নতুন নতুন ভালোবাসার গল্প ও কবিতা পেতে আমাদের পাশেই থাকুন।

ছোট গল্প পাশের বাসার আন্টির মেয়ে


ছোট গল্প পাশের বাসার আন্টির মেয়ে


পাশের বাসার আন্টির মেয়ে সব সময়
আমাকে দেখলে লাইন মারতো।
তবে, আমি পাত্তা দিতাম না।
আজ দেখলাম একটা ছেলের সাথে
হেঁসে হেঁসে কথা বলছে।
আমিও দেখে না দেখার ভান করে চলে
যাচ্ছিলাম।
হঠাৎ পিছন থেকে বলে উঠলো,
ভাইয়া কেমন আছেন?
মেজাজটা চরম গরম হলো।
দুই দিন আগেও লাইন মারতো আজ ভাইয়া হয়ে
গেলাম।
আরো গল্প পড়ুনঃগল্পঃ- অতৃপ্ত পিপাসা Balobasar Story in Bangla
মনে মনে Vablam পাশের  আবুল টা মনে হয় ওর
bf.
তাই আমি আজ ভাইয়া... একটু wait কর আপু
দেখাচ্ছি মজা।
পিছনে ফিরে মেয়েটার দিকে
এগিয়ে গিয়ে বললাম,হুম বল আর এই ছেলেটা
কেরে?

ভাব নিয়ে বললো, ও আমার boyfriend...
ধরলাম ছেলেটার শার্টের কলার।
বললাম, শালা তুই আমার বোনের
সাথে লাইন মারছিস? পাশে থাকা বড়
ভাইদের নিয়ে ইচ্ছা মত কেলালাম।
আন্টিকে ডেকে আনলাম আর সব বললাম।
আন্টি তার মেয়ের গালে কষে থাপ্পড়
মারলো।
দিলাম ব্রেকআপ করিয়ে।
শেষে কানের কাছে আস্তে করে বলে
আসলাম।
বালিকা,,, ভাইয়া ডাকার ফল।
#farabi farhan
আরো নতুন নতুন জোকস পড়ুন :মশার ক্যান্সার হতে পারে মজার জোকস ২০২০
Share:

বিদেশি ম্যাম


বিদেশি ম্যাম

গল্প লিখেছেন : Israt Jahan Sumaiya

ভাই আমার বিয়ে করেছে কিছুদিন হলো,,
আমাদের চাইতে একটু বড় ঘরেই ভাইর বিয়ে দিয়েছে,,
আমরা দুভাই এক বোন,।
বোনই সবার বড়, তারপর ভাই, তারপর আমি,,


আমি সবার ছোট,,আমি #সবুজ
ভাইয়ার নাম #সাইদ
আর
আপুর নাম #সারমিন,,।

কয়েক বছর আগেই আপুর বিয়ে দিয়েছে,,
আর এই কয় মাস হলো ভাইয়াকে বিয়ে দিলো,,

ভাবি আমার সেই লেবেলের ভালো,,
আপন ভাইর মতো দেখে আমায়,,
যাগগে সেসব কথা,,
বর্তমানে আসি,,

রুম থেকে বের হোতেই দেখি খাওয়ার বেস আয়োজন চলছে,,
তাই ভাবির কাছে গেলাম,,
আরো গল্প পড়ুনঃGolpo বাড়িওয়ালার_দুষ্টু_মেয়ে
ভাবি আমায় দেখে বললো,,
কি ব্যাপার,আমার ভাইটার কিছু লাগবে নাকি ,,,
আমি ঃ না,,তা কেউ আসবে নাকি, এত খাবার রান্না করছো,,
ভাবিঃহুম,,
আমিঃকে,
ভাবিঃ তোমান বেয়াইন আসবে,মানি আমার বোন,,
আমিঃকি বলো,,তোমার বোন আছে নাকি,,বিয়েতেও তো তোমার কোনো বোনকে দেখলাম না,,
ভাবিঃআমার বিয়ের সময় ও বিদেশে ছিলো,এই দু সপ্তাহ হলো বিদেশ থেকে এসেছে,,
আমিঃ বিদেশ কি করে,,
ভাবিঃস্টাডি করার জন্য গিয়েছিলো,,এখন শেষ চোলে এসেছে,,
আমিঃও,ভালো,,তা কখন আসবে,,
ভাবি ঃএইতো কিছু ক্ষন পর,,

আমিঃআচ্ছা ভাবি আমি বাহিরে গেলাম,,
ভাবি, ঃকিছু খেয়ে যাও,,
আমিঃএসে খাবো,

বাহিরে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরলাম,,

না আগে আমার বেয়াইনকে দেখে আসি,,নিশ্চই পরির মতো দেখতে হবে,,

গেষ্ট রুমের বাহির থেকে উকি মেরে দেখছি রুমের ভেতরটা,,
ব্যাগ, জামা কাপর দেখা যাচ্ছে,,
বেয়াইন কই,,
তখন পিছন থেকে কে যেনো বললো,, উকি মেরে কি দেখা হচ্ছে,,
আমি ঃপিছন না দেখে বললাম, একটা পেত্নি এসেছে বাসায় সেটাকেই দেখছি,,
এবার আমি পিছন ঘুরে দেখি একটা মেয়ে দারিয়ে আছে,,মনে হয় কিছুটা রেগে আছে,,
এর আগে তো এই মেয়ে কে দেখিনি,,
বায়দা ওয়ে,, তুমি কে,, এর আগে তো কখনো আমাদের বাসায় দেখিনি,,
মেয়েটিঃএতক্ষন যাকে দেখার জন্য রুমের বাহির থেকে উকিঝুকি মেরেছেন, আমি সেই পেত্নি,,
আমিঃতুতুমি ভাবির বোন ,,সসরি,,
নিলাঃআমি পেত্নি,,
বেয়াইনঃ সসরি,, বুঝতে পারিনি,,
বেয়াইনঃ ওকি দিয়ে দেখার বেস অভিজ্ঞতা আছে দেখি আপনার,,,(আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো,)

তখন ভাবি আসলো,,
ভাবিঃকি কথা হচ্ছে দুজনের,,আচ্ছা পরিচয় করিয়ে দেই,,জনি এহলো আমার বোন নিলা,,আর নিলা এহলো আমার একমাএ আদরের দেবর সবুজ(নাক টেনে বললো)
নিলাঃহইছে আর পরিচয় করাতে হবে না,, যা চিনার চিনে নিয়েছি
ভাবিঃতাহলে তো ভালোই হলো,,আচ্ছা দুজন আসো নাস্তা দেবো,,
নিলাঃ রুমে দিয়ে যাও,,রুমে খাবো,,
ভাবিঃ তাহলে সবুজ তুমি আসো,,
আমিঃএখন নাস্তা করবো না,,এক সাথে লান্স করবো,,
ভাবিঃআচ্ছা,,

এই কথা বলে ভাবি চোলে গেলো,,,আমিও আমার রুমে চোলে আসলাম,,

দুপুরে সবাই একসাথে লান্স করতে বসেছি,,
আমি বসেছি একদম নিলার সোজাসুজি,,
খাবার খাচ্ছি,,হঠাৎ নিলার পায়ে সাথে আমার পা লাগলো,,
আমি নিলার দিকে তাকালাম,ওমা সেকি রাগ,
আরে ভাই রাগেরর কি হলো আমি তো ইচ্ছে করে পা লাগাইনি,,
রাগি ভাবে যখন তাকালি তখন এবার ইচ্ছা করে লাগাবো,,,
নিলা আমার দিক থেকে চোখ সরিয়ে আবার খাবার খেতে লাগলো,,
একটু পর আমার পা দিয়ে ওর পায়ে আলতো করে ছুয়ে দিলাম,,
নিলা কেমন সিহরিত হোয়ে উঠল,,তারপর খাবার রেখে আবার আমার দিকে রাগী চোখে তাকালো,,
আমি ওর দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিয়ে ওর পা আবার ছুতে লাগলাম,,
নিলা মুচকি একটা হাসি দিয়েই পায়ে জোরে একটা পারা দিলো,,
আমি উ করে উঠলাম,
ভাবিঃ কি হোয়েছে সবুজ,,
আমিঃকিছুনা ভাবি,,
ভাবি ঃআচ্ছা খাও,,

খাবার খেয়ে রুমে চোলে আসলাম,,
কি বজ্জাত মেয়েরে বাবা,,পুরোই ধানি লংকা,,

বিকালে ছাদে গেলাম,
গিয়ে দেখি নিলা ছাদের এক কর্নার দরে দারিয়ে আছে,,
তাই নিলার পাসে গেলাম,,
আমিঃপায়ে কেউ এভাবে লাথি মারে,
নিলাঃতাহলে অসভ্যের মতো পা ছুয়েছেন কেনো,,
আমি ঃতুমি প্রথম ওমন ভাবে তাকালে কেনো,, তাইতো পা ছুয়েছি,,
আচ্ছা যাক সেসব কথা,, তুমি এত সুন্দর কেনো,,।
নিলাঃপ্লোটিং করছেন আমারা সাথে,,
আমিঃ না সত্যি তুমি খুব সুন্দর,,
নিলাঃআমি সুন্দর তা আমি জানি,, আপনার বলতে হবে না,,
আমিঃতুমি ছোট থেকে বিদেশে পড়ালেখা করেছো,
নিলাঃহুম,, তো,,
আমিঃবিদেশি মেমদের মতো ছোট ছোট জামা কাপর পড়তে, এগুলো কি পড়ছো,,
নিলাঃ কি,!
আমিঃমঝা করলাম,,

নিলাঃহুম।
নিলা মুখটাকে বাকিয়ে সেখান থেকে চোলে গেলো,,
আমার এত বালা লাগতাছে ক্যারে,,,
তারপরের দিন রুমে বসে আছি,, তখন ভাবি সহ নিলা রুমে ঢুকলো,,

ভাবিঃকি ব্যাপার আমার ভাইটার কোনো খোজ খবর নেই, ব্যাপার কি,,
আমিঃভাবি কি যে বলো না,,কিছু বলবে,,
ভাবিঃনিলাকে নিয়ে একটু বাহির থেকে গুরে আয়,,
আমিঃআমি পারবো না,,
ভাবিঃজা না ভাই,,
আমিঃযেতে পারি এক শর্তে,,
ভাবিঃ কি সর্ত?
আমিঃ তোমরা দু বোন আমার দু গালে দুইটা পাপ্পি দিতে হবে,,

পাস থেকে নিলা রেগে গিয়ে বললো,,কিইই,
আমি ভয়ে বললাম, ভাবি ওর লাগবে না,, তুমি দিলেই হবে,,
ভাবি ঃওরে আমার দুষ্ট দেবর রে আয় কাছে আয়,,,
আমি কাছে যেতেই ভাবি গালে একটা চুমু দিলো,, আমি ও ভাবি গালে একটা চুমু দিয়ে নিলাকে বললাম চলো,,
পিছন থেকে ভাবি বললো,,দুষ্ট একটা,, তারাতারি চলে আসিস,,
আমিঃওকে,,

নিলাকে নিয়ে একটা পার্কে গেলাম,
সেখানে অনেক কাপল বসা ছিলো
কেউ কারো কোলে মাথা দিয়ে সুয়ে আছে,,
কেউ আবার চুমু খাচ্ছে,,
নিলা এসব দেখে বললো,,
নিলাঃ আচ্ছা ওরা ওখানে কি করছে,,
আমিঃআকাম করছে,,
নিলাঃ কি আকাম,,
আমিঃ ভালোবাসা করছে,,
নিলাঃ এভাবে ভালোবাসা করে,,
আমিঃহুম,,আচ্ছা চলো,,ওখানে গিয়ে বসি,,

আমরা গিয়ে একটা ব্যান্সে বসলাম,,
আমিঃআচ্ছা কি খাবে,,

নিলাঃআমি বাহিরের কিছু খাই না,,
আমি কাছ থেকে কিছু বাদাম নিলাম,,
কয়টার খোশা ছারিয়ে ওর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললাম,
খাও,
নিলাঃআমি বাহিরের এসব খাই না বললাম তো,
আমি ঃ খেয়েই দেখো না,,
নিলাঃ খাবো না,
আমি জোর করে ওকে খাইয়ে দিলাম

আমিঃএবার খাও,,,
নিলা খেয়ে বেস মঝা পেলো,,
ওকে দেখেই বুঝা যাচ্ছে,

এর পর আমি আর সাধলাম না,,
একা একাই খেতে লাগলাম,
নিলা আমার আর বাদামের দিকে আর চোখে তাকাচ্ছে বারবার,,
আমি খেয়েই যাচ্ছি,,
কিছুক্ষন পর নিলা বললো,,আপনি আচ্ছা বজ্জাত তো,,
আমিঃকি করলাম আবার।
নিলাঃএকা একাই খেয়ে যাচ্ছেন ,,,
আমিঃতুমি তো খাবে না, তাই সাধলাম না আর,,
নিলাঃনা বলেছি বলেকি আর সাধা যাবে না,,দিন আমি খাবো,,
আমিঃসামনেই তো আছে, নিয়ে খাও,,,
নিলাঃআমি খোসা ছারাতে পারি না,, খোসা ছারিয়ে দিন,,
আমিঃওরে বিদেশি মেম সাহেব রে,,আচ্ছা দিচ্ছি,,

আমি খোশা ছারিয়ে দিচ্ছি,, ও খাচ্চে,, কত সুন্দর করে খাচ্ছে,,,কত অপরুপ লাগছে মেয়েটাকে,বিদেশি মেম, আমাকেতো পাগল করে দিলে,,
ওর দিকে তাকিয়ে থেকে ভাবনায় হারিয়ে গেলাম, কল্পনায় দেখছি,, ও আর আমি পুতুলদের বাসার ছাদে বেলে ড্যান্স করছি,,,
হঠাৎ নিলার কথায় হুস আসলো,,
নিলাঃ কি হলো, ওমন করে কি দেখছেন আমাকে,,, বাদাম দিন,,
আমিঃও কিছু না,,বাদাম নেও,,

বিকালটা ওকে নিয়ে গুরে সন্ধায় বাসায় আসলাম,,

ভাবিঃকি ঘুরতে কেমন লাগলো দুজনের,,
আমি ঃতোমার বোন সাথে থাকলে সারা জীবনই সুন্দর লাগবে,,,
ভাবিঃদুষ্ট একটা,, যা ফ্রেস হোয়ে আয়,,নাস্তা দেবো,,
আমিঃ ওকে,,,

আমি ফ্রেস হোয়ে আসলাম,,

রাতে ডিনার করে সুয়ে সুয়ে ভাবতে লাগলাম,,
যদি এই বিদেশি ম্যাম আমার হতো,, দিলটা খুশ হোয়ে যেতো,,

সকালে ঘুম থেকে উঠে সুনি নিলা এখনো ঘুম থেকে উঠেনি,,
তাই সোজা চোলে গেলাম নিলার রুমে,
ওমা একি অবস্থা,, আমার এত লজ্জা লাগে ক্যারে,,

নিলাকে জাগাতে লাগলাম,,

নিলা হঠাৎ আমার হাতটা জড়িয়ে দরলো,
হায় হায় কি করবো এখন,,
এরপর নিলা কোলবালিস মনে করে আমাকে টেনে জরিয়ে দরলো,,
বাহ খারাফ না,,ঘুমের ঘোরে হলেও বিদেশি ম্যাম কে জড়িয়ে দরতে পারবো,,,

নিলা ঘুমের ঘোরে আমাকে কোলবালিশ মনে করে আস্টেপিষ্টে জড়িয়ে দরলো,,
আমি বাদ থাকবো কেনো, আমিও জড়িয়ে দরি,,
মেয়েদের শরিল এত নরম কেনো,, আমারতো ঘুমই চোলে আসছে,,

কখন যে ঘুমিয়ে গিয়েছি, বুঝতেই পারি নি,,
আহ কি ঘুম রে,,

কিছুক্ষন পর হঠাৎ ব্যাথা পেয়ে চিৎকার দিয়ে উঠলাম,
তাকিয়ে দেখি আমি নিচে পরে আছি,,
কি ব্যাপার, আমি তো নিলাকে জড়িয়ে ছিলাম,, তাহলে নিচে কি করি,,
উপরে তাকিয়ে দেখি নিলা খাটের উপর বসে রাগে ফুশছে,, ,
আমিঃ কি ব্যাপার,, এই ভাবে তাকিয়ে আছো কেনো,,

নিলাঃ আপনি আমাকে এইভাবে জড়িয়ে দরেছিলেন কেনো,,
আমিঃতোমাকে ডাকতে এসেছিলাম,,আর তখনই তুমি আমাকে টেনে জড়িয়ে দরলে,,তাইতো আমিও,,
নিলাঃলুচ্ছা ব্যাটা কোনহানকার,,,,তাই বলে আমার বুকের মাঝে ঘুমিয়ে যেতে হবে,,
আমিঃতোমার শরিল এত নরম যে আমার ঘুম চোলে এসেছিলো,,
নিলাঃ কি,,,
আমিঃ কই কি,, কিছু না,,,
নিলাঃতবেরে,
এই বলে নিলা আমাকে দৌরাতে লাগলো,,
সারা ঘর দৌরাচ্ছে,,
অবশেষে ভাবির পিছন গিয়ে লুকালাম,,,

নিলাঃআপু তুমি সরো,, আজ ওনার একদিন কি, আমার একদিন,,
ভাবিঃসকাল সকাল তোরা কি শুরু করলি,,,
নিলাঃতুমি সরোতো আপু ওনি সকাল সকাল কি করছে জানো,,
ভাবিঃ কি করেছে,,
নিলাঃওনি আমায়,,, আমি বলতে পারবো না,,তুমি সরোতো,
এই বলে যেই দরতে যাবে, তখন আবার দৌরে পালালাম,,

এ ঘর থেকে ও ঘর,,
অবশেষে আমার রুমে চোলে গেলাম,,
আয়হায় এবার কোথায় যাবো,,
নিলা দৌরে এসে ভার সামলাতে না পেরে আমাকে নিয়ে খাটে পরলো,,
ভাগ্যের কি খেলা,, ও আমার বুকে আর ওর ঠোটদুটো আমার আমার ঠোটের উপর,,

সুযোগ কি আর হাতছারা করা যায়,
ওর হাত দুটো চেপে দরে ঠোটে চুমুক দিয়ে দরলাম,,
নিলা ছোটার জন্য নরাচরা করছে,,
চুমুক দিয়ে দরতেই নিশ্বতব্দ হোয়ে গেছে,,

কিছুক্ষন পর ছেরে দিতেই নিলা আমাকে লাথি থাপ্পর যা পারলো দিলো,,
নিলাঃ লুচ্চা ব্যাটা একটা,
নিলা রুম থেকে দৌরে পালালো,,

কি ত্যাজ রে বাবা হাতে,,
সব জালিয়ে দিলো,,,……..

আমরা নাস্তা করতে বসেছি সবাই,
কেনো জানি ওকে চুমু দেওয়ার পর থেকে পেটের খুদা চোলে গেছে,
তাই খাবার নারা চারা করছি,

ভাবিঃ কি ব্যাপার সবুজ ,, খাচ্ছো না কেনো,,
আমিঃখুদা নেই,,
ভাবিঃকেনো,,
আমিঃসকালে যা খেয়েছি, তাতে আর খুদা থাকবে কি করে,,,

নিলা আমার দিকে রাগী চোখে তাকালো,,

ভাবিঃ কি এমন খেয়েছো যে, খুদা নেই,,
আমিঃবলা যাবে না,, অনেক দামি জিনিস খেয়েছি,,

নিলা আরো রেগে গেলো,,

ভাবিঃআমার ভাইটা কি এমন খেয়েছো যে বলা যাবে না,,,
আমিঃবললাম তো বলা যাবে না,,
ভাবিঃআমার লক্ষি দেবর টা আমায় বলো না,,শুনি,,
আমিঃআচ্ছা শোনো তাহলে,,চুপি চুপি বলি কানটা আগাও,,
আমি যেই ভাবির কানে বলতে যাবো ঠিক তখনই নিলা আমার পায়ে জোরে একটা পারা দিলো,,
আমিঃউ, ভাবি গো,,
ভাবির কানের কাছে চিতকারটা দমিলাম,,
ভাবিঃওরে দুষ্ট এ জন্য কান আগাতে বললি,,
আমিঃ না ভাবি,,
ভাবিঃদুষ্ট মারবো একটা,চুপচাপ খা,,,আমার কানটা গেলো,,

নিলা রেগে রুমে চোলে গেলো,,
ভাবিঃকিরে নিলা,,না খেয়ে চোলে যাচ্ছিস কেনো,,তোর আবার কি হলো,,

নিলা তার রুমে গিয়ে মনে মনে আমাকে ইচ্ছে মতো গালি দিতে লাগলো,,
আমি আড্ডা দিতে বাহিরে চোলে গেলাম,,

বন্ধু সাগর কে কল দিলাম,,
হ্যা তুই কই,,
সাগরঃ মোরের মাথায়,,
আমিঃআচ্ছা থাক, আমি আসছি,,,
সাগরঃআমি আছি তুই আয়,,
আমিঃরোমান আছে,
সাগরঃ হুম সবাই আছে তুই আয়,,
আমিঃআচ্ছা ওয়েট কর আসতেছি,,

ওদের সাথে গিয়ে বেস কিছুক্ষন আড্ডা দিলাম,,

ফেরার পথে ফুচকার দোকান সামনে পরলো,, তখন ই নিলার কথা মনে পরেগেলো,,,
ভাবলাম পাগলিটার জন্য দু প্লেট নিয়ে যাই,,
যেই ভাবা সেই কাজ, নিলার জন্য ফুচকা নিয়ে গেলাম,

ওর রুমে ঢুকে দেখি নিলা সুয়ে সুয়ে বই পরছে,,,
আমিঃ কি করো,,
নিলা কিছুটা রুক্ষ্য ভাষায় বললো,,আপনি দেখেন না কি করি,,
আমি ঃআচ্ছা উঠো,,, দেখো তোমার জন্য কি এনেছি,,

নিলাঃ এখন উঠতে পারবো না,, আপনি যানতো,,

আমি নিলার হাত থেকে বইটা সরিয়ে ওকে টেনে বসালাম,,
ওর দিকে ফুচকার পোটলাটা বারিয়ে দিয়ে বললাম, তোমার জন্য ফুচকা এনেছি,,স্পেসাল ফুচকা,,
নিলা আমার হাত থেকে ফুচকার পোটলাটা নিয়ে আমার মুখে মেরে বললো,,আমি রাস্তার এসব খাই না,, কয়বার বলবো,,যত সব আজাইরা,,

আমার কিছুটা রাগ উঠে গেলো,, তাই পোটলা থেক এক পিজ নিয়ে নিলাকে জোর করে খাইয়ে দিয়ে পোটলাটা নিয়ে চোলে আসলাম,,

আমিঃভাবি, ভাবি,,কোথায় তুমি,,
ভাবিঃকি হোয়েছে,,
আমিঃএদিকে আসোতো,,
ভাবিঃকি বলবা তারাতারি বলো,, রান্না করছি তো,,
আমি ঃ হা করো,
ভাবিঃ কেনো,,
আমিঃআহা করো তো,,
ভাবিঃ আচ্ছা করছি,
আমি একপিজ ফু্চকা ভাবির মুখে পুরে দিলাম,,তারপর ফুচকার পোটলাটা ভাবির হাতে দিলাম,,
ভাবিঃ ওয়াও ফুচকা
আমিঃহুম,,
ভাবি ঃআমার দেবরটা আমায় এত ভালোবাসে,,
আমিঃহুম,,এবার আমাকে খাইয়ে দেও,,
ভাবিঃ আচ্ছা হা করো,,

ভাবি আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে,, আমি ভাবি কে দিচ্ছি,,
ভাবিঃওফ কি মঝা,,
আমিঃস্পেসাল ভাবে বানিয়ে এনেছি,

নিলা একপিজ খেয়ে মনে হয় মঝা পেয়েছে,,তাই বারবার রুম থেকে উকি দিয়ে আমাদের দেখছে,,আর আপছোছ করছে কেনো ফিরয়ে দিলো,,

আমিঃ ভাবি,
ভাবিঃহুম,
আমিঃতোমার বোন কে নিয়ে সাধো,, দেখো খাবে কি না,,
ভাবিঃআচ্ছা,

তারপর আমি আমার রুমে চোলে আসলাম,,
ভাবি ফুচকা নিয়ে নিলার রুমে গেলো,

আমি ফুচকা নিয়ে যেতে পারতাম,,
আমি আবার গেলে হয়তো ইগোর কারনে আমার কাছ থেকে খেতো না,

ভাবি আমার কাছে এসে বললো
ভাবিঃ সবুজ, নিলা ফুচকা খেয়ে বেস তারিফ করলো ফুচকার,,

আমিঃতাই নাকি,,
ভাবিঃহুম,, আরেকদিন এনো তো, তোমার এই এস্পেসাল ফুচকা,,,
আমিঃআচ্ছা আনবো নে,,,

