই কম(রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর)
৪)কম বয়সি মেয়েরা রসগোল্লার মত,যেখানে রাখবে সেখানেই পিপড়ে ধরবে(শংকর)

এরাই আবার নারি অধিকার নিয়ে কথা বলে,এরা তো নিজেরাই নারি বিরোধি উক্তি দিয়েছে

আপনারা কি বলেন?
Share:

বিয়ে নিয়ে মজার মজার কিছু উক্তি দেখুন Interesting quotes about marriage


বিয়ে নিয়ে মজার মজার কিছু উক্তি


বিয়েকে দিল্লিকা লাড্ডু বলে যতোই ভয় দেখানো হোক না কেন, বিয়ের হার কিন্তু দেমন কমেনি। আমাদের দেশে হাজার হাজার বিয়ে সংক্রান্ত কৌতুক আছে। বিয়ে নিয়ে রয়েছে মজাদার রসালাপ চিরন্তন! সেরকম কিছু মজাদার উক্তি, তেমনি অনেক গুণী ব্যক্তিরাও বিয়ে নিয়ে বলে গেছেন অনেক কথা। কম বিশেষ কিছু উক্তি:

● সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে একটু ভালোবাসা, একটু আদর, একটু কোমলতা পাওয়া– একে এক কথায় কি বলে বলতে পারেন? একে বলে আপনি ভুল বাসায় এসেছেন।

● বিষয়টি মজার যে একটি ছেলের জীবনে যখন কোন ধরনের দুশ্চিন্তা থাকে না, সে বিয়ে করে। এটা অনেকটা সুখে থাকতে ভূতে কিলানোর মত।

● বিয়ের আগে ছেলেটি যখন মেয়েটির হাত ধরে, সেটি হচ্ছে ভালোবাসা। আর বিয়ের পরে যখন ধরে, সেটি হচ্ছে আত্মরক্ষা।

● মেয়েরা সত্যিই unpredictable. বিবাহের আগে তারা একজন পুরুষকে expect করে, বিয়ের পরে তাকে suspect করে, আর তার মৃত্যুর পরে তাকে respect করে।

● একটি ছেলে এক টাকার জিনিস দুই টাকায় কিনবে যদি এটা তার প্রয়োজনে লাগে। আর একটি মেয়ে ২টাকার জিনিস এক টাকায় পেলেই কিনবে জিনিসটা তার কাজে লাগুক চাই না লাগুক।

● একজন পুরুষের সাথে সুখে থাকার মন্ত্র কি? our must understand him a lot and love him a little. একটি নারীর সাথে সুখে থাকতে হলে you must love her a lot and not try to understand her at all.

● বিবাহিত পুরুষেরা চিরকুমারদের চেয়ে বেশি দিন বাঁচে। মানুষ যা চায় তা কখনোই পায় না।

● আমি বহুদিন আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলিনি, আমি আসলে তাকে কথার মাঝখানে থামাতে চাইনি।

● বিয়ে একটি বৈধ ও ধর্মসম্মত অনুষ্ঠান যেখানে দুজন বিপরীত (সাধারণত) লিঙ্গের মানুষ পরস্পরকে জ্বালাতন করা এবং পরস্পরের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করার শপথ নেয় ততদিনের জন্য যতদিন না মৃত্যু এসে তাদেরকে আলাদা করে।

● একজন সফল পুরুষ সে-ই যে এত টাকা আয় করতে পারে যা তার বউ খরচ করে শেষ করতে পারে না। একজন মেয়ের ক্ষেত্রে সাফল্য হচ্ছে এরকম একজন পুরুষকে খুঁজে বের করতে পারা।

● In the beginning, God created earth and rested. Then God created man and rested. Then God created woman. Since then, neither God nor man has rested.

