বাংলা মজার জোকস, বাংলা কৌতুক, হাসির কৌতুক, bangla jokes, bangali jokes, mojar jokes, bangla funny koutuk, hasir koutuk, bangla koutuk, bangla hasir koutuk, doctor jokes, Bd Jokes, খারাপ জোকস, ছোট ছোট হাসির জোকস,

খারাপ মেয়েদের নাম পড়তেছো কেন

খারাপ মেয়েদের নাম

 ছেলে পড়তেছে- ‘আভা, বিভা, প্রভা’।
মা : ছি বাবা, Ashob খারাপ মেয়েদের নাম বলতেছ কেন?
ছেলে : Sir এগুলো পড়তে দিছে মা।মা স্যারের কাছে গিয়ে বলছেন-মা : আপনি ছাত্রদের এমন খারাপ মেয়েদের নাম পড়তে বলেন কেন?
Sir : নাহ, আমি তো এমন কিছু পড়তে বলি নাই, আমি তো ওদের ‘আলো’র সমার্থক শব্দ পড়তে বলেছিলাম।

****Apni যে কৃপণ লোক একদিন ক্লাসে শিক্ষক তার Sonar আংটিটা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন।
শিক্ষক : Bol to, এই আংটিটাতে মরিচা ধরবে কি না?
ছাত্র : ধরবে না স্যার।
শিক্ষক : Good, Very Good। আচ্ছা বল তো, কেন ধরবে না?
ছাত্র : স্যার, আপনি যে কৃপণ লোক সেটা তো আমরা জানি। যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো, আপনি কখনই আপনার Sonar আংটি পানিতে রাখতেন না।

****পাগলদের কান্নাকাটিএকদিন এক মানসিক Hospital এ  সব পাগল কান্নাকাটি করছিল। কিন্তু এক পাগল চুপচাপ শুয়েছিল।
চিকিৎসক : তুমি শুয়ে আছো কেন?
পাগল : Are বেকুব, Ami তো মারা গেছি। এর জন্যই সবাই কান্নাকাটি করতাছে!

****প্লাস্টিক সার্জারির জন্য
১ম বন্ধু : অনেক টেনশনে আছি রে।
২য় বন্ধু : কেন রে, কি হইছে?
১ম বন্ধু : Ak লোকরে ৫ লাখ Taka দিছিলাম।
২য় বন্ধু : কস কি! Taka লইয়া ভাগছে নাকি?
১ম বন্ধু : আরে না... প্লাস্টিক সার্জারির জন্য Taka দিছিলাম, কিন্তু এখন তো চিনতেই পারতেছি না কারে Taka দিছিলাম!

Share:

আমার নিজের লেখা গল্প: আমার প্রথম ডেটিং

 আমার ডেটিং

একদিন ডেটিং

আমার প্রথম Bf আমাকে ধর্ষণ করেছিলো। সেদিন ওদের বাসায় কেউ ছিলো না। আমি পড়াতে গিয়ে দেখি বাসা ফাঁকা। তারপর সে আমাকে জোর করে ধর্ষণ করে। প্রথমে বাধা দিলেও পরে আর বাধা দেই নি। নিজেকে সান্ত্বনা দেই এই বলে -' ভালবাসার মানুষই তো। '" কথাগুলো এক নিঃশ্বাসে বলে এক চুমুকে অরেঞ্জ ড্রিংক্সের গ্লাসটার অর্ধেক খালি করে লাবন্য। তবে আমি হিসেব মিলাতে পারছি না Bf কে কেউ প্রাইভেট পড়ায় কি করে ? আমাকে বিচলিত থাকতে দেখে লাবন্য আবার নিজে থেকেই বললো, " ও আমার দুই ব্যাচ জুনিয়র ছিলো। আমি ছিলাম ইন্টারমিডিয়েটে। আর ও Class টেনে। ও অনেক কিউট ছিলো। সত্যি বলতে ওর উপর ক্রাশ খেয়ে ওকে সেধে টিউশন দিতে রাজী হই আমি। " Class টেনের ছেলে ধর্ষণ করে দিয়েছে। যদিও শুনলে বিশ্বাস হচ্ছে না। কিন্তু অস্বাভাবিক কিছু নয়। ব্যাপারটা হচ্ছে এখনকার ছেলে মেয়েরা একটু তাড়াতাড়ি পেকে গেছে। সবই আধুনিক হবার কল্যাণে।

আমি প্রশ্ন করলাম, " তারপর ? "
 -" বছরখানেক পর আমি ভার্সিটিতে ভর্তি হলে আমাদের ব্রেকাপ হয়ে যায়। আমি ভেঙে পরি। এমন সময় আমাকে সাপোর্ট দেয় রিহান। আমার Class মেট প্লাস ছোটবেলার বন্ধু। বেস্টফ্রেন্ডও বলতে পারেন। "
-" ব্রেকাপ কেনো হয়েছিলো ? "
 -" আবরাম মানে আমার প্রথম বিএফের আরো কয়েকটা রিলেশন ছিলো। "
-" আপনি হাতেনাতে ধরতে পেরেছিলেন ? "
-" নাহ! আমাকে রিহান বলেছিলো। "

এখন মেয়েটার উপর আমার মেজাজটা গরম হলো।মন চাচ্ছে দু'গালে কষিয়ে থাপ্পড় দেই। কিছু মেয়ে আছে যারা নিজের প্রেমিকের চেয়ে নিজের সো কল্ড ছেলে বেস্ট ফ্রেন্ডকে বিশ্বাস করে। ওই Best Friend যা বলে তাই বিশ্বাস করে। এক পর্যায়ে ওই বেস্ট ফ্রেন্ডের সাথেই নতুন রিলেশনে চলে যায়। এখানেও মে বি তাই হয়েছে। বার্গার চিবোতে চিবোতে বললাম, " এরপর কি হলো ? "

 -" হুট করে রিহান আমাকে বললো কক্সবাজার ঘুরতে যাবে। আমিও রাজী হয়ে গেলাম। হোটেলে আমরা দু'জন মিলে একটা রুমই নিয়েছিলাম। হোটেলের রুমে রিহান আমাকে প্রপোজ করে। আমি আর না করতে পারি নি।

 " আহারে! কি দরদী মেয়ে! না করতে পারে নি। অবশ্য না করতে পারে না বলেই আজ আমার সৌভাগ্য হয়েছে ডেট করার।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, " এরপর কি হলো ? "
-" আমরা প্রায় সপ্তাহখানেক কক্সবাজার ছিলাম। কিন্তু আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে সেও আবরামের মতো একই কাজ করলো। "
-" আপনি সরল ? আপনি ভার্সিটি পড়ুয়া একটা মেয়ে। একটা ছেলে বললো আর আপনি নাচতে নাচতে কক্সবাজার চলে গেলেন। প্রপোজ করলো রাজী হয়ে গেলেন। আর এখন বলছেন সরলতার সুযোগ নিয়েছে।

" আমার কথা শুনে লাবন্য রেগে গেলো। একরাশ ক্রোধ নিয়ে বললো, " আসলেই অল ম্যান আর ডগস।

 লাবন্যর কথায় সম্মতি জানাতেই আমি ঘেউঘেউ করে উঠলাম। রেস্টুরেন্টে বসা বাকী কপোত-কপোতীরা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
আমার হাতটা ধরে লাবন্য বললো, " কি করছেন এসব ? "
-" অল ম্যান আর ডগস। তাই ঘেউঘেউ করলাম। "
-" টোটালি ইডিয়ট আপনি। "
-" বাকীরাও তাই বলে। "
-" এখন আপনার কাহিনী বলুন। "

এবার কাহিনী বলতে গিয়ে কেঁদে ফেললো লাবন্য। কাঁদতে কাঁদতে বললো, " কক্সবাজার থেকে আসার পর পরই রিহান বদলে যায়। আমাকে এভয়েড করতে থাকে। আমাকে ইগ্নোর করে চলতে থাকে।এমন সময় আমার ফিজ আপ খানের সাথে পরিচয়। আমার ভার্সিটির বড় ভাই। ফেসবুকের নাম করা সেলিব্রেটি। "
-" তারপর ? "
-" সেলিব্রেটি ফিজ আপ খান একদিন নিজে থেকে আমার নাম্বার চায়। আমিও নাম্বার দিয়ে দেই। এতোবড় সেলিব্রেটি না করি কিভাবে ? তারপর থেকে আমাদের নিয়মিত কথা হতো। আর এভাবেই আমরা রিলেশনে জড়িয়ে পরি। "
-" এরপর ? "
-" এরপর আমরা দু'বছর লিভ টুগেদারে ছিলাম। তারপর আমাদের মেন্টালিটি মিলে না বলে আমরা আলাদা হয়ে যাই। বাট স্টিল নাও উই আর গুড ফ্রেন্ড। "

আবার ঘাপলা! ব্রেকাপের পর মানুষ আবার বন্ধু হয় কি করে ? বন্ধুত্ব থেকে ভালবাসা হয় ; কিন্তু ভালবাসা থেকে বন্ধুত্ব হয় কি করে এই জিনিসটা আমার মাথায় ঢুকছে না।

আমি টিস্যু দিয়ে ঠোঁট মুছে বললাম, " এখন কি আমায় ভালবাসবেন ? "
-" বাসা যায়। তবে শর্ত আছে। "
-" কি শর্ত ? "
-" এ বছরের লাস্টে আমরা বিয়ে করবো। "
-" রাজী। "
-" হানিমুনে ভারতে যাবো। "
-" রাজী। "
-" বিয়ের পর আপনার ফ্যামিলির সাথে আমি থাকতে পারবো না। তাই আমরা দু'জন আলাদা থাকবো। আমার জয়েন্ট ফ্যামিলি পছন্দ না। "

আমি এবার আর কোন উত্তর দিলাম না। একদম চুপ হয়ে গেলাম। তার সর্বশেষ শর্ত শুনে মাথা ঘুরছে। বলে কি মেয়ে আলাদা থাকতে হবে। পাগল নাকি ?

আমায় চুপ থাকতে দেখে লাবন্য বললো, " কি হলো বিয়ের কথা শুনে প্রেমের ভুত পালালো ? নাকি আমি ভার্জিন না বলে বিয়ে করতে চাচ্ছেন না ? "
আমি হাসতে হাসতে বললাম, " ভার্জিন ষোল টাকা হলেই পাওয়া যায়। ওটা কোন ফ্যাক্ট না। সন্দেহের অগ্নিপরীক্ষা রামায়ণ থেকেই শুরু। আজ যদি নারী জাতি অসতী হয় ; তবে পুরুষ জাতি চোর বটে। "
 -" তবে চুপ হয়ে গেলেন কেনো ? "
-" আমি মাছ খাই না। তবুও আমার মা সুন্দর করে মাছ রান্না করে হাতে লাঠি নিয়ে আমাকে ভাত খেতে বসান। এতো বড় হয়ে গেছি এখনো মেরে মাছ খাওয়ান। কিন্তু আপনাকে বিয়ে করলে আপনি আমাকে জোর করে মাছ খাওয়াবেন না। বলবেন-' ফ্রিজ থেকে একটা ডিম বের করে ভেজে খেয়ে নাও সোনা। ' আর এইজন্যই আমি আপনাকে বিয়ে করবো না। "

এমন সময় ওয়েটার এসে বিল দিয়ে গেলো। আলতো করে চোখ বুলিয়ে দেখি ১২৬৩ টাকা বিল এসেছে। দু'টো বার্গার আর ড্রিংক্সের দাম এতো ?

বিলটা লাবন্যর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললাম, " আমার বিল দেবার মুড নেই। আপনি দিয়ে দিন। আমি চললাম। "
-" মানে কি ? "
 -" কতোজন তো আপনাকে লুটেছে। আমি না হয় শুধু বিলটা দিতে বললাম। আর হ্যা আপনার তিন বিএফকে ভালবেসেছেন রূপ, সাপোর্ট আর পপুলারিটি দেখে। কারো মন দেখে মন দিয়ে ভালবাসুন ঠকবেন না। বিএফ তো অনেক হলো এবার একটা প্রেমিক খুঁজুন। "

আমি কথা না বাড়িয়ে উঠে হাটা শুরু করলাম।
লাবন্য বেশ জোরেশোরে সবাইকে শুনিয়ে বললো, " ডগস। "
আমি হাসতে হাসতে বললাম," একটা মেয়ে যেমন তার প্রেমিকের মাঝে বাবার ছায়া খুঁজে ; একটা ছেলেও তেমন প্রেমিকার মাঝে মায়ের মায়া খুঁজে। যেটা আপনার মাঝে নেই। ভাল থাকবেন। ঘেউঘেউ!!