দুপুরে লান্স করার সময় ভাবলাম পা দিয়ে একটু আলতো ছুয়ে দেই,,

পা ছুয়ে যাচ্ছি পা দিয়ে,,
কিন্তু নিলার কোনো পরিবর্তন দেখছি না,
ব্যাপার কি,, আরেকটু বেসি পা ছুয়ে দেখি,
এবারো কোনো পরিবর্তন দেখলাম না,,
ভাবির দিকে তাকিয়ে দেখি আমার দিকে তাকিয়ে আছে,
একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললো,,ভুল করে কার পায়ে পা ছোয়াচ্ছো,,,
আমিঃসরি ভাবি,,
ভাবিঃখাওয়ার সময় দুষ্টমি না করলে হয় না,,চুপচাপ খা,,দুষ্ট একটা,,
নিলা মুচকি মুচকি হাসছে,,,
বিকালে দেখি নিলা ছাদের দোলনায় বসে আছে,,
আমি গিয়ে সোজা ওর পাসে বসে পরলাম,,
নিলা দোলনা থেকে উঠে গিয়ে আমার দিকে করা ভাবে তাকিয়ে বললো,,, সমস্যা কি আপনার,,এভাবে কাছে এসে বসলেন কেনো,,,
আমিঃআরে বেয়াইন রেগে যাচ্ছো কেনো,,,
নিলা ঃআমি এসব পছন্দ করি না,,,
আমিঃকিছু কিছু জিনিস পছন্দ না করলেও অন্যের পছন্দের জন্য করতে হয়,,
নিলাঃআপনি কি আমার বি এফ লাগেন নাকি যে আপনার পছন্দের দাম দেবো,,
আমিঃহোলে ক্ষতি আছে নাকি,,
নিলাঃযত সব আজাইরা লোক,,,
এই বলে নিলা চোলে যেতে লাগলো,,,
আমিঃ এই নিলা, সোনো কথা আছে,,,,
নিলা আমার কথা না শুনে চোলে গেলো,,

রাতে বাহির থেকে আড্ডা দিয়ে বাসায় আসলাম,,
ফ্রেস হোয়ে খাটে হ্যালান দিয়ে একটু রেষ্ট নিচ্ছি,,
তখন নিলার কথা মনে পরলো,,
ওর কথা মনে হোতেই আনমনে হেসে দিলাম,,
এই দুদিনই এমন হচ্ছে,,
ভালোবেসে ফেললাম নাকি ওকে,,,
হয়তো,,

নিলাকে দেখার জন্য মন এমন উসখুস করছে কেনো,,
একবার গিয়ে দেখে আসি আমার বিদেশি ম্যাম কি করে,,

ওর রুমে চোলে গেলাম,,
কাজ নেই সারা দিন শুধু বই পড়ে,,
ওর সামনে বসলাম,,
আমিঃ কি করো,,
নিলাঃদেখতেই তো পারছেন,,
আমিঃও,,আমাকেও একটা বই দেও পড়বো,,
নিলা তার পাস থেকে একটা বই বের করে দিলো,,
আমি বইটা মেলে রেখে ওর দিকে পলক হিন ভাবে তাকিয়ে থাকলাম,,
আসলেই মেয়েটা অপরুপা,, তাকিয়ে থাকতেই মন চায়,,
নিলা হঠাৎ ই আমার দিকে তাকালো,,
আমি আবার চোখ বইতে দিলাম,,
দেখে ফেললো নাকি,,
না আবার বই পড়ছে,,

আমি আবার নিলার দিকে তাকিয়ে থাকলাম,,
নিলা আবার তাকালো,,
এইরে এবার দেখে ফেলেছে,,
আমি বইর দিকে তাকিয়ে আছি,,
নিলা আবার মনে হয় বই পড়ছে,,
এবার তাকানো যাক,,,
মাথা উপরে উঠাতেই দেখি নিলা আমার দিকে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে আছে,,,
তারপর আমার বইটা হাত দিয়ে সোজা করে দিলো,,

মানে আমার বই এতক্ষন উলটা ছিলো,,
হায়হায় মান সমসম্মান গেলো সব,,বই উলটা ছিলো খেয়াল ই করিনি,

নিলা বইটা ঠিক করে আমার দিকে একই ভাবে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে আছে,,
হয়তো জানার চেষ্টা করছে,আমার আসল উদ্দেশ্যটা কি,,
বই পড়া যে আমার উদ্দেশ্য না, সেটা এতক্ষনে বুঝে গেছে,,

আমিঃ সরি বলে একটা বোকা বোকা হাসি দিলাম,,
নিলা এবার চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,
কিছু বলার আগে কেটে পড়তে হবে,,
বইটা পাসে রেখে তরিগরি করে চোলে আসলাম,,,

ওর সবকিছুই আমার ভালোলাগে,, কেনো তা জানি না,,

ওর কথা ভাবলেই মুখে আনমনে হেসে উঠি,,
প্রেমে পরলেই বুঝি এমনি হয়,,

আমিযে নিলার প্রেমে পরেছি ভাবি কিছুটা অনুমান করতে পেরেছে,,

যাই হোক সেদিন বিকালে দেখলাম নিলা সাদে একা মন খারাফ করে বসে আছে,, তাই আমি গিয়ে ওর গা গেসে বসলাম,,
নিলা চুপ করে আমার পাস থেকে উঠে গেলো,,
চোলে যাবে তখন,,
আমিঃপ্রিয়তমা কোথায় যাচ্ছো,,
এইবলে
ওর হাত দরে আবার আমার পাসে বসালাম,,
নিলা এক জটকায় আমার হাত ছারিয়ে
ঠাশ করে একটা চর দিয়ে উঠে দারালো,,
আমি কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
তারপর বলতে লাগলো,,
নিলাঃসমস্যা কি আপনার, আমার হাত দরার সাহস হয় কি করে আপনারা,,,
আমার পাসে বসার মতো জোগ্যতা আছে আপনার,,
আমিঃ???
নিলাঃকি হলো চুপ করে আছেন কেনো,, বিদেশ থেকে পড়ালেখা করে আসছি,,হেংলা মেয়ে পেয়েছেন আমাকে,,যখন ইচ্ছে হাত দরবেন যখন ইচ্ছে ফাজলামো করবেন,,একটা কথা শুনে রাখুন,,এর পর ফাজলামো করলে ভেবে চিন্তে করবেন,, না হয় এর ফল ভালো হবে না,,এ কথা বলেই নিলা কাদতে কাদতে চোলে গেলো,,

আমি ভাবতেও পারিনি নিলা এমন কিছু বলবে,,,
ওর মন ভালো করতে গিয়ে আজ আমার বেহাল দশা,,।
বুঝলাম না,, কান্না করার কথা আমার, সে যায়গায় নিলা কেনো কান্না করলো,,

মুহুর্তেই আমার হাসিখুশি মনটা বেদনায় ভরে গেলো,,,

বেস কিছুক্ষন আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলাম,
তারপর নিচে চোলে গেলাম,,

রুমে ঢুকতে যাবো ঠিক তখনই ভাবি আমার সামনে এসে দারালো,,
ভাবির দিকে তাকাতেই দেখলাম বিরক্তির ছাপ মুখে,,
ভাবিঃ সবুজ, কাজ কিন্তু মোটেও ঠিক করিস নি,,
তোর কাছে এসব আশা করিনি আমি,,
আমার ভাবতেও ঘিন্না হয় তুই,
ছি,,
এই বলে ভাবি আমার সামনে থেকে চোলেগেল,,
আমি হাসবো না কাদবো নিজেই ভেবে পাচ্ছি না,,, ভাবি এসব বলে গেলো,,

নিলা, ভাবির কাছে আমার নামে বিচার দিয়েছে,,
এই সামান্য কারনে,,

রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলাম,,

বেস কান্না পাচ্ছে আমার,,
কিছুক্ষন কাদলাম,,

আসলে আমি সহজে কোনো কথা মনে নেই না,,
যারা মন থেকে কিছু বলে তাদের দারে কাছেও যাই না,,,
কাছের মানুষ দের কাছ থেকে সামান্য বকাও অন্তরে গিয়ে আঘাত করে,,

রাতে ভাবি কয়েক বার খাবার খেতে ডাকলো,,
না বলে দিয়েছি,,
কেনো জানি খেতে ইচ্ছে করছে না,,
বেস কিছুক্ষন পর ভাবি দরজা ধাক্কাচ্ছে,,
ভাবিঃ এই সবুজ দরজা খোল,,
আমিঃকেনো,
ভাবি ঃতোকে দরজা খোলতে বলছি,,

আমি উঠে গিয়ে দরজা খোলতেই দেখি……….
ভাবি ঃতোকে দরজা খোলতে বলছি,,

আমি উঠে গিয়ে দরজা খোলতেই দেখি ভাবি খাবার হাতে দারিয়ে আছে ,,
বিছানায় নিয়ে গিয়ে বসালো আমাকে,,ভাবি ও বসলো পাসে

আমিঃবললাম না খাবো না,, কেনো এনেছো,,
ভাবিঃআমার উপর রেগে আছিস,,
আমিঃরাগবো কেনো,,,তুমি হলে মায়ের মতো,, শাশন করার অধিকার তোমার আছে,,
ভাবিঃআমি যদি মায়ের মতো ই হই তাহলে ভাত খেয়ে নে,

ভাবিঃহা কর,,,

ভাবি আমাকে ভাত খাইয়ে দিচ্ছে,,
ভাবি আবার বলতে লাগলো,,কেনো নিলার পিছন লাগিস,, নিলা বিদেশ থেকে স্টাডি কম্পিলিট করে এসেছে,,ওর ভাব মুর্তি আলাদা,কেনো বুঝিস না,,
তোকে আমার আপন ভাইর মতো মনে করি,, এই ফেমিলিতে আসার পর থেকে তোকে কখনো তোর মায়ের অভাব বুঝতে দেইনি,,,
তুই যেভাবে খুশি, তোকে সেভাবে রাখার চেষ্টা করেছি,,

ভাবির কথা শুনে কেনো জানি চোখ দিয়ে পানি বের হোয়ে গেলো,,
ভাবি ঃএই পাগল কাদিস কেনো,,
ভাবি আমার চোখের পানি মুছে দিলো,,,
ভাবি ঃশোন ভাই আমার, এমন কিছু করিস না যাতে আমার সম্মান যায়, তোর ভাইর সম্মান যায়,নিলা এসে ছে অল্প কিছুদিনের জন্য, ওকে হাসি মুখে বিদায় দিতে পারলেই হলো,,
আমিঃতোমি নিশ্চিত থাকতে পারো,, তোমাদের সম্মানে আচ পরতে দেবো না,,,
ভাবি ঃএইতো আমার লক্ষি ভাই,, এবার ঘুমা,,
এই বলে ভাবি আমার কপালে একটা চুমু দিয়ে লাইট বন্ধ করে চোলে গেলো,,

আমি ঘুমের দেশে চোলে গেলাম,,,

সকালে নাস্তা করতে বসেছি,, নিলা নিচের দিকে তাকিয়ে খাচ্ছে,,
আমিও খাচ্ছি,, কেউ কাউর দিকে তাকাচ্ছি না,,,
এর ভিতর ভাবি কিচেনে গেলো,,
আমি নিলাকে বলে উঠলাম সরি,,
নিলা মাথা উঠিয়ে আমার দিকে তাকালো,,
বুঝার চেষ্টা করছে,,আমি বলেছি কি না,,।
আমিঃআসলে কালকের জন্য সরি,,
নিলা কিছুটা নিচু স্বরে বললো,,আমিও সরি,, কাল মন খারাফ ছিলো, তাই কি থেকে কি বলে ফেলেছি,,,
আমিঃইট,স ওকে,,
তার পর নিচের দিকে তাকিয়ে খেতে লাগলাম,,

বাসায় আর ভালো লাগছে না, তাই বাহিরে বন্ধুদের কাছে চোলে গেলাম আড্ডা দিতে,,,
বেস কিছু ক্ষন আড্ডা দিয়ে, বাসায় চোলে আসলাম,,
আসার সময় ভাবির জন্য তেতুলের চাটনি নিয়ে আসলাম,,,

আমিঃভাবি তোমার জন্য,,
চাটনি গুলো এগিয়ে দিলাম,,
ভাবিঃখুব ভালো করেছিস এনে,,
ফ্রেস হোয়ে আয় খাবি,,,

দুপুরে নিচের দিকে তাকিয়ে খেয়ে চোলে আমলাম,,
রাত হোয়ে গেলো,,
নিলার সাথে সারা দিন আর কোনো কথা হয় নি,,,
দেখিনি,,
দেখবো কিভাবে,, বাসায় আসলে থাকিতো রুমের ভিতর,, প্রোয়োজন ছারা বের হই না,,
পরের দিন বিকালে ছাদে গিয়ে দেখি আজো নিলা দোলনায় বই হাতে বোসে আছে,,

একবার ভাবলাম চোলে যাই,আবার ভাবলাম নাহ,ওর মতো থাকুক, আমি আমার মতো,,
তাই ওর বিপরীদ পাসে ছাদের কিনারে চোলে গেলাম,,
নিলা বই থেকে মুখ উঠিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো,,
বেস কিছুক্ষন ছাদে থাকলাম,,
একবারো তাকাই নি নিলার দিকে,,,

রাতে খেতে বসেছি,, তখন হঠাৎ নিলার পায়ের সাথে পা লাগলো,,
ভাবলাম,, অনইচ্ছাকৃত হয়তো পা লেগেছে,,
কিছুক্ষন পর আবার আমার পা ছুয়ে দিলো নিলা,,,
আমি ওর দিকে তাকিয়ে বুজার চেষ্টা করছি,, অনইচ্ছাকৃত লেগে গেলো নাকি,,
না নিলার ভিতর কোনো পরিবর্তন দেখছি না,,

এবার আমি আমার পা পিছনে নিয়ে আসলাম,,

হঠাৎ ভাইয়া পাস থেকে বলে উঠলো,, কিব্যাপর নিলা,, পা দিয়ে আমার পা খোচাচ্ছো কেনো,,
নিলা কিছুটা লজ্জা পেয়ে ভাইয়াকে বললো,,সরি ভাইয়া,,

আমার হাসি পেলো,,
চুপচাপ খাচ্ছি,,।
ভাইয়া বলে উঠলো,, তা সবুজ ,
পড়ালেখা শেষ করলি কবে,,এখনতো আমার সাথে গিয়ে আমাদের কম্পানিতে জয়েন করতে পারিস,,
আমিঃকরবো,,
ভাইয়াঃকবে,,
আমিঃআর কিছুদিন পর,,
ভাইয়া ঃআচ্ছা ওকে,,

আমি রুমে চোলে আসলাম,,

আজ সকাল সকাল ছাদে গেলাম,কতদিন সকালের রোদ্র গায়ে মাখা হয় না,,

যতো মোর জালা,, একটু দোলনাতে গিয়ে বসবো, তাও নিলা সেখানে বসা,,
এই মেয়ে এত সকাল সকাল তো উঠে না,,

ওর থেকে দুরে ছাদের অন্যপাসে চোলে গেলাম,,।

কিছুক্ষন পর আমার পাসে কাউকে অনুভব করলাম,,
পাসে তাকিয়ে দেখি নিলা,

চুপচাপ দারিয়ে রইলাম,,কোনো কথা বললাম না,
তখন নিলাই বললো,,কি করছেন,,
আমিঃকিছু না,,
নিলাঃও,,,

আমি আর না দারিয়ে সেখান থেকে চোলে আসলাম,,
হয়তো আরো কিছু বলতো,,

দুদিন পর,, বিকালে আদসোয়া
হোয়ে খাটে বসে আছি,
তখন রুমে নিলা সহ ভাবি আসলো,,
আমি ঃকিছু বলবে ভাবি,,
ভাবিঃএকটু কাজ করে দেনা,,
আমি ঃ কি কাজ ভাবি,,
ভাবিঃ নিলাকে নিয়ে একটু মার্কেটে যা না,, ও কি কি কিনবে,,
আমিঃভাবি আমার এখন ভালো লাগছে না,,তুমি দারোয়ান চাচা কে বলো,,, সাথে যেতে,,,
নিলা কিছুটা রেগে বললো,,হোয়াট,, আমি দারোয়ান চাচার সাথে যাবো মার্কেট করতে,,, আমি যাবো না,,আমার লাগবে না কিছু কেনা,,,
এই বলে নিলা আমার রুম থেকে বের হোয়ে তার রুমে চোলে গেলো,,
ভাবি ঃ লক্ষি ভাই আমার, যা না,, ওকে একা ছারতে পারবো না ওর কিছু হোয়ে গেলে আমি বাবার কাছে কি জবাব দেবো,,
বড় মুখ করে এনেছি ওকে,,
জা না ভাই আমার,,

আমিঃওানাকে রেডি হোতে বলো,,
ভাবিঃতুই রেডি হোয়ে আয়,,আমি ওকে বলছি,,

আমি রেডি হোয়ে রুম থেকে বাহিরে আসলাম,, ড্রইং রুমে এসে দেখি নিলা ছোপায় বসে আছে,,
কত যে মায়াবি লাগছে মেয়েটাকে বলে বুঝাতে পারবো না,,

না আমার তাকানো যাবে না,,,

আমি ওর কাছে যেতেই নিলা দারিয়ে গেলো,,
আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে,,
আমিঃচুলুন,

বাহিরে রিক্সার জন্য ওয়েট করছি,,, নিলাকে রিক্সায় উঠিয়ে দিলাম,
রিক্সাওয়ালা মামা কে মার্কেটের ঠিকানা বলেদিছি,,
আমি ঃমামা এবার যান আপনি,,
নিলাঃএই দারান দারান,,
আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো,আপনি যাবেন না,,
নিলা কিছুটা সরে গিয়ে বললো,, উঠুন

আমি একটা মুচকি হাসি দিলাম,,
নিলা ঃ কি হলো উঠুন,,উঠতে না পারলে আমার হাত দরে উঠুন,,
নিলা হাত বারিয়ে দিলো আমার দিকে,
আমিঃআপনার পাসে বসার যোগ্যতা এখনো হয়নি, , আপনি যান আমি পরের রিক্সায় আসছি,,
এই কথা বলতেই নিলার মুখে কেমন পরিবর্তন দেখলাম,,,
কিছুটা মলিন ভাব,,

একটা বড় মলের সামনে নামলাম,,
নিলা দারিয়ে আছে,,
আমি নেমে ভাড়া চুকিয়ে নিলাকে নিয়ে ভিতরে গেলাম,,,

কয়েকটা দোকান ঘুরে ঘুরে দেখলো,
তারপর একটা শাড়ির দোকানে ঢুকলো,,

নিলা শাড়ি দেখছে,,

একটা শাড়ি দেখছি আমি,, ব্লু কালারের,,
বেস পছন্দ হোয়েছে আমার,,
আমি তাকিয়ে তাকিয়ে সেটা দেখছি,,
নিলা হয়তো খেয়াল করেছে,,
তাই দোকানদার কে বললো,, আংকেল ওই শাড়িটা দেখান তো,,
নিলা আমার সামনে শাড়িটা দরে বললো,খুব পছন্দ হোয়েছে আপনার,,
আমিঃআমার পছন্দতে আপনার কি আসে যায়,,,।

নিলা আমার চোখের দিকে একটু তাকিয়ে দোকানদার কে বললো, আংকেল এটা প্যাক করে দিন,,

আমি বুঝিনা ওর আবার হঠাৎ কি হলো,,
এরপর আমাকে নিয়ে একটা ছেলেদের দোকানে ঢুকলো,,,
বুঝিনা ছেলেদের দোকানে ওর কি,,,
নিলা পান্জাবি দেখছে,,
ওর শাড়ির সাথে মেসিং করে পান্জাবি নিলো,,,
দেখতেও খুব সুন্দর।
দোকান্দার তখন( আমাকে দেখিয়ে) বললো,,আপনার হাজবেন্টর গায়ে মানাবে খুব,,
নিলা কিছুটা লজ্জা পেয়ে বললো, থ্যাংস,,,

মার্কেট থেকে বের হোতেই
নিলা আমার দিকে পান্জাবির প্যাকটা বারিয়ে দিয়ে বললো,,
আপনার জন্য,,
আমিঃসরি,,আপনার জিনিস আমি নেবো কেনো,,,
আমার কথায় নিলা কিছুটা ভরকে গেলো,,,
নিজেকে সামলে নিয়ে বললো,,
আমি নিতে বলছি নিবেন,,
আমিঃসরি, আমার যতেষ্ট আছে,, নিতে পারবো না,,,
নিলাঃতো আমি এটাদিয়ে কি করবো এখন,,
আমিঃ আপনি ভালো জানেন আপনি কি করবেন,,

নিলার মুখটা মুহুর্তে মলিন হোয়ে গেলো,,

নিলা আর কোনো কথা বলেনি,,,
নিলাকে একটা রিক্সায় উঠিয়ে দিলাম,,
আমি ও একটা রিক্সা নিয়ে চোলে গেলাম, বাসায়,,,

নিলাকে রেখেই আমি বাসার ভিতর চোলে গেলাম,,
ও আমার পিছন পিছন হেটে আসছে,

নিলার চেহারার মলিন ভাব দেখে ভাবি বললো,, কিরে নিলা কি হোয়েছে,,
নিলা চুপ করে থাকলো,,
ভাবিঃমুখটা এমন শুকনো কেনো,, কি হোয়েছে বলবি তো,,
নিলা ভাবির দিকে পান্জাবিটা এগিয়ে দিলো,,
ভাবিঃপান্জাবি কার জন্য,,
নিলাঃতোমার দেবরের জন্য,,আমার কাছ থেকে নেয়নি,,,
ভাবিঃআচ্ছা মন খারাফ করিস না,, আমার কাছে দে, আমি নিয়ে দিচ্ছি,,

ভাবি পান্জাবিটা নিয়ে আমার রুমে আসলো,,
আমার পাসে এসে বসলো,,
আমি ঃকিছু বলবে,,,
ভাবিঃপান্জাবিটা পরতো দেখি কেমন লাগে,,,,
আমিঃআমার এখন ভালো লাগছে না,,
ভাবিঃতো পান্জাবিটা নিচ্ছিস না কেনো,,
আমিঃডয়ারে আমার আরো তিনটা পান্জাবি আছে,,আমার লাগবে না, তুমি নিয়ে যাও,,,
ভাবিঃবুঝিতো,,আমাকে তোর আপন ভাবতে পারিস নি এখনো,,
আমিঃদেখো ব্লাকমেইল করবা না,
ভাবিঃতাহলে নিচ্ছিস না কেনো,,নে,, না হলে বুঝবো তুই আমায় আপন ভাবতে পারিস নি,, তোর বোন ভাবতে পারিস নি,,
আমি ঃতুমিও না, কিসের মধ্যে কি বলোযে,,
দেও,,,
ভাবিঃএবার এটা গায়ে দে,, একটু দেখি আমার ভাইটাকে কেমন দেখায়,,
আমিঃআবার পরাও লাগবে,,
আচ্ছা পরছি,,,

এবার দেখেছো, হোয়েছে,,
ভাবিঃহুম,এবার খেতে আয়,,
আমিঃআচ্ছা খুলে নেই,,
ভাবিঃনা না,, খোলা লাগবে না,,এটা পরেই খেতে আয়,,
আমিঃবুঝিনা, তোমার আবার কি হোয়েছে,,চলো,,

খেতে বসে একটা জিনিস লক্ষ
করলাম,, নিলা বার বার আর চোখে আমাকে দেখছে,,
হয়তো ওর কিনা পান্জাবি পরেছি বলে,,

রাতের আকাশটা দেখতে মন চাইলো, তাই ছাদে চোলে গেলাম,,
ছাদের এক কোনা গেসে দারিয়ে আকাশ দেখছি,,
রাতের আকাশ দেখতে মজা আলাদা,,

আকাশের দিকে তাকিয়ে তারা দেখায় বিভোর,

,,,,,খুব এরিয়ে চলছেন আমায় তাই না,,,

হঠাৎ নিলার এমন কথায় বেস চমকে গেলাম আমি,,
পাসে তাকিয়ে দেখি নিলা,,
ও এত রাতে এখানে কি করছে,,
নিলা আবার বলা শুরু করলো,,
নিলাঃছোট কাল থেকেই বেস আদরে বড় হোয়েছি, তাই অবহেলাটা সয্য হয় না,,কারো অবহেলা আমি সয্য করতে পারিনা,,,
কিছুক্ষন চুপ করে থাকলো,,
বুঝছি না,, কান্না করছে কি না,,
নিলাঃআসলে সেদিন আমার কাছের এক ফ্রেন্ড গাড়ি এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছে,,তাই মনটা খারাফ ছিলো,,,আর তখন ই আপনি এসে ফাজলামো শুরু করলেন,,
আমিঃকারো মন ভালো করার চেষ্টা করা বুঝি ফাজলামো,,
নিলাঃসরি তো বুঝতে পারিনি,,
আমি ঃভাবির কাছে বিচার দিয়েছিলেন কেনো,,
নিলাঃআমি,,(কিছুটা অবাক হোয়ে)
আমিঃথাক আর অস্বিকার করা লাগবে না,,জানেন তো, কাছের মানুষদের কাছ থেকে সামন্য কথাও অন্তরে গিয়ে আঘাত করে,,
নিলাঃবিশ্বাষ করুন আমি আপুকে কিছু বলিনি,,
আমিঃআমার বিশ্বাষে কি আসে যায়,,আচ্ছা আমি সব ভুলে গেছি আপনিও ভুলে যান,,
নিলাঃতাহলে আপনি আপনি করে বলছেন কেনো,, আমার কাছে আসেন না কেনো,,
আমিঃসবাইকে তুমি বলা যায় নাকি,, আর আপনার কাছে আসতে যে যোগ্যতার প্রোয়োজন আছে আগে জানতাম না,,
আচ্ছা চলি,,এত রাতে দুজনকে কেউ দেখলে খারাফ ভাববে,,

