বাংলা মজার জোকস, বাংলা কৌতুক, হাসির কৌতুক, bangla jokes, bangali jokes, mojar jokes, bangla funny koutuk, hasir koutuk, bangla koutuk, bangla hasir koutuk, doctor jokes, Bd Jokes, খারাপ জোকস, ছোট ছোট হাসির জোকস,

ছেলেদের যে ১০টি ভুলে প্রেম এসেও ভেঙে যায়

 ছেলেদের যে ১০টি ভুলে প্রেম এসেও ভেঙে যায়

ছেলেদের যে ১০টি ভুলে প্রেম এসেও ভেঙে যায়

প্রেম শুরু করা যেমন কঠিন, তেমনই কঠিন সেই প্রেমকে টিকিয়ে রাখা। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছেলেদের ভুলেই ভেঙে যায় সম্পর্ক।

১। সম্পর্কের শুরুতেই যদি প্রেমিকার খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ঘাঁটাঘাঁটি করেন তবে সম্পর্ক আর এগোবেই না।

২। প্রেমিকার সব কথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে নেওয়াটা মেয়েরা একেবারেই ভাল চোখে দেখেন না। মুখে যতই বলুক।

৩। সম্পর্কের অল্পদিনের মধ্যেই বেশি অধিকারবোধ দেখাতে গেলে হিতে বিপরিত হবে।

৪। কাজের যতই চাপ থাকুক, মাঝেমধ্যে মেসেজ পাঠাতে হবে। অনেক ছেলেই ভেবে নেয় ‘সে’ আমার হয়ে গিয়েছে। ভুলে যায় চারা গাছে জল দিতে হয়।

৫। আবার ঘন ঘন ফোন করে, মেসেজ পাঠিয়ে প্রেমিকাকে বিরক্ত করে দেন অনেকে। সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়।

৬। সব সময় খরচ হলেই মানিব্যাগ বের করে ফেলাটা মোটেও ভালভাবে নেন না মেয়েরা। এতে তাঁদের ছোট করা হয়।

৭। আবার বারবার বিল মেটানোর দায়িত্ব প্রেমিকার ঘাড়ে চাপানোও ঠিক নয়। কিপটে ভেবে পিঠটান দেবেন প্রেমিকা।

৮। অতীত প্রেম নিয়ে বেশি কৌতূহল না দেখানোই ভাল। নিজেরটা যেমন চেপে গিয়েছেন, অপরের খোঁজ নেয়ওয়ারই বা দরকার কী!

৯। পুরনো প্রেমিকের কথা জেনে গেলেও, তাঁর সমালোচনা করবেন না। এতে আপনার সম্পর্কেই খারাপ ধারণা তৈরি হবে।

১০। শরীরের জন্য হ্যাংলামো একদম ঠিক নয়। অত তাড়া কীসের! বেশিরভাগ ছেলেই এই করে প্রেম হারান।
Share:

জেনে নিন নারীদের ১০ টি গোপন আকাঙ্খা

 জেনে নিন নারীদের ১০ টি গোপন আকাঙ্খা

জেনে নিন নারীদের ১০ টি গোপন আকাঙ্খা

সব মানুষের কিছু গোপন ইচ্ছা, চাওয়া–পাওয়া থাকে। তবে এগুলো প্রকাশ করে না। বিশেষ করে মেয়েরা এই কাজে ওস্তাদ। কিছু কিছু জিনিস আছে, যেগুলো একজন নারী সবার অগোচরে চাহিদা করেন কিন্তু মুখে সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলেন। তাহলে আসুন জেনে নিন নারীদের ১০ টি গোপন আকাঙ্খার কথা, যেগুলো মনে মনে খুব চান কিন্তু কাউকে তা জানতে দেন না।

১) অসল কথা হলো প্রেত্যেক ময়েই চায় তার স্বমী আর্থিকভাবে স্ববলম্বী হোক। লক্ষ্য করলে দেখবেন অনেকে প্রেম করে কিন্তু বিয়ে করার কথা বললে প্রেমিকা বলে একটা ভালো চাকরি কর তরাপর। নরীদের বেশিরভাগ চাওয়া এটাই।

২)ছেলেদের থেকে নারীরা সব সময় একটা সাজালো গোছালো সংসার চায়। এটা সম্ভব শুধু ছোট পরিবারে বড় পরিবারে ও সম্ভব তবে কষ্টকর। একারণে অধিকাংশ মেয়েরা চায় একক পরিবার, যৌথ পরিবার আদৌ বর্তমান মেয়েরা পছন্দ করে না।

৩) বাহ্যিকভাবে একটা মেয়েকে ভালোভাবে চেনা যায় না। প্রত্যেক নারী নিজেকে তার বন্ধুদের মাঝে আকর্ষণীয় এবং যৌবনময়ী হয়ে উঠতে চায়, এই বিষযটা সে প্রকাশ করে না, মনে মনে রাখে।

৪) প্রত্যেক মেয়ে চায় সে ফর্সা হতে। সে ফর্সা থাকুক আর না থাকুক ফর্সা হওয়ার চেষ্টা সে করবেই।

৫) মেয়েরা কখনই তার স্বমীর মুখে অন্য মেয়ের গুনকীর্তন শুনতে পছন্দ করে না। সে চাইবে তার স্বামী যেন একমাত্র তাকেই চাক।

৬)মেয়েরা মুখে মুখে বলতে পারে সে নিজের দেহের ওজন নিয়ে সে কখওনোই চিন্তা করে না, কিন্তু আসলে সে চায় নিজেকে চান স্লিম ও যৌবনময়ী শরীরের অধিকারী করতে।

৭) মেয়েদের মেয়েদের ভিতর অনেক ঈর্ষা। একজন মেয়ে অন্য একজন মেয়ের সাফল্য কখনোই দেখতে পারে না।

৮) সকল মেয়ে চায় তার প্রিয় মানুষটি তার কথা সবসময় মেনে চলুক, তার কথা সবসময় পালন করুক,সে মনে করে তার অনেক দ্বায়িত্ব।

৯) একজন ছেলে তার বযস এবং চেহারা নিয়ে ততোটা না ভাবলেও একজন নারী চায় তার চেহারায় যেন বয়সের কালো ছাপ না পড়ে।

১০) একটি মেয়ে তার বুকের স্তন অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। নারীরা স্তনের ব্যাপরে খুবই সজাগ,খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। কারণ পুরুষকে আকর্ষণ করার মেইন অঙ্গ এটা। এজন্য নারী চায় স্তন থাকুক সবসময় আকর্ষণীয় ও যৌবনদীপ্ত।
Share:

যে কারণে নারীদের চুলে হাত দিতে নেই!

 যে কারণে নারীদের চুলে হাত দিতে নেই!

যে কারণে নারীদের চুলে হাত দিতে নেই!

গ্রামাঞ্চলে অনেক প্রথার মধ্যে এখনও একটা প্রথা চালু রয়েছে- যার ফলে কোনও পুরুষের কোনও নারীর চুলে হাত দিতে নেই৷ শুধুমাত্র অপরিচিত পুরুষের জন্য এটা বলা হচ্ছে না৷ এর মানে এমনকী কোন আত্মীয় হলেও এই প্রথা প্রযোজ্য ৷ কেন এমন প্রথা তার পিছনে নাকি রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণও৷

সেটা হল সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, চুলের গোড়ায় থাকে সেক্স গ্রন্থি৷ যার ফলে চুলে হাত দিলে বা ধরলে কামনার উদ্রেক হতে পারে ৷

কিন্তু  কাজের কামের ক্ষেত্রেও স্থান কাল পাত্র বিশেষ রয়েছে ফলে তা স্বাভাবিক জীবনে যে কোনও সময়ে মোটেই কাম্য নয়৷ সেই কথা মাথায় রেখেই এই প্রথার প্রচলন আর স্বাভাবিক নিয়মে এই প্রথা পরবর্তী সময়েও গ্রহণ করা হয়েছে৷
Share:

বিবাহর পরে মেয়েদের স্তন মোটা ও নরম হয় কেন?

 বিবাহর পরে মেয়েদের স্তন মোটা ও নরম হয় কেন?

বিবাহর পরে মেয়েদের স্তন মোটা ও নরম হয় কেন?

অধিকাংশ নারীকেই দেখা যায় বিবাহর পরে তাদের স্তন অস্বাভাবিকভাবে মোটা হয়ে যায়। এটি কেন হয়ে থাকে? এই বিষয়টা শুধু আমাদের দেশেই নয়, পুরো পৃথিবী জুড়ে দেখা যাচ্ছে।

একটি কারণ হলো বিবাহর আগে মেয়েদের দুশ্চিন্তা কাজ করে বিয়ে ঠিকঠাক হবে কিনা, কেমন হবে নতুন জীবন, সবকিছু ঠিকমতো হবে কিনা এসব নিয়ে। বিবাহর পর আর সেই মানসিক চাপ থাকে না। তাই রিল্যাক্সড হয়ে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠে। যার ফলে তারা মোটা হয় এবং স্তন বড় হয়ে য়ায।

হানিমুন, প্রচুর দাওয়াত, বিভিন্ন জায়গায় খেতে, এবং বার বার যৌন কাজ করা , এসব চলতেই থাকে। আর অনেকের মধ্যেই এমন একটা ধারণা কাজ করে যে বিয়ে হয়ে গেলে আর আকর্ষণীয় থাকার দরকার নেই। তাই তারা স্তন নিয়ে তেমন একটা চিন্তা করেন্।

বিবাহর পর ঘুম এবং খাওয়ার সময় উল্টোপাল্টা হয়ে যায় যেটা মেটাবলিজমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই মেদ জমতে শুরু করে। মেদ যত জমে স্তন তত নরম হয়।

অনেক মেয়ের ধারণা যৌনতার পর  আলাদা করে ব্যায়ামের দরকার নেই। কিন্তু এই ভুল ধারণার কারণে স্তন মোটা হয়ে যায়
Share:

আপনি কি আপনার স্বামীকে সুখে রাখতে চান তাহলে দেরি না করে নিচের ১০টি টিপস দেখে নিন

 আপনি কি আপনার স্বামীকে সুখে রাখতে চান তাহলে দেরি না করে নিচের  ১০টি  টিপস দেখে নিন

আপনি কি আপনার স্বামীকে সুখে রাখতে চান তাহলে দেরি না করে নিচের  ১০টি  টিপস দেখে নিন

স্ত্রীকে সুখে রাখা যেমন ছেলেদের কর্তব্য,
তেমনি স্বামীকে সুখে রাখাও স্ত্রীর কর্তব্য। ঠিক কী করলে যে স্বামীকে সুখে রাখা যায়, সেই চিন্তা সব মেয়েদেরই থাকে।

স্বামীকে সুখি রাখতে চান না, এমন মহিলা কিন্তু খুবই কম সংখ্যায়। অনেকেই হয়তো স্বামীর সঙ্গে নানা বিষয়ে তুলকালাম করেন অথবা কথায় কথায় অভিযোগ করেন কিন্তু সব স্ত্রীই চান স্বামীকে ভাল রাখতে। হয়তো ঠিক কীভাবে ভাল রাখা যায়, সেই সূত্রটা খুঁজে পান না।

তাঁদের জন্য রইল ১০টি টিপস—

১) সব সময়ে হাসিখুশি থাকুন। মনকে পজিটিভ রাখুন। তবেই সংসারে সুখ-শান্তি থাকবে। কাজের পরে বাড়ি ফিরে আপনার হাসিমুখ দেখে স্বামীরও ভাল লাগবে।

২) রান্নার হাতটি ভাল করুন। সব ধরনের পদ রাঁধতে না পারলেও স্ন্যাকস, ডেজার্ট বা কোনও বিদেশি ডিশ রপ্ত করুন আর ছুটির দিনে সে সব বানিয়ে স্বামীকে তাক লাগিয়ে দিন। বউ যেমনই হোক, বউয়ের রান্নার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন না এমন স্বামী কমই আছেন।

৩) স্বামীর ফোনে মাঝরাত্তিরে কারও কল এলেও কিছু জিজ্ঞাসা করবেন না, যতক্ষণ না তিনি নিজে কিছু বলছেন। স্বামী যদি লুকিয়ে প্রেমও করে থাকেন তবে চেঁচামেচি-ঝামেলা করে কিছু করতে পারবেন না। মাঝখান থেকে নিজের আত্মসম্মান খোয়াবেন। বরং স্বামীর সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করুন। আরও বেশি ভালবাসুন। এতেই বরং আলগা প্রেম ঝরে পড়ার সম্ভাবনা বেশি।

৪) বিছানায় স্বামীকে যথাসম্ভব খুশি রাখুন। নিজের ইনহিবিশন থেকে বেরিয়ে আসুন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যৌনতার ধরনধারণও পালটে গিয়েছে। সে সব বিষয়ে জানুন। বিশেষ করে ওরাল সেক্স, রোল প্লে ইত্যাদি প্রয়োগ করুন। যে স্বামী বিছানায় তৃপ্ত থাকেন, তিনি বাইরে যা কিছু করুন না কেন, দাম্পত্য অটুট রাখতে চান।

৫) স্বামীর দাসী হয়ে থাকতে হবে না, কিন্তু স্বামীকে সেবাযত্ন করুন। কারণ, তিনি আপনার ভালবাসার মানুষ। মাঝে-মধ্যে তাঁকে বডি মাসাজ করে দিন, মাথায় অয়েল মাসাজ করে দিন।

৬) স্বামীকে মিথ্যে কথা কখনও বলবেন না। আর এমন কিছু কখনও করবেন না যা স্বামীকে বলতে পারবেন না। সম্পর্কের স্বচ্ছতা স্বামীকে সুখে রাখার প্রথম এবং প্রধান শর্ত।

৭) নিজেকে সব সময়ে আকর্ষণীয় রাখবেন। এর জন্য পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। বাড়িতেই নিয়মিত ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করুন। আর সব সময় পরিচ্ছন্ন, প্রিম অ্যান্ড প্রপার থাকুন। স্বামী হুট করে কফি খেতে যাওয়া বা সিনেমা দেখার প্ল্যান করলে যাতে বেরিয়ে পড়তে পারেন।

৮) স্বামীর মতামতকে গুরুত্ব দিন। তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ভালভাবে বোঝানোর চেষ্টা করুন। তেমন মারাত্মক কোনও ইস্যু না হলে স্বামীর মতামতের বিরোধিতা করবেন না। সোজা কথায় মেল ইগো-কে একটু আধটু বুস্ট করুন।

৯) স্বামীর হবিকে নিজের হবি করে নিন। সেটা যাই হোক না কেন। এতে স্বামীর ভালবাসা অনেক গুণ বে়ড়ে যাবে।

১০) বাড়িতে স্বামীর বন্ধুবান্ধব এলে কখনও রাগ করবেন না। স্বামী বন্ধুদের সঙ্গে যত সময়ই কাটান না কেন, কখনও অভিযোগ করবেন না। বরং স্বামীর বন্ধু ও তাঁদের পরিবারদের আপন করে নিন। তাঁদের স্ত্রীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ফেলুন।
Share:

মেয়েদের নাভিতে লুকিয়ে আছে অন্যরকম গোপন কথা?

 মেয়েদের নাভিতে লুকিয়ে আছে অন্যরকম  গোপন কথা?

মেয়েদের নাভিতে লুকিয়ে আছে অন্যরকম  গোপন কথা?

শুধুমাত্র শারীরিক সৌন্দর্য দিয়ে তো আর জীবন চলে না, তাই জানা দরকার কে কেমন মানুষ। কোন মহিলার চরিত্র কেমন। নাভির আকারের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মহিলাদের চরিত্রের গোপন কথা।

গোল আকৃতির নাভি : যাদের নাভি গোল হয়, সেই মহিলারা খুব সরল ও সাদাসিধে এবং ঘরোয়া হয়। শাস্ত্র বলছে, এই মহিলারা সংসারে সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আনে।

গভীর নাভি : যে মহিলাদের নাভি গভীর হয়, তারা বন্ধুত্ব করতে খুব ভালোবাসেন। শাস্ত্র বলছে, এরা সংসারে সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আনে। ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে না।

চন্দ্রাকার নাভি : শাস্ত্র মতে, যাদের নাভি চাঁদের মতো, সেইসব মহিলাদের থেকে পুরুষদের দূরে থাকাই ভালো। কারণ এরা কারও উপর বিশ্বাস করেন না।

নাভি যদি বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকে : যদি কোনও মহিলার নাভি বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকে, তারা খুব সৌভাগ্যবতী হন। যেখানে এরা যান, সেখানে ধন-সম্পত্তির কোনও কমতি থাকে না।

নাভির ভিতরের অংশ অনেকটা বাইরে থাকে : সেক্ষেত্রে সেই মহিলা খুব কঠোর প্রকৃতির হয়। এটাও বলা হয়, মা হতে গিয়ে এই মহিলাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

 নাভি যদি খুব সেন্সিটিভ হয় : নাভি যাদের খুব সেন্সিটিভ, তারা খুব হাসিখুশি হয়। কঠিন পরিস্থিতিতেও মুখের হাসি বজায় থাকে এদের।


মহিলার শরীরের গড়ন যেমন আকর্ষণীয় হয়, তেমনই নারীর মাজাঘষা শরীর পুরুষের মন জয় করে নেয় এক মুহূর্তে। কিন্তু নারী-পুরুষের সম্পর্কে শুধুমাত্র কী শরীরের সৌন্দর্য কাফি ?
Share:

যুবতীরা কোন বয়সের পুরুষদের পছন্দ করে জেনে নিন?

 যুবতীরা কোন বয়সের পুরুষদের পছন্দ করে  জেনে নিন?

যুবতীরা কোন বয়সের পুরুষদের পছন্দ করে  জেনে নিন?