Share:

প্রিয় মানুষটির জন্য একদম নতুন সেরা ৬টি Eid Sms দেখে নিন

প্রিয় মানুষটির জন্য একদম নতুন সেরা ৬টি Eid Sms দেখে নিন

হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন?
আজকে আমি হাজির হয়েছি একদম নতুন ৬টি ঈদ S.M.S নিয়ে।
যে গুলো দিয়ে আপনি আপনার প্রিয় মানুষটিকে খুশি করতে পারবেন।
Message গুলো যেহেতু আমার নিজের লেখা
তাই Message গুলো একদম নতুন এবং অসাধারন রোমন্টিক।
তো চলুন কথা না বাড়িয়ে Message গুলো দেখ নেওয়া যাক।
-
মেসেজ নাম্বার -১ ঃ
জানো তো চাঁদ ছাড়া ঈদ হয়না
আর আমার চাঁদ তো তুমি।
তাই ঈদ এর দিন অবশ্যই দেখা দিও।
তোমাকে দেখে তবেই ঈদ শুরু করবো।
“অগ্রীম ঈদ মোবারক”
-

মেসেজ নাম্বার -২ ঃ
আমার মন কি যেন বলতে চায়।
কান পেতে শোনো তো।
কি? মনের কথা বুঝলে কিছু?
কি বলতে চায়, জানো তো?
বলতে চায় সে “ঈদ মোবারক”
ঈদে এসো আমার বাড়ি।
তুমিই তো আমার সবচেয়ে আপন
তোমায় ছাড়া ঈদ কি করতে পারি?
“ঈদ মোবারক”
-
মেসেজ নাম্বার -৩ঃ
ঈদ এর চাঁদ উঠার আগ পর্যন্ত
প্লিজ বাহিরে যেন বের হয়ো না।
লোকে তোমাকে চাঁদ ভেবে
ভূল করে ঈদ করে ফেলতে পারে।
“ঈদ মোবারক মাই জান”
-
মেসেজ নাম্বার -৪ ঃ
তোমার সাথে কাটানো মূহুর্ত গুলো
ঈদের মতো স্পেশাল লাগে।
আর তুমি না থাকলে স্পেশাল দিনও
বোরিং আর বেকার লাগে।
তাই, ঈদের দিনকে স্পেশাল করতে
তোমাকে আমার খুব প্রয়োজন
তুমিই তো আমার ঈদের গিফট
তুমিই তো আমার সব চেয়ে আপন
-
মেসেজ নাম্বার -৫ ঃ
তুমিই আমার ঈদের গিফট
তুমিই আমার ঈদের দোয়া
তুমিই আমার ঈদ সালামি
তুমিই আমার ঈদের হাওয়া
তুমিই আমার ঈদের সকাল
তুমিই আমার ঈদের রাত
তুমিই আমার ঈদের খুশি
তুমিই, হ্যা তুমিই তো
আমার ঈদের চাঁদ
-

মেসেজ নাম্বার -৬ ঃ
আমার হৃদয়েই তো থাকো তুমি
যতোটা প্রয়োজন ভালোবাসা নিয়ো
ঈদের উইস করছি তোমায়
কারন, তুমিই তো আমার সব চেয়ে প্রিয়
ঈদ তো চলে এসেছে
সাথে তুমিও চলে এসো।
“ঈদ মোবারক”
-
তো বন্ধুরা,মেসেজ গুলো আপনার কেমন লাগলো
সেটি অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
আর হ্যা, কোন Message টি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে
সেটি জানাতে অবশ্যই ভুলবেন না।
তো ভালো থাকবেন।
সবাইকে “ঈদ মোবারক”
Share:

পাশের বাড়ির মেয়ে

পাশের বাড়ির মেয়ে

----সকালে বুকের উপর ভারী কোন কিছুর

চাপে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো।

চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি কেউ

একজন আমার বুকের উপর শুয়ে আছে।

আমি কি স্বপ্ন দেখছি নাকি এটা

বাস্তব? কে হতে পারে?

ভূত নয় তো আবার!!!

না না ভূত না পেত্নী হবে,,

ভূত তো ছেলে হয়।

কিন্তু যে আমার বুকের

উপর শুয়ে আছে সেটা তো একটা

মেয়ে।

মেয়ে বুঝতে পারছি এই কারণে যে

তার লম্বা চুলে তার মুখটা ডাকা।----

তারপর আমি ভালো করে চেয়ে দেখি

রুপন্তী আমার বুকের উপর শুয়ে আছে।

কিন্তু ও এখানে?

ওর তো এখানে থাকার কথা না।

ও ত তার বাপের বাড়িতে থাকার কথা।

এখানে কিভাবে আসলো?

আসছে যখন ভালোই হয়েছে।

কি সুন্দর করে আমার বুকের উপর মাথা রেখে

ঘুমুচ্ছে,আমি একটুও নড়তে পারছি

না,নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে

আমার।

তবুও আমি নড়লাম না, ঘুমুচ্ছে ঘুমাক।

অনেকদিন হলো আমার বুকে মাথা

রেখে ঘুমায় নি মেয়েটি।

কিন্তু নাহ,আর পারছিলাম না,শেষমেশ

কেশে উঠলাম, সাথে সাথে রুপন্তী

জেগে উঠলো।

আমি শুয়ে থাকা অবস্থাতেই রুপন্তীর

দিকে চেয়ে দেখি ওর চোখ দু'টো

বেশ ফোলা আর লাল হয়ে আছে।-----

আমি শুয়া থেকে যেইনা উঠতে

যাবো ঠিক তখনি রুপন্তী বলে উঠলো,

---খবরদার উঠবে না বলে দিলাম।


উঠলে খবর আছে।

আমি আর উঠলাম না। আমি ওর দিকে

চেয়ে দেখি ও কাঁদছে।

আমি বললাম,

---কি হলো কাঁদছো কেন??

কিছু বলছে না,শুধু আমার দিকে এক

দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।

আমি আবারো বললাম,,

---কি হলো কাঁদছো কেন??

এবার রুপন্তী আমাকে আগের চেয়ে

আরো জোরে আর শক্ত করে জড়িয়ে

ধরলো।

আমি কিছু বুঝতে পারছিলাম না তবে

রুপন্তী যে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে

কাঁদছিলো সেটা ঠিকই বুঝতে

পারছিলাম।

তাই আমি আর কিছু না বলে রুপন্তীকে

জড়িয়ে ধরলাম।

যতক্ষণ না কান্না থামলো ততোক্ষণ

জড়িয়ে ধরে রাখলাম।

কান্না থামলে ওকে বললাম,,

---কি হয়েছে কান্না করছো কেন?

এখনো কোন কথা বলছে না ও।

তাই আমি আবারো বললাম,

কি হয়েছে বলবে তো? আর এইভাবে কান্না

করছো কেন?

এবার রুপন্তী কথা বললো,

---আমাকে কষ্ট দিতে তোমার খুব

ভালো লাগে তাইনা??

কি!!!

আমি তোমাকে আবার কখন কষ্ট

দিলাম?

---তোমার এতো জ্বর আমাকে বললে

কি হতো??(রুপন্তী)

আমি এইবার সব বুঝতে পারলাম।

ও কেন এখানে এসেছে।

---কি হলো বলছো না কেন আমাকে

কষ্ট দিতে তোমার খুব ভালো লাগে

বুঝি?(রুপন্তী)

---জ্বর হয়েছে আমার আর তুমি কষ্ট

পাবে কেন? (আমি)

---আমি কষ্ট পাবো না তো আর কে

পাবে শুনি? পাশের বাসার ঐ

মেয়েটা পাবে?(রুপন্তী)

আমি ওর কথা শুনে না হেসে পারলাম

না,এখনো ও ঐ মেয়েটাকে নিয়েই

পড়ে আছে।

মেয়েরা পারেও বটে!!!

আল্লাহ যে এদের মন কি দিয়ে তৈরী

করছে উনিই সেটা ভালো বলতে

পারবেন।

এর জন্যই তো আমি বলি,"মেয়েদের মন

আর গিরগিটির রং দু'টোই সমান তলে

চলে"!!!

আর আমার এক বন্ধু বলেছিলো যে

" মেয়েদের মনে যদি একবার সন্দেহ

ডুকে যায় তবে সেটা আর কোনদিন দূর

হবে না,ভিমবার কিংবা

সার্ফএক্সেল মারলেও না"

তখন আমি রুপন্তী কে রাগানোর জন্য

বললাম,

---তুমি কই কষ্ট পাচ্ছো,কষ্ট তো পাচ্ছি

আমি,তোমার মতো একটা আটার

বস্তাকে বুকে নিয়ে শুয়ে আছি।

কিন্তু একি!!! রুপন্তী না রেগে

আরো নরম গলায় বললো,

---এখন তো আটার বস্তা আছি

কয়েকদিন পরে যখন ধানের বস্তা হবো

তখন কি করবে শুনি!!!

আমি ওর এমন উত্তরে অবাক না হয়ে

পারলাম না,

কেননা এর আগে যখন প্রত্যেকবার'ই

ওকে আটার বস্তা বলে ডেকেছি ও

প্রত্যেকবার'ই আমাকে ছেড়ে দিয়ে

গাল ফুলিয়ে বসে থাকতো।

আজ কি হলো ওর!!

---আটার বস্তা থেকে ধানের বস্তা

মানে??(আমি)

---তুমি বুঝবে না..

যখন হবো তখন দেখতেই পারবে..

আটার বস্তা থেকে ধানের বস্তা

কিভাবে সম্ভব!!!..(রুপন্তী)

আমি এই কথা যখন ভাবছি তখন রুপন্তী বলে

উঠলো,,

---আমাকে কথা দাও আর কোনদিন

আমাকে কষ্ট দিবে না?

জানি ওর সাথে তাল না মেলালে

আমাকে ছাড়বে না তাই বললাম,

---আচ্ছা ঠিক আছে আর কষ্ট দিবো না।

এইবার রুপন্তী আমাকে ছেড়ে দিলো।

আসলেই খুব কান্না করেছে ও।

কেঁদে কেঁদে চোখ লাল করেছে

তো করেছেই সাথে গাল টাও লাল

করে ফেলেছে।

একটু আদর করা দরকার ওকে।

যেইনা আমি ওর গাল দু'টো কে ধরতে

যাবো তখনি ও বলে উঠলো,

---এএএ আসছে আদর করতে,,

যখন Ador করার Somy তখন করে না এখন অসুস্থ শরীর

নিয়ে আদর করতে আসে।..(রুপন্তী)

---আমি এখন সম্পূর্ণ ভালো হয়ে গেছি।

(আমি)

---কত যে ভালো হয়েছো সেটা

আমার ভালো করেই জানা আছে।----(রুপন্তী)

---বিশ্বাস হচ্ছে না?আমার কাছে

এসে দেখো আমি ভালো হয়েছি কি

না?(আমি)

---হু,,(মুখ বাঁকিয়ে)..আমি তোমার জন্য

খাবার নিয়ে আসছি এই কথা বলে যখন

রুপন্তী চলে যেতে লাগলো আমি

তখনি ওর হাত টা ধরে এক টানে

আমার মুখের কাছে ওর মুখ টা এনে

বললাম,

"পৃথিবীর সব স্বামীর অসুখ অর্ধেক

এমনিতেই ভালো হয়ে যায় যদি তার

বউ তার পাশে থাকে"

কথাটি বলার পর চেয়ে দেখি রুপন্তী

চোখ বন্ধ করে রেখেছে,চোখের

পাতা দু'টো একটু করে নড়ছে আর ঠোঁট

দু'টো কাঁপছে।

আমি ওর কপালে আলতো করে আমার

ঠোঁট লাগালাম।

ঠোঁট টা লাগাতেই ও আমাকে

পূর্বের দুই বারের চেয়ে আরো কঠিন

ভাবে জড়িয়ে ধরলো।

"শিশুরা কোন কিছু দেখে ভয় পেলে

যেমন করে কাউকে জড়িয়ে ধরে ঠিক

তেমন করেই রুপন্তী আমাকে জড়িয়ে

ধরে আছে।

আমি ওর এমন ভাবে জড়িয়ে ধরতে

দেখে বেশ অবাক ই হলাম।

আমি কিছুক্ষণ পর ওকে ছাড়াতে

চাইলে ও আমাকে ছাড়তে

চাইছিলো না।

তাই আমিও আর ছাড়ানোর বৃথা

চেষ্টা না করে ওকে বললাম,

---ভয় পেয়েছো?

কথা বলছে না ও।

-----আমি আবারো বললাম,

আরে আমার কিছুই হয়নি,

এই সামান্য জ্বরে কেউ মরে না।

আমার মুখে মরার কথা শুনে রুপন্তী

আমাকে ছেড়ে দিয়ে বেশ রাগী

গলায় বললো,,

---আর একবার যদি মরার কথা মুখে

এনেছো তবে আমিই তোমাকে এখনি

আর এইখানেই গলা টিপে মেরে

ফেলবো।

---আরে যার মরণ যেদিন আছে সেদিন

তো সে মরবেই তাইনা?(আমি)

---আবার!!!(রুপন্তী)

বুঝলাম রুপন্তী বেশ রেগে গেছে,

তাই ওকে আর না রাগিয়ে বললাম,

---আমার না খুব ক্ষুদা পেয়েছে।

রুপন্তী আমার দিকে রাগী একটা

লুক দিয়ে বললো,

---আচ্ছা তুমি বসে থাকো আমি

খাবার নিয়ে আসছি।

আমি বললাম,

---জ্বী হুকুম মহারাণী কটকটি...

স্যরি।স্যরি (মুখটা চেঁপে ধরে)

আসলেই তুমি একটা পাগল...

এই বলে রুপন্তী আমার দিকে তার সেই মিস্টি

হাসিটা হেসে খাবার আনতে চলে

গেলো।

রুপন্তী তো খাবার আনতে গেলো

আর আমি এখন বিছানায় একা একা

বসে আছি।

কি করবো ভাবছি,,,ও হ্যা আপনাদের

তো আমার বায়োডাটা মানে

পরিচয়টাই তো দেওয়া হয়নি,,,

রুপন্তী।খাবার টা নিয়ে আসুক আর আমি

ততক্ষণে আমার পরিচয় টা দিয়ে

ফেলি।

আপনারা যারা আমার গল্প পড়েন

তারা হয়তো ভালো করেই জানেন

আমি কে তারপরেও আবারো বলছি,

আমি হৃদয়।

লেখাপড়া শেষ করে এই একটা জব করি।

অবশ্য বাবার সাথে তার ব্যবসা করতে

বলেছিলো কিন্তু আমার ব্যবসা করতে

ভালো লাগে না তাই এই জব করা।

যাইহোক পরিচয় পর্ব শেষ এখন আসি মূল

কথায়,

মূল কথা বলতে রুপন্তী নিয়ে...