● স্বামী হিসেবে প্রত্নতত্ত্ববিদরাই সবচেয়ে আদর্শ। পুরনো জিনিসের প্রতিই তাদের আগ্রহ বেশি।

● অনেকেই আমাদের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের রহস্য নিয়ে প্রশ্ন করে। তাদেরকে বলি, সপ্তাহে দুদিন ভালো রেস্তোঁরায় ডিনার, মৃদু আলোতে সফ্‌ট মিউজিক, একটুক্ষণ নাচ– এই তো। আমি যাই বিষ্যুদবারে, আমার স্ত্রী সোমবারে।

● মেয়েটি তার মাকে গিয়ে বলল, ‘আমি এমন একটি ছেলেকে খুঁজে পেয়েছি যে ঠিক বাবার মত’ মা বললেন, ‘এখন তুমি আমার কাছে কি চাও? সান্ত্বনা?’

● একজন নববিবাহিত যখন বলে সে সুখি, আমরা জানি, কেন। একজন ১০ বছরের বিবাহিত মানুষ যখন বলে সে সুখি, আমরা ভাবি, কেন?

● ‘Three rings of marriage are the engagement ring, the wedding ring, and the suffering.’

● আমি আর আমার স্ত্রী জীবনের ২৫টা বছর বড়ো আনন্দে কাটিয়েছি। তারপর আমাদের পরিচয় হল।

● একজন পুরুষের শেষ কথা কি হওয়া উচিত? ‘ঠিক আছে, কিনে ফেলো’।

● মেয়েরা আশা করে ছেলেরা বিয়ের পরে বদলাবে, কিন্তু তা হয় না। আর ছেলেরা আশা করে মেয়েরা বিয়ের পরেও একই রকম থাকবে, কিন্তু তারা বদলে যায়।

● এটা সত্যি যে কেউ পরাধীন হয়ে জন্মায় না, কিন্তু অনেকেই বিয়ে করে ফেলে।

● বিয়ে করার একটা সুবিধা হচ্ছে, তোমার ভুলত্রূটিগুলো আর তোমার কষ্ট করে মনে রাখার দরকার নেই। এক কাজ দুজনের করার অর্থ কি?

● পত্রিকায় একটি ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন ছাপা হল, ‘Husband Wanted’। পরদিন কয়েকশ’ মহিলা যোগাযোগ করলেন, ‘আমারটি নিতে পারেন’।

● বিয়ে হচ্ছে বুদ্ধিমত্তার বিরুদ্ধে কল্পনার জয়। আর দ্বিতীয় বিয়ে হচ্ছে অভিজ্ঞতার বিপক্ষে আশাবাদের জয়।

● ছেলেটি বলেছিল মেয়েটির জন্য সে নরক পর্যন্ত যেতে রাজি। ঈশ্বর তাকে সেই সুযোগ করে দিয়েছেন। তাদের বিয়ে হয়েছে।

● ভালবাসা হচ্ছে একটি মিষ্টি স্বপ্ন আর বিয়ে হচ্ছে এলার্ম ক্লক।

● বিয়ের আগে পর্যন্ত আমি জানতাম না সত্যিকারের সুখ কাকে বলে। যখন জানলাম তখন বড্ড দেরি হয়ে গেছে।

●একটি মেয়ে তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চিন্তিত থাকে যতদিন তার বিয়ে না হয়। ছেলেদের চিন্তাটা বিয়ের পরে শুরু হয়।

● এটা সত্যি যে ভালোবাসা অন্ধ, তবে বিয়ে চোখ খুলে দেয়।

● বিয়ে না করলে ছেলেরা সারাজীবন ধরে ভাবত, তাদের জীবনে কোন ভুল নেই।

● আপনার স্ত্রী আপনার কৌতুক শুনে হাসল, এর অর্থ হচ্ছে হয় কৌতুকটি খুব ভালো, নয় আপনার বউ খুব ভালো।

● ‘Its The secret of a happy marriage remains a secret.’

