বাংলা মজার জোকস, বাংলা কৌতুক, হাসির কৌতুক, bangla jokes, bangali jokes, mojar jokes, bangla funny koutuk, hasir koutuk, bangla koutuk, bangla hasir koutuk, doctor jokes, Bd Jokes, খারাপ জোকস, ছোট ছোট হাসির জোকস,

হট অ্যান্ড সেক্সি থাকার ঝকমারি অনেক


 Hot-and-sexy-stay-is-very-much
হট অ্যান্ড সেক্সি থাকার ঝকমারি অনেক
Hot-and-sexy-stay-is-very-much
তিনি কলকাতার কন্যে। সদ্য বিয়ে হয়েছে। আর রাতের টিভি-তে এখন প্রতিদিন ঝকমক করছেন। নিজের আইপিএল গ্রিন রুম অভিজ্ঞতা বর্ণনায় অর্চনা বিজয়া।
মাত্র দু’মাস হল বিয়ে করেছি। কিন্তু তাই বলে যে বিয়ে নিয়েই পুরোটা সময় মজে আছি তা নয়। বিয়ের উৎসব কাটতে না কাটতেই মেতে উঠেছি ‘ইন্ডিয়া কা তেওহার’ আইপিএল উৎসব নিয়ে। কেউ কেউ ভেবেছিল এই বুঝি আমার কেরিয়ারটা ফুরিয়ে গেল। কিন্তু তারাই এখন অনেক প্রশংসা নিয়ে হাজির হচ্ছে।  বলছেন আমি  আগের চেয়েও ভাল শো প্রেজেন্ট করছি, আমাকে আগের চেয়েও ভাল দেখাচ্ছে।  আমার তো মনে হয় বিবাহিত জীবনের সুখ আর আনন্দটাই আমার মধ্যে ফুটে উঠছে।
আইপিএলের সময়টা আমি আজ চণ্ডীগড় তো কাল মুম্বই তো পরশু কলকাতায়। এই গরমে  আজ এ শহর কাল ও শহরে ঘোরাঘুরি করার কষ্ট তো আছেই। তবু ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে  সরাসরি অনুষ্ঠান করতে মজাই লাগে।
লোকে আমাকে হট অ্যান্ড সেক্সি  গার্ল হিসেবে জানে সেটা খুব ভাল, কিন্তু আমি নিছকই একজন সুন্দরী মহিলা নই। আমার আরও একটা অস্তিত্ব আছে। ম্যাচের সময় আমি খুব বেশি জল খাই, আর সুযোগ পেলেই ছায়ায় গিয়ে বসি। মনে হয় শান্ত মন আর কাজ ভালবাসার জন্যই এটা সম্ভব। ছেলেদের সঙ্গে বাইরে আড্ডা দিতে ভাল লাগে। ঠাট্টা ইয়ার্কি, মশকরা, জোক এ সব আমার খুবই পছন্দ। ভাল লাগে সিধু পাজির শের-শায়েরি, খুনসুটি, পিছনে লাগা। আইপিএলে খুব পরিশ্রম করে কাজ করার সময়ও মজা হয় অনেক।
আমি অন্য মেয়েদেরই মতো কলকাতার একজন কলেজপড়ুয়া ছিলাম। ভবানীপুর এডুকেশন সোসাইটিতে পড়তাম। তার পর একটা রিয়েলিটি শো- ‘গেট গর্জাস’য়ে অংশগ্রহণ করি। কলকাতায় কোনও দিন মডেলিং করিনি। প্রথম মডেলিংয়ের অ্যাসাইনমেন্টটা করেছিলাম রোমে।
আমার স্বামী (দিল্লির ব্যবসায়ী ধীরাজ পুরি) কখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে না। ও খুবই বুদ্ধিমান আর মানুষ হিসেবে জনপ্রিয়। ধীরাজ আমাকে সমস্ত কাজে প্রেরণা জোগায়, সমর্থন করে। ও জানে আমার একটা নিজস্ব সামাজিক জীবন আছে, পাবলিক লাইফ আছে। আমাকে নিয়ে লেখালেখি হয়।  আমাকে যে লোকে হট অ্যান্ড সেক্সি বলে ধীরাজ সেটাকে প্রশংসা হিসেবেই নেয়। বিয়ের পরই আমি এখন আইপিএলের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছি।  এই সময়টা ফ্যামিলি লাইফ বলে কিছু নেই।  তবে ও ফাঁক পেলেই আমার কাছে চলে আসছে। কিন্তু ‘খতরো কে খিলাড়ি’ করার সময় আমি যে সব স্টান্ট করতাম সেগুলো আমার মা এবং শাশুড়ি মা কারওই পছন্দ ছিল না। মা ফোনে কাঁদতেন। আমি মাকে জিজ্ঞাসা করতাম স্টান্টগুলো কে করছে আমি না মা? স্টান্টের খেলার মধ্যে কোনও মস্তিষ্কের ব্যাপার নেই ঠিকই। কিন্তু আমি অ্যাড্রেনালিন গ্রন্থির ক্ষরণ পছন্দ করি, ভালবাসি গতির রোমাঞ্চ। কিন্তু আমার মা চাইতেন ‘খতরো কে খিলাড়ি’ থেকে আমি যেন দ্রুত বহিষ্কৃত হই।
অনেক কিছু করলেও সিনেমায় কাজ করায় আমি কোনও আগ্রহ পাই না। সিনেমায় যদি ইন্টারেস্ট থাকত, আট বছর আগে যখন মুম্বই যাই তখনই তা করতে পারতাম। সে দিক থেকে দেখতে গেলে আমি খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষী নই। আমি এতটাই ব্যস্ত যে   সিনেমাটিনেমা নিয়ে ভাবার মতো অবকাশও নেই। আর একটা কথা, আমি কোনও দিন ‘বিগ বস’য়ের মতো রিয়েলিটি শো করব না। যদিও ওরা আমাকে ‘বিগ বস’য়ের জন্য ডেকেছিল। ওই ধরনের শোতে গেলে বর আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দেবে। তা ছাড়া আমি মানুষ হিসেবে লাজুক প্রকৃতির। নিজেকে এই ধরনের টিভি শো-তে দেখতে চাই না।
আইপিএল কিংবা আর কোনও অন্য শোয়ে সঞ্চালনা না করলে আমি হয়তো প্রত্নতত্ত্ববিদ হতাম, কিংবা গোয়েন্দা হতাম। মানুষ হিসেবে আমি খুব কৌতূহলী প্রকৃতির। আমার ইতিহাস ভাল লাগে। এ ছাড়া আমি বাঙালিদের মতো পড়তে খুব ভালবাসি। প্রচুর পড়ি।
আইপিএল তারকাখচিত ম্যাচ  হলেও আমি কখনও সেলিব্রিটিদের সঙ্গে ছবি তুলি না।  শুধু এক বার সচিনের সঙ্গে একটা সেলফি তুলেছিলাম। ওঁকে বাড়তি শ্রদ্ধা করি বলেই। এ সব ব্যাপারে আমি খুবই ইতস্তত করি। সব বয়েসের মানুষের সঙ্গে স্বচ্ছন্দ ভাবে কথা বলতে পারি, কিন্তু  কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে কারও সঙ্গে গিয়ে ভাব জমাতে পারি না। এক কথায় আমি খুব বাছাই করা লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা করি।
বহু বছর ধরে বিখ্যাত লোকজনের সঙ্গে কাজ করায় তাঁরা এখন আমার বন্ধু হয়ে উঠেছেন। প্রীতি জিন্টা  নিশ্চয়ই আমার বিশেষ বন্ধু। খুব ছটফটে, প্রাণবন্ত মেয়ে ও। আর সেই সঙ্গে আশাবাদীও। অন্য দিকে শাহরুখ আপাদমস্তক ভদ্রলোক। মেয়েদের সঙ্গে কী ভাবে ব্যবহার করতে হয়, কী ভাবে মেয়েদের অভ্যর্থনা জানাতে হয় ভালভাবেই জানেন। খুব সহজেই মেশা  যায় শাহরুখের সঙ্গে। অন্যান্য তারকার মতো উদ্ধত নন।
অনেকেই আইপিএলের আফটার  ম্যাচ পার্টিগুলো আর হচ্ছে না বলে আক্ষেপ করেন। কিন্তু আমার এই রকম কোনও আক্ষেপ হয় না। আমার এখনও আইপিএলের শান্তশিষ্ট, ঘরোয়া পার্টিই বেশি ভাল লাগে। এই সব এক্সক্লুসিভ পার্টিতে সারাদিনের পরিশ্রমের পর আরামসে পানীয় নিয়ে বসা যায়। খেলোয়াড়দের যাতে মনঃসংযোগ বাড়ে সেই জন্যই আফটার ম্যাচ পার্টিগুলো বন্ধ করা হয়েছে। আর সেই কারণেই আইপিএলের ম্যাচগুলো আরও জমজমাট হচ্ছে। সেই কারণেই সরফরজ খানের মতো সতেরো বছরের প্রতিভা উঠে এসেছে। গোটা স্টেডিয়াম ওর প্রতিভার কাছে মাথা নত করেছে। কী অসাধারণ দৃশ্য সেটা!
এখন আমি সঞ্চালনার সময়ে হিন্দি আর ইংরেজি দু’ভাষাতেই কথা বলার চেষ্টা করছি। তাতে জনসংযোগ ভাল হয়। কলকাতাতেও আমার অনেক বন্ধু। তাই কলকাতায় আসাটা আমার কাছে স্পেশাল। টলি তারকাদের মধ্যে রাইমা আমার ঘনিষ্ঠ। প্রসেনজিতের সঙ্গেও ভাল বন্ধুত্ব। সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগ সঞ্চালনা করার জন্য আরও অনেকেই বন্ধু হয়েছে।
আমি স্কুলে অ্যাথলিট ছিলাম। বাস্কেটবল খেলতাম। সেখান থেকে আইপিএলের সঞ্চালনায় আসাটা আমার পক্ষে সঠিক নির্বাচন। সঞ্চালনা করছি বলেই যে ধারাভাষ্যকার হতে পারব তা নয়। ধারাভাষ্যকার হওয়ার জন্য চাই অঞ্জুম চোপরা বা ঈশা গুহর মতো ক্রিকেটার হিসেবে ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা।  মা-বাবা সব সময় আমাকে নিজের মতো চলার স্বাধীনতা দিয়েছেন। আমি যে এই সব স্টান্ট করি, অ্যাডভেঞ্চার করি তা দেখে আমার বাবা আমাকে পাগল ভাবেন। আমি খুব বর্তমান নিয়ে থাকি। কোনটার পর কী করব তা নিয়ে ভাবি না। এই মুহূর্তে আমি আমার জীবন আর বিয়েটাকে উপভোগ করছি। মনের মতো জীবনসঙ্গী খুঁজে পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করছি।

Share:

ত্বক বিষয়ে ৬ গোপন কথা সব নারীরই জানা উচিত

 All-women-should-know-6-secret-matters-concerning-skin
ত্বক বিষয়ে ৬ গোপন কথা সব নারীরই জানা উচিত
ত্বকের যতই যত্ন নিন না কেন, কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য না রাখলে ত্বকের সুস্থতা আশানুরূপ থাকবে না। তাই কয়েকটি বিষয় সব নারীরই লক্ষ্য রাখা উচিত। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১. নিম্নমানের পণ্য ব্যবহারে সতর্কতা

অনেকেই বাজারে আসা অখ্যাত প্রতিষ্ঠানের নতুন ক্রিম, দাগ দূর করা মলম, ভ্যাসলিন ইত্যাদি পণ্য ব্যবহার করেন। এগুলো কেনার আগে তা প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত পণ্য কি না জেনে নিন। অন্যথায় মানহীন পণ্য ব্যবহারে ত্বকের নানা ক্ষতি হতে পারে।

২. খাবার ব্যবহার

আমাদের দেশের অধিকাংশ রান্নাঘরেই রয়েছে নানা উপকরণ। তবে এগুলো যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে। তাজা ফলমূল, ফলের রস ও সবজি খাওয়া ত্বকের জন্য উপকারি। দৈনিক খাদ্যতালিকায় এগুলো রাখতে হবে।

৩. পর্যাপ্ত পানি

পানি ত্বকের সুস্থতার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে দেহের যেমন নানা ক্ষতি হয় তেমন তা ত্বকেরও সৌন্দর্য নষ্ট করে।

৪. মুখ মাত্রাতিরিক্ত ঘষাঘষি নয়

মুখের ত্বক খুবই সংবেদনশীল। এ ত্বকে মাত্রাতিরিক্ত ঘষাঘষি করা উচিত নয়। ফেস ওয়াস কিংবা সাবান যাই ব্যবহার করুন না কেন, তা দিয়ে দিনে দুইবার আলতো করে মুখ ধোয়াই যথেষ্ট।

৫. প্রতি বছর একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা

৩০ বছর বয়স হলে গেলে প্রতি বছর অন্তত একবার করে রক্তের সুগার, ওভারিয়ান ও স্তন পরীক্ষা করা উচিত। এতে বহু সমস্যার সমাধান হবে।

৬. রোদে সানস্ক্রিন

ত্বকের বড় শত্রু  সূর্যতাপ। আপনি কি রোদে বের হলে হাত ও মুখে সানস্ক্রিন মাখেন? ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে রোদে বের হলে সানস্ক্রিন যথেষ্ট কার্যকর।
Share:

হিজড়া যখন কলেজ প্রিন্সিপাল!

 When-the-principals-of-the-transition!
হিজড়া যখন কলেজ প্রিন্সিপাল!
ভারতে এই প্রথম একজন হিজড়া বা তৃতীয় লিঙ্গের কোনো ব্যক্তি একটি সরকারি কলেজের প্রিন্সিপালের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। এই সম্মান অর্জন করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মানবী বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত কেউই আগে ভারতে এরকম কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে আসীন হননি। কিন্তু সেই ঐতিহ্য ভেঙে মানবী বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ৯ জুন পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের প্রিন্সিপালের দায়িত্ব নেবেন।
মানবী বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য বহুদিন ধরেই ওই রাজ্যের ঝাড়গ্রামে আর একটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করছেন।
রাজ্যের তৃতীয় লিঙ্গভুক্তদের অধিকার অর্জনের আন্দোলনেও তিনি একজন পরিচিত মুখ। বিভিন্ন সময়ে তাকে সেই আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় দেখা গেছে।
সম্প্রতি কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের প্রিন্সিপালের পদটি খালি হলে মানবী বন্দ্যোপাধ্যায় সেই পদের জন্য আবেদন করেন। তারপর নিয়মমাফিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার শেষে তিনি ওই চাকরির জন্য মনোনীত হন।
মানবী বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য নিজে বলেছেন, এই পদে নিযুক্ত হলে তিনিই হবেন সারা দেশে কোনো কলেজের প্রথম তৃতীয় লিঙ্গভুক্ত প্রিন্সিপাল- চাকরিটা নেয়ার আগে এমন কোনো ভাবনা তার মাথায় আদৌ কাজ করেনি।
তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘কৃষ্ণনগরে বদলি হলে নৈহাটিতে আমার ৯২ বছর বয়সী অসুস্থ বাবার দেখাশুনো করা সহজ হবে। চাকরিটা নেয়ার পেছনে সেটাই ছিল আমার প্রধান উদ্দেশ্য!’
তবে মানবী বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অর্জনকে ভারতের তৃতীয় লিঙ্গভুক্তরা অনেকেই স্বাগত জানাচ্ছেন। এই উদাহরণ তাদের আরো অনেকের জন্য নতুন নতুন সুযোগ উন্মুক্ত করতে পারে বলেও তারা আশা করছেন।
Share:

যৌনমিলনের তৃপ্তি নষ্ট হতে পারে যেসব ভুলে

 যৌনমিলনের তৃপ্তি নষ্ট হতে পারে যেসব ভুলে
যৌনমিলনের তৃপ্তি নষ্ট হতে পারে যেসব ভুলে