-----রুপন্তী হলো আমার বাবার বন্ধুর

মেয়ে।

একদিন বাবা আমাকে বলে যে তার

সাথে এক জায়গায় যেতে হবে কিন্তু

সেই জায়গা টা যে রুপন্তীদের বাসা

হবে আমি জানতাম না।

যখন গিয়েছি তখন তো পাত্রী দেখতেই হবে।

পাত্রীকে আনা হলো,আর আমার

যানি কেমন কেমন লাগতে লাগলো।

আমার সামনে পাত্রী ইয়া লম্বা

একটা ঘোমটা টেনে বসে আছে,

ওর এই লম্বা ঘোমটা দেখে আমারই যেন দম

বন্ধ হয়ে আসছে।

অনেকক্ষণ পর "পাত্রীর ঘোমটা টা

খুলা হলো সাথে যেন আমার চেঁপে

ধরা গলাটাও ছেঁড়ে দেওয়া হলো।

Ami পাত্রীর দিকে একবার তাকিয়ে যেন আর চোখ নামাতে পারছিলাম না।----

দেখতে আহামরি সুন্দরী না,

তবুও কেন জানি আমি চোখ ফেরাতে

পারছিলাম না।

পরে বুঝতে পেরেছিলাম কেন আমি

চোখ ফেরাতে পারছিলাম না।

পাত্রী মানে রুপন্তীর মুখে এক

বিশেষ ধরণের মায়া ছিলো,যা সব

মেয়েদের মুখে থাকে না,

আর সেই মায়াটা'ই আমাকে তার দিক

হতে চোখ ফেরাতে দেয়নি।

কিছুক্ষণ পর আমাকে আর রুপন্তীকে একসাথে

কিছুক্ষণ কথা বলার জন্য রুপন্তীর রুমে

পাঠানো হলো।

রুপন্তীর রুমে আসার পর সর্বপ্রথম যেই কথাটি বলল,তা হলো,

আমাকে কেন বিয়ে করছেন?

Apni আমার চেয়েও অনেক ভালো মেয়ে পাবেন আশা করি।

আমি ওর এমন কথা শুনে অবাক না হয়ে

পারছিলাম না কেননা এর আগে কোন

মেয়ে এমন কথা বলেছে কি না

সন্দেহ..

তখন আমি বললাম,

এটা ঠিক আমি আপনার চেয়ে

আরো অনেক ভালো মেয়ে পাবো

কিন্তু.... একটুকুই বলে থেমে

গিয়েছিলাম।

---কিন্তু কি??..(রুপন্তী)

জবাবে আমি বলেছিলাম,

---আপনার মুখে আলাদা এক ধরণের

মায়া আছে আমি দেখেছি যা সব

মেয়ের মাঝে থাকে না,

আর সেই মায়ার আমি প্রেমে পড়ে

গেছি, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি

বিয়ে আপনাকেই করবো এখন আপনি

যদি রাজী থাকেন তবে,,

Amar এমন উত্তর শুনার পর রুপন্তী আমার দিকে কিছুক্ষণ হা করে তাকিয়ে ছিলো।----

তারপর আস্তে করে বললো,

যদি তাকে তুমি করে ডাকি তবেই

সে রাজী,বলেই সেই ভুবন ভুলানো

হাসি দিয়ে রুপন্তী রুম থেকে

বেরিয়ে গেলো।

হাসিটার সাথে আমার প্রাণটাও

যেন নিয়ে চলে গেলো।

রুপন্তীর রুমে আমি একা ঠাঁই হয়ে

দাঁড়িয়ে রইলাম, কি বলে গেলো একটু

বুঝার চেষ্টা করছিলাম আমি। যখন

বুঝতে পারলাম তখন আমার...(সব বলা

যাবে না)।---

রুপন্তীর হাসি টা এতোই মধুর

ছিলো যে চোখ বন্ধ করলে এখনো সেই

হাসিটা আমি দেখতে পাই।

তারপর পারিবারিক ভাবেই

আমাদের বিয়েটা সম্পূর্ণ হয়ে

গেলো।

বাসর রাতে রুপন্তী আমার কাছে

একটাই দাবী করেছিলো, আমি যেন

তাকে কখনো ছেড়ে না যাই।

আমিও ওকে কথা দিয়েছিলাম,,আমি

তোমাকে কখনো ছেড়ে যাবো

না।----

এসব ত আগের কাহিনী।

এখন বর্তমানে আসি।

যে কারণে রুপন্তি বাপের বাড়িতে চলে গেলো....

#তিনদিন_আগের_কাহিনী

আমাদের পাশের বাসার একটা মেয়ে আছে।

সে দেখতে খুবই সুন্দর।

ত যখন Amader কোনো জায়গায় দেখা হয় তখন সে নিজের আগ বারিয়ে কথা বলে।

একদিন রুপন্তি আমাদের কথা বলতে দেখে ফেলে।

Tarpor আমায় ঐ মেয়েটার সাথে কথা বলতে নিষেধ করে।

পরে আরেকদিন ঐ মেয়েটা নিজেই আমার সাথে কথা বলল,

কি করবো বলেন,

Jodi কেউ কিছু জিজ্ঞাস করে তাহলে ত তার উত্তর দিতে হয়।

কিন্তু সেই উত্তর দেওয়ার সময় রুপন্তি আমাদের দেখে ফেলে।

সেই জন্য আমাকে অনেক কথা বলে সুজা বাপের বাড়ি চলে যায়।

রুপন্তীর ডাকে বাস্তবে ফিরলাম।

চেয়ে দেখি খাবার হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে

আছে।

তারপর খেতে বসলাম,

রুপন্তী আমার পাশে বসে ভাতের

সাথে তরকারী মাখাচ্ছে, আমি

প্লেট নিতে চাইলে বলে আজ ও

আমাকে খাইয়ে দিবে।-----

কিন্তু ভাত শুধু মাখিয়েই যাচ্ছে

মাথা নিচু করে।

আমি হাত দিয়ে ওর মুখটা তুলে দেখি

ওর চোখ দিয়ে টুপটুপ করে পানি পড়ছে।

আমার খুব ভালো লাগলো ওর এই

কান্না দেখে।

রুপন্তী যে আমাকে এতোটা

ভালোবাসে কখনো বুঝতেই দেয় নি..

আমি ওর মুখ টা আমার দিকে তুলে

বললাম,,

---আমি আমার এই পাগলী বউ টাকে

আমার জীবনের চাইতেও অনেক বেশি

ভালোবাসি। তুমিই তো আমার সব কিছু,

কাঁদেনা বাবু.....

----তুমি আমাকে একটুও ভালোবাসো

না,,যদি ভালোই বাসতে তাহলে

আমাকে একবার হলেও ফোন করে

বলতে পারতে তোমার অসুখ...

(অভিমানী কন্ঠে..রুপন্তী)

---তুমিই তো বলেছিলে যেন

তোমাকে ফোন না করি।(আমি)

---আমি বললাম আর তুমি তাই করবে?

আজ যদি "মা" আমাকে না বলতো

তাহলে কি হতো শুনি??(রাগী গলায়..রুপন্তী)

---কি আর হতো..আমি ম....আর কোন শব্দ

করতে পারলাম না কারণ রুপন্তী আমার

মুখে খাবার দিয়েছে।

রুপন্তী আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে আর

বলছে,

---জ্বর কিভাবে বাঁধাইলে?

---বৃষ্টিতে ভিজে।(আমি)

---আর কোনদিন ভিজবে?(রুপন্তী)

---না..মাথা নাড়িয়ে।(আমি)

---কেন? ভিজবে না কেন?(রুপন্তী)

---জ্বর আসবে যে।(আমি)

---ভিজবে কিন্তু আমার সাথে। (রুপন্তী)

---জ্বর আসলে?(আমি)


---আমি আছি কি করতে শুনি?(রুপন্তী)

---আচ্ছা,,ঠিক আছে ভিজবো।(আমি)

---আর কোনদিন ঐ পাশের বাড়ির

মেয়েটার সাথে কথা বলবে?(রুপন্তী)

---হ্যা...(আমি)

---কি!!!!!! (রুপন্তী)

----রাগী চোখে আমার দিকে

তাকিয়ে আছে মনে হচ্ছে আমাকে

এক্ষুণি ভাতের সাথে মাখিয়ে

খাবে।

---না,না,না,আর কোনদিন বলবো না..

ভুল করে ভুল জায়গায় বলে ফেলেছি।

(আমি)

---যদি দেখি আর কোনদিন কথা বলতে

সেদিন দেখবে আমি কি করি...

(রাগী গলায়..রুপন্তী)

---আর হবে না..(আমি)

---মনে থাকে যেন। (রুপন্তী)

---১০০ বার মনে থাকবে। (আমি)

রুপন্তী বিড়বিড় করে কি যেন বলতে

লাগলো শুনতে পারলাম না।

কিন্তু আমার মন বলছে ও ঐ

মেয়েটাকেই নিশ্চয় গালি

দিচ্ছে,বলছে "তোর জন্যই আজকের এই

অবস্থা,আমি যদি সেদিন চলে না

যেতাম তাহলে আজ কে আর আমার

স্বামীর অসুখ হয় না।----

পাজি,বদ,বেহায়া,নিলজ্জ মেয়ে

কোথাকার,ছেলে দেখলেই কথা

বলতে ইচ্ছে করে,আর একদিন যদি

দেখি আমার স্বামীর সাথে কথা

বলতে তবে তোর একদিন কি আমার

একদিন।।"

---কি হলো কি বলছো মনে মনে?

(আমি)

---তোমার শুনে কাজ নেই..

এই নেও হা করো?(রুপন্তী)

অতঃপর আমিও রুপন্তীর কথা মতো হা

করলাম..

মনে মনে বলি যাক "পাশের বাড়ির

মেয়েটা না থাকলে আমার কি যে

হতো"

কি বুঝলেন নানা তো!!

বুঝিয়ে দিচ্ছি...

---- ধরুন জ্বর টা যদি না হতো তবে

রুপন্তী'র এই মিষ্টি ভালোবাসা

পেতাম না।

আর ঐ পাশের বাড়ির মেয়েটা যদি

না থাকতো তাহলে আমার ওর সাথে

কথা বলা হতো না।

আর কথা না বললে রুপন্তী ওর বাবার

বাসায় যেত না,

আর রুপন্তী না গেলে আমার আর

বৃষ্টিতে ভিজা হতো না,

আর বৃষ্টিতে না ভিজলে আমার জ্বর

আসতো না,

আর জ্বর না আসলে রুপন্তীর এই মিষ্টি

ভালোবাসা পেতাম না।

তাহলে সব শেষে ফলাফল কি

দাঁড়ালো!!!

এই সব কিছুর জন্য ঐ পাশের বাড়ির

মেয়েটার ক্রেডিট।

তাহলে ওর তো আমার কাছ থেকে

একটা ধন্যবাদ পাওনা রয়ে গেলো...

আগামীকালই তাকে তার প্রাপ্য

জিনিস টা বুঝিয়ে দিবো।

এই কথা ভেবে যখনই রুপন্তীর দিকে

তাকিয়েছি..

দেখি রুপন্তী আমার দিকে অগ্নিময়

চোখে তাকিয়ে আছে...

কারণ আমার মনের অজান্তে বিড়বিড় করে বলে ফেলেছি।!!!

আমি ওর এমন তাকানো দেখে একটা

ঢোক গিলে মনে মনে বললাম....

ধন্যবাদ তো দূরের কথা আমি তো ঐ

পাশের বাড়ির মেয়ের আর

আশেপাশেই কোনদিন যাবো না।

(#সমাপ্ত)
Share:

বল্টু আর মন্টুর মজার জোকস

#বল্টু এবং #মন্টু পরীক্ষা দিচ্ছিল,,,,
মন্টুঃ দোস্ত একটা স্কেল দে তো,
বল্টুঃ লম্বা নাকি বেটে
মন্টুঃ বেটে,
বল্টুঃ
সাদা নাকি কালো?
মন্টুঃ সাদা,
বল্টু:-
বাঁকা নাকি সোজা?
মন্টু:- সোজা।
বল্টু:- পরিষ্কার
নাকি মায়লাটা??
মন্টু:- (রেগে গিয়ে)
আরে সময়
শেষ হয়ে যাচ্ছে, পরিষ্কারটা দে।
বল্টু:-
সুন্দরটা নাকি বিশ্রীটা?? মন্টু:- (খুব রেগে)
আরে সুন্দরটা দে। বল্টু:-স্টিলের
নাকি প্লাস্টিকের??
মন্টু:-
আরে গাধা স্টিলেরটা দে। বল্টু:- সরি,
স্টিলেরটা আমার কাছে নাই। মন্টু:-
Tahole প্লাস্টিকেরটা দে বল্টু:- ঐটা আনি নাই------------ বল্টুরে কেউ মাইরালা 😁😁



জোকস নামবার ২
মা তার ছেলেকে কিছুতেই Tablet খাওয়াতে পারছে না ঃ

তারপর মা বুদ্ধি করে সিদ্ধ ডিমের ভিতর Tablet ঢুকিয়ে দিয়ে তার বাচ্চাকে দিল।  কিছুক্ষণ পর মা এসে জিজ্ঞাস করল কিরে ডিমটা খেয়েছিস?

~হ্যাঁ,  মা।  ডিমটা খেয়েছি তবে ডিমের ভিতর যে বিচিটা ছিল ওইটা ফেলে দিয়েছি।  :"
Share:

ছোট গল্প পাশের বাসার আন্টির মেয়ে

ছোট গল্প পাশের বাসার আন্টির মেয়ে


পাশের বাসার আন্টির মেয়ে সব সময়
আমাকে দেখলে লাইন মারতো।
তবে, আমি পাত্তা দিতাম না।
আজ দেখলাম একটা ছেলের সাথে
হেঁসে হেঁসে কথা বলছে।
আমিও দেখে না দেখার ভান করে চলে
যাচ্ছিলাম।
হঠাৎ পিছন থেকে বলে উঠলো,
ভাইয়া কেমন আছেন?
মেজাজটা চরম গরম হলো।
দুই দিন আগেও লাইন মারতো আজ ভাইয়া হয়ে
গেলাম।
মনে মনে Vablam পাশের  আবুল টা মনে হয় ওর
bf.
তাই আমি আজ ভাইয়া... একটু wait কর আপু
দেখাচ্ছি মজা।
পিছনে ফিরে মেয়েটার দিকে
এগিয়ে গিয়ে বললাম,হুম বল আর এই ছেলেটা
কেরে?