● স্বামী আর স্ত্রী হল একটি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ, একসাথে থাকলেও তারা কখনো মুখোমুখি হতে পারে না।

● সুখি দাম্পত্য জীবনের জন্য একজন পুরুষের উচিত তার মুখ বন্ধ রাখা আর চেকবই খোলা রাখা।

● মেয়েরা কেমন পুরুষ চায়? সুদর্শন, বিত্তবান এবং নির্বোধ।

● ‘A man is incomplete until he is married. After that, he is finished.’

● সব বিয়েই সুখের। পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে থাকতে গিয়েই যত ঝামেলা হয়।
Share:

বিয়ের পর মেয়েদের কোমর দ্রুত মোটা হয় কেন?(After marriage, why are the girls' waist is thick?)

 After marriage, why are the girls' waist is thick?

বিবাহের পর মেয়েদের কোমর দ্রুত মোটা হয় কেন?


অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা বিবাহের পর কেন কনের স্তন ও কোমর মোটা হয় এজন্য ৩৫০ জন কনের ওপর গবেষণা করে তথ্য বের করেছেন। গবেষণায় দেখা যায়, বিয়ের পর প্রথম ছয় মাসে কনেরা প্রায় পাঁচ পাউন্ডের মতো ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, যারা বিবাহের সময়ে সুন্দর দেখাতে নিজের ওজন অনেক দ্রুত কমিয়ে ফেলেন, বিবাহের পর তাদের ওজন দ্রুত বেড়ে যায়।

প্রায়ই দেখা যায় যে, মেয়েরা চায় বিবাহের সময়ে তাদের দেখতে ছিপছিপে এবং কমবয়সী লাগুক। এ কারণে তারা বিবাহের কয়েক মাস আগে থেকেই কঠোর ডায়েট করে চলেন। এমনকি দেখা যায়, পরিবারের মানুষ এমনকি তাদের বাগদত্ত স্বামীরাই  তাদেরকে বলেন ওজন কমাতে।

তারা বেশিরভাগই মোটামুটি ২০ পাউন্ড (৯ কেজির) মতো ওজন কমানোর পরিকল্পনা করে ডায়েট শুরু করেন থাকেন। অনেকের ওজন এই ডায়েটের ফলে কমে গেলেও বেশিরভাগেরই ওজনে তেমন কোনো হেরফের হয় না। তখন প্রথম ছয় মাসেই তাদের ওজন বেড়ে যায় দ্রুত।

দেখা যায়, বিয়ের ছয় মাস পর তাদের ওজন বেড়েছে গড়ে ৪.৭ পাউন্ড (২.১ কেজি)। যারা বিবাহের আগে ওজন কমিয়েছিলেন, তাদের ওজন বাড়ার পরিমাণ আরও বেশি, প্রায় ৭.১ পাউন্ড (৩.২ কেজি)। তবে তারা বিবাহের আগে ওজন কমালেও বিবাহের পরে প্রায় ৪.৫ কেজি পর্যন্ত ওজন বেড়ে যায় তাদের। বিবাহের পরে মেয়েরা মনে করে, সামনে তো আর কোনো বড় উপলক্ষ নেই আর তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের দিকে তাদের তেমন লক্ষ্য থাকে না। তারা খাওয়া দাওয়া এবং ব্যায়ামের ব্যাপারে নিয়মকানুন অনুসরণ বন্ধ করে দেন, যার ফলে ওজন বেড়ে যেতে থাকে। অনেকে আবার মনে করেন, বিবাহের পরে তাদের আকর্ষণীয় ফিগার বজায় রাখার দরকার নেই মনে করে, এ কারনেও তাদের ওজন এভাবে বাড়তে দেখা যায়।

বিবাহের পর মোটা হয়ে যাওয়া রোধে করণীয়: কেবল মাত্র মেয়েদের জন্য নয়, নারী-পুরুষ উভয়েই এই টিপস মেনে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ওজন। হানিমুনে গেলে খুব বেশি জাঙ্ক ফুড না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। যেমন – পোলাও, বিরিয়ানি না খেয়ে গ্রিল করা চিকেন বা মাছ খেতে পারেন। সাথে খাবেন প্রচুর পরিমানে সালাদ। আর মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি খাওয়ার বদলে food সালাদ আর ফলের রস খেতে পারেন। ভ্রমনে গেলে রিচ ফুড এমনিতেও এড়িয়ে চলা উচিত।