অনেক সময় দেখা যায়, যৌনমিলন সম্পাদনের পরে স্বামী অথবা স্ত্রী বিভিন্ন কাজ আরম্ভ করে। একে অপরের প্রতি আর কোনও গুরুত্ব দেয় না। এক্ষেত্রে দেখা যায়, যৌনমিলনের পর স্বামী যদি স্ত্রীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তাহলে স্ত্রী এটিকে খারাপভাবে নিতে পারে বা কষ্ট পেতে পারে। অথবা স্ত্রী যদি স্বামীর প্রতি কোনও গুরুত্ব না দেয় তাহলে স্বামীও সেটিকে খারাপভাবে নিতে পারে। ভারত ভিত্তিক গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াতে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যৌনমিলন সম্পাদনের পর দম্পতিরা সাধারণত সাতটি ভুল করে থাকে। পাঠকদের জন্যে সেগুলো তুলে ধরা হলো।
১.ঘুমিয়ে পড়া:
দেখা যায়, যৌনসঙ্গোমের পরপরই দম্পতিরা ঘুমিয়ে পড়েন। এটি করা বোকামী। এর কারণে যৌনমিলনের যে তৃপ্তি সেটি নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে যৌনমিলনের পরপরই ঘুমিয়ে না পড়ে উভয়ে কিছুক্ষণ অন্তরঙ্গ মুহূর্তে থাকা উচিৎ।
২.ওয়াশরুমে যাওয়া:
যৌনমিলনের আগে দু’জনে একসাথে হট গোসল করে নেয়া ফোরপ্লের কাজ হতে পারে। কিন্তু যৌনমিলনের পরপরই গোসলে যাওয়া ঠিক নয়। কারণ, স্বামী শারীরিক মিলনে পুরোপুরি তৃপ্ত হলেও স্ত্রী নাও হতে পারে। বা স্ত্রী পুরোপুরি তৃপ্ত হলেও স্বামী নাও হতে পারে। সে আরও কিছু চাইতে পারে। বা এমন হতে পারে মিলন শেষ হয়ে গেলেও একজন সেই আনন্দের ঘোরে থাকতে পারে। এজন্য সাথে সাথেই ওয়াশরুমে যাওয়া ঠিক নয়।
৩.কাউকে ফোন করা:
যৌমমিলনের পরপরই কোনও বন্ধু বা অফিসের কাউকে ফোন করা একেবারেই ঠিক নয়। অথবা মিলনের সময় ফোনের দিকে লক্ষ্য রাখা যে কোনও মিসড কল আসলো কিনা বা কেউ এসএমএস করলো কিনা সেদিকে মোটেও নজর দেয়া যাবে না। এসব করলে মিলনের পুরো মজাই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৪.কাজ করা বা পড়াশোনা করা: শারীরিক মিলনের সময় কোনও কাজ করা বা বই পড়ার দিকে মনোযোগ দেয়া যাবে না। আপনি যৌনমিলনের পূর্ব মুহূর্ত যেমন উপভোগ করবেন যৌনমিলনের পরবর্তী মুহূর্তও তেমন উপভোগ করবেন। তারপর আপনার কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিবেন।
৫.আলাদাভাবে ঘুমানো:
 অনেক সময় দেখা যায় মিলনের পর স্বামী অথবা স্ত্রী বিছানাপত্র নিয়ে অন্য রুমে ঘুমাতে চলে যান বা একই বিছানায় আলাদাভাবে ঘুমান। এটি আপনার পরবর্তী মিলনের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং মিলনের তৃপ্তি নষ্ট করে দিতে পারে।
৬.সন্তানকে কাছে টেনে আনা:
অনেক নারী যৌনমিলনের পরপরই তার সন্তানকে কাছে টেনে নেন। এক্ষেত্রে দেখা যায়, স্বামী রাগান্বিত হতে পারে। কারণ, স্বামী হয়ত যৌনমিলনের পর আরও মজার জন্যে কিছু পরিকল্পনা করে রাখতে পারে। এজন্যে এটি এড়িয়ে চলা উচিৎ।
৭.আবার খাওয়া:
প্রেম করার আগে বা যৌনমিলনের আগে একসাথে বসে খাবার খাওয়া ভালো উদ্যোগ হতে পারে। কিন্তু যৌনমিলনের শেষেই দৌঁড়ে রান্নাঘরে ঢোকা মোটেও ঠিক নয়। এর অর্থ আপনি মিলনের সময় ক্ষুধার্থ ছিলেন। এটিকে আপনি উপভোগ করেননি।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌনমিলন অন্যরকম একটি বিষয়। সামান্য ভুল করে এর পুরো আনন্দকে মাটি করবেন না। এর মধ্যে অন্য কোনও বিষয় না এনে উভয়েই এটিকে উপভোগ করুন। কখনোই এটিকে বাড়তি কাজ হিসেবে নিবেন না।
Share:

ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ চেনার উপায়(The way to be unmanned men)

 ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ চেনার উপায়(The way to be unmanned men)
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন আশাকরি ভাল আছেন।

ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ চেনার উপায়(The way to be unmanned men)

 কিছুদিন ধরেই একটা ছেলে গায়ে পড়ে বন্ধুত্ব করতে চাইছে। তাকে বারবার বোঝানো সত্ত্বেও পিছু ছাড়ছে না। স্পষ্ট ভাবে বলেই দেয়া হয়েছে যে তার সাথে বন্ধুত্ব করা সম্ভব নয়, তাও সে পিছু নিয়ে বসে আছে। পুরুষ মানুষ যদি এরকম ব্যক্তিত্বহীন আচরণ করে তাহলে বিরক্তি লাগাটাই স্বাভাবিক!

এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই পড়েছেন হয়তো। আমাদের আশেপাশে এমন অনেক পুরুষ আছেন যাদেরকে এক কথায় ব্যক্তিত্বহীন উপাধি দিয়ে দেয়া যায়। এ ধরণের পুরুষদের থেকে যতটা দূরত্ব বজায় রাখা যায় ততই ভালো। কারণ এমন মানুষেরা বন্ধু কিংবা প্রেমিক হিসেবে সকলের জন্যই ক্ষতিকর ও বিরক্তিকর। নানান সময়ে এরা ডেকে আনতে পারে আপনার জন্য নানান রকম যন্ত্রণা। আসুন জেনে নেয়া যাক কোন ৬ ধরণের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ থেকে দূরে থাকা উচিত সেই প্রসঙ্গে।

অতিরিক্ত প্রেমিকা/ স্ত্রী ঘেঁষা
অতিরিক্ত প্রেমিকা/স্ত্রী ঘেঁষা পুরুষএরা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ। আপাত দৃষ্টিতে প্রেমিকারা এ ধরণের পুরুষদেরকে পছন্দ করলেও কিছুদিন পরেই ব্যক্তিত্বহীনতা দেখে দেখে বিরক্ত হয়ে যায়। এ ধরণের পুরুষরা প্রেমিকা/স্ত্রীর কথার বাইরে কোন কাজ করেনা, তাদের নিজস্ব কোনো মতামত থাকেনা, তাদের আত্মবিশ্বাস খুবই কম থাকে এবং শ্বশুরবাড়ি ঘেঁষা হয়। এ ধরণের পুরুষদের থেকে দূরে থাকাই ভালো। কারণ এদের সঙ্গে সম্পর্কে খুব সহজেই একঘেয়েমি চলে আসে।

অতিরিক্ত মা ঘেঁষা
অতিরিক্ত মা ঘেঁষা পুরুষরাও ব্যক্তিত্বহীনের কাতারেই পড়ে। মায়ের জন্য ভালোবাসা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ভালোবাসার মাত্রা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং সেটা সংসারের ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায় তাহলে সেটা অবশ্যই বেশ বিরক্তিকর। এ ধরণের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষরা ভালো মন্দ বিচার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং নিজের ব্যক্তিগত সংসার জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এরা মায়ের কথার বাইরে কিছু করে না আর মা একটা অন্যায় করলেও সেটাকে সমর্থন করে।

গায়ে পড়ে বন্ধুত্ব করতে চায় যারা
কিছু পুরুষকে দেখা যায় মেয়ে দেখলেই গায়ে পড়ে বন্ধুত্ব করতে চায়। ক্লাসে কিংবা ফেসবুকে কোনো মেয়ে দেখলেই হুট করে ‘আমি তোমার বন্ধু হতে চাই’ ধরণের কথা বার্তা বলে দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করে। কেউ কেউ আবার সব মাত্রা অতিক্রম করে না চিনেই প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বসে। এ ধরণের পুরুষদের থেকে বিশেষ নারীদের দূরত্ব বজায় রাখাই নিরাপদ। কারণ এরা পিছে লেগে থাকে এবং অহেতুক বিরক্তি সৃষ্টি করে। পুরুষদের জন্যও এমন বন্ধু ভালো নয়।

নারী সহকর্মীকে উত্যক্ত করে
কিছু পুরুষ আছে যারা কর্মক্ষেত্রে মার্জিত না থেকে সহর্কমীর সাথে ফ্লার্ট করে। এ ধরনের কর্মক্ষেত্রে নারী সহকর্মীকে অযথাই উত্যক্ত করে এবং কথা বলার সুযোগ খুঁজতে থাকে সব সময়। নারী সহকর্মীর কাজকে হেয় করার চেষ্টা করা, কটুক্তি করা সহ আরো নানা ধরণের সমস্যা সৃষ্টি করে এ ধরণের পুরুষরা। এমনকি এধরণের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষরা নানান ছলাকলায় নারী সহকর্মীদের গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করে। এদের থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই মঙ্গল।

চামচামি করে
কিছু সংখ্যক পুরুষ কর্মক্ষেত্রে, ক্লাসে কিংবা সমাজে মেশার সময় উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সাথে চামচামি করে। নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য খুব সহজেই নিজের মান সম্মান বিকিয়ে দেয় এ ধরণের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষরা। এদের থেকে দূরে থাকা নিরাপদ সকলের জন্য।

নিজেকে বেশি জাহির করে
আমাদের সবার আসেপাশেই এমন কিছু পুরুষ আছে যারা নিজেকে অতিরিক্ত জাহির করে আনন্দ পায়। নিজের চাকরি, পড়াশোনা, বেতন, গাড়ি, বাড়ি ইত্যাদি নিয়ে বাড়িয়ে বাড়িয়ে মিথ্যা করা বলার প্রবণতা দেখা যায় তাদের মধ্যে। এ ধরণের পুরুষদের অতিরিক্ত মিথ্যা বলার প্রবণতা থাকে। তাই এধরণের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখাই ভালো।
পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। যদি আমার এই পোস্টটি আপনার বিন্দুমাত্র উপকারে আসে তাহলে ফেসবুকে শেয়ার করুন।

“সবাইকে ধন্যবাদ।”

Share:

কসমিক সেক্স’

 Cosmic sex '
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন আশাকরি ভাল আছেন।

কসমিক সেক্স’

অনেক বিতর্ক ও বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে অবশেষে মুক্তির মুখ দেখল কলকাতা বাংলা ছবি ‘কসমিক সেক্স’। সোমবার ‘এ’ সার্টিফিকেট পেয়ে কলকাতার মেনকা হলে মুক্তি দেয়া হয় যৌনতায় ঠাসা বিতর্কিত এ ছবিটি।


বহুল বিতর্কিত ‘কসমিক সেক্স’ সিনেমাটি সেন্সর ছাড়পত্র না পাওয়ায় ২০১৪ সালে অনলাইনে রিলিজ করেছিলেন পরিচালক অমিতাভ চক্রবর্তী। দীর্ঘদিন পর হলেও এবার সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলো ছবিটি।


কলকাতার মেনকা হলে ছবির প্রিমিয়ার উপলক্ষে গতকাল উপস্থিত হয়েছিলেন ঋ সেন, অমিতাভ চক্রবর্তী, বজরঙ্গ লাল আগরওয়াল ও পুতুল মেহমুদ সহ অনেকে।


২০১২ সালে কেরালা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় ছবিটি। এই চলচ্চিত্রে যৌনতা এবং আধ্যাত্মিকতার মধ্যে এক ধরনের সংযোগের বিষয় অঙ্কন করা হয়েছে। যেখানে হিন্দু দেহতত্ত্বের প্রভাব রয়েছে যা প্রান্তিক পুরুষ এবং নারীদের মধ্যে আজও চর্চা হয়ে আসছে।
পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। যদি আমার এই পোস্টটি আপনার বিন্দুমাত্র উপকারে আসে তাহলে ফেসবুকে শেয়ার করুন।

“সবাইকে ধন্যবাদ।”
Share:

সুলক্ষণা নারী Suvarna women


নাক
যদি মেয়েদের নাক সুগোল, সবল হয় তবে তারা সবার প্রিয় হয় । নাকের অগ্রভাগ মোটা উচুঁ এবং মধ্যভাগ নীচু হলে তারা খুব অলক্ষণা হয়। নাকের অগ্রভাগ কুঞ্চিত ও রক্তবর্ণ হলে তারা সত্বর বিধবা ও দু:খিনী হয়। নাক ছোট বা দীর্ঘ হলে তারা খুব ঝগড়াটে হয়। নাক চ্যাপটা হলে তারা দাসী বৃত্তিতে লিপ্ত থাকে। আবার মেয়েদের নাকের ডগা লাল এবং কোচকানো হলে তাদের বিধবা সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু যেসব পুরুষের নাকের ডগা বাঁকা থাকে তারা নেশাগ্রস্ত হয়। এবং যেসব পুরুষের নাকের ডগা শুকনো তারা স্বল্পায়ু হয়।

দাঁত
নারীর দুই পাটিতে ৩২টি ঝক ঝকে সুন্দর সাজানো দাঁত থাকলে তারা খুব সুলক্ষণা হয়। দাঁত মোটা ও বিবর্ণ হলে তারা সুখী হয়। তবে নারী পুরুষ উভয়ের দাঁত উপরের পাটি থেকে নিচের পাটিতে বেশি হলে তারা মাতৃবিদ্বেষী হয়। যাদের দাঁত অসমান এবং বিবর্ণ থাকে তারা দ্বিচারিনী ও দুশ্চরিত্রা হয়। নারীদের দাঁত খুব বড় বড় হলে তারা নানা অসুখে ভুগে থাকে। মেয়েদের উপরের পাটির সামনের দুটো দাঁত বড় ও উঁচু হলে তারা সুখী হয়। যাদের দাঁতের উপরে দাঁত ওঠে তাদের বলে গজদন্তী এবং তারা সুখী হয়। কিন্তু ছেলে মেয়ে উভয়ে যারা দাঁত চিপে কথা বলে খুব কুটিল ও মতলববাজ হয়।

ঠোঁট
মেয়েদের ঠোঁট খুব উন্নত হলে তারা ঝগড়াটে হয়। ঠোঁট কালো ও মোটা হলে তারা বিধবা হয়। ঠোঁট অমসৃণ এবং মাঝখানটা নীচু হলে তারা দু:খিনী হয়। মেয়েদের ঠোঁট বড় হলে তারা খুব মুখরা হয়। ঠোঁট ছোট পাতলা ও মসৃণ হলে তারা সুলক্ষণা যুক্তা হয়। কিন্তু যেসব মেয়েদের দুটি ঠোঁটই সমান সাধারণত দেখা যায় তারা সুখী হয়ে থাকে।

জিহ্বা
মেয়েদের জিহ্বা পাতলা হলে তারা কুব কটু ভাষিনী হয়। যাদের জিহ্বা মধ্যম প্রকৃতির হলে তারা সখী হয়। যেসব মেয়েদের জিহ্বা মোটা তারা শান্ত, জেদি ও বিধবা হয়ে থাকে। মেয়েদের জিভ বেশি লাল হলে তারা মিষ্টি প্রিয় হয়। কিন্তু পুরুষের জিভ খুব বেশি লাল হলে তারা বিদ্বান ও বুদদ্ধিমান হয়। যেসব লোক সময়ে অসময়ে জিভ ঠোঁটে বুলায় তারা কামুক ও লোভী হয়ে থাকে।

হাত
মেয়েদের হাত কুব দীর্ঘ হলে তারা পতিঘতিনী হয়। নারীদের হাত কৃষ্ণ বর্ণ হলে তারা চৌর্যবৃত্তিতে লিপ্ত হয়। যেসব নারীদের হাতের থাবা বাঘের থাবার মত বড় তারা যে কোন পাপ কাজে লিপ্ত হয়। নারীদের হাত বানরের মত হলে তারা খুবই গরীব হয়। মেয়েদের হাতের উপরেরর শিরা দেখা গেলে তারা দরিদ্র হয়। যে মেয়ের বাহু মাংসল গোল এবং দেখতে সুন্দর হয় সে সৌভাগ্যশালী হয়। যে মেয়ের বাহু শিরা বহুল তারা দু:খী হয়। যাদের বাহু দীর্ঘ হয় তারা সকলের ভাল করার চেষ্টা করে। যাদের বাহু ছোট তারা ভীষণ চতুর হয়। যে মেয়ের বাহুতে শিরা ভেষে থাকে এবং লোম থাকে তারা পতি সুখ পায় না এবং দু:খী হয়ে জীবন কাটায়।


স্তন

স্তন দেখে পুত্র সন্তান ও কন্যা সন্তান নিরুপিত হয়। গর্ভবতী নারীর ডান স্তন শক্ত ও বাম স্তনের চেয়ে বেশি উন্নত হলে পুত্র সন্তান হবে। আবার বাম স্তন ডান স্তনের চেয়ে উন্নত হলে কন্যা সন্তান হবে। যেসব নারীর স্তন গোলাকার, লোমহীন, স্থুল ও সমোচ্চ সে নারী খুব সুলক্ষণা হয়। স্তনের বৃন্ত অনুন্নত হলে সে ভাগ্যবতী হয়। স্তনের চার পাশে যদি কালো ও স্তন বৃন্ত ফাটা ফাটা এবং স্কনে ফাটা ফাটা দাগ থাকে তারা চির রুগ্না ও দরিদ্র হয়। যেসব মেয়েদের দুটি স্তনের মধ্যে ফাঁকা বেশি থাকে তাদের দু:খ ঘোচে না। তবে স্তনের মধ্যে ফাঁকা কম থাকলে তারা সুখী হয়ে থাকে। কিন্তু মেয়েদের স্তন মোটা ও পুরু এবং তা আকৃতিতে অনেক বড় হয় তারা দুশ্চরিত্রা হয়ে থাকে।
ধন্যবাদ
Share:

মেয়েদের অতি গোপনীয় কিছু সত্য কথা জেনে নিন


মেয়েদের অতি গোপনীয় কিছু সত্য কথা জেনে নিন
ছেলেদের মনের অজানা কথা বুঝতে না পারার কারণে মেয়েরা বেশিরভাগ সময় অভিমান করে। আর এতে করে ঝামেলায় পড়তে হয় ছেলেদের। তো, পাঠক, জেনে নিন- মেয়েদের অজানা কিছু সত্য যা ছেলেদের বিপাকের কারণ।
এক.
অনেক সময়েই মেয়েদের অভিমান পুরোটাই থাকে অভিনয়। মেয়েরা মাঝে মাঝে অভিমানের অভিনয় করে তার প্রেমিক বা স্বামীর পরীক্ষা নিয়ে থাকেন। তারা দেখতে চান তার অভিমানের মূল্য তার প্রেমিক বা স্বামীর কাছে কতোটুকু। তাই আপনি যদি নিজের সঙ্গিনীর অভিমানকে অবহেলা করতে চান তবে ভুল করবেন।
দুই.
মেয়েরা ভালোবাসা প্রকাশ করাটা অনেক বেশি পছন্দ করে থাকেন। আপনি অনেক চাপা বা লাজুক স্বভাবের হলেও নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করুন। সেটা যেভাবেই হোক। প্রশংসা করুন, উপহার দিন কিংবা সরাসরি তাকে বলুন আপনি তাকে কতোটা ভালোবাসেন।
তিন.
মেয়েরা গিফট খুব বেশি পছন্দ করে থাকেন। যদি কোনোভাবেই নিজের সঙ্গিনীর অভিমান ভাঙাতে না পারেন তবে তাকে গিফট করুন তার পছন্দের কোনো জিনিস। দেখবেন অভিমান খুব বেশিক্ষন ধরে রাখতে পারবেন না তিনি।
চার.
আপনার সঙ্গিনী যদি আপনাকে ফোন দিয়ে সবসময় আপনার খোঁজ খবর নেয়ার জন্য উদগ্রীব থাকেন এবং আপনি ফোন না ধরলে মন খারাপ করেন, তখন বুঝে নেবেন তিনি আপনাকে অনেক বেশিই ভালোবাসেন।
এখন কথা হলো সন্দেহের জন্য খোঁজ নেয়া এবং কেয়ার করার জন্য খোঁজ নেয়া নিয়ে।
যদি আপনার সঙ্গিনী সন্দেহ করেন আপনার প্রতি তাহলে তার কথার তীরের মাধ্যমেই আপনি তা বুঝতে পারবেন। আর যদি তার খোঁজ খবর নেয়ার পেছনে শুধুই কেয়ার থাকে তাহলে কথায় কোনই সন্দেহের লেশ পাবেন না। তাই এই খোঁজ খবর নেয়ার অর্থটাকে সব সময় আঠার মতো লেগে থাকা নামটি দেবেন না।
পাঁচ.
আপনার সঙ্গিনী যদি আপনার মুখে অন্য কোনো মেয়ের নাম শুনে বিরক্ত বোধ করেন এবং কথা ঘুরানোর চেষ্টা করেন তবে অবশ্যই আপনি সেই নামটি আর মুখে আনবেন না। কারণ বেশিরভাগ মেয়েরাই নিজের পছন্দের মানুষটির মুখ থেকে নিজের নামটি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো মেয়ের নাম শুনতে চান না একেবারেই।
ছয়.
আপনারা কথা বলার মাঝে আপনার কোনো কথার প্রেক্ষিতে যদি আপনার সঙ্গিনী আপনাকে বলেন, ‘কি বললে বুঝতে পারিনি, আবার বলো’, তাহলে তা ভুলেও দ্বিতীয়বার বলতে যাবেন না। এই কথার অর্থ হচ্ছে তিনি আপনার কথা শুনেছেন এবং বুঝেছেন কিন্তু তার কথাটি পছন্দ হয়নি।
Share:

খারাপ ছেলে বা মেয়ে চেনার উপায় (The way to know bad boy or girl)


আপনি হয়তো
এই কিছুদিন আগেই মাত্র তার সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, এবং ভাবছেন তিনি এক যাদুকর। মনে রাখবেন, প্রতারক পুরুষরাও সাধারণত মেধাবি হয়ে থাকেন; যিনি ছলে-বলে-কৌশলে আপনাকে সহজেই তার প্রতি মোহাবিষ্ট করে ফেলতে সক্ষম। এখানে প্রতারক ছেলে বা মেয়ের কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হল যেন আপনি সহজেই তাকে চিনে নিতে পারেন।

জীবনসঙ্গী কিংবা মনের মানুষটি ধোঁকা দিলে বা প্রতারণা করলে সেটা সহ্য করা আসলেই খুব কষ্টের একটি বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ফেসবুক আর মোবাইল ফোনের সম্পর্কে প্রতারণা যেন একটা নিত্য দিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার ওপরে চোখ বুজে আস্থা রাখাটাই যেন একটা কঠিন ব্যাপার হয়ে উঠছে ক্রমশ। কেউই চান না যে জীবন সঙ্গী বা মনের মানুষটি তাকে ধোঁকা দিক। কিন্তু না চাইতেও পড়তে হয় এই কঠিন অবস্থার মুখোমুখি। কীভাবে বুঝবেন আপনার স্বামী/স্ত্রী অথবা প্রেমিক/প্রেমিকা আপনাকে ধোঁকা দিচ্ছে? জেনে নিন ১২টি লক্ষণ।

১) আগে তিনি আপনাকে যতটা সময় দিতেন, এখন আর ততটা সময় আপনি পান না। এমন না যে তার কাজের ব্যস্ততা বেড়েছে। কাজ ঠিক আগের মতই আছে, কেবল আপনাকে সময় দেয়া কমিয়ে দিয়েছেন।

২) আপনাকে নিয়ে বাইরে যেতে তার তীব্র অনীহা দেখা যায়। বরং তিনি বন্ধুদের সাথে বা একলা বেড়াতেই বেশি পছন্দ করেন।

৩) আপনি দেখতে কেমন দেখাচ্ছে, সুন্দর লাগছে কিনা ইত্যাদি দিকে এখন আর তার মনযোগ নেই। আপনি যেন তার জীবনে আছেন বলেই থাকা।


৪) তার মোবাইল ফোনটি তিনি কাউকেই ধরতে দেন না। বিশেষ করে আপনি ধরলে তিনি বিনা কারণেই মারাত্মক রাগারাগি করেন।

৫) দিনের একটা বেশ বড় অংশ তিনি পার করেন ইন্টারনেটে বা ফোনে কথা বলে। আপনি এসব নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন করলেই তিনি রেগে যান। কিংবা আপনাকে দেখলেই ব্যবহার করা বন্ধ করে দেন।

৬) নিজের চেহারা ও সাজগোজের দিকে তিনি আগের চাইতে অনেক বেশি মনযোগ দিতে শুরু করেছেন। হুট করেই তার স্টাইল করা যেন বেড়ে গিয়েছে।

৭) প্রচুর টাকা খরচ করছেন। কিন্তু কোথায় করছেন সেটা আপনি বুঝতে পারছেন না।

৮) তার ফোনটি আগের চাইতে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকে। ফোনে অচেনা নাম্বার থেকে কল আসাও অনেক বেড়ে গিয়েছে। অন্যদিকে তার এমন বন্ধুদের সংখ্যা বেড়েছে যাদের আপনি চেনেন না।

৯) আজকাল তিনি আপনার অনেক বেশি সমালোচনা করেন। আপনার কোন কিছুই যেন তার কাছে ভালো না, সবকিছু নিয়েই অহেতুক সমালোচনা করেন। কিছুতেই তাকে খুশি করা যায় না।

১০) ফেসবুকে তিনি আপনাকে ফ্রেন্ড লিস্টে রাখতে আগ্রহী নন। কিংবা রাখলেও সবকিছুতে অনেক বেশি প্রাইভেসি দেয়া। এবং আপনি চাইলেও অনেক কিছু দেখতে পারেন না। কখনো ঝগড়ার সময়ও ফেসবুক পাসওয়ার্ড চাইলে তিনি আপনাকে দেননি। এবং ফেসবুকে বিপরীত লিঙ্গের মানুষদের সাথেই তার বেশি খাতির।

১১) তার পুরনো প্রেমের সাথে তার আজকাল অনেক বেশি যোগাযোগ হয়েছে। এবং আপনার চোখের আড়ালেই তারা খুব ভালো সম্পর্ক রক্ষা করে চলছেন।

১২) এমনিতে তিনি আপনার সাথে কারণে অকারণে খিটমিট করেন। কিন্তু যখনই আপনি এসব ব্যাপার নিয়ে প্রশ্ন করেন, তখনই খুব ভালো ব্যবহার করেন। আবার ঝগড়া হলে কথায় কথায় ব্রেকআপ উচ্চারণ করতেও তার বাঁধে না।
Share:

ভালবাসার প্রস্তাব দেয়ার মেয়েদের ১২ টি টিপস

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন আশাকরি ভাল আছেন।
১.ব্ল্যাকমেইল স্টাইলঃ
আমি তোমাকে ভালবাসি। তুমি হ্যাঁ বললে তো ভালো। কিন্তু না বললে তখন অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে। আর সেটা তোমার বোন ও হতে পারে !!
২. ডাইরেক্ট স্টাইলঃ
শোনো মেয়ে, আমি কোনো রকম ভূমিকা-টূমিকা না করে একেবারে সোজাসুজিভাবে তোমাকে একটা কথা বলে দিতে চাই। আমি তোমাকে ভালোবাসি।
৩. মাস্তানি স্টাইলঃ
ওই মাইয়া, ভালবাসা দিবি কি-না, বল!(চাকু/বন্দুক দেখিয়ে)
৪. যুক্তিবাদী স্টাইলঃ
আমি তোমার ছোট ভাইকে ভালোবাসি। তোমার ছোট ভাই তোমাকে ভালোবাসে। অতএব, যুক্তিবিদ্যার নিয়মে কি হয়? বাকিটা তুমিই বল !!
৫. চালাক স্টাইলঃ
তুমি কি জানো, আমাদের জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন টা কি??
৬. রসিক স্টাইলঃ
Excuse me! আমি তোমাকে প্রপোজ করতে চাই। please অনুমতি দাও।
৭. হিজড়া স্টাইলঃ
এই দুষ্টু মেয়ে। তুমি এ কি জাদু করলা? তোমাকে দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়। আবার তোমাকে না দেখলে অস্তিরতায় মরে যাই। তুমি কি জানো? আমি তোমাকে অনেননননননননন….ক ভালোবাসি।
৮. ডিজুস স্টাইলঃ
Hi, sweet heart, how r u? Guess what? Yah! Baby! Right. Yo! Yo! I Love You!
৯. অনুভূতিহীন স্টাইলঃ
তোমাকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এখন তুমি আমাকে পছন্দ না করলেও আমি পাঁচতলা থেকে লাফ দিবো না, বিষ খেয়েও মরবো না। যদি আমাকে তোমার পছন্দ হয়, তাহলে বল।
১০. গায়ক স্টাইলঃ
গানের গলা ভালো হলে একটা গান গেয়ে বলতে পারেন… “এত ভেবে কি হবে? ভেবে কি করেছে কে কবে? ভাবছি না আর, যা হবে হবার। এত দিন বলিনি, তুমি জানতো আমি এমনি…… ভালবাসি !!”
১১. দেবদাস স্টাইলঃ
কেউ আমাকে ভালবাসে না। এ জীবন আমি রাখবনা। তোমার কাছে বিষ হবে? আমায় বিষ দাও। আমায় বিষ দাও। (কান্নায় ভেঙ্গে পড়ুন)
১২. কাব্যিক স্টাইলঃ
কবি কবি ভাব থাকলে ২ লাইন কবিতার মাধ্যমে প্রপোজ করতে পারেন !! আশা করি এই টুকলিফাই এর যুগে কবিতার অভাব হবে না!!
পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। যদি আমার এই পোস্টটি আপনার বিন্দুমাত্র উপকারে আসে তাহলে ফেসবুকে শেয়ার করুন।
“সবাইকে ধন্যবাদ।”
Share:

♥একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যে কাজ গুলো করবেন জেনে নিন♥


♥একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যে কাজ গুলো করবেন জেনে নিন♥
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন আশাকরি ভাল আছেন।
১। একে অপরকে ভালবাসতে হবে ।
২। মিথ্যা কথা না বলা ।
৩। সব সময় যোগাযোগ রক্ষা করা ।
৪। সব সময় ভাল থাকা ।
৫। যখন তার কাছ থেকে অবহেলা পাবেন , ওইটাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করবেন ।
৬। কখনোই সম্পর্ক ভেঙ্গে যায় এমন কোন কথা বলবেন না ।
৭। কোন জিনিস ঠিক না থাকা সত্ত্বেও ঠিক আছে এইটা বলবেন না ।
৮। আপনার অহংকার তার জন্যে বিসর্জন দেন । কখনোই প্রকাশ করবেন না ।
৯। আপনি যদি সরি বলেন তাহলে সে সেটা বুঝতে পারবে ।
১০। কখনোই আপনার অতীত কে বর্তমানের সাথে তুলনা করবেন না ।
১১। কখনোই আপনার অতীতের বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড সম্পর্কিত কোন কথা তাকে বলবেন না সম্পর্ক থাকা অবস্থায় ।
১২। দেওয়া এবং নেওয়ার অভ্যাস করুন ।
১৩। আপনার সেই মানুষটির ব্যাপারে সব সময় অবগত থাকুন ।
১৪। যখন একে অপরের সাথে ঝগড়া হয় তখন যত দ্রুত সম্ভব টা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে ।
১৫। যদিও কোন ব্যক্তিই সর্ব গুনে গুণান্বিত নয় , তবুও নিজেকে তার জন্যে যোগ্য মানুষ হিসেবে তৈরি করবেন ।

পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। যদি আমার এই পোস্টটি আপনার বিন্দুমাত্র উপকারে আসে তাহলে ফেসবুকে শেয়ার করুন।

“সবাইকে ধন্যবাদ।”
Share:

আপনি কোন দিবস পালন করেন

স্ত্রী তার স্বামীকে বলছে ----
ওগো শুনছো ভেলেন্টাইনস
ডেতে চলো না আমরা বাহিরে কোথাও
যাই ।
স্বামীঃ হঠাৎ করে তোমরা আজ
কি হলো ? আমাদের বিয়ের
এতো গুলো বছর পার হয়ে গেলো ,
কোনদিন তো বলনি ভেলেনটাইন্স
ডে পালন করতে হবে । ও
বুঝেছি টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল
দেখে দেখে তোমার মাথায় এই
আইডিয়া এসেছে তাই না ?
স্ত্রীঃ হ্যা
স্বামীঃ ভেলেনটাইন্স পালন
করা ইসলামে জায়েজ নয় ।
বাহিরে যেতে চাও অন্য একদিন
নিয়ে যাব ।
স্ত্রীঃ তুমি আমাকে একটুও ভালোবাস
না । তাই না যাওয়ার
বাহানা করছো ।
স্বামীঃ শুনো আমরা মুসলিম ,
আমরা আমাদের স্ত্রী কে বছরে একদিন
ভালবাসিনা । আমরা আমাদের
স্ত্রীকে বছরে ৩৬৫ দিনই ভালোবাসি ।
এইসব ভালোবাসা দিবস , মা দিবস ,
বাবা দিবস ইত্যাদি যারা চালু
করেছে তাদের কাছে তাদের
আপনজনকে ভালোবাসার জন্য সময় নাই ।
তাই তারা এইসব ভালোবাসা দিবস ,
মা দিবস , বাবা দিবস ইত্যাদি পালন
করে নিজের ভালোবাসা প্রমাণ
করতে চায় । আমরা আমাদের আপনজনকে সব
সময়ই ভালোবাসি । আমাদের এইসব দিবস
পালন করার প্রয়োজন নেই ।
Share:

জেনে নিন কোন কোন দেশের মেয়েদের সেক্স পাওয়ার বেশি


আজ আপনাদের জনাবো কোন দেশের মেয়েদের সেক্স বেশি
তালিকায় দেখা যাচ্ছে প্রথম তিন নম্বরে আছে পাকিস্তানের নাম। কিন্তু সেরা দশের মধ্যেও ভারত কিংবা বাংলাদেশের নাম নেই। মূলত ঐ সমীক্ষাটি চালানো হয়েছিল বিভিন্ন দেশের পুরুষ ও নারীদেও সেক্স পাওয়ারের ওপর। তারই ভিত্তিতে যে দেশের নারীদের সেক্স পাওয়ারের ওপরতালিকা তৈরি করে ওই ওয়েবসাইট। বিশ্বে সবচেয়ে ‘কাঙ্ক্ষিত’ সেক্স পাওয়ার বাসস্থান যে দেশে তার তালিকা :
১. আয়ারল্যান্ড,
২. অস্ট্রেলিয়া,
৩. পাকিস্তান,
৪. আমেরিকা,
৫. ইংল্যান্ড,
৬. স্কটল্যান্ড
৭. ইতালি,
৮. নাইজেরিয়া,
৯. ডেনমার্ক,
১০. স্পেন।
১১. আর্মেনিয়া,
১২. বার্বাডোজ,
১৩. আমেরিকা,
১৪. কলম্বিয়া,
১৫. ইংল্যান্ড,
১৬. অস্ট্রেলিয়া
১৭. ব্রাজিল,
১৮. ফিলিপিন্স,
১৯. বুলগেরিয়া,
২০. লেবানন।

Share:

ফ্রী সেক্সের দেশ বলে পশ্চিমা মেয়েরা যার তার সাথে বিছানায় যায়, সেক্স ওদের কাছে কোন ব্যাপারই না!


ফ্রী সেক্সের দেশ বলে পশ্চিমা মেয়েরা যার তার সাথে বিছানায় যায়, সেক্স ওদের কাছে কোন ব্যাপারই না!
বাস্তবতাঃ হ্যা, পশ্চিমা মেয়েরা বিছানায় অবশ্যই যায়, কিন্তু যার তার সাথে না। স্কার্ট ধরে টান দিলেই কোন পশ্চিমা মেয়ে সুরসুর করে আপনার বিছানায় এসে উঠবে না, ব্যাপারটা এত সোজা না।
পশ্চিমা মেয়েদের পটানো বাংলাদেশী মেয়েদের পটানোর চেয়ে অনেক বেশী কঠিন, যেসব এপ্রোচ আর টেকনিকে বাংলাদেশী মজনুরা তাদের বঙ্গীয় লাইলীদের কুপোকাত করে, পশ্চিমা মেয়েদের ক্ষেত্রে সেসব টেকনিক আর এপ্রোচ নিতে গেলে থাবড়া খেয়ে দাত হারানোর সমূহ সম্ভাবনা আছে।
আর এক পেগ ‘মাল’ খাইয়ে বিছানায় নেবার কাহিনী শুনেছেন না? মেয়ে নিজে না চাইলে এক পেগ কেন এক বোতল খাইয়েও সুবিধা করতে পারবেন না!

এবার একটা দুঃসংবাদ দেই, যারা বিদেশে যেয়ে সেক্সের সমুদ্রে সাতার কাটার চিন্তা ভাবনা বা কল্পনা করেন এটা তাদের জন্য প্রযোজ্য, গড়পরতা বাংলাদেশী তরুনেরা পশ্চিমা মেয়েদের কাছে কোন দিক থেকেই আহামরি কিছু না, যেসব বাংলাদেশীরা পশ্চিমা দেশগুলিতে যায় এবং থাকে, আপনারা কি মনে করেন তারা একেকজন ক্যাসানোভা হয়ে যায়? খোজ নিলে জানবেন অতিশয় ব্যাতিক্রমী কয়েকজন বাদে যে ‘ভরা বোতল’ নিয়ে তারা দেশ ত্যাগ করেছিল, সেই ভরা বোতল নিয়েই তারা আবার দেশে ফেরত আসে।
আরেকটা কথা, পর্ন সাইটে যেমন দেখায়, বাস্তব জীবনে পশ্চিমা মেয়েরা আসলে তেমন না। ওদের মধ্যে এমন মেয়ে প্রচুর আছে যারা বিবাহ পূর্ব যৌনতাকে অত্যন্ত খারাপ চোখে দেখে। বিশ্বাস করা না করা আপনাদের ইচ্ছা, গড়পরতা পশ্চিমা মেয়েদের চেয়ে বর্তমানে গড়পরতা বাংলাদেশী মেয়েদের বিছানায় নেয়া অনেক বেশী সহজ, বিদেশী মেয়েদের অনেক সময় আর ধৈর্য্য নিয়ে টোপ গেলাতে হয়, সরি টু সে, বর্তমানে বাংলাদেশী অনেক মেয়ে লুচ্চাগুলির নূন্যতম মেহনতেই টোপ-ছিপ-বর্শা সবই গিলে ফেলে! বিশ্বাস হচ্ছেনা? ছবি আর পর্ন উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন সাইটে বাংলাদেশী মেয়েদের হাউ কাউ তাহলে এখনো আপনাদের নজরে পরেনি!