ভাব নিয়ে বললো, ও আমার boyfriend...
ধরলাম ছেলেটার শার্টের কলার।
বললাম, শালা তুই আমার বোনের
সাথে লাইন মারছিস? পাশে থাকা বড়
ভাইদের নিয়ে ইচ্ছা মত কেলালাম।
আন্টিকে ডেকে আনলাম আর সব বললাম।
আন্টি তার মেয়ের গালে কষে থাপ্পড়
মারলো।
দিলাম ব্রেকআপ করিয়ে।
শেষে কানের কাছে আস্তে করে বলে
আসলাম।
বালিকা,,, ভাইয়া ডাকার ফল।
#farabi farhan
আরো নতুন নতুন জোকস পড়ুন :মশার ক্যান্সার হতে পারে মজার জোকস ২০২০
Share:

বল্টুর কষ্টের জোকস........

বল্টুর কষ্টের জোকস........
.
.
বল্টু স্কুলে এসে মন খারাপ করে
বসে আছে।
.
.
তা দেখে তার বন্ধু পল্টু বলল...
.
.
পল্টু :- "কিরে মন খারাপ করে বসে
আছিস কেন?"
.
.
বল্টু :- "আমার একটা মুরগি ছিল এখন কই
চলে গেছে আর খুজে পাচ্চিনা!"
.
.
পল্টু :- "হা হা হা হা !!! মুরগি চলে
গেছে
বলে মন খারাপ করছিস ?? আমার তো
গার্লফ্রেন্ড চলে গেছে। তাও আমি
মন খারাপ করছি না।"
.
.
বল্টু তাকে এক থাপ্পর দিয়ে বলল-
.
.
বল্টু:- "ফাইজলামি পাইছোছ ?? তর
গার্লফেন্ড কী ডিম পাড়তো ??"
.
.
পল্টু:- "না"
.
.
বল্টু :- "আমার মুরগি ডিম পারতো আর
আমি সে ডিম বেইচা দুইটা
গার্লফ্রেন্ড
চালাইতাম।"
.
খারাপ তখনি লাগে যখন এত কষ্ট করে লেখার পর কোনো Comment বা উওর না দিয়ে চলে যান।
Share:

২০২০ সালের চরম হাসির জোকস

একদিন
আক্কাছ,কুদ্দুছ ও
কুলকুছ
ভ্রমণে গিয়ে ফিরতে দেরি
হওয়ায়
রাতে এক
বুড়ির
বাড়িতে আশ্রয় নিল।
কিন্তু বুড়ির বাসায়
ভাত ছিল
একজনের.....তাই
বুড়ি ওই
ভাতগুলো ওদের
খেতে দিল। তখন
তিনজনেই
চিন্তা করল
যে ভাগ
করে না খেয়ে একজনেরই
খাবারটা
খাওয়া
উচিৎ..... তারপর
তারা সিদ্ধান্ত নিল
রাতে যে বেশি সুন্দর
স্বপ্ন দেখবে সেই
সব ভাত খাবে!!!!
ঘুম
থেকে উঠে আক্কাছ
বলল:
ওরেআমি ঘুমের
মধ্যে দেখি সাত
আসমানের
উপর...আসমান
যা সুন্দর
তোরা না দেখলে বিশ্বাসই
করতে
পারবিনা!!!
কুদ্দুছ :
আরে বেটা আমি স্বপ্নে একলাফে
আসমানে
উঠছি,
আর
একলাফে পাতালে নামছি!!
ওইখানে তো
একটা বিরাট
হাতির
সাথে আমার
ফ্রেন্ডশিপ ও হয়ছে!!
পাতাল যা সুন্দর না!!
আচ্ছা কুলকুছ
কি দেখলি বল??
কুলকুছ : দোস্ত
তোরা স্বপ্নে যায় দেখ,
ভাত কিন্তু নাই!!
আক্কাছ আর কুদ্দুছ
একসাথে: কস কি?
ভাত
কই গেল?
কুলকুছ : আর কইস
না দোস্ত...রাতে দেখি একটা
শয়তান বিরাট
লাঠি নিয়ে এসে আমাকে
বলে....ভাত
খা নইলে লাঠির
বারি খাবি!! তারপর
আমি ভয়ে ভাত
খাইয়া ফেলছি!!
আক্কাছ :
হারামজাদা চাপা মারছ
না?
তোরে শয়তান
মারতে চাইছিল
আমরা কই আছিলাম
হা?
কুলকুছ :
দোস্তরে আমি তখন
তোদের
খুজছিলাম। আমার
ডানে দেখি তুই
নাই...তুই সাত
আসমানে!!!
বায়ে দেখি কুদ্দুছ ও
নাই.... কুদ্দুছ
পাতালে!!!!
আক্কাইচ্ছা আর কুদ্দুইচ্ছা
বেহুশ,,,।।।
সুন্দর সুন্দর গল্প পড়তে রিকুয়েষ্ট দিয়ে সাথে থাকুন
Share:

বাংলা মজার জোকস বাঁশ কাকে বলে?? শুনেন!!

বাঁশ কাকে বলে?? শুনেন!!


কালকে ১ বন্ধু সাথে ঘুরে
বাসায় আসতে প্রচুর লেট হয়! 😔
বাসায় আসার পর.........

আম্মুঃ কিরে কই ছিলি?🤬
আমিঃ এইতো ১ ফ্রেন্ডের বাসায় 😏
আব্বুঃ ছেলেটা এইমাএ বাসায় আসলো কিছু খেতে দেও!

তখন আম্মু আমাকে খাইতে দিয়ে Vilen স্টাইলে ১ ১ করে ১২টা ফ্রেন্ডের বাসায় কল দিলো 😭

তার মধ্যে ৫ জনই বললো,
হ্যাঁ আন্টি ওতো এখানেই ছিল 😩

২জন বললো,
হ্যাঁ আন্টি ওতো একটু আগেই বেরিয়ে গেলো😫

৩ জন বললো,
Ha আন্টি ওতো এখানেই আছে পড়ছে ফোন দেই ওর কাছে 🙊


১ জন বললো,
 টয়লেটে গেছে আন্টি 😶

আর ১ জন তো বেশি চালাক, বেশি বুঝে amar কন্ঠ নকল করে নিজেই বললো, হ্যাঁ আম্মু কেন ফোন দিছো?  কিছু বলবা আম্মু? 😐😑

এখন আমি বাম কানে কম শুনি 😭😭

🙃🙃🙄🙄
Share:

The immature and childish ‘me’..

The immature and childish ‘me’..

After 15 years of marriage  I realized that I am still immature and childish…. My husband feels that way and some other close acquaintances too feel that I behave in a very immature way. I never ever paid heed to it and continued playing games with my kids who love to play with me because I too become crazy  like a child while playing.  One day my husband returned from office only to find me playing football with them in our society’s lane. From his stern look I could make out that he did not like it and he just uttered the word , ‘ let the kids play alone, stop being childish’.
At times, I would start wondering and get depressed thinking that was I really immature and childish? Was it the reason he spoke a little with me? Did he really think that I was an immature lady? What does being mature mean then? Does it mean I have to behave in decent way as if I am in an office? Or does it mean that I cannot  play with my own kids to make them happy? Or does it mean that I should not run away from my responsibility? Whatever the case may be, I was totally disappointed by this tag and I always wished my husband to be like me, enjoying life’s little pleasures and making fun out of literally anything.

One fine day I was totally frustrated and decided to test his love for me in my own childish way. Because that was the only thing I could do nicely and with perfection and my husband would agree to it 100% .
I wrote a letter to him stating that I was fed up with his attitude just as he was fed up with mine. I wrote that it hurt me that he kept thinking me childish always and I could never ever be the way he wanted me to be. I finally ended this letter with a good-bye saying that I will not return back to him again.
I knew in his mind he will be thinking that I am an irresponsible, immature person who left the kids all alone but then I really wanted to test his love for me. But as per my nature I wanted to see his reaction after reading my letter. So I kept the letter on the dining table under the paper weight and hide under the bed waiting for him to read it.
He came from the office , had a glass of water and was searching for me but he could not find me. He took out chips from the cupboard and sat in front of TV without even bothering to give me a call. Anger was on my nerves now. I wanted him to read the letter and react. I thanked God, his phone was lying on the same table on which I had kept the letter and fortunately and it rang just in time. When he came to pick it up he found my letter. He read it casually as if it was just another note…. He never took anything regarding me ‘seriously’.
I was really furious now, even after knowing that I had left his home , he did not do anything.. I was about to come out of my hiding place when I saw him dancing and whistling with joy. He seemed happy and overjoyed rather than crushed and heart-broken.

He called some one up saying , ” Hey babe! I came home from the office just now and was glad to know that my childish wife had run away from the house. Now we don’t have anyone to bother us, I’ll just change and then we will go to Hotel on a date for a candle light dinner and on a long drive after that”. But before he called up, he scribbled something on my letter. Soon , he got ready and left the home.
I was in tears now. I knew the man who called my childish did not love me and there was some other girl in his life – matured and well-behaved! May be that is  why he avoided me and kept calling me childish . I was all broken but still was curious to see what he had scribbled on my letter. So I opened it with tears in my eyes and was taken aback by what he wrote…..
He had written, ” Dear Archana, I came home from office really tired and I could see your feet when you were hiding under the bed. I am going out to buy bread and butter. So my dear idiot wife, sometimes it is good to make fun out of serious things-like the way you do it always and remember that I LOVE YOU just the way you are..”
Dedicated to my loving husband Prasanna and my sister in law- Anjali.
Archana Prabhune..
Share:

PARK MOUNTAIN" --sad story Part1 --

PARK MOUNTAIN"
--sad story Part1 --
(School)
Boy:Pstt!!...(Pagsipol kay girl)
Girl:Yess!!...anu Yun???.
Boy:May Tagos ka yata...
Girl:Huh!!...(Tiningnan) My GoD (Nataranta)
Boy:Haha!!."TAGOS MO'TO"(Pang-Aasar kay girl)
Girl:Ahh,,Eehh,,Pwede bang Pahiram ng Jacket mo???...
Boy:Mukha Mo bakit ko ipapahiram to sayu eh Bagong Bili lang to nuh...
Girl:Sige na pllsss...
Boy:Hoy!!...AtE di ko to Pinabili para lang ipanakip dyan sa Tagos mo!!!...
Girl:Hoyy!!..Wag ka ngang maingay sige di ko na hihiramin yang Bulok mong Jacket!!!...
(UMALIS SI GIRL)
Girl:Patay ang Daming Tao(Sabi sa Sarili)
Kinakabahan si girl sa pag-Pasuk sa 2nd Floor dahil maraming Studyante doon....
-Paakyat na si girl ng biglang May Humawak sa Balikat nya-
Girl:Huh!!...Sinu ka???..(Sabi nya Habang nakatalikod)
Boy:Eto Ohh!!...Hiramin mo na...
Girl:Wag na iyo na yan...
Boy:Ayaw mo...??..
Girl:Ayoko....
Boy:Di Wag may Tao ohh!!...
Girl:Huh!!..Pahiram Ako(Nagpanik at agad kinuha ang jacket ni Boy)
Boy:Kala ko di mo Hihiramin????..
Girl:May Tao Eh!!..Salamat ah..
Boy:Balik mo lang yang Jacket ko ah...
Girl:Oo naman anu ako magnanakaw ng Jacket??..
Boy:Hindi naman ..Ah ako nga pala si Kris E ikaw???...
Girl:Ako naman si Sarina
Kris:Anung Grade mo na???..
Sarina:Grade 9 sec:2 Duon sa Third Floor ..Eh ikaw ??...
Kris:Garde10 Duon naman ako sa Kabilang Buildding...
Sarina:Ok...
Room-