সেই কি পুরনো দিনের পরিবর্তন ফিরে আসছে? আমাদের মা কাকিমাদের সময়েও কিন্তু স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বয়সের বেশ ফারাক থাকত। কম করে ১০ বছরের ফারাক তো থাকতই। এইসময়েও ঠিক সেইরকমই ব্যপার উঠে আসছে।নতুন এক গবেষণা থেকে এমনই এক তথ্য পাওয়া গেছে। যেখানে বলা হয়েছে- পুরুষরা অপেক্ষাকৃত কম বয়সী নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয়। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ঠিক এর উল্টো।

নিজের বয়স যা-ই হোক, সঙ্গী হিসেবে একেবারে তরুণীদেরই বেশি পছন্দ পুরুষদের।গ্রাফ ভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, নারীরা নিজেদের বয়সের কাছাকাছি বা তার চেয়ে একটু বেশি বয়সী পুরুষের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন। তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে কিছুটা কমবয়সী পুরুষকেও পছন্দ করেন তারা। অপরদিকে পুরুষরা যত বয়সীই হোন না কেন, পছন্দ করেন ২০ বা কাছাকাছি বয়সের নারীদের।

২২ বছরের পর নারীরা মারাত্মকভাবে আকর্ষণ হারান পুরুষদের কাছে। ওকেকুপিড নামের একটি সংস্থার উদ্যোগে এই গবেষণা পরিচালিত হয়। সংস্থাটির প্রধান ক্রিশ্চিয়ান রাডার বলেন, ধরা যাক কোন নারীর বয়স ২৮ বছর। তাহলে দেখা গেছে, তিনি ২৮ বছর বা সামান্য বেশি বয়সী পুরুষকেই পছন্দ করেন। অপরদিকে নারীরা ২০-২২ বছরের পর পুরুষের কাছে আকর্ষণ হারাতে শুরু করেন।

রাডারের ভাষায়, এটা ভয়াবহ! যখন আপনার বয়স ২২ বছর হয়ে যাবে, তখন তুমি থেকে আপনি সম্বোধন বয়সী নারীর কাছে কম আকর্ষণীয়। তবে এটা আসলে মানুষের মতামত। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষের কাছে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় নারী হলো ২০ বছর বয়সী যুবতী। সর্বোচ্চ ২৪ বছর বয়সী নারীকে আকর্ষণীয় লাগে ৪৬ বছর বয়সী পুরুষের কাছে।

৫০ বছর বয়সী পুরুষের কাছেও সর্বাধিক আকর্ষণীয় হলেন ২০ বছর বয়সী যুবতী। অপরদিকে নারীদের কাছে প্রথম প্রথম নিজেদের চেয়ে তিন-চার বছর বেশি বয়সী পুরুষ পছন্দনীয় হলেও, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে নিজেদের চেয়েও কম বয়সী পুরুষকে ভাল লাগে তাদের কাছে। যেমন ৪৬ থেকে ৪৮ বছর বয়সী নারীরা নিজেদের চেয়ে প্রায় আট বছর কমবয়সী পুরুষকে পছন্দ করেন।
Share:

পুরুষরের যে ৪ রাশিরপ্রতি মেয়েরা বেশি আকৃষ্ট হন!


কথায় বলে ‘রাম মিলায়ে জোড়ি’। কিন্তু, সেই জোড়ি হয় কী করে! কেউ বলে, জন্মের সময়েই ঠিক হয়ে যায় একটি মানুষের সঙ্গী কে হবে।

কিন্তু, কে কার সঙ্গী হবেন তা জানা তো আর মুখের কথা নয়! তাই জীবনের হিসেব মেলানো হয় রাশির মাধ্যমে। কোন দুই রাশির মধ্যে সদ্ভাবনা থাকে, তার উপরেই বিচার করা হয় জীবনসঙ্গীর।

এক এক রাশির এক এক রকম গুণ থাকে। কেউ বিশ্বাসভাজন হয়, কেউ আবার হয় একেবারে তার বিপরীত। কেউ তার সঙ্গীকে সব কিছু দিয়ে সুখি করতে চায়, কেউ আবার সুখ খোঁজে অন্যত্র।

জেনে নেওয়া যাক, ১২টি রাশির মধ্যে, কোন ৪টি রাশির পরুষদের সব থেকে বেশি আকর্ষণ করে নারীদের-

মকর- এদের সর্বদাই খুব সুখী সুখী ভাব। ব্যক্তিত্বও বেশ চার্মিং। ফলে মেয়েরা খুব তাড়াতাড়ি এদের প্রতি আকৃষ্ট হয়।

সিংহ- এরা মনের দিক থেকে খুব ভালো হয়। অন্যদের তুলনায় বেশ রোম্যান্টিক হয়। এদের সঙ্গে মেয়েরা ফ্লার্ট করতেও পিছ-পা হয় না।

তুলা- প্রেম ও কর্তব্য, দু’টি দিকই এরা সুন্দর ভাবে ব্যালান্স করে চলে। অন্য রাশির তুলনায় এই রাশির পুরুষদের স্টাইল খানিক আলাদা, যা মেয়েদের আকৃষ্ট করে।

মিথুন- মেয়েদের আকৃষ্ট করার ব্যাপারে সব থেকে ‘লাকি’ এই রাশির পুরুষরা। এরা অত্যন্ত নরম স্বভাবের হয়। এবং রোম্যান্টিকও।
Share:

জেনে নিন যেসব কারণে দ্রুত বিয়ে করা উচিত

জেনে নিন যেসব কারণে দ্রুত বিয়ে করা উচিত

বিয়ে জীবনের একটি অপরিহার্য অংশই। তাই যতই না না বিয়ে ফুল ফুটলে ঠিকই সানাই বাঝবে। তাছাড়া বিয়ে করার ব্যাপারে প্রত্যেকটি ধর্মই সুন্দর ও পরিষ্কার করে বিধান দিয়েছে। তাই বিয়ের জন্য দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়াই ভাল।

বিয়ের সুবিধা-অসুবিধা দুইই আছে। সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, অবিবাহিতদের থেকে বিবাহিতরা সামাজিক জীবনে অনেক বেশি সুখী।বিবাহিত দম্পত্তির সন্তান মানসিক এবং স্বাস্থ্যগত দিক থেকে অনেক বেশি ভালো থাকে। এসব কারণ ছাড়াও এমন ১০টি কারণ আছে যার জন্য বিয়েটা করে ফেলা উচিত।

দীর্ঘ জীবন পেতে: বিবাহিতরা দীর্ঘ জীবন লাভ করেন।বিবাহিতরা তাদের সঙ্গীকে ভালোভাবেই দেখভাল করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, আপনার সঙ্গীটি যেন আপনাকে বোঝে।

নিজেকে ভালো রাখতে: পরিসংখ্যান বলছে, বিবাহিত নারী-পুরুষ অধিক স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে থাকে। কিছু বিবাহিত মানুষ তাদের জীবনসঙ্গীর জন্য অনেক বাজে অভ্যাস ছেড়ে দেন। আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসলে আপনিও তা ফেরত পাবেন।

যৌন রোগ ঝুঁকি কমাতে: বিবাহিত মানুষের একটি নিয়মিত এবং স্থিতিশীল যৌন জীবন থাকে। তারা সাধারণত অন্য যৌন সঙ্গী খোঁজেন না। এর ফলে যৌন রোগের ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়। যেসব দম্পত্তি একে অপরকে ভালোবাসেন এবং একে অপরের প্রতি অনুগত ও বিশ্বস্ত থাকেন অন্যদের তুলনায় যৌন রোগের ঝুঁকি তাদের অনেক কম।

সুস্বাস্থ্যের জন্য: বিবাহিত নারীরা অধিক স্বাস্থ্য সুবিধায় থাকেন। একটি ভাল যৌনজীবন সুখ এবং সন্তুষ্টি বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় প্রমাণিত, বিবাহিতরা কম বিষণ্নতায় ভোগেন।

স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে: শুধু বিবাহিত নারীরাই নন বিবাহিত পুরুষরাও শারিরীক ও মানসিকভাবে অবিবাহিতদের থেকে বেশি ভালো থাকেন।বিবাহিত পুরুষরা বেশি মাত্রায় ভালোবাসার প্রতি যত্মশীল হন।তাদের আবেগ অবিবাহিতদের তুলনায় বেশি। এটা পুরুষদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের জন্য ভালো। স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও অন্যান্য রোগ প্রবণতা বিবাহিতদের কম থাকে।

উপার্জন বাড়াতে: এটা সুস্পষ্ট দম্পতিরা ব্যাচেলরের চেয়ে বেশি টাকা ব্যয় করেন। আরও কেনার সামর্থ্য অর্জন করতে তারা আরও আয় বাড়াতে তৎপর থাকেন। বিবাহিতরা তাদের সঙ্গী এবং বাচ্চাদের জন্য ভালো কিছু করার তাগিদ থেকে আরও উপার্জনের প্রতি ঝোঁকেন।

বদ অভ্যাস ছাড়তে: বিবাহিতরা অধিকমাত্রায় দ্বায়িত্বশীল থাকেন।এজন্য খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করা তাদের জন্য আনেকটা সহজ হয়ে যায়। যদি সঙ্গী মদ এবং সিগারেট অপছন্দ করেন তবে তারা তা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

বিবাহিত দম্পত্তিরা সন্তানকে বেশি সময় দিতে পারেন: বিবাহিত দম্পত্তিদের সন্তানরা সত্যিকারের পারিবারিক বন্ধনটা বুঝতে শেখে। সন্তানরা অনেক প্রতিকুল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে।এটা তাদের ব্যক্ত্যিত্বকে উন্নত করে এবং ভবিষ্যতে পারিবারিক জীবনেও তারা সুখী হয়।

জীবনে পূর্ণতা আনতে: বিবাহিতরা বেশি টাকা আয় করেন। এজন্য তারা সুন্দর জায়গায় সুন্দর বাড়িতে বসবাস করতে পারেন। এছাড়া তারা সন্তানদের ভ্রমণ, ভালো খাবার এবং ভালো স্কুলে পড়াতে পারেন।

আজীবন সঙ্গ পেতে: বিয়ে ছাড়া সারা জীবন কারো নিবিড় সঙ্গ পাওয়া সম্ভব না।সাধারণত সারা জীবন একসাথে থাকার প্রত্যয়ে মানুষ বিয়ে করে।

তাহলে কি সিদ্ধান্ত নিলেন? বিয়েটা করে ফেলায় ভাল। ভাল দেখে ভাল বংশের একটি সঙ্গি দেখে করে ফেলুন বিয়ে।
Share:

আপনি কি নতুন প্রেমে পড়েছেন তাহলে যে চারটি নিয়ম অবশ্যই মেনে চলুন!


আপনি কি নতুন প্রেমে পড়েছেন তাহলে যে চারটি নিয়ম অবশ্যই মেনে চলুন!

কারো সঙ্গে জীবন ভাগ করে নেওয়া ও উপভোগ করা নিঃসন্দেহে দারুণ এক অনুভূতি। কিন্তু একটা জিনিস সব সময় মনে রাখতে হবে, সম্পর্কে জটিলতা খুব সহজেই চলে আসে, তাই সম্পর্কের মাধুর্য অক্ষুণ্ণ রাখতে কিছু জিনিস মেনে চলা খুব দরকার, বিশেষ করে যাঁরা নতুন নতুন প্রেম করছেন।

১. একান্ত সময় : সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটাবেন। তবে সব সময়ই তাঁর সঙ্গে কাটাতে হবে, তা কিন্তু নয়। নিজের জন্যও কিছু সময় আলাদা করে রাখুন। একান্তে নিজের সঙ্গে, নিজের জন্য সময় কাটানোটাও জরুরি।

২. মানসিকভাবে সংযুক্তি : সঙ্গীর সঙ্গে নিয়মিত কথা বলুন। যেকোনো বিষয়ে আলাপ হতে পারে, যেমন—সকালে তৈরি হওয়ার সময় আজ আপনি কোন গানটি শুনছিলেন, এমন যেকোনো বিষয়। ছোটখাটো বিষয়গুলো শেয়ার করলে মানসিকভাবে আপনি যুক্ত থাকবেন সঙ্গীর সঙ্গে।

৩. ক্যারিয়ার নিয়ে আলাপ : সব সময় নিজের ভবিষ্যৎ, বিশেষ করে ক্যারিয়ার সম্পর্কে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করুন। প্রত্যেক মানুষেরই ক্যারিয়ার নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকে। সম্পর্কের শুরুতেই এই উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য জানিয়ে রাখা ভালো।

৪. নির্ধারিত সীমারেখা : প্রতিটি সম্পর্কেরই কিছু নির্দিষ্ট সীমারেখা থাকা উচিত। আলোচনা সাপেক্ষে জেন নিন, আপনার সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে বা কোনো কিছু নিয়ে মন্তব্যের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো তার অপছন্দ বা কোন বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তর পরিসরে আলোচনা সঙ্গীর পছন্দ নয়। বিষয়গুলো মাথায় রেখে কথা বললে সঙ্গীর সঙ্গে সদ্ভাব বজায় থাকবে।
Share:

সুখী হতে চাইলে মেয়েদের যে ৭টি গুণ দেখে বিয়ে করুন!

 

সুখী হতে চাইলে মেয়েদের যে ৭টি গুণ দেখে বিয়ে করুন!


বিয়ের পর নানা ধরণের অশান্তি লেগেই থাকে এই রকম দৃশ্য অনেকের সংসারেই দেখা যায়। কিন্তু তখন তো আর কিছু করার উপায় থাকে না। তাই বিয়ের বিষয়ে খুব সাবধাণতা অবলম্বন করা দরকার। জীবনের বাকি সময় যার সাথে কাঁটাবেন সে কেমন হবে? এ ক্ষেত্রে অনুমান অবশ্য কাজে লাগে, কিন্তু সবক্ষেত্রে অনুমান সঠিক হয় না ।


১। একটু সরল ও ধার্মিক প্রকৃতির মেয়েকে বিয়ে করুন। কারণ নামাজের গুণ যার মধ্যে নাই সে কখনো আপনাকে সুখি করতে পারবে না।


২।যে সব মেয়েদের মধ্যে নিরবতা এবং কোমলতা বা যারা বেশিরভাগ সময় নিরব ও চুপচাপ থাকে, অনেক আস্তে আস্তে কথা বলে, অনেক নরম স্বভাবের এমন মেয়ে পছন্দ করুন।


৩। সুশিক্ষায় যে শিক্ষিত তাকে বিয়ে করুন। তাহলে আপনার সংসার হবে সৃজনশীল।


৪। যেসকল মেয়ে তাদের কথায় কাজে সৎ এবং কথা দিয়ে কথা রাখে এই রূপ মেয়েকে বিয়ের জন্য সিলেক্ট করুন।


৫। দায়িত্ববান মেয়েকে বিয়ে করুন।


৬। পরিষ্কার –পরিচ্ছন্ন মানুষকে সবাই পছন্দ করে, তাই আপনার বৌ যেন অপরিষ্কার কোন মেয়ে না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন।


৭। সর্বপরি সৎ এবং চরিত্রবান মেয়েকে বিয়ে করুন।


এই সাতটি বৈশিষ্ট যার মধ্যে থাকবে সে অবশ্যই ভাল মানুষ। এই রূপ মানুষকে বিয়ে করলে সুখি হওয়ার সম্ভবনা শতভাগ। তবে মেয়েরা তাদের পাত্র পছন্দ করার ক্ষেত্রেও এই বৈশিষ্টগুলো উল্টো করে ভেবে জীবনসঙ্গী বেছে নেবেন।

Share:

বিয়ের আগে সম্পর্ক নিয়ে যা জানা দরকার!


বিয়ের আগে সম্পর্ক নিয়ে যা জানা দরকার!


বিয়ের ভাবনা ভাবছেন? তাহলে এই লেখাটি আপনার পড়া দরকার। সংসারযাত্রার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বুঝেশুনে চলতে হয়। মাথা খাটিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু ভালোবাসায় সংসার টেকে না; সঙ্গীকে ভালোবাসার পাশাপাশি স্মার্টনেসও দেখাতে হয়। তাই বিয়ের আগে সম্পর্কের খুঁটিনাটি বিষয় জেনে নেওয়া ভালো। বিষয়গুলো সংসারজীবনে কাজে লাগতে পারে।

দুজন দুজনের: সংসার মানে দায়িত্ব। বিয়ের পর সংসারের কোনো কাজ করব না বললে কি চলবে! মনে রাখতে হবে, কাজের ভাগাভাগি মানেই সম্পর্কে উন্নতি। ঘরের কাজ যত বেশি ভাগাভাগি করতে পারবেন, সম্পর্ক তত দৃঢ় হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেদের ২০১৫ সালে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের টুকিটাকি কাজ ভাগাভাগি করা মানে সম্পর্কে অধিক তুষ্টি। অন্য কাজে অধিক ব্যস্ততা দেখালে সম্পর্কের সুতোয় পড়ে টান। মধুচন্দ্রিমা রূপকথা: মধুচন্দ্রিমা নিয়ে অনেকের মনে রূপকথার মতো ভাবনা কাজ করে। কিন্তু ভাবনার সঙ্গে বাস্তব মেলে না।

অস্ট্রেলিয়ার গবেষকদের মতে, বিয়ের প্রথম বছর পার হওয়ার পরেই দম্পতিদের মধ্যে সত্যিকারের সুখ আসে। বিয়ের প্রথম দিকে যে সুখ কাজ করে, তা মূলত ঘোর (ওয়েডিং হ্যাংওভার)। চোখ রাঙালেই বিপদ: সংসারে টুকটাক মান-অভিমান থাকতেই পারে। থাকতে পারে কথা-কাটাকাটি। এগুলো বুদ্ধি দিয়ে সামলাতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের গটম্যান ইনস্টিটিউটের বিয়ে গবেষক জন গটম্যান বলেন, অবজ্ঞাসূচক আচরণ, যেমন চোখরাঙানি, আজেবাজে নামে ডাকা, ঠাট্টা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলে সম্পর্ক টেকে না। স্নেহ-আদরে মন ভেজে: দীর্ঘ মেয়াদে সুখী দাম্পত্যের মূলে আছে আদর-সোহাগ।

২০১৪ সালে কানাডার টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেদের করা গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প একটু আদর-সোহাগে সম্পর্কের সন্তুষ্টি বাড়িয়ে দেয়। আর্থিক বিতর্কে সম্পর্কের ক্ষতি: বিয়ের পর আর্থিক বিষয় সামনে এলে দাম্পত্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। তখন সম্পর্ক নড়বড়ে হতে শুরু করে।

কানসাস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩ সালে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিয়ের পরপর আর্থিক বিতর্ক শুরু মানে বিচ্ছেদের পূর্বাভাস। তাই এ বিষয়ে সতর্কতা জরুরি। পুরুষের লাভ: গবেষকেরা মনে করেন, দাম্পত্য জীবনে পুরুষেরা বেশি সুবিধা পান। এ কারণে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর অধিক দায়িত্বশীল ও সহমর্মী থাকা উচিত।

তর্ক-বিতর্ক ভালো: বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একটু তর্ক-বিতর্ক হতেই পারে। এটা বরং সম্পর্কের জন্য ভালো। ফ্লোরিডা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সম্পর্কের মধ্যে সুখের রসদ জোগায় খুটখাট তর্ক।
Share:

বিয়ের পর নারীর ওজন বাড়ার কারণ!