আমি চলে আসলাম,,
পিছন থেকে নিলা বললো,,শনুন,,
নিলার গলা কেমন দরে আসছে,,

আমি রুমে এসে সুয়ে পরলাম,,

সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি….
আমার মামাতো বোন ইরা ড্রইং রুম বোসে আছে,,,

ইরা আমাকে দেখেই জড়িয়ে দরলো,,
আমিঃকিরে কখন আসলি,,
ইরাঃমাএ আসলাম,,রাতে বাসে চরলাম,, সকালে এসে পৌছালাম,,
আমিঃআমাকে বলতি,, পিক করে নিয়ে আসতাম,,
ইরাঃসারপ্রাইজ দিলাম,,
আমিঃভালো তা মামা কোথায়,,?
ইরাঃকোন কাজে যেনো এসেছিলো, সেই কাজে চোলে গেছে,,।
হঠাৎ চোখ গেলো,, কিচেনের দিকে,
নিলা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে,
দেখেতো মনে হয় কিছুটা রেগে আছে,,,
ইরা নিলাকে দেখে বললো,,ভাইয়া উনি কে,,,
আমি ঃবিদেশি ম্যাম,,
ইরাঃকি বলো বুঝিনি,,,।
আমিঃভাবির বোন,,।
ইরাঃদারাও আমি কথা বলে আসি,,
নিলা আমার দিকে কেমন ভাবে যেনো রাগী চোখে তাকালো,,
আমি ছাদে গেলাম,,,
হঠাৎ নিলা পিছন থেকে বললো,,আপনাকে আপু নাস্তা করতে ডাকছে,,
আমি নিচে যেতে লাগলাম,,
তখন নিলা আবার বললো,,মেয়েটা আপনার কি হয়,,
আমি এবার ঘুরে নিলার দিকে তাকালাম,,
নিলা আমার চোখের দিকে নিরলিপ্ত ভাবে তাকিয়ে আছে উওরের আশায়,,
আমিঃআপনার বেয়াইন হয়,,,
নিলাঃআপনার কি হয়,,
নিলা কি বুঝাতে চাচ্ছে আমি তা ভালোভাবেই বুঝেছি,,
আমি আর কিছু না বলে নিচে চোলে আসলাম,,
নাস্তার টেবিলে বসে নাস্তা খাচ্ছি,,
নিলা আমার সামনে বসেছে,ইরা পাসে,,,

খাবার খেয়ে যাচ্ছি,,ইরা টুকটাক কথা বলছে,,
নিলা শুধু আমাদের দুজনের মুখের দিকে তাকাচ্ছে,,

ভাবি ইরাকে বললো,, তা বোন আমার,তোমার খবর কি,,,পড়ালেখা কেমন চলে,,
ইরাঃএতো কোনো রকম চলে ভাবি,,
ভাবিঃকেন,কোনো রকম কেনো,
ইরাঃএমনেই,,

বিকালে ইরা বায়না দরলো,, আমার সাথে ঘুরবে,,
আমিঃআচ্ছা রেডি হোয়ে নে,,,
ইরা ঃতুমি যাষ্ট পাচ মিনিট ওয়েট করো,,, আমি রেডি হোয়ে আসছি,,
আমিঃআচ্ছা তারাতারি আয়,,

আমি ড্রইং রুমে বোসে আছি,,
তখন ভাবি আসলো,,
ভাবিঃ সবুজ কোথায়ও যাচ্ছিস,,
আমিঃহুম, ইরাকে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো,,
ভাবিঃঘুরতে যখন যাবিই, তখন নিলাকে সাথে নিয়ে যা,
আমিঃআচ্ছা ওনাকে রেডি হোতে বলো,
ভাবির পিছন থেকে নিলা বললো, আমি রেডি,,
আমি নিলার দিকে তাকিয়ে আবারো প্রেমে পরে গেলাম,,
না কি ভাবছি,,, ওর প্রেমে পড়া যাবে না,,
আমি এসব ভাবছি, তখন ইরাও এসে বললো, হোয়ে গেছে আমার চলো,,,,
আমি নিলাকে বললাম চলুন,,

বাহিরে রিক্সা নিতে গিয়ে জামেলা,,,লোক হলাম তিনজন,,,
আমিঃআচ্ছা তোমরা দুজন একরিক্সায় যাও,,আর আমি একা এক রিক্সায় যাচ্ছি,,
ইরাঃআমি তোমার সাথে যাবো,,
আমিঃওনি কি একা যাবে নাকি রিক্সায়,,।
ইরাঃকিচ্ছু হবে না,,

নিলা শুধু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে,,
দেখছে আমি কি বলি,,

আমি নিলাকে উদ্দেশ্য করে বললাম,,, আচ্ছা তাহলে আপনি এই রিক্সায় উঠেন,,আমরা দুজন এই রিক্সায় উঠি,,
নিলা কিছু বললো না,,
রিক্সায় উঠে গেলো,
পিছন থেকে দেখলাম নিলা হাত দিয়ে চোখ মুচছে,,,

আমরা গিয়ে একটা পার্কের সামনে নামলাম.

তিনজন হাটছি,আমি মাঝে, ওরা দুজন দু পাসে,,
ইরা ফুচকার দোকান দেখে বললো,,, জনি ভাইয়া আমি ফুচকা খাবো,,
আমিঃআচ্ছা চল,
নিলা কে জিগাসা করলাম,, আপনি খাবেন,
নিলা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দিলো,,
বুঝলাম খাবে,,

তিনজন গিয়ে ফুচকার দোকানে বসলাম,,
আমি ঃ মামা তিন প্লেট ফুচকা দেন তো,,

তারপর ইরা বললো,
ইরাঃ সবুজ ভাইয়া, আমি তোমাকে আর ভাইয়া বলে ডাকতে পারবো না,, নাম দরে তুমি করে বলবো,,
আমি কিছু বলার আগেই নিলা বলে উঠলো,,কেনো,, তোমার বড় ভাইকে নাম দরে তুমি করে বলবে কেনো,, তাছারা তোমার বড় ভাই হয়তো,
ইরাঃতো কি হোয়েছে,,আমি তুমি করে বলবো,,
আমিঃআচ্ছা তুমি করে বলিস,,
নিলা কিছুটা রেগে বললো,তুমি করে বলবে মানি,, তোমা…..
তখন ফুচকা চোলে আসলো,,তাই নিলাকে থামিয়ে দিয়ে বললাম,, ফুচকা খান,,
আমরা চুপচাপ ফুচকা খাচ্ছি,,
হঠাৎ ইরা বললো,,সবুজ আমাকে একটা ফুচকা খাইয়ে দেও,হা…
আমিঃনিজে নিয়েই তো খেতে পারিস,,
ইরাঃদেওতো এই হা করলাম,,
আমিঃকি যে পাগলামি করিস,,, নে,,
ইরাকে খাইয়ে দিলাম,,,
ইরার এই ঢং দেখে নিলার গা জলে যাচ্ছে,,তা মুখ দেখেই বুজা যাচ্ছে,,,
ইরা এবার বললো, হা করো,, খাইয়ে দেই,,
আমিঃআচ্ছা দে,,
আমি হা করতেই খাইয়ে দিলো,, তবে ইরা নয় নিলা,,,
ইরা আর আমি অবাক,,,
ইরা ফুচকা হাতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,,
নিলা কিছুটা রেগে বললো,,বেসি ফুচকা খাওয়ার ইচ্ছা না,, খান,,
এই বলে ফুচকার ফেলেটা ফেলেই চোলে গেলো,,,
এর আবার কি হলো,,
ইরা ঃওনি এমন করলো কেনো, ,
আমিঃতুই বুঝবি না,, ফুচকা খা,,,,,
নিলা সেখান থেকে রাগ করে বাসায় চোলে আসলো,,
নিলার মনে যে কিছু একটা চলছে,,তা বেস ভালো করেই বুঝছি,,,,

আরো কিছুক্ষন গোরাফিরা করে বাসায় চোলে আসলাম,

বাসায় ঢুকতেই দেখলাম নিলা ড্রইং রুমে বসে আছে,,
আমাকে দেখে নিলা চোখ গড়ম করে আমার দিকে তাকালো,,,
তখন ভাবি কিচেন থেকে এসে বললো,,সবুজ, নিলা একা একা চোলে আসলো কেনো,,
আমিঃওনি ই ভালো যানে,,,
আমি রুমে চোলে আসলাম,,

রাতে রুমে বসে ইরা আর আমি গল্প করছি,,,
তখন নিলা কফি হাতে রুমে ঢুকলো,,
আমার দিকে বারিয়ে দিয়ে বললো,, কফি আপনার জন্য,,,
তখন ইরা বললো আপু আমার জন্যও এক মগ কফি আনো,,,
আমি কফিটা নিয়ে ইরাকে দিয়ে দিলাম,,,
ইরাঃতুমি খাবে না,,,
আমিঃনাহ,,
নিলা ফিছন ঘুরে চোলে গেলো,, নিলার চোখের কোনে স্পস্ট পানি দেখতে পেলাম,,,

রাতে ডিনার করার সময় ভাবি বললো,,সবুজ তোর জন্য আজ নিলা নিজের হাতে স্পেসালভাবে কফি বানিয়েছে,,খেয়ে কেমন বুঝলি,,
আমি নিলার দিকে তাকালাম,, নিলা আমার চোখের দিকে এক পলক তাকিয়ে মাথা নিচু করে ভাত নারা চারা করতে লাগলো,,

আমিঃকফিটা ইরা খেয়েছে,,
ভাবিঃবানালো তোর জন্য খেলো ইরা,,
আমিঃসবার সব জিনিস খাওয়ার জন্য যোগ্যতা লাগে,,।
ভাবিঃবুঝলাম না,,
আমিঃ কিছু না, খাওতো,,
নিলা খাবারে আছতে করে পানি ঢেলে রুমে চোলে গেলো,,

রাতে ইরাকে নিলার সাথে ঘুমুতে দেওয়া হলো,,

সকালে ঘুম থেকে উঠতেই কাউকে রুম থেকে বের হোয়ে যেতে দেখলাম,,
ফ্রেস হোয়ে নাস্তা করতে বসলাম,,তখন ইরা বললো,,সবুজ ভাইয়া আজ কিন্তু আমাকে সারাদিন ঘুরাতে হবে,,
আমিঃআমার তো আজ সময় হবে না,,আচ্ছা আমার এক ফ্রেন্ড কে বোলে দিচ্ছি,, ও ই তোকে ঘুরাবে,,,
ইরাঃআচ্ছা,,তারাতারি আসতে বলো,,নিলা আপু তুমি যাবে নাকি,,,
নিলা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো, না জাবো না,,

আমি আমার কাছের ফ্রেন্ড রোমন কে কল করে চোলে আসতে বললাম,,
সে ইরাকে নিয়ে ঘুরতে বের হোয়ে গেলো,,,
আমি আমার কাজে চোলে গেলাম,,,

রাত হোয়ে গেলো এখনো বাসায় ফিরিনি,,,
হঠাৎ আমার ফোনটা বেজে উঠলো,,ফোন বের করেই দেখি ভাবির ফোন,,
আমিঃহুম ভাবি বলো,,
ভাবিঃকি করছিস এখনো,,
আমিঃএকটু কাজে আছি,,
ভাবি কে পাস থেকে কে যেনো শিখিয়ে দিচ্ছে,, কখন আসবে,,
ভাবিঃকখন আসবি,,
আমিঃআসতে একটু রাত হবে,,
ভাবিঃতারাতারি চোলে আসিস,,
আমিঃহুম,,

বাসায় ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হোয়ে গেলো,,
কলিং বেল দিতেই নিলা দরজা খুলে দিলো,,,
আমি পাস কাটিয়ে চোলে আসলাম,,
বাকিরা সব ঘুমিয়েছে,,

ফ্রেস হোয়ে ছাদে চোলে গেলাম,,

বেস তো আনন্দেই আছেন দেখছি,,

নিলা কখন যে আমার পাসে এসে দারালো বলতেই পারলাম না,
নিলার কথায় বুঝতে পারলাম,,
নিলা আবার বললো,,,কষ্ট দিতে খুব ভালোই যানেন,,
এবার নিলার দিকে তাকালাম,
ওর চোখে পানি চিক চিক করছে,,
নিলাঃসামান্য একটা কারনে আপনি আমাকে এভাবে এরিয়ে চলছেন,,,
আমিঃকারনটা সামন্য হলেও কথা গুলো সামান্য ছিলো না,,
নিলাঃতার জন্য তো সরি বললাম,,আর কারন ও বলেছি,,
আমিঃতার থেকে বেসি কষ্ট লেগেছে ভাবির বলা কথা গুলো,,, কেনো সেদিন সুধু শুধু ভাবির কাছে বিচার দিলেন,, ইচ্ছা হলে দুটো থাপ্পর দিয়ে দিতেন আমায়,,

নিলা এবার কেদে দিয়ে বললো,,বিশ্বাষ করুন আমি আপুর কাছে বিচার দেইনি,,,আমি বিদেশ থেকে পড়া লেখা করতে পারি কিন্তু এত অহংকারি না,,
সেদিনের কথা গুলো আমি রেগে গিয়ে বলেছি, একটা কথাও মন থেকে বলিনি,,,
আমিঃযে ভাবেই বলেছেন, কথা গুলোতো সত্য,,,,
আরো গল্প পড়ুনঃGolpo বাড়িওয়ালার_দুষ্টু_মেয়ে
হঠাৎ নিলা আমাকে জড়িয়ে দরে বললো,প্লিজ এভাবে বলবেন না খুব কষ্ট হয়,,,খুব ভালোবেসে ফেলেছি আপনাকে প্লিজ,,অনেক ভালোবাসি,,

হঠাৎ নিলা আমাকে জড়িয়ে দরে বললো,প্লিজ এভাবে বলবেন না খুব কষ্ট হয়,,,খুব ভালোবেসে ফেলেছি আপনাকে প্লিজ,,অনেক ভালোবাসি,,

আমিও ওকে জড়িয়ে দরবো ঠিক তখন ভাবির কথা গুলো মনে পড়লো,,
তাই ওকে কাছ থেকে ছারিয়ে নিলাম,,
নিলা আমার দিকে অবাক নয়নে তাকিয়ে আছে,,,
নিলাঃকি হলো,, ভালোবাসবেন না,,
আমি ঃদেখুন,, আপনার যোগ্য কাউকে খুজে নিয়েন,,
আমি চোলে আসবো,,
তখন নিলা আমার হাত চেপে দরে মুখের কাছে মুখ এনে চোখে চোখ রেখে বললো,,
আমি এগুলো শুনতে চাইনি, ভালোবাসেন কি না,,
আমিঃদেখুন,, অনেক রাত হোয়ে গেছে,, কেউ দেখলে সমস্যা হবে,,,
সকালে কথা হবে
এই বলে আমি নিচে চোলে আসলাম,,

সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করার জন্য টেবিলে গেলাম,,
সবাই বসে আছি কিন্তু নিলাকে দেখছি না,,,
তখন ভাবি বললো,,কিরে নিলা কই,,
এই নিলা, নিলা নাস্তা করতে আয়,,
ইরাঃভাবি আমি ডেকে নিয়ে আসছি দারাও,,
ইরা নিলার রুমে গিয়ে নিলাকে ডেকে নিয়ে এলো,,
নিলার চোখ দেখে ভয় করে উঠলো,,,
লাল হোয়ে আছে চোখ জোড়া,,,
নিলা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে সামনের চেয়ারে বসলো,,
ভাবিঃ কিরে তোর চোখ এমন লাল কেনো,, রাতে ঘুমাস নি,,,
তোকে নিয়ে আর পারি না,, সারা দিন শুধু বই বই আর বই নিয়ে পরে থাকে,,
এই বলে ভাবি কিচেনের দিকে যাচ্ছিলো,,তখন নিলা গম্বির শুরে বললো,,,
নিলাঃদারাও আপু,,,
ভাবি ঘুরে নিলার দিকে তাকালো,,নিলার এমন গম্বির স্বর শুনে ভাবি নিলাকে জিগাসা করলো,,
ভাবিঃকিরে নিলা তোর কি হলো,,, জ্বরটর আসলো নাকি,,
নিলা ঃআপু সেদিন কি আমি তোমার কাছে ওনার নামে কোনো বিচার দিয়েছিলাম,,,,
ভাবিঃনাতো,,
নিলাঃওনার নামে কোনো কিছু বলেছিলাম,,,
ভাবিঃনাতো,,কেনো
নিলা আমার দিকে তাকিয়ে বললো,,,দেখেছেন আমি সত্যি বলেছিলাম,,
ভাবি আমাদের দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে,,
নিলা ঃতহলে সেদিন ওনাকে শুধু শুধু বকে ছিলে কেনো,, তোমার জন্য আজ আমায় ওনি এরিয়ে চলছে,ঠিক মতো কথা বলছে না,,,
ভাবিঃতুইতো সেদিন কান্না করতে করতে ছাদ থেকে নেমেছিলি,আমি জিগাসা করলে ও তুই তো কিছুই বলিস নি, আর ছাদে দেখলাম সবুজ কে,,
ভাবলাম ও বুঝি তোকে কিছু বলেছে,,,তাইতো ওকে একটু বকা দিলাম,,,
নিলাঃতোমার বকা দেওয়াতে আজ আমার সাথে ওনি ঠিক মতো কথা বলে না,,

নিলা নাস্তা না করে,, রুমে রুমে চোলে গেলো,,
ভাবি আমার দিকে তাকিয়ে আছে তাই আমিও চোলে গেলাম,,

বাহিরে বের হওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি তখন ইরা বললো,,বাহিরে যাচ্ছো বুঝি,,
আমিঃহুম,,
ইরাঃআমি বাসায় একা একা বোর হচ্ছি,,একা একা ভালো লাগে না,,
আমিঃআমার সাথে চল,,
ইরাঃনা,,তোমার সাথে বেসি ঘুরা যায় না,, তোমার বন্ধু কে বলো আসতে,, ওনি আমায় অনেক যায়গায় ঘুরায়,,,অনেক কিছু খাওয়ায়,,
আমিঃহোয়েছে,, আর বলতে হবে না,, পানি তো দেখি অন্য দিকে গড়াচ্ছে,,,
ইরা কিছুটা লজ্জা পেয়ে বললো,,ভাইয়া,,
আমিঃআচ্ছা আচ্ছা আমি রোমান কে বোলে দেবো,,

এই বলে আমি বাহিরে বের হোয়ে গেলাম,,,

ভাবি নিলার রুমে গিয়ে দেখে নিলা বালিশে মুখ গুজে কাদছে,,
ভাবি নিলার মাথায় হাত রাখলো,,
তখন নিলা চোখ মুছে উঠে বসলো,,
ভাবি ঃকিরে বোন কি হোয়েছে তোর,,
নিলাঃ???
ভাবিঃআমি যা অনুমান করছি, তা কি সত্যি,,,

নিলা নিচের দিকে তাকিয়ে আছে,,
ভাবিঃআমার দিকে তাকা ,,,
নিলা ভাবির দিকে তাকালো,,
ভাবিঃতুইকি সবুজ কে ভালোবেসে ফেলেছিস,,
নিলা আবার নিচের দিকে তাকালো,,

ভাবি ঃদেখ বোন আব্বু এটা কখনো মানবে না ,,
নিলাঃকেনো মানবে না,,
ভাবিঃ সবুজ এখনো বেকার,, তাছারা তুই বিদেশ থেকে গ্রেজুয়েশন কম্পিলিট করে এসেছিস,,তুই আরো ভালো ভালো উচু লেবেলের ছেলে পাবি,, ওকে বুলে যা,,,আব্বু মানবে না,,
নিলাঃকখনো না,, আমি উচু লেবেলে ছেলে চাই না,, আমি ওকেই চাই,,, আর আব্বু কে তুমি বললে অবশ্যই মানবে,,,,
ভাবিঃআচ্ছা পরের টা পরে দেখা যাবে,,আচ্ছা তুই ওকে এই কথা বলেছিস,,,
নিলাঃহুম
ভাবিঃতো কি বললো,,
নিলা কিছুটা কাদার স্বরে বললো,,কিছুই না,, সেদিনের ওমন ব্যাবহারের জন্য আমার উপর এখন রেগে আছে,,বাকিটা তোমার বকার জন্য এখন কথাই বলছে না,,
ভাবিঃ সবুজ একরোগা টাইপের ছেলে,, তাই বলছি তুই অন্য কোনো ছেলে দেখ,,
নিলাঃতুমি আমাকে চেনো না,,এই নিলা কি জিনিস সামনে দেখবে,,এখন ওনাকে সরি বলে আসো,,যাও
ভাবিঃআচ্ছা যাচ্ছি,,নাস্তা খেতে আয়,,
নিলাঃএখন ভালো লাগছে না,, পরে খাবো,,, যাও সরি বলে আসো,,,
ভাবি ঃআচ্ছা যাচ্ছি,,,

অন্য দিকে রোমান ইরা কে নিয়ে ঘুরে বাসার সামনে নামিয়ে দিলো,,
ইরাঃথ্যাংক,স
রোমানঃআচ্ছা একটা কথা জিগাসা করি,,
ইরা ঃকরেন,,
রোমান ঃআপনি কি কারো সাথে রিলেশন করেন,,
ইরাঃনা,,
রোমানঃসত্যি তো,,
ইরাঃজি,,,
রোমানঃআমার বিশ্বাষ হচ্ছে না,,সত্যি করেন নাতো,,
ইরাঃ না,, না,সত্যি করি না,,
রোমানঃও,,
এবার ইরা একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললো,,
ইরাঃকেনো বলুন তো,
রোমান কিছুটা লজ্জা পেয়ে বললো,,কিছুনা, আমি যাচ্ছি,,,,,

রোমান কিছুদুর যেতেই ইরা রোমান কে পিছন থেকে ডাক দিল,,
রোমান ইরার ডাক শুনে বাইক জোরে ব্রেক করলো,,আর সাথে সাথে স্লিপ কেটে পরে গেলো,,
হাত কিছুটা ছিলে গেছে
ইরা দৌরে গিয়ে হাত টেনে উঠালো,,
ইরাঃপাগল হলেন নাকি,, এই ভাবে কেউ ব্রেক করে,,, যদি কিছু হোয়ে যেতো,, দেখেন কতটা ছিলে গেছে,রক্ত বের হচ্ছে,,,
রোমান ঃকিছু হবেনা,,
ইরাঃ ওনাকে বলেছে কিছু
হবে না, হাত দেন,,,
ইরা সাইড ব্যাগ থেকে রুমাল বের করে বেদে দিতে লাগলো,,আর বকতে লাগলো,,
ইরাঃউল্লুক কোথাকার,,, বাইকও চালাতে পারে না,,
হোয়েছে,,
রোমান চোলে যেতে লাগলো,,
ইরাঃএই আপনাকে যেতে বলেছি,,
রোমানঃনা,,
ইরাঃতাহলে যান কেনো,,
রোমান ঃআচ্ছা যাবো না,,কি বলবেন বলেন,,
ইরাঃআপনার নাম্বার দিয়ে যান,,
রোমানঃকি করবেন,,
ইরাঃ আপনার মাথা করবো, দেন,,
রোমানঃনেন,, 017894972……
ইরাঃসাবধানে যাবেন।পরে কথা হবে,,
ইরা বাসায় যাওয়া দরলেই
পিছন থেকে রোমান আবার বললো,আপনি সত্যিই রিলেশন করেন নাতো,,
ইরা মুচকি হেসে বললো,পাগল একটা , যানতো,,,

রাতে রুমে বোসে আছি,ইরা পাসে বসে বসে ,, সারাদিন কোথায় কোথায় ঘুরলো,,তা বলছে,
তখন নিলা কফি নিয়ে রুমে ঢুকলো,,
আমার দিকে কফির মগটা বারিয়ে দিয়ে বললো,,
নিলাঃ নিন খান,,
আমি নিলার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলাম,,
নিলাঃ কি হলো নিন খান,,
আমি হাতে নিতেই ইরা আমার কাছ থেকে কফির মগটা নিয়ে গেলো,,
ইরাঃআমি খেয়ে টেষ্ট করে নেই,,
নিলা ইরার হাত থেকে কফির মগটা ছো মেরে নিয়ে বললো,,এটা তোমার জন্য না, ওনার জন্য,,নিন,
আমি কফির মগটা হাতে নিয়ে ইরার দিকে তাকি মুচকি হাসি দিলাম,
নিলাঃতোমার জন্য আনছি দারাও,,আপু আপু, একমগ কফি দিয়ে যাওতো,,
ভাবি কফির মগ হাতে নিয়ে রুমে ঢুকলো,
নিলাঃইরাকে দেও কফিটা,

ভাবি ইরাকে কফির মগটা দিয়ে আমার পাসে এসে বসলো,,
ভাবিঃভাই আমার, ক্ষমা করে দে আমায়,, সেদিন না বুৃঝে কত কি বলেছি,,
আমিঃকি যে বলো,,মা থাকলে হয়তো এমনই শাষন করতো,,তুমি মায়ের মতো আমাকে বকতেই পারো,,
ভাবিঃআচ্ছা তোরা কথা বল,,আমি কিচেনে গেলাম,,,

ভাবি কিচেনে চোলে গেলো,,

নিলা বসে বসে আমার কফি খাওয়া দেখছে,,
কফি অর্ধেক শেষ হোতেই নিলা আমার কাছ থেকে কফির মগটা নিয়ে গিয়ে বললো,,আর খেতে হবে না, দেন,,
আমিঃশেষ করি,,
নিলাঃখেতে হবে না, বাকিটা আমি খাবো,,

পাগল টাগল হলো কিনা কে জানে,,,

এভাবেই একসপ্তাহ কেটে গেলো,,

সকাল সকাল ড্রইং রুমে বসে টিবি দেখছি, তখন নিলা সহ ভাবি আসলো,,,
আমি ঃকিছু বলবে ভাবি,,
ভাবিঃএকটু নিলার সাথে এয়ারপোর্ট যাতো,,
আমি ঃকেনো,,
ভাবিঃবিদেশ থেকে আমার ফুফাতো বোন আসবে,,নিলা যাদের বাসায় থেকে স্টাডি করেছে,,
আমিঃতুমি সাথে গেলেইতো পারো,,
ভাবিঃআমার হাতে কাজ আছে,, আমি যেতে পারবো না,,তুই যানা,,আব্বু গাড়ি পাঠিয়েছে,,
আমিঃআচ্ছা যাচ্ছি,,

নিলা আর আমি নিচে গেলাম,,
গাড়িটার সামনে গিয়ে দারালাম,,
ভাবলাম একা একা গিয়ে কি বোর হবো নাকি, তাই আমার কাছের ফ্রেন্ড #সাগরকে আসতে বললাম,,
পিছন থেকে নিলা বললো,,আমাদের মাঝে আবার আপনার বন্ধুকে টানছেন কেনো,,
আমিঃএকা একা বোর হবো নাকি,,
নিলা আর কিছুই বললো না,,

সাগর আসলে ওকে নিলার সাথে পিছন বসতে বললাম,তখন নিলা বলো,
নিলাঃ না ভাইয়া আপনি সামনে বসেন,,
কি আর করার,, সাগর সামনে বসলো আর আমি নিলার সাথে পিছন বসলাম,,

গাড়ি চলছে আপন গতিতে এয়ারপোর্টের দিকে,,

আর আমি চুপচাপ বসে আছি,,
নিলা হঠাৎ আমার হাতের আঙুল গুলো ওর হাতের আঙুল দিয়ে পেচিয়ে দরলো,,
আমিঃএই কি করছেন,,ছারেন,,সাগর দেখবে,,
নিলা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অন্যহাত দিয়েও আমার হাত চেপে দরলো,,

আমি হাত ছারাতে না পেরে চুপ করে থাকলাম,,
নিলা আমার এক হাত ওর দুহাতের মাঝে চেপে দরে আছে,,
আমার অবস্থা দেখে নিলা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিলো,,
সামনে থেকে সাগর আমাদের কাহীনি দেখে হাসছে,,
নিলা আমার হাতটায় হঠাৎ একটা চুমু দিলো,
আমি সিহরিত হোয়ে গেলাম ওর আলতো ছোয়ায়….