বিবাহের পর ঘি ও তেল মশলা দেয়া খাবার কম নিয়ে সালাদ পরিমানে বেশি খান। কোমল পানীয়ের বদলে পানি পান করুন। শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মোটা হয়ে যাবার প্রবনতা দেখা দেয়। তাই চা– কফি ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়া কমিয়ে দিন। আর রাতে শুতে যাবার আগে এক গ্লাস দুধ খাবার কথা ভুলবেন না, কারন দুধই ক্যালসিয়ামের সব চাইতে বড় উৎস। দেখবে বিয়ে পরও আপনি সেক্সি, হট গার্ল।

Share:

বিয়ের পর মেয়েরা যেসব কারণে মোটা হয়!After the wedding girls are fat!

 After the wedding girls are fat!

বিয়ের পর মেয়েরা যেসব কারণে মোটা হয়!

বিয়ের পর মেয়েরা মোটা হয়ে যায় তার কারন হল মেয়েদের শরীরে তখন চর্বি জমতে শুরু করে, এর জন্য ২ টি হরমোন দায়ী, শারীরিক সম্পর্কের কারনে মেয়েলী হরমোন ২ টি বাড়ে, এই হরমোন খাদ্য থেকে চর্বি শোষণ হওয়ার পর দেহে জমাতে থাকে যে জন্য একজন বিবাহিত মেয়ে সহজেই মোটা হয়ে জায়, নিয়মিত বেয়াম করলে চর্বি না জমে তা ক্ষয় হয়

সব নারীরাই বিয়ের পরপরই মোটা হতে থাকেন। কেন, কিভাবে মোটা হচ্ছে না বুঝেই অনিয়ম করে শরীর আরো ভারি করে ফেলেন। আসুন কারণগুলো জেনে নেই এবং মেনে চলার চেষ্টা করে শরীরকে ফিট রাখি।

১.সঠিক খাদ্যাভ্যাস না মানা: বিয়ের আগে আকর্ষণীয় ফিগারের অধিকারী হতে অনেক মেয়ে কঠিন ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস মেনে চলে। চর্বিযুক্ত খাবার, কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার, ফাস্ট ফুড সব কিছুতেই তখন তাদের ‘না’ থাকে। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সব সময়ই একটা তাগিদ থাকে। তবে অনেকেই বিয়ের পর এই খাদ্যাভ্যাস আর ঠিকমতো মেনে চলতে পারে না।

২.ভাজা খাবার এবং তেল জাতীয় খাবার: বিয়ের পর বিভিন্ন দাওয়াতে গিয়ে বা বাড়িতে অতিথি এলে ভাজা খাবার এবং তেল জাতীয় খাবারগুলোই বেশি খাওয়া হয়। এ কারণে ওজন দ্রুত বেড়ে যায়। আবার অনেক মেয়েই নতুন নতুন রেসিপি রান্না করে পরিবারের লোকজনকে খাওয়াতে ভালোবাসেন। এটিও ওজন বাড়ার একটি বড় কারণ। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, পরিবারের সবাইকে ভালো ভালো খাবার খাওয়াতে ভালোই লাগে, তবে এর মানে এই নয় যে, আপনাকেও সে সব খাবার চেখে দেখতে হবে!