বিয়ের পর নারীর ওজন বাড়ার কারণ!

বিয়ের পর অনেক নারীই মুটিয়ে যান। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের মধ্যে বিয়ের পর মুটিয়ে যাবার প্রবণতা অনেক বেশি। অনেকেই এ মুটিয়ে যাওয়াকে নেতিবাচকভাবে দেখেন। তবে ফিজিশিয়ানরা একে খুবই ‘সাধারণ’ এবং ইতিবাচক হিসেবেই দেখেন।

মুটিয়ে যাবার কারণ নিয়ে আমাদের মধ্যে আছে নানান ধারণা। মিশ্র এ ধারণাগুলোর মধ্যে কিছু কিছু প্রচলিত ধারণা আছে যা খুবই ভুল। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক সঠিক কারণগুলো।

১) শারীরিক মিলন মুটিয়ে যাওয়ার কারণ নয়- বিয়ের পর নারীরা তাদের স্বামীর সঙ্গে খুব ঘন ঘন শারীরিক মিলনে আবদ্ধ হন। অনেকেই মনে করেন যে, এমন মিলন মেয়েদের শরীরে হরমোনজনিত পরিবর্তন আনে। ফলে মুটিয়ে যায় পুরো শরীর। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান এমন ধারণাকে সমর্থন করে না। তবে আসল কারণ যাই হোক, শারীরিক মিলন নারীদের মুটিয়ে যাওয়ার জন্য মোটেও দায়ী নয়। অনেকেই আবার মনে করেন উন্মুক্ত শারীরিক মিলনের ফলে মুটিয়ে যেতে পারেন নারীরা। তবে এখানেও দ্বিমত চিকিৎসা বিজ্ঞানের। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দুই থেকে তিন মিলি বীর্যে মাত্র ১৫ ক্যালরি থাকে। অর্থাৎ মুটিয়ে যাওয়ার সঙ্গে শারীরিক মিলনের কোন সম্পর্ক নেই।

২) হঠাৎ করে ব্যায়াম ছেড়ে দেওয়া- বিয়ের দিন, তারিখ ঠিক হবার পর অনেক নারীই ব্যায়াম শুরু করেন। ইয়োগা থেকে শুরু করে অনেকে নিয়ম করে জিমও করে থাকেন। বিশেষ দিনে নিজেকে স্লিম এবং আকর্ষণীয় করে তুলতেই তাদের এসব প্রস্তুতি। কিন্তু বিয়ের পর? বিয়ের পর অধিকাংশ নারীই ব্যায়ামের অভ্যাস ধরে রাখতে পারেন না। এভাবে ব্যায়াম ছেড়ে দেওয়াই মুটিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।
৩) ভারী খাবার-দাবার- বিয়েতে তো অনেক ভারী খাওয়া দাওয়া হয়। আর বিয়ের পরে যেন নতুন করে শুরু হয়। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক অঞ্চলেই প্রচলিত প্রথা হলো বিয়ের পর নব দম্পতিকে নিকট আত্মীয়দের বাড়ি বেড়াতে যেতে হয়। আর বেড়ানো মানেই প্রচুর খাওয়া-দাওয়া। বিয়ের এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই মুটিয়ে যাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি।

৪) নিরাপদ বোধ করাতেও মুটিয়ে যান বিবাহিত নারীরা- ২০১৩ সালে প্রকাশিত ‘হেলথ সাইকোলজি’ শিরোনামের একটি সমীক্ষায় জানা যায়, বিয়ের পর যেসব নারীরা তাদের বিবাহিত জীবন নিয়ে নিরাপদ বোধ করেন তাদের মধ্যে মুটিয়ে যাবার প্রবণতা বেশি। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় যেমন স্বাস্থ্যহানী হয় তেমনি অতিরিক্ত ভালবাসা আর যত্নেও মুটিয়ে যান নারীরা।
অর্থাৎ বিবাহিত নারীদের মুটিয়ে যাওয়ার কারণগুলো খুবই সাধারণ। অতিরিক আরাম-আয়েশ আর খাদ্যাভ্যাসের কারণেই মুটিয়ে যান তারা। তাই বিয়ের পর ফিগার ধরে রাখতে নিয়ম মেনে জীবন যাপন করুন।
Share:

পুরুষের যে অদ্ভুত বিষয়গুলো নারীরা পছন্দ করেন!


পুরুষের যে অদ্ভুত বিষয়গুলো নারীরা পছন্দ করেন!

একজনকে ভালবাসার আগে ও পরে তার বিভিন্ন অভ্যাস নিয়ে প্রত্যেকের মাঝেই ফ্যান্টাসি কাজ করে। তার হাসি, তার কথা বলার স্টাইল, তার ফ্যাশনেবল পোশাক পরিধান ইত্যাদি সবকিছুতেই চোখ থাকে সবসময়। তবে মেয়েরা আরও অনেক কিছুই খেয়াল করে যা পনি জানেন না। কি সেই রহস্য, আসুন জেনে নেয়া যাক-

১। মেয়েরা ছেলেদের চোখের পাপড়ির দিকে লক্ষ্য রাখে। মাঝে মাঝে তারা মনে মনে ভাবে মাশকারা ব্যবহার না করেও কিভাবে ছেলেদের চোখের পাঁপড়ি এত ঘন দেখা যায়। তারা চোখের ভাষা পরতেও ভালবাসে।

২। সানগ্লাস পড়ার পর ছেলেদের লুকে অনেক পরিবর্তন আসে। আবার সবাইকেই যে সানগ্লাসে মানায়, তা কিন্তু নয়। সে সময় ও মেয়েরা তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করে।

৩। ছেলেদের গায়ে কোনও ক্ষতের চিহ্ন থাকলে সেদিকে নজর কাড়ে নারীদের। তারা জানতে আগ্রহী থাকে কিভাবে এই ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে।

৪। মেয়েরা ছেলেদের পায়ের দিকেও নজর রাখে। কারণ উপর দিয়ে সকলেই ফিটফাট থাকে। কিন্তু যে আসলেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে ভালবাসে, সে নিজের পা অবশ্যই পরিষ্কার রাখে।

৫। ছেলেদের ঘুমন্ত আওয়াজ মেয়েদের পছন্দের তালিকায় অনেক উপরে। ঘুম থেকে উঠার সাথে সাথে সবার কণ্ঠেই ভাঁড় ভাব থাকে। সেই আওয়াজ আর একটা টানের অনুভতি পাওয়া যায় তখন। তাই ঘুম থেকে উঠেই ভালবাসার মানুষের মুখের ধ্বনি শুনতে পছন্দ করে নারীরা।

৬। ভালবাসার পর সঙ্গীর সবকিছুই মিষ্টি লাগে। মেয়েরা ছেলেদের আলিঙ্গন করার সময় তার গন্ধ শুকতে পছন্দ করে। কারণ সঙ্গীর গায়ের সুগন্ধি তারা রীতিমত ভালবাসে।

৭। ছেলেদের ফুল শার্ট একটু ভাঁজ করে পড়ায় বেশ মানায়। এতে তাদের হাতের পশম খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়। যা মেয়েদের পাগল করতে যথেষ্ট।
Share:

GF এর কাছে যা চায় ছেলেরা!

 GF এর কাছে যা চায় ছেলেরা!

GF এর কাছে যা চায় ছেলেরা!

সম্পর্কে পরস্পরের বোঝাপড়াটা সবার আগে গুরুত্বপূর্ণ। তাই একে অন্যের চাওয়া-পাওয়ার প্রতি গুরুত্ব দেয়াটা সুখী সম্পর্কের ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য। মেয়েরা যেমন তার সঙ্গীর কাছে তার প্রতি বেশি মনোযোগ, একাগ্র ভালবাসা ইত্যাদি বিষয় চান তেমনি সবসময় বলে প্রকাশ না করলেও ছেলেদেরও তার সঙ্গিনীর কাছে কিছু চাওয়া থাকে। যা একটি সুখী-সুন্দর সম্পর্কের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ঘ্যান ঘ্যান করবেন না এমন মেয়েদেরকেই গার্লফ্রেন্ড হিসেবে প্রথম পছন্দ ছেলেদের।

সময় বদলেছে। বদলে গেছে মানুষের চিন্তাধারা। সেকেলে ধ্যান-ধারণা ভুলে এ যুগে বয়ফ্রেন্ডরা খোঁজেন আত্মনির্ভরশীল গার্লফ্রেন্ড। তারা চান না যে গার্লফ্রেন্ড তাঁকে অভিভাবক হিসেবে ভেবে ভুল করুক।

স্মার্ট, বুদ্ধিমতী হতে হবে। আর এই টাইপের মেয়েদের প্রতিই ছেলেরা একটু বেশি টান অনুভব করেন।

প্রেমের সম্পর্কে আসার পরেও অনেক মেয়েই প্রথমে যৌন সম্পর্কে অনীহা দেখান। কিন্তু মেয়েদের এই খুঁতখুঁতে স্বভাবটি বেশির ভাগ পুরুষেরই পছন্দের বাইরে।

নিজের পাশাপাশি সব বন্ধুদের সঙ্গেও তার সঙ্গিনীর আচরণ বন্ধুসুলভ হবে এটা সব ছেলের চাহিদা। বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে হ্যাংআউটের সময় সেও যেন সবার সঙ্গে মিশে যেতে পারে।

যখন কোনো খারাপ সময় আসে যে সময়টা মনে হবে মানসিক ভাবে খুব বিপর্যস্ত, সে সময় যেন গার্লফ্রেন্ড পাশে থেকে তাকে উৎসাহ দেন।

মিথ্যার উপর ভিত্তি করে কোনো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। সম্পর্কটাকে একটু স্পাইসি করে তুলতে অনেক মেয়ে ছোটখাটো মিথ্যে কথা বলে থাকলেও, এই বিষয়টি একেবারেই পছন্দ নয় ছেলেদের।
Share:

মেয়েরা যে ১০টি কথা জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা পায় !

 মেয়েরা  যে ১০টি কথা জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা পায় !

ছিঃ৷ তওবা তওবা৷ নারী শরীর নিয়ে চর্চা? ইস৷ সেসব খোলাখুলি করে নাকি? লোকে কী বলবে? একটু লজ্জাশরম তো আছে নাকি?

স্তনবৃন্তের চারপাশে লোম?
আমাদের শরীরের উপর তেলগ্রন্থি এবং রোমকূপ আছে৷ অতএব, স্তনের উপর রোমকূপ থাকা মোটেই আশ্চর্য নয়৷ বরং পুরোপুরি স্বাভাবিক। শরীরের মধ্যে হরমোনের ওঠাপড়ার এমনটা হতে পারে। কিন্তু এনিয়ে ভাবনার কিছু নেই।

দুই স্তনের আকার দুরকম?
সত্যিই? এমনটাও হয়? তার মানে নিশ্চয়ই ওই মেয়ের মধ্যে কিছু গন্ডোগোল আছে৷ একেবারেই না৷ আমাদের দেহ সম্পূর্ণ প্রতিসম নয়৷ যদি ডান স্তনের আকার বাঁ স্তনের থেকে ছোটো হয়, বা উলটোটা, তাতে ঘাবড়াবার কিছু নেই৷ এর পিছনে একটি সুন্দর কারণ আছে৷ জিনগত কারণে এমনটা হয়ে থাকে৷ এমন হলে বুঝে নেবেন আপনার মধ্যে কিছু ভালো জিন আছে৷

স্তন ঝুলে পড়েছে?
বসয়কালে এমন হয়৷ দেহের চামড়ার আঁটসাট বাঁধন আলগা হয়ে যায়৷ ফলে চামড়া কুঁচকে যায়৷ আপনার স্তন দেহ থেকে আলাদা নয়৷ স্বাভাবিকভাবে এর প্রভাব পড়ে স্তনেও৷ তবে ধূমপান, ব্রেস্ট ফিডিং ও তাড়াতাড়ি ওজন ঝরালেও এই প্রবণতা দেখা যায়৷

ভ্যাজাইনার গন্ধ?
এটা কোনও ঘৃণার বস্তু নয়৷ প্রত্যেকের ভ্যাজাইনায় স্বতন্ত্র গন্ধ থাকে৷ এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক গন্ধ৷ যতক্ষণ না ভ্যাজাইনা থেকে পচা মাছেক গন্ধ বের হচ্ছে, ততক্ষণ সব ঠিক আছে৷ কিন্তু যদি এমন গন্ধ বের হয়, তবে চিকিৎসকের কাছে যেতে দ্বিধা করবেন না৷ হয়তো সেখানে ইনফেকশন হয়েছে৷ কখনও অবশ্য হরমোনাল কারণেও এমন হয়৷ কিন্তু তবু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া ভালো৷

ভ্যাজাইনা থেকে নির্গত ফ্লুইড?
ভ্যাজাইনা থেকে একধরণের সাদাটে ফ্লুইড নির্গত হয়৷ এটি আদতে ভালোই৷ ভ্যাজাইনা পরিস্কার রাখতে এই ফ্লুইড সহায়তা করে৷ তবে এর রঙের দিকে নজর রাখা দরকার৷ অনেকে ভ্যাজাইনা পরিষ্কার করার জন্য গরম জল বা সাবান ব্যবহার করেন৷ এসব কিন্তু অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার৷ কারণ ভ্যাজাইনার একটি নির্দিষ্ট pH স্কেল থাকে৷ সাবান ব্যবহার করলে এই pH লেভেল পালটে যেতে পারে৷ এর ফলে হতে পারে ইনফেকশন৷

ভ্যাজাইনা যখন শুষ্ক?
ভয় পাওয়ার কিছু নেই৷ কিছু কিছু মহিলার এমন হয়ে থাকে৷ তবে এটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ঘটনা৷ কিছু কিছু সময় কোনও কোনও মহিলার ভ্যাজাইনা শুষ্ক থাকে৷ তবে সেই সময় যদি আপনি সেক্স করতে চান, তাহলেই বিপদে পড়বেন৷ তাও যদি মন না মানে, পার্টনারকে বলুন তৈলাক্ত কিছু ব্যবহার করতে৷ তা সত্ত্বেও যদি অসুবিধা হয় তবে গায়নেকোলজিস্টের সঙ্গে কথা বলুন৷

ভ্যাজাইনার শব্দ?
ভ্যাজাইনার শব্দ খুব সাধারণ৷ একে “কুইফস” বলে৷ অনেক কারণে এই শব্দ হয়৷ বিশেষত যখন ভ্যাজাইনার মধ্যে বায়ু চলে যায়, আবার বেরিয়ে আসে, তখন এমন শব্দ হয়৷ সেক্স করার সময় এমন শব্দ প্রায়শই হয়ে থাকে৷ আপনার পার্টনার যদি এবিষয়ে না জানেন, তবে তাকে জানিয়ে দিন৷ অনেকসময় শরীরচর্চা করার সময়ও শব্দ করে ভ্যাজাইনা৷

ভ্যাজাইনায় আঘাত?
ভ্যাজাইনার দুই দ্বারের মধ্যে ঘর্ষণ হতেই পারে৷ এটাও সাধারণ একটি বিষয়৷ হতে পারে আপনি ওই স্থানে ওয়্যাক্সিং করেছেন৷ সম্প্রতি ভরতে শুরু করেছে রোমকূপ৷ তাই খোঁচা লাগছে৷ কিন্তু সবসময় এমনটা হয় না৷ যদি না হয়, তাহলে ইনফেকশন হতে পারে৷ সেক্ষেত্রে আপনার উচিত চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া৷
যদি যোনিদ্বার দেখতে অস্বাভাবিক হয়! এর জন্য পর্নোগ্রাফির ধন্যবাদ প্রাপ্য৷ এর জন্যই আমরা জানতে পেরেছি ভ্যাজাইনা ঠিক কীরকম দেখতে৷ এবিষয়ে আমাদের একটা স্বচ্ছ্ব ধারণা আছে৷ কিন্তু এটা সত্যি নয়৷ প্রত্যেকের ভ্যাজাইনা দেখতে আলাদা৷ বিশেষত যোনিদ্বার৷ যোনিদ্বারের দরজা বড় হলে ক্ষতি নেই, ছোটো হলেও স্বাভাবিক৷ এনিয়ে ভাবনার কোনও অবকাশ নেই৷

প্রথমবার যৌনতা?
জীবনে প্রথমবার যৌনমিলন সবার কাছে উত্তেজনাপূর্ণ থাকে৷ কিন্তু সাবধান৷ প্রথমবার যৌনমিলন আপনার জন্য কষ্টকর হতে পারে৷ কারণ আপনার ভ্যাজাইনার এমন অভিজ্ঞতা আগে হয়নি৷ তাই সাবলীল হতে খানিকটা সময় তো লাগবেই৷ তবে ব্যথা যদি ক্রমাগত হতেই থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷
Share:

যে কথা গুলো শুনলে বিরক্ত হয়ে যান বিবাহিত মহিলারা!

 যে  কথা গুলো শুনলে বিরক্ত হয়ে যান বিবাহিত মহিলারা!

যে  কথা গুলো শুনলে বিরক্ত হয়ে যান বিবাহিত মহিলারা!