Sarina:Sige salamat dito na lang ako..
Kris:Sige bYe...
Dumating Si Charice BestFriemd ni Sarina...
Charice:Hey!!..Besh Sinu Yun???...
Sarina:Ah!.Si Kris.. Ah Besh Meron ka bang Ex-Tra na Mode dyan??.(Pabulong nyang sinabi)
Charice:Meron Isa na lang Yun...
Sarina:Pwede ko bang Mahingi???..
Charice:Sige Pakikuha na lang sa Bag Ko ...
Sarina:Oh!!..San ka Pupunta???...
Charice:Bababala Lang
Sarina:Ok!!...
Cr-
Sarina:May Gash!!!... Ang Lakas ng Tagos Ko  😓😓
Nakakainis naman...
After3m nakapagpalit na si sarina-
Charice:Ohh!!... Besh!!!..
Sarina:Ohhh!!...Ikaw pala..
Charice:Anu Tapos ka na??.
Sarina:Oo.... Tara na pasuk na tayu sa room...
After Class-
Recess
Girl1:My Gash sinu ka yang lalaking yan???..
Girl2:ewan Pero Ang Gwapo nya???...
Girl3:Si Kris yan...
Girl4:K-Kris???..Anung Grade naman at Tila Napahanga ako sa Ka Gwapuhan nya...
Girl3:Grade 10 Sa Kabilang Buildding Sya...
Girl1:My Gash Ayan na sya!!...
Girl2:Papasuk sa room natin???.
Girl4:Tara Tingnan natin kong sinu Ang Pupuntahan nya sa Room...
Girl3:Tara!!...
Naglalakad sina sarina and Charice Papalabs sa room ng biglang Hinirangan ni Kris-
Charice:Huh!!..Bakit ka Humarang sa Dinadaanan namin???...
Sarina:Ohh!!..K-Kris B-Bakit ka nandito??..
(PinagBubulogan sina Sarina)
Girl1:Duh!!..Si sarina ang Pinuntahan nya Chee...
Girl2:Sya ata ang GF ni Kris???.
Girl3:My Gash Nasira tuloy ang Beauty Ko sakanya...
Girl4:Ang Landi talaga nyang Sarina na yan...
Kris:Ehh!!..Hinahanap Ko Lang Kasi si Mark And Joshua Nandyan ba sila???..
Sarina:Ahh!!..Oo Ayon sila ohh...(Sabay Turo)
Kris:Bro!!!...
Mark:Bro!!,,Saglit....
Sarina:Sige,Ahh.. Alis na kami...
Kris:Sige...bye
Charice:Bwesit!!..Kala ko naman Ikaw na Yun Pala Hinarangan lang Tayu Para Tanungin kong nasan si Mark&Joshua
Sarina:Naku!!..Gwapo Yun Imposibleng Magka gusto Yun saken...
Charice:Edi Ikaw....
CANTEEN-
Nakaupo sina Sarina & Charice sa Table 5 ng Biglang Lumapit sina Angelica,Janzy &Kathleen-
Angelica:Heyy!!..Umalis nga kayu dyan...
Charice:Huh!!..Ehh,,Bakit naman??..
Janzy:Ang Tanga mo naman Charize Alam mo namn na Upuan namin Yang Inuupuan nyo...
Charice:Wow Bakit may Pangalan ba kayu Waut Tingnan Ko lang Ahh Baka Kase MERON nga!!..
Kath:Haha... Ba Matigas Tong Charice na Ito...
Charice:Sorry Kase Niisang Letra ng pangalan nyo ehh wala kaya dito lang kami...
Angelica:Aba!!!...Pilosopo Tong G*G*ng To ahh...
Charice:E Bakit ah Bakit??..
Sarina:Besh!!...Alis na tayu Dito Lumipat tayu ng Table...
Angelica:Lumayas na kayu dyan Naiinip na ako..
Charice:Kayu ang Umalis Dahil kami ang Nauna dito Kaya Shut UP...
Janzy:Banatan na kaya natin to...
Angelica:GO!!!...Matigas ehh....
Biglang Hinila ni Kath ang Buhok ni charice...
Kath:Matapang ka masyado...(Biglang Nginudngud ang mukha ni Charice sa Spaghetti)
Class:Hahahahah(Tumatawa na lang ang Ibang Studyante)
Charice:P*Tang *na Nyo!!!...(Nanggigil si Charice at Pinag-Sasabunutan nya silang Tatlo)
Sarina:Besh!!..Tama na...
Charice:Ayoko Pa Ingungudngud ko pa ang Mukha nila dito sa spaghetti nila Iniinis nila akong Dalawa Bwesit sila!!..(GIgil na sabi ni Charice)
Biglang may dumating na Guard...
Guard:Hoyy!!. Tama na yan idadala ko kayu sa Guidance Office....
Biglang Binitawan ni Charice ang Buhok ng Tatlo...
Charice:P*Ta*ng I*n Nyong Tatlo!!!!.....(Sigaw nyang pasabi kina Angelica)
Boy1:Hahaa.. Angelica Di pala kayu makapalag kay Charice ehh(Sigaw kay Angelica)
Boy2:Hahaha... Shushu Angelica Group Mga Talunan kayu👎👎👎
Boy3:Iisa lang si Charice di nyo pa nabanatan...
Guidance Office...
Maam:Anu ba ang nangyari at bakit kayu nag-Kagulo???...
Angelica:Sila Po kasi Maam(Turo kina Sarina)
Sarina:Angelica Wag kang Sinungaling...
Janzy:Totoo namn eh Kayu ang nanguna...
Charice:Hoy!!. Lumaban lang ako dahil kayu ang Nanguna Sinabunutan nyo ako at Inilampaso sa Spaghetti na kinakain ko kaya Yan Lumaban din ako Kaya Shut Up mga Loser♧♧♧....
Kath:Wow ang Galing morin Gumawa ng Kwento eh Nuh!!...
Biglang Pumasok si Kris..
Kris:Mama Eto na oh!!..Ha!!..Sarina Bakit kayu Nandito???.
Sarina:Kasi Nakipag Away si Chatice dahil dyan Kina Angelica...
Angelica:Sabunutan kaya kita...LOL
Maam:Manahimik kayu...
Kris:Mama Yang Tatlong Yan Laging Nambubully Yan..(Pabulong nyang sinabi sa mama nya na Guidance Office)
Maam:Are You Sure Di ka nag-Sisinungaling..
Kris:Mama Anak Moto Im NOt Lier😉...
Maa:Kayung Tatlo Bukas Papuntahin nyo ang Parent nyo...
Angelica:Maam wala kaming kasalanan...
Maam:Papuntahin byo Right!!...
Janzy:Yess maam😤😤
Sarina:Salamat Kris😊
Kris:Ok lang Yun Anu ba kasing Nangyari...??..
Charice:Ahh😤Basta Naiinis ako sa Tatlong Yun... Ako nga pala Si Charice...
Kris:Kris😊...
Sarina:Ahh...Sige Uwi na kami Kris...
Kris:Sige!!!..TAGOS MO'TO.....
Sarina:Kris Anu Yun😠😠😤😤
Kris:Joke Lang😅✌
Charice:Anung Tinutukoy Nun???.
Sarina:Ewan???..
Charice:Naku!!..Besh...
House Sarina-
Sarina:Ate Nasan si Mama???..
Ate:Nakikita mong Wala dito Diba Tapos Nag-Tatanong ka pa...
Sarina:Nagtatanong lang namn ehh..
Ate:Mukha mo♧...
Madalas mag-Away sina Sophie & Sarina Si Sophie kasi Ay Kontrabida sa Pamilya nila Ayaw nya kay Sarina Dahil Mas Proud ang Parent nila kay Sarina At Mahal na mahal nila ito ....
Sarina:Ate nag-Tatanong lang naman ako e baka sakaling alam mo...
Ate:Aba Bwesit Kang Sarina Lumayas ka nga dito dahil ang Totoo nyan Umalis sina Mama at papa Dahil di ka nila mahal Kaya Lumayas ka na rin dito Malas ka (Biglang Pinagtatapon ang Damit sa Labas ng Bahay nila)
Sarina:Ateee!!!..😭😭Buksan mo to Umuulan😭😭😭....
Ate:Mamatay ka dyan Bwesit Ka😠😠😠
Sarina:Plss.. Ate sobrang Lamig Atee😭😭😭😭...
No Choice Kaya Umalis si Sarina At Pumunta Kina Charice-
Sarina:Charice!!!..Charice (Umiiyak na Sumisigaw)
Biglang Lumabas ang Kuya nya
JL:Ohhh!!...Anyari sayu Sarina Pasok ka!!!...
Sarina:Salamat Kuya JL nasan si Charice???.
JL:Wala D2 Pumunta Kina Tita Kaso Gagabihin Yun sa Pag Uwi dahil Umuulan...
Sarina:Ahh Ok Po..
JL:Anyari ba sayung Bata ka at bakit ka Pumunta dito At Tila Umiiyak Ka Nakikita mong Umuulan ehh ..
Sarina:Kuya JL si ate Pinalayas ako sa bahay😭😭😭...
JL:Bakit naman ???
Sarina:Tinanong Ko lang Kung nasan si Mama Bigla na lang syang Nagalit at Pinalayas nya ako😭😭😭
JL:Dito ka na lang muna sa Bahay...
Sarina:Salamat Kuya JL...
May Kumatok...
Knock,Knock-
JL:Ohh!!..Ikaw pala yan Kris...
Kris:Sinung Kasama mo???.
JL:Ahh Kaklase ng Kaoatid ko...
Kris:Ahh Ok...
JL:Upu ka Kukuha lang ako ng Maiinom nyo..
Kris:Sige salamat Bro,,
Pagkaupo ni Kris-
Kris:Huh!!...Sarina???.
Sarina:Kris??..
Kris:Bakit ka nandito Regla???.
Sarina:Pwede ba Itikom mo yang Bibig Mo😠...
Kris:Sorry Na hahah...
JL:Magkakilala Pala kayu???.
Kris:Oo...KaHapon lang Kasi Hiniram nya Yung Jacket ko Para lang Ipanakip nya sa Tagos nya😂😂😂😂....
Sarina:Abah!!...Bastos ka(Sabay sampal sa Mukha ni Kris)
Kris:Abah!!..Bakit mo ako sinampal Hoy!!...wla kang Karapatan para sampalin ako dahil di pa ako sinasampal ng Parents Ko Regla!!!...
Sarina:Di mo talaga Ititikom yang Bibig mo Nakakainis ka na ahh...😠😠😠....
Dumating si CHarice...
Charice:andito na ako Ohh!!..Sarina Huh!!..Kris
Kris:Hello Charice...
Charice:Bakit ka nandito???.
Sarina:Besh!!..Dun tayu sa Loob ng Kwarto mo...
charice:Sige....
After Ipaliwanag ni Sarina kay Charice Pumayag namn si Charice na Patirahin muna si Sarina-
Sarina:Salamatt Bessshhhh!!!!....😘😘😘
Kris:Hoy Tagos Kumain na daw tayu...
Sarina:Hoy!!...Hindi Hindi ako kakain kapag nandyan ka... Niinis ako sayu😠😠😠
Charice:Tara na kain na Tayu...
Sarina:Pwede Bang Dito na lang Tayu Kumain(Nahihiya)
Kris:Naku!!..Regla Wag ka ng Mahiya kasi alam ko namn na malaks kang Lumamon...
Sarina:Hindi na lang ako Kakain Busog na ako...
JL:Try Mo kayang
Puntahan Kris(Pabulong)
Kris:Naku!!..Pabebe Lang Yang babaeng Yann...😏😏😏
Charice:Puntahan mona kase Kris😂😙😚
Kris:Sigr Pag Ttripan ko...
Biglang Pumasok si Kris sa Kwarto na hinihigaan ni Sarina-
Kris:Ahhh...Sarina Kumain ka n ohh...
Sarina:No Thanks...
Kris:Sige Na Regla...
Sarina:Tumigil ka nga dyan sa kakatawag saken ng Regla😠😠😠😤😤😤
Kris:Ok Tagos...
Sarina:Lumabs ka na nga lang...
Kris:Eto Ohh..Susubuan kita...sige na Buka mo yang Bibig mo...
Sarina:Ok!!...(Binuka ni Sarina)
Kris:Hahaha(Pabebe ka pang Babae ka)Biglang Ikinalat ni Kris ang Kanin sa Bibig ni Sarina-
Kris:Hahahhaa... Kunyari kapang Regla ka Pabebe .. ..
Sarina:Mukha Mo ikaw talaga(Hinabol ni Sarina si Kris ng Biglang Nadulas sya sa Nakalapag na Pulbo Pero Bigla Ito Nasalo ni Kris)
Sarina:Aaaaaaaaaaaaahhhhhhhhhhhhh!!!!!!!!!!!!............😨😨😨😨😨(Sigaw ni sarina)
JL:Anu Yun???.
Charice:Tara Pasukin natin..
Pumasok sina JL para Makita kong Bakit sumigaw si Sarina...
Charice:MY Gash Ayieiee....
JL:Sweet Nyo Namn Hahah...
Sarina:Hoy!!...Ibaba mo nga ako!!..(NagBlush ang Pisngi)
Kris:Ayoko nga (Pinapakilig ni Kris si Sarina)
Sarina:Ibaba mo ako Pllss...😤😤😣😣😣
Kris:Sabing Ayoko ehhh..(Nilapit ni Kris ang Mukha nya sa mukha ni Sarina)
Sarina:Huh!!..(Namumula at tila kinikilig)
Kris:Ang Cute mo pala kapag namumula ka..
Sarina:Ibaba mo nga ako!!!!😣😣😣
Kris:CRUSH MO AKO NUH!!!!....... (Pabulong nyang sinabi kay sarina)
Sarina:Walang Hiya ka Ibaba mo ako...
Kris:Ok sabi mo ehh...(Biglang binitawan ni Kris)
Sarina:ArayAa..Bakit mo ako Ginanun😠😠😤😤😤
Kris:Sabi Mo Bitawan kita edi Binitawan kita...
Sarina:😤😤😤😠😠
Kris:Naku Crush Mo lang ako nuh!!...
Sarina:Kapal ng Mukha mo(NaFafall)Anu ka ba sarina bawal kang Mainlove sa Kagaya nya(Sabi nya sa sarili)
Kris:Hoyyy!!!...REGLA wag kang Ashumm.. Kasi Tinry Lang Kita Kung Paano Ka Mainlove hahahaha Seryosong Mukha Ka namn Regla Hahah...Namumula pa yang Pisnge Mo Hahah.. Feelingera Ka....
Sarina:Mukha mo 😤😤😠😠
Kris:Tara na kumain na Tayu...😂😂😂😂
Charice:Hahaha.. Besh Na Fall Ka Nuh!!..😂😂
Sarina:Hindi Nuh!!...😠😠
Charice:Hahaha..
After nilang Kumain nag-Kwentuhan muna silang Apat-
Charice:Kris My GF ka na ba???..
Kris:Wala Pa eh...
Charice:Huh!!!...Bakit Wala pa e Sa Gwapo Mo nyan Wala ka pang GF???..
Sarina:Naku!!!...Kaya walang Gustong Sumagot sakanya ng "Oo" dahil dyan sa Masama nyang Ugali!!!!.....
Kris:Mukha Mo Hoyy!!!...Di mo pa sken Binabalik Ang Jacket Ko...
Sarina:Bukas ko Ibabalik...kase di pa nalabhan😠😏😏
Kris:Hoy!!..Ayusin Mo paglalaba mo dahil sa Oras na May TagOs pa ng Mabaho mong Regla Ipapadila ko Yun sayu Tandaan Mo...
Sarina:Edi Wow!!!....
JL:Kris May Tao Ka bang Nagugustuhan???...
Kris:Haha😂😂😂Oo namn Kasama na dun si ReGla😂😂😂....
Sarina:(Medyo Kinilig)
JL:Haha... Anung React Mo Sarina😂???..
Charice:Kinilig yan 😂💘
Sarina:Hindi ah...😶😶
Kris:Asus!!...Kinikilig Yan Pag Ganyan😂😂
Sarina:Tsk!!...MatulOg na tayU???...
Charice:Oppss... Bago Yun Mag-Huhugas Tayu ng Plato??..
Sarina:Oh!!..Sige Tara...
JL:Mag-Babato-Bato Pics Tayung Apat Kung Sinu Ang Matalo sya ang Mag-Huhugas lahat Nyan...
Charice:Dalawa Dapat Kuya Kase Masyadong Marami to ehh...
JL:Oh!...Sige...
Charice:Bato-Bato Pic.!!...Panu Bayan Kris&Sarina Kayung dalawa ang mag-Huhugas ng Plato kelangan Malinis Ok!!...
Sarina:Ohh!!..Sige Ba...
Charice:Sige Hintayin kita sa Kwarto...
Kusina-
Kris:Akina Yang Pom at Sabon...
Sarina:Huh!!..Bakit namn??.
Kris:ako ang Mag-Sasabon ng Lahat Ikaw ang Mag-Babanlaw Ok...
Sarina:Sigee ba!!...
Habang nag-Sasabon Ng Plato si Kris Ay Nag-Uusap silang Dalawa ni sarina-
Kris:Bakit Ka ba nandito???..
Sarina:Ahh!!..Kase Pinalayas ako dun ni ate..
Kris:Kaya ka ata pinalayas Kase Punung Puno nanmn Ng ReGla ata ang CR nyo(Pabiro nyang sinabi)
Sarina: 😤😤😤😠😠😠Kris!!!....
Kris:Hehe😆😆Biro lang namn eh😆😆✌✌....
Sarina:Eh ikaw Bakit ka nandito???.
Kris:Haha..D2 muna ako Matutulog...
Sarina:E Bakit namn dito??.
Kris:Syempre Para makasama Kita💘....
Sarina:(Kinilig💘💕)
Nagkatitigan silang Dalawa at Unti unting Nag-Lalapitan ang kanilang Mga labi-
Sarina:(Nakapikit😙)
Kris:Haha😂😂Crush Mo Pala ako(Sabi sa Sarili)
Biglang Binatukan ni Kris si Sarina-
Sarina:Aray Ko namn
Kris:Gusto Mo pala ako ahh!!..😉
Sarina:Huh!!...Hindi ah Yucks!!..(Sayang / Palusot)
Kris:Konyari ka pa Eh.. Gusto mo palang Mag-Pahalik saakin ah???.😂😂
Sarina:Hindi No Hindi Ako Mafafall sa Kagaya mong Mayabang Bakla ka kaya👎👎
Kris:Ahhh!!...Bakla ahh!!!..
Sarina:Huh😲😲😲!!!..(Napalaki ang Mata👀👀👀)
Hinalikan ni kris si Sarina Dahil sa napikon sya sa Sinabi ni Sarina na Bakla sya)
Kris:Sinung Bakla😅✌..???.
Sarina:Huh!!..👀👀 akina nga yang Plato na yan ng mabanlawan ko na ...(Namula)
Kris:Ang Init Ng Labi mo😂😂...(Biglang Umalis)
Sarina:Bwesit Ka😤😤
After Mag-Hugas ng Plato si Sarina Lumabas mun sya para mag-Palamig....
Sarina:Inferness Medyo nasayahan ako sa Halik nya(Sabi sa Sarili At Tila Kinikilig)
Kris:Bakit ka nandito ReGla???...
Sarina:Cheee!!!...
Kris:Hoyyy!!...Linawin mo nga ako May Gusto ka Ba saaken???..
Sarina:Wala akong Gusto sayu Kapal ng Mukha😤
Kris:Hoyyy!!...Sabihin ko sayu Porket Hinalikan lang Kita at sinabi ko na Crush Kita E Ibig sabihin na nun ay May Gusto na talaga ako sayu Hahaha😂😂😂TiniTry lang Kita ReGla.😂😂Pero aaminin Ko masayang Mahalikan yang Labi mo😂😂....
Sarina:Chee!!...Siraulo Papasuk na ako...