৩.নিজের জন্য সময় নেই: বিয়ের পর নতুন সম্পর্ক, নতুন মানুষজন, সব কিছুর ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তখন গুরুত্ব বদলে যায় বা অগ্রাধিকার বদলে যায়, ফলে নিজের প্রতি আর নজর দেওয়া হয় না, ব্যায়াম তো দূরের বিষয়। বিয়ের পর মুটিয়ে যাওয়া এটি একটি বড় কারণ। আগে হয়তো ব্যায়ামের জন্য বা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস পালনের জন্য সময় বের করতেন, তবে বিয়ের পর এগুলো আর হয়ে ওঠে না। পরিবারের সদস্যদের সময় দিতে গিয়ে বা সংসারের কাজের ঝামেলায় নিজের জন্য আর সময়ই পাওয়া যায় না। মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা ভেবে তাই নিজের জন্য সময় বের করুন। খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করুন।

৪. বাইরের খাবার: বিয়ের পর মেয়েদের ওজন বেড়ে যাওয়ার আরেকটি কারণ রান্না এড়িয়ে যাওয়া এবং বাইরের খাবার খাওয়া। অনেকেই বিয়ের পর রান্নার ক্ষেত্রে অতটা পটু থাকেন না, তখন বাইরের খাবার হয় ভরসা। বাইরের খাবার বা হোটেলের খাবারে প্রচুর তেল দেওয়া হয়। এই অস্বাস্থ্যকর খাবার ওজন বাড়িয়ে দেয়।

৫.গর্ভধারণের জন্য: গর্ভধারণের কারণে অধিকাংশ নারী ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১২ কেজি ওজন এই সময়টায় বেড়ে যায়।

৬. জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতি: জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতি গ্রহণ যেমন পিল বা ইনজেকশন এসব গ্রহণের কারণেও বিয়ের পর মেয়েরা মোটা হয়ে যায়।

৭.নিজেদের কাছে বেশি সময় থাকতে চাওয়া: অনেক স্বামীই রয়েছেন, যারা বেশি সময় ধরে স্ত্রীর সঙ্গ পছন্দ করেন। যার জন্য হয়তো স্ত্রীর আর ব্যায়াম করা হয়ে ওঠে না। পরস্পরের বোঝাপড়ার জন্য এটি অবশ্যই ভালো। তবে স্বাস্থ্যকেও তো গুরুত্ব দিতে হবে। তাই স্বামীকেও উদ্বুদ্ধ করুন আপনার সঙ্গে ব্যায়াম করতে। অথবা দুজনে একত্রে কোনো জিমে ভর্তি হয়ে যেতে পারেন।

৮. আলস্য: অলস লোকেরা শুধু খায় আর ঘুমায়। শরীরকে ফিট এবং কর্মক্ষম রাখার জন্য আর কোনো কাজ করে না। বিয়ের পর অনেকে ব্যস্ত হয়ে পড়ে আবার অনেকে নিজের প্রতি এতই অবহেলা দেখায় যে শরীরের যত্ন নেয় না। বিয়ের পর ওজন বাড়ার বড় কারণ এই আলস্য।
Share:

সব মেয়েরাই ছেলেদের কাছে যে ১০টি জিনিস চায়(All girls want 10 things to boys)