বিয়ের আগে মহিলাদের নানা কথা শুনতে হয়, যেখানেই যাক না কেন সকলের একই প্রশ্ন থাকে, ‘এখনো বিয়ে করছ না কেন, সমস্যা কি’ ইত্যাদি। কিন্তু বিয়ের পরও কি মানুষের কথা এবং প্রশ্ন শেষ হয়ে যায়? মোটেই না। বরং তখন নতুন নতুন নানা প্রশ্নের সূচনা ঘটে। এবং বিয়ের পরে যেখানেই যাওয়া হোক না কেন এই সকল কথা এবং প্রশ্ন শুনতে শুনতে মহা বিরক্ত হয়ে যান বিবাহিতা মহিলারা। যদিও বিরক্ত থাকলেও মুখের উপর কথা শুনিয়ে দিতে পারেন এমন কম মহিলাই আছেন।

১) বিয়ে তো হলো, বাচ্চা নিচ্ছ কবে?
বিয়ের আগে মেয়েদের শুনতে হতো ‘বিয়ে কবে করছ?’, বিয়ের পরেও কিন্তু কথা শোনার হাত থেকে একেবারেই নিস্তার নেই। বিয়ের পরে শুনতে হয় ‘বাচ্চা কবে নিচ্ছ, সন্তানের ব্যাপারে কি ভাবছ’। বাচ্চা না নেওয়ার আগ পর্যন্ত একই কথা সবখানে শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে যান অনেক মহিলাই।

২) বিয়ের পর অনুভূতি কেমন?
বিয়ের পরপরই যার সাথেই দেখা হোক না কেন, পাড়াপ্রতিবেশী বা আত্মীয়স্বজন সকলের একই প্রশ্ন ‘কেমন লাগছে বিয়ে করে’। সকলের প্রশ্নে বিরক্ত হলেও কিছু করার নেই হাসিমুখে তাকিয়ে থাকতে হয়।

৩) তোমার মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে?
বিয়ের পর ১ টি নয় মূলত ৩ টি সংসারের দায় দায়িত্ব ঘাড়ে চেপে যায়, তখন মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরায় একটু হলেও পরিবর্তন আসেই। এটিই স্বাভাবিক। এই নিয়ে কথা বা প্রশ্ন করা পুরোপুরি অবাঞ্চক।

৪) নাম পরিবর্তন করছ না কেন এখনো?
কেন নাম পরিবর্তন করাটা কি খুব জরুরী? একজন মেয়ে তার বিয়ের সাথে সাথেই নাম পরিবর্তন করতেই হবে? যদি তার স্বামী-শ্বশুরবাড়ি কিছুই না বলেন তারপরও পাড়া-প্রতিবেশির এতো আগ্রহ কেন তা কিছুতেই বুঝতে পারেন না বিবাহিতাগণ।

৫) নিজের ঘর/ফ্ল্যাট কিনে ফেলছ না কেন?
অনেকেই মনে মনে ভাবেন, ‘জ্বি, আপনি টাকাটা পাঠিয়ে দিন, কালকেই কিনে ফেলবো’। যিনি সংসার চালান তিনিই জানেন তার কতোটা কীভাবে সামাল দিতে হয়।

৬) শ্বশুরবাড়ির লোকজন কেমন?
মানুষের প্রশ্নের কোনো সীমা নেই এবং শেষও নেই। মেয়েটির কাছে জিজ্ঞেস করবে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কথা এবং সেটাকে বড় করে রঙমাখিয়ে উপস্থাপন করবে শ্বশুরবাড়ির মানুষের সামনে।

৭) তোমরা কি ঝগড়া করো?
পরের ঘরের কথা শুনতে সকলেই এক ধাপ এগিয়ে থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছে কি না তা দিয়ে তারা কি করবেন? আর বুদ্ধিমতী স্ত্রী হলে নিজের ঘরের কথা কখনোই বলবেন না তা জেনেও একই প্রশ্ন সবসময়।

৮) তুমি বুঝবে না, তোমার তো বিয়ে হয়ে গিয়েছে?
এই কথা শুনলে বিবাহিতাগণ ভাবেন, ‘হ্যাঁ, আমি তো আর বিয়ের আগে জীবন পার করিনি, তাই বুঝবো না’।
Share:

যে কারণে মেয়েরা আপনাকে পাত্তা দেয় না...কারন গুলো কি কি জেনে নিন?

 যে কারণে মেয়েরা আপনাকে পাত্তা দেয় না...কারন গুলো কি কি জেনে নিন?
যে কারণে মেয়েরা আপনাকে পাত্তা দেয় না...কারন গুলো কি কি জেনে নিন?

মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশা করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন অনেক পুরুষই। যতই মেয়েদের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন আপনি, ততই যেন দূরে সরে যায় তারা। কিন্তু কেন হয় এমনটা? এমন ৭টি সম্ভাব্য কারণের কথা, যেগুলির জন্য মেয়েরা আপনাকে এড়িয়ে চলতে পারে—

১. মেয়েদের দেখলেই আপনি ঘাবড়ে যান। মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশায় আপনি তেমন অভ্যস্ত নন। ফলে মেয়েদের সঙ্গে কথা বলার সময় এলেই আপনি ঘেমে নেয়ে একসা হন। মেয়েরাও তাই আপনাকে এড়িয়েই চলে।

২. কোনও মেয়ে আপনার সঙ্গে একটু হেসে কথা বললেই আপনি ভেবে বসেন, সে নির্ঘাৎ আপনার প্রেমে পড়ে গিয়েছে। কিন্তু আদপে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কেসটা তেমন নয়। ফলে আপনি যদি প্রেম-গদগদ হয়ে তার সঙ্গে মেলামেশা করতে শুরু করেন, তাহলে সে স্বভাবতই বিরক্ত হবে।

৩. আপনি ভয়ানকভাবে পৌরুষের অহঙ্কারে ভোগেন। মেয়ে মানেই বোকা, ন্যাকা— এমনটাই ধারণা আপনার। এবং আপনার কথাবার্তা আচার-আচরণে সেই মানসিকতা প্রকাশও পেয়ে থাকে। স্বভাবতই মেয়েরা আপনাকে এড়িয়ে চলে।

৪. আপনার রসবোধ খুব খারাপ। কোনও মেয়ের সঙ্গে কী ধরনের রসিকতা করা উচিৎ, সেই জ্ঞান আপনার একেবারেই নেই। আপনি যদি এমন কোনও রসিকতা করেন যা অশালীন, কিংবা মেয়েদের পক্ষে অপমানজনক, তা হলে মেয়েরা আপনাকে অপছন্দ করবেই।

৫. আপনি জানেন না কোথায় থামতে হবে। কোনও মেয়ে কখন আপনাকে এড়িয়ে যেতে চাইছে, কখন সে চাইছে একা থাকতে তা তো কোনও মেয়ে আপনাকে স্পষ্ট করে বলবে না, বরং তার আচরণ থেকে এটা আপনাকে নিজেকেই বুঝে নিতে হবে। তা যদি না বোঝেন, তাহলে যে কোনও মেয়ের কাছে আপনি বিরক্তির কারণ হয়ে উঠবেন।

৬. আপনি সব সময়েই একজন প্রেমিকা জোটানোর জন্যে হন্যে হয়ে ঘুরছেন। ফলে যে কোনও মেয়ের সঙ্গেই আলাপ হোক না কেন, আপনি সেই মেয়েকে নিজের প্রেমিকা করে তোলার জন্য একেবারে উঠেপড়ে লাগেন। মেয়েটির পক্ষে এটি খুব অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা কিন্তু।

৭. আপনি নোংরা এবং অগোছালো স্বভাবের। খুব বিরল কিছু মেয়ে বাদে সাধারণভাবে মেয়েরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পুরুষদেরই পছন্দ করে। কাজেই আপনি যদি নোংরা জামা, এলোমেলো চুল, কিংবা গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ে নারীসঙ্গ করতে যান, তা হলে মেয়েরা আপনার থেকে দূরে সরে যাবে— এটাই স্বাভাবিক।
Share:

সুদর্শন পুরুষ হওয়ার উপায়?


  সুদর্শন পুরুষ হওয়ার উপায়?
সুদর্শন পুরুষ হওয়ার উপায়?

সুদর্শন একজন পুরুষ আশেপাশের মানুষের কাছে সহজেই পছন্দনীয় হয়ে ওঠে৷ এমনটিই বলছেন একজন জার্মান বিশেষজ্ঞ৷ তাই তিনি পুরুষদের আকর্ষণীয় হয়ে ওঠার কিছু টিপসও দিয়েছেন৷

ক্রিম: পুরুষদের ত্বকও কিন্তু শুষ্ক হতে পারে, যা মাঝে মাঝে লাল হয় বা চুলকায়৷ ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে এরকম ত্বকের জন্য ইউরিক অ্যাসিড বা দুধযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করা উচিত৷ আর হ্যাঁ, পুরুষদের জন্য তৈরি ক্রিম ব্যবহার করাই ভালো৷ কারণ, সেগুলোতে সাধারণত মেয়েলি বা ফুলের গন্ধ কম থাকে৷ পুরুষকে তো মেয়েরা পুরুষের মতোই দেখতে চায়, তাই না?

আই ভ্রু: আই ভ্রু যখন এলোমেলোভাবে বেড়ে ওঠে তখন যে শুধু মেয়েদেরই দেখতে খারাপ লাগে, তা নয় কিন্তু৷ তাই বিউটিশিয়ানের পরামর্শ, মেয়েদের মতো অতটা নিয়মিত না হলেও, কিছুদিন পরপর আই ভ্রু ঠিকঠাক করে রাখা উচিত বলে জানান রোজিটা বাজটেক৷

চুলের যত্ন: ভাল মানের শ্যাম্পু দিয়ে নিয়মিত চুল ধু’তে হবে৷ চুলে খুসকি হলে , তার উপযুক্ত বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন৷ বাড়তি কোনো কিছু ব্যবহারের প্রয়োজন নেই৷ শ্যাম্পু করার পর হেয়ার ড্রায়ারের হালকা তাপে চুল শুকিয়ে নিয়ে আচড়িয়ে ফেলুন৷ ব্যাস, পরিচ্ছন্ন দেখানোর বড় কাজটি কিন্তু হয়ে গেল!
চোখের ঘুম ভাঙাতে...
সকালে চোখের ফোলাভাব কমাতে চোখের ওপর ঠান্ডা চোখের জেল ব্যবহার করতে পারেন৷ তাছাড়া চা পান করার পর টি-ব্যাগটি রাতে ফ্রিজে রেখে দিন৷ আর সকালে সেই ঠান্ডা কালো চায়ের ব্যাগটি কিছুক্ষণ চোখের আশেপাশে বুলিয়ে নিলেও ফোলাভাব কমে যাবে৷

ত্বকের যত্ন: আমরা প্রথমেই তাকাই মানুষের মুখের দিকে৷ আর সেজন্য ত্বকের যত্ন জরুরি৷ পুরুষদের ত্বক সাধারণত একটু মোটা আর তেলতেলে হয়৷ তাই দিনে দু’বার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিস্কার করে ফেসওয়াটার লাগিয়ে নিন৷ মাসে অন্তত দু’বার মুখে পিলিং বা স্ক্রাব ব্যবহার করাই যথেষ্ট৷
আরও পড়ুন: কোন বয়সে পুরুষরা হয়ে উঠে সবচেয়ে বেশি বিরক্তিকর?
দাড়ি ছাঁটা

ক্লিনশেভ: পুরুষই ছিল সৌন্দর্যের প্রতীক৷ দিন পাল্টেছে৷ এখন তিন দিনের দাড়ি কিংবা পুরো দাড়ি রাখাটাই যেন ফ্যাশন৷ তাই দাড়ি রাখলে সবসময় সুন্দর করে ছেঁটে রাখুন৷ তা না হলে যত ফিটফাটই থাকুন না কেন,এলোমেলো লাগবে৷

পারফিউম: পুরুষের শরীরের গন্ধ নাকি নারীকে ‘উত্তেজিত’ করে তোলে- এমন একটা প্রবাদ প্রচলিত থাকলেও আজকের যুগে তা অচল’’, বলেন জার্মানির মিউনিখ শহরের বিউটিশিয়ান রোজিটা বাজটেক৷ তিনি মনে করেন, বরং ডিওডোরেন্ট বা পারফিউম পুরুষদের শরীরের অপ্রীতিকর গন্ধকে দূরে ঠেলে দেয়৷ তবে সুগন্ধি ব্যবহার করলেও তা যেন অতিরিক্ত গন্ধযুক্ত না হয়, কারণ, সুগন্ধির মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তিত্বেরও খানিকটা আঁচ পাওয়া যায়৷
হাতের নখ

অনেক ছেলেই হাতের নখের একদম যত্ন নেয় না৷ অথচ হাতের নখ সুন্দর করে কেটে, পরিস্কার করে খানিকটা হ্যান্ড ক্রিম লাগালেই হয়ে যায়৷ শুধু লক্ষ্য রাখতে হবে, হাতের ত্বক যেন শুষ্ক না থাকে৷ আপনার সঙ্গিনী যেন হাত ধরে আবার সাথে সাথেই ছেড়ে দিতে না চায়৷
পরিচ্ছন্ন থাকুন, নিজেকে সুস্থ রাখুন

দেখতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন একজন পুরুষ শুধু অন্যদের আকর্ষণই করে না, সেই পুরুষ নিজেও তখন শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ বোধ করে৷
Share:

জেনে নিন ডিভোর্সের পর মেয়েরা একা থাকতে পারে না কেন ?

 জেনে নিন ডিভোর্সের পর মেয়েরা একা থাকতে পারে না কেন ?

ডিভোর্সের পর মেয়েরা একা থাকতে পারে না, এই ধারণাটি কতটুকু সত্যি?

হ্যাঁ, ঠিক এই প্রশ্নটিই আমি করেছিলাম আমার পরিচিত-অপরিচিত অসংখ্য মানুষকে। আমাদের সমাজের অত্যন্ত প্রচলিত একটি ধারণা হচ্ছে- “ডিভোর্সের পর মেয়েরা একা থাকতে পারে না!” শুধু ধারণা হয়, বলা যায় বদ্ধমুল ধারণা। এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও অসংখ্য মেয়ে এই ধারণাটির কারণে সম্পূর্ণ জীবনটি কাটিয়ে দেন কষ্ট আর হতাশায়।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ধারণাটি কতটুকু সত্যি? বা এই ধারণাটা নিয়ে কী ভাবেন বর্তমানের নারী-পুরুষ?

যাদের কখনো ডিভোর্স হয়নি বা খুব কাছের কারো ডিভোর্স দেখা হয়নি… তাঁরা হয়তো কখনোই বুঝতে পারবেন না মূল অবস্থাটি। কিন্তু যারা গিয়েছেন বা এখনও যাচ্ছেন এই পরিস্থিতির মাঝ দিয়ে? হ্যাঁ, একমাত্র তারাই বলতে পারবেন যে সত্যিকারের পরিস্থিতিতি কেমন। আর তাই আমার প্রশ্নটি ছিল এমন কয়েকজন নারীর কাছে, যিনি ডিভোর্স পরবর্তী সময়টি মোকাবেলা করেছেন বা খুব কাছের কারো ডিভোর্স দেখেছেন। আমি জানতে চেয়েছিলাম এই ব্যাপারে তিনি কী মনে করেন, জানতে চেয়েছিলাম তাঁদের জীবনের ঝড়ঝাপটা গুলোর কথা। কী জবাব মিল? তাঁদের মন্তব্যগুলো নাহয় হুবহু-ই তুলে দিচ্ছি পাঠকের জন্য। বাকিটা পাঠক নিজ বিবেক দিয়ে বিবেচনা করবেন।

কাজী নাজিয়া মুশতারী (৩০)
নারী উদ্যোক্তা , রাজশাহী।
আমি থাকি আম্মুর সাথে.. সেরকমভাবে কোন সমস্যায় পড়িনি, বিকজ অফ আমার ভয়াবহ অ্যারোগেন্ট ইমেজের জন্য। এবং এটা আমি নিজেই বানিয়েছি। আমার ডিভোর্স হয়ে গেছে আমি অচ্ছুত হয়ে গেছি, আমার কেউ নাই- এরকম লুতুপুতু ইমেজ বানালে যে কেউ বিরক্ত করতে আসবে। আর সবচে মজার বিষয় হচ্ছে আমার ব্যাপারটা থানা পুলিশ জেল অব্দি গড়িয়েছিল, কিছুটা হলেও শাস্তি দিতে পেরেছিলাম, তাই সবাই এই ভয়টাও পায় কীভাবে লাল দালানে চালান দিতে হয় সেটা আমি জানি, তাই আমাকে না ঘাটানোই ভাল। আর একা থাকার আরেকটা বিষয় নিয়ে সমস্যা হয় সেটা হলো বাসাভাড়া কেউ দিতে চায়না, আবার বাচ্চার স্কুলে অন্য মহিলাদের অযথা কৌতুহল এবং সব সময় নিজেকে একটু সাবধানে রাখতে হয় যাতে কেউ গুজব রটাতে না পারে। তবে এগুলাও মেন্টেন করা যায়। আমরা কেউ ছোট বাচ্চা তো না যে নিজের অসুবিধা বুঝবোনা। একা থাকার সবচে বড় শর্ত হচ্ছে স্বাবলম্বী হওয়া, স্বাবলম্বী যে কেউ একা থাকতে পারে। কারো অনুগ্রহে বা অধীনে বাঁচতে গেলেই একা থাকাটা আর হয়ে ওঠেনা।

সাবরিনা খান (৩৪)
ব্যাংকার, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা।
আমি ঠিক একা না। মা সাথে থাকে। দোকা থাকা অবস্থাই মা আমার সাথে থাকতো। তবে মা আমাকে আবার বিয়ে করতে আগ্রহী নই বলে ফ্ল্যাট কিনতে বলে। সে সহ সবাই ভয় দেখায় মা চিরজীবন থাকবে না, তখন আমার থাকার জায়গা থাকবেনা। আমি ভাবছি শুধু থাকার জায়গার জন্য কি বিয়ে করা লাগবে!