Kris:Saglit Lang May Itatanong Lang ako sayu???.
Sarina:anu nanamn Yun???.
Kris:diba CLosE kayu ni ChariCe???
Sarina:So,,,????.
Kris:Pa Regards naman ako ohh!!..Pllsss...
Sarina:👀(Nagulat)Huh Eh,,Sige Alis na ako...
Kris:Paki sabi na lang Ok!!...
Di na sumagot si sarina sa Sinabi ni Kris...
Room-
Charice:Besh!!..Ang tagal mo namn Kanina pa ako dito ehh..
Sarina:Senya na...
Charice:Tara matulog na tayu...
Nag-Uusap silang dalawa habang nakahiga-
Charice:Besh!!...May Gusto ka ba kay Kris???.
Sarina:Wala Bakit???.
Charice:Besh!!...Ang Totoo nyan May gusto ako kay Kris Alam mo naiinggit ako sainyo kapag Nag-Aasaran kayu???..
Sarina:Bakit Namn???..
Charice:Kahit lagi kayung Bunganga ng Bunganga Ehh Ang sweet nyong Tingnan Kahit Hindi KAYU....
Sarina:Beshhh!!...Ang Totoo nyan........May Gusto Sayu si Kris...(Maungkot)
Charice:Besh!!..Are You Sure???.(Tuwang Tuwa)
Sarina:Oo sinabi nya saken Pa Regards daw sayu...
Charice:Payag ako Besh!!..(Kinikilig)
Sarina:Sige Sabihin ko na lang sakanya Bukas ...
Charice:Ok!!...
Kina-Umagahan~
Kris:ReGLa nasan sya???.
Sarina:TulOg pa Ehh..
Kris:Pumayag Ba???.
Sarina:Oo Kelan nman Date Nyo???.
Kris:Ahh.. Secret sakanya ko na lng sabihin...
Sarina:😒😒😔😔My Gosh Bakit Ganito Tibok ng Puso kO...(Sabi sa sarilil)Ibig bang sabihin ehh May Gusto ako kay Kris PaTaY!!...
Kris:Salamat nga Pala ahh...(Sabay HuG)
Sarina:(Kinilig)Ok Lang Hihi😆😆
Charice:Kris???..
Kris:Hi Charice Pwede ba Kitang Kausapin???.
Charice:Sure .!!...
Labas ng Bahay-
Kris:Pwede Ba tayUng Mag-Date sa Park???..
Charice:Sige Ba...
Kris:Sige Bye Uwi na ako??
After One Weeks
Park-
Opppsss Next paba guys?? 😅😅
2 step para sent ko
Part 2 and 3
Step 1 add/follow me
Step 2. Comment yes
Share:

মশার ক্যান্সার হতে পারে মজার জোকস ২০২০

মশার ক্যান্সার হতে  পারে মজার জোকস ২০২০

বল্টু : রাতে বিছানায়
শুয়ে সিগারেট
খাচ্ছে
হঠাৎ বল্টুর
মা : পাশের রুম থেকে
বলল বল্টু ধোঁয়া
দেখা যায়
কোথাও আগুন
লাগেনিতো?,
.
বল্টু: না কয়েল
জ্বালাচ্ছি মা "
.
মা: কয়েলের গন্ধ
এরকম কেন ?
.
বল্টু: মা এটা নতুন
কয়েল তাই এ রকম
গন্ধ ।
.
মা : বুঝতে পারল এবং
বলল বাবা বল্টু
এ রকম
কয়েল জ্বালাস না
.
বল্টু: কারণটা কি মা
.

মা: বলল
.
.
.
.
.
.
মশার ক্যান্সার হতে
পারে
খারাপ তখনি লাগে যখন এত কষ্ট করে লেখার পর কোনো Comment  বা উওর না দিয়ে চলে যান।
আরো জোকস পড়ুন ঃবিয়ে করব শুধু এটাই না অর্ধেক আপনাকে দিয়া দিব I will not only marry this half of you

বউ পাগল জোকস

Sir : তুমি বড় হয়ে কি করবে ?
ছাত্র : বিয়ে
Sir : আমি বুঝাতে চাচ্ছি বড় হয়ে তুমি কি হবে ?
ছাত্র : জামাই
Sir : আরে আমি বলতে চাচ্ছি তুমি বড় হয়ে কি পেতে চাও ?
ছাত্র : বউ
Sir : গাধা,তুমি বড় হয়ে মা বাবার জন্য কি করবে?
ছাত্র : বউ নিয়ে আসবো
Sir : গর্দভ,তোমার বাবা মা তোমার কাছে কি চায় ?
ছাত্র : নাতী নাতনী
স্যার : ইয়া খোদা…তোমার জীবনের লক্ষ্য কি ?
Sir : বিয়ে
স্যার অজ্ঞান….
মেয়েদের গোপন কথা গুলো জেনে নিন: গোপন কথা
Share:

কেমন বয়সের মেয়ে বিয়ে করা উচিৎ?








 কেমন বয়সের মেয়ে বিয়ে করা উচিৎ?

কেমন বয়সের মেয়ে বিয়ে করা উচিৎ?

ইতিপূর্বে একাধিকবার পুরুষের পাত্রী নির্বাচন এবং শারীরিক সমস্যা নিয়ে লিখেছি। এখনও আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে ধারণা করা হয়ে থাকে পুরুষের আবার বিয়ের বয়স কিসের। পুরুষ মাত্রেই যে কোন বয়সের একটি মেয়েকে ঘরে তুলতে পারে কিন্তু বিষয়টির সামাজিক প্রেক্ষাপটের চেয়ে শারীরিক বিশ্লেষণ বেশী গুরুত্ব দেয়া উচিত। এই মুহূর্তে বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্র-পাত্রীর বয়স নিয়ে লেখার কোন ইচ্ছেই ছিলো না। পুরুষের অন্য একটি বিষয় লিখবো ভেবেছিলাম। কারণ আমার এক পুরুষ রোগীর দীর্ঘদিন পর পিতা হবার চিকিৎসার পেক্ষাপট নিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম। এ বিষয়টি পরে লেখা যাবে। যাহোক যা বলছিলাম, দু’তিন, দিন আগে আমার চেম্বারে একটা মেয়ে আসে। উজ্জ্বল শ্যামলা। শরীরের গড়ন হালকা। মেয়ে বললে ভুল হবে, কিশোরী বলাই ভালো। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাড়ী। সোনারগাঁও বললে, আমি নানা কারণে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ি। তার একটি কারণ হচ্ছে আমার লেখনীর শিক্ষাগুরু প্রখ্যাত সাংবাদিক লেখক ও কলামিষ্ট জনাব শফিকুল কবির এর বাড়ী এই সোনারগাঁওয়ে। যাই হোক, সোনারগাওয়ের সেই মেয়েটি বললেন, আমি ফর্সা হতে চাই ডাক্তার সাহেব। আমি বললাম তুমিতো অনেক সুন্দর এবং তোমার গায়ের রং যথেষ্ট ভালো। মিয়েটিকে আশ্বস্ত করতে বললাম, আমার মেয়ের গায়ের রং ও তোমার মত। তাছাড়া ত্বক ফর্সা করার কোন চিকিৎসা নেই। আজকাল কিছু কিছু বিউটি পার্লারের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে তরুণী-মহিলারা ছুটছেন তক ফর্সা করতে। আসলে ত্বক ফর্সা করার কোন ব্যবস্থা চিকিৎসা শাস্ত্রে নেই। বহুবার বলেছি আমি আমেরিকা ও সিঙ্গাপুরের দু’টি বিখ্যাত হাসপাতালে স্কিন, লেজার ও কসমেটিক সার্জারির ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় কখনও ত্বক ফর্সা করা সম্ভব এমন কথা শুনিনি। কখনও কেউ বললেনি ত্বক ফর্সা করা যায়। তবে আজকাল লেজার টেকনোলজির সুবাধে ত্বক ব্রাইট করা যায়, ফর্সা করা যায় না। মুখের ব্রাউন স্পট, পিগমেন্ট, তিল, মোল, আঁচিল, অবাঞ্ছিত লোম দূর করা যায়। ত্বক ফর্সা করার কোন লেজার ও চিকিৎসা এখনও বের হয়নি। তবে তথাকথিত হুয়াইটিনিয সিস্টেমের নামে মুখের ত্বক পুড়িয়েং দিয়ে ফর্সা করার মারাত্মক ক্ষতিকর উপায় নিয়ে দু’একটি বিউটি পার্লার প্রচার করে থাকে। এসব অবৈজ্ঞানিক মারাত্মক ক্ষতিকর হুয়াইটিং সিস্টেম নিয়ে আর একদিন বিস্তারিত লিখবো।সোনারগাঁও এর ঐ মেয়েটির কাছে জানতে চাইলাম- তুমি কেন ত্বক ফর্সা করতে চাইছো। প্রথমে মেয়েটি সংকোচ বোধ করলেও সে জানালো আমার বিয়ে হয়েছে একমাস। স্বামী আমেরিকা প্রবাসী। বর্তমানে দেশে আছে। স্বামী চায় আরও ফর্সা ত্বক। এরপর জানতে চাই তোমার স্বামী কোথায়। মেয়েটি বললো ও আমার সঙ্গেই এসেছে। ধারণা ছিলো অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ১৪/১৫ বছরের মেয়েটির স্বামীর বয়স ২০/২২-এর বেশী হবে না। ওমা বয়সে ৩৮/৪০ এর কম হবে না। প্রথম মিনিট খানেক ভীষণ রাগ হয়েছিলো। যাহোক, রোগীদের ওপর রাগ করার কোন অধিকার ডাক্তারের নেই। স্বাভাবিক হয়ে জানাতে চাইলাম আপনার নতুন বিবাহিত জীবন কেমন কাটছে। এরপর বেশখানিকটা সময় নিয়ে কথা হলো। ত্বক ফর্সা করার ভুল ধারণা ভেঙ্গে দিয়ে কিশোরী মেয়েটিকে বাইরে যেতে বললাম। এর পর মধ্যবয়স্ক যুবকের কাছে জানতে চাই কেন আপনার অর্ধেকের চেয়ে কম বয়সের একটি মেয়েকে বিয়ে করেছেন। যুবকটি কোন সদুত্তোর দিতে পারলেন না। এই যুবকটি ঢাকার একটি নামকরা কলেজ এবং একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। যুবকটি জানালেন এখনই তাদের ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা হচ্ছে। বললেন ডাক্তার সাহেব শরীর ঠিক রাখতে কোন ওষুধ দেয়া যাবে কিনা। আমি দু’একটি মামুলি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করতে দিয়ে আর একদিন আসতে বলি।সুপ্রিয় পাঠক, আজ থেকে ১০ বছর পরের একটি দৃশ্যের কথা চিন্তা করুন। যখন সোনারগাওয়ের কিশোরী মেয়েটির বয়স হবে ২৫। পরিপূর্ণ এক যুবতী। আর যুবকটির বয়স হবে ৪৮/৫০। এ বয়সে নিশ্চয়ই দু’জনের চাওয়া-পাওয়ার ক্ষেত্রে থাকবে অনেক ব্যবধান। এখানে আজকের কিশোরীটির চিরায়ত বাঙালী চরিত্রের রূপায়ণ অর্থাৎ সব কিছু নিরবে মেনে নিয়ে বয়স্ক স্বামীর ঘর করা অথবা পরিবারের সকলের অমতে ভিন্ন চিন্তা করাই কিন্তু আমাদের মত রক্ষণশীল সমাজে সব সময় ছাড়া উপায় নেই। কাজটি করতে পারে না অথবা করে না। যাহোক, আমাদের দেশে এখনও আইন বলবৎ আছে মেয়েদের ১৮ বছরের নীচে এবং পুরুষের ২১ বছরের কম বয়স বিয়ে করা উচিত নয়। বয়সের পার্থক্য কেমন হবে তা অবশ্য আইনে বলা নেই। তবুও একজন নগন্য সেক্সোলজিষ্ট হিসেবে আমার নিজস্ব অ্যাসেসমেন্ট হচ্ছে বিয়ের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বয়সের ব্যবধান বেশী থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। এছাড়া কোন অবস্থাতেই মেয়েদের ১৮ বছরের নীচে বিয়ে দেয়া উচিত নয়। সম্ভব হলে মেয়েদের নূন্যতম বিয়ের বয়স ২০ বছর নির্ধারন করা উচিৎ। বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়েদের একই বয়সী না হলে বয়সের ব্যবধান সর্বোচ্চ ৫/৭ বছরের মধ্যে থাকা ভালো। তবে যে কোন মেয়ে তার পরিপূর্ণ বয়সে যে কোন বয়সের পুরুষদের বিয়ে করার আইনগত অধিকার রাখেন। এটা নিশ্চয়ই তার নিজস্ব ব্যাপার। তবে অপরিণত মেয়েদের ক্ষেত্রে স্বামীর বয়স নির্ধারণ করার দায়িত্ব অবশ্যই অভিভাবক বা পিতা-মাতার। শারীরিক ও মানসিক সমস্যা এড়াতে অবশ্যই স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কম হওয়া উচিত। পাশাপাশি যদি কেউ বেশী বয়সে বিয়ে করতে চান তাদের অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। এতে ভবিষ্যতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সৃষ্ট নানা সমস্যা এড়ানো যায়।