ওর দিকে রাগী চোখে তাকালাম,,সামনে ওরা বসে আছে তাই কিছু বলতে ও পারছি না,,
নিলা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে
মুখ চেপে হাসছে,,,

কিছুক্ষন পর এয়ারপোর্টে এসে নামলাম,,
প্লেন ল্যান্ড করতে এখনো, এ ঘন্টা বাকি,, তাই কিছু চিপস জুস নিয়ে নিলাম সাথে,,,
নিলা পাসে তাই পর্মালিটির জন্য নিলাকে বললাম,, কিছু খাবেন আপনি ,,,
নিলা ঃআপনার আদ খাওয়া জুস দিলেই হবে,,
আমিঃকি!
নিলাঃ যেটা শুনেছেন সেটাই,,
আমিঃআমি কাউকে ভাগ দিতে পারবো না,, আপনার যা খেতে ইচ্ছে হয় এখান থেকে নিয়ে নিন,,
নিলা,আমার যা খেতে ইচ্ছে হয় তাতো এই কেন্টিনে নেই,
আমি ঃতাহলে কোথায় আছে,,
নিলাঃ দুষ্ট একটা হাসি দিয়ে বললো,,আপনার কাছে আছে,,
আমি ঃকি পাগলামো কথাবার্তা,, আমি গেলাম,,

সাগর পাসের মোরে সুখ টান দিতে গিয়েছে..
এয়ারপোর্টের ভিতর গিয়ে কাউন্টারে বসলাম,,,
নিলা ও এসে আমার পাসে বসলো,,,
আমি জুসের বোতলের কাকটা খুলে মুখ লাগিয়ে খাচ্ছি,,
নিলা আমার খাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে,,
অর্ধেক শেষ হোতেই নিলা টান মেরে জুসের বোতলটা নিয়ে মুখে লাগিয়ে চুমুক দিয়ে জুস খেতে লাগলো,,
আমি ঃএটা কেমন অসভ্যতামি,,,

নিলা তৃপ্তির একটা হাসি দিয়ে বললো,,অসভ্যতামি না,,এটা ভালোবাসা,,
আমি কিছু না বলে চুপ করে থাকলাম,,
এবার চিপস খাবো তখন ভাবলাম আবার থাবা দিতে পারে তাই,, নিলাকে জিগাসা করলাম,, চিপস খাবেন,,আরেকটা আছে,,,আমারটা থাবা দিবেন না,,
নিলা ঃদেন,, থাবা দেওয়ার কোনো কারন নেই,,চিপস এ আপনার ঠোটের কেনো ছোয়া পাওয়া যাবে না,,

আমিঃ(কি মেয়েরে বাবা কোনো লজ্জা সরম নেই,কি বলে,,,)নিন,,
নিলাঃএত লজ্জা পাচ্ছেন কেনো,,

দুর কি জালায় পরলাম,, সাগর হারামি টায় যে কোথায় গেলো,,,

কিছুক্ষন পর প্লেন এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করলো,,
আমরা ভিতরে গেলাম,,
গিয়ে তো দেখি আরেক কান্ড,,,
সাগর হারামীটা কোন একটা মেয়ের সাথে সমানে জগরা করছে,,

মেয়েটাকে পিছন থেকে দেখা যাচ্ছে না,,,
ওর কাছে গেলাম,,সাথে নিলা আছে,,

আমিঃকিরে কি হোয়েছে?
সাগর ঃআর বলিস না,,এই পেত্নিটা কোথা থেকে যেনো এসে গায়ে পরলো,, আর এখন বলছে নাকি আমার দোষ,,

মেয়েটা পিছন ঘুরতেই নিলা এবং মেয়ে দুজন দুজন কে জড়িয়ে দরলো,,
নিলাঃকেমন আছিস,,
মেয়েটা ঃভালো আর থাকতে পারলাম কোথায়,কাউন্টার থেকে বের হোতেই এই দামরা ছেলেটা এসে আমার গায়ে পড়লো,,
নিলাঃআচ্ছা হোয়েছে,,পরিচিত হোয়ে নে,,ওনি হলেন সবুজ , আপুর দেবর,,আর যার সাথে ধাক্কা লাগলো ওনি হলেন সাগর ভাইয়া, ওনার বন্ধু,,
এবার মেয়েটাকে দেখিয়ে দিয়ে নিলা বললো,,এ হলো আমার ফুফাতো বোন মিম,,,।
মিম হায় বলে আমার দিকে হাত বারিয়ে দিলো,, আমি যেই হাত বারাতে যাবো তখন নিলা মিমের হাত সরিয়ে দিয়ে বললো,,হোয়েছে সাগর ভাইয়ার সাথে পরিচিত হোয়ে নে,
মিম ঃওনার মতো বতজ্জাতের সাথে পরিচিত হতে আমার ভোয়েই গেছে,, চল,,

আমরা গাড়ির কাছে গেলাম,,,
গাড়ির পেছনে সিট আছে চার টা,,তাই আমি একদম পিছনের এক সিটে গিয়ে বসলাম,,
মিম আমার পাসে যেই বসতে যাবে তখন নিলা বললো, এই কি করছিস,, তুই ওখানে গিয়ে বস,,,
মিম ঃ আমি ওই বজ্জাতের সাথে বসতে পারবো না,, ,, আমি এখানেই বসবো,,,
এই বলে মিম আমার পাসে বসে পরলো,,
নিলা ভালোই যব্দ হোয়েছে,,,

নিলা সাগরে পাসে বসে পরলো,,
আমি নিলার মুখের এক্সপেশন দেখে হেসে দিলাম,,
নিলা পিছন ঘুরে আমার দিকে তাকিয়ে কিছুটা রেগে বললো,, মেরে মুখ বেঙ্গে দেবো হাসলে,,,
আমি বাহিরের দিকে তাকিয়ে হাসি চাপিয়ে রাখার চেষ্টা করছি,,
নিলা এখনো রাগী ভাবে তাকিয়ে আছে,,

মিমঃতো আপনি কেমন আছেন,,
আমি ঃভালো,,তুমি,,
মিমঃভালো,,,

আমরা দুজন কথায় মসগুল,,নিলা বারবার পিছন ঘুরে আমাদের দিকে তাকাচ্ছে,আর রাগছে,,

নিলা হঠাৎ আমার দিকে রাগি চোখে তাকিয়ে বললো,, এই মিম ওনার গায়ের সাথে চেপে বসেছিস কেনো,, সরে বস,,
মিমঃকোথায় চেপে বসলাম,,আপনার দিকে কি চেপে বসেছি আমি,, (আমার দিকে তাকিয়ে বললো),,
আমিঃকই নাতো,,
মিমঃদেখেছিস,,(নিলার দিকে তাকিয়ে বললো)
নিলা আমার দিকে আবার সেই রাগি চোখে তাকিয়ে বললো, ওনার তো বালোই লাগে,,বদ কোথাকার,,,
মিমঃহোয়েছে এবার সামনে তাকা,,,
নিলা এবার সামনে তাকালো,,

মিম আবার আমার সাথে কথায় ব্যাস্থ হোয়ে গেলো,,
গাড়ির জাকুনিতে মিম বারবার আমার উপর এসে পরছে,,
নিলার এটা আর সয্য হলো না,,
সোজা আমাদের মাঝে এসে বসলো,,
দুজনের সিট তো,, তিনজন বসাতে একটু চাপাচাপি হচ্ছে,,
নিলা পুরো আমার গায়ের সাথে যেকে বসেছে,,
মিম আমি অবাক,,
মিমঃকিরে তুই সামনের সিট ছেরে এখানে আসলি কেনো,,
বসতে কষ্ট হচ্ছেতো,,
নিলাঃহলে হউক,,
মিমঃএখনো তো ওনার গায়ের সাথে তুই চেপে বসেচিস,,
নিলাঃবোসেছি তো কি হোয়েছে,চুপচাপ থাক,,
আমি উঠে যেই সামনের সিটে যাবো তখন নিলা হাত দরে টেনে বসিয়ে দিয়ে বললো,,চুপচাপ বসেন ,
আমি একটু ওর কাছ থেকে সরে বসার চেষ্টা করছি,,
কিন্তু যায়গা সল্পতে ওর গায়ের সাথে গা লেগে যাচ্ছে,,
নিলা ঃএখন সরে বসছেন কেনো,,একটু আগে তো,, একজন আরেকজনের উপর পরে ছিলেন,,
আমিঃওটা গাড়ির জাকুনিতে হোয়েছে,,,
নিলাঃএখন আমার উপর পরুন,,
আমিঃকি বলেন এসব,,,
মিমঃ কিরে নিলা কি বলছিস এসব,,আচ্ছা আমি সামনে যাচ্ছি,,
মিম সামনে গেলো,,
মিমঃ এই খবিস একটা সরেন বসবো,,( সাগর কে বললো)
সাগর ঃএত মিষ্টি করে বকা দেন কিভাবে,,
মিমঃপ্লট করছেন আমার সাথে,,মেরে রাস্তায় ফেলে দেবো ,
সাগরঃআপনি অনেক সুন্দর,,
মিমঃআবার প্লটিং করছেন আমার সাথে,,তখন তো বললেন আমি পেত্নি,
সাগরঃআরে তখনতো রেগে বলেছি,,
মিমঃহুম,

দেখতে দেখতে বাসার সামনে চোলে এসেছি,
সবাই গাড়ি থেকে নামলাম,,
সাগর বাদে আমরা সবাই ভিতর যাচ্ছি,,সাগর এখন আমাদের বাসায় যাবে না,বলে দিয়েছে,,

সাগর মিম কে পিছন থেকে ডেকে বললো,,এই যে মিস,,সরি,,
মিমঃইট,স ওকে,,
সাগরঃআপনি সত্যিই কিন্তু সুন্দর,,
মিম একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললো,,আবার প্লটিং,,,
এখন কিছু বলছি না,,,আবার দেখা হলে মেরে দেবো,,,

বাসায় গিয়ে আমি আমার রুমে চোলে গেলাম,,,

দুপুরে সবাই খেতে বসলাম,,

খাবারের মেনু দেখে জিবে পানি এসে গেলো,,
মিম আসবে বলে এত কিছু,,,

আমি গফাগফ খেতে লাগলাম,,
নিলা খাবার খাওয়া রেখে আমার খাওয়া দেখছে,,

মিমঃকিরে কোথায় তাকিয়ে আছিস,,,হা করে তাকিয়ে না থেকে খা,,
নিলা কিছুটা লজ্জা পেলো,,

আমি খেয়ে রুমে চোলে আসলাম,,
কিছুক্ষন পর বারান্দায় গেলাম,,
বারান্দায় গিয়ে দেখি
ইরা ফোনে কথা বলছে,,

আমি কাছে যেতেই ইরা ফোন কেটে দিলো,,
আমি ঃকিরে কার সাথে কথা বলছিস
ইরাঃককই কার সাথে কথা বলি,,
আমিঃআমি তো দেখলাম বললি,,,তা ছেলেটা কে,,
ইরাঃকেউ না,,
আমি ঃনতুন প্রেমে পরলি নাকি,,
ইরাঃতুমি না,,,ইরা লজ্জা পেয়ে চোলে গেলো,,

রাতে আমরা সবাই বসে গল্প করছি,, আর হাসাহাসি তে মেতে আছি,,

বেসি ক্ষন আর ওদের মাঝে না থেকে ছাদে চোলে গেলাম,,

নির্বিক ভাবে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি,, তখন নিলা এসে আমার পাসে দারালো,,
আমি একবার নিলার দিকে তাকিয়ে আবার আকাশের দিকে তাকালাম,,,
নিলা নরম সুরে বললো,,
চোলে আসলেন যে,,,
আমিঃএমনেই,,,
নিলাঃও,,,
নিলা কিছুক্ষন চুপ করে থাকলো,,
আবার বললো,,
নিলাঃসবার সাথে তো হেসে হেসে কথা বলেন,,,আমার সাথে কেনো বলেন না,,, খুব বেসি অপরাধ করে ফেলেছি তাই না,,

এই অন্ধকারেও নিলার চোখের বিন্দু বিন্দু পানি আমি স্পস্ট দেখতে পাচ্ছি.
এই অন্ধকারেও নিলার চোখের বিন্দু বিন্দু পানি আমি স্পস্ট দেখতে পাচ্ছি,,

নিলাঃকিছু বলছেন না যে,,খুব কি অপরাধ করে ফেলেছি,,,
আমিঃদেখেন,, ভাইয়া ভাবির বিশ্বাষ নষ্ট করতে পারবো না,, আর তাছারা ভাবি এমনেই ওই দিনের পর থেকে বেসি একটা ভালো ভাবে না আমাকে হয়তো,,
নিলাঃওসব আমি মেনেজ করবো,, আপনি শুধু আমাকে কাছে টেনে নেন,, বাকি সব আমি দেখবো,,,
আমিঃদেখুন এটা হবার নয়,ভালো কাউকে খুজে নিয়েন,,,
এই বলে যেই চোলে আসতে যাবো, তখন নিলা আমার হাত দরে দেয়ালের সাথে ঠেসে দরলো,,
রাগী স্বরে বললো,
নিলাঃএটা হবার,, একশ বার হবে,,আমার ভালো কাউকে প্রোয়োজন নেই তোকেই প্রোয়োজন,, কি ভেবেছিস,,শান্ত ভাবে থাকি বলে এতটাও শান্ত না আমি,,,তোকে চাই, তোকে লাগবে তোকে প্রোয়োজন।
আমিঃদেখুন আপনি কিন্তু বে….
উম উমমমমম

নিলা আর কিছু বলতে দিলো না আমায়,,
ওর ঠোট দিয়ে আমার ঠোটের মাঝে চেপে দরলো,,
কিছুক্ষন পর ছেরে দিলো,,
আমি হাপাতে লাগলাম,,
নিলাঃচুপচাপ খেয়ে রুমে গিয়ে ঘুমাবেন,,, ইরা,মিম এদের কারো সাথে যেনো কথা বলতে না দেখি,,আর যদি দেখি,,,তাহলে সবার সামনে কি করবো ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন,,,যান,

আমি নিচে চোলে গেলাম,,

কি মেয়েরে বাবা,,,মুহুর্তেই রং বদলাতে পারে,,,
ওর অগ্নী মুর্তি দেখে আমি আর কিছু বলতে পারলাম না
ভয়ে,,
এই ভাবে কিচ করে কেউ,,,ঠোট যেনো আরেকটু হলে ছিরে যেতো,,,

রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে গেলাম,

পরের দিন,,সকালে চোখ খুলতেই দেখি একজোরা চোখ আমার মুখের কাছে,,
আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,
আমি লাফ মেরে উঠে বসলাম,,

ভালো করে তাকিয়ে দেখি নিলা,,
নিলাঃ কি হোয়েছে, এভাভে লাফ মেরে উঠলেন কেনো,,
আমিঃতুমি, না মানে আপনি এখানে কেনো,,,
নিলাঃতুমি করে বলেন,,
আমিঃআমি সবাইকে তুমি করে বলি না,,,
নিলাঃতুমি করে বলবেন না,,
আমিঃ না,,
নিলাঃ তাহলে আমি দরজা আটকিয়ে চিৎকার করবো,, তারপর বুঝবেন, কি হবে,
আমিঃদেখুন বেসি বারাবারি করবেন না,,
নিলাঃআবার আপনি করে বলছেন,,,আমি দরজা আটকাচ্ছি,,,
নিলা দরজা আটকাতে যাচ্ছে,
আমি ভয়ে ওর হাত দরে টান দিলাম,,
তারপর যা হবার তাই হলো,,
আমার উপর এসে পরলো,,

নিলা আমার বুকের উপর হাত ভর দিয়ে আমার মুখের কাছে মুখ এনে বললো,,, কি টান দিলেন কেনো, তুমি করে বলবেন তো,,,
আমিঃহুম বলবো,,এবার আমার উপর থেকে সরো,,
নিলা ঃএত তারাতারি সরবো নাকি,,
আমিঃকেউ দেখে ফেলবে,,সরো,,
নিলাঃএক দমই না,,
এই বলে নিলা আমার গালে আলতো করে হাত দিলো,,
আমিঃএই কি করছো,, সরো বলছি,, না হয় ফেলে দেবো,,
নিলাঃপারলে ফেলে দেও,,

উফ কি জামেলায় পরলাম,,,

হঠাৎ সে সময় মিম রুমে ঢুকলো,,
রুমে আমাদের দেখে মুখে হাত দিয়ে চেয়ে থাকলো,,
আমি তরিগরি করে ওকে জোর করে পাসে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে রুম থেকে বের হোয়ে গেলাম,,,,

লাজ লজ্জা সব গেছে মেয়েটার,,

নিলা মিম কে বললো,,,তুই আর আসার সময় পেলি না,,,
মিমঃবেস তো রোমান্স করছিস দেখছি,,
নিলাঃরোমান্স আর হলো কোথায়,,তুই সবকিছুতে পানি ঢেলে দিলি,
মিমঃতা কবে থেকে সবুজ ভাইয়ার সাথে রিলেশন করলি,,
নিলাঃএখানে আসার পর থেকে,,
মিমঃধুর আমি আরো চেয়েছিলাম,সবুজ ভাইয়ার সাথে আমি মনের লেনদেন করবো,, আর তুই
নিলাঃখবরদার,,যা বলেছিস বলেছিস,, এর পর যেনো আর না বলিস,,ওনার দারে কাছেও যেনো তোকে না দেখি,,
মিমঃবাব্বা,,ওনি একে বারে প্রেমে লাইলি হোয়ে গেছে,,,

নিলাঃমাইর দেবো একটা,,চল,,

আমি ফ্রেস হোয়ে নাস্তা খেতে টেবিলে বসলাম,,,
আমিঃভাবি নাস্তা দিয়ে যাও,,
ভাবিঃবসে থাক দিচ্ছি,,

একটু পর ভাবি নাস্তা নিয়ে আসলো,,
নিলা সহ সবাই আসলো নাস্তা
খেতে,,
নিলা বরাবরের মতো আমার সমনে বসলো,,
বসে আছে ঠিক আছে,, কিন্তু একটু পরই ওর পা দিয়ে আমার পায়ে স্লাইড করছে,,,

ওফ খাওয়ার সময়ও ফাজলামো,,
ভাবিঃকিরে সবুজ বিবরবির করে কি বলিস
আমিঃকিছু না,,

নিলা সুন্দর তার দু পা দিয়ে আমার একপা পেচিয়ে দরে নাস্তা খাচ্ছে,,, সবার সামনে কিছু বলতেও পারছি না,

আপু ফোন করেছিলো আপুর কাছে যেতে,,
আমি বিকালে আসবো বলেছি,,,

দুপুরে খাওয়ার সময় নিলা একই ভাবে পা দিয়ে দুষ্টমি করছে,,
ভাবলাম,,ভাবি কে যাওয়ার কথাটা
বলি,,
আমিঃভাবি, আমি বিকালে আপুর বাসায় যাচ্ছি,,, আপু যেতে বলেছে,,

এ কথা সুনে নিলার সব দুষ্টমি বন্ধ হোয়ে গেছে,,পা দিয়ে গুত দেওয়া,, স্লাইড করা সব বন্ধ হোয়ে গেলো,,
হাসি মুখটা মলিন হোয়ে গেলো,,
খাওয়া বন্ধ করে আমার দিকে ঘোর লাগা চোখে তাকিয়ে আছে,,
ভাবিঃকদিন থাকবি,,
আমিঃদু সপ্তাহর মতো,,
ভাবিঃও,,তোর ভাইকে বলে যাস,,
আমিঃওকে,,

আমি খেয়ে রুমে এসে একটু রেষ্ট নিচ্ছি,,
চোখটা একটু বন্ধ করেছি,,
হঠাৎ দরজা আটকানোর শব্দে চোখ খুললাম,,
তাকিয়ে দেখি নিলা দরজা আটকিয়েছে,,
আমিঃএই কি করছো,, দরজা খুলে দেও,,সবাই কি ভাববে,,
নিলা ঘোর লাগা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে এক পা এক
পা করে আগাতে লাগলো,,
আমিঃদরজারটা খুলে চোলে যাও,,কেউ দেখলে খারাফ ভাববে,,

নিলা আমার কাছে এসে ধাক্কা মেরে খাটে ফেলে দিয়ে আমার উপর ওর গা এলিয়ে দিলো,,

আমার মুখের কাছে মুখ এনে নিলা বললো,,আমার কারনে চোলে যাচ্ছেন,, তাই না,,
আমিঃতোমার কারনে যাবো কেনো,,
নিলা ঃআমি আপনাদের বাসায় থেকে খুব সমস্যা করছি তাইনা,,

নিলা কাদছে,, ওর চোখের পানি আমার মুখে ফোটা ফোটা আকারে পরছে,,
নিলাঃচোলে যাবো আপনাদের বাসা থেকে,,
এই পৃথিবী ছেরেই চোলে যাবো,,
আমিঃপাগলটাগল হলে নাকি, কি বলছো,,

নিলা হঠাৎই আমার বুকের ভিতর ওর মুখটা ঘুজে দিলো,,
তারপর কাদতে কাদতে বললো,,সত্যি মরে যাবো,,আপনাকে ছারা,,বাচবো না,,খুব ভালোবেসে ফেলেছি আপনাকে,,,,,জানি না কেনো এতো ভালোবেসেছি আপনাকে,, শুধু এটা জানি, আপনাকে ছারা থাকতে পারবো না,,
নিলা আমার বুকের ভিতর ঢুকরে ঢুকরে কাদছে,,

মুহুর্তেই ভাবির বলা কথা ভুলে গেলাম,,
তোমাদের সম্মান দিয়ে কি হবে যদি আমি ই না বাচি,আমার প্রান না বাচে

আমি নিলার মাথায় হাতভুলাতে লাগলাম,,

নিলা কান্না বন্ধ করে মাথা উঠিয়ে আমার মুখের দিকে তাকালো,,
বুঝার চেষ্টা করছে,,
আমি ওর মাথায় হাত ভুলিয়েছি কি না,,

নিলা জিগাসু দিষ্টিতে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে,,
আমি ওর মাথা টা টেনে কপালে একটা চুমু দিলাম,,
নিলা এবার শক্ত করে জড়িয়ে দরে বুকের ভিতর মুখ ঘুজে দিয়ে কাদতে লাগলো,,
কেনো জানি আমার চোখের কোন বেয়ে পানি পরতে লাগলো,,,,
কিছুক্ষন পর হঠাই দরজাটা কে যেনো নক করতে লাগলো,,,
কিছুক্ষন পর হঠাৎই দরজাটা কে যেনো নক করতে লাগলো,,
আমি ভয় পেয়ে গেলাম,, ভাবি দেখলে কি হবে,,