শাফিয়া (২৮)
গৃহিণী, মিরপুর
সমাজের মানুষ তো একা থাকলেও বলবে, দোকা থাকলেও বলবে। একা বা দোকা থাকা সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যাপার হওয়া উচিৎ। তবে সমাজের কথাটা একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো ও নয়। কারণ-
১. প্রতিটা মানুষেরই একজন সংগী লাগে। যে সুখে দু:খে পাশে থাকবে। মানছি মেয়েরা অনেক স্ট্রং, তারপরও, লাগে কিন্তু একজনকে। শারীরিক মানসিক চাহিদা পূরণের জন্য। অনেকেই হয়তো শারীরিক চাহিদা উপেক্ষা করে থাকতে পারে (রেশিওটা অনেক কম কারণ শারীরিক সম্পর্ক একবার হলে সেটাকে অগ্রাহ্য করাটা টাফ), অনেকে না পারায় অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। আবার কেউ হয়তো মানসিক সাপোর্ট এর জন্যও একা থাকতে চায় না।
২. এই সমাজের মানুষই একা থাকতে দিবে না। একা মেয়ে সাবলেটে থাকলেও খারাপ, একা থাকে। আবার চাকরি খুঁজতে গেলেও আগে বিছানায় যাওয়ার প্রস্তাব পায়…. তো বেশিরভাগ মানুষই যেহেতু সুযোগ সন্ধানী তারা তো এভাবেই দেখবে যে একা মানেই একা না, নিশ্চয়ই তার অবৈধ সম্পর্ক আছে। এই বাঁকা চোখটা এড়িয়ে ফাইট করতে ফ্যামিলি সাপোর্ট লাগে যেটা অনেকেই পায়না।
৩. বেশিরভাগ পরিবারের কাছেই এখনো ডিভোর্সি মেয়ে মানেই বোঝা। তাকে যে কোন ধরনের সাপোর্ট দিতে তারা নারাজ।
বাট আমার নিজের যা মনে হয়েছিলো এবার তাই বলি। প্রতিটা মেয়েই নিজের একটা সংসারের স্বপ্ন দেখে। খুবই স্ট্রং একটা কারণে আমার প্রথম বিয়েটা টেকেনি। ৭ বছর চেষ্টা করেছি টেকানোর জন্য। বাট যেটা হওয়ার নয় সেটা হয়না। প্রথমে ভেবেছিলাম স্বাবলম্বী হই। বাট যেখানেই জবের জন্য যেতাম, আকারে ইংগিতে আমাকে বিছানায় শোয়ার আভাস দিতো। নিজের প্রতিই একসময় ঘেন্না লাগা শুরু হলো, যে আমারই নিশ্চয় কিছু একটা প্রবলেম, নাহলে সবাই এই নজরেই কেন দেখবে। তাই একা থাকার চিন্তা বাদ দিয়ে নতুন করে সংসার নিয়ে ভাবতে শুরু করেছিলাম কারণ বিয়ে ভাংগাতে তো আমার দোষ ছিলো না। স্বাভাবিক একটা জীবন চেয়েছিলাম। কারণ তখন হয়তো বয়স কম ছিলো। বাট একটা সময় বয়স বাড়বে। শেয়ারিং কেয়ারিং এর জন্য হলেও জীবনে কাউকে প্রয়োজন। ছোট ছোট স্বপ্ন পূরণের স্বাদ শেয়ার করার জন্য হলেও কাউকে প্রয়োজন। আর আমাদের ধর্মেও কোথাও লেখা নেই যে ডিভোর্স হলে আর বিয়ে শাদি করা যাবে না। বরং সংসারের তাগিদই দেয়া আছে। ব্যক্তির সর্ব প্রকার শান্তির জন্যই আমার মনে হয় একা থাকাটা ঠিক নয়। তবে সবারই এমনটা মনে হবে তা নয়, কারো সাপোর্ট পাইনি তাই হয়তো এমন মনে হয়েছে, ফ্যামিলি সাপোর্ট পেলে হয়তো অন্যরকম ভাবতাম। আসলে যার যার ভাবনা তার তার কাছে যেটা ডিপেন্ড করে সিচুয়েশন এর উপর।

নাজমুন নাহার (২৮)
সেন্ট্রাল হসপিটাল
ব্রাক্ষনবাড়ীয়া।
নিজের সমস্যাটাই বলি, সাত বছর সংসার করার পর হ্যাজবেন্ডের সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম এবং পারিবারিক কুটনীতির চালে ডিভোর্স হয়ে যায়। দুবছর একা আছি, প্রাইভেট হসপিটালে জব করি। সমাজ পারিবারিক অবস্থানের কারণে একা থাকা সম্ভবনা পারিবারিক সাপোর্ট কখনোই পাইনি। বরং পরিবার এবং আশপাশ থেকে শুনতে হয় মা-বাবা চিরদিন থাকে না, আবার নতুন করে চিন্তা কর, ভাইবোনরা সবসময় দেখবে না, তাছাড়া সমাজ কি বলবে? আমার প্রশ্ন কেন? সমাজ কি আলাদা কিছু, সমাজ তো আমরাই তৈরী করি। ভাইদের সংসার হবে, বোনের বিয়ে হবে, ঘরে ডিভোর্সী বোন থাকলে সমস্যা- এই ধারণা সমাজে পরিবারে কি আমরা ছড়িয়ে দিচ্ছিনা? হ্যাঁ, দিনশেষে নিজেকে একা লাগে মনে হয় পাশে কাউকে দরকার এই দরকারটা কি শুধু সামাজিক পরিচিতির জন্য নাকি নিজের ভাল থাকার জন্য? সমাজের জন্য রিলেটিভদের জন্য তো সাত বছর নিজেকে সুখী কাপল সাজিয়েছি তাতে নিজে কতটুকু হ্যাপি হয়েছি… দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো। প্রাচুর্য না থাকুক আত্মতৃপ্তি মানসিক শান্তি তো মেলে। আতংকিত জীবন থেকে মুক্তি। হ্যাঁ, এটা সত্যি পারিপার্শ্বিক সব অবস্থা চিন্তা করে একা থাকাটা এই সমাজে নিরাপদ না। ধন্যবাদ আপু।

রোদসী জামান
সরকারি সাদত কলেজ,টাঙ্গাইল।
ডিভোর্সী মেয়েদের আমাদের সমাজ ভাল চোখে দেখে না, আপু। এমনকি আত্নীয় সজন ও প্রতিবেশীদের কথা জীবন অতিষ্ট করে দেয়।প্রায় আড়াই বছর হল ডিভোর্সের এখনও শুনতে হয় আর একটু সহ্য করে গেলেই নাকি পারতাম।কিন্তু আমি জানি ওটা আমার জীবনের সব থেকে ভাল সিদ্ধান্ত ছিল।আর একা থাকা না থাকা যার যার ব্যক্তিগত বিষয়।তুমি যদি মুভ অন করতে রেডি থাকো আর এমন কাউকে খুঁজে পাও যে তোমাকে বুঝে,তোমাকে সন্মান করে তাহলে কেন তার সাথে থাকবে না?
Share:

আপনার ভালবাসা ব্রেকআপ হওয়ার পর যে ভাবে চলাচল করবেন।

 আপনার ভালবাসা ব্রেকআপ হওয়ার পর যে ভাবে চলাচল করবেন।

আপনার ভালবাসা ব্রেকআপ হওয়ার পর যে ভাবে চলাচল করবেন।

রিলেশনশিপ জিনিসটা অনেক পাওয়ারফুল একটা জিনিস। এটার ফলে আমাদের লাইফে অনেক প্রভাব পড়ে। আপনি হয়তো কাওকে অনেক বেশি বিশ্বাস করেন। বাট, কোনো এক সময়, কোনো এক কারনে সে আপনাকে অবহেলা করে চলে গেলো। এতে অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েরা অনেক বেশি ভেঙ্গে পড়ে, এমনকি সে ছেলেটার প্রতি হিংসায় জ্বলে-পুড়ে যায়। আবার অনেকে বিষয়টাকে অনেক সিম্পলি নিলেও মনে মনে অনেক কস্ট পায়। একেক জনে একেক ধরনের ব্যবহার করলেও, সবাই কিন্তু কস্ট পায়। এটা তাদের অনেক পেইন দেয়। এরকম মূহুর্তে আপনি করবেন? আজকে আমি কয়েকটা বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরবো-
আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে- এই সময় আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবেন। জীবনটা আপনার। সো, সিদ্ধান্তটাও আপনাকেই নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার জন্য কয়েটি পথ খোলা রয়েছে। প্রথমত, আপনি কান্না শুরু করে দিতে পারেন, আর আল্লাহর কাছে এই বলে দোয়া করতে পারেন যে, হায় আল্লাহ, এইটা আমার কি ক্ষতি করলে তুমি ? আর ছেলেটির জন্য অমংগল কামনা করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করতে পারেন এই বলে যে, তোমার অনেক রহমত আল্লাহ। তুমি এমন এক ছেলেকে আমার জীবন থেকে সরিয়ে দিয়েছো, যে কিনা আমাকে একটুও ভালোবাসে না।
ধুরে কোথাও ঘুরতে চলে যান- সম্প্রতি যদি কারো সাথে আপনার ব্রেক-আপ হয়ে থাকে তাহলে আপনার মুডটাকে ফ্রেশ করার জন্য এই কাজটা করতে পারেন। এতে আপনার মন শুধু ভালো হবেনা, বরং আপনার মাথায় ঘুরতে থাকা ভুত-পেত গুলাও বের হয়ে। এতে মানসিকভাবে আপনি অনেক বেশি শক্ত হয়ে যাবেন।
সৃষ্টিকর্তার উপড় ভরসা রাখুন- একটা কথা মনে রাখবেন, আমরা যা কিছু করি, যা কিছু হয় আমাদের সাথে তার সবই আমাদের সৃষ্টিকর্তা জানেন এবং উনার ইচ্ছাতেই সবকিছু হয়। আপনার সাথে খারাপ কিছু হলেই এতোসহজে ভেঙ্গে পরার কোনো মানে নেই। ধৈর্য ধরুন, আর আল্লাহকে স্মরন করুন। কারন সবাই আপনাকে হতাশ করলেও একজন করবে না। উনি হলেন, আমাদের সৃষ্টিকর্তা।
সাহস রাখুন- আপনার সাহসীকতায় আপনাকে টিকেয়ে রাখবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটা একটা পরিক্ষা মাত্র। আর আপনি কি সাহসীকতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ভয় পাইতেছেন? এইটুকু সাহস না থাকলে আপনার জীবনের কোনো মূল্যই নাই। কেও অকারনে আপনাকে কিছু করে চলে যাবে আর আপনি চুপ করে বসে থাকবেন? এটা হতে পারেনা।
আপনার ভালোবাসাকে টিকিয়ে রাখুন
Share:

বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে কি বুঝায়?আসল ঘটনা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন।

বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে কি বুঝায়?আসল ঘটনা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন।

 বাসর রাতে বিড়াল মারা বলতে কি বুঝায়?আসল ঘটনা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন।

চলুন, আগে বিড়াল মারার কাহিনীটা শুনা যাক। একদা বাগদাদের বাদশাহ এর ছিল দুইজন কন্যা। এই দুই রাজকন্যা ছাড়া তার ছিলনা কোন রাজপুত্র। রাজকন্যা দুজন ছিল বাদশা এর অনেক অনেক আদরের।
সবসময় দুই রাজ কন্যার জন্যে দশ পনেরো জন দাসী প্রস্তুত থাকতো। কখন কোনো রাজকন্যার কি দরকার হবে আর তারা হুকুম পালন করবে। দুই রাজকন্যারই একটা করে বিড়াল ছিলো।
বিড়াল দুটো ছিলো তাদের সবসময় এর সাথী। তারা খেতে বসলে এমনকি ঘুমাতে গেলেও ঐ বিড়াল দুটো সাথে সাথে থাকত। তো দেখতে দেখতে দুই রাজকন্যাই একসময় বড় হয়ে গেলো।
তারা বিবাহ উপযুগি হয়ে গেলো। তারপর বাদশাহ এর চিন্তা বাড়তে লাগল, কারন এই দুই রাজকন্যার জামাইদের উপরেই তার এই বিশাল রাজ্যের দায়িত্ত দিয়ে যেতে হবে।
সুতারাং এমন যোগ্য দুজন ছেলে খুজে বের করতে হবে। যারা এই গুরু দায়িত্ব ভালো ভাবে পালন করতে পারবে।
সারা রাজ্যে অনেক খোজাখুজি করে এমন দুইভাই পাওয়া গেলো যাদের কাছে রাজকন্যাদের বিয়ে দেয়া যায় বলে বাদশাহ এর মনে হল। তারপর অনেক ধুমধাম করে বিয়ে হল দুই রাজকন্যার একসাথে।
অতঃপর বাদশাহ দুই মেয়ে জামাইকে সমান ভাবে রাজ্যের দায়িত্য ভাগ করে দিলেন। এরপর দুই ভাই রাজ্য চালনা নিয়ে অনেক ব্যাস্ত হয়ে পরলো। দুইজনের অনেক দিন দেখা সাক্ষাত নেই।
হঠাত করেই রাজ্যের একটা বড় অনুষ্ঠানে দুই ভাই এর দেখা হয়ে গেলো। তারপর দুইজনই আবেগে আপ্লুত হয়ে পরলো এতদিন পরে ভাইএর সাথে দেখা এই জন্যে।
তারপর অনেক কথায় কথায় ছোট ভাই জিজ্ঞাসা করলো তাদের বৌ মানে রাজকন্যাদের কথা। তখন বড় ভাই বলল হুম, বড় রাজকন্যা তাকে অনেক সমীহ করে চলে।
তার কোন কাজই করা লাগে না। ইত্যাদি ইত্যাদি। এইসব শুনে ছোটভাই বলল ছোট রাজকন্যা তার কোন যত্নই করে না। সবসময় রাগা রাগি করে এমনকি মাঝে মাঝে গায়েও হাত তুলে।
তখন বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করল কিভাবে রাজকন্যাকে বশ করল? তখন বড় ভাই বলল, রাজকন্যার বিড়ালের কথা।ছোট ভাই বলল হ্যাঁ ওই বিড়ালকে তো আমার চাইতেও বেশি যত্নে রাখে।
বড়ভাই বলল, হ্যাঁ, প্রথম দিন বাসর রাতে ঘরে ঢুকেই আমি একটা তরবারি দিয়ে ওই বিড়ালের ওপরে দিলাম এক কোপ। ব্যাস একবারে দুইভাগ।
এই ঘটনায় বড় রাজকন্যা ভাবলো আমি মনেহয় অনেক বড় কোন বীর, এরপর থেকেই সে আমাকে অনেক সমীহ করে চলে। তো এই কথা শুনে ছোটভাই মনে মনে ভাবলো ঠিক আছে আজকে বাড়ী ফিরেই বিড়ালের জীবন নাশ করা লাগবে।
তারপরে আবার অনেকদিন পরে দুই ভাই এর দেখা। এবার ছোট ভাইএর শরীরে অনেক কাটা দাগ। বড়ভাই জিজ্ঞাসা করলো কি খবর কোন যুদ্ধে আহত হয়েছিলে নাকি?
ছোটভাই বলল, না ভাই তোমার ঘটনা শুনে আমি ওইদিন বাসায় গিয়ে তরবারি নিয়ে এক কোপে বিড়ালটাকে দুইভাগ করে দিলাম।
কিন্তু আমার বেলায় ঘটনা উলটো হল।আমাকে এর শাস্তি সরূপ একমাস কারাবন্দি আর অত্যাচার ভোগ করা লাগলো। তখন বড়ভাই বলল, বিড়াল বাসর রাতেই মারতে হয়, পরে মারলে কোন লাভ নাই।
প্রকৃতপক্ষে বাসর রাতে বিড়াল মেরে কিছু হয়না। এগুলো শুধুই গল্প কথা…. এর সাথে ইসলামের দূরতমও কোন সম্পর্ক নেই।
এ ধরনের অহেতুক কুসংস্কার থেকে আমাদের বেঁচে থাকা উচিৎ। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন। আমীন!
Share:

মেয়েটি আপনার প্রেমে পড়েছে কিনা বোঝার সহজ উপায়!


  মেয়েটি আপনার প্রেমে পড়েছে কিনা বোঝার সহজ উপায়!
মেয়েটি আপনার প্রেমে পড়েছে কিনা বোঝার সহজ উপায়!

 যা দেখে বুঝতে পারবেন মেয়েটিও আপনার প্রেমে পড়েছে।
জেনে নিন সেই লক্ষণগুলো কি কি-
১. আপনার শত্রু মানে তারও শত্রু। যখন কোনো কারণ ছাড়াই আপনার শত্রুকে মেয়েটিও অপছন্দ করতে শুরু করে, যখন দেখবেন, শুধু আপনি তাকে পছন্দ করেন না বলে সেও তাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে, তখন বুঝবেন ঠিক সে আপনার প্রেমে পড়েছে।
২. আপনি খুব সাধারণ কিছু একটা করলেও মেয়েটি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ে। এমনকি ইচ্ছে করেই সে তার আবেগ আপনার প্রতি প্রকাশ করে, যাতে আপনি বুঝতে পারেন আপনার প্রতি সে কতটা দুর্বল।
৩. প্রথম কবে দেখা হয়েছে, প্রথম দুজনে কী কথা বলেছেন সবগুলোই তার মনে আছে। আর এগুলো সে বারবারই আপনার সঙ্গে বলতে থাকে। এমনকি আপনার দেওয়া প্রথম কোনো উপহার সে এখনো যত্ন করে রেখেছে। এগুলো থেকেই বোঝা যায় মেয়েটি আপনাকে কতটা ভালোবাসে।
৪. আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ার কোনো সুযোগই মেয়েটি হাতছাড়া করতে চায় না। যত ঝামেলাই থাকুক না কেন ঠিক সে কোনো না কোনো উপায় খুঁজে বের করে। আর মেয়েটিও চায় আপনি ঠিক এমনটাই করেন।
৫. যত সমস্যাই হোক না কেন সবার আগে মেয়েটি আপনাকে বলার চেষ্টা করে। হয়তো আপনি কোনো সমাধানই দিতে পারেন না, তবুও সে আপনাকে বলে শান্তি পায়।
৬. আপনি ফোন ধরতে দেরি করলে কিংবা ম্যাসেজ করতে দেরি করলে মেয়েটি যদি অস্থির হয়ে নিজেই ফোন করে বসে কিংবা একের পর এক ম্যাসেজ দিয়েই যায় তাহলে বুঝে নিবেন সে আপনার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে।
৭. মেয়েটি কেমন জীবনসঙ্গী চায় সেই বিষয়গুলো যদি বারবারই আপনাকে বলে এবং আপনার কাছ থেকে কোনো উত্তর সে আশা করে তাহলে বুঝবেন সে আপনাকে বোঝাতে চাচ্ছে যে, তার আপনার মতোই সঙ্গী প্রয়োজন।
৮. অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বললে কিংবা কোনো মেয়ের বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করলে মেয়েটি খুবই বিরক্ত হয়। আর সে চায় আপনি যেন বুঝতে পারেন সে এগুলো পছন্দ করে না।
৯. আপনি অনেক আনন্দে থাকলেও মেয়েটি বুঝতে পারে আবার খুব কষ্টে থাকলেও সে বুঝতে পারে। আপনার সব আচরণ মেয়েটি যখন আয়ত্ব করে ফেলছে, আর আপনিও তার কাছে কিছু লুকিয়ে রাখতে পারছেন না, বুঝবেন সে প্রেমে পড়েছে।
১০. মেয়েটি আপনার সম্বন্ধে সবই জানে। আপনার কী ভালো লাগে, কী অপছন্দ, কোন খাবার পছন্দ, কিসে বিরক্ত হন সবই সে জানে। এটাই তার প্রেমে পড়ার অনেক বড় একটা লক্ষণ।
Share:

মেয়েদের সবচেয়ে সহজ উপায়ে দুর্বল করার কৌশল ?The easiest way to weaken girls?

 The easiest way to weaken girls?

মেয়েদের সবচেয়ে  সহজ উপায়ে দুর্বল করার কৌশল ?