Share:

যে দেশ গুলোতে ফ্রি সেক্স চলে


যে দেশ গুলোতে ফ্রি সেক্স চলে
ফ্রান্সকে এটা প্রায়ই বলা হয়ে থাকে যে তারাই এই গ্রহের সবচেয়ে কামার্ত জাতি। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশিত সবচেয়ে যৌন সন্তুষ্ট দেশের একটি নতুন তালিকায় ফ্রান্সের নাম নেই সেরা ১২ দেশের তালিকায়!
ডিউরেক্স গ্লোবাল সার্ভে ২৬ টি দেশের ১৬ বছরের অধিক বয়সের ২৬ হাজার মানুষের উপর পরিচালিত জরিপে ৪৪ শতাংশ মানুষ তাদের যৌন জীবনে পুরোপুরি সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন।
এই ফলাফলের ভিত্তিতে  অল্টারনেট সবচেয়ে যৌন সন্তুষ্ট ১২ দেশের একটি তালিকা তৈরি করেছে। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে তিন ইউরোপিয় দেশ সুইজারল্যান্ড, স্পেন এবং ইতালি। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো এই তালিকায় নেই ফ্রি সেক্সের দেশ গ্রেট ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বের সবচেয়ে যৌন সন্তুষ্ট ১২টি দেশ:  
১. সুইজারল্যান্ড
২. স্পেন
৩. ইতালি
৪.ব্রাজিল
৫. গ্রিস
৬. নেদারল্যান্ডস
৭.মেক্সিকো
৮.ভারত
৯. অস্ট্রেলিয়া
১০. নাইজেরিয়া
১১.জার্মানি
১২. চীন
ডিউরেক্স সার্ভের মতে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রায়ই যৌন সন্তুষ্টি কমতে থাকে এবং সেক্সের চাহিদা কমার সাথে সাথে নতুন সম্পর্ক স্থাপনের  আগ্রহও কমতে থাকে।
যদি মানুষ ভাল মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের অধিকারী হন; তাহলে  যৌন জীবনের চাপ থেকে মুক্ত, এবং ঘন ঘন সেক্স করার আগ্রহ আছে , তারাই যৌন জীবনে সন্তুষ্ট হওয়ার  সম্ভাবনা বেশি।
ডিউরেক্সের মতে, প্রচণ্ড উত্তেজনা অর্জন যৌন সন্তুষ্টির একমাত্র মূল চালিকা শক্তি। ডিউরেক্সকে দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, মাত্র ৪৮ শতাংশ মানুষ নিজেরা সাধারণত প্রচণ্ড উত্তেজনা তৈরি করতে পারেন।
গবেষণায় আরো উঠে আসে,বিশ্বব্যাপী  ৬৪ শতাংশ নারী ও পুরুষের  অনেকে নিয়মিত দুইবার করে হস্তমৈথুনের অভ্যাস আছে ।
সূত্র:দি ইন্ডিডেন্ডেন্ট

Share:

জেনে নিন সপ্তাহে কতবার যৌন মিলন করতে চায় মেয়েরা


শতকরা ৭৫ শতাংশ নারী সপ্তাহে তিনবারের অধিক যৌন মিলন চান। সম্প্রতি ৫০০ নারীর উপর জরিপ চালিয়ে এ তথ্য পেয়েছে।

১. জরিপের ফলাফলে বলা হয়, শতকরা ৫৩ শতাংশ নারীই বিদ্যমান অবস্থার চেয়ে বেশিবার যৌন মিলন করতে চান। যার মধ্যে ৭৫ শতাংশ নারী চান সপ্তাহে তিন বারের চাইতে বেশিবার যৌন মিলন এবং ১৩ শতাংশ চান ছয় বারের বেশি।

২. জরিপে উঠে এসেছে নারীদের অর্গাজমের তথ্যও। শতকরা ৩৯ শতাংশ নারী বলেছেন যৌন মিলনের সময় তাদের অন্তত একবার অর্গাজম হয়। যেখানে ১০ শতাংশ নারীর হয় একাধিক বার।

৩. যৌন মিলনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী এ প্রশ্নের জবাবে ৫৩ শতাংশ নারীই বলেছেন, মানসিক সম্পৃক্ততা।
এর পরের অবস্থানেই ছিল উত্তেজনা। যা ছিল ২৩ শতাংশ নারীর মতামত।

৪. যৌন মিলনের পক্ষে সবচে বড় বাঁধা কোনটি?

এমন প্রশ্নের জবাবে ৪০ শতাংশ নারীই দোষারোপ দিয়েছেন মানসিক চাপকে।

Share:

বিয়ের আগে সেক্স করলে কী হয়?

বিয়ের আগে সেক্স করলে কী হয়?
পৃথিবীর সব ধর্মেই বিবাহ ছাড়া যৌন মিলন বা শারীরিক সম্পর্ককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রয়েছে কড়া নিষেধ। এমনকী এ কাজ যে করবে তার জন্য নির্ধারিত রয়েছে কঠিন শাস্তি। এই বিধানের পেছনে নিশ্চয়ই কারণ রয়েছে।

আর কারণটি হলো সামাজিক, ধর্মীয় ও মানসিক অবক্ষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখা।

আমাদের সমাজে এমন অনেক পুরুষ রয়েছেন যারা শুধুমাত্র নারীদেহ ভোগ করার বা বিবাহ বহির্ভূত যৌন মিলন এর উদ্দেশ্যেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং কাজ হাসিল হয়ে গেলে সম্পর্কের দায়ভার নিতে চান না।

নারীরাও যে এমন করে না তা নয়, তবে তুলনামূলকভাবে এমন নারীর সংখ্যা কম। আশংকার ব্যাপার হচ্ছে আজকাল অনেক উঠতি বয়সী মেয়েই এই ধরণের পরকিয়া শারীরিক সম্পর্ককে আধুনিকতা মনে করে থাকে।

অথচ বিয়ের আগে যৌন মিলনের ফলে যে সমস্যা দেখা দেয়, তা পোহাতে হয় নারীদেরকেই! তাই সাবধান হোন এবং জেনে নিন অনাকাঙ্খিত সমস্যাগুলো সম্পর্কে।

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের সবচেয়ে ভয়াবহ যে সমস্যাটি হতে পারে তা হলো অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ। নিরোধক ব্যবহারের পূর্ব পরিকল্পনা না থাকা, আবেগের বশে হঠাত্‍ করেই যৌন সম্পর্ক করা ইত্যাদি এর অন্যতমত কারণ।

শারীরিক সম্পর্কের চিহ্ন ধারণ করে সাধারণত মেয়েরাই। কোনো মেয়ের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কি না তা ডাক্তারি পরীক্ষার (Clinical trials) মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়, কিন্তু ছেলেদের যায় না।

একইভাবে গর্ভধারণের যাবতীয় সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয় শুধু মেয়েদেরই। এর ফলে পরিবার, সমাজ এবং নিজের কাছে অপরাধী হতে হয় নারীদের।

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে গর্ভধারণ করে ফেললে তখন গর্ভপাত করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। গর্ভপাত একটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়া।

এতে যেমন শারীরিক ক্ষতি হয় তেমনি মানসিক ক্ষতির সম্মুখীনও হতে হয়। গর্ভপাতের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণসহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। এর দীর্ঘমেয়াদী কুফলও রয়েছে।

যেমন পরবর্তীতে গর্ভধারণে সমস্যা হওয়া বা গর্ভধারণ করতে না পারা ইত্যাদি। প্রথম সন্তান জন্মদানের আগে গর্ভপাতের ঘটনা ঘটলে পরবর্তীতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সন্তান ধারনে সমস্যা দেখা দেয়।

গর্ভপাতের মানসিক ক্ষতিও কম নয়। সন্তান হারিয়ে অনেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি অনেকে বিকারগ্রস্ত পর্যন্ত হয়ে পড়ে।

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের বা যৌন মিলন কারণে অনেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল বা অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করে থাকে।

অনবরত জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল গ্রহণ অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ রোধ করলেও ডেকে আনতে পারে বন্ধাত্ব।
Share:

বিয়ের আগে সেক্স না করাই ভাল


প্রশ্নঃ
আপু, আমার বয়ফ্রেন্ড আমার সাথে
সেক্স করার জন্য খুব চাপ দিচ্ছে।
আমি এখন এগুলো করতে চাই না…
সেও মানেনা, এমতাবস্থায় আমার করণীয়কী??
.
উত্তরঃ
ছেলেটা আপনার সাথে প্রকৃত ভালবাসা/প্রেম
করে না এবং বিয়েও করবেনা…এটা ১০০%
নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি। কারণ যেই ছেলে
তোমাকে প্রকৃত ভালবাসে সে অবশ্যই
তোমাকে
বিয়ে করবে। সে কখনও বিয়ের পূর্বে
সেক্সের কথা উচ্চারণ করবেনা।
.
যে ছেলে তোমার সাথে প্রকৃত প্রেম করে
সে
মনে করে-বিয়ের পর আমি তো তাকে পাবো,
তখন প্রাণভরে আদর করবো, ভালবাসা দিবো,
সোহাগ দিবো।
.
আর যদি তুমি তার সাথে একবার সেক্স কর,
তাহলে সে আরো ২০-৩০ বার করার পর
আস্তে আস্তে তোমার থেকে সরে চলে
যাবে…
এমনকি তুমি গর্ভবতীও হতে পারো।
.
তারপর তুমি ভালবাসা দাবি করলে বলবে-
তুমি খারাপ মেয়ে, অন্যজনের সাথে তোমার
সম্পর্ক আছে, তুমি তাদের সাথেও আমার
মত সেক্স করেছ। সুতরাং তুমি একজন
নষ্টা মেয়ে।
.
আর যদি সেক্স করার সময় সেটা ভিডিও
করে এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয় তাহলে
যত মানুষ তোমার সেক্সের ভিডিওটা দেখবে
সব পাপ তোমাকে বহন করতে হবে।
.
মনে করুন,
কোনমতে তোমার বিয়ে হয়ে গেল।
দাম্পত্য জীবনে ঐ ভিডিওটা যদি তোমার
স্বামীর হাতে চলে যায় অথবা কেউ তোমার
স্বামীকে দেখায় তাহলে জীবন হবে
তেজপাতার
থেকেও মুল্যহীন।
.
মোট কথা হলো, বিয়ের পূর্বে প্রেমিক বা
অন্য
কারো সাথে সেক্স করার মত বোকামী ও বড়
ভুল
আর হতে পারেনা। এর মানে জীবনজাহান্নামের
আগুনে পুড়িয়ে ফেলা।
.
সুতরাং সাবধান!
বিয়ের পূর্বে ভুলেও কারো সাথা সেক্স নামক
জঘন্যতম কাজে লিপ্ত হবে না। অন্যথায়
দুনিয়া ও আখিরাতে পরিণাম এবং ফলাফল
অত্যন্ত ভয়াবহ হবে।

Share:

যৌনকার্যর সময় পুরুষের ভাষা আর নারীর ভাষা কেমন হয়

কিভাবে যৌনতাকে আরও উৎকর্ষতর করে তোলা যায়। মানুষ এর অনুসন্ধান শুরু করেছিল সেদিন হতে যে শুভ মুহূর্তটিতে তার মানব প্রেয়সীর সাথে যৌনতার শুভ সুযোগ এসেছিল। যৌনতার মত উপভোগ্য দ্বিতীয় আর কিছুই নেই। যৌনতার মাঝেই নাকি স্বর্গীয় সুধার দোয়া পাওয়া যায়। এ কারণে মানুষ যৌনতার প্রথম দিন হতে সে অমৃত উপাদানটির সন্ধান করেছে যা তার যৌনক্ষমতাকে আরও উৎকর্ষতর করে তুলবে যাতে সে অনেক বেশি তৃপ্তি নিয়ে যৌনতাকে উপভোগ করতে পারবে। সে যৌনতা বৃদ্ধিকারক অমৃত উপাদানটি কি? এ কৌতূহল সার্বজনীন!
এ নিয়ে নানান মুনির নানান মত। বাঘের দুধ বা গন্ডারের শিং হতে তৈরি পাউডার-এর মত দুষ্প্রাপ্য নমুনাও এসেছে এ অমৃতের সূত্র ধরে। এ অমৃত উপাদানটির যদি তালিকা তৈরি করা হয় তা কখনো শেষ করা যাবেনা। এ নানান উপাদানগুলো কি আসলেই যৌনতার উপর কোনো প্রভাব রেখে থাকে? আসলে এগুলো কাজ করে কিনা সে সম্পর্কে কোনো প্রকারের বিজ্ঞান গবেষণা চালানো হয়নি।
সুতরাং আসল তথ্য সবার কাছে অজানা রয়ে গেছে। পুরো ব্যাপারটা দাঁড়িয়েছে স্রেফ অনুমান নির্ভর। যেমন-পুরুষাঙ্গের সাথে আকারগত সাদৃশ্যতা আছে বলে ধারণা করা হয়। কলা যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিকারক। খোঁজ নিলে আশেপাশে এ ধরনের হাজারো উদাহরণ পাবেন। সমস্যা হলো- মানব মনের দুর্বল দিক বাণিজ্যের কাছে পড়ে যায় বারংবার।
যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর এ কথিত অমৃত উপাদানটিকে ঘিরে অস্পষ্টতা আর রহস্যময়তা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত নানান প্রবঞ্চনা আর প্রতারণার ফাঁদে ফেলে দেয়। ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপনে পণ্যের যৌনতা উৎকর্ষতাকারক ক্ষমতার উদ্ধৃতি দেন প্রায়ই। দুর্বল মানব মন ক্রমশ এর দিকে ঝুঁকতে থাকে। ক্রমে ক্রমে অবস্থা এমন দাঁড়ায় প্রায় সব পণ্যরাই এ মহাগুণের অধিকারী হতে দেখা দেয়। এমন ঘটনা ঘটেছিল পাশ্চাত্যের মার্কিন বাজারে।

ব্যাপারটা এতটা ব্যাপক রূপ নেয় যে, শেষ পর্যন্ত মার্কিন খাদ্য আর ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান এফ ডি এ (ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশান) কে এতে হস্তক্ষেপ করতে হয়। ১৯৯০ সালের ৬ জানুয়ারি এ প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দেয় যে কোনো ধরনের পণ্য তা ওষুধ বা খাবার যেমনটিই হোক তাতে ‘যৌনতা উদ্দীপক’ বা ‘যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিকারক’ এ জাতীয় কোনো মন্তব্য যেনো লেখা না থাকে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য হলো যৌনক্ষমতা সত্যিকারভাবে বাড়াতে পারে এ জাতীয় কোনো ওষুধ লোশন বা উপাদান এখনো তৈরি হয়নি।
অবশেষে সমাধান!
সিফিলিস! এক নামেই সবার কাছে পরিচিত। যৌনবাহিত রোগ বিধেয় এটিকে ঘিরে সবারই কমবেশি কৌতূহল। এ রোগের ইতিহাস বেশ পুরনো। ইউরোপীয়ানরা পঞ্চদশ শতাব্দী হতে এর সাথে পরিচিত হয়ে আসছে। যৌনসঙ্গম দ্বারা যে এ রোগ ছড়ায় এটি তাদের ধারণা ছিল কিন্তু এটি যে এক ধরনের জীবাণু ঘটিত সেটি এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। সে সময়ে সিফিলিসকে ঘিরে ইউরোপীয়ান নানান দেশের মাঝে একটা সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ রোগটির জন্য তারা একেক জন একেক জনকে দোষারোপ করতে থাকে, কেউ এর দায়িত্ব নিতে চায় না।