নিলা আমার ভয় পাওয়া দেখে মুখের দিকে তাকিয়ে আমার দুগালে আলতো করে দু হাত দিয়ে আদুরের গলায় বললো ,, এত ভয় পাচ্ছেন কেনো, আমি আছি না,, আমি থাকতে কেউ আপনাকে কিছু বলতে পারবে না,, সুয়ে থাকেন,, আমি দেখছি কে আসছে,,

নিলা দরজা খোলার জন্য যাচ্ছে,, ভয়ে আমার হার্ডবিট বেরে গেছে,,

নিলা দরজা খুলতেই মিমের গলার আওয়াজ পেলাম,,, তাহলে কি মিম,,
উপ বড় বাচা বেচে গেলাম,,,

মিমঃকি আপনাদের রোমান্স শেষ হলো,,
নিলাঃমারবো একটা,,বের হ রুম থেকে,,
মিম ঃকি আবার রোমান্স করবি নাকি,,
নিলাঃজাবি তুই,,
মিমঃআরে বাবা যাচ্ছি,,,
মিম রুম থেকে বের হোতে যেয়ে আবার ফিরে এলো,,

মিমঃও যেকারোনে আসা,, আপনিতো বিকালে চোলেই জাবেন,,আমি ঘুরবো কার সাথে,,, আমাদের মহারানির তো সময় হবে না আমাকে নিয়ে ঘুরার,,আপনারাতো আপনাদের রোমান্স করছে,,এখন আমার রোমান্স করার জন্য একজন ঠিক করে দিয়ে যান,
আমিঃতোমার যোগ্য কাউকেইতো দেখছি না,,
মিমঃআবাদত আপনার ওই বজ্জাত বন্ধুটাকে বলে যান,,
নিলাঃএত ঘুরিয়ে পেচিয়ে না বলে সোজাই তো বলতে পারতি,,,
যা রুম থেকে,,
আমিঃআচ্ছা আমি বলে দেবো,,,,
মিম রুম থেকে বের হোয়ে গেলো,,

নিলা আবার আমার কাছে আসলো,,
আমার বুকের কাছে ভর দিয়ে মুখের কাছে মুখ এনে বললো,,
আপনি সত্যি কি বড় আপুর কাছে চোলে যাবেন,,
আমিঃহুম,,
নিলাঃ নাগেলে হয় না,,,
আমিঃআপু অসুস্থ, যেতেই হবে,,আর এত টেনশন করছো কেনো,,দুসপ্তাহর জন্যইতো যাচ্ছি,, আবার চোলে আসবো,,

নিলা আমাকে জড়িয়ে দরে বুকের ভিতর মুখ গুজে দিয়ে বললো,,
নিলাঃআমি আপনাকে ছারা থাকতে পারবো না,ভালো লাগেনা আপনাকে ছারা,,
আমিঃপাগলি একটা,,,চোলে আসবো তারাতারি,,
নিলাঃহু

হঠাৎ ই ভাবি, সবুজ সবুজ বলতে বলতে রুমের ভিতর ঢুকে গেলো,
এসেই আমাদের দুজন কে একসাথে
দেখে,,হা হোয়ে গেলো,,

আমি তো ভয়ে শেষ,,
ভাবিঃবা বা,,ভালোই এগিয়ে ছো দুজন,,

নিলা কিছুটা আদুরি গলায় বললো,,আপু….
ভাবিঃথাক থাক,, এতো লজ্জা পেতে হবে না,,
দেবর তো দেখি আমার বোন কে পাগল করে ছারলো,,
বিয়ে তো দেখি খুব তারাতারি দিতে হবে,,

ভাবিঃআচ্ছা থাকো তোমরা,,
ভাবি চোলে গেলো,,

নিলার মুখের কোনে হাসি লেগে আছে,, ভাবির বলা কথা শুনে,

নিলাঃআপনি রেষ্ট নেন,,আমি আপনার জামা কাপর ঘুছিয়ে দিচ্ছি,,,
এই বলে নিলা আমার কপালে একটা চুমু দিয়ে জামা কাপর গোছাতে চোলে গেলো,,,,

চোখ বন্ধ করে একটু ঘুমানোর চেষ্টা করলাম,,,,

বিকালে চোলে যাচ্ছি,,

নিলা মুখ গোমরা করে দারিয়ে আছে,,
নিলার চোখের কোনে পানি দেখতে পেলাম,, নিলাকে বললাম,,
আমিঃএদিকে আসো,,

নিলা গুরি গুরি পায়ে আমার সামনে এসে মাথা নিচু করে দারালো,,
ওর মুখ দরে উপরে উঠালাম,,
মিম দেখি একটু দুরে দারিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে,,
আমিঃসালিকা, চোখ বন্ধ করো,,
মিমঃহুম করছি,,

আমি নিলার কপালে আলতো করে একটা চুমু দিলাম,,
নিলা সাথে সাথে আমাকে জড়িয়ে দরে কেদে দিলো,
আমিঃআরে পাগলি,, এমন করছো যেনো দুবছরে জন্য যাচ্ছি,,
নিলাঃআমার কাছে দুসপ্তাহ দু বছরের মতো,,,
আমিঃআচ্ছা আমি তারাতারি চোলে আসার চেষ্টা করবো,,
ওর চোখের পানি মুছে দিয়ে কাপালে আরেকটা চুমু দিয়ে মিমের কাছে গেলাম,,

আমিঃহোয়েছে আর চোখ বন্ধ করে থাকতে হবে না,, আমি সাগর কে বলে দিয়েছি,, ও এসে তোমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবে,,,

আমি বাসে চরে আপুর বাসায় চোলে আসলাম,,
অন্যদিকে সাগর মিম কে পিক করতে এসেছে বাসায়,,

মিম বাসার সামনে আসলো,,
সাগরঃতা মিস আপনি কি বাইকে যাবেন নাকি রিক্সায়,,

মিমঃরিক্সায় যাবো,
সিগরঃচলেন তাহলে,,,

সাগর আর মিম রিক্সায় বসে আছে,,

সাগরঃএই আপনার হাতে কি,,
মিমঃকোথায়,,
সাগরঃওই যে আপার হাতে, দেখি দেখি,
সাগর যে মিমের হাত দরতে এইসব বলেছে,,মিম তা বুঝতে পেরে হাত ছারিয়ে সাগরের কাদে দুটো থাপ্পর মেরে বললো,,বজ্জাত একটা হাত দরার ধান্দা,,,
সাগরঃহাহাহা,,সুন্দরি মেয়েদের হাত না দরে কি পারি,,
মিমঃমারবো একটা, ফাজিল কোথাকার,,
সাগর চুপ করে থাকলো,,
মিমঃকয়টা মেয়েকে পটিয়েছো,,
সাগরঃএকটাও না,,তুমিই প্রথম,,
মিমঃকি,, আমাকে পটাচ্ছো,,
সাগরঃসরি সরি, ভুলে মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছে,,
মিমঃহুম,,
সাগর কিছু টা মন খারাফ করলো,,চেয়েছিলো ওকে পটাবে, কিন্তু যেই মেয়ে পটানোর কথা শুনেই রেগে গেলো,,

মিম সাগরের চুপ থাকা দেখে সাগরের সামনে হাত বারিয়ে দিলো,,
সাগরঃকি
মিমঃদরো
সাগরঃশুধু শুধু হাত কেনো দরবো,,
মিমঃআর বাহানা করা লাগবে না,,তুমি যে আমার হাত দরতে চাও সেটা আমি বুঝি,,
সাগর মিমের হাত দরলো,,
মিমঃহাতে কি শক্তি নেই শক্ত করে দরো,,
সাগরঃহুম,,
মিমঃবিয়ের পর আমরা কিন্তু বিদেশে চোলে যাবো,, আমার বাসায়,

মিমের কথা শুনে সাগর যেনো শক খেলো,,
সাগরঃকি ইই.
মিমঃযেটা শুনেছো সেটাই, তুমি যে আমার প্রথম দেখায়ই প্রেমে পরেছো সেটা আমি ভালোভাবে বুঝেছি,,
সাগরঃতুমি কি দেখে আমার প্রেমে পরলে,,
মিমঃতোমার প্লোটিং দেখে,,
সাগর ঃহাহাহাহা,,
মিমঃতবে এই প্লোটিং যদি আমার সাথে ছারা অন্যকারো সাথে করেছো,,তাহলে বুঝবে এই মিম কি জিনিস,,
সাগরঃতাহলে একটা চুমু দেও,,
মিমঃকি,, প্রেম শুরু হোতে না হোতেই চুমু,,
সাগরঃ থাক লাগবে না,,
মিমঃহোয়েছে আর রাগ করা লাগবে না এদিকে আসো,,
মিম সাগরে গালে একটা চুমু দিলো,,
সাগল তার ঠোট দেখিয়ে বললো,,ওই খানে না এই খানে,,
মিমঃবদ একটা,, লজ্জা নেই,,চোখ বন্ধ করো,,,দিচ্ছি,,।

আজ দুসপ্তাহর কাছাকাছি হোতে
চললো আমি আপুর বাসায়,।

ভাবি হঠাৎ আমার কাছে ফোন দিলো,,
আমিঃহ্যা ভাবি বলো,,কেমন আছো
ভাবিঃআমি ভালোই আছি,, তোমার নিলা ভালোনেই,,
আমিঃকেনো কি হোয়েছে,,
ভাবিঃআজ দুসপ্তাহ হোতে চললো,,মেয়েটার কোনো খোজ নিয়েছো,,তোমার টেনশনে মেয়েটা খাওয়া দাওয়া করছে না,,
আমিঃনিলাকে বইলো আজ বাসায় আসছি,,
ভাবিঃবাসায় যাওয়ার দরকার নেই,, আমাদের বাসায় চোলে আসো,,সাথে আপু দুলাভাইকে নিয়ে আসো,,,,
আমিঃআচ্ছা,,তোমরা তোমাদের বাসায় গেলে কবে,,
ভাবিঃচারদিন হলো,,
আমিঃও
ভাবিঃতারাতারি চোলে এসো,, তোমার পেয়সি তোমার জন্য ছটপট করছে,,
আমিঃআর লজ্জা দিও নাতো, আসছি,,,

আপু কে নিয়ে বিকালেই নিলাদের বাসায় গেলাম,,

বাসার ভিতর ঢুকতেই নিলা কোথা থেকে যেনো দৌরে এসে আমার বুকে জাপিয়ে পরলো,,
আমি ও আমার প্রানকে পরম আদরে জড়িয়ে নিলাম,,ওকে পেয়ে যেনো সব ভুলে গেছি,,

হঠাৎ ই চারো দিকে চোখ যেতেই দেখি নিলার বাবা,,আমার আব্বু, ভাইয়,,আরো কিছু রিলেটিব আমাদের চার পাসে ছোফায় বোসে আছে,,,
আমরা সবার মাঝখানে দুজন দুজনকে জড়িয়ে দরে দারিয়ে আছি,,
সবাই মুচকি মুচকি হাসছে,,আমি নিলাকে ছারানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু এতজোরেই জড়িয়ে দরেছে যে ছারাতে পারছি না,,,
আমি নিলাকে আছতে আছতে বললাম,,
আমিঃএই সবাই দেখছে,ছারো,,
নিলা বুক থেকে মাথা উঠিয়ে যেই দেখলো সবাই তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে
তখন নিলা লজ্জা পেয়ে ভিতরে দৌরে পালালো,,

আমি মাথা নিচু করে দারিয়ে থাকলাম,
কেউ কিছুই বললো আমায়,
নিলার বাবা বললো,,
এই নওরিন(ভাবির নাম)সবুজ বাবাজিকে ভিতরে নিয়ে যা,,

ভাবি এসে আমাকে ভিতরে নিলার রুমে নিয়ে গেলো,,
ভাবিঃদেবরজি আজ থেকে এটাই তোমার রুম,,,
আমিঃমানি,বুঝলাম না,
ভাবিঃপরে বুঝবে,,

ভাবি রুম থেকে চোলে গেলো,,

বাহ নিলার রুমটা তো বেস সাজানো গোছানো,,,

একটু রেষ্ট নেওয়ার জন্য নিলার খাটে সুলাম,,
চোখ বন্ধ করে আছি,,
হঠাৎ কারো আলতো ছোয়া অনুভব করলাম,
চোখ খুলে দেখি নিলা,,
নিলা আমার বুকে সুয়ে পরলো,,
আমিঃআমার পাগলিটার কি হোয়েছে,,ঠিক মতো খাওনি,,চেহারা এমন শুকালো কেনো,,
নিলাঃআপনি দুরে ছিলেন তাই তো কিছু খেতে ভালোলাগেনি,,
নিলা আদুরের গলায় অভিমান করে বললো,,আপনি দুসপ্তাহ কিভাবে থাকতে পারলেন, জানেন আমার কত কষ্ট হোয়েছে,,।
আমিঃপাগলি এই যে চোলে আসছি না,,আর কষ্ট পেতে হবে না,,
নিলাঃহু,,
আমিঃআচ্ছা সবাইকে দেখলাম এখানে,, কোনো আয়োজন আছে নাকি,,
নিলা মুচকি একটা হাসি দিয়ে বললো,,,
নিলাঃ বলবো না,,
আমিঃবলোনা,,
নিলাঃবলবো,,আগে দুটো পাপ্পি দিতে হবে,
আমিঃআচ্চা কাছে আসো দিচ্ছি,,
উমা উমা,,,—এবার বলো,,
নিলাঃআপনার আর আমার বিয়ে,,
আমিঃকিইইই,
খুশিতে নিলাকে জড়িয়ে দরলাম,,

সন্ধায় ভাবি আমাকে পান্জাবি দিয়ে গেলো পড়ার জন্য,,
রোমান ইরা, মিম সাগর আমাদের দেখতে আসলো রুমে,,
নিলাকে ইরা আর মিম সাজাচ্ছে,
আমি নিলাকে দেখার জন্য ওর রুমে গেলাম,,
ইরা আর মিম পথ আটকি য়ে দারালো আমার,
মিমঃনা ভাইয়া,,বিয়ের আগে বৌউ দেখতে দেবো না,,
কি আর করার, সাগর আর রোমানকে আসতে বললাম,,
ওরা এসে ওদের সরিয়ে দিলো,,
আমি নিলার কাছে গেলাম,,
নিলাকে বধু বেসে কি সুন্দর লাগছে,,
আমিঃকি সুন্দর তুমি,,
নিলাঃআপনি কি কম সুন্দর নাকি,, জানেন ওরা আমায় আপনার কাছে যেতে দেয়নি,,
আমিঃআমি বুঝতে পেরেইতো তোমার কাছে চোলে এসেছি,,
নিলাঃহুম,,
নিলাঃবিয়ে কখন হবে,,
আমিঃএকটু পর,,
নিলাঃআমার আর তর সইছে না,,
আমিঃপাগলি একটা,,

কিছুক্ষন পর বাসায় কাজি এনে আমিদের বিয়ে পড়িয়ে গেলো,,
অন্যদিকে সাগর-মিম,রোমান-ইরা, নিলার রুমে আমাদের বাসর ঘর সাজিয়েছে,,,

সবার সাথে কথা বলে বাসর ঘরে যেই ঢুকতে যাবো,, তখন ইরা মিম সাগর রোমান পথ আটকিয়ে দরলো,,
সাগরঃমামা ভিতরে তো এত তারাতারি ঢুকতে দেবো না,
আমিঃকেনো?
রোমানঃছারতে পারি এক শর্তে,,আমাদের একটা কথা দিতে হবে,,
আমিঃকি শর্ত তারাতারি বল,,ভিতরে আমার জান টা আমার জন্য অপেক্ষা করছে,,
রোমানঃআমাদেরকে এক করতে হবে তোমায়,
আমিঃআচ্ছা ইরার টা আমি দেখবো,,মিমের টা নিলা দেখবে,,এখন সর,,
আমি ভিতরে ঢুকে দরজা আটকিয়ে দিলাম,,
নিলা এসে আমার পা ছুয়ে সালাম করলো,

খাটে এসে বসলাম দুজন,
হঠাৎই নিলা খাট থেকে বালিশ একটা ছুরে ফেলে দিলো,,
আমিঃআহা কি করছো,,বালিশ ফেলছো কেনো,, তুমি সুবে কোথায়,,।
নিলাঃআপনার বুক আছে কি করতে, আজ থেকে এটাই আমার বালিশ,,,।
(নিলা আমার বুকে সুয়ে বললো)
আমিঃপাগলি একটা,,
নিলাঃহুম আপনার পাগলি,,সারা জীবন আপনার পাগলি হোয়েই থাকতে চাই।
আমিঃআমার পাগলি,,
নিলাঃহোয়েছে,এবার চোখটা বন্ধ করেন তো,,
আমিঃকেনো,,?
নিলাঃবন্ধ করেন না,,
আমিঃআচ্ছা করছি,,এই করলাম,,
হঠাৎই নিলা আমার মাথা দরে ওর ঠোট দুটো আমার ঠোটের মাঝে ডুবিয়ে দিলো,,

ওর ঠোটের ছোয়া পেয়ে আমার সারা শরিল সিহরিত হোয়ে গেলো,,
নিলা ওর ঠোট দিয়ে আমার ঠোটে চুমুক দিয়ে দরেছে,,
আমি ও তার ডাকে সারা দিলাম ,
ডুবে গেলাম ভালোবাসার অন্তহীন এক মুহুর্তে। আগামি পথ চলার এক নতুন অঙ্গিকার নিয়ে।
আরো গল্প পড়ুনঃGolpo বাড়িওয়ালার_দুষ্টু_মেয়ে
Share:

পাশের বাড়ির মেয়ে

পাশের বাড়ির মেয়ে


----সকালে বুকের উপর ভারী কোন কিছুর

চাপে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো।

চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি কেউ

একজন আমার বুকের উপর শুয়ে আছে।

আমি কি স্বপ্ন দেখছি নাকি এটা

বাস্তব? কে হতে পারে?

ভূত নয় তো আবার!!!

না না ভূত না পেত্নী হবে,,

ভূত তো ছেলে হয়।

কিন্তু যে আমার বুকের

উপর শুয়ে আছে সেটা তো একটা

মেয়ে।

মেয়ে বুঝতে পারছি এই কারণে যে

তার লম্বা চুলে তার মুখটা ডাকা।----

তারপর আমি ভালো করে চেয়ে দেখি

রুপন্তী আমার বুকের উপর শুয়ে আছে।

কিন্তু ও এখানে?

আরো গল্প পড়ুন:গল্প বাড়িওয়ালার রাগী মেয়ে Balobasar Golpo Bariwalar Ragi meye
ওর তো এখানে থাকার কথা না।

ও ত তার বাপের বাড়িতে থাকার কথা।

এখানে কিভাবে আসলো?

আসছে যখন ভালোই হয়েছে।

কি সুন্দর করে আমার বুকের উপর মাথা রেখে

ঘুমুচ্ছে,আমি একটুও নড়তে পারছি

না,নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে

আমার।

Share:

চাচাতো বোনের অবহেলা ( সিজন ২)এক সাথে সব পার্ট

চাচাতো বোনের অবহেলা ( সিজন ২)
Golpo Sijon 2
চাচাতো বোনের অবহেলা ( সিজন ২) এক সাথে সব পার্ট
পর্ব:(০১)
লেখিকা: তিশা


_____
রাত নয় টা বাজে। আমি রাজ নির্জন  শহরের গলি দিয়ে একাই হেটে চলছি। আজ সামনে পা বাড়াতেও খুব ভয় হচ্ছে। ছয় মাস পর আজ জেল থেকে ছাড়া পেলাম আমি। বাসায় যাচ্ছি। জানি না আমার আপন মানুষ গুলো আমার সাথে কেমন ব্যবহার করবে। তবে এই টুকুনি জানি অনেক খারাপ ব্যবহার ই করবে। ছয় মাস জেলে থাকলাম কেউ খোজ নেয়নি আমার শুধু চাচা ছাড়া। আর কে ই নিবার আছে নিজের বউ তিশা ছাড়া। তিশা  আমাকে  ভুল  বুঝেছে সেটা আমি জানি।
তবে এই ভুল হয়তো কোন দিন আর ভাঙ্গবেও না। কারন আমার কাছে কোন প্রমান নেই। জেলে থেকে শুনেছি আমি বাবা হতে চলছি। তিশার গর্ভে আমার সন্তান।
 আর ভেবেছি তিশা রাগের মাথায় আমার সন্তানের কোনো ক্ষতি করে বসবে নাতো?

 হয়তো তিশা ওর সন্তান কে আমার সন্তান হিসেবে পরিচয় ই দিতে দিবে না। কথা গুলো ভাবতে ভাবতে বাসায় এসে গেলাম। দরজার সামনে দশ মিনিট ধরে দাড়িয়ে আছি কলিং বাজানোর সাহস হচ্ছে না। সাত পাচ না ভেবে অবশেষে কলিং বেল টা বাজালাম।

চাচি মা মানে আমার শাশুড়ি মা দরজা খুলে দিলেন। আমাকে দেখে মুখটা কালো করে চলে গেলো।

আমি চুপ করে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে রইলাম। কিছুই বলতে পারছি না। চোখ দিয়ে পানি পরছে। খুব বলতে ইচ্ছে করছে মা আমি সেদিন কিছুই করিনি কেউ আমাকে ফাসিয়ে ছিলো। আর আমাকে আবির ই ফাসিয়ে ছিলো মা। কিন্তু বলতে পারছি না। একটা অজানা বাধা আমাকে আটকাচ্ছে।




আরে রাজ তুই কখন ছাড়া পেলি? । উপরে তাকিয়ে দেখলাম চাচা। চাচা আমাকে জরিয়ে দরলেন।

ভালো হইছে তুই এসেছিস যা ঘরে যা। তারপর ফ্রেস হয়ে আয় একসাথে খাবো কেমন।
হুমম।





আমি অনেকটা ভয় নিয়ে রুমে গেলাম। জানি না তিশা আমার সাথে কেমন করবে। আমি রুমে গিয়ে দেখি তিশা খাটের উপর বসে আনমনে কি যেন ভাবছে।।




কেমন আছো তিশা।

তিশা আমার দিকে তাকিয়ে এত গুলা বকা দিলো।




তুই আমার রুমে আসছিস কেন। ঐ ছোট লোকের বাচ্চা। তোর লজ্জা করে না। জেল থেকে এসে আমাকে তোর ঐ মুখ আমাকে দেখাতে??





তিশা আমাকে তুমি ভুল বুজতেছো ঐ দিন আমি কিছুই করিনি।( রাজ)




তুই একটা লুচ্চা ছেলে তুকে বিশ্বাস করে আমি অনেক বড় ভুল করছিলাম আর এখন তার মাশুল দিচ্ছি। তুই আমার চোখের সামনে থেকে দূর হ। তুকে আমি আর বিশ্বাস করতে চাই না।( তিশা)




তিশা আমাদের সন্তানের কথা টা একবার ভাবো তুমি।( রাজ)



ঐ একদম আমাদের সন্তানের কথাটা একবার ও বলবি ও শুধু তোর সন্তান আমার না। পাপ হবে বলে ওকে আজও বাচিয়ে রেখে চি। যেদিন ও পৃথিবীতে আসবে তুই তোর সন্তানকে নিয়ে চলে যাবি।( তিশা)





তিশার কথা শুনে আমি যেন আকাশ থেকে পরলাম। এমন সময় চাচি এসে যা বললেন জীবনেও ভাবতে পারিনি চাচি মা ও এমন কথা বলবে

পর্ব: (০২)



আমি তিশার কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়লাম। আর চাচি মা এসে যা বললেন তা শুনার  জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।

_______________________
রাজ তুই?  তুই আমার বাসায় এসেছিস কেনো?  তোর মুখটাও আমরাও দেখতে চাই না। তুই আমাদের কাছে মরে গেসিছ। আমার মেয়ে বিধবা হয়ে গেছে। তুই বের হ আমার বাসা থেকে।



আমি চুপ করে দাড়িয়ে রইলাম। আমি সেদিন কোনো অন্যায় না করলেও সাজানোর নাটকের একটা নায়ক হয়েছিলাম। তাই চুপ করেই রইলাম। কিন্তু ঐ কথাটা  শুনতে খুব কস্ট হলো আমার মেয়ে বিধবা হয়ে গেছে। আসলেই আমি তিশাকে কস্ট দিয়ে ফেলেছি।

,

আমি সোফায় শুয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। সকালে চাচািমা ডেকে তুললেন। বললেন খেতে আয়। নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। ইনিই কি রাতে আমাকে বকা দিয়ে ছিলেন। ফ্রেস হয়ে নাশতা করে নিলাম।

,
,

আমার কোন কাজ নেই। সারাদিন বাসায় বসে আছি। তিশা আমাকে দেখলেই বকা দেয়।তাই তিশার সামনে যাচ্চি না। ছাদে বসে আছি।
,
,
,

ভাইয়া আমাকে কয়টা অংক করে দিবে?  কথাটা শুনে চমকে গেলাম। পিছন ফিরে দেখি তামিম। হুমম।যা আসতেছি।
,
,

তামিম কে অংক করাচ্ছিলাম কিন্তু অংক ও আর মিলাতে পারছি না। তারপর ওঠে আসলাম। একটু রুমে গোলাম। দেখলাম তিশা কিছু একটা খুজছে।


 কি খঁজছো তিশা?  আমাকে বলো আমি খুজে দিই।( রাজ)

,
,
,
এই ছোট লোকের বাচ্চা, লুচ্চা তুই আমার সাথে গা ঘেসে কথা বলতে আসবি না। তাহলে তোর খবর আছে।( তিশা)

,
,
,

তোমার এই ভাবে খুজতে কস্ট হবে তাই বলছি।এমন করে বকা দাও কেন হুম।আমি

আমার কষ্ট হলে তোর কি আয়ছে দরদ দেখাতে।( তিশা)

,
এবার আমার খুব রাগ হলো তাই বললাম। আমি তোমার কথা ভেবে আসিনি। আমি আমার সন্তানের কথাভেবেই আসেছি?( রাজ)
,
,
,

কি?  তোর সন্তান মানে?  ও শুধু আমার সন্তান। আমার সন্তানের দিকে হাত বাড়ালে তোর হাত আমি কেটে দিবো( তিশা)

,
,

এবার আমি খুব অবাক হলাম কি মেয়ে রে বাবা। তিশা তুমিই তো কাল কে বললে আমার সন্তান আমার মতো  খারাপ হবে। ওকে আমাকে দিয়ে দিবে( রাজ)

,

বের হ আমার রুম থেকে( তিশা)

,
,

আমিও বাড়াবাড়ি না করে বের হয়ে আসলাম।আর একটু মুচকি হেসে দিলাম। এভাবেই তিশার বকা শুনে শুনে আমার সাত দিন কেটে গেলো।
,
,
,

ভাবলাম কিছু একটা করতে হবে। তাই একটা বন্ধুর কাছে গেলাম।
,

আমাকে একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিবে বলল।সব পেপার্স নিয়ে যেতে বলল।
,

পরের দিন ওর কথামতো গেলাম। আর কাস্টমার সার্ভিসে একটা চাকুরিও হলো।
,

চাচা আমার চাকুরির কথাটা শুনে অনেক খুশি হলেন। চাচিমা বললেন, তুই যদি কোনো দিনও চাকুরি না পাইতিস তবুও আমাদের কোনো দুঃখ ছিলো না কিন্তু আমার মেয়েটাকে দুঃখের সাগরে ভাসিয়ে দিয়েসিস। চাচা তিশাকে আমার চাকুরির কথাটা বলল,ও কিছুই বলল না চুপ করে চলে গেলো।
চাচিমার কথাটা শুনে অনেক খারাপ লাগলো।
,
,
,

এভাবে ই চলে গেলো একমাস। আজকে বেতন হলো আমার হাতে টাকা অনেক খুশি আমি। তখনি পুরোনো কথা মনে পরলো। রাজ সামনের মাসের টিউশনির টাকাটা দিয়ে আমাকে একটা শাড়ি কিনে দিবা?