ঘাড়ের পিছন দিকে:মেয়েদের শরীরে এটাই সবচেয়ে সেক্সুয়ালি টার্নিং অন এরিয়া। ছেলেরা কিন্তু অনেকসময় এই অংশটা এড়িয়ে যায়। কিন্তু শুধু এখানে স্পর্শ করেও একজন মহিলাকে দ্রুত উত্তেজিত সম্ভব। একজন মেয়ে যখন সামান্য টার্ন অন থাকে তখন তার পিছন দিকের চুল সরিয়ে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন। আস্তে আস্তে কিস করুন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী পাগল হয়ে যাবে।
সামান্য লিক করুন, সুড়সুড়ি দিন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন।

কান: কানে হালকা স্পর্শ, চুম্বন অনেক বেশি ‘সেক্সুয়ালি অ্যাট্রাক্টেড’ করে দেয় মেয়েদের। কানের উপর আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ফেললে পাগল হয়ে পড়বে আপনার সঙ্গিনী। হালকা কামড় দিতে পারেন কানের লতিতে।

উরু বা থাই: মেয়েদের দ্রুত উত্তেজিত করত তিন নম্বরটির পয়েন্টটির জুড়ি মেলা ভার। সঙ্গিনীর উরুর সফট স্পটে স্পর্শ করুন। দেখবেন সে কি করে।

হাতের তালু ও পায়ের পাতা: হাত দিয়ে প্রতি মুহূর্ত স্পর্শ করছেন, কিন্তু তার হাতেই যে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সেক্সুয়াল ফিলিংস। সঙ্গিনীর হাতের উপর নিজের আঙুলগুলি বোলাতে থাকুন, সুড়সুড়ি দিন। এটিই যেন তাঁকে পরবর্তী সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটিরই মেসেজ দেবে। দেখবেন সেও সাড়া দেবে। টার্ন অন করবে আপনার সঙ্গিনীকে।

পা: মহিলাদের দ্রুত উত্তেজিত করতে পায়ে হাত বুলিয়ে সুড়সুড়ি দিলে অনেকেই বেশ মজা পায়। তবে কিছু মেয়ের এটি পছন্দ নয়। জিজ্ঞেস করে নিন আপনার সঙ্গিনীকেই।

পিঠ: পিঠ, বিশেষ করে পিঠের নিচে, কোমরের দিকের অংশটাতে স্পর্শ ও আদর চায় মেয়েরা। মেরুদন্ড বরাবর চুমু দিতে দিতে নিচে নেমে যান। তাঁর সেক্স করার মুড আরও
কলার বোন: একটি মেয়েকে দ্রুত উত্তেজিত করতে তাঁর ব্রেস্টের দিকে যাওয়ার আগে, তার গলার নিচে, কলার বোনের দিকে নজর দিন। এতে সে বুঝবে আপনি কতটা চান আপনার সঙ্গিনীকে।
Share:

The "ingenuity" is the discovery of the "pleasure" of women

 The "ingenuity" is the discovery of the "pleasure" of women


“ভুল করে” আবিষ্কৃত হলো নারীদের “আনন্দের” যে উপকরণ


দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক উদ্ভাবন আমরা ব্যবহার করি যা কিনা ভুল করে বা দুর্ঘটনাবশত আবিষ্কৃত হয়েছিল। এমন ভুল করে তৈরি করা উদ্ভাবনের মাঝে যুক্ত হলো আরেকটি জিনিস। “ভ্যাজাইনাল প্রেশার ইনডিউসার” তৈরি করা হয়েছিল যৌনাঙ্গে ব্যথা এবং যৌন উত্তেজনার মাঝে সম্পর্ক আছে কিনা তা দেখা জন্য। এর পাশাপাশি এটাও দেখার জন্য যে নারীরা ভ্যাজাইনাল প্রেশার এবং পেইনের প্রতি সহ্যক্ষমতা তৈরি করতে পারেন কিনা। কিন্তু গবেষণা চলাকালীন সময়ে দেখা যায়, এই ডিভাইসটি নারীদের যৌনতৃপ্তি দিতে সক্ষম।
জার্নাল অফ সেক্স অ্যান্ড ম্যারিটাল থেরাপিতে বর্ণনা করা হয়, এই ডিভাইসে থাকে একটি বেলুন যা যোনিতে প্রবেশ করানো হয় এবং এরপর শরীরের তাপমাত্রার পানি দিয়ে একে ফুলিয়ে তোলা হয়, যাতে ভ্যাজাইনাল ওয়ালে চাপ পড়ে। ৪২ জন সুস্থ, গড়ে ২৪ বছর বয়সী নারীর ওপর এই পরীক্ষা করা হয়। তাদের শরীরে এই ডিভাইস প্রবেশ করানোর পর তা ফুলিয়ে তোলা হয়। এর চাপ অস্বস্তিকর মনে হলে একটি বোতাম টিপলে তা আবার পূর্বের অবস্থায় চলে যায়।
“ভ্যাজাইনাল প্রেশার ইনডিউসার”
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদেরকে বেশকিছু ফিল্ম দেখতে দেওয়া হয়। এর মাঝে কিছু ছিলো পর্নোগ্রাফিক, কিছু ছিল খুবই সাধারণ ফিল্ম। নারীরা জানান, পর্নোগ্রাফিক মুভি দেখার সময়ে এই ডিভাইসের চাপ তাদের মাঝে বেশি পরিমানে যৌনতৃপ্তি তৈরি করে।
যৌনক্রিয়ার সময়ে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী ব্যথা পান বলে দেখা যায়। অন্যদিকে মাত্র ৭ শতাংশ পুরুষে তা দেখা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর নাম হলো ডিসপ্যারেউনিয়া, শারীরিক এবং মানসিক বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে এর পেছনে। এই ব্যাপারটাই মূলত গবেষণাটির কেন্দ্র। যদিও গবেষণা থেকে অপ্রত্যাশিত কিছু ফলাফল পাওয়া গেছে, কিন্তু এটা সন্দেহাতিতভাবে বলা যায় যে যৌনক্রিয়ার সময়ে ব্যথার ব্যাপারে গবেষকদের আরো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে তা।
Share:

যেসব দেশ গুলো অবৈধ সম্পর্কে শীর্ষে(The countries which are top of the list are illegal)


 The countries which are top of the list are illegal
যেসব দেশ গুলো অবৈধ সম্পর্কে শীর্ষে
সমীক্ষার শীর্ষ দশে যুক্তরাষ্ট্রের স্থান না হওয়া বিষয়ে রিচেস্ট ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে মানব ক্লোনিং, আত্মহত্যা ও বহুগামিতার চেয়েও খারাপ মনে করেন। তাই যুক্তরাষ্ট্রে একে বলা হয় প্রতারণা। অবৈধ সম্পর্কের তালিকা নিম্নক্রম অনুসারে শীর্ষ দশটি দেশের তালিকা ও তালিকায় স্থান হওয়ার কারণ দেওয়া হলো।
১০. ফিনল্যান্ড : ৩৬ শতাংশ: ২০১০ সালের পর থেকে ফিনল্যান্ডে বিবাহিতদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কের হার দ্রুত বাড়ছে। অনেকের মতে, ফিনল্যান্ডে অনেক সময় অবৈধ সম্পর্ককে অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখা হয়। অনেক সময় সামাজিকভাবেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ম্যাচ ডটকমের সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি পাঁচজন পুরুষের অন্তত একজনের সঙ্গে ১০ নারীর সম্পর্ক দেখা যায়। নারীদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কের হার এর চেয়েও বেশি।
৯. যুক্তরাজ্য : ৩৬ শতাংশ: যুক্তরাজ্যে অবৈধ সম্পর্কের হার ফিনল্যান্ডের সমান। তবে যুক্তরাজ্যবাসীর মধ্যে সম্পর্কের কারণে অনুশোচনা দেখা যায়। অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করা অর্ধেক ব্যক্তি এজন্য অনুশোচনায় ভোগেন। এই অনুশোচনা বোধের হার ফরাসিদের দ্বিগুণ। অনেকে মনে করেন, সমীক্ষায় রাজপরিবারকে যুক্ত হলে যুক্তরাজ্যের অবস্থান আরো ওপরে হতো।
৮. স্পেন : ৩৯ শতাংশ: ঐতিহ্যগতভাবেই স্পেনে ক্যাথলিক প্রভাব বেশি। তাই সামাজিকভাবে অবৈধ সম্পর্ককে খারাপ দৃষ্টিতেই দেখা হয়। তবে বিবাহবিচ্ছেদের হার এখানে ৬০ শতাংশ। বিচ্ছেদের আগেই অন্য সম্পর্কে যুক্ত হওয়ার কারণেই অবৈধ সম্পর্কের হার বেশি হতে পারে।
৭. বেলজিয়াম : ৪০ শতাংশ: বেলজিয়ামের সঙ্গে ফ্রান্সের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। মানুষের চিন্তাধারায়ও মিল পাওয়া যায়। দেশটিতে বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে অনলাইট ডেটিং সাইটের বেশ জনপ্রিয়তা দেখা যায়। দেশটির একটি শীর্ষ ডেটিং সাইটে এই সংখ্যা ১০ লাখ। অর্থাৎ, দেশের জনসংখ্যার ১০ শতাংশই অবৈধ সম্পর্কে যুক্ত।
৬. নরওয়ে : ৪১ শতাংশ: নরওয়ের আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের হার পরিবর্তন হয়। গ্রীষ্মকালে অনলাইনে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাহকের সংখ্যা ৭৮ শতাংশ বেড়ে যায়। কিন্তু শীতকালে নরওয়েবাসী অবৈধ সম্পর্কের চেয়ে নিজের বাড়িতে থাকাকেই প্রাধান্য দেন।
৫. ফ্রান্স : ৪৩ শতাংশ: বিশ্বের অনেক দেশেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে অতটা খারাপ ধরা হয় না। ফ্রান্সের কথাই ধরা যাক। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এক তরুণীর সম্পর্ক প্রকাশ পেলে বিশ্বজুড়েই তা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। তবে ফ্রান্সে বিষয়টি ততটা আলোচিত হয়নি। তবে ফ্রান্সের ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, এখানে ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’র মতো অতিমাত্রায় রগরগে চলচ্চিত্রকেও ১২ বছর বা তদূর্ধ্বদের জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করেছে।
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফরাসিদের প্রথম না হওয়াকে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। অধিকাংশ ফরাসি মনে করে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক থাকা খারাপ কিছু নয়। ৬৩ শতাংশ ফরাসি মনে করেন, সম্পর্কের বিষয়ে সৎ না থেকেও একজনকে ভালোবাসা সম্ভব। অবৈধ সম্পর্কের বিষয় স্বীকার করে অনুশোচনা করার হার মাত্র ২৮ শতাংশ।
৪. জার্মানি : ৪৫ শতাংশ: বিবাহিত সম্পর্ককে ফরাসিদের চেয়ে গুরুত্ব দেন জার্মানরা। তবে তাদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কের হারও বেশি। অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করা ৪০ শতাংশ পুরুষ এ জন্য অনুশোচনা করেন। জার্মান নারীদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ৪৩ শতাংশ।
৩. ইতালি : ৪৫ শতাংশ: ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রীই অবৈধ সম্পর্কের জন্য বিশ্বজুড়ে সমালোচিত। অষ্টাদশ শতাব্দীতে অবৈধ সম্পর্কের জন্য আলোচিত ক্যাসানোভা কাহিনীও ইতালিরই। সেই দেশের মানুষ বিশ্বতালিকায় বৈধ সম্পর্কে তৃতীয় হওয়া অতি অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু ইতালিতে বিবাহ বিচ্ছেদের হার বেশ কম। অর্থাৎ, অনেক ক্ষেত্রেই অবৈধ সম্পর্ককে সামাজিকভাবে মেনে নেওয়া হয়।
২. ডেনমার্ক : ৪৬ শতাংশ: দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপের বিবাহবহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল ডেনমার্কের কোপেনহেগেন। তবে, সম্প্রতি শহরটি এই গৌরব (?) হারিয়েছে। ডেনমার্কের অনলাইন ডেটিংয়ে বিবাহিত নারীদের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা গেছে।
১. থাইল্যান্ড : ৫৬ শতাংশ: থাইল্যান্ডের ব্যাংককে রেড লাইট ডিস্ট্রিক্টের (যৌনপল্লী) সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। দেশটির অর্থনীতির একটি বড় আয় আসে এই খাত থেকে। থাই বিবাহিত নারী-পুরুষের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার হার বিশ্বের সর্বোচ্চ ৫৬ শতাংশ। থাইল্যান্ডের অনেক সমাজে পুরুষের সঙ্গে স্ত্রী ব্যতীত সম্পর্ককে খারাপ চোখে দেখা হয় না। এ ছাড়া ধনীদের মধ্যে মিয়া নোয়িস নামক একটি প্রথার মাধ্যমে স্ত্রী ব্যতীত অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্ককে গ্রহণযোগ্য করা হয়েছে।
Share:

জেনে নিন কি করলে মেয়েরা কখনো ছেলেদের ভুলতে পারে না! Do not know what girls can never forget the boys!

 Do not know what girls can never forget the boys!

জেনে নিন কি করলে মেয়েরা কখনো ছেলেদের ভুলতে পারে না!

এই পরিবর্ততের সময় একজন নারীর জীবনে অনেক কিছুই ঘটে। তবে জীবনের সাতটি মুহূর্ত সে কখনই ভুলে না।তেমনই কিছু মুহূর্ত হলো—
ভালোবাসার মুহূর্তে একটি মেয়ে সবসময়ই চায় তার ভালোবাসার মানুষটি বাবার অনুরূপ হোক। যখন মেয়েটি দেখে ছেলেটির সব কিছু তার বাবার মতো তখন সে তার প্রেমে পড়ে যায়। আর ওই মুহূর্তই একটা মেয়ের জীবনে স্মরণীয়। তার সমস্ত
স্বপ্নজুড়ে থাকে ‘রাজকুমারটি’।
যেদিন প্রথম প্রস্তাব পায় একটি মেয়ে স্বাভাবিকভাবে যখন নারী হয়ে উঠে তখন তার স্বপ্ন দেখা শুরু হয় এক রাজকুমারকে ঘিরে। আর সেই রাজকুমারই যখন তাকে প্রথম ভালোবাসার কথা বলে সেই মুহূর্তটিই তার জীবনে স্মরণীয়। এটা তার জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।
কর্মজীবনে অগ্রগতির মুহূর্তে বাবা-মা মেয়েকে পড়াশোনা করিয়ে বড় করে তার সাফল্য দেখার আশায়। মেয়ের স্বাধীনতা ও আত্মনির্ভরশীলতা দেখে বাবা-মা খুশি হন। তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পেরে মেয়েও অনেক আনন্দিত হয়।
বিয়ের মুহূর্তটি চারদিকে বিয়ের সানাই বাজছে। হৃদয়ের একটা অংশকে অন্যের হাতে তুলে দিয়ে চোখের পানি ফেলছেন বাবা-মা। কিন্তু একটি মেয়ে সবসময়ই সুখী ও নিরাপদ জীবন চায় তার স্বামীর কাছে। একটি মেয়ে নতুন পরিবার ও নতুন পরিবেশে প্রবেশ করতে যাচ্ছে সেটি তার জীবনে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সময়।
প্রথম মা হওয়ার মুহূর্তটি গর্ভধারণ করা দশ মাস একটি মেয়ের জীবনে স্মরণীয় মাস। শিশুর জন্মের পর সে দ্বিতীয় জীবন পায়। এটাই তার জীবনে অবিস্মরণীয় একটি দিন। তখন থেকেই তার চিন্তা শুরু হয় কিভাবে তার সন্তানকে সকল প্রতিকূলতা থেকে দূরে রাখবে।
প্রথম মা ডাক একজন নারীর জীবনে সবচেয়ে স্মরণীয় একটি দিন। একজন নারী এই দিনটির জন্যই অপেক্ষায় থাকেন। তার কোলজুড়ে সন্তান আসবে। আর সে তাকে মা বলে ডাকবে।
Share:

শরীরের কোথায় তিল থাকলে কি হয়?জেনে নিন বিস্তারিত। If the body is sesame, then what?

 শরীরের কোথায় তিল থাকলে কি হয়?জেনে নিন বিস্তারিত।

শরীরের কোথায় তিল থাকলে কি হয়?জেনে নিন বিস্তারিত।

১.মাথায় তিল থাকলে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি হবে |
২.কপালে তিল থাকলে মহা ভাগ্যবান হবে |
৩.কপালের ডানপাশে তিল থাকলে সৌভাগ্যবান ও ধার্মিক হবে |
৪.একভ্রুতে তিল থাকলে বিদেশে চাকুরী হবে |
৫.দুই ভ্রুতে তিল থাকলে সুন্দরী স্ত্রী পাবে |
৬.ডান গালে তিল থাকলে ধনবান ও প্রসিদ্ধ হবে |
৭.বাম গালে তিল থাকলে দুঃখ,দুদর্শা,অভাবগ্রস্ত হবে |
৮.উপরের ওষ্ঠে তিল থাকলে সৌখিন ও বিলাসী হবে |
৯.যে কোন ওষ্ঠে তিল থাকলে লজ্জাশীল ও ধনী হবে |
১০.গ্রীবা দেশে তিল থাকলে অন্য লোকের হাতে মৃত্য হবে |
১১.স্কন্ধদেশে তিল থাকলে ধনী লোকের সাহায্যে সহযোগিতা পাবে |
১২.বক্ষস্হলের মাঝখানে তিল থাকলে অনেক সন্তান ও ধনের মালিক হবে |
১৩.বক্ষের ডানপাশে তিল থাকলে জীবনভর দুঃখ কষ্ট পাবে |
১৪.পিঠে তিল থাকলে ক্ষমতাশালী হবে |
১৫.হাতের তালুতে তিল থাকলে সক্ষম ও ভাগ্যবান হবে |
১৬.পায়ে তিল থাকলে পদোন্নতি হবে |
Share:

কেউ কি আমার প্রেমে পড়লো নাকি বুঝবো কি ভাবে?How do I understand someone fall in my love?

কেউ কি আমার প্রেমে পড়লো নাকি বুঝবো কি ভাবে?