মজার ব্যাপার হলো-সিফিলিস নামকরণের আগে রোগটিকে ইউরোপের একেক দেশে একেক নামে ডাকা হত। ফরাসীরা এ রোগটির নাম দিয়েছিল নেপলস রোগ। সে সময়ে ইতালীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ শহরটির নাম ছিল নেপলস। ইতালীয়রা বলতেন ফ্রান্স ডিজিস নামে। ইতালী আর ফ্রান্সের এ পারসপরিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির মত অবস্থা ছিল স্পেন আর ইংল্যান্ডের মধ্যে। ইংল্যান্ডবাসী এর দোষ স্পেনিশদের উপর চাপাতেন। স্পেনিশরাও স্বভাবতই ইংল্যান্ডের উপর এ অপবাদ দিতেন সুতরাং নাম দেয়ার বেলাতে ইংল্যান্ডবাসীরা বলতেন স্পেনিশ রোগ আর স্পেনীয়রা বলতেন ‘ইংলিশ রোগ’ পরসপরের দিকে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি কতটা মারাত্মক আকার নিয়েছিল এটি তার একটা নমুনা।
এ জাতিগত কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি অবশ্য বেশি দিন ছিল না। এক ইতালীয় কবি এ দ্বন্দ্বের অবসান ঘটান। অবশ্য তিনি নিজে মাথা পেতে নেননি বা আর কারোর উপর চাপাননি। তিনি ১৫৩০ সালে মেষ পালককে নিয়ে একটা কবিতা রচনা করেন। ঐ মেষপালকের নাম ছিল সিকাইলাম। কবিতার ঘটনা ছিল- দেবতা এপেলোকে অপমান করার কারণে দেবতা এ রাখাল মেষপালককে এ রোগের অভিশাপ দেয়। রাখাল সিকাইলাম এ ধীকৃত রোগে আক্রান্ত হয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান। তখন থেকে এ রোগের নাম হয় সিফিলিস। যাক, অবশেষে সবারই রক্ষে!
অবিশ্বাস্য সূত্র
আমরা এতদিন শুনে এসেছি আমাদের মনের যে যৌন শিহরণ বোধ তার মূল উৎস হল সেক্স হরমোন। পুরুষদের বেলাতে টেস্টোস্টেরন আর মহিলাদের বেলাতে এস্টোজেন প্রজেস্টেরন। পুরুষ আর মহিলাদের বেলাতে যথাক্রমে শুক্রাশয় আর ডিম্বাশয় এ সেক্স হরমোনের ক্ষরণের দায়িত্ব পালন করে থাকে। এ সেক্স হরমোনের প্রভাবে বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীর দেহে সেকেন্ডারি সেক্স বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটে। যৌবনের বন্যা বয়ে যায়। এটি একদম স্বতঃসিদ্ধ।
সাম্প্রতিক গবেষকরা এর পাশাপাশি এক অভিনব নতুন তথ্য দিচ্ছেন। আমাদের মনের যৌনতাড়না বোধ বা লিবিডো এর মূল নিয়ামক হলো এ টেস্টোস্টেরন বা টেস্টোস্টেরনজাত ক্ষরণগুলো। শেষোক্তগুলোকে এন্ডোজেনও বলা হয়। এটি পুরুষ আর মহিলা দু’জনার বেলাতেই প্রযোজ্য। লিবিডো শব্দের পারিভাষিক অর্থ হলো যৌন কামনা বাসনা।
মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড এ লিবিডোকে মানবের মূল চালিকা শক্তি বলে এমন অভিমতও করেছিলেন। পুরুষ দেহে না হয় শুক্রাশয় হতে ক্ষরিত হয়ে সহজাতভাবে বর্তমান থাকে এ টেস্টোস্টেরন। মহিলা দেহে টেস্টোস্টেরন বা এন্ড্রোজেন আসবে কোথা হতে? তাহলে মহিলাদের লিবিডো নিয়ন্ত্রিত হয় কিভাবে? গবেষকরা মহিলাদের রক্তস্রোতে সূক্ষ্ম মাত্রার এন্ড্রোজেনের উপস্থিতি দেখেছেন- এর মাত্রা পুরুষদের তুলনায় হাজার ভাগেরও কম। এত কম মাত্রার এন্ড্রোজেন কি শারীরবৃত্তীয় প্রভাব রাখতে পারে? অথচ পুরুষ আর নারীর লিবিডোর মাঝেতো বিস্তর ফারাক নেই। এতটা সূক্ষ্ম মাত্রার এন্ড্রোজেন নিয়ে মহিলারা পুরুষদের সমপর্যায়ের লিবিডোর অধিকারী হলো কিভাবে?
গবেষকরা এ প্রশ্নের জবাব দেন ভিন্ন আঙ্গিকে। গবেষকদের ব্যাখ্যা মহিলা দেহে ক্ষরিত টেস্টোস্টেরন আর এন্ড্রোজেন মাত্রা কম হতে পারে, কিন্তু মহিলা দেহ এর প্রতি অতিমাত্রায় সংবেদনশীল। একারণে সূক্ষ্ম মাত্রাও অনেক বেশি শারীরবৃত্তীয় প্রভাব তৈরি করে থাকে, মহিলা দেহের এড্রিনাল কটেক্স নামের হরমোন গ্রন্থি হতে এ এন্ড্রোজেন ক্ষরিত হয়। (পুরুষ আর মহিলা উভয়ের বেলাতে ডান বা বাম উভয় বৃক্কের উপরিভাগে এড্রিনাল কটেক্স হরমোন গ্রন্থি বিদ্যমান।) পাশাপাশি ডিম্বাশয় নিজেও সামান্য মাত্রার টেস্টোস্টেরন ক্ষরণ করে থাকে।
এ সাম্প্রতিক উদ্ভাবিত তথ্যের ব্যবহারিক প্রয়োগ হচ্ছে রজঃনিবৃত্তি পরবর্তী হরমোন থেরাপিতে। রজঃনিবৃত্তিকালে অনেক মহিলা যৌন ইচ্ছে কমে যাবার কথা বলে থাকেন। সাম্প্রতিককালে মহিলাদের রজঃনিবৃত্তিকালীন হরমোন থেরাপিতে ইস্ট্রোজেন আর প্রজেস্টেরন পাশাপাশি পুরুষ সেক্স হরমোন টেস্টোস্টেরন নেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এতে নাকি হরমোন থেরাপির উপযোগিতা অনেক বেশি বেড়ে যেতে দেখা গেছে।
পর্দার অন্তরালে
পঞ্চাশের দশক হতে আলফ্রেড কিংসে মানুষের যৌনাবরণের উপর যে গবেষণা শুরু করেছিলেন, তা আমাদের সামনে প্রতিনিয়ত নানান নতুন নতুন তথ্য উন্মোচিত করছে। তা আমাদেরকে এমন সব তথ্যের মুখোমুখি করছে যার অনেকগুলো আমরা কখনো কল্পনাতেই আনিনা। হোমোসেক্সুয়ালিটি বা সমকামিতা সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? সবারই একদম বদ্ধমূল বিশ্বাস সমকামিরা পায়ুকাম চর্চা করে থাকে আর এটিই তাদের একমাত্র যৌনতা।
যৌনসমীক্ষকদের চালানো গবেষণাতে দেখা গেছে, পায়ুকাম কিন্তু সমকামিদের মুখ্য বা একমাত্র যৌনতা নয়, যে যৌনতা তাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হল মাস্টারবেশন পক্রিয়াতে পরস্পরকে উত্তেজিত করে তোলা।
এটিকে যৌন বিজ্ঞানের পরিভাষাতে ‘মিউচুয়াল মাস্টারবেশন’ বলা হয়। সমীক্ষণে আরেকটি লক্ষণীয় দিক হলো পায়ুকাম চর্চা কেবলমাত্র সমকামীদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, সাধারণ দম্পতিদের অনেকেই এটির কমবেশি চর্চা করে থাকেন। অন্তত গবেষণাতে এটি দেখা গেছে। সমকামীদের যে পারস্পরিক স্বমেহন বা মিউচুয়াল মাস্টারবেশনে-এটিতো পুরুষ আর নারী সমকামী দু’জনার বেলাতে সমভাবেই চর্চা করতে দেখা যায়। নারী সমকামিদের বেলায়তো পায়ুকামের কোনো অবকাশ নেই, সুতরাং ওদের নিয়ে আমাদের ধারণাটি নিয়ে পুনর্বার বিবেচনা করা উচিত।
সাধারণদের মাঝে যারা এ পায়ুকাম চর্চা করে থাকেন তারা কারা? তাদের সংখ্যাই বা কেমন? আমেরিকার বহুল প্রচারিত নারী পত্রিকা বেডবুক ম্যাগাজিন পরিচালিত গবেষণাতে এক লক্ষ মহিলার সমীক্ষণ নেয়া হয়। এতে অংশ নেয়া মহিলাদের তেতাল্লিশ শতাংশ স্বীকার করেছে তারা দাম্পত্য যৌনতায় অন্তত একবার এটির চর্চা করেছেন। যারা এটির চর্চা করেছেন তাদের চল্লিশ শতাংশের অভিমত- এ পায়ুকাম যৌনতা বেশ উপভোগ্য, অন্তত ভিন্ন স্বাদের। পঞ্চাশ শতাংশের ভাষ্য-তারা এর মাঝে কোনো বিশেষ স্বাদ পাননি। দশ শতাংশের অভিমত তারা নিতান্ত অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র স্বামীদের পীড়াপিড়িতে এতে প্রবৃত্ত হয়েছিলেন। এ সমীক্ষণ তথ্য আশা করি পাঠকদের পর্দার অন্তরালের কিছু তথ্য সম্পর্কে অবগত করে তুলবে।
একটি গোপন স্থান!
অপরাধ জগত, কালোবাজার বা খুন রাহাজানির কোনো গোপন সপট এটি নয় অথবা নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমন্ডিত কোনো পিকনিক স্পট এটি নয়। ড. লাডাস, ড. পেরি আর ড. ইতপলি নামের তিনজন গবেষক এ সপটকে বিশ্বজনতার কাছে পরিচিত করে তোলেন। নারী দেহ মানচিত্রে এর অবস্থান। অবশ্যই গোপনীয় কারণ গোপনাঙ্গে এর অবস্থিতি। কৌতূহল মানব মনে এ স্পটের আবিষ্কার তোলপাড় করে তোলে সারা বিশ্বজুড়ে।
এ স্পটের নাম ‘জি স্পট’ সাংকেতিক নাম। গবেষক নারী যৌনাঙ্গের যোনি গাত্রে লুকানো অতিমাত্রায় সংবেদনশীল জায়গা খুঁজে পান। যখন যৌনাঙ্গের এ অংশটি উদ্দীপিত করা হয় তা নারীর মাঝে চরমপুলকের অনুভূতি আর শিহরণ জাগায়। গবেষকত্রয় এর অবস্থানের একদম সূক্ষ্ম হিসেব বাতলে দিয়েছেন-এটি যোনির অগ্রবর্তী গাত্রের মাঝে অবস্থান করে যা মুখ হতে পাঁচ সেঃমিঃ পরিমাণ ভেতরে থাকে। আকারে শিমের বিচির মত হলেও যৌন উত্তেজনায় এর আকার বেড়ে যায়।
এ স্পটের আবিষ্কার এতদিনকার প্রচলিত নানা তত্ত্বকে পাল্টে দিয়েছে। অর্গাজমকে ঘিরে মনোগবেষক সিগমন্ড ফ্রয়েড দেয়া যে তত্ত্ব আলফ্রেড কিংসে পঞ্চাশের দশকে বাতিল করে দেন আশির দশকে এ জি সপট আবিষকার ফ্রয়েড তত্ত্বকে নতুন গ্রহণযোগ্যতা দান করেছে। এতো গেলো এক দিকের ব্যাপার।
অপরদিকে যৌন সমীক্ষকদের মাঝেও এ নিয়ে চলছে তুমুল বিতর্ক। একদল তো এ সম্পর্কিত সপটের উপস্থিতিই মানতে রাজি নন। অন্যদের অভিমত নারী যৌনাঙ্গে এ জি স্পট থাকতে পারে কিন্তু সবার মাঝে নেই। এক গবেষক মাত্র দশ শতাংশ মহিলাদের বেলাতে এর উপস্থিতির কথা বলেছেন।
অপর একদল বলেন প্রতি তিনজনে দু’জন মহিলার বেলাতে এর উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায়। গবেষকত্রয় এ নানান বিতর্ক সম্পর্কে অভিমত দেন ঠিক এভাবে কোনো নারীর যৌনাঙ্গে এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গেলে প্রথমেই দেখতে হবে তার যৌন দৃষ্টিভঙ্গি আর যৌন সচেতনতা কেমন?
এ কারণেই যতই দিন যাচ্ছে এ বিশেষ সপট অধিকারিনী নারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। এবার নামের রহস্য? এত নাম বাদ দিয়ে জি সপট নাম হলো কেনো? জি নামেরও রহস্য আছে কারণ গ্রাফেন বাজ নামের একজন ফরাশী গাইনোকলজিস্ট সর্বপ্রথম এর ধারণা দিয়েছিলেন। গ্রাফেনবাজ পুরুষ ছিলেন নারী নন।
স্বর্গীয় সুধা!
ইসলাম ধর্মেতো ঘোষণা দেয়া হয়েছে স্বামী স্ত্রীর মিলনের মাঝে স্বর্গের সুধা মিশিয়ে রাখা হয়েছে। পার্থিব অন্য কোনো আনন্দ অনুভূতি এতটা তৃপ্তিপ্রদ হয় না। আধুনিক যৌন বিজ্ঞানীরা এটিকে কিভাবে মূল্যায়ন করে থাকেন? যৌন গবেষকরা তাদের গবেষণা রিপোর্টে ঠিক এমনি একটা আভাস দিয়েছেন। সত্যি সত্যিই এসব অনুভূতি অন্য সব অনুভূতি হতে অনেক পরিমাণে ভিন্ন। তাদের ভাষাতেই এর গুণের বয়ন শোনা যাক।
চরমপুলকে আসলে কি ঘটে থাকে? শারীরবৃত্তীয় সাদামাটা ভাষাতে এটি দেহের সারা দেহের এক আরামপ্রদ কুঞ্চন আর শিহরণপ্রদ সমজাতীয় কুঞ্চন যৌনতা ব্যতীত অন্য সময়ে ঘটলেতো আমাদের মনে কখনই এমন অনুভূতি আসে না। সারা দেহে ক্ষণিকের মাঝেই বেড়ে যাওয়া রক্ত সঞ্চালন। কিন্তু এ শারীরবৃত্তীয়তা মনের মাঝে এক অনন্য অনুভূতির সঞ্চার ঘটায় কেনো?
মস্তিষ্ক নিয়ে যারা গবেষণা করে থাকেন নিউরোলজিস্টরা এ অনন্য অনুভূতির সূত্র দিয়েছেন। যৌনতার এ মূল ঘটনা ঘটে আমাদের মস্তিষ্কে আর এ ঘটনার স্পট হল সেরিব্রামের লিমবিক কর্টেক্স নামের অংশে। এটাকে বলা হয় মস্তিষ্কের আনন্দ কেন্দ্র বা প্লেজার সেন্টার। যৌনতার অর্গাজম বা চরমপুলকের মুহূর্তে মস্তিষ্কের এ অংশ হতে প্রচন্ডভাবে বিদ্যুৎ ক্ষরিত হতে থাকে।
ল্যাবরেটরিতে ইঁদুরের ওপর গবেষণাতে দেখা গেছে মস্তিষ্কের এ অংশটা যখন উদ্দীপিত করা হয় ইঁদুর তখন খাবার খেতে ভুলে যায় ঘুম উধাও হয়ে যায় কিন্তু ইঁদুর সজীব সাবলীল থেকে যায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিনস এর টুলিন মেডিকেল স্কুলের নিউরোলজিস্ট ডাঃ রবার্ট হীথ এমডি বলেন যখন ব্লি মস্তিষেকর লিমভিক কার্টেক্সের বিদ্যুৎ তরঙ্গ ক্ষরণমাত্রা বাড়তে থাকে তখন মনের সজ্ঞানতার স্বরূপ সাময়িকভাবে পাল্টে যায়, স্থান আর সময়ের হিসেব ভুলে গিয়ে মন অন্য এক জগতে প্রবেশ করে।
অর্গাজম বা চরমপুলক এর ফরাশী পরিভাষাতে এর সত্যিকার স্বরূপ পাওয়া যায়। যৌনতার দিক হতে ফরাশীদের অনেক বেশি শৈল্পিক ধরা হয়। ফরাশী ভাষাতে চরমপুলক বা অর্গাজমের অনুভূতির নাম হল ‘লা পোটিট মরট’-এর পারিভাষিক অর্থ হল ‘ক্ষুদ্র ক্ষণকালীন মৃত্যু’। মৃত্যুতে আত্মা তার পার্থিব দেহজ অবক্ষয় ছেড়ে উপরে উঠে যায়। যৌনতার সে চরম মুহূর্তটিতে মন হয়ত বা ভিন্ন এক আবর্তে প্রবেশ করে, হয়তবা অপার্থিব কোনো জগতে। তাইতো মনের এ অজানা শিহরণবোধ, আজকের বিজ্ঞান যৌন শিহরণের মাঝে স্বর্গীয় সুধা মিশে থাকার বিষয় স্বীকার করে থাকে।
পুরুষের ভাষা আর নারীর ভাষা!
পুরুষ আর নারীর পার্থক্য কেবলমাত্র লিঙ্গেই সীমাবদ্ধ নয়, তাদের স্টাইল, মনস্তত্ত্ব, আচার-আচরণ সব জায়গাতেই দেখা যায়। ভাষা হলো যোগাযোগের মাধ্যম। দাম্পত্য যোগাযোগ যত বেশি সাবলীল হবে, দাম্পত্য জীবন ততবেশি সুখের হবে। কিন্তু বাস্তবে পুরুষ আর নারী পরসপরকে কতটা বুঝতে পারেন? মনোগবেষকদের বক্তব্য হলো-পুরুষ আর নারীর ভাষা কিন্তু এক নয়। উভয়ের প্রকাশে একটা সুক্ষ্ম পার্থক্য বিদ্যমান। যদি দম্পতিরা ভাষার এসব সূক্ষ্ম পার্থক্য সম্পের্কের অবহিত থাকেন তাহলে দু’জনে পরসপরের আরও কাছাকাছি আসতে পারে। পুরুষ যখন স্ত্রীর রূপের প্রশংসা করে তখন ধরে নিতে হবে তাতে যৌনতার দুরভিসন্ধি মিশে আছে।
এ ধরনের কিছু নমুনা নিচে দেয়া গেলো-
আমি তোমাকে ভালবাসি।(এর সত্যিকার অর্থ-চল সেক্স করা যাক)
তোমাকে সত্যিই সুন্দর দেখাচ্ছে। (চল সেক্স করা যাক)
টিভিতে যত মহিলা দেখানো হোক না কেন, তুমি এদের যে কারোর চেয়েও সুন্দরী। টিভিতে এসব অনুষ্ঠান দেখে লাভ কি! চল বিছানায় যাওয়া যাক।
এগুলো পুরুষদের হিসেব। মহিলারা যখন ভালোবাসার কথা বলে তখন তার গূঢ় ভাবার্থ অনেক বেশি ভিন্ন। স্ত্রী যখন বলে আমি তোমাকে ভালোবাসি এর মানে দাঁড়ায় স্বামীকে জিজ্ঞাসা করে নেয়া তুমি কি আমাকে ভালোবাস? যদি পুরুষ স্বামী এক্ষেত্রে তুমি আমার কাছে দেবীর মত, তুমিতো আমার স্বপ্নের নাযিকা এমন সব মন্তব্য ছুড়ে দেন তাহলে সহজেই স্ত্রীর অন্তরে গভীরতম স্থানটি ছুঁয়ে নিতে পারবেন।
পুরুষ আর নারীর ভাষার প্রকাশে এতটা বৈষম্য কেন? কারণ যৌন দৃষ্টিভঙ্গি। পুরুষরা যৌনতা আর সম্পর্কের ক্ষেত্রে দৈহিক ব্যাপারটাকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। পুরুষরা যৌনতাকে রোমান্সের একটা অংশ মনে করে থাকে। মহিলারা রোমান্সকে যৌনতার একটা অংশ ধারণা করে থাকেন। আশা করি, দম্পতিরা পরসপরকে নতুনভাবে উপলব্ধি করবেন।
একটু ভাবুন
আমরা আমাদের হাত পা বা দেহের যে কোনো অংশ ইচ্ছামত নাড়াচাড়া করাতে পারি কিন্তু দেহের ঐ বিশেষ অঙ্গটার ওপর আমাদের সে ধরনের নিয়ন্ত্রণ নেই। সামনে কোনো শিহরণ উদ্দীপক দেখলে তাতে সে সাড়া দিতেও পারে, নাও দিতে পারে। আদম যখন বেহেস্তে ছিলেন তখন নাকি এ ধরনের নিয়ন্ত্রণ ছিল। বেহেস্তের সে নিষিদ্ধ ফল সেবন এ নিয়ন্ত্রণের মৃত্যু ঘটায়। এতে তাদের স্বর্গীয় বেশভূষা খসে পড়ে যায়।
মহান প্রভু এ আদেশ লংঘনের কারণে তখন তাদের এ দুনিয়াতে পাঠিয়ে দেন। সে অবধি মানুষের এ পার্থিক জীবন। সেন্ট অগাস্টিন গ্রন্থ ‘দি সিটি অব দি জয়’ গ্রন্থে এমনি এক অদ্ভুত তথ্যের অবতারণা করেছেন। এ সম্পর্কে আধুনিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গি কি? আমরা আমাদের দেহের সমস্ত অংশকে যতটা স্বাচ্ছন্দ্যতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করে থাকি পুরুষাঙ্গের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই কেনো?
নিজের খেয়াল খুশী মত মাথা তুলে তার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করে, আমরা ইচ্ছা শক্তি দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে এটিকে উত্থিত বা শিথিল কোনোটাই করতে পারি না। আসলে শারীরবৃত্তিক এ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের বিশেষ কারসাজি। সবগুলো আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা, তবে স্নায়ুতন্ত্রের দুটো পৃথক বিভাগ এদের নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