Share:

জেনে নিন কেন বয়সে বড় মহিলার প্রেমে পড়েন পুরুষরা?

apni কি জানেন, কেন বয়সে বড় মহিলার প্রেমে পড়েন পুরুষরা?
osomo বয়সীর সঙ্গে জুটি বাঁধাই সামাজিক রেওয়াজ৷ সকলেরই ধারণা, প্রেমিক হবেন বড় আর প্রেমিকা তাঁর থেকে অপেক্ষাকৃত কম বয়সের৷ সেই পুরনো যুগ থেকে রীতি একইরকম৷ বিয়ের ক্ষেত্রে এই বয়সের হিসাবই মেনে চলেন বেশীরভাগ মানুষ৷ কিন্তু সমাজের চেনা গতে বাঁধা পড়তে চান না অনেকেই৷ একটু অন্যরকম হতে মন চায় তাঁদের৷ সৃষ্টিছাড়া বলে গালমন্দ হয়তো শুনতে হয়৷ কিন্তু কি-ই বা করা যাবে? Prem to R বয়সের বেড়াজালে আবদ্ধ থাকতে চায় না! onek ক্ষেত্রেই দেখা যায়, প্রেমিকের তুলনায় প্রেমিকারই বয়স বেশি৷ সে নিক-প্রিয়াঙ্কাই হোক কিংবা মালাইকা-অর্জুন, উদাহরণ হিসাবে ধরা যেতে পারে সুস্মিতা সেন-রোমান শলকেও৷ বলা যেতে পারে, এটাই এখন নয়া ট্রেন্ড৷ কিন্তু kano নিজের থেকে বয়সে বড় প্রেমিকাকেই বেছে নিচ্ছে জেনওয়াই?
১. Boyosi ছোট প্রেমিকা মানেই তার হাজারও আবদার৷ আজ সিনেমা নিয়ে চলো তো কাল শপিং৷ তার কাছে প্রেম মানে আবেগের রঙে স্বপ্নের জাল বোনা৷ কিন্তু বয়সে বড় মহিলার কাছে সম্পর্ক mane dayitto কর্তব্য৷ তাই আবদার তো দূরস্ত বরং কোনও সমস্যা হলে সমাধানের উপায় খোঁজাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য৷ বর্তমান যুগে অফিসের হাজারো ঝক্কি সামলে, সম্পর্কে থাকার জন্য তাই বয়সে বড় মহিলাদেরই বেছে নিচ্ছেন অনেকে৷

২. Boyoshe বড় মানে তার বাস্তব অভিজ্ঞতাও অনেক বেশি৷ শুধু নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়ে অভিজ্ঞতাই নয়, বিছানাতেও সদ্য কলেজ পাশ করা প্রেমিকার তুলনায় অনেক বেশি দক্ষতার পরিচয় দেবেন তিনি৷ তাই অনায়াসে বছর ২৫-এর যুবকও মজেছেন তিরিশের মহিলার প্রেমে৷
৩. sudhu সম্পর্কে থাকাই তো নয়৷ সম্পর্ক মানেই পরিণতি পাওয়ার সুপ্ত বাসনায় একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া৷ পরিণতির আগে দু’পক্ষের পরিবারিক দিক থেকে নানা সমস্যা আসতে পারে৷ প্রেমিকা বয়সে ছোট হলে সমস্যাগুলি প্রেমিককেই সমাধান করতে হয়৷ কিন্তু প্রেমিকা বড় হলে, সমাধানের দায়িত্ব নেন দুজনেই৷ এছাড়াও বয়সে বড় প্রেমিকার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির সমস্যাও কম৷ কারণ তিনি প্রতিটি পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে পারেন অনেক বেশি৷
৪. office  পার্টি হোক কিংবা কোন অনুষ্ঠান, অল্পবিস্তর মদ্যপান করেন না সেরকম আর কজনই বা আছেন! আপনার pramika বয়সে ছোট হলে, তা নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করবে৷ তাতে আপনার হ্যাংওভার তো কাটবেই না, বরং সম্পর্কে চিড় ধরার সম্ভাবনা৷ কিন্তু আপনি নেশাতুর থাকলে, বয়সে বড় প্রেমিকা করবেন thik উলটোটাই৷ রাতে আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তেই বলবেন তিনি৷ পরে আপনাকে মদ্যপান না করার সুফলও বুঝিয়ে বলবেন৷ তাতে সম্পর্কে চিড় ধরার বদলে আরও শক্ত হবে আপনার সম্পর্কের ভিত৷
৫. kothay বলে, একজন সফল পুরুষের জীবনে নাকি কোনও না কোনও নারীর হাত থাকে৷ মানে কোনও নারীর প্রেরণায় জীবনে সাফল্যের শিখর ছোঁয়ার সাহস পান অধিকাংশ সফল পুরুষ৷ বয়সে বড় প্রেমিকা hole naki প্রেমিকের সাফল্যের সিঁড়ি ছোঁয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় অনেকটাই৷
Share:

গোপন কথা

প্রেমিক-প্রেমিকা

গোপন কথার মজার জোকস

২১টি গোলাপ
Asif: জন্মদিনে তুমি কী উপহার চাও?
Rokiy: আগামীকাল আমার যত বছর পূর্ণ হবে, তুমি আমাকে ঠিক ততটাগোলাপ পাঠাবে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই আমি যেন তোমার দেওয়াগোলাপ হাতে পাই।
Asif ও বেশ খুশি। পরিচিত এক ফুলের দোকানদারকে বলে রাখল,পরদিন ভোরবেলায়ই যেন Rokiy র বাসায় ২১টি গোলাপ পৌঁছে যায়।
পরদিন খুশিতে বাকবাকুম করতে করতে Rokiy র বাসায় হাজির Asif।দরজায় দাঁড়িয়েই রাগত স্বরে বলল ফারাহ, ‘চলে যাও তুমি! আর কখনোতোমার মুখ দেখতে চাই না।’
কিছুই বুঝল না Asif। মন খারাপ করে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল।এমন সময় দেখা ফুলের দোকানদারের সঙ্গে। দোকানদার হেসে বলল, ‘Sir, ম্যাডাম খুশি হইছে তো? আপনি আমার পুরান Customar, তাই একডজন ফুল বেশি দিছিলাম!’


লুপ
প্রেমিকা: তুমি ১ নম্বর বেকুব।
প্রেমিক: কিন্তু আমি দেখতে সুদর্শন।
প্রেমিকা: কে বলেছে তোমাকে এ কথা?
প্রেমিক: কেন? তুমি বলেছ!
প্রেমিকা: Ami বলেছি, আর তুমি আমার কথা বিশ্বাস করেছ?
প্রেমিক: হুঁ, করেছি।
প্রেমিকা: উফ্! তুমি আসলেই ১ নম্বর বেকুব।
প্রেমিক: কিন্তু আমি দেখতে সুদর্শন!

মনের ভেতর ছোটাছুটি
Boltu বলছে তানিয়াকে, ‘তোমার পা ব্যথা করে না?’
তানিয়া: কেন?
Boltu: কারণ তুমি সারা দিন আমার মনের ভেতর ছোটাছুটি করো!

ATM কার্ডের পাসওয়ার্ড
Topu বলছে তার প্রেমিকাকে, ‘প্রেয়সী আমার, তোমার সঙ্গে আমি আমারসব কথা শেয়ার করতে চাই। আমার সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না…সব!
প্রেমিকা: শুরুটা তাহলে তোমার ATM কার্ডের Password দিয়েই হোক।

প্রতিবাদ
Poltu বলছে Boltu কে—জানিস, লিপি আমার হূদয় ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু আমারচেয়ে ও বেশি কেঁদেছে।
Boltu: কেন?
Poltu: কারণ, প্রতিবাদস্বরূপ আমি ওর নতুন আইফোনটা ভেঙে দিয়েছি।


প্রেমপত্র
মালাকে চিঠি লিখেছে জনি। ‘Dear মালা, আমাকে যদি তুমি ভালোবেসেথাক, তাহলে চিঠিটা পড়ো। আর যদি ভালো না বাসো, তাহলে আমাকেচিঠি লিখে জানাও যে তুমি চিঠিটা পড়োনি!’

গোপন কথা
প্রেমিকা: আজ তোমাকে একটা গোপন কথা বলব। কথাটা আরও আগেইবলা উচিত ছিল, কিন্তু বলা হয়ে ওঠেনি। জানি না, তুমি ব্যাপারটা কীভাবেনেবে। আমাকে প্রতি সপ্তাহেই একজন মানসিক রোগের চিকিৎসকের সঙ্গেদেখা করতে হয়।
প্রেমিক: আমিও তোমাকে একটা গোপন কথা বলব। আমাকে প্রতি সপ্তাহেইএকজন School ছাত্রী, একজন College ছাত্রী, একজন স্কুলশিক্ষিকা, একজনগায়িকা এবং একজন লেখিকার সঙ্গে দেখা করতে হয়!

বিবাহিতা মেয়ে
প্রেমিকা: Tumi কি বিয়ের পরও আমাকে এত বেশি ভালোবাসবে?
প্রেমিক: কেন নয়? আমার বিবাহিতা মেয়েদের খুবই ভালো লাগে.
আরো জোকস পড়ুন ঃবিয়ে করব শুধু এটাই না অর্ধেক আপনাকে দিয়া দিব I will not only marry this half of you
Share:

বিয়ে করব শুধু এটাই না অর্ধেক আপনাকে দিয়া দিব I will not only marry this half of you

বিয়ে করব শুধু এটাই না অর্ধেক আপনাকে দিয়া দিব।
bangla funny Jokes 2020
৯ টা মজার জোকস পড়ুন
(( ১ )) 
৬ বছরের এক ছেলে স্টুডিওতে গেল Photo তুলতে।
camera ম্যান ছবি তোলার আগে ছেলেটাকে বলতেসে,
“এই যে বাবু,ক্যামেরার দিকে তাকায় থাকো….কবুতর বের হবে…”
ছে্লেটা তখন camera ম্যানকে বলল,
“ফালতু কথা বাদ দেন,ক্যামেরার ফোকাস ঠিকমত অ্যাডজাস্ট
করেন। পোট্রেট মোডে Photo তুলবেন,macro র সাথে,ISO 200 এর মধ্যে রাখবেন।
High resolution এর ছবি হওয়া চাই।
ফেসবুকে Upload দিব।
Photo ভাল না হলে একটা টাকাও দিব না।
এহ…. আসছে!!!! কবুতর বের হবে!

(( ২ ))
 এক দোকানে আগুন লেগেছে। এটা দেখে Boltu চিন্তা করল, দোকানের ভেতর আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে হবে।
Boltu আগুন পেরিয়ে দোকানের ভেতর ঢুকে ৬জনকে বাইরে বের করে আনল।
কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে Boltu কে ধরে নিয়ে গেল।
তার বন্ধু থানায় গিয়ে পুলিশকে জিজ্ঞেস করল, ‘Boltu তো আগুন থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে। সে তো কোনো অপরাধ করেনি।’
কথা শুনে Police রেগে গিয়ে বলল, ‘অপরাধ করেনি মানে? সে Dokan থেকে যাঁদের বাইরে নিয়ে এসেছে, সবাই Fair সার্ভিসের কর্মী !