অনেকিই বলে থাকেন প্রেম ছাড়া জিবন বিথা। তাই নিজে থেকে অনেকে প্রেম খুঁজতে বেরিয়ে পরেন। আবার অনেকের জীবনে অজান্তেই প্রেম চলে আসে। তবে প্রেমে পড়ে যাওয়া আর ভালবেসে ফেলার মধ্যে তফাত তো আছেই। যদি আপনার কাউকে ভাল লেগে থাকে বা আপনি কাউকে পছন্দ করে থাকেন, তবে জানা টা খুব জরুরি যে সে আপনাকে পছন্দ করে কিনা। কয়েক টি বিষয় লক্ষ করলেই বুঝতে পারবেন তিনিও আপনার প্রেমে পরেছেন।
আপনাকে সময় দিচ্ছেঃ
অনেক বন্ধু থাকা সত্তেও যখন দেখবেন আপনার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে। আপনি যখনই ডাকবেন তিনি ব্যস্ত থাকলেও আপনার সাথে অবশ্যই দেখা করবেন। যদি আপনি বাইরে কথাও কোনো কাজে যান, ফোন করে আপনার খোঁজখবর নেবে আপনি নিরাপদে বাড়ি ফিরলেন কিনা। কেউ যখন সত্যি খুব ভালবেসে ফেলে, তখন এই বিষয় গুলো কোনোভাবেই আড়াল করা যায় না।

আপনার সব কথা শুনবেন চলবেঃ
যখন দেখবেন তিনি আপনার কোনো কথাকে উপেক্ষা করছে না, বরং আপনার সব কথাকে  গুরুত্ব ও মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। তার মানে তিনি আপনাকে পছন্দ করেন।

আপনার অনেক প্রশংসা করবেনঃ
তিনি আপনার সব কাজেই  খুব প্রশংসা করবেন। কারন তার প্রশংসাতে আপনি খুশি হন। আপনার প্রতিটি ব্যাপারেই তিনি খুব আগ্রহ দেখবে।

আপনাকে খুশি রাখার চেষ্টাঃ
তিনি আপনাকে সব সময় খুশি রাখার চেষ্টা করবেন। আপনার মন জেতার জন্য ও  আপনাকে খুশী করার জন্য অনেক কিছুই করবেন। আপনার পছন্দের পোশাক বা আপনার প্রিয় রংঙে্র পোশাক পরিধান করবে। এসবই আপনাকে খুশী করার জন্য  বা আপনার মনকে জিতে নেওয়ার জান্য।

সবসময় আপনার সাথে হাসিখুশি থাকবেনঃ
পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর একটি জিনিস হল হাসি। যদি তা হয়ে থাকে পছন্দের মানুষের হাসি তাহলে তার মাত্রাই আলাদা। যখন তিনি আপনার সাথে থাকবেন তখন তিনি খুব খুশি থাকবেন ও আপনাকে খুশি রাখার চেষ্টা করবেন। তার ভালবাসা যদি সত্যি আপনার প্রতি থাকে তবে আপনার সাথে অহেতুক রাগারাগি না করে আপনাকে ধরে রাখার চেষ্টা করবে।

আপনাকে নিজের পরিবারের সাথে পরিচয় করাবেনঃ
তিনি তার পরিবার ও প্রিয়জনদের কাছে আপনার  প্রশংসা করবেন। এবং তার পরিবারের সকলের সঙ্গে আপনার পরিচয় করিয়ে দিতে চাইবেন।
এই কয়েকটি বিষয় কয়েক টি বিষয় লক্ষ করে দেখুন।
Share:

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে ব্যবহার হচ্ছে বোরকা কিন্তু কেন জেনে নিন! Burqa is used to meet with lover but why know!


প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে ব্যবহার হচ্ছে বোরকা কিন্তু কেন জেনে নিন!

বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে নানা কৌশল খাঁটিয়ে
টাকা ধার নিচ্ছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ! কিন্তু
শোধের কোনো নাম নেই। এক সময় বাসা
থেকে বের হওয়াই বন্ধ হয়ে যায় তাঁর। ওদিকে
প্রেমিকার সঙ্গে দেখা না করলেও হচ্ছে না।
অগত্যা বাধ্য হয়ে বোরকা পরে বের হন তিনি।
আর এ নিয়েই ঘটতে থাকে মজার কিছু শোধ-
প্রতিশোধের খেলা। ‘ফুসমন্তর’ টেলিছবিতে
এভাবেই রিয়াজের চরিত্রটি এগোতে থাকে।
প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে রিয়াজ বললেন,
‘গল্পটা আমাদের সমাজের অনেকেরই। এ ধরনের
ঘটনা আমাদের সমাজে হরহামেশাই ঘটছে। টাকা
ধার নিলে কী ধরনের বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হয়
সেটাই এই টেলিছবিতে সুন্দরভাবে দেখানো
হয়েছে। আমার কাছে একটু ভিন্নধর্মী মনে
হয়েছে। তাই টেলিছবিতে অভিনয় করা। আমি
নিশ্চিত, টেলিছবিটি দেখে মানুষ অনেক কিছুই
জানতে পারবেন।’
এবারই প্রথম চিত্রনায়ক রিয়াজকে নিয়ে
টেলিছবি নির্মাণ করলেন নির্মাতা মাসুদ
সেজান। ‘ফুসমন্তর’ টেলিছবিতে অভিনয় নিয়ে
রিয়াজের কাজে মুগ্ধ তিনি। টেলিছবির
শুটিংয়ের সময় বিষয়টি টের পেয়েছেন তিনি। এ
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রিয়াজ ভাই শুধু একজন
ভালো অভিনেতা নন, খুব ভালো একজন মানুষ।
তাঁর সঙ্গে আগে কাজ করা হয়নি। এবারই প্রথম
তাঁকে নিয়ে নাটক বানালাম। তিনি যে এতটা
পরিশ্রমী তা হয়তো টেলিছবিটি না বানালে
বুঝতাম না। তিনি চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে
কাজটি করছেন। অভিনয়ের প্রতি তাঁর সততা
আমাকে মুগ্ধ করেছে।’
বাংলাভিশনের জন্য নির্মিত টেলিছবি
‘ফুসমন্তর’-এ রিয়াজ অভিনয় করছেন সুজন নামের
এক যুবকের চরিত্রে। টেলিছবিটির শুটিং সম্প্রতি
শেষ হয়েছে। এতে রিয়াজ ছাড়াও অভিনয়
করেছেন বাঁধন, মিশু সাব্বির, শামীমা নাজনীন,
মিলন ভট্ট, নুর আলম নয়ন, আল-আমিন প্রমুখ।
Share:

নারীদের কে খুব সহজে কি ভাবে পটাবেন জেনে নিন?Find out how to easily deal with women?


নারীদের কে খুব সহজে কি ভাবে পটাবেন জেনে নিন?

পছন্দের নারীর জীবনে সুপারম্যানের
ভূমিকায় অবতীর্ণ হন
আপনি যদি আপনার পছন্দের নারীকে
আকৃষ্ট করতে চান তাহলে তার
জীবনের 'সুপার ম্যান' হয়ে যান। অবাক
হয়ে গেলেন? সুপার ম্যান হওয়া তেমন
কোনো কঠিন বিষয় না। শুধু পছন্দের
মানুষটির বিপদে পাশে দাঁড়ালে আর
ইচ্ছা অনিচ্ছার দিকে খেয়াল
রাখলেই আপনি হতে পারবেন তার
সুপার ম্যান।
সবসময় তাঁর কল ও মেসেজের জবাব দিন
আপনার পছন্দের নারীটি যদি
আপনাকে খুব শখ করে কল করে কিংবা
ম্যাসেজ দেয় তাহলে আপনি যত ব্যস্তই
থাকুন না কেন চেষ্টা করুন সেগুলোর
জবাব দিতে। একবার যদি অবহেলা
করে ফেলেন তাহলে আপনার প্রিয়
মানুষটির সাথে আপনার দূরত্ব বেড়ে
যাবে অনেকখানি।
দুঃসময়ে উপদেশ না দিয়ে পাশে
থাকুন
আপনার পছন্দের নারীটির জীবনে
দুঃসময় চলছে? তাকে অহেতুক উপদেশ
বাণী না শুনিয়ে তাকে সঙ্গ দিন।
চেষ্টা করুন সব সময় তার পাশে থাকার।
তাহলে সে আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবে।
নিজের চুলের যত্ন নিন
নারীরা ছেলেদের চুল খুবই
ভালোবাসে। সুন্দর ও পরিষ্কার চুল
এবং আধুনিক হেয়ার কাট দিয়ে
নিজেকে ফিটফাট রাখুন। আপনার
পছন্দের নারী খুব সহজেই আপনার প্রতি
আকৃষ্ট হবেন।
নিজেকে রাখুন দৈহিক ভাবেও
আকর্ষণীয়
পছন্দের নারীকে আকর্ষণ করতে
চাইলে আপনার দৈহিক গঠনের দিকে
খেয়াল রাখুন। অতিরিক্ত ওজন, খুব কম
ওজন কিংবা ভুড়ি আপনার আকর্ষন
কমিয়ে দিতে পারে আপনার প্রিয়
মানুষটির কাছে। আর তাছাড়া
আপনার শারীরিক গঠন সুন্দর হলে
আপনাকে যে কোনো পোশাকেই
মানিয়ে যাবে। এখনকার নারীরা
ছেলেদের ফিগারের ব্যাপারে
যথেষ্ট সচেতন। তাই আপনার পছন্দের
নারীকে আকর্ষন করতে চাইলে
নিজের শারীরিক গঠনের দিকে
খেয়াল রাখুন।
পারফিউম ছাড়া চলবে না মোটেই!
নারীরা সব সময়েই সুন্দর ঘ্রান পছন্দ
করে। আর তাই একজন নারীকে আকর্ষণ
করার সবচাইতে কার্যকরী একটি উপায়
হলো রুচিশীল সুন্দর সুগন্ধী ব্যবহার
করা। আপনার পছন্দের নারীর আশে
পাশে থাকলে অন্তত সুগন্ধী ব্যবহার
করার চেষ্টা করুন। এতে সে আপনার
প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং আপনার প্রতি
তার আকর্ষণ সৃষ্টি হবে।
পরিচ্ছন্নতা ও স্মার্টনেসের দিকে
খেয়াল রাখুন
পছন্দের নারীটিকে আকর্ষণ করার জন্য
সব সময় পরিচ্ছন্নতা ও স্মার্টনেসের
দিকে লক্ষ্য রাখুন। নারীরা
স্মার্টনেস পছন্দ করেন। বিশেষ করে
ক্যাসুয়াল পোশাকে চাইতে ফরমাল
পোশাকেই পুরুষদেরকে বেশি পছন্দ
করেন নারীরা। তাই পছন্দের নারীর
মন পাওয়ার জন্য নিজেকে সব সময়
ফিটফাট ও পরিষ্কার রাখার চেষ্টা
করুন।
হাসি ও খাওয়াদাওয়ার মার্জিত
ভঙ্গি রপ্ত করুন
নারীরা হাসিখুশি পুরুষদেরকে পছন্দ
করে। গম্ভীর ধরনের পুরুষদের ধারে
কাছেও ঘেষতে চায় না নারীরা।
পছন্দের নারীর মন পেতে চাইলে সব
সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন।
নিজেকে আড্ডা, রসালাপ ও নানান
রকম প্রানবন্ত কাজে নিয়জিত করুন।
এছাড়াও খাওয়ার দাওয়ার ভঙ্গিতেও
হওয়া চাই স্মার্ট। শব্দ করে খাওয়া
কিংবা ছড়িয়ে ছিটিয়ে খাওয়ার
অভ্যাস ত্যাগ করুন। তাহলে আপনার
পছন্দের নারী খুব সহজেই আপনার প্রতি
আকর্ষণবোধ করবে।
চোখে চোখ রেখে কথা বলতে শিখুন
পছন্দের নারীর মন পেতে চাইলে তার
সাথে সব সময় চোখে চোখ রেখে
কথা বলুন। কথা বার্তায় কোনো ধরনের
জড়তা রাখবেন না। কথা বার্তার
জড়তা কিংবা নিজেকে গুটিয়ে
রাখা নারীরা একেবারেই পছন্দ
করেন না। সম্ভব হলে তার প্রতি
আপনার আকর্ষণের বিষয়টি সরাসরি
বলে দিন। এতে আপনার পছন্দের নারী
রাজি হোক কিংবা না হোক আপনার
প্রতি তার ধারণা ভালো হবে এবং
আপনার নির্ভিকতার প্রতি আকৃষ্ট হবে সে
Share:

Why is the second relationship better than the first love .. Find out। (প্রথম ভালোবাসার চাইতেও কেন দ্বিতীয় সম্পর্কটি দারুণ হয়।। জেনে নিন।।)

 প্রথম ভালোবাসার চাইতেও কেন দ্বিতীয় সম্পর্কটি দারুণ হয়।। জেনে নিন।।
প্রথম ভালবাসার সম্পর্কটি সবসময়ই হয়ে থাকে একটু অন্যরকম। বেশী প্রিয়, বেশী ভালো লাগার ও বেশী আবেগের। বলা হয়ে থাকে, ‘প্রথম প্রেম বা ভালোবাসার সম্পর্কটি কখনো ভোলা যায় না।‘ কথাটি সত্য। জীবনে প্রথমবারেরে মতো কাউকে ভালোবাসার অনুভূতিগুলো নিজের কাছেই খুব বিশেষ হয়ে থাকে। সাধারণত প্রথম ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হয় না। প্রথম ভালোবাসার সম্পর্কটি ভেঙে যাবার পরে দ্বিতীয়বারের মতো ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানোর জন্য প্রয়োজন অনেক বেশী মানসিক শক্তি, সাহস এবং বিশ্বাস। জীবনের অন্যতম অবেগের একটি অধ্যায়ে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই নতুন সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রে অনেক ভীতি কাজ করে মনে।
তবে, পুনরায় কাউকে ভালোবাসা ও তার সাথে সম্পর্কে জড়ানোর ব্যাপারটির ক্ষেত্রে থাকে অনেক ভিন্নতা। নতুন সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে আকর্ষণ ও আবেগের চাইতেও বেশী কাজ করে অভিজ্ঞতা। এছাড়াও নানান দিক থেকেই দ্বিতীয় ভালোবাসার সম্পর্কটি হয়ে থাকে অনন্য। কী সেই সকল দিকগুলো? এখানে তুলে ধরা হলো তেমনই কিছু দারুণ ইতিবাচক দিক।
মানসিক কষ্ট সারিয়ে তোলে
প্রথম ভালোবাসার সম্পর্কটি ভেঙে যাবার পরে স্বাভাবিকভাবেই মানসিক দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে অনেকটা সময় পার করতে হয়। নতুন করে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানোর ফলে সেই কষ্টটা অনেকাংশেই দূর হয়ে যায়। নতুন করে কাউকে ভালোবাসার অনুভূতি, তার কাছ থেকে পাওয়া মানসিক সমর্থন, মানসিক দৈন্যতা কাটিয়ে উঠতে অনেক বেশী সাহায্য করে থাকে।
মানসিকভাবে অনেক শক্ত করে তোলে
ভেঙে যাওয়া পুরনো সম্পর্কের অভিজ্ঞতার ফলে ইতিমধ্যেই মানসিকভাবে আগের চাইতে অনেক বেশী পরিপক্বতা চলে আসে নিজের মাঝে। তবে দ্বিতীয় সম্পর্কে জড়ানোর পর সেই মানসিক শক্তিটা বৃদ্ধি পায় অনেকখানি। কারণ তখন ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে সমর্থন পাওয়া যায় শর্তবিহীন ভাবে।
সম্পর্কে ভালোবাসার প্রাবল্যতা
প্রথম ভালোবাসার সম্পর্কটি ভেঙে যাবার ফলে হৃদয় ভাঙার কষ্টটা তৈরি হয়। কিন্তু দ্বিতীয় সম্পর্কে জড়ানোর পর সেই সম্পর্কের মাঝে ভালোবাসাটা থাকে অনেক বেশী। ইতিবাচক দিক থেকে দেখলে, প্রথম সম্পর্কের মাঝে ভালোবাসার যে কমতিটুকু থাকে, দ্বিতীয় ভালোবাসার সম্পর্কে সেই কমতিটুকুন পূরণ হয়ে যায়।
সুরক্ষিত সম্পর্ক
প্রথম ভালোবাসার সম্পর্কের চাইতে দ্বিতীয় ভালোবাসার সম্পর্কটি অনেক বেশী সুরক্ষিত হয়ে থাকে। সময় নিয়ে এবং বুঝেশুনে পুনরায় সম্পর্কে জড়ানোর ফলে সম্পর্কের গুরুত্ব ও গভীরতা পূর্বের চাইতেও অনেক বেশী হয়ে থাকে। যার ফলে দ্বিতীয় সম্পর্কটি প্রথম সম্পর্কের চাইতেও অনেক বেশী নিখুঁত হয়ে গড়ে ওঠে।
ভালো বোঝাপড়া
বহুল প্রচলিত একটা প্রবাদ হচ্ছে, “Experience makes a man perfect.” অভিজ্ঞতার মাঝে দিয়েই প্রতিটি মানুষ তার জীবনের শিক্ষাগুলো গ্রহণ করে থাকেন। পূর্বের সম্পর্কে যে ভুলগুলো ছিল, খুঁজলে দেখা যাবে তার মাঝে অন্যতম ছিল বোঝাপড়ার সমস্যা। দ্বিতীয়বার সম্পর্ক তৈরি ক্ষেত্রে সেই কমতি ও ভুলটা কাটিয়ে উঠে নিজেকে অনেকটাই পরিণত করে ফেলা সম্ভব হয়। যে কারণে, দ্বিতীয় সম্পর্কে দু’জনের মাঝে বোঝাপড়ার ব্যাপারটি থাকে চমৎকার।
কম তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হয়
প্রথম সম্পর্ক থাকাকালীন অবস্থা থেকেই বেশ কিছু ব্যাপারে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়ে যায়। তার মাঝে অন্যতম হলো, কোন ব্যাপারগুলো নিয়ে অহেতুক তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয় সেটা বোঝা। এর ফলে সচেতনভাবেই দ্বিতীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটে থাকে না। জানা থাকে বলে, যে সকল ব্যাপারে ঝগড়া ও তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে সেই সকল বিষয়ে কথা বলা এড়িয়ে যাওয়া যায় সহজেই।
প্রতিশ্রুতি বদ্ধতা
অবচেতনভাবেই দ্বিতীয় সম্পর্কের মাঝে প্রতিশ্রুতি বদ্ধতা বেশী কাজ করে। প্রথম সম্পর্ক ভেঙে যাবার ফলে মনের মাঝে একটি ভীতি সবসময় কাজ করে। ‘যদি এই সম্পর্কটিও ভেঙে যায়!’ এমন মানসিক ভীতি থেকেই প্রতিশ্রুতি বদ্ধতার ব্যাপারটি চলে আসে।
একে অপরের প্রতি বিশ্বাস
প্রতিকূল সময় ও মানসিক অবস্থা পার করার ফলে বেশ কিছু বিষয়ে অভিজ্ঞতা হয়ে যায়। যেমন: কোন পরিস্থিতিতে, কোন পরিবেশে, কোন সমস্যার ক্ষেত্রে কী করা প্রয়োজন এবং কীভাবে সেগুলো সামলানো যাবে! দ্বিতীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর সাথে সকল পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেক ভালোভাবে ও দক্ষতার সাথে সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। এতে করে সম্পর্কের মাঝে পারস্পরিক বিশ্বাস বোধ তৈরি হয়।
সম্পর্ক হয় দীর্ঘস্থায়ী
কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রেও শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয় যে, সম্পর্কটি আজীবনের জন্য স্থায়ী হবে কিনা! তবে পূর্বের সম্পর্কের ফলে বেশ কিছু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়ে যাওয়ার ফলে দ্বিতীয় ভালোবাসার সম্পর্কটি হয় মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী। প্রথম সম্পর্কের মতো নাজুক হয় না মোটেও।
Share:

নারীর পরকীয়া প্রেম কি


নারীর পরকীয়া প্রেম
বিবাহিত নারীর নিজের স্বামী থাকতেও অপর পুরুষের সাথে প্রেম করা বা যৌনমিলন করাকে মূলত পরকীয়া প্রেম বলা হয়| পরকীয়ায় আসক্তি একজন নারীর জন্যে খুবই ক্ষতিকর হতে পারে| এমনও হতে পারে যে- শেষ পর্যন্ত তার স্বামী বা প্রেমিক, কারও ঘরেই তার আর স্থান হয় না| সন্তানদের প্রতি দায়িত্ব পালন, তাদের আদর-ভালোবাসা দেওয়া, তাদের কাছে টেনে রাখা ইত্যাদি থেকেও বঞ্চিত হতে হয় এসকল নারীদের| পরকীয়ায় আসক্ত নারী তার নিজের বাবা-ভাইয়ের যেমন মান সম্মান নষ্ট করে, তেমনি তাকে পরিবার ও সমাজে লাঞ্চিত বঞ্চিত হতে হয়|

পরকীয়া প্রেম থেকে স্বামী-স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-কলহ, খুন-খারাবি, এমনকি নিজের পেটের সন্তানকেও খুন করতে দেখা যায়| আর পরকীয়া নিঃসন্দেহে একটি জঘন্য ও ঘৃন্য পাপের কাজ| স্ত্রী তার স্বামীর সাথে প্রেম করবে, স্বামীর সাথে যৌনমিলন করবে| স্বামী একজন পুরুষ, তাই ঘরে এক পুরুষ থাকতে নারী অন্য পুরুষের কাছে যাবে না| তাছাড়া স্বামী থাকতে অন্য পুরুষের সাথে প্রেম-ভালোবাসা বা যৌনমিলনে কেনোই বা একজন নারী লিপ্ত হবে?

নারীর এ ধরণের পরকীয়া প্রেম একেবারেই যুক্তিযুক্ত নয়| তবে কেনো একজন নারী বিয়ের পরে স্বামী থাকতেও অপর পুরুষের সাথে প্রেম ভালোবাসা করে থাকে? এ প্রশ্নের উত্তরও খোঁজা উচিত| নারীর পরকীয়া প্রেমের যে সকল কারণ রয়েছে তা হলো-

১| স্বামী যদি স্ত্রীর যৌনক্ষুধা চাহিদা মতো দীর্ঘদিন ধরেই মিটাতে না পারে|

২| স্বামীর স্বভাব চরিত্র যদি খুবই খারাপ হয়ে থাকে|

৩| স্বামীর অর্থ সম্পদ যদি না থাকে এবং খাওয়া পরা দিতে যদি ব্যর্থ হয়|

৪| কিছু নারীর চরিত্রে উচ্ছৃঙ্খলতা থাকার কারণে তারা স্বভাবতই পরকীয়া করে|

৫| স্বামী দীর্ঘদিনের জন্যে কাছে না থাকলে|

এই পাঁচটি কারণের কোনো একটি অথবা পৃথক পৃথক ভাবে সবগুলো অথবা একাধিক কারণ কোনো নারীর উপর ক্রিয়াশীল থাকলেই সাধারণত নারিদের পরকীয়ার দিকে ঝুকতে দেখা যায়|

এখন উপরের পাঁচ কারণের যৌক্তিক ও অযৌক্তিক দিক নিয়ে কিছুটা আলোচনা করা যাক-

প্রথমত- নারীরা পরকীয়া করে তখন, যখন পুরুষ তার যৌন চাহিদা ক্রমাগত ভাবে মেটাতে ব্যর্থ হয়| তখন নারী তার তীব্র ক্ষুধা অন্য পুরুষকে দিয়ে মেটাতে যায়| হ্যাঁ, যদি কোনো নারীর ক্ষুধা তার স্বামী দ্বারা না মেটে তাহলে তার একটা স্থায়ী সমাধান করা দরকার| স্বামীর যৌন সক্ষমতার উন্নতির জন্যে স্ত্রী সহযোগিতামূলক পরামর্শ দিতে পারে| প্রয়োজনে স্ত্রী তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাবে| এ চেষ্টাটুকু স্ত্রী প্রথমে অবশ্যই করবে| তারপর ব্যর্থ হলে স্ত্রী ঐ স্বামীকে তালাক দিয়ে নির্ধারিত সময়ের পর অন্য পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে| এতে কোনো দোষ নেই, পাপ নেই, ক্ষতি নেই| কারণ জীবন তো একটাই|

তবে স্বামীকে অগচোরে রেখে, তাকে নামে স্বামীর খাতায় রেখে, কোনো নারী শুধু যৌনক্ষুধা মেটাতে পরপুরুষের সাথে পরকীয়া করতে পারে না| ছেলে-মেয়ে হয়ে যাবার পরেও স্বামীকে তালাক দেন, যদি সে আপনার কাম চাহিদা ভালো করে মেটাতে না পারে, এতে কোনো মান সম্মান যাবে না| বীরের মতো কাজটা করতে পারেন, তবুও অসভ্যতা করতে পারবেন না|

স্বামীর স্বভাব চরিত্র খারাপ হলে যদি মনে করেন একেবারেই তার ঘরে আর আপনার টিকে থাকা সম্ভব নয়, তাহলে তাকে তালাক দিন| এ কাজটা বাচ্চা কাচ্চা হবার আগেই করুন| আর বাচ্চা হবার পরেও অবলীলায় তালাক দিতে পারেন, তবুও খারাপ চরিত্রের পুরুষকে স্বামী রূপে রাখার কি দরকার? তাকে তালাক দিয়ে যান, নিশ্চয়ই অন্য কোনো ভালো চরিত্রের পুরুষ আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে| তবে স্বামীর চরিত্র খারাপ বলে আপনি এই স্বামীর ঘরে থাকবেন, তাকে তালাকও দেবেন না, আবার অন্য পুরুষের ভালো চরিত্র ও ব্যবহারে আকৃষ্ট হয়ে তার সাথে প্রেম করবেন, এটা তো হতে পারে না|

স্বামীর অর্থ সম্পদ যদি না থাকে, আর যদি যৌন চাহিদা আপনার মেটাতে পারে ও চরিত্র তার ভালো হয়, তাহলে ঐ স্বামীকে আপনি ছেড়ে চলে যাবেন না| তাছাড়া আপনার এমন স্বামীকে ছেড়ে যাওয়া উচিতও হবে না| অনেক মেয়ে যৌনক্ষমতাবান স্বামী পেলে আর কিছু চায় না, এটা বাস্তবতা| অর্থ সম্পদ উপার্জনের জন্যে প্রয়োজনে স্বামীকে সহযোগীতা করুন, তার সাথেই কাজে লেগে যান| দেখবেন একদিন আপনাদের অনেক টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি চলে আসবে|

অর্থ সম্পদ কিছুই না| দাম্পত্য জীবনে যৌনসুখ ও ভালোবাসা থাকলে গাছ তলায় থেকেও মেয়েরা সুখী থাকে| শুধু মাত্র অর্থ না থাকার অজুহাতে অন্য অর্থশালী পুরুষের সাথে প্রেম করা অনুচিত| অনেক নারী আছে বিয়ের পর অন্য ছেলের সাথে প্রেম করে তার থেকে টাকা-পয়সা নেয়| বিয়ের পর অন্য ছেলের কাছে দেহ বিক্রি করা মেয়ের সংখ্যাও নিতান্তই কম নয়| স্বামীর বেশি অর্থ না থাকলে যদি একটু কষ্ট করতে না পারেন, তাহলে তাকে তালাক দিয়ে অন্য কোনো টাকাওয়ালাকে বিয়ে করেন| তবুও গরীব অথচ ভালো চরিত্রের স্বামীটাকে প্রতারিত করবেন না|

আবার কিছু মেয়ে বিয়ের আগেও যেমন খারাপ থাকে, আবার বিয়ের পরেও ঐ হাজারটা প্রেম করা বা প্রেম করে টাকা পয়সা লোটা বা বহু পুরুষের ঘষামাজা না খেলে তাদের ভালো লাগে না| এরকম স্বভাবের মেয়ে কোনো পুরুষের বউ হলে তো ঐ পুরুষের জন্যে তা দূর্ভাগ্যজনক| অন্তত বিয়ের পরে মেয়েদের একটু স্থির হওয়া উচিত|

বিয়ের আগের উচ্ছৃঙ্খলতাকে ভুলে বিয়ের পরে ভালো হওয়া উচিত| স্বামী- সন্তানকে নিয়ে সুখে থাকার জন্যে মেয়েদের উচিত আপন ঘরে থাকা| হাজারটা প্রেম পিরিতি করা বা পরপরুষের সাথে ছোট বা বড় বড় মেলামেশা করা, এগুলো ভয়াবহ উচ্ছৃঙ্খলতার নামান্তর| বিয়ের আগে তো এটা করা উচিত নয়, তেমনি বিয়ের পরে তো একেবারেই অনুচিত| উচ্ছৃঙ্খল মেয়েরা স্বামীর সব কিছু অর্থাৎ তার দেহ, মন, চরিত্র, সম্পদ থাকতেও পর পুরুষের ঠেলা খাওয়া স্বভাব ছাড়তে পারে না| মেয়েদের এমন উচ্ছৃঙ্খল পরকীয়া করা থেকে বিরত থাকা উচিত, তেমনি এই কোয়ালিটির বউকে ছেলেরা তালাক দিয়ে বিদায় করে দিতে দেরি করবেন না|

স্বামী বিদেশে থাকে বা অন্য কোথাও কাজ করতে যায়, স্ত্রীর থেকে বেশ ব্যাবধানে দূরে থাকতে হয় তাকে, এমন হলে স্ত্রীর করণীয় কি? সে কি তখন পরকীয়া করবে? কোনো স্বামীর উচিত নয় স্ত্রীর কাছ থেকে দূরে থাকা| বিদেশে থাকলেও প্রতি মাসে একবার আসতে হবে| তা সম্ভব না হলে স্ত্রীকে নিজের কর্মস্থলের পাশে নিয়ে যেতে হবে| মেয়ের সীমাহীন কাম চাহিদা প্রতিদিন না মিটলে তারপর তারা পরকীয়ায় ঝুকতে বাধ্য হতে পারে| কারণ দেহের ক্ষুধা বাঁধ মানে না|

স্বামী বিদেশে থাকলে স্ত্রী তাকে দেশে এসে কোনো কাজ করার পরামর্শ দিতে পারে| অথবা একটু ধৈর্য্য ধরে তাকে কয়েক বছর দেশের বাইরে থেকে কিছু টাকা উপার্জন করে আসার সুযোগ দিতে পারে| আর সম্ভব হলে দেশে বা দেশের বাইরে স্বামীর কর্মস্থলের পাশে বাসা নিয়ে স্ত্রী থাকবে| এতে কাম চাহিদা পূরণে এক দিনও বউয়ের মিস যাবে না|

তবে স্বামী দূরে থাকার কারণে সুযোগ পেয়ে স্ত্রী পরকীয়া করতে পারে না| বহু মেয়ে শুধু এই কারণে পরকীয়া করে থাকে| এতে করে তার স্বামীকে যেমন ঠকায়, তেমনি অবশেষে নিজেই ঠকে| আর যদি স্বামী একান্তই দীর্ঘদিন কাছে না আসে তাহলে ঐ স্বামীকে শুধু নামে স্বামী বানিয়ে রাখা উচিত নয়| তাকে কাছে আসতে বলবেন, না আসলে সোজা তালাক মেরে দেন| কারণ প্রতিটি মেয়ের জীবনের স্বাতন্ত্র আছে, আছে মূল্য| এমনটি অনুধাবন করে তাকে তালাক দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করুন|

আবার কিছু নারী আছে স্বামীর বিদেশে থাকা বা অন্য কোথাও তার থেকে দূরে থাকাকে নিজের জন্য অবারিত সুযোগ মনে করে থাকে| এই সুযোগে যতো পারে পরকীয়া করে রাখে, পর পুরুষের সাথে এই সুযোগে মিলনও করে থাকে| এটাকে তারা পাপও ভাবে না, আবার স্বামীকে কাছে আসতে না বলে বরং তাকে যে ঠকানো তার উচিত হচ্ছে না, এটাও ভাবে না কিছু নারী|

তাছাড়া স্ত্রীকে দূরে রাখা বা তার থেকে দূরে থাকা, এ কাজটা পুরুষদের একেবারেই করা উচিত নয়| স্ত্রীর সাথে নিয়মিত সহবাস করা, তার পাশে থেকে তাকে সবরকম সঙ্গ দেওয়া প্রত্যেক পুরুষের উচিত| তা না হলে বউয়ের পরকীয়ার দায় পুরুষের উপরেও কিছুটা পড়বে|

আলোচনা শেষে আর কিছু কথা বলা প্রয়োজন মনে করছি| বিশেষ করে আমাদের দেশের নারীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার কারণে তারা নানা দিক থেকে অধিকার বঞ্চিত রয়েছে| স্বামী দীর্ঘদিন দূরে থাকার ফলেও মেয়েরা তাকে তালাক দেয় না, কারণ তালাক দিয়ে অন্য স্বামীর ঘরে যাওয়া তাদের জন্যে কঠিন হয়ে পরে| সমাজ একবার বিয়ে হলে সে নারীকে অনেক ক্ষেত্রেই ভালো চোখে গ্রহণ করে না| একটা খোটার মধ্যে নারীদের পড়ে যেতে হয়| এ কারণেই স্বামী অনেক দিন কাছে না আসলেও স্ত্রী তার আসার প্রত্যাশা বুকে রেখে স্বামীগৃহ আকড়ে থাকে|

তবে দেহক্ষুধা ও একাকিত্বের জ্বালা যে কোনোও নারীকেই বেশামাল করে দিতে পারে, তাই-ই তো নারীরা স্বামীর ঘরে থেকেও পরকীয়া করে| তবে নারীদের এই গুরুতর অন্যায় তাদের জীবনকেই ধ্বংস করে দেয়| তাই যে কোনো পরিস্থিতে পরকীয়াকে 'না' বলতে হবে| স্বামীকে তালাক দিয়ে আবার অন্য বিয়ে করা এ সমাজের কাছে কিছুটা খারাপরূপে দৃষ্ট হলেও, তা বৈধ ও পাপের নয়| এমনকি স্বামীর ঘরে অসুখী না থেকে, নারীদের নতুন স্বামী গ্রহণ করা-ই সবচেয়ে উত্তম|

নারীদের মনে রাখতে হবে- তাদের এ জীবন একটাই, তাই আগে নিজের সুখকেই প্রাধান্য দিতে হবে| একই সাথে মনে রাখতে হবে- অবৈধ যৌনতা তথা পরকীয়া সাময়িক সুখের হলেও তা ধীরে ধীরে একজন নারীর যৌনজীবনকে সংকুচিত করে দেয়|

কিছু নারী স্বামীর ঘরে উপরের ঐ পাঁচটি কারণের জন্যে থাকতে না পেরে স্বামীকে তালাক না দিয়েও অন্য পুরুষের সাথে প্রেম করে এবং প্রেমে সফল হলেই তারপর ঐ পরপুরুষের হাত ধরে পালিয়ে যায়| এ রকম কাজে একজন নারী তার স্বামীকে ভয়াবহ রকম প্রতারিত করে| অনেক সময় ঐ পরপুরুষ তার প্রেমকে অস্বীকার করে তাকে বিয়ে করতেও অস্বীকার করতে পারে| তখন বাধ্য হয়ে অসহ্য মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে তাকে স্বামীর ঘর করতে হয়| তাছাড়া স্বামী যদি বউয়ের এ প্রেমের কথা জেনে যায় তাহলে বাঁধে নানা বিপত্তি| তখন সংসার ভেঙে যেতে পারে, নারী তখন একূল-ওকূল সব-ই হারায়|

আবার স্বামীর যৌন অক্ষমতা কম- বেশি থাকলেও অনেক নারী সংসার করে যায়, পাশাপাশি পরকীয়ার মধ্যমেও অবশিষ্ট কাম চাহিদা মিটিয়ে নেয়| স্বামীর চরিত্র খারাপ হলে, তার ধন-সম্পদ না থাকলেও অনেক নারী অনেক সময় চরিত্রবান ও টাকাওয়ালা ছেলেদের প্রতি পরকীয়ায় ঝুকে পড়ে| পরকীয়া করতে থাকে, তবুও ঘরের স্বামীকে তালাক দেয় না| তারা স্বামী থাকতেও পরপুরুষ থেকে একটু বাড়তি সুবিধা আদায় করে নেয়|

আবার অনেক নারীর চরিত্র এতোই খারাপ যে তাদের এক স্বামীতে হয় না, বহু পুরুষের ঠেলা খেলেই তবে জ্বালা মেটে| এক পুরুষ-স্বামী, তার কিছু থাকুক আর না থাকুক, তাকে স্বামীর খাতায় বহাল না রাখলে তালাকা দিয়ে তারপর যা খুশি একজন নারী করুক, তবে স্বামীর ঘরে থেকে এসব নোংড়ামী চলতে পারে না| ধরা পরলে স্বামী কিন্তু অগ্নিমূর্তি হয়ে যাবে, তবুও ঘরের বউয়ের বেশ্যাগিরি মেনে নেবে না|
Share:

Search This Blog

Blog Archive

Labels

Blog Archive

Recent Posts

Label