আমরা যে হাত পা বা অঙ্গ সঞ্চালন করে থাকি তা সোমাটিক স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এটি সম্পূর্ণভাবে আমাদের কৃতত্বাধীন। পুরুষাঙ্গের উদ্রিক্ততা বা শিথিলতা যে স্নায়ু নিয়ন্ত্রণ করে থাকে তার নাম অটোনমিক স্নায়ুতন্ত্র। অটোনমিক মানে অটোমেটিক বা অটোনোমাস। দৈহিক শারীরবৃত্তি একটা স্বনিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ায় এটি করে থাকে।
Share:

ভালোবাসার ৯ দফা নিয়ম কানুম

১) প্রেমকে সম্পূর্ণ

সরকারি করতে হবে।

আধা সরকারি গ্রহণ

যোগ্য নয়।

২) দরিদ্র প্রেমিক প্রেমিকাদের

জন্য সহায়তা তহবিল

খুলতে হবে।

৩) প্রেমের জন্য আইন প্রনয়ণ

করতে হবে।

৪) প্রেমিক -

প্রেমিকা মোবাইলে কথা বলার সময়

বিশেষ ছাড়

দিতে হবে।

৫) ডেটিং করার জন্য আলাদা পার্ক

চালু করতে হবে।

৬) পালিয়ে বিয়ে করার জন্য স্পেশাল

কাজী নিয়োগ

দিতে হবে।

৭) পালিয়ে গিয়ে থাকার জন্য

নিরাপদ বাংলো স্থাপন করতে হবে।

৮) প্রেম করে বিয়ের পর

হানিমুনে যাওয়ার জন্য ৫০% খরচ

সরকারকে বহন করতে হবে।

৯) প্রেমের ব্যাপারে থানায় কোন

প্রকার

জিডি বা মামলা নেওয়া যাবে না।

*দাবি না মানলে লাগাতার হরতাল

চলতে থাকবে।
Share:

মেয়েদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে কি ঘটে জেনে নিন


মেয়েদের প্রস্রাবে সংক্রমণ একটি সাধারণ সমস্যা। এর প্রধান কারণ মেয়েদের শারীরিক গঠন। মেয়েদের মূত্রনালী খুবই ছোট এবং মূত্রনালীর দ্বার, যোনিদ্বার ও মলদ্বার এত কাছাকাছি যে জীবাণু সহজেই ঢুকে যেতে পারে। প্রস্রাব সংক্রমণের জীবাণু ই-কলাই মলের সাথে নির্গত হয়ে মলদ্বার থেকে মূত্রদ্বারের আশপাশের কোষকলায় বসতি স্থাপন করে এবং সুযোগ বুঝে মূত্রনালী দিয়ে মূত্রথলিতে প্রবেশ করে প্রস্রাবে সংক্রমণ ঘটায়।
মেয়েশিশুদের ক্ষেত্রে মল মূত্রদ্বারের সংস্পর্শে আসে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জ্ঞানের অভাবে জীবাণু মূত্রনালীতে ঢুকে পড়ে। মেয়েদের বয়স বাড়ার সাথে এর সংক্রমণের হারও বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে যৌনক্রিয়া থেকে। সহবাসের পর জীবাণু মূত্রনালী দিয়ে মূত্রথলিতে প্রবেশ করে। প্রস্রাবের মধ্যে এরা অতি দ্রুত সংখ্যায় বৃদ্ধি পায় ও প্রদাহের সৃষ্টি করে।কারণ
শতকরা ৭০ থেকে ৮০ ভাগ করে ই-কোলাই। অন্যগুলোর মধ্যে প্রোটিয়াস, কেবসিয়েলা, সিউডোমনাস অন্যতম।
উপসর্গ
- প্রস্রাবে ভীষণ জ্বালাপোড়া করা
- বারবার প্রস্রাবে বেগ হওয়া
- প্রস্রাবের রঙ হলুদ হওয়া
- ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হওয়া
- প্রস্রাব দুর্গন্ধযুক্ত ও পরিমাণে কম হওয়া
- তলপেটে ব্যথা অনুভূত হওয়া
- জ্বর আসা
প্রদাহ তীব্র হলে কিডনি আক্রান্ত হতে পারে। তখন সমস্যা তীব্রতর হতে পারে।
- জ্বর কেঁপে আসা
- রক্তবর্ণ প্রস্রাব হওয়া
- নাভির ওপরে পেছন দিকে দু’পাশে তীব্র ব্যথা হওয়া
- বমি বমি লাগা
- প্রস্রাব খুব কম হওয়া বা কয়েক ঘণ্টা প্রস্রাব না হওয়া।
বিয়ের পর সহবাসের সাথে সম্পর্কিত প্রদাহকে হানিমুন সিস্টাইটিস বা মধুচন্দ্রিমা মূত্রসংক্রমণ বলা হয়।
চিকিৎসা
সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়। জ্বর ও তলপেটে ব্যথার জন্য ব্যথানাশক ওষুধ দেয়া হয়। সাধারণত যেসব অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয় সেসব হলো সেফ্রাডিন, সিপ্রোফক্সাসিন, পিফক্সাসিন সেফালোস্পরিন, লিভোফক্সাসিন, গ্যাটিফক্সাসিন প্রভৃতি।
গর্ভবতীদের প্রস্রাবে প্রদাহ : জীবাণুসংক্রমণ না-ও হতে পারে। বারবার উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এমক্সিলিন, সেফ্রাডিন, সেফালোস্পরিন, ইরাইথ্রোমাইসিন দেয়া হয়।
ইউরেথ্রাল সিনড্রোম : খুব ঘন ঘন প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়। প্রস্রাব পরীক্ষায় শুধু পাস-সেল পাওয়া যায়। তলপেটে ব্যথা থাকে।
হানিমুন সিস্টাইটিস : প্রস্রাবে প্রদাহ বারবার হলে দীর্ঘমেয়াদি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। প্রথমে পূর্ণমাত্রায় সাত থেকে ১০ দিন, পরে স্বল্পমাত্রায় দীর্ঘ দিন চিকিৎসা দেয়া হয়।
প্রতিরোধ ব্যবস্থা
- প্রতিদিন প্রচুর পানি (১০-১২ গ্লাস) পান করতে হবে
- কখনো প্রস্রাব আটকে রাখা উচিত নয়
- প্রতি দুই-তিন ঘণ্টায় একবার প্রসাব করা উচিত
- সহবাসের পর প্রস্রাবের রাস্তা ধুয়ে ফেলা উচিত
ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। প্রস্রাবের পর টিসুপেপার দিয়ে সামনে থেকে পেছনের দিকে পরিষ্কার করতে হবে। পরে পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুতে হবে। সহবাসের আগে প্রস্রাবের রাস্তা ও যোনিদ্বার ভালোভাবে ধুয়ে নিলে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।
জটিলতা
খুব তীব্র ও দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহে কিডনি আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হতে যেতে পারে। কিডনিতে যক্ষ্মাও হতে পারে।
লেখক : ডা: মিজানুর রহমান কল্লোল, আবাসিক সার্জন, সার্জারি বিভাগ ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।
চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
২ ইংলিশ রোড, ঢাকা।

Share:

বাসর রাতের গল্প


আজ নিলয় ও নীলার বাসর রাত। বাসর রাতটা ওদের চমত্‍কারভাবে কাটছে ।বিচিত্র রঙের রঙিন ফুলে সজ্জিত বিছানায় দুজন পাশাপাশি বসে নতুন এক স্বপ্নের রাজ্যে প্রতিটি মুহূর্ত অতিবাহিত করছে ।দুজনের অন্তর আজ এক হয়ে গেছে ।দুজনে মিলে ঠিক করেছে আজকের এই মধুর রাতটা সত্যিকার অর্থেই মধুর করবে,প্রেম-ভালোবাসা-দেহ-মন আদান প্রদানের মাধ্যমে সারারাত কাটিয়ে দেবে, এক মুহূর্তও ঘুমাবে না । অথচ ওদের বিয়েটা আজকালকার মত প্রেমের বিয়ে না ।পারিবারিকভাবে দুজনের বিয়ে হয়েছে ।অল্পসময়ের মধ্যে একে অন্যকে অন্তর দিয়ে ভালোবেসে ফেলেছে । নিলয় নীলাকে এখন বুকের সাথে আলতো করে জড়িয়ে রেখেছে। নীলার গালে-মুখে-কপালে চুমু খাচ্ছে ।নীলা কিছুটা লজ্জা পেলেও ভালোবাসার ডাকে সাড়া দিচ্ছে, দু'চোখ বুঝে নিলয়ের গালে একটা চুমু খেল । এখন দুজন বিছানায় শুয়ে পড়ল। নিলয় নীলাকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে বলল, তোমাকে আমি খুব ভালোবাসি। সারাজীবন ভালোবাসব।এর আগে আমি কোনা মেয়েকে ভালোবাসতে পারি নি। কোন মেয়েও আমাকে ভালোবাসে নি। তাই সব ভালোবাসা তোমার জন্য রেখেছি। নীলা বলল, কোন মেয়েকে ভালোবাসতে পার নি কেন ? নিলয় বলল, একজনকে ভালোবাসতে চেয়েছিলাম কিন্তু সে আমাক বাসে নি। তুমি কাউকে ভালোবাসতে ? নীলা বলল, না ,তবে একটা ছেলে আমার সাথে প্রেম করার চেষ্টা করেছিল । নিলয় : তুমি কী করলে ? নীলা : আমি রাজি হই নি । নিলয় : ঘটনাটা খুলে বল। তবে বলতে না চাইলে থাক । নীলা : খুলেই বলি নইলে তুমি ভুল বুঝতে পার ! নিলয় : দূর বোক ! তোমাকে আমি খুব ভালোবেসে ফেলেছি । ভুল বুঝব কেন ? নীলা : তারপরেও খুলে বলি, আমি কোন কথাই গোপন রাখতে চাই না,ছেলাটার নাম জয়। আমি তাকে কথনো দেখি নি। মোবাইলে তার সাথে পরিচয়।আমাকে কল করে প্রথমে বন্ধু হতে চেয়েছে। আমি ভালমন্দ তেমন কিছু বলি নি । সে মাঝে মাঝে কল করে প্রায় জোর করেই আমার সাথে কথা বলত ।একদিন তো প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ফেলল । আমি আগে কিছু না বললেও এবার সাথে সাথে প্রত্যাখ্যান করলাম । নিলয় বলল,প্রত্যাখ্যান করলে কেন ? নীলা বলল, প্রেম জিনিসটা আমার কখনো ভালোচোখে দেখা হয় নি। আর পরিবার থেকেও প্রেম করতে নিষেধ ছিল ।কারণ আমার বড়বোন প্রেম করে বিয়ে করে সুখি হতে পারে নি । অনেক নির্যাতন সহ্য করতে হচ্ছে । অন্যদিকে আমার এক বান্ধবী প্রেম করে প্রতারিত হয়ে আত্মহত্যা করেছে। তুমিই বল এ অবস্থায় পরিবারের কথা অমান্য করে প্রেম করার সাহস আমি কোথায় পাব ? নিলয় : ছেলেটাকে তা বলেছিলে ? নীলা : বলিনি,শুধু বলেছি বিয়ের আগে আমি প্রেম করব না । নিলয় : সে কী বলল ? নীলা : প্রথমে খুব অনুরোধ করেছিল। কেন করব না জানতে চেয়েছিল। কিন্তু আমার এক কথা,আমি প্রেম করব না। তারপর ছেলেটা একদিন আমাকে হুমকি দিয়ে বলেছে, দাঁড়া তোকে বিয়ে করে তোর সাথে প্রেম করব।মনে রাখিস। আমি বলেছি, আচ্ছা যা ! যা পার করিস । নিলয় : এরপর কী হল ? নীলা : আর কিছু হয় নি । সে আর কল করেনি।আমার তো আর কল করার প্রশ্ন আসে না।এখন কল দিয়ে বলা লাগে, কীরে? আমায় বিয়ে করেছিস না ? আয় প্রেম কর। তবে শুনে রাখ, আমার বিয়ে হয়ে গেছে, এখন স্বামীর সাথে বাসর রাত কাটাচ্ছি। নিলয় : তাহলে কল করে বল । নীলা : কী দরকার কল করার ? ও কথা তো এমনি বললাম ।আমি ওকে আর কখনো মনে করতে চাই না। আমি জিতেছি ও হেরেছে, ব্যাস এখানেই শেষ । নিলয় : শেষ হবে না ।ও তোমার সাথে সারাজীবন জোকের মত লেগে থাকবে ।নীলা : ইস! এত সোজা। তাহলে ওকে আমি আস্ত রাখব । নিলয় : আস্তই রাখবে ,জড়িয়ে রাখবে । নীলা : তুমিও ঐ পাগলটার মত কী বলছ? নাকি সন্ধেহ করছ ওর সাথে আমি প্রেম করেছি ,এখনো করছি। নিলয় : না না,সন্ধেহ করব কেন ? তুমি ফুলের মত পবিত্র একটা মেয়ে। তুমি ওকে কল করে শুধু বলবে যে তুমি এখন আমার সাথে বাসর ঘরে । নীলা : ঠিক আছে দিচ্ছি । নীলার ছেলেটার নম্বর মুখস্ত হয়ে গিয়েছিল।মোবাইলে নম্বর উঠিয়ে কল দিল, একটু পর রিং বাজল । তখনই নিলয়ের মোবাইলটা বেজে উঠল। সেটাও নীলার কাছে ছিল ।একহাতে সেটা তুলে বলল, তোমার মোবাইলটাও বাজছে । বলার সাথে সাথে মোবাইলের স্কিনে নাম দেখল, নীলাঞ্জনা (নীলা) এবং নীলার মোবাইল নম্বর । নীলা হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইল । নিলয় বলল, কী ব্যাপার ? কী হয়েছে ? নীলার হতভম্ব ভাবটা এখনো কাটে নি । নিলয় বলল, বুঝেছি তোমার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে । শোন, সেই ছেলেটা হারে নি, যা বলেছে তাই করেছে ।নীলা হেসে বলল ,ওরে শয়তান ! তুমিই সেই ছেলেটা ? নিলয় এবার নীলাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল, ইয়েস ম্যাডাম, আপনার জন্য আমি পাগল হয়ে গিয়েছিলাম । যখন বুঝলাম প্রেমের পথে হবে না তখন সিদ্ধান্ত নিলাম এর চেয়েও সহজ পথ আছে,ঘটকের মাধ্যমে বিয়ে করতে হবে আপনাকে। নীলা একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল, ভালো করেছেন ! আসলে আমারও তখন মাঝে মাঝে আপনার কথা শুনে প্রেম করতে ইচ্ছে হতো । আপনি এত মধুর কথা বলতেন আর খুব ভালোও ছিলেন । আপনি আমাকে এত ভালোবাসতেন, খুব অনুতপ্ত ছিলাম।সারাজীবনই একটা অপরাধবোধ কাজ করত । যাক বাঁচা গেল, যতটুকু ভালোবাসা দিয়েছেন ততটুকু ফিরিয়ে দেবার পথ হয়ে গেল । নিলয় বলল, আসলে আমি তোমাকে না পেলে বাঁচতাম না । তাই এই পথের আশ্রয় নিয়েছিলাম। নীলা বলল ,আমারও এখন মনে হচ্ছে তুমি আমার জীবনসাথী না হলে আমিও বাঁচতাম না । নিলয় নীলার ঠোঁটে একটা চুমু খেয়ে ওকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে বলল, যে ভালোবাসা এতদিন পাই নি তা আজ আদায় করে নেব। নীলা নিলয়ের বুকের মধ্যে মুখ ডুবিয়ে বলল,এতদিন যত কষ্ট দিয়েছি আজ একদিনেই তোমাকে তার হাজারগুণ ভালোবাসা দিতে চাই । এরপর ওরা মধুর এক ভালোবাসার জগতে চলে গেল । হাজার বছর ওরা সেখানে থাকতে চায় । আজ বাসর রাতের ভালোবাসার মাধ্যমে সেই জগতের শুরু ।
Share:

একটা মেয়ে কতটা খারাপ হতে পারে আগে জানতাম না



একটি মেয়ে এতটা খারাপ
হতে পারে(১ম অংশ)
ফেসবুক থেকে লগ আউট করার সময় হতাথ
মিশু নামের একটি মেয়ের
আইডি দেখতে পায় শুভ্র। মিচুয়াল
ফ্রেন্ড অনেক ।শুভ্র এত মিচুয়াল ফ্রেন্ড
দেখে মিশুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
পাথাল।এমনিতে শুভ্র খুব খুব দ্রুত
মিলতে পারে। ফেসবুক আ
আইডি খোলার পর থেকে অনেক
অচেনা মানুষকে আপন করে নিয়েছে।
বাড়িয়েছে বন
্ধুত্বের হাত । অনেক মেয়ের সাথেই
তার খোলামেলা বন্ধুত্ব । ভার্চুয়াল
জগতের এসব বন্ধুত্ব শুভ্র খুব উপভোগ ও
করে। এদের মধ্যে দু একজন তার
সত্যিকার ভাল বন্ধু হিসেবেও
জীবনে আবির্ভূত হয়।
দুই –তিন দিন পর মিশু শুভ্রর রিকুয়েস্ট
গ্রহন করে । এরপর স্বভাবতই শুভ্র মিশু
কে চ্যাট মেসেজ দেয়।মিশুও প্রতিত্তর
দেয়। শুরুটা এইভাবে ।
এইভাবে প্রতিনিয়তই চলতে থাকে শুভ্র
আর মিশুর চ্যাটইন ।মিশুর আগ্রহ
দেখে শুভ্র মিশুকে তার ভাল বন্ধু
বানাতে উৎসাহ প্রকাশ করে । এরপর
দিন যায় ,সপ্তাহ যায় শুধুই ফেসবুক
চ্যাটইন ,দুজনের মধ্যে একটা ভাল বন্ধুত্ব
গড়ে উথে।পারিবারিক,বাক্তিগত
অনেক কথাই তারা শেয়ার করে।
তবে এর মাঝে সাহস করে মিশুর
কাছে মোবাইল নাম্বার চায়।মিশু
কোন রকম তাল-বাহানা ছাড়াই
নাম্বার দিয়ে দেয়।এর পর মোবাইলেও
তাদের চ্যাটইন,টকইন হত।মিশু রাত
জেগে পড়াশুনা করত আর সেই
সাথে ফেসবুক আথবা মোবাইলে শুভ্রর
সাথে চ্যাটইন করত ।শুভ্রর তেমন রাত
জাগার অভ্যাস ছিল না, তাই
মাঝে মাঝে সে ঘুমিয়ে পরতো। আর
তখুনি মিশু মোবাইলে কল
দিয়ে শুভ্রকে উঠিয়ে চ্যাটইন
করতে বলত।খুব সহজ আর সাবলীল
ভাবে দুজনের মাঝে বন্ধুত্ব
হয়,জানতে জানতে এক সময় শুভ্র
জানতে পারে মিশুর পরিবার অনেক
উচ্চ শিক্ষিত হলেও তাদের
পরিবারে শান্তি ছিল না।তার এক
মাত্র বড় ভাইয়ের বউ মানে ভাবি সব
সময় ঝামেলা বাধিয়ে রাখতো।
মিশুকে অকারণেই বকাঝকা করতো।
একারণে মিশুর মন বেশিরভাগ সময়ই
খারাপ থাকতো,আর তখন শুভ্র তার মন
ভালো করার আপ্রান
চেষ্টা করতো এবং করত ও ।
মিশু ঢাকা সিটি কলেজ এ বিজ্ঞান
বিভাগে পরতো তখন ,ywca স্কুল
থেকে ২০১০ সালে এস এস সি পাশ
করে।শুভ্রর
সাথে আগে থেকে রাইফেলস
পাবলিক ,
ywca ,ঢাকা সিটি কলেজ,হলি ক্রস ,এসব
প্রতিষ্ঠানের মেয়েদের
সাথে জানা শোনা ছিল ।শুভ্র তাই
সবাইকে মিশুর সাথে বন্ধুত্বের
কথা জানাতে চাইলো । কিন্তু মিশু
জানাতে বারন করলো ।কারণতা অবশ্য
বলল না । শুভ্র
মোটামুটি ধনী পরিবারের ছেলে ।
এটা মিশু
জানতে পেরে তাকে পচাতে শুরু
করলো । শুভ্র অবশ্য এতে কিছু মনে করল
না।মিশু মেয়ে বলে যখন তখন
বাসা থেকে বের হতে পারত না, তাই
অনেক সময় শুভ্র মিশুর
মোবাইলে রিচার্জ করে দিতো। প্রথম
কয়েকবার মিশু রিচার্জ ব্যাক
করতো ,পরে আর কখনই তেমন করতো না।
শুভ্রর এটা নিয়ে তেমন কোন
মাথা ব্যাথা ছিল না,বন্ধু ই তো !!
মিশুর সমবয়সী তার এক খালাতো বোন
ছিল ,নাম অসিন ।অসিন জানত শুভ্র আর
মিশুর বন্ধুত্বের কথা।অসিনও
ঢাকা সিটি কলেজ এ বিজ্ঞান
বিভাগে পড়তো। অসিন অবশ্য অনেক
আগে থেকেই শুভ্রর ফ্রেন্ড
লিস্টে ছিল ,আর অসিনের যত
বান্ধুবী ছিল সবাই ই ছিল
বলতে গেলে। অসিনের
সাথে মাঝে মাঝে শুভ্রর মিশু
কে নিয়ে কথা হত ।মিশুর ফেসবুক
ব্যবহার বা ছেলে বন্ধুর কথা বাসয়
জানত না ।এরপর মিশু শুভ্রর
সাথে দেখা করার জন্য
বলতে লাগলো ।ফেসবুকে দুজনের
কারোই কোন ছবি ছিল না তখন ।
তবে শুভ্র দেখা করতে চাইত
না,দেখতে মোটা মুটি ছিল বলে।
পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুল
দে তে মিশু তার আরেক কাজিন
সানজিদার(ধানমণ্ডি গার্ল স্কুলে ১০
শ্রেণীতে পরত)সাথে মোবাইলে কথা ব
লে দেয় । আর এ দিনেই মিশু
শুভ্রকে প্রপোজ করে । আই লাভ ইউ বলে।
শুভ্র তো ‘থ’ মেরে যায়। মিশুকে ও শুধু
ভাল বন্ধু হিসেবেই দেখতো ও । আর দু
জনে দেখাও হইনি তখন । মিশু বলে শুভ্র
তাকে লাভ না করলে সে ইন্সুলিন
নিবে । তবে শুভ্র বলে আমাকে এপ্রিল
ফুল বানাতে চাচ্ছিস
(ততদিনে তারা একে অপরকে তুই
করে বলতে শুরু করেছে)মিশু তখন
জোরাজুরি করে । আর শুভ্র তখন
রেগে যায়। বন্ধুত্ব ভাংতে চায় ।
পরে তাড়াতাড়ি মিশু
বলে যে সে ফান করেছিল । তখন শুভ্র
বলে যদি সে প্রপোস গ্রহন করতো তখন
কি হত ? মিশু বলে রিলেশন হত । শুভ্র
রিলেশন করতে চায় না,সবার
সাথে বন্ধুত্বটাই সে উপভোগ
করে আবার সমবয়সী কারও সাথেও
তো রিলেশন করবে না বলেই তার পণ ।
আভাবেই চলতে লাগলো আর মিশুর
চাপাচাপি বাড়তে লাগলো । সে শুধু
দেখা করতে চাইছে । শেষমেষ শুভ্র
দেখা করার জন্য রাজি হল ।এপ্রিল ফুল
এর ৮/৯ দিন পর ।তখন শুভ্র ইস্টার্ন
মল্লিকার পাশে মমিন স্যার এর
বাসার সামনের গলিতে নির্ধারিত
সময়ে দাড়িয়ে চিল,আর মিশু তার
মায়ের সাথে স্যার এর
বাসা থেকে আসলো । মিশুর
সাথে মোবাইল ছিল না তখন কিন্তু
সে তার মায়ের মোবাইল
দিয়ে ম্যাসেজিং করতে ছিলো ।
দুজনের চোখাচোখি হলেও কোন
কথা হয়নি । শুভ্র তার বাসায়
ফিরে আসে।রাতে মিশু
শুভ্রকে পিচ্ছি বলে টিটকারি মারতে থ
াকে,শুভ্র এটা বেশ উপভোগ
করতে থাকে । কিন্তু এর পরই মিশুর
ভীমরতি উথে,সে শুভ্র কে আবার
প্রপোস করে বসে /আবার আর ফান
নইয়,সত্যি সত্যি সে শুভ্রকে প্রস্তাব
দেয় । শুভ্র হতবাক হয়ে না বলে দেয় । শুধু
ভাল বন্ধু হয়ে থাকার অনুরোধ জানায় ।
কিন্তু বাড়াবাড়ি রকমের
করতে থাকে । ঘুমের ঔষধ ,ইন্সুলিন
ইত্যাদি খাবে বলে হুমকি দেয় । শুভ্র
মিশুকে অনেক বকাঝকা করে। বন্ধুত্বই
ছেরে দেয় শুভ্র । এর দুই দিন পর শুভ তার
মায়ের সাথে তার
নানা বাড়ি যাবার সময় মিশু কল দেয় ।
শুভ্র রিসিভ করে না । শেষে বিরক্ত
হয়ে কল রিসিভ করে । মিশু
কান্না কাটি করতে থাকে ফোনে ।
বার বার সরি বলে মাফ চায় । আর কখনও
এমন
পাগলামি করবে না বলে ওয়াদা করে ।
মিশুর কান্না কাটি শুনে শুভ্র
তাকে মাফ করে দেয় । কিন্তু মায়ের
সামনে কিছুই বলতে পারে না ,তাই
বলে “করে দিলাম” । পরে কথা হবে । এই
বলে কেটে দেয় শুভ্র ।
আবার বন্ধুত্ব হয় । তাদের দেখাও হয়
বেশ কয়েকবার এর পরে। মিশুর
সাথে একই এলাকার
আরেকটা মেয়ে (ঘনিষ্ঠ
বান্ধুবি তারা ) মুনিরার সাথে মিশু
কলেজ এ আসতো । যেদিন শুভ্রর
সাথে দেখা করতো ঐদিন
তাকে মিথ্যা বলে আগে পাঠিয়ে দিত
ো । এক সময় তারা ও সব জেনে যায় । এর
মধ্যে মিশু প্রায়ই শুভ্রর কাছ
থেকে মোবাইল রিচার্জ
নিতো ,কিন্তু ব্যাক করতো না । মিশু এর
কিছু দিন পরপরই শুভ্রকে প্রপোস
করতে ত্থাকে ।
শুভ্রকে ছাড়া বাচবে না এসব
কথা বলে ।শুভ্র বারবারই
তাকে ফিরিয়ে দেয় । অনেকবার
বকাঝকা করে । কথা বলা বন্ধ করে দেয়
। পরে মিশুর বাহানা আর
কান্না কাটি শুনে শুভ্র আবার
মিশুকে ক্ষমা করে দেয় । এভাবেই
চলতে লাগলো । শুভ্র ভাল একটা বন্ধু
হারানোর ভয়ে বার বার
মিশুকে ক্ষমা করে দেয় ।
কিন্তু বাস্তব সত্যটা একটু অন্যরকমই ছিল ।
শুভ্র তখন টা জানত না ।
জানলে হয়তো অনেক আগেই
ফ্রেন্ডশিপ ব্রেক করতো । যাই হোক
সেসব কথায় পরে আসা যাবে !!
বন্ধুতবতা অন্যরকম হয়ে গিয়েছিলো ।
কিছুদিন খুব ভালো তো কিছুদিন খুব
খারাপ । মিশুর পাগলামিতে এমন হয় আর
তখনই মিশু তার বান্ধুবী শুভ্রের
ফ্রেন্ডলিস্ট থাকা বন্ধুদের
বলে বেড়াতে লাগলো শুভ্র তার বয়
ফ্রেন্ড ।সবাই শুভ্রকে জিজ্ঞেস
করতে লাগলো । এমনিতে মিশু বেশ
সুন্দরী ই ছিল তবে একটু মোটা । শুভ্র
খেপে যায় । মিশুকে আবার
বকা ঝকা করলে লাগে । মিশু
বাহানা দিতে থাকে ।শুভ্র
এসবে কান না দিয়ে কথা বলা বন্ধ
করে দেয় । এর পর আবার মিশু
শুভ্রকে নানাভাবে বুঝতে থাকে ,
তার ছোটখাটো সমস্যা গুলো অনেক বড়
করে দেখাতে লাগলো । বলল বাসায়
ভাবি তাকে ঝালিয়ে মারছে ,সুইসাইড
করতে ইচ্ছে করছে ।
কান্না কাটি শুনে শুভ্র আবারও
তাকে ক্ষমা করে ,এর মাঝে মিশুর
জন্মদিনে শুভ্র মিশুকে একটা চমৎকার
ব্রেসলেট উপহার দেয় । এতো শুন্দর
ব্রেসলেট পেয়ে মিশুতো ভারী খুশি।
পরে তারা ছায়ানীরে খায়
মিশুরা চার বান্ধুবী ।
মুনিরা ,মনি,মুন্নি ও মিশু ।
মুনিরা এবং মিশু বেশির ভাগ সময় এক
সাথে থাকতো । মনি ও মুন্নি ও তাদের
ভাল ফ্রেন্ড ছিল ।তবে মুন্নির
কাছে ওরা অনেক কিছু লুকাত । শুভ্রর
বেপারটা ও
তারা মুন্নি কে জানাতে চাই নি । এর
মাঝে ভ্যালেন্টাইন ডে তে শুভ্র
গাড়ি নিয়ে মিশুর
সাথে দেখা করতে চায় । ঐদিন
মুন্নি ও ছিল তাদের সাথে । তাই
মুন্নি সব জেনে গেল । রেস্তুদেন্ট
থেকে রবিন্দ্র সরোবরে গিয়ে বসল ।
মনি ও
মুনিরা কি জানি কিনতে যাবে বলে ত
াদের অখানে থাকতে বলল ।শুভ্র মিশুর
জন্য সাদা গোলাপ আর একটা গিফট
এনেছিল । কিন্তু সবার
সামনে দিতে লজ্জা করছিল তাই
ওদের বলল গাড়িতে আস্তে ।কিন্তু
ওরা আসলো না । তাই শুভ্র রাগ করে ফুল
এবং গিফট মাটিতে ফেলে চলে যায়।
মিশু অনেকবার কল দেয় ওকে ফেরানর
জন্য কিন্তু লাইন কেটে দেয় ।
পরে রাতে মিশু সব দোষ মুন্নির উপর
চাপিয়ে দেয় এর পর তাদের শেষ
কথা হয় এস এইচ সি কামিস্ত্রি ২য় পত্র
পরিক্ষার আগের দিন শুভ্র
প্রতিটা পরিক্ষার ৮০% কমন একদম শর্ট
সাজেশন মিশুকে দেয় । ম্যাথ সাজেশন
ছিল না বলে আর কথা হই নি ।
এবার আসা যাক বাস্তব সম্মত কথায় , ,
শুভ্র পরে যা নিশ্চিত
ভাবে জানতে পারে ।মিশু এক প্রকার
লোভী, সার্থপর আর
সর্বশেষে চরিত্রহীনা ছিল । শুভ্রর
সাথে কথা বলার সময় সে অন্য
ছেলেদের সাথে rltn রেখেছে ।
পরে মিশু টা স্বীকার করেছে ।এমন
কি বয়সে ছোট ছেলের সাথে ও
সে rltn করেছে ।তাদের কাছ থেকে ও
মিশু টাকা দার নিতো কিন্তু ফেরত
দিতো না ।তবে সে সব
চেয়ে বেশি ব্যবহার শুভ্রকেই করেছে ।
শুভ্র কে বিয়ে করতে চাইত সে। ভাবত
শুভ্রর বউ
হলে রাজরানী হয়ে থাকতে পারবে ।
এমনকি সে তার মেয়ে বন্ধুদের
পদে পদে ব্যবহার করেছে ।মুনিরার
ভাই ডাক্তার বলে সে প্রায় চাইত
মুনিরার ভাই এর সাথে আলাপ
চারিতা করতে ।তবে মুলত মিশুর
বাবা চাইত মুনিরার ভাই এর
সাথে মিশুর বিয়ে দিতে । মিশু আর
মুনিরা এক সাথে কলেজে যেত
বলে তাদের ভাল জানা শুনা ছিল ।
শুভ্র যখন মিশুকে না করে দিল ,তখন
নানা অজুহাতে আরও চরম
মিথ্যা কথা বলে মাফ চাইত ।কিন্তু
তার উদ্দেশ্য ছিল একটাই । শুভ্র
কে নিজের করে রাখা ,সাথে অন্য
ছেলে দের সাতঝে টাইম পাস ,শুভ্র
কে তার বয় ফ্রেন্ড বানিয়ে সবার
কাছে বলতে লাগল। শুভ্র যখন তার
সাথে কথা বলা বন্ধ করল মিশু তখন তার
বন্ধুদের মিথ্যা বলে শুভ্রর
বিরুদ্দে লাগিয়ে দিল ।শুভ্রর
তথা কথিত বন্ধুরা শুভ্র কে কিছু
না জিজ্ঞেস করেই
তাকে ফেসবুকে রিপোর্ট আর ব্লক
করতে লাগল ,শুভ্র অনেক আগেই মিশু
কে ব্লক করেছিল ।,সবার রেপরত
পেয়ে শুভ্র ফেসবুক
থেকে ওয়ার্নিং পায় ,বাস্তবতার
ধাক্কায় শুভ্র হতবাক হয়ে যায় ।
বন্ধুত্বেকে বাজে ভাবে ব্যবহার
করা একজনের সাথে তার বন্ধুত্ব ছিল
এটা ভাবতেই টা গা সিউরে উঠে ।
হতাথ মিশুর ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়, মিশু
সরাসরি শুভ্রর উপর দোষ চাপায় । কিন্তু
শুভ্র এসবের কিছুই জানত না ।তারা ছার
বান্ধুবির পাসওয়ার্ড তাদের
প্রত্যেকেই জানতো । মিশুর
মিথে কথায় সবাই শুভ্র কে খারাপ
ভাবতে শুরু করল । শুভ্র হারাতে লাগল
তার আত্নসম্মান।একটা চরিত্রহীনার
মিথ্যে কথায় ।
মিশু শুভ্র সাথে কথা বলার পর মফিজ
নামের একটি ছেলের সাথে rltn করে ।
এখন ও চলছে ।
ছেলেটি ঢাকা সিটি কলেজ এর
বিজ্ঞান বিভাগ এর ছাত্র ।
সব সাবজেক্ট সাজেশন পাবার পর যখন
দেখল তার গোল্ডেন এ + নিচ্ছিত তখন
শুভ্র কে useless মনে হল । শুভ্র কে আর
ব্যবহার করা যাবে না এটা একটা বড়
কারন ।হায়রে মেয়ে । আর তোর বন্ধুত্ব !!
মেয়েদের ভুবন ভুলানো কথা আর
হাসিতে কতো ছেলে তাকে অন্ধের
মত বিশ্বাস করে তার ইয়াত্তা নেই ।
মিশু মফিজ এর সাথে বেশ
খুলাখুলি রিলেশন এ
গিয়েছে বলে শুভ্র শুনেছে ।
তারা ঘুরতে যায় এটা শুভ্রর
বন্ধুরা দেখেছে । হয়তো কিছু দিন পর
মফিজকেও ব্যবহার করা শেষ
হয়ে যাবে মিশুর ।তাদের কথা আর না ই
বা বললাম ।হায়রে মানুষ !!!
মানুষ নিজের স্বার্থের জন্য কত
কি করতে পারে । নিজের চরিত্র
বিসর্জন ও ?? অবশ্য এই সব মেয়েদের
মধ্যে চরিত্র বলতে কিছু ছিল
বলে মনে হয় না ।তারা জন্মায় ই
নিজেদের পিচাশ
বা চরিত্রহীনা হিসেবে পরিচিতি পা
বার জন্য । আর বন্ধুত্বের মত পবিত্র
সম্পর্ককে কালিমা লেপনের জন্য ।যখন
বন্ধুকে (!) ব্যবহার শেষ হয় তখন
তাকে সবার কাছে খারাপ
বানিয়ে নাচতে নাচতে নতুন
ব্যবহারযোগ্য বন্ধু বানায় ।
ভাবতে পারেন এমন বন্ধুত্বের কথা ??
একবার ভাবুন তো এমনটা আপনার
সাথে ঘটলে কি হত ??? নিজেকে শুভ্রর
জায়গায় কল্পনা করুন তো ……???
দেখুন তো মিশুকে মানুষ মনে হয়
কি না???? কি মনে হয়………………………. ????????
আপনাদের কেমন লাগলো কমেন্ট
করে জানান , মিশুদের মত কোন
মেয়েরা যেন শুভ্রর মত আর কোন
ছেলে কে ব্যবহার
করতে না পারে সেই জন্য শেয়ার করুন ।
এই বাস্তব সত্য কাহিনী এখানেই শেষ
নয়।এই গল্প টা প্রথম প্রকাশ হবার পর
কাহিনী আরও লম্বা হয়।
একটি মেয়ে এতটা খারাপ
হতে পারে(২য় অংশ)
ফিরে আসলাম মিশু এবং শুভ্র এর সেই
বাস্তব সত্য কাহিনি নিয়ে ।
যা গঠেছিল শুভ্র আর মিশুর
কাহিনি প্রকাশ করার পর ………..
ফেসবুকে কাহিনি টা প্রকাশ করার
কিছু দিন পর মিশু একটি অপরিচিত
নাম্বার থেকে শুভ্র কে কল দেয় ,
(মিশু এই কাহিনি প্রকাশ করার কথা এর
তার বিভিন্ন বন্ধুদের
মাধ্যমে জানতে পারে , জানার পর
সে কল দেয়) মিশু এর কল জানলে শুভ্র
কখনই রিসিভ করত না , কিন্তু আপরচিত
হওয়াতে শুভ্র কল রিসিভ করে । শুভ্র কল
রিসিভ করে মেয়ে কণ্ঠ
পেয়ে জিজ্ঞাসা করে কে সে ? তখন
ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে মিশু তার পরিচয়
বলে। তখন শুভ্র কল কেটে দিতে চাইল
কিন্তু মিশু তাকে কল কাত্তে বারন
করে । তখন মিশু শুভ্র
কে জিজ্ঞাসা করে শুভ্র কেন ওই
কথা গুলো মানুষের মাঝে প্রকাশ
করে ??? শুভ্র তখন মিশু
কে জিজ্ঞাসা করে কথা গুলো কি মিথ্
যে??? মিশু এই কথা জবাব
না দিয়ে ,কেন কাহিনি প্রকাশ
করা হল
টা নিয়ে চেসামেসি করে ,পরে শুভ্র
তার কথায় অনড় থাকার ফলে মিশু
কথা গুলো যে সত্য তা স্বীকার করে ।
তার পরিবারের ঝামেলার কথা শুভ্র
কেন প্রকাশ করল তা জিজ্ঞেস করে ।
শুভ্র জবাব দেয় প্রয়োজন বোধে সে সব
প্রকাশ করে।
শুভ্র তখন
জিজ্ঞাসা করে জনি থেকে সে টাকা
নিসে কি না??? যা সে ফ্রেন্ড
থাকা কালীন শুভ্র কে বলেছিল ।মিশু
এটা শুনে উলটা রাগ
দেখাতে লাগলো । পরে সে স্বীকার
করল যে জনি থেকে সে অনেক বার
অনেক টাকা নিয়েছে…
মিশু প্রতি বার সব কথা অস্বীকার
করে তখন শুভ্র
তাকে মনে করিয়ে দিলেও মিশু
স্বীকার করে না, যখন ই শুভ্র কল
কেটে দেয় তখন ই মিশু কল করে এর পর
মিশু পুনরায় কল দিয়ে সেই
কথা স্বীকার করে …(এখন আপনাদের
প্রশ্ন থাকতে পারে মিশু কেন বার বার
শুভ্র কে কল দিচ্ছে এর উত্তর এ
পরে আসছি )
তার পর মিশু হতাথ
সোজা শাপটা বলে বসে যে সে আর
বেশ কিছু ছেলেকে ব্যবহার করেছে ।
শুভ্র কে তাই করতে চাইছে,
এটা রাগের মাথায়
বলে দিয়ে সাথে সাথে বলল এটা ভুল
বলেছি ,
শুভ্র তখন মিশু কে জিজ্ঞেস
করে তুমি আধো কাউকে রিয়েল লাভ
কর???
মিশু তখন বলল না। । ।শুভ্র বলল
তাহলে আমাকে প্রতিদিন প্রপস
করছিলা কেন ???
মিশু তখন আমি ফান করতাম,
বন্ধুরা তো ফান করতেই পারে ।
শুভ্র বলল কেউ কি প্রতিদিন ফান
করে ????
মিশু বলে আমি করছি। এবং সেটা ছিল
তোর টাকার জন্য।
মিশু আর বলল তোর য
চেহারা তরে কেও পছন্দ
করবে না ,যদি করে তো টাকার জন্য ই
করবে ।
হায়রে মেয়ে ! তার আবার
ভালবাসা!!!
এক্তা মানুষ কিভাবে একের পর এক
মিথ্যা বলে যায় ভেবে পাই না।
এর পর শুভ্র তার পাড়ার মেয়ের ভাই
কে বিয়ের লোভের
কথা জিজ্ঞাসা করল ,
মিশু তখন বলে এটা ফান ছিল,তার
বাবা মা এবং সে সকলের
এটা নিয়ে ফান করত।
হায়রে পরিবার !!আর কি তার শিক্ষা !!!
কিছুক্ষণ পর ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে এই
ব্যাপারটা সে স্বীকার করল…
এর পর সে তার বর্তমান বয় ফ্রেন্ড মফিজ
কে কল দেয় এবং কনফারেন্স এ
নিয়ে আসে ,শুভ্র অবাক হয়, তারপর শুভ্র
বলে মফিজ কে কেন
এখানে আনা হল ??? তখন মফিজ
বলে আমরা জাস্ট ফ্রেন্ড ( যদিও মিশু
আগে ই স্বীকার করছিল , এটা মিশুর
মেয়ে ফ্রেন্ড রাও জানতে পারে, )
তখন শুভ্র বলল
তোমাকে এখানে জরাতে চাইনি,
তুমি যেহেতু জরাইস
তাহলে তুমি আমার
সাথে দেখা করতে পার ,তুমি ঢাকা কল
েজ ,সিটি কলেজ ,অর রাইফেলস
স্কোয়ারে আসো ।
তোমাকে আমি তোমার ফ্রেন্ড কেমন
সেটার প্রমান দেখাই,
মফিজ তখন ক্ষিপ্ত হয়ে বলে তুই
আমাকে ঢাকা কলেজ এর ভয়
দেখাস????
তুই আমার
কি করবি আমি তরে দেখে নিবো !!!
শুভ্র তাকে ধিরে সুস্তে বুঝিয়ে বলল
আমি তোমার কিছু
করতে যাবো কেন ???
আমি তোমাকে জাস্ট প্রমান
গুলো দেখাবো ।
তখন মফিজ বলে তুই আয় ঢাকা কলেজ এ
আমি এইডা করমু ওইটা করমু ,
তখন মিশু কনফারেঞ্চ থেকে মফিজ
কে বের করে দেয় ।
আর এর পর মিশু খারাপ ব্যবহার
করতে থাকে ,শুভ্র তখন কল কেতে দেয় ।
দীর্ঘ ১ ঘণ্টা কথায় মিশু পায় সব কিছু
পরে হলে ও স্বীকার করে ।
হাইরে মিশু ! আর তোর কথা !!
একটা মেয়ে এতটা খারাপ
হতে পারে যে আমারা যারা মা জাত
ি,নারী জাতিকে অন্তর
থেকে শ্রদ্ধা করি এবং বিশ্বাস
করি তারা মানতে দ্বিধা করি,,তার
পর ও এসব সত্য .
এই কাহিনী টা পুরুটাই সত্য , , ,
পুরো মা জাতিকে কলঙ্কিত করার জন্য
এইসব মেয়েরাই দায়ী । নারী জাতির
সম্মান রক্ষার্থে নারিদের এ
আগিয়ে আসতে হবে। এই সব মেয়ে দের
থেকে দূরে থাকাই সবার জন্য মঙ্গল।শুধু
তার শরীরের সাদা দেখে তার
সাথে জড়ানো টা বোকামি হবে।
মানুষের মনের সাদা তাই আসল সুন্দর্য।