 All girls want 10 things to boys

সব মেয়েরাই ছেলেদের কাছে যে ১০টি জিনিস চায়

মেয়েরা তার প্রিয় মানুষটির কাছে কতো কিছুই না চায়।

ছেলেরা বলেন, মেয়ের চাওয়ার নাকি শেষ নেই। কিন্তু বহু
মনো-পরীক্ষা আর গবেষণার পর এ রহস্যভেদের
চেষ্টা চালিয়েছেন অভিজ্ঞরা। তারা বলছেন, সব নারীর
মোটামুটি ১০টি মৌলিক চাওয়া আছে যা একজন পুরুষের
কাছে তারা আশা করে থাকে। এ ১০টি বিষয়
জেনে রাখলে আপনি প্রেমিকা বা অর্ধাঙ্গিনীকে অনেক
সুখী করতে পারেন। বহু নারী নিজেরাই এ
কথাগুলো বলেছেন। তাদের ভাষাতেই তুলে দেয়া হল।
১. ছেলেটা আমাকে শুধুই দেখতে চায়- এ আকাঙ্খা সব
নারীরই থাকে তার পুরুষ সঙ্গীর কাছে।
অবসরে মোবাইলে মিষ্টি মেসেজ, ফুল, চকোলেট,
কার্ড,
ঘুরতে যাওয়া ইত্যাদি কাজে ছেলেরা যেনো কখনোই
ক্ষান্ত না দেয়। আমরা মনেপ্রাণে চাই যে আমার প্রেমিক
যেনো এসব কাজ সবসময় করে।
২. আমরা নিরাপদ বোধ করতে চাই। একটা ছেলের
সাথে সময় কাটানোর সময় যেনো মনে হয় পরিবারেরই
কারো সাথে আছি। তাকে আমি চিনি-জানি। কাজেই ছেলেদর
উচিত আমাদের কাছে নিজেকে স্পষ্ট করে তোলা।
৩. তুমি আমার সবকিছু, আমার প্রিয়তমা- এমনভাবেই
যেনো ছেলেরা আমাদেরকে দেখে।
মেয়ে হয়ে আমরা তোমাদের সমান নই, তা মানতে রাজি নই।
আমাদের সব কাজেই
তোমাকে এগিয়ে আসতে হবে তা কিন্তু নয়। আবার তাই
বলে ছেলেদের ভদ্রতা বা সৌজন্যবোধ
সম্পর্কে আমরা যথেষ্ট সজাগ। মেয়েরা আসলে পুরুষের
কাছে নিজেদেরকে খুব ঐশ্বর্যমন্ডিত,
আদুরে এবং সৌন্দর্য্যের উপমা হিসেবে দেখতে চায়।
৪. আমরা কথা বলতে পছন্দ করি। আর এসব কথা আমার প্রেমিক
বা হাজবেন্ড মনযোগ দিয়ে শুনলে আমাদের আর কিছুই চাই
না। সব কথাই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা নয়। অযথা বকবক হলেও
আমাদের কথা বলতে ভাল লাগে। ছেলেরা শুধু শুনলেই
চলবে।
৫. আমরা আশা করি ছেলেরা যেনো সম্পর্কের
নানা ঘটনা বা বিশেষ সময়টি মনে রাখে। কারণ সে যা পছন্দ
করে তা নিশ্চয় মনে রাখে। ক্রিকেট খেলা কোন দিন
বা অমুকের সঙ্গে মিটিং কবে এসব
মনে রাখতে পারলে আমাদের প্রথম প্রপোজের দিন
বা মেয়েদের জন্মদিন কেনো মনে রাখতে পারবে না।
৬. আমরা সাজগোজ করতে ভীষণ ভালবাসি। কাজেই
যেকোনো সময় আমাদের রূপচর্চা বা সাজসজ্জার
ব্যাপারে উদার হতে হবে। আর এ কারণে অন্যরা আমাদের
দিকে একটু বেশি তাকালে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাওয়ার কিছু নেই।
কারণ আমি সারাক্ষণ তোমার বুকেই আছি।
৭. ছেলেরা যা কথা দেয়
সেগুলো রাখলে মেয়েরা বেজায় খুশি হয়।
মেয়েরা হালকা সৌজন্যবোধ পছন্দ করে। ছেলেদের
সময়ানুবর্তীতা আমাদের কাম্য। আর যদি কিছু পরিবর্তন
ঘটতে থাকে তাদের মনে,
তবে তা খোলাসা করে বলে দেয়াই ভাল।
৮. মেয়েদের মন থেকে ভালবাসতে হবে। ঠিক যেমন
ছেলেরা মেয়েদের মোহনীয় সৌন্দর্য্যে পাগল,
আমরাও তেমনি স্বপ্নীল প্রেমালাপ আর
খাঁটি ভালবাসা পেতেই অপেক্ষা করি।
৯. আমরা খেলা ও খেলতে পছন্দ করতে পারি।
তবে তা যে ছেলেটির পছন্দের হতে হবে তা কিন্তু নয়।
১০. এটা ছেলেরা হয়ত বিশ্বাস করতে চাইবে না; কিন্তু
একেবারে সত্যি। আমরা সবসময় ছেলেদেরকে তাদের
আড্ডা থেকে দূরে রাখতে চাই না। আমরা বুঝি যে এসবের
প্রয়োজন রয়েছে। কারণ আমাদেরও বান্ধবীদের
সাথে আড্ডা দিতে অনেক ভাল লাগে।
খুব সহজ সরল বিষয়। এই ব্যাপারগুলো একটু খেয়াল
করে পালন করলেই একটি ছেলে তার প্রিয়তমার অনেক
চাওয়া-পাওয়া পূরণ করতে পারে। মেয়েরা নিজেরাই
তা আপনাদের শিখিয়ে দিয়েছেন অবলীলায়।
Share:

বন্ধুর প্রেমে পড়লে কি করবেন(What to do if you fall in love with a friend)


বন্ধুর প্রেমে পড়লে কি করবেন(What to do if you fall in love with a friend)

আজ আমি একটি বিষয় আপনাদের সামনে উন্মচন করব।
এরকম ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। প্রথমই
বলি ঘটনাটি আমার কিন্তু পরামর্শ আমার না।
পরামর্শএকটি পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করা। যাইহোক
তাহলে শুরু করি ............
অর্ক এবং তনু (ছদ্মনাম) একসাথে একই
কলেজে পড়াশুনা করে। আস্তে আস্তে তাদের
মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়। একে অপরের সাথে সুখ
দুঃখের কথা শেয়ার করে। কিন্তু দিন বাড়ার
সাথে সাথে অর্ক তনুর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। এক সময়
অর্ক তনুকে অনেক পছন্দ করে ফেলে। কিন্তু বন্ধুত্তের
জন্য মনের কথা বলতে পারে না। অনেক আকার
ইঙ্গিতে বলার চেষ্টা করেও যখন কোন ফল পেল
না তখন সে এস এম এস করে তাকে জানায়। বন্ধুর এমন
কথা শুনে চমকে ওঠে তনু।
কী করবে বুঝে উঠতে পারে না। বন্ধুকে যে শুধু বন্ধু
হিসেবেই চায় সে, প্রেমিক হিসেবে নয়। কিন্তু অর্ক
এদিকে তনুর জন্য অস্থির উদ্দীপনায় পড়ে আছে,
যা অর্কর পড়াশুনা সহ স্বাভাবিক কাজগুলোর ব্যাঘাত
সৃষ্টি করছে।
আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়তই ঘটছে এমন ঘটনা। কম
বয়সের কোনো ছেলে বা মেয়ে ভবিষ্যতের
কথা ভেবে বা বুঝে-শুনে যে বন্ধুর
প্রতি ভালো লাগার কথা জানায় তা কিন্তু নয়।
আবার যাকে ভালো লাগার বিষয়টি জানাচ্ছে, সেও
তার মতো একই
বয়সী বলে বুঝে উঠতে পারে না যে কী করবে।
‘তোমাকে না পেলে মরে যাব’ বন্ধুর এমন কথায়
সে ভড়কে গিয়ে হয়তো না বুঝেই হ্যাঁ বলে ফেলে।
আবার বন্ধুর পক্ষ থেকে উত্তরটি নেতিবাচক
হলে ঘুমের ওষুধ খাওয়া, পরীক্ষা না দেওয়ার
মতো ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। অপর পক্ষের বন্ধুর
মানসিক অবস্থাও যে তখন খুব স্বাভাবিক
থাকে তা নয়। কারণ, সে নিজেও তার বন্ধুর
ভালো চায়। তাকে হারাতে চায় না।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান
বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহ এহসান হাবীব
বলেন, ‘আমাদের জীবনে অন্যতম নিরাপদ আশ্রয়স্থল
হলো বন্ধু। কৈশোরে বা কম
বয়সে বন্ধুত্বকে ছাপিয়ে ভালো লাগা তৈরি হলে
তখন উভয় পক্ষেরই বিষয়টি গ্রহণ ও মোকাবিলা করার
মানসিক প্রস্তুতি থাকে না।
ফলে না বুঝে তারা নানা রকম ভুল করে ফেলে। এ জন্য
বাড়িতে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেন সন্তান
যেকোনো কথা এসে বলতে পারে। সন্তানকে ভুল