,
,

তাই দৌড়ে মার্কেটে গিয়ে একটা নীল শাড়ি কিনলাম তিশার জন্য। তারপর বাসায় আসলাম।
,
,

তিশা জানালার কাছে বসে আছে। আমি শাড়িটা এগিয়ে দিয়ে তিশাকে বললাম, তিশা এই নাও তোমার শাড়ি।
,
,
তিশা আমার দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দিয়ে শাড়ি টা নিলো। আমি অনেক খুশি হলাম।ভাবছিলাম।
কিন্তু আমার এ হাসি বেশি সময় রইলো না।

 তারপর শাড়ি টা আমার মুখের উপর ছুড়ে মারলো।তিশা এটা কি করলে তুমি।?( রাজ)
,
,

তুই ভাবলি কি ফকিরের বাচ্চা তোর শাড়ি আমি পরবো? ( তিশা)

আমি শাড়িটা হাতে নিয়ে রেখে দিলাম। ইচ্ছে করছিলো কষে একটা মাইর দি কিন্তু চাচা নিষেধ করছে আমি যেন তিশাকে কিছু না বলি।তাই কিচ্চু বললাম না।
,
,
,

সন্ধ্যার সময় চাচা আসলেন। চাচাকে বাকি টাকাগুলো বুজিয়ে দিলাম। এসে ঘুমিয়ে গেলাম। হঠাৎ সজাগ হয়ে কারো ঘোঙ্গরানোর আওয়াজ শুনলাম। লাইট ওন করে দেখি তিশার বেট থেকে আওয়াজটা আসতেছে। আমি তিশাকে ডাক দিলাম কোন ছাড়া নেই। আমি তিশার কাধে জাকি দিতেই তিশা আমাকে একটা থাপ্পুর বসিয়ে দিলো

ঐ ছোট লোকের বাচ্চা তুই আমাকে টাচ করলি কেন?
( তিশা)
 
তিশা তুমি কান্না করছিলে তাই।আমি আর কিছু বললাম না।
,
হইছে যা এবার( তিশা)

,
,
,

আমি এসে সোফায় শুয়ে শুয়ে পুরনো কথাগুলো ভাবতে লাগলাম। তিশা আমাকে কতটা বিশ্বাস করতো।
আমি সব নষ্ট করে দিয়েছি।
সবাই নিশ্চয় ভাবছেন কি এমন খারাপ কাজ ককরছি তাই না??
তাহলে
আসুন  ঘুরে আসি পুরনো দিনগুলো তে কি হয়েছিলো।
,
,
বিয়ের পরেও আমি টিউশনি করাতাম।তিশার বেশি চাওয়া ছিলো না।শুধু বলতো। পেমেন্ট পেলে তিশা কে একটা শাড়ি কিনে দিই আর একদিন যেন ফুচকা কিনে খাওয়াই।
,
,
বিয়ে করার আগে দেখতাম তিশা রিক্সা করে কলেজ যেত। কিন্তু বিয়ের পর আমার কাছে টাকা থাকত না বলে দুজনেই হেটেই কলেজ যেতাম।চাচা টাকা দিলেও তিশা নিতো না।
আমি তিশার এমন বিহেভ দেখে অবাক হতাম।কেননা তিশা বিয়ের আগে মাসে চাচার কাছ থেকে অনোক টাকা নিয়ে নিতো।সে আজ এত পরিবর্তন হয়েছে।
,
,
মাজে মাজে চাইতাম কোন কোম্পানিতে জব নিবো।কিন্তু তিশা চাইতো আগে স্টাডি টা শেষ করি।ওর নাকি কোন কষ্ট হয় না।
,
,
তাই পড়াশুনাই করতাম বেশি।
আমি সবাই কে নিয়ে খুব সুখেই ছিলাম।
কিন্তু এ সুখ আমার বেশি দিন রইলো না।
,
,
একদিন টিউশনি থেকে বাসায় ফিরে দেখি তিশা কাজিন আবির আসছে।
,
,
আমি ভিতরে ডুকতেই তিশা বলে ওঠলো,
__ কি এত লেইট করলে কেন? ( তিশা)
___ পরাতে পড়াতে লেইট হয়ে গেছে। ( রাজ)
তারপর তিশা সোফায় বসে থাকা ছেলেটার দিকে ইশারা করে বলল,
_______ ও আমার খালাতো ভাই আবির
আর আবির কে বলল,
এ আমার বর রাজ।
,
,
তিশা আমার একটা হাত ধরে হেসে হেসে বলছিলো।
,
আমি আবিরের সাথে অনেক কথাই বললাম।
রাতে আবির চলে গেলো।
,
,
পরের দিন তিশা বলল,
__ আমি আজ কলেজ যাবো না রাজ।তুমি যাও ( তিশা)
__ কেন। তোমার শরীর খারাপ।?  আমি তিশার কপালে হাত দিয়ে বললাম।
,
,
তিশা হেসে দিয়ে বলল,
no mr.রাজ।
আমি একদম ঠিক আছি।
}------
তাহলে কলেজ যাবে না কেন?( রাজ)
____ আম্মু,  আব্বু খালামনিদের বাসায় যাবে। আমিও যাবো।
তিশার কথা শুনে আমি তাকিয়ে রইলাম।
তিশা আবারো বলে ওঠলো,
আরে আবিদের বাসায়।
,
আমি আর কিছু না বলে কলেজে চলে আসলাম।
,
কলেজে ডুকার পর মনে হলো কেউ আমাকে ডাকছে।
আমি পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি আবির দাড়িয়ে আছে।
,
,
প্রথমত আবির এখানে কেন?
আমি যাবো না বলে কি নিতে আসছে। নাকি তিশার সাথে দেখা করতে আসছে। প্রশ্ন গুলো আমি মনে মনে বললাম।
তারপর আবিরের সামনে গেলাম।
আপনি এখানে কেন??
___ তোমার সাথে দেখা করতে আসলাম রাজ? ( আবির)
_____ আমার সাথে দেখা করতে কিন্তু কেন?? ( রাজ)
__ আসো আমার সাথে কিছু জরুরি কাজ আছে।
বলে আবির আমাকে ওর গাড়ি তে গিয়ে বসতে বলল।
___
না ভাইয়া,  আমার ইম্পুর্টেন্ট ক্লাস আছে। অন্য দিন যাবো আপনার বাসায়।তাছাড়া তিশা তো যাচ্ছে ই।
____ হা হা হা 
আবির আমার কথা গুলো শুনে অট্টহাসিতে ভেঙ্গে পড়ল।
আমি তার হাসির কারন টা ঠিক বুজতে পারছি না।
এমন করে হাসছেন কেন?( রাজ)
____ আরে তোর কথা শুনে। তুই ভাবলি কি করে তোকে আমার বাসায় নিয়ে যাবো। আমার বাসায় একটা সোফায় বসার যোগ্যতাও তো তুর নেই।
,
তিশা যে তোকে কেন বিয়ে করলো সেটাই বুজতে পারছি না।
,
আমিও মুচকি হেসে বললাম,
আপনি বুজবেন ও না। কেন করেছে।
তো আপনার কথা বলা শেষ হলে আমি এখন যাই?
,
আবির আবার ও বলে ওঠলো,
তুই তিশার জীবন থেকে সড়ে দাড়া। আমি তিশা কে ভালোবাসি।
,
,
আবিরের কতাটা শুনে আমি জোরেই হেসে দিলাম,
কি ভাই আমি বউ কে ছেড়ে দিবো হুম।
আপনাকে ডক্টর দেখানো দরকার।
 আমি যাই
,
আমি সামনের দিকেই পা বাড়াতেই আবির বলে ওঠলো,
পর্ব:০৩
♥♥♥♥♥♥♥
আমি সামনের দিকে পা বাড়াতেই আবির বলে ওঠলো,,,
______________________

রাজ তিশা শুধু আমার। তোকে আমি ঠিক সরিয়ে নিবো। ( আবির)
______
আমি আবারও হাসি দিয়ে চলে আসলাম।
আবিরের কথাটা সেদিন পাত্তা দিলাম না। তিশা কে বলেছিলাম আবিরের সাথে কথা না বলতে।মেয়েটা অনায়েশে বলে দিলো ঠিক আছে আর বলবো না।
__________________________
 
তার একমাস পর আমি কলেজ এ গাছের নিচে বসে বই পড়ছি। তিশা মাঠে বাকি বন্ধুদের সাথে গল্প করছে।
,
আমি পুরোপুরি পড়ায় মগ্ন। এমন সময় কারো কথায় ওপরে তাকালাম।দেখলাম সাদিয়া আমার সামনে দাড়িয়ে আছে।
_________________________

কিছু বললে আমাকে সাদিয়া?( রাজ)
___ হুম।আমাকে একটু হ্যাল্প করবে রাজ?( সাদিয়া)
_____ কি হ্যাল্প বলো।কোন নোটস লাগবে? ( রাজ)
__আরে নাহ,  নোটস না।অন্য রকম হ্যাল্প ( সাদিয়া)
_____ আসলে তুমি তো জানো আমি সোহান অনেক ভালোবাসি। কিন্তু ও আমাকে পাত্তাও দেয় না। প্লিজ রাজ সোহান কে বুজিয়ে বলো না।
তুমি বললে ও ঠিক শুনবে ( সাদিয়া)
___ দেখ সাদিয়া।এটা সোহানের পার্সোনাল মেটার আমি কি করবো? ( রাজ)
_____ প্লিজ রাজ এমন করে বলো না।একটু দেখ? ( সাদিয়া কান্না করে বলল,)
____ আরে কান্না করছো কেন? ( রাজ)
____ সত্যি বলছি সোহান আমার ভালোবাসা মেনে না নিলে মরে যাবো।সত্যি বলছি আমি কিছু একটা করে ফেলবো ( সাদিয়া 😭😭😭)
________আচ্ছা আমি সোহান কে বলবো। ( রাজ)
____ তাহলে এখনি চলো রাজ।সোহান কোথায় আছে আমি জানি। আর ও এখন একা আছে। প্লিজ রাজ এই টুকুনি হ্যাল্প করো ( সাদিয়া)
_________________________


কি করবো আমি বুজতে পারছিলাম না।মেয়েটা কান্না করছে তাই যেতে রাজি হলাম।কিন্তু রাজি হওয়াটা আমার জীবনের কাল হয়ে দাড়ালো।

,
চলো তাহলো সাদিয়া,
আমি বইটা বেগে রেখে সাদিয়ার পিছু চললাম।
আর যাওয়ার আগে তিশাকে ইশারা দিলাম আমার একটু কাজ আছে।
,
,
সাদিয়া যাচ্ছে আমি তার পিছু পিছু যাচ্ছি।কলেজের ক্লাস হওয়া সব গুলো রুম ই অতিক্রম করে ফেলছি। পুরোনো বিল্ডিংটার কাছা কাছি এসে গেছি।
,
আমার কেমন জানি সন্দেহ হতে লাগলো।আমি সাদিয়া কে বললাম,
আর কত যাবে আর সোহান কোথায়? ( রাজ)
__=এই তো আরেক একটু। ( সাদিয়া)
আমি আবারও চললাম সাদিয়ার পিছু। একটু গিয়ে সাদিয়া একটা রুমের দিকে ইশারা করে বলল,
এই রুমে সোহান বসে আছে।? ( সাদিয়া)
আমার কেমন জানি লাগছিলো।সোহান এখানে কি করছে। আমি কি ভিতরে যাবো?? জায়গাটা নির্জন। কি করি এখন?  কিন্তু সাদিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখলাম,
মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ওর চোখে পানি টলমল করছে। খুব মায়া হচ্ছিলো।
আমি ভাবলাম না রুমে ডুকলাম।কিন্তু রুম টা অন্ধকার। কিচ্ছু দেখা যাচ্ছে না।
আমি একটু সামনে এগিয়ে গেলাম। আর সোহান কে ডাকতে লাগলাম,
সোহান,  সোহান, এই সোহান তুই কোথায় রে। এই অন্ধকার রুমে কি করিস?  বেরিয়ে আয় বলছি সোহান,
কোন আওয়াজ না পেয়ে আমি দরজার দিকে তাকালান অদ্ভুত দরজা বন্ধ হলো কেমন করে বুজতেছিনা তো।
,
আমি সাদিয়া কে ডাকতে যাবো তখনি রুমে লাইট জলে ওঠলো।আমি সামনে তাকিয়ে অবাক হলাম।সাদিয়া দরজা বন্ধ করে দাড়িয়ে আছে। আর মুচকি মুচকি হাসছে।
,
আমি কিচ্ছু বুজে ওঠতে পারছি না। আমি ঘুরে তাকালাম সোহান কে দেখার জন্য। কিন্তু না সোহান কোথাও নাই। আমি সাদিয়া কে প্রশ্ন করলাম।
______ সোহান কোথায়সাদিয়া??
___ সোহান তো নেই রাজ এখানে? ( সাদিয়া)
_____ সোহান এখানে নেই মানে?  আর তুমি দরজা বন্ধ করলে কেনো? ( রাজ)
____ আবির কে চিনো। আবির আমাকে পাঠিয়েছে।তোমাকে মিথ্যে বলে এখানে নিয়ে আসলাম। এখন দেখ কি করি।
বলেই সাদিয়া চেচাতে চেচাতে লাগলো।
বাচাও কেউ,  রাজ আমার ক্ষতি করো না ইত্যাদি ইত্যাদি বলে।
আমি সাদিয়ার এমন বিহেভ এ তব্দা হয়ে গেলাম। তখনি আমার মনে তিশা তো মাঠে বসে আছে। আর মাঠ থেকে এ চিৎকার শোনা যাবে।
,
,
আমি তারাতারি করে বের হতে গেলাম। কিন্তু সামনে সাদিয়া দাড়িয়ে চেচাচ্ছে। কেমন করে বের হবো আমি?
আমি যখনি সাদিয়া কে সরিয়ে বের হতে গেলাম।তখনি সাদিয়া আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো।
আমি একটা সিটের কর্নারে গিয়ে পড়লাম।আমার বেগটা একটু দূরে গিয়ে পড়লো।
আমি তারাতারি ওঠার চেষ্টা করলাম। কিন্তু আমার পা কিছু একটার সাথে আটকে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও বের করতে পারছি না।
তখনি আমার নজর পড়ল আমার হাতে টপ টপ করে ফোটা ফোটা রক্ত পড়ছে।
আমি কপাল হাত দিলাম।
হ্যা আমার কপাল টা একটু কেটে গেছে। আমি অনেক কষ্ট করে যখনি পা টা বের করে কোন রকম ওঠে দাড়ালাম ততখনে সবাই এসে গেছে।
সাদিয়া তিশা কে ধরে কান্না করছে আর বলছে,
আ, আমি আসতে চাইনি রাজ জোর করে নিয়ে আসছি। ও বলছে আমাকে কিছু নোটস দিবে তাই আসছি।
কিন্তু জানতাম না রাজ আমার সাথে এমন টা করবে। আমি ওকে বিশ্বাস করে ছিলাম।
তিশা আমি রাজ কে আঘাত না করলে আজ অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলতো। তুকে অনেক ধন্যবাদ তিশা ঠিক মতো এসে আমাকে বাচিয়ে দিলি।
সাদিয়া নিজেকে দুটো হাত দিয়ে ডেকে রাখছে আর কান্না করে।এক এক করে সব মিথ্যে বলে যাচ্ছে।
,
,
তিশা সাদিয়া কে আমার সামনে এসে দাড়ালো।
আমার চোখের দিকে তিশা তাকিয়ে আছে। ওর চোখে জল গড়িয়ে পড়ছে


আমি কিছু বলতে যাবো তিশা তখনি আমাকে একটা থাপ্পুর মারলো আর বললল,
____লজ্জা করে না। বউ রেখে অন্য মেয়ে কে নির্জন জায়গায় ডেকে এনে। ছি :
এই আমার ভালোবাসার মুল্য তোর কাছে? এই প্রতিদান আমার ভালোবাসার?  কি দোষ ছিলো আমার?  কিসের কমতি ছিলো।আমি তোকে কখনো দূরে সরিয়ে দিতাম।
আমার ভাবতেও ঘৃনা হচ্ছে তুই আমার স্বামী। তুই একটা খারাপ লোক।ভুল করেছিলাম আমি তোকে ভালোবেসে।তারচেয়ে বড় ভুল করেছিলাম তোকে বিয়ে করে?
____ তিশা আমি কিচ্চু করিনি। আমাকে কেউ ফাসিয়েছে?  বিশ্বাস করো?
____ বিশ্বাস করবো? 
আবার ও?
নিজের চোখের সামনে এত কিছু দেখেও। কেমন করে করবো।?বিশ্বাস আমার শেষ হয়ে গেছে? (
____ আমাকে একটা বার বিশ্বাস করো আমার কথাটা একবার শুনো।আমি কিচ্চু করিনি?
____ বাহ, বাহ,  কি অভিনেতা?
তাহলে এই ওড়নাটা এখানে আসলো কেমন করে। আমার কাছেই পড়ে থাকা সাদিয়ার ওড়নার দিকে ইশারা করে বলল,
তোর কপাল  ফেটে রক্ত বের হলো কেমন করে।
এসব কিচ্ছু মিথ্যে? ( তিশা)
___ তিশা আমি কিচ্চু করিনি। কেন বুজতে পারছো না। ( রাজ)
___ আমি আর বুজতে চাই না।তোর এই মুখ আমি আর দেখতে চাই না। বলেই সাদিয়ার ওড়না টা নিয়ে তিশা চলে গেল।
,
,
একটু পর পুলিশ এসে আমাকে ধরে নিয়ে গেলো।
,
আমার আর বুজতে বাকি রইলো না। সব ছিলো আবিরের সাজানো নাটক।
আমাকে ফাসিয়ে দিলো।আবির ঠিক আজ আমাকে তিশার থেকে সরিয়ে দিলো।
,
,
আমাকে শুধু চাচা ছাড়া আর কেউ বিশ্বাস করতে পারলো না।
অনেক চেষ্টা করেও চাচা আমাকে বার করতে পারলো না। কারন তিশা নিজে সাক্ষ্য দিলো আমি সাদিয়ার ক্ষতি করতে চাইছি।
আমার ছয় মাসের জেল হয়ে গেলো।
,
,
বাকি টা আপনারা জানেন ই।
বলতে বলতে রাজের দুচোখ জুরে ঘুম নেমে আসলো।
,
,
সকালে রাজ ওঠে অফিসে চলে গেলো।আজ কাল রাজ তিশার সামনে কম যায়।তাই তিশাও আর বেশি রাগে না।
,
,
রাজ একদিন অফিস থেকে ফিরে খুব অবাক হলো।
,
তিশা আবিরের সাথে বসে হাসাহাসি করছে।
আজ রাজের খুব রাগ হলো।কিন্তু চুপ করে থাকলো
,
,
একটু পর তিশা রুমে আসলো।
____ তুমি আবিরের সাথে বসে হাসাহাসি করছিলে কেন? ( রাজ)
____ আমার ইচ্ছে হইছে তাই করছি এর জন্য কারো কাছে আমি কইফিয়ত দিতে পারবো  না।
___ তিশার কথা গুলো শুনে আজ আমার খুব রাগ হলো।কারো কাছে মানে? 
আমি তোমার বর তাই আমি নিষেধ করছি। সো তুমি আবিরের সাথে কথা বলবা না। ব্যাস( রাজ)
____ তুকে আমি বর হিসেবে মানি না। আর কখনো মানবো ও না।? ( তিশা)
____ তিশার কথা শুনে আজ আর নিজেকে কন্ট্রোল  করতে পারলাম না।তাই ঠাসসস ঠাসস করে দিলাম দুটো থাপ্পুর।
তিশা কান্না করতে লাগলো আর বলল,
ছোটলোকের বাচ্চা আজি এ বাসা থেকে বের হবি। তোর জায়গা এখানে নেই।
_____ আর এক বার ছোটলোকের বাচ্চা বললে খবর আছে। শয়তান মেয়ে লজ্জা করে না নিজের বর রেখে অন্য ছেলের সাথে হাসা হাসি করতে। আমি কি এমন করছি। সারাখন বকা দিয়ে যাস। এবার থেকে আমি ও ছাড়বো না।ঐ আবিরের সাথে তুকে দেখলে খবর আছে।
,
আমার অনেক রাগ হয়েছিলো তাই একদমে সব গুলো কথা বলে ফেললাম।
তখনও তিশা কান্না করছিলো।
,
আমি দরজার দিকে তাকিয়ে অবাক হলাম।
চাচি মা দরজার সামনে দাড়িয়ে আছে। জানি না রাগের মাথায় কি কি বলে ফেললাম।
,
চাচি মা এসেই আমাকে থাপ্পুর মারলো।
বেরিয়ে যা আমার বাসা এ বাসায় তোর আর জায়গা নেই।
অনেক জালিয়েছিস এবার দূর হ। আমার মেয়ের নামে বদনাম করিস তাই না।আবার আমার মেয়ের গায়ে হাত তুলেছিস।তুকে জেলে পচিয়ে মারার দরকার ছিল।
ছোট বেলা থেকে খায়িয়ে পড়িয়ে এত বড় করেছিলাম।
এজন্য তাই না?
যে দিন বাবা মা মারা গিয়েছিলো কোথাও তো জায়গা পাসনি?
আজ আমি জায়গা দিয়েছি বলে এত কিছু করছিস?
বেরিয়ে যা আমার বাসা থেকে।এক্কন বেরিয়ে যা।তোর মতো ছেলের কোন জায়গা নেই?
চাচি মা কথা গুলো বলেই আমার কাপড় একটা বেগে ভরে আমার মুখের উপর ছুড়ে মারলো।
আজ আমার ও খুব রাগ হলো।আর এত অবহেলা বকা সহ্য করতে পারছি না। তাই বেগ টা কাধে নিলাম।।
,
চাচি মা আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিলো। তারপর আমার মুখের উপর
চাচিমা দরজা বন্ধ করে দিলো।
,
,
আমি কেন জানি আর সহ্য করতে পারছি না। অনেক প্রতিবাদ করতে ইচ্ছে করছে।
না আমি আর শহরে থাকবো না। চলে যাবো গ্রামে।
,
,
,
বাসার সামনে দশ মিনিট দাড়িয়ে থেকে রওনা দিলাম বাস টপের দিকে।
,
,
,
রাতের বেলা রাস্তা দিয়ে হাটছি আর ভাবছি। আমি তো ইতিম। আর ইতিম হয়ে ও অনেক বড় স্বপ্ন দেখে ফেলেছি। এখানে থেকে আর লাভ নেই।
হয়তো চাচা এসেও একি ব্যবহার করবে। কারন তার গায়ে হাত উঠিয়েছি। মিথ্যে বদনাম দিয়েছি। কম কি করেছি নাকি।
,
,
,
যাই হোক বাসস্টপে এসে গেলাম।টিকিট কেটে ওয়েট করতে থাকলাম বাসের জন্য।
আর ভাবতে লাগলাম চাচা মনে হয় ফোন দিবে বাসায় ফিরার জন্য। কিন্তু তাও ভুল হলো।
,
,
,
আমার বাস এসে গেল। যাত্রা শুরু করলাম গ্রামে।
,
,
,
রাতে তিশার বাবা এসে সব কিছু শুনে কিছুই বললেন না।
তখনও তিশার মা অনর্গল বকে যাচ্ছে রাজ কে।
,
,
,
তিশার বাবা ছাদে গিয়ে দেখল তিশা মন মরা হয়ে দাড়িয়ে আছে। ওনি তিশার পাশে দাড়ালো। আর রাজ কে ফোন দিলো। ততখনে রাজ ফোন বন্ধ করে দিয়েছে। ফোন সুইচ অফ দেখাচ্ছে।
,
,
,
তিশা যেন মন মরা হয়ে কি ভাবছে যা তিশার বাবা ঠিক বুজতে পারছে 
,
ওর বাবার ডাকে তিশা বাস্তবে ফিরলো,
______ তিশা তুকে কিছু কথা বলতে চাই? ( বাবা)
______ বলো বাবা কি কথা? ( তিশা)
তুই রাজ কে ভুল বুজেছিস মা।ও নিদোর্ষ কিচ্চু করেনি।( বাবা)
___ বাবা তুমি কাকে নিদোর্ষ বলছো বলোতো? ( তিশা)
___ ঐ দিন সাদিয়ার সাথে যা কিছু হয়েছে সব সাজানো নাটক ছিলো।আবিরের কথায় সাদিয়া রাজকে ফাসিয়েছে।
তোর কাছ থেকে রাজ কে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। ( বাবা)
___ কিন্তু কেন?  আবির এমন কেন করবে? ( তিশা)
___ কারন আবির তোকে ভালোবাসে। ( বাবা)
____ তুমি এসব জানলে কেমন করে বাবা? ( তিশা)
___ রাজ বলেছে। তুই খুব কস্ট দিয়ে ফেললি রাজকে।ছেলেটার কেউ নেই রে মা তুই ছাড়া।
কোথায় গেল এখন কে জানে?
ফোনটাও তো অফ দেখাচ্ছে।
বলেই তিশার বাবা চলে গেলো।
,
,
,
কথাগুলো শুনে তিশার চোখ দিয়ে পানি পরছে। কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছে তিশা।
কি বলবে কত খারাপ করেছে রাজের সাথে।
,
,
,
তিশা দৌড়ে রুমে গেল আর রাজ কে কল দিলো।
এবার রাজের ফোনে রিং হচ্ছে।
তিশা একটু হেসে দিলো।মনে মনে ভাবতে লাগলো রাজ কোথাও যায়নি। পরমুহুর্তেই তিশার মুখটা মলিন হয়ে গেলো। কারন রাজ ফোন কেটে দিলো
তিশা আবারও ফোন দিলো এখন ফোন সুইচ অফ দেখাচ্ছে,,,,,,,,,,,,,
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥

পর্ব:{ ০৪}
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
তিশা আবার ও ফোন দিলো কিন্তু এখন ফোন সুইচ অফ দেখাচ্ছে, ,,,,,
_______________________
সারা রাত তিশা ট্রাই করে গেলো।কিন্তু রাজের ফোন বার বার অফ দেখাচ্ছে।
তিশা বুজতে পারলো রাজ আজ অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছে । কিন্তু আবির এসব করেছে জানতে পারলে রাজের সাথে তিশা  কখনো এমনটা করতো না।
,

,
_____
রাত পেরিয়ে সকাল হয়ে গেল। রাজের ঘুম ভাঙল একটা লোকের ডাকে।
--- ও ভাই,  বাসেই থাকবেন নাকি। বাস তো এসে গেছে।
রাজ হুরমুরিয়ে ওঠলো।
বাস থেমে অটো করে চলে আসলো গ্রামে।
,
বাড়িতে ডুকতেই রাজের ছোট চাচিমা বলে ওঠলো,
কি রে রাজ তুই এত সকাল সকাল আসলি যে।
___
রাজ কিছুই না বলে ছোট চাচাতো ভাই আরমানের রুমের দিকে পা বাড়ালো।
পিছন থেকে চাচি মা আবারও বলে ওঠলো,
কি রে তিশা কোথায়। তিশা কে নিয়ে আসলি না?
,
,
রাজ এবার ও চুপ করে রইলো।
রুমে ডুকতেই আরমান যেন চমকে ওঠলো।
আরে রাজ ভাইয়া যে কখন আসলে?
,
রাজ কোন উত্তর না দিয়ে ব্যাগ রেখে বিছানায় শুয়ে পড়লো।
আরমান পড়ার টেবিল থেকে ওঠে এসে বলল,
ভাইয়া তিশা আপুও আসছে নাকি???
,
,
রাজ এবার আরমানের দিকে একটু রাগি মুডে তাকালো। আরমান আর কিছু না বলেই চলে গেলো।
,
,
ছোট চাচিমা আর আরমান বুজতে পারলো। কিছু একটূ তো হয়েছে।
আরমান চুপ করে তিশা কে ফোন দিলো।
____ হ্যালো,  তিশা আপু?
____ হুম।বল আরমান?
______ আপু বাসায়,কি কিছু হইছে।রাজ ভাইয়া আসল এখন কিন্তু কারো সাথে কথা বলছে না
__= রাজ গ্রামে গেছে?
____ হে তো একটু আগেই আসলো। আপু কিছু হয়েছে?
____ হুম। অনেক কিছু।
____ কি হয়েছে আপু বলো।
তারপর তিশা আরমান কে সব কিছু বলল,
আপু চিন্তা করো না।ভাইয়া ঠিক চলে যাবে। আমি আম্মু কে বলি তাহলে রাখি তাহলে
.

আরমান ফোন রেখে ওর আম্মু কে সব কিছু বলল।
তাহলে রাজকে কিছু বলিস না আরমান।ও চুপ করেই থাক।

,
তিশা দৌড়ে গিয়ে ওর বাবা কে বলল,
আব্বু রাজ গ্রামে গেছে।
___ ও গ্রামে চলে গেছে?  তাহলে চিন্তা করিস না। চলে আসবে।
,
,
,
কিন্তু তিশা কিছুতেই শান্তি পাচ্ছে না।আব্বু চলো গ্রামে গিয়ে রাজ কে নিয়ে আসি । আমি অনেক অন্যায় করেছি।
প্লিজ আব্বু চলো।
,
,
,
দরকার হলে আমি যাবো। তুই রেস্ট কর। একদম টেনশন করবি না। তোর শরীর টাই ভালো না।
,
,
বাবার কথা শুনে কিছুটা শান্তি পেলেও মুহুর্তেই মন খারাপ করে ফেলল।
কত বকা দিয়েছি রাজকে।নিজের সন্তান কে ও বকা দিয়েছি আমি।আমি কত নিষ্ঠুর হয়েছি।
তিশা ওর পেটে হাত দিয়ে বলল,
মাফ করে দিস আব্বু টা তোর পচা আম্মু টাকে।
,
,
__________________________

রাজ একটু ঘুমানোর পর ওঠেই চাচি কে বলল,
ছোট মা অনেক খুদা পাইছে খেতে দাও তো?
,
,
তুই রুমে গিয়ে বস আমি নিয়ে আসছি।
___ না ছোট মা রান্না ঘরে বসেই খাবো।
_এখানে বসে খাবি। তুই রুমে যা আমি টেবিলে খাবার দিচ্ছি।
___ এতিমের আবার টেবিলে খাবার দাও তো। বলেই রাজ নিচে বসে পড়লো।
ওর ছোট মা এতিম কথা টা শুনেএক দৃষ্টিতে রাজের দিকে তাকিয়ে আছে
তারপর বলল,
তুই এতিম কে বলেছে রাজ?
আমরা কি মারা গেছি?
__
খেতে দাও তো। এতিম কে এতিম বলবে না তো কি বলবে। আর এতিম শুনতে খারাপ লাগে না বরং ভালোই লাগে।শুনতে শুনতে এতিম শব্দটাই ভালো লাগে।
,
রাজ খাবার খেয়ে বেরিয়ে গেলো।
গ্রামের ছোট খাটো বাজারে গিয়ে ওর ছোট বেলার বন্ধু সজিবের সাথে দেখা করলো।
___
আমাকে কোন একটা কাজ দিবি সজিব।যে কোন ধরনের কাজ হলেই চলবে।
___ তোর মাথা খারাপ নাকি? এত পড়াশুনা করসোস। এখন এসব কাজ করবি? তোর করার মতো কাজ এখানে নাই।( সজিব)
____ তুই যে কাজ করিস তাই করবো আমি প্লিজ না করিস না( রাজ)
___ আমি ট্রাক থেইকা মাল নামাই। তুই পারবি নাকি? ( সজিব)
____ আমি পারবো।তুই আমাকে কাজটার ব্যবস্তা করে দে । আমি তোর কাছে একটু চাইচি। এই এতিম কে একটু সাহায্য কর।
___ রাজ তোর মাথা ঠিক আছে তো?  আর কি হইছে বলতো ( সজিব)
___ সব শুনলে কাজ দিবি তো?
___ হুম।দিবো। বল আগে।
___ শোন তাহলে। তারপর রাজ সজিব কে সব কিছু বলল,
সজিব কি বলবে বুজতে পারছে না।
রাজের জোরাজোরি তে কাজে নিলো।
রাজ আজ প্রথম অনেক কষ্টের কাজ করছে।সজিব ওকে বার বার না করছে । কিন্তু রাজ আর কারো বুজা হয়ে থাকতে চায় না।
,
,
সারাদিন কাজ করে রাজ পাচশত টাকা পাইলো।তা নিয়ে বাড়ির দিকে পা বাড়ালো।
,
,
,
রাজের ছোট মা সারা,দিন রাজকে খুজেছে।সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরলে তিনি খুব অবাক হলেন। রাজের গা ভর্তি ময়লা।
,
রাজ তোর এ অবস্থা কেন।সারা,দিন কোথায় ছিলি তুই?
__ আমি কাজে গিয়েছিলাম সজিবের সাথে। এই নাও টাকা।রাজ ওর ছোট মার হাতে টাকা গুলো গুজে দিয়ে।
গোসল করতে চলে গেলো।
,
,
,
গোসল করে এসে রাজ শুয়ে আছে। এমন সময় ছোট মা এসে বলল,
__________ রাজ,  তুই এমন কাজ কেন করতে গেলি।আমরা কি বলিছি তুকে কাজ করতে যেতে?(
____ রাজ হাও মাও করে কেদে ওঠলো। ছোট মা।
এ পৃথিবীতে আমার কেউ নেই। খুব এতিম আমি। আর এতিম দের কে কেউ ভালো বাসতে পারে না। সবাই বুকে তুলে নিলেও আবার অবহেলা করে দূরে সরিয়ে দেয়।
জানো ছোট মা,
আমি যে এতিম। তিশার যোগ্য নয় তা ভুলেই গেছিলাম।আমি স্বপ্নের রাজ্যে হারিয়ে গেছিলাম।
জানো কালকে চাচি মা সব মনে করিয়ে দিয়েছে।
ঘার দাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছে। টাকা পয়সা খরচ করিয়ে বড় করেছে।
ছোট মা আমি এখানে থাকবো কিন্তু টাকা রোজগার করে তোমাদের কে দিবো।
আর যদি বাধা দাও তো আমি এখান থেকে ও অনেক দূরে চলে যাবো।প্লিজ ছোট মা এই এতিম টাকে দূরে সরিয়ে দিও না।
রাজ আস্তে আস্তে ওর ছোট মার কুলে মাথা রেখে কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে গেলো।
________________________

তিশাও আজ ভালো নেই।ঠিক মত খাওয়া করে না।আস্তে আস্তে অসুস্থ্য হয়ে যাচ্ছে।
এটা দেখে তিশার বাবা ছুটে চললেন গ্রামে।
,
,
তিশা রাতে রাজের ছবি টা দেখছে আর কান্না করছে।
রাজ তুমি আমাকে অনেক ঘৃনা করো  তাই না।হুম করবেই তো। একজন স্ত্রী হয়েআমি তোমাকে ভালো বাসতে পারিনি। খালি করেছি অবহেলা করেছি।সব সময় ছোট লোকের বাচ্চা বলে ডেকেছি । আমি তোমার কাছে কখন গিয়ে দাড়াতে পারবো না। কোন মুখ নিয়ে দাড়াবো বলো।আমি যে অনেক অন্যায় করেছি । আমি তোমাকে অনেক দূর থেকেই ভালোবাসবো। তোমাকে ফিরে আসতেই হবে। আমার আর তোমার সন্তানের জন্য হলেও আসতেই হবে। কত দিন ফোন বন্ধ করে রাখবে বলো?
আসতেই হবে।
,
,
পাশ থেকে তিশার মা এসে বলল,
তুই এভাবে কান্না করলে চলবে বল,
বাচ্চাটার ক্ষতি হবে তো।এবার তো কিছু খেয়ে নে। তোর বাবা গ্রামে গেছেন রাজ ঠিক চলে আসবে।
,
,
তিশার ওর মা কে জরিয়ে ধরে কান্না করে দিলো।
,
তিশা সেই বিকেলে একটু ছাদে ওঠেছে।তখনি আবির আসলো আর গিয়ে দাড়ালো তিশার পাশে।
তিশা আবির কে দেখেই রাগে ফুলতে লাগলো
তুই এখানে এসেছিস কেন শয়তান।
তুই আমার সব কিছু শেষ করে দিয়ে এখন কেন আসছিস?
তোকে মেরে ফেললেও আমার প্রতিশোধ নেওয়া,শেষ হবে না।
,
,
আবির তিশার কথা শুনে হাসতে লাগলো।
তিশা আবিরের হাসি শুনে অবাক হলো,
___ সে সুযোগ আর হবে তিশা বেবি। আগে তোমার পেটের বাচ্চা টা কে শেষ করবো তারপর ঐ রাজ কে।কথা হলো আমি তোমাকে চাই।
____
এটা তোর দুরস্বপ্ন!  কখনো পুরন হবে না।তুই আমার মনে রাজের জন্য একটু একটু ঘৃনা সৃষ্টি করেছিস।
বলেই তিশা পাশ থেকে একটা লাঠি নিয়ে যখন আবির কে আঘাত করতে গেলো।আবির তিশা কে ধরে ফেলল,
তিশার মুখে একটা রুমাল চেপে ধরল। তিশা মুহুর্তেই ঘুমিয়ে গেলো।
,
,
আবির গাড়িতে করে তিশা নিয়ে চলে গেলো তার বিশাল বর বাংলোতে।
তিশা কে নিয়ে একটা রুমে রাখা হলো।
,
,
,
তিশা যখন চোখ খুলল তখন দেখল কোন একটা অনধকার রুমে আছে। অনেক পানির পিপাসা পেয়েছে।
,
,
একটু পর ই দরজা খুলে কেউ ভিতরে প্রবেশ করলো।
তিশা স্পস্ট দেখতে পেল এটা আবির।
___ হায় তিশু বেবি কেমন আছো তুমি??
____ আবির,  আবির আমাকে কিছু খেতে দাও। আমাকে কিচু খেতে দাও। আমার বাবু টা অনেক ছট ফট করছে।আবির প্লিজ?😭😭😭😭
__________________


তিশার বাবা গ্রামে গিয়ে রাজকে অনেক বুজালো কিন্তু রাজ আসতে রাজি নয়।
রাজের কান্না সহ্য করতে না পেরে তিশার বাবা ফিরে চলল,
পিছন থেকে রাজ বলে ওঠলো,
চাচা একটা কথা ছিলো,
___
বল কি কথা?
আমার সন্তান কে দেখে রেখো।আমি কোন দিন তিশার সামনে গিয়ে দাড়াবো না।তুমি তিশা কে দেখো রেখো।
,
,
,
তিশার বাবা আর কিছু বলতে পারলো না।বলবে বা কি করে তিশা তো রাজ কে কম কষ্ট দেয়নি। তবুও বলে গেলো
,
তিশা অনেক কান্না করে। পারলে চলে যাস।তিশা এভাবে ডিপ্রেশন  এ থাকলে তোদের সন্তানের ই ক্ষতি হবে।
রাগ আর অভিমান কমলে চলে যাস।তোর জন্য আমার বাড়ির দরজা সব সময় খুলা থাকবে।
,
,
যখনি তিশার বাবা চলে আসবে তখনি তার ফোন টা বেজে ওঠলো।রিসিব করতে ঐ পাশ থেকে তিশার মা কান্না করতে করতে বলল,
তিশা কে কোথায়ও পাওয়া যাচ্ছে না।বাসায় ই তো ছিলো
এখন নেই।পুরো বাসা খুজেছি কোথাও নেই।
,

,
তিশার বাবা রাজ কে বলল,
রাজ বলল,
দেখো আছে কোথাও আবিরের সাথে?
,
,
তিশার বাবা আর কথা না বারিয়ে তারাতারি বেরিয়ে আসলেন।
,
,
রাজ রাতে শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলো তিশার কিছু হলো না তো
রাজ ওর ফোন টা অন করলো।সাথে সাথে অনেক গুলো এসএমএস আসলো।
,
,
রাজ এসএমএস গুলো পড়ে কান্না করে দিলো।প্রতিটা এসএমএস পাঠিয়েছে তিশা।

,
,
রাজের কেমন জানি খারাপ লাগছে। তাই এসএমএস গুলো না পড়েই ফোন টা রেখে দিয়ে ঘুমিয়ে গেলো।
,
,
রাতে তিশা খিদের জালায় ছটফট করচে।আবির রুমে ডুকে তিশার হাতে খাবার দিলেই তিশা খেয়ে নিলো।
,
,
আবির আমাকে ছেরে দাও প্লিজ।
___ সেটা কি করে হয় তিশু বেবি। আমি যে তোমাকে অনেক ভালো বাসি। আমি তোমাকে বিয়ে করবো ডার্লিং।
____ শয়তান তুই জানসো না বিবাহিত।আমি অন্ত: সত্বা?
তারপর কেন এমন করছিস।
____ কালকের মধ্যে তোমার এই সন্তান পৃথিবীতে আসবে বাট মৃত। আর এই অগ্রিম খবর সবার আগে জানবে তোমার বর রাজ। বলেই আবির তিশা কে একটা থাপ্পুর মারলো।
আর বলল,
তোর অবস্থা এমন করবো। যা দেকে তোর বাবা চিন্তা করতে পারবে না আবির কত টা খারাপ।
তোর বাবা আমার সাথে অনেক বড় প্রতরনা করেছে।তার মাশুল এখনি তুই দিবি। 
বলেই আবির চলে আসলো।


তিশা আবিরের কথা বুজতে পারছে না। ওর আবিরের সাথে কিসের প্রতরনা করেছে।যার জন্য আবির আমার সন্তান কে মেরে ফেলতে চায়।
তিশা আস্তে আস্তে বেশি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে।
না আমাকে সুস্ত থাকতে হবে আমার সন্তানের জন্য।
,
,
তিশার বাবা বাসায়,ফিরে অনেক জায়গায় খুজল।থানায় গিয়ে পুলিশ কেও জানালো।আবিরের খুজ নিলো।যত দূর সম্ভব জানতে পারলো আবির দেশে নেই।
চলে গেছে দশদিন আগে।
তিশার বাবা ভাবতে পারছেন না। আমার মেয়ের তাহলে কি হলো।
,
,
রাজকে সব ফোন করে জানালো।রাজ চুপ করে থেকে ফোন রেখে আবার ঘুমিয়ে গেলো।
,
,
রাতে তিশা বাংলোর পিছন দরজা দিয়ে পালালো।
অনেক টা পথ তিশা পারি দিয়েছে।তিশা আচমকা হেসে দিলো।আবির আমার সন্তানের কিচুই করতে পারবে না।
কিন্তু তিশা আর হাটতে পারছে না।পা গুলো অবশ হয়ে গেলো।
তাই একটা গাছের নিচে বসে গুমিয়ে গেলো।
যখন তিশার ঘুম ভাঙল তিশা আবিরের সেই বাংলোতে।
,
,
ওয়েলকাম মাই সুইট হার্ট।
সুপ্রভাত তিশু বেবি।
,
তিশা বুজতে পারছে না এখানে আসলো কি করে।

তুমি কেমন করে ভাবলে পালিয়ে যাবে আমার কাছ থেকে। এত সোজা না তিশু।
তুমি কখন আমার কাছ থেকে ছাড়া পাবে না।কিছু খাবার এগিয়ে
দিয়ে বলল
খেয়ে নাও আজি তোমার সন্তানের শেষ দিন
,
,
বলেই আবির চলে গেলো।

তিশা আল্লাহ কে ডাকতে লাগলো।আল্লাহ তুমি আমার সন্তান কে বাচাও।একবার রাজের কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ করে দাও।,

_____________________
রাজ সকালে ওঠে কাজে চলে গেলো

কিন্তু আজ রাজ কাজে তেমন মন বসাতে পারছে না কেমন জানি করছে। যা লক্ষ্য করেছে সজিব।
____ কি রে রাজ কিছু হয়েচে?
___ না রে।
বলেই রাজ কাজ করতে লাগলো।হঠাৎ করে রাজের ফোনে একটা এসএমএস আসলো।
রাজ এসএমএস টা দেখে থমকে গেলো।নাম্বার টা আবিরের।
আর এসএমএস টা হলো______<_____<<__<___<<<<__<_<<______





পর্ব { ০৫ ___ সমাপ্তি  }
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
রাজ এসএমএস টা দেখে থমনে গেলো।নাম্বার টা আবিরের। আর এসএমএস টা হলো,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
" রাজ তোর তিশা এখন আমার কাছে আর তোর সন্তানেরও শেষ সময় " পারলে ঢাকায় চলে আয়।
,
,
রাজ বুজতে পারলো তিশা কে পাওয়া যাচ্ছে না এটা সত্যি। এত দিন ভেবেছিলো রাজ হয়তো আমি যাতে ফিরে যাই তাই এসব বলছে।
,
,
,
রাজ তারাতারি করে আবিরের নাম্বারে কল দিলো।
সাথে সাথে আবির রিসিব করলো আর বলল,
মি: রাজ আপনি  ঢাকায় আসেন পরে কথা হবে। বলেই আবির ফোন কেটে দিলো।
,
,
রাজ কিচ্চু বলার সুযোগ না পেয়ে আবার কল দিলো। কিন্তু ঐপাশ থেকে বলছে।
আপনার ডায়াল কৃত নাম্বার টিতে এই মুহুর্তে সংযোগ হচ্ছে না।
,
,
রাজ ঠাসস করে পড়লো।
কাজের ফাঁকে যা লক্ষ্য করলো সজিব।
,
কি রাজ কি হইছে? ( সজিব)
রাজ সজিব কে সব কিছু বলল,
তুই আজি ঢাকায় যা ভাই। তিশা কে বাচা। আপাতত তোর সন্তান কে বাচাবি তো নাকি?
,
,
রাজ তারাতারি বাড়ি তে ময়লা কাপড় ছেড়ে। রেডি হয়ে রওনা হলো ঢাকার উদ্দেশ্যে।
,
,
গাড়িতে থেকেও রাজ অনেক বার কল দিলো আবির কে কিন্তু এখনো একি কথা বলছে।
,