Share:

বাসর রাতের গল্প


বাসর রাত
: এই যে। আপনি কিন্তু আমাকে আমার অনুমতি ছাড়া টাস করবেন না।
: মানে, কি বুঝলাম না।
: বুঝতে হবে না। আপনি আমাকে টাস করবেন না। করলে কিন্তু আমি কান্না করবো।
: ওকে। তাও কান্না করতে হবে না। এখন একটু সরে বসেন, আমি ঘুমাবো। এভাবে বিছানার মাঝখানে বসে থাকলে আমি ঘুমাবো কি ভাবে।
.
: শোনেন আমি আপনার ৫ বছরের ছোট। তাই আমাকে আপনি বলবেন না। আমাকে আপনি তুমি করে বলবেন। আর আমি আপনাকে আপনি করে বলবো।
: কেনো এমনটা হবে। হয় দুজনে তুমি বলবো না হয় আপনি।
: দেখুন কথা না শুনলে কিন্তু কান্না করবো।
: কি আজব,,,, কথায় কথায় কাদতে হবে নাকি।
: না আগে বলেন রাজি কিনা।
: ওকে, রাজি… তুমি ঘুমাবে না।
.
: শোনেন আজ রাতে আমি আপনি কেউ ঘুমাবো না।
: কেনো..
: আমি না সারা জীবন কোন প্রেম করিনি। সব সময় ভেবেছি, যাকে বিয়ে করবো, তার সাথেই প্রেম করবো। আর যত দিন তাকে ভালবাসতে পারবো না তত দিন তাকে টাস করতে দিব না।
: ওহহ আচ্ছা। এর সাথে না ঘুমানোর কি কারণ বুঝলাম না।
: আপনি আজ ঘুমাবেন না। আজ সারা রাত আপনার সাথে গল্প করবো।
: কি গল্প।
.

: আমার বরকে নিয়ে আমি যত স্বপ্ন দেখছি,,,, সেই গল্প।
: এমা,,,,, আমি না আজ খুব ক্লান্ত। কাল গল্প করি।
: না,,,,, আজকেই। আপনি ঘুমালে কিন্তু আপনার গায়ে পানি ঢেলে দিবো।
: কয় কি (এই শীতের রাতে) । না থাক তার চেয়ে বরং গল্প করি। বলো কি বলবে।
: আপনি তো আচ্ছা বরিং মানুষ। কথা বলতেও পারেন না ঠিক ভাবে। আমার নাম জিজ্ঞেস করেন।
.
: ওহহ আচ্ছা তোমার নামতো রাইসা, তাই না।
: আরে ধুর এভাবে কি কেউ জিজ্ঞেস করে।
: তাহলে কি ভাবে জিজ্ঞেস করে।
: বলবেন,,,, “তোমার নাম কি। ”
: কিন্তু আমি তো তোমার নাম জানি।
: ইহহহহ,,,,,? আপনাকে কিন্তু.. ! ?? যা বলতে বলছি তাই বলেন।
: ওকে,,,, তোমার নাম কি?
: আমি রাইসা।
: কিসে পড়ো?
: অনার্স ২য় বর্ষ।
: আর কি?
: ধুর ছাই,,,, কি বরিং মানুষ আপনি।
: আবার কি করলাম।
: ওকে আপনার প্রশ্ন করতে হবে না। আমি নিজে থেকেই বলছি।
.
.
: যানেন আমার সব ফ্রেন্ড রা রিলেশন করতো। কিন্তু আমি করতাম না।
: কেনো।
: কারণ আমি আমার বরের দুষ্ট মিষ্টি বউ হতে চাইছি সব সময়।
: কি রকম।
: আমি সব সময় চাইছি,,,, আমার সব ভালোবাসা আমি আমার বরকে দিবো। আর ওকে খুব জ্বালাবো।
: কি রকম?
: জানেন আমার চাহিদা গুলো খুব সামান্য। আমার বাড়ি, গাড়ি, ভালো পোশাক, দামি ফার্নিচার কিছুই চাইনা।
.
: তাহলে কি চাই।
: রোজ সকালে আপনি যখন অফিসে যাবেন, তখন আমার কপালে একটা চুমু দিবেন।
: আর।
: দুপুরে খাবার আগে যেখানেই থাকেন, আমাকে একটা কল দিবেন। না হলে আমি না খেয়েই থাকবো।
: ওকে দিবো। আর।
: অফিস থেকে ফেরার সময় আমার জন্য, চকলেট, আইসক্রিম, ফুসকা, কিছু না কিছু আনতে হবে।
: আর।
.
: যদি কখনো ভুলে যান তবে আবার বাইরে পাঠাই দিবো।
: ওকে আনবো। আর।
: ভালবাসা দিবস, মেরেজ ডে, সহ সব ভালো ভালো দিনে আমায় নতুন করে প্রপোজ করতে হবে। কিন্তু কোন ফুল দেওয়া যাবে না।
: এটা কেমন কথা।
: জী এমনি কথা।
: আর।
: আমার কুয়াশা, চাদনী রাত, ঠান্ডা খুব ভালো লাগে। তাই মাঝে মাঝে ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে। ব্যস্ত থাকলে বলবো না।
: ওকে।
.
: মাঝে মাঝে চাদনী রাতে, বেল কোনিতে বসে এক কাপে দুজন কফি খাবো।
: এক কাপে কেন?
: হুম এক কাপেই খাবো।
: ওকে, আর
: মাঝে মাঝে বৃষ্টির রাতে ছাদে গিয়ে দুজন ভিজবো। আর আপনি কদম ফুল দিয়ে আমায় প্রপোজ করবেন।
: এই শহরে কদম ফুল কই পাবো।
: আমি জানি না। আর রাগ করলেও কদম ফুল দিয়ে রাগ ভাঙ্গাতে হবে।
: এটাতো রিতিমত টর্চার।
: সারা বছর কদম ফুল কই পাবো।
: আমি জানি না।
: আচ্ছা অন্য ফুলের কথা বলো।
: না। কদম ফুল না দিতে পারলে আমায় কোলে নিতে হবে। যতক্ষন মন ভালো হয়নি ততক্ষন কোলে নিয়ে থাকতে হবে।
: এই ৪৮ কেজির বস্তা কোলে নিলে আমি বাচবো??
.
: আমি জানি না। কদিন পর আরো মোটা হবো। তবুও কোলে নিতে হবে।
: বলেকি। প্রথমের গুলাইতো ভালো ছিল।
: সব গুলাই ভালো, কোলে নিবে কিনা বলেন।
: ওকে বাবা নিবো।
.
.
: শোনেন।
: হুম বলো।
: আপনার এই বোকা বোকা চশমাটা একটু খুলবেন।
: কেনো।
: আপনাকে দেখবো। এত মোটা ফ্রেমের চশমা পড়েন, এখনো ভালো করে আপনাকে দেখি নাই।
: আচ্ছা আমি ঘুমাবো,,,, কাল কথা হবে গুড নাইট।
.
.
: এই যে শোনেন এখানে তো একটা বালিশ, আমি কোথায় ঘুমাবো।
: আমার বুকের উপর।
: মানে..?
: তোমার যেমন আমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন। ঠিক তেমন তোমাকে নিয়ে আমার একটা স্বপ্ন। আমার বউ সব সময় আমার বুকে মাথা দিয়ে ঘুমাবে। সারাদিন যত রাগ ঝগড়াই হোক , রাতের বেলা যেন কেউ কখনো অন্যজনকে ছাড়া না ঘুমাতে পারে

Share:

Search This Blog

Blog Archive

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label