না বুঝে তাকে সাহায্য করতে হবে।’
এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান
বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহ এহসান হাবীব
বলেন, ‘আমাদের জীবনে অন্যতম নিরাপদ আশ্রয়স্থল
হলো বন্ধু। কৈশোরে বা কম
বয়সে বন্ধুত্বকে ছাপিয়ে ভালো লাগা তৈরি হলে
তখন উভয় পক্ষেরই বিষয়টি গ্রহণ ও মোকাবিলা করার
মানসিক প্রস্তুতি থাকে না।
ফলে না বুঝে তারা নানা রকম ভুল করে ফেলে। এ জন্য
বাড়িতে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেন সন্তান
যেকোনো কথা এসে বলতে পারে। সন্তানকে ভুল
না বুঝে তাকে সাহায্য করতে হবে।’
পরামর্শঃ
১। কোনো বন্ধুকে বিশেষভাবে ভালো লাগলে আগে
নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে হবে। কথাটি বলার
উপযুক্ত সময় হয়েছে কি না তা বুঝতে হবে।
যদি ভেবেই নেন না বলে থাকতে পারছেন না,
তাহলে বলে ফেলুন। তবে এটিও মনে রাখতে হবে,
যে বন্ধুকে ভালো লাগার কথা বলবেন তাঁর
ব্যক্তিস্বাধীনতা আছে। তিনি প্রেমিক
হিসেবে আপনাকে নাও মানতে পারেন।
এটি মেনে নেওয়ার জন্য মানসিক
প্রস্তুতি থাকতে হবে।
২।  ভালো লাগা ও ভালোবাসায় জোর খাটে না, তাই
বন্ধুকে কোনো প্রকার চাপ সৃষ্টি দেওয়া উচিত নয়। বন্ধুর
যেকোনো সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান রেখে বন্ধুত্বের
সম্পর্ক বজায় রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
৩। সবকিছু ভাবাভাবির পর ধরা যাক বন্ধুটি বলেই দিল
মনের না-বলা কথা। অপর পক্ষেরও তখন বন্ধু
হিসেবে কিছু কর্তব্য আছে। যেকোনো ব্যর্থতাই
মেনে নেওয়া কষ্টকর। নিজের অপারগতার কথা হঠাৎ
করেই রূঢ়ভাবে প্রকাশ
না করে বা তাঁকে এড়িয়ে না গিয়ে স্বাভাবিক
থাকতে হবে। বন্ধুকে বোঝাতে হবে এ
মুহূর্তে পড়ালেখায় মনোযোগী হওয়া বেশি জরুরি।
৪।  অন্য বন্ধুদের সামনে বন্ধুর
ভালো লাগা নিয়ে হাসিঠাট্টা করা উচিত নয়।
তাঁকে অপমানিত ও লজ্জিত না করে আগের মতো বন্ধু
হয়ে পাশে আছেন, এটি বোঝাতে হবে।
৫। বন্ধুকে সময় দিতে হবে। শুধু দুজন
একসঙ্গে না থেকে দলের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।
৬। বন্ধুর ভালোর জন্য সব বন্ধু
মিলে আলোচনা করতে পারেন। তবে বন্ধু
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হলে মনোবিজ্ঞানীর
শরণাপন্ন হতে হবে। আপনি যে তাঁর সত্যিকারের বন্ধু,
তা প্রকাশ পাবে এভাবেই
আগেই বলেছি এটার পরামর্শ
পত্রিকা থেকে সংগৃহীত। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
Share:

Search This Blog

Blog Archive

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label