,
,
তিশা ভয়ে কান্না করছে।আবির বলেছে ও আমার সন্তান কে মেরে ফেলবে।হে আল্লাহ,  তুমি আমাকে আর আমার সন্তান কে বাচাও।
,
এমন সময় আবির আসলো।
আর বলল,
ভেবেছিলাম তোমার সন্তান কে আজকেই মেরে ফেলবো। কিন্তু না। তোমার বর আসছে ঢাকায়।
আমার পাওয়া না টা আদায় করে তোকে এমন শাস্তি দিবো তিশা তুই ভাবতেও পারবি না।
বলেই তিশা কে আবির আরেক টা থাপ্পুর মারলো।
,
,
তিশা কান্না করতে করতে বলল
আমার সাথে তোর কিসের এত শত্রুতা বল। কেন এমন করসিস?
__
শত্রুতা তোর সাথে নয় তোর বাবার সাথে।উনি আমাকে ঠকিয়েছেন।আমার সাথে বিজনেস করে টাকা মেরে দিয়েছিস।আমিও টাকা আদায় করেই ছাড়বো না হলো তোকে শেষ করে ফেলবো।
বলেছিলো তোকে আমার সাথে বিয়ে দিবে সেখানেও ঠকিয়েছে।কি ভেবেছে তোর বাবা। আমি কাউকে ছাড়বো না। বলে আবির টেবিলে ঘুসি মারলো 
,
,
তিশা কান্না করছে আর বলছে আব্বু এতটা নিচে নেমে গেছে।
কেন এমন বেইমানি করলো আব্বু?
,
,
রাজ রাত দশটায় বাসায় পৌছালো।
তিশার বাবা মা রাজ কে দেখে অবাক।
চাচি মা কান্না করে বলে ওঠলো।
সত্যি তুই অনেক বেইমান। একটু কথা বলেছি তাই এভাবে চলে গেলি?
আমাকে খমা করে দিস বাবা?
,
,
চাচিমা তুমি এসব কি বলছো? ( রাজ)
___ ঠিকি। তুই আমার মেয়েকে এনে দে।তিন হলো তিশার কোন খুজ নেই।
র‍্য__
তিশা আবিরের কাছে।
কথাটা শুনে সবাই চমকে ওঠলো।
রাজ ওর চাচা চাচি মা কে সব কিছু খুলে বলল,
,
,
তখনি রাজের ফোন টা বেজে ওঠলো।
রিসিব করতেই আবির বলতে লাগলো,
রাজ কালকে সকাল দশটার মধ্যে পাচ লক্ষ টাকা নিয়ে আমার সাথে দেখা করবি আর তিশা কে নিয়ে যাবি। না হলে তোর সন্তান খতম।
,
,
এই আবির তোর কিসের এত জেদ বলতো। কেন এমন করছিস?
,
,
তোর শশুড় আমার টাকা গুলো অনায়েশে মেরে দিয়েছে। সেই পাচ লক্ষ টাকা আমি ফেরত চাই। আমি এড্রেস টেক্সট করে দিচ্চি চলে আসবি। সকাল দশটা।
,
,
আবির ফোন কাটার পর রাজ ওর চাচা কে জিগ্যেস করলো।
কিসের টাকা তোমার কাছে। যা আবির চাচ্ছে। পাচ লক্ষ টাকা দিলেই ও তিশা কে ছেরে দিবে বলছে।
,
,
আমি আর আবির এক সাথে বিজনেস শুরু করেছিলাম।
ওর কাছ থেকে আমি অনেক টাকা মেরে দিয়েছি।যার জন্য ও আমার পরিবারে একের পর জামেলা লাগিয়েই যাচ্ছে।
ঠিক আছে আমি টাকা দিবো। আমার কে ছেড়ে দিতে বল।
,
,
,
দেখেছো লোভে পাপ পাপে মৃত্যু। আজ তোমার জন্য আমার মেয়েটা না জানি কি হালে আছে।
,
,
রাজ আর কিছু বললো না। চুপচাপ ওঠে চলে গেলো ওর বন্ধু দের কাছে।
সোহান সহ সবার সাথে দেখা করে একটা প্ল্যান করলো কেমন করে তিশা কে বের করা যায়।
,
,
শোন আবিরকে তুই এখন কল দিবি। আর বলবি আমি তিশার সাথে কথা বলবো।তো ও তিশা কে দিবে। আমরা ওর নাম্বার ট্যাগ করে লোকেশন ঠিক করে নিবো।
সো কাল কে তুই যখন আবিরের সাথে দেখা করবি ঐ লোকেশন অনুযায়ি। আমরা সেখানে গিয়ে তিশা কে নিয়ে আসবো।কারন আবির তিশা কে নিয়ে তোর সাথে দেখা করবে না এটা কন্ফার্ম।
,
পরের টা পরে দেখা যাবে।
( সোহান)
সোহানের কথার সাথে সবাই একমত হলো।
,
,
রাজ আবির কে কল দিয়ে তিশার সাথে কথা বলতে চাইলো।
আবির তিশা কে ফোন দিতেই তিশা কান্না করে বলতে লাগলো।
রাজ প্লিজ আমাকে নিয়ে যাও। আমার জন্য না হলেও আমাদের সন্তানের,,   ,   
বলতেই আবির ফোন টা নিয়ে নিলো আর বলল,
ঠিক ঠিক মত চলে আসবি।কোন পুলিশ বা চালাকি যদি করেসিস তো দেখবি। আমি কত খারাপ হই।
,
রাজ ওকে বলে রেখে দিলো।
,
সোহান ইশারা দিয়ে জানালো কাজ হয়েছে।
,
,
পরের দিন সকাল দশটায় রাজ একটা বিটকেস নিয়ে দাড়িয়ে আছে আবিরের জন্য।

একটু পর একটা কালো গাড়ি করে আবির আসলো
,
__
আবির কে দেখেই রাজ বলল,
তিশা কোথায়?
__ আরে আছে। আগে।তো টাকা গুলো দে।
,
রাজ আবিরের ককথা শুনে মুচকি হাসতে ললাগলো।
রাজের ফোনে একটা এসএমএস আসলো।
সোহান লিখেছে ভাই তিশা কে পেয়ে গেছি। ও কে নিয়ে বাসায় যাচ্ছি।তুই শালাকে সাইজ কর।

,

রাজ জোরে জোরো হাসতে ললাগল তখন আবির বলল
হাসসিস কেন?
সাথে সাথে পুলিশ এসে আবির কে ধরে ফেলল।
তখনি আবির বলল
রাজ ভুলে যাস না তিশা আমার কাছে?
রাজ বলতে ললাগলো
,
তুই এখানে আসার সাথে সাথে আমার বন্ধুরা তিশাকে বাড়ি নিয়ে চলে গেছে।তিশা এখন ওর বাবা মার কাছে।
,
,
আবির রাজের কথা শুনে রাগে কটমট করতে লাগলো। পুলিশ আবিরকে নিয়ে যাওয়ার সময় আবির আবার ও বলল দেখে নিবো তোকে রাজ।
আমাকে বেশি দিন আটকে রাখতে পারবে না। আর তখন আমার সাথে করা চিটিংবাজির পুরো প্রতিশোধ নিবো। দেখবো তখন তিশা তোকে কি করে বাচায় আর তুই কি করে নিজের বউকে বাচিয়ে নিস।
পুলিশ টানতে টানতে আবির কে নিয়ে গেলো।
,
,
রাজ আবিরের কথাগুলো শুনে মুচকি হাসছিলো।
আর বলল,আরে যা না বাবা। যখন সময় আসবে তখন দেখা যাবে।
তখনি রাজের বন্ধুরা আসলো আর বলল ভাই ভাবি কে বাসায় দিয়ে আসছি।
,
রাজের একবন্ধু বলল,
দোস্ত তিশা ভাবি একদম ঠিক আছে। তুই কোনো চিন্তাই করিস না তো।
,
আরে দোস্ত তিশা ভাবি তো সেই।! 
,
কেন রে তিশা ভাবি আবার কি করলো।
,
আরে জানিস না তো তিশা ভাবি আবিরের কাছ ঢথেকে পালাইছিলো।!!
,
,
ওকে তোরা থামতো এবার ( রাজ)
ওকে,
,
,
কিন্তু দোস্ত আমাদের একটা আবদার তোকে রাখতেই হবে।
,
কি আবদার বল। আমি অবশ্যই রাখার জন্য চেস্টা করবো। তোরা আমাকে হেল্প করলি।
,
,
বেশি কিছু না দোস্ত। শুধু আমাদেরকে তোর বাড়িতে একদিন খাওয়াতে হবে তাও আবার তিশা ভাবির হাতের রান্না। তাহলেই হবে।
,
,
ঐ শালা তুই খালি খাই খাই করিস কেন?
,
আরে বুজতে পারসিস না এতে দুটো উপকার হবে।
,
,
কি উপকার হবে শুনি,?
,
,
তিশা ভাবি তো রাজের সাথে রাগ করে আছে। আমাদের কে দাওয়াত করে খাওয়ালে দুজনের মান - অভিমানটাও কমবে।
,
,
এ ই তোর বুদ্ধি আছে বটে। মানতে হবে। ওকে একদিন আমার বাড়িতে দাওয়াত দিবো।
,
,
রাজ আর তার সব বন্ধুরা মিলে হাসাহাসি করছিলো ঠিক তখনি রাজের ফোন টা বেজে ওঠলো।
,
,
রাজ ফোনটা হাতে নিয়ে দেখে চাচার ফোন। রিসিভ করা মাত্রই ঐ পাশ থেকে চাচা বলে ওঠলো।
,
,
রাজ তুই কোথায়?.  তারাতারি হাসপাতালে চলে আায়। আমরা তিশাকে নিয়ে হাসপাতালে আছি।
,
,
চাচা তিশা ঠিক আছে তো? 
,
,
হুমম, আগে তো আসবি।
হুমম,চাচা আসতেছি।
,
,
রাজ ওর বন্ধুদের নিয়ে তারাতারি হাসপাতালে গেলো। তিশার বাবা মা অটির সামনে ওয়েট করছে।
,
,
চাচা, চাচিমা, তিশা ঠিক আছে তো।
,
,
তখনি ভিতর থেকে নার্স বেরিয়ে আসলো।
,
,
মি:রাজ, আপনার জন্য গুড নিউজ আছে।
,
আপনার মেয়ে হয়ছে।

,
,
রাজের মুখে মুচকি হাসি ফুটে ওঠলো। রাজের বন্ধু রা বলল, তোকে তো আজকে ডাবল মিষ্টি খাওয়াতেই হবে। তা না হলে তোকে আর ছারছি না।
,
,
রাজ ভিতরে গিয়ে দেখলো  তিশা সুয়ে আছে। রাজ যখনি ওর মেয়েটিকে তুলে কোলে নিবে তখনি তিশা বলে ওঠলো।
,
ঐ তুই আমার মেয়েকে কোলে নিবি না। ও শুধু আমার মেয়ে। আর কারো নয়।
,
,
তিশার কথা শুনে সবার মুখের হাসি যেন এক মিনিটেই দূর হয়ে গেলো।
,
,
কি বলছিস মা। তোর মেয়ের বাবা রাজ। সব কিছু তো আবিরের জন্য হইছে। তারপর ও রাজকে অপমান করছিস কেন?  ( তিশার মা)
,
,
মা তুমি এখানে কথা বলবা না।
,
যা কিছু করার আমি করবো।
রাজ আমাদের বাড়িতে আর থাকতে পারবে না। ও গ্রামের বাড়ি চলে যাবে। সাথে সাথে আমিও যাবো আর আমার মেয়েও।
,
,
তিশা কি বলছে ঠিক কেউ বুজে ওঠতে পারছে না। রাজও আহাম্মক হয়ে দাড়িয়ে আছে।
,
,
তিশা সবার মুখের দিকে তাকিয়ে হাসছে।
সবাই ভয় পেয়ে গেলে তাই না।
,
,
তখন সবাই বুজতে পারলো তিশা সবার সাথে মজা করছে।
,
,
রাজ আর তিশার মেয়েকে একে একে সবাই কোলে নিলো।তিন দিন পর তিশাকে বাড়ি নিয়ে গেলো।
,
,
অনুষ্ঠান  করে তিশা আর রাজের মেয়ের নাম রাখা হলো রোজা। ঐ দিন রাজের সব বন্ধুদের কে দাওয়াত করে খাওয়ানো হলো।
,
,
একদিন তিশার কথা শুনে রাজ খুব অবাক হলো।
,
রাতে তিশা রাজের পায়ে পড়ে বলল,
আমাকে তুমি ক্ষমা ককরে দাও রাজ।আমি তোমাকে অনেক অপমান করেছি।
রাজ তিশা কে তুলে বলল,
আমার কিছুই মনে নেই।
তিশা রাজকে জরিয়ে ধরে ককান্না করে দিলো।
রাজ আবার তার অফিসে জয়েন্ট ককরলো।

,
রাজ তোমাকে একটা কথা বলি।
,
,
রাজ অফিস যাবার জন্য রেডি হচ্ছিলো। হুমম বলো তিশা কি বলবে।
,
,
সেদিন সাদিয়া কি বলে তোমাকে ডেকে নিয়ে গেসিলো।
,
,
রাজ অনেকটা সময় তিশার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল,সোহানের কথা বলে।
,
,
ঠিক আছে তুমি অফিস যাও।
,
,
কিছু হয়ছে কি। হঠাৎ আজকে সাদিয়ার কথা বলছো।
,
,
না কিছু হয়নি।
রাজ রোজাকে কোলে নিয়ে আদর করে অফিস চলে গেলো।
,
,
এই দিকে তিশা মনে মনে হাসছে। রাজকে সাদিয়ার কথা বললেই কেমন ভয় পায়।
,
,
আর মাত্র পাচ দিন বাকি পরেই আসছে রাজ তিশার বিবাহবার্ষিকী ।
,
,
এই পাচ দিন আগে থেকে রাজের সাথে আমার ঝগরা বাধতে হবে তারপর রাজকে সাডেনলি সারপ্রাইজ  দিবো




,

,
,

,
,
তিশা সব কিছু রেডি করে রাখলো। রাজ বিকেলে বাসায় ফিরলো।
,
,
রাজ আজ তিশার  ব্যবহার দেখে খুব অবাক হলো।হঠাৎ তিশা এমন করছে কেন। রাজ বুজতে পারছে না।
,
,
রাজ খাবার খেয়ে রুমে গেলো। তিশা মুখটা ঘুমরা করে বসে আছে। রোজা কান্না করছে এই দিকে তিশার কোনো ভ্রু - খেপ ই নেই।
,
,
কি ব্যাপার তিশা রোজা কান্না করছে আর তুমি চুপ করে বসে আছো যে।
----- তাতে আমার কি। তোমার মেয়ে তুমি দেখে রাখবে।
------ আমার মেয়ে মানে। আমাদের দুজনের ই তো মেয়ে রোজা।
----- হইছে। তুমি তোমার মেয়েকে নিয়ে আমার সামনেথেকে যাও।
---+-- কি হইছে তিশা। বলবা তো। কেন এমন করছো। আমার খাবার টাও দিলে না।
----- কিছু হয়নি তো।! 
তিশা রুম থেকে চলে আসলো। আসার আগে দেখল রাজ রোজা কে কোলে নিয়ে আনমনে কি যেন ভাবছে।তিশা একটা মুচকি হাসি দিয়ে চলে আসলো।
,
,
রাজ ভাবতে লাগলো তিশা এমন করছে কেন। আমাকে তিশা অবহেলা করুক তাতে কিছু যায় আসে না কিন্তু রোজা কে অবহেলা করছে কেন।
,
রাজ রোজা কে ঘুম পাড়িয়ে দেয়। তারপর চাচা কে ফোন দেয়। কারন তারা কয়দিনের জন্য গ্রামে গেছেন।
,
রাজ জেনে চাচারা কবে আসবে। তারপর রাজ শুয়ে ঘুমিয়ে গেল। সকালে ওঠে দেখলো তিশা ও পাশ ঘুরে ঘুমিয়ে আছে। রাজ বুজতে পারলো তিশা কিছু একটা নিয়ে খেপে আছে।
,
,
রাজ রোজা কে তুলে হাত মুখ ধৌয়ে নিলো। রোজা এখন একটু দাড়াতে পারে মাত্র। একটু আম্মু আর আব্বু ও বলতে পারে। রাজ তো অবাক ছোট রোজা আদো আদো করে আব্বু ডাকে।।
,

,
 তারপর রাজ তিশার কাছে রোজা কে রেখে অফিস চলে যায়।
,
তিশা রোজা কে খাবার খাইয়ে নেয়।তারপর ওর বান্ধবি নিহা কে ফোন দেয়।
,
নিহাকে নিয়ে তিশা শপিং করে। আসার সময় তিশা রাস্তায় আবির কে দেখে। আবির কে দেখে তিশা সামান্য ভয় পায়।
,
,
রাজকে আবিরের কথা বলবে ভেবে পরে আর বলে না। তিশা ওদের বিবাহবার্ষিকী  পালন করার জন্য সমস্ত আয়োজন করে নেয়। কিন্তু রাজকে কিছুই বুজতে দেয় না।
,

ঐ দিকে রাজ ভাবতে থাকে তিশা কেন এমন করছে? 
রাজ বিকেলে বাসায় যায়।আজও তিশা রাজের সাথে কথা বলে না। রাজ তিশা কে জিগাসা করে।
----- তিশা তুমি এমন করছো কেন আমার সাথে। কি করে ছি বলবা তো??
----- তুমি মনে করে দেখ। তুমি অফিসে কি করেছো। কি ভাবছো আমি কিছু জানি না। তুমি অফিসে মেয়েদের সাথে যা তা করবে আর জানবো না।
,
---- রাজ অবাক হয়ে আছে তিশার কথা শুনে। কারন রাজ অফিসে কোনো মেয়ের সাথে তেমন কথাই বলে না। তিশা তোমার কোথাও ভুল হচ্ছে।
---- হইছে তোমাকে  আর ভালো সাজতে হবে না।
--- রাজ ভেবে পাচ্ছে না। তিশা কাকে নিয়ে সন্দেহ করছে?? 
এভাবেই পাঁচ দিন কেটে গেলো। তিশা ভাবছে কাল কে রাজকে সারপ্রাইজ  দিবো।
,,
,
পরের দিন তিশা রাজের  জন্য ওয়েট করতে লাগলো। কিন্তুর রাজের ফেরার নাম নেই। রাজ তো কখনো এমন করে না। তিশা রাজকে ফোন দিলো কিন্তু ফোন অফ দেখালো। তিশা এবার খুব চিন্তায় পরে। রাজ কি রাগ করলো নাকি। তিশা একের এক ফোন  দিতেই থাকলো।
,
,
তখনি কলিং বেলের আওয়াজ হলো। তিশা মুখেই আনমনে হাসি ফুটে ওঠলো। তিশা তারাতারি করে দরজা খুলে দেখলো ওর বাবা মা আসছে। তিশার মুখটা খনিকের জন্য মলিন হয়ে গেলো।
,
,
তিশার বাবা মা রোজাকে নিয়ে কথাবার্তা  বলতে লাগলো। এমন সময় তিশার ফোনটা বেজে ওঠলো। তিশা এবারও অনেক আগ্রহ নিয়ে ফোন টা দেখে আবার ও নিরাশ হয়ে গেলো। কারন আননোন নাম্বার দেখে। অবশেষে তিশা ফোনটা রিসিভ করলো।
,,
---- হায়, তিশু বেবি।how  are you? 
---- তিশার আর বুজতে বাকি রইল না। কে কথা বলছে।
---- ঐ শয়তান তুই আমাকে ফোন দিয়েসিস কেন।
---- কুল বেবি কুল। তোমার প্রানের স্বামি রাজ এখন আমার কাছে। পারলে তুমি এসে নিয়ে যাও। আমি ঠিকানাটা  text  করে দিচ্ছি। আর হে পুলিশ কে ফোন দিয়ে ভুল করবে না। কিনতু।
,
তিশা কিছু বলার আগেই আবির ফোন কেটে দিলো। সাথে সাথে একটা এসএমএস আসলো। তাতেই ঠিকানা দেওয়া আছে।
,
,
তিশার ওর বাবা মাকে সব টা বলল। তার পর রোজা কে ওর মায়ের কাছে রেখে রেডি হয়ে চলে গেলো রাজকে বাচাতে। তিশা জানে আবির তিশাকে পেলে রাজকে ছেড়ে দিবে। যাবার আগে তিশার বাবা পুলিশের কথা বললেনন।কিন্তু তিশা না করলো।
,
,
আবির তিশাকে মাত্র এক ঘন্টার মধ্যে পৌছাতে বলছিলো কিন্তু তিশা তার আগেই পৌছে গেলো।
,
তিশা দেখলো আবির রাজকে বেধে রাখছে।
---- আবির এবার রাজকে ছেড়ে দে। আমি এসেছি।

---- ছারবো কি তুমি নিয়ে যাবে।
--- তিশা তুমি এখানে কেন আসছো??
---- তিশা কোনো কথা বলচে না।
----- তিশা তুমি চলে যাও বলছি । এই শয়তানটার কাছে ধরা দিও না।
----- তিশার এবার ও রাজের কথায় কনপার্ত করছে না।
---- আজ তোর বউ কে আমি অনেক আদর করবো। যার চিৎকার তুই এখান থেকে শুনতে পাবি কিন্তু আপসোস কিছু করতে পারবি না।
---- তিশা তুমি শুনতে পাচ্ছো ও কি বলছে।
------- তিশা কি করবে বুজতে পারছে না।তবে ও আজ আবিরের কাছে হার মেনে গেলো।
তিশা রাজকে বাচাতেই আবিরের দেখানো একটা রুমে গেল।
পিছন থেকে তিশা রাজের চিৎকার শুতে পাচ্ছিলো তবুও দাড়ানোর মতো কোনো রাস্তা পেলো না।
-- রাজ মনে মনে বলতে লাগলো হে আল্লাহ তুমি আমাকে এই দিনটা দেখার জন্য আমাকে বাচিয়ে রাখ"ছো।রাজ ভাবতে  লাগলো তিশা ঐ ঘর থেকে বাচাও বলে চিৎকার করবে আর আমাকে এখান থেকে তা শুনতে হবে
,
,
তিশা যেই রুম টা আছে আবির সেই রুমে গেলো।
আর রাজ মনে মনে আল্লাকে বলল,
হে আল্লাহ তুমি আমার তিশা কে বাচাও। ঠিক সেই সময় রাজ কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলো। তবে এটা তিশার কান্নার আওয়াজ না এতো আবির কান্না করছে।
,
আবির শুধু বলছিলো ওমা বাচাও জলে গেল। রাজ কিছু বুজতে পারছে না আবির কেন কান্না করছে।
এমন সময় দেখতে পেলো ওর দুই বন্ধু রাজকে পাহারা দেয়া ছেলে গুলোকে মারছে। রাজ অবাক হয়ে শুধু দেখছে।
,
তিশা আবিরকে লাঠি দিয়ে উদম কেলাতে কেলাতে বাইরে নিয়ে আসছে।আবির ওর দুই চোখ ধরে কান্না করছে।
,
রাজের বন্ধুরা রাজের বাধন খুলে দিলো। আর বলল ভাবি দিন বেশি করে।
তিশা আবিরকে অনেক মারছে। আর আবির শুধু বলছে ও বোন ছেড়ে দাও। আমাকেৃপুলিশে দাও। আমি আর জীবনে কোন মেয়ের দিকে তাকাবো না।
,
,
আগে বল আমার আর রাজের মধ্যে বাধা হয়ে দাড়াবি কোন দিন।?
--- না বোন আর কোন দিন এমন করবো না।
তিশা তখনও আবির কে মারছে। রাজ গিয়ে তিশাকে থামালো। পুলিশ এসে আবির ও তার ছেলেদের কে ধরে নিয়ে গেলো।
রাজ এখনো বুজতে পারছে না  তিশা আবিরকে কি করলো ও ঐ ভাবে চোখ ধরে কান্না করছিলো।
তখনি তিশা বলল,
আমি বাসা থেকে মরিচের গুরি নিয়ে আসছিলাম। আবির যখন আমাকে ধরতে গেলো। আর আমি গুরিগুলো ওর চোখে মারলাম। কাজ হয়ে গেলো।
,
রাজ তিশার কথা শুনে হা করে তিশার দিকে তাকিয়ে রইল।
তিশা রাজের মুখ টা অফ করিয়ে দিয়ে বলল এবার বাড়ি চলেন।
রাজ বাসায় গিয়ে চাচা চাচিকে দেখে বলল, তোমরা এসে গেছো।
তোর কিছু হয়নি তো বাবা ( চাচা) 
রাজ হেসে দিয়ে তিশা কি আবিরকে মারছিলো তা বলল।
তারপর রাজ রুমে গেলো। রোজা ঘুমিয়ে আছে। রোজার কপালে একটা চুমু খেলো।

,
তিশাকে কোথাও দেখতে না যখনি বাইরে পা বাড়াতে যাবে তখন তিশা পিছন থেকে জরিয়ে ধরে বলল,
হেপি মেরিজ ডে,
রাজ সামনে ঘুরে অবাক হলো আজ তিশা সেই শাড়ি পরছে যা একদিন তিশা রাজকে অবহেলা করে ফেলে দিয়েছিলো। আর আজ যে ওদের মেরিজ ডে ছিলো তা মনেই ছিলো না।
তিশা এবার বলল,
আমার gift দাও।
--- রাজ কি বলবে বুজতে পারলো না। তুমি আমাকে আগে মনে করিয়ে দিবে তো।
---+ হুমম। মনে নেই বলেই তো তোমার সাথে বানিয়ে বানিয়ে ঝগরা করছে যাতে তোমাকে সারপ্রাইজ  দিতে পারি।
রাজ এখন বুজতে পারছে সব কিছু।
,
---- gift দিতে হবে না। তবে একটা কাজ করতে হবে।
--- কি কাজ।
--- আমাকে কোলে করে ছাদে নিয়ে যেতে হবে।
রাজ তিশার বলার সাথে সাথে তিশাকে কোলে করে ছাদে নিয়ে আসলো। তিশা রাজের কোল থেকে নেমে রুপালি চাদ দেখতে লাগলো।।কিন্তু রাজ কোথাও গেলো।
এমন সময় তিশা দেখলো রাজ তিশার সামনে হাটু বসে আছে। হাতে সামান্য একটা কাগজি ফুল।
,
,
তিশা আই লাভইউ। আমি সারা জীবন তোমার পাশে থাকতে চাই। বলো আর কখনো আমাকে অবহেলা করবে না।
,
তিশার রাজের কাছ থেকে ফুল নিয়ে বলল,
অবহেলা একটু করতেই হবে না হলে ভালোবাসা কমে যাবে তো।
--- আচ্ছা করিও।
হুমম, পাগলটা আমার।
--- ওকে তাহলে পাগলি টা আমার।
এভাবেই রাজ তিশা ওদের ভালোবাসার মাঝে বেচে থাকুক।

♥♥♥♥ সমাপ্ত♥♥♥,

গল্পটি কেমন হলো জানি না। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
Share:

Search This Blog

ছোট গল্প পাশের বাসার আন্টির মেয়ে

ছোট গল্প পাশের বাসার আন্টির মেয়ে পাশের বাসার আন্টির মেয়ে সব সময় আমাকে দেখলে লাইন মারতো। তবে, আমি পাত্তা দিতাম না। আজ দেখলাম একটা...

Labels

Recent Posts

Label