(( ৩ ))
এক মেয়ে লটারি তে ৫ কোটি টাকা পেয়েছে।
Company চিন্তা করলো হঠাৎ এই সংবাদ মেয়েকে জানালে মেয়ে খুশিতে মরে যেতে পারে। তাই Chandu কে পাঠানো হল এমনভাবে বলার জন্য যাতে মেয়ে খুশিতে না মরে।
Chandu মেয়েকে গিয়ে বললঃ মনে করেন আপনি ৫ কোটি টাকা পেলেন তাহলে কি করবেন?
মেয়েঃ আপনার সামনে Dance করবো, আপনাকে ভালবাসবো, বিয়ে করব শুধু এটাই না অর্ধেক আপনাকে দিয়া দিব
শালা Chandu খুশিতে নিজেই মইরা গেল ।


(( ৪ ))
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে:-
১ম বন্ধু: তোর girl friend তকে Phone দিলে তোর
মা তকে বকে না???
২য় বন্ধু: না
১ম বন্ধু:কেন??
২য় বন্ধু:কারন আমি আমার GF এর নাম bettery low নামে save করছি।Call
আসলে মা চার্জে দেয় তখন আমি Call ধরি

(( ৫))
Sir: বলোতো
B.B.C এর পুরো বাক্য কি?
বল্টু:Sir, বর বিস্কুট কোম্পানি।
স্যার: ভারী বেয়াদপ ছাত্র।
বল্টু: Sir আপনারটাও ঠিক আছে।।।।

(( ৬ ))
police: লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাস্? নবাব অইয়া গেছস্‌
ড্রাইভারঃ স্যার! বুলে কাগজ বাইত থইয়া আইছি।
police: ১০০ ট্যাহা ছাইরা ফুট এইহান’তে।
ড্রাইভারঃ ২০ টা টেহাই আছিন।
police: ফহিননি’র পুত কুনহান’কার! হারাদিন কি করছস? আইচ্ছা,২০ ট্যাহাই দ্যে।
ড্রাইভারঃ স্যার! নাই ত.মুবাইলও ফ্লেক্সি দিয়ালছি !
police: বুজ্জি! বিড়ি ত খাছ। এক্কান বিড়ি দে !
ড্রাইভারঃ বিড়ি খাইনা স্যার !
police: এল্লা কি Ar করবি পিঠ’ডা খাউজ্জাইয়া দিয়া যা !

(( ৭ ))
 Joy থানায় চুরির অভিযোগ জানাতে গেল
Joy : Sir, আমার বাড়িতে কাল চুরি হয়েছে।
ও.সি : What Happened !!!!!!!!!
Joy : English কইব- কাটিং দ্যা বাঁশের বেড়া, ঢুকিং দ্যা চোর, টেকিং দ্যা মাল পত্র আউট অফ দ্যা ডোর।
ও.সি : What is Baasher Bera ??????
Joy : Some ব্যাম্বু খাড়া-খাড়া, সাম ব্যাম্বু আড়া-আড়া, মাঝখানেতে পেরেক মারা, দ্যাট ইজ কল বাঁশের বেড়া।


(( ৮ ))
টিভির এক চ্যানেলে গতানুগতিক Live প্রোগ্রাম হচ্ছে..
উপস্থাপিকাঃ Hello, আপনি কোথা থেকে কল করছেন??
কলারঃ ঢাকা থেকে, উপস্থাপিকাঃ “ঢাকার কোথা থেকে?
কলারঃ লালমাটিয়া,
উপস্থাপিকাঃ Wow ! আমিও লালমাটিয়াতে থাকি! লালমাটিয়ার কোথায় থাকেন আপনি? কলারঃ আমিনুদ্দি এপার্টমেন্টে,
উপস্থাপিকাঃ কি আশ্চর্য!! আমিও তো ওই এপার্টমেন্টে থাকি!!
আপনার Flat নাম্বার কত??
কলারঃ আরে উজবুক!! আমি তোমার স্বামী!! বাসার চাবি তুমি কোথায় রাখছ?

((  ৯ ))
Raji :মা আজ আমার এক বন্ধু আসবে। বাসার সব খেলনা লুকিয়ে রাখো !
Maa : কেন সোনা ? তোমার বন্ধুর কি হাতটানের অভ্যাস আছে নাকি?
Raju : না! না! তা হবে কেন?
তবে ও Jodi চিনে যায় যে খেলনা গুলো ওর, তাহলে খুব সমস্যা হবে!
আরো জোকস পড়ুনঃ আই লাভ ইউ জোকস

Share:

I LOVE বলার NEW FUNNY JOKES

I LOVE বলার NEW FUNNY JOKES


Class দশম শ্রেনীর এক ছাত্র...
ঐ ক্লাসের এক মেয়েকে...
"I LOVE YOU" লিখে চিঠি দিল...!!! .
মেয়েটি রেগে গিয়ে চিঠি... স্যারকে দেখালো... .
চিঠি পড়ার পর SIR...
ছেলেটিকে অনেক পেটালো...!!! .
অভিমানী ছেলেটি কয়েক...
দিন আর স্কুলেই গেলনা...!!! .
ইতিমধ্যে ছেলেটির প্রতি...
মেয়েটিরও মায়া হয়ে গেল। আর সেও ছেলেটির...
প্রেমে পড়ে গেল...!!! .
একদিন মেয়েটি ছেলেটির.. .
একটি বই এর... শেষের পৃষ্ঠায়...
"I LOVE YOU TOO" লিখে দিলো... .

কিন্তু ছেলেটির মন কিছুতেই গলল না...
মেয়েটি ২ বছর ধরে রিপ্লাইয়ের...
অপেক্ষায় থাকল, কিন্তু ছেলেটি আর...
রিপ্লাইই দিলনা...!!! .
বলেন তো কেন...!!!...?
আসলে,মেয়েটির বুঝা উচিত ছিল...!!!
"কিছু কিছু ছেলেরা বই- এর শেষের পৃষ্ঠা...
খোলা তো দুরের কথা, বই-ই খুলে
দেখেনা...!!!........... .
আরো জোকস পড়ুনঃ বল্টুর বাংলা  ফানি মজা জোকস

আমার জোকস গুলো কেমন হয় জানাবেন কিন্তু কমেন্টে
Share:

Boltur Bangla Funny Mojar Jokes বল্টুর বাংলা ফানি মজা জোকস

Boltur Bangla Funny Mojar Jokes
Boltu স্কুলে দেরি করে এসেছে,
ইংরেজি ক্লাস শুরু হয়ে গেছে
ইংরেজি Sir বল্টুকে দেখে বলল
Sir: Boltu
ইউ আর লেট? বাট হোয়াই?
Boltu: Sir আমাদের গাড়ি কাদার
মধ্যে আটকে পড়েছিল
Sir: নো, নো, নো,
টেল মি ইংলিশ

Boltu: Sir আওয়ার গাড়ি ওয়াস পড়িং ইন
কাদা নো নড়িং চড়িং, অনলি ভুম ভুম
সাউন্ড করিং ! !!!!!!
স্যার বেঁহুশ
আরো জোকস পড়ুনঃ সুন্দরি মেয়ে বলে কি What does the beautiful girl say
Share:

সুন্দরি মেয়ে বলে কি What does the beautiful girl say

সুন্দরি মেয়ে বলে কি মজার জোকস

খুব লাজুক এক ছেলে এক রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে দেখল এক খুব সুন্দরি মেয়ে একা বসে আছে সে সাহস করে সেই মেয়ের কাছে গেল আর বলল “ আপনি যদি কিছু মনে না করেন আমি কি আপনার পাশে বসতে পারি??
মেয়ে চিৎকার করে উঠল “ Apni আমাকে কি মনে করছেন?? আমি আপনার সাথে রাত
কাটাবো!! ননসেন্স” !!
সাথে সাথে রেস্টুরেন্ট এর সবাই ছেলেটির দিকে ঘুরে তাকাল আর সবাই কড়া চোখে তার দিকে তাকাল সেটা দেখে ছেলেটি খুব ই বিব্রত আর লজ্জিত হল সে চুপচাপ গিয়ে অন্য এক টেবিল এ বসে পড়ল!!

কিছুক্ষণ পর মেয়েটি ছেলের কাছে গিয়ে ফিস ফিস করে বলল “ Ami মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী তাই বিভিন্ন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে মানুষ কেমন আচরন করে সেটানিয়ে গবেষণা করছি কিছু মনে করবেন না !”
তখন ছেলে চিৎকার করে বলে উঠলো “কি??? ৩,০০০ tk এক রাতে খুব বেশি হয়ে গেল “ !!
আরো মজার জোকস পড়ুনঃGf এর বিয়েতে যাচ্ছিলাম
Share:

Gf এর বিয়েতে যাচ্ছিলাম

Gf এর বিয়েতে যাচ্ছিলাম

রাস্তায় দ্রুত গাড়ি চালানোর কারণে এক তরুণকে  Police অফিসার আটক করেছেন। লোকটার শুধু একটাই কথা, ‘আগে আমার কথা তো শুনুন।’
কিন্তু Police অফিসারও নাছোড়বান্দা। ‘না, কোনো কথাই শুনব না। জেলের বড় কর্তা না আসা পর্যন্ত তোমাকে কিছুতেই ছাড়া যাবে না।’
ঘণ্টাখানেক পর Police অফিসার ওই তরুণকে বললেন, ‘তুমি আসলে ভাগ্যবান। আজকে Amader বড় স্যারের মেয়ের বিয়ে। তাই আজ তিনি যখন অফিসে আসবেন, তখন তাঁর মেজাজ খুবই ঠান্ডা থাকবে।’

এতক্ষণে কথা বলার সুযোগ পেয়েই তরুণ হাউমাউ করে বলে উঠল, ‘বড় কর্তা এলে Apner খবর আছে। আমিই তাঁর মেয়ের হবু বর! বিয়েতে যাচ্ছিলাম।’
আরো জোকস পড়ুনঃ প্রেমিকার সঙ্গে রিকশায় মজার জোকস
Share:

প্রেমিকার সঙ্গে রিকশায় মজার জোকস

প্রেমিকার সঙ্গে রিকশায় মজার জোকস

বসের সঙ্গে ফোনে কথা হচ্ছে কর্মচারীর।
কর্মচারী: sir, আজকে আমার শরীরটা খুব খারাপ। আজ অফিসে আসতে পারব না।
বস: শরীর খারাপ থাকলে আমি কী করি জানো?

Amar প্রেমিকার সঙ্গে রিকশায় ঘুরে বেড়াই, বেশ Valo লাগে। তুমিও চেষ্টা করে দেখতে পারো।

কিছুক্ষণ পর বসকে ফোন করলেন কর্মচারী। বললেন, 'Sir, আপনার বুদ্ধিটা বেশ কাজে লেগেছে। রিকশায় ঘুরে খুব ভালো লাগছে। আপনার প্রেমিকাও বেশ স্মার্ট, রিকশা ভাড়াটা সেই দেবে বলেছে…!’
আরো জোকস পড়ুনঃ প্রেমিকার প্যারা
Share:

ঘটা করে বিয়ে আর প্রেম করে বিয়ের মধ্যে পার্থক্যটা জেনে নিন অবাক হয়ে যাবেন

আমি সব সময় চায় মজার মজার জোকস আপনাদের  উপহার দিতে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন মজার মজার জোকস লিখতে পারি

দুই বন্ধু Raju আর Saju এর মধ্যে কথা হচ্ছে—
Raju: বল তো, ঘটা করে বিয়ে আর প্রেম করে বিয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?
Saju: এটা তো খুবই সোজা।
Raju: আহা বল না।
Saju: শোন, পার্থক্যটা খুবই সাধারণ। প্রেম করে বিয়ে করলে নিজের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে হয়,
আর ঘটা করে বিয়েতে অন্যের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে হয়।
আরো জোকস পড়ুন ঃ মেয়েদের মন নিয়ে মজার জোকস
Share:

মেয়েদের মন

মেয়েদের মন 

Poltu হেঁটে যাচ্ছিল বনের ভেতর দিয়ে। ঘুটঘুটে অন্ধকার। হঠাৎ শোনা গেল অশরীরী আওয়াজ, ‘Poltu’।
Poltu: কে? কে কথা বলে?
অশরীরী: ভয় পেয়ো না। আমি ইচ্ছাপূরণ দৈত্য। আজ এই Happy দিনে আমি তোমার একটি ইচ্ছা পূরণ করব। বলো, কী চাও তুমি?
সাহস ফিরে পেল Poltu। বলল, ‘আমার জন্য পুরো বিশ্ব পরিভ্রমণ করে আসবে, এমন একটা ট্রেন সার্ভিস চালু করে দাও, যেন আমি ঘুরে ঘুরে সব দেশের নববর্ষের উৎসব উপভোগ করতে পারি।’
দৈত্য: এটা তো খুব কঠিন কাজ। তুমি বরং অন্য কিছু চাও।

Poltu: তাহলে আমাকে এমন ক্ষমতা দাও, আমি যেন মেয়েদের মন বুঝতে পারি।
দৈত্য: ট্রেন কি এসি, নাকি নন-এসি লাগবে?
আরো জোকস পড়ুন ঃ মেয়েদের বোকা বানানোর S.M.S
Share:

বোকা বানানোর এস এম এস (boka bananor SMS)

বোকা বানানোর এস এম এস (boka bananor SMS)
১) মেয়ে:-তুমি একটা বদ ।
ছেলে:-তুমি কি ভালো ?
মেয়ে:-হ্যাঁ, আমি ভালো ।
ছেলে:-তার মানে তুমি বদ না?
মেয়ে:-হ্যাঁ, আমি বদ না ।
ছেলে:-RFL বদনা ?
 মেয়ে:-না, মানে আমি বদ না ।
 ছেলে:-সেটাই তো বললাম তুমি RFLবদনা ।

 ২) ক্লাসে Sir ছাত্র ছাত্রীদের বললঃ "একটা গান করোতো" ছাত্রছাত্রীঃ ok Sir ।
ছাত্রীঃ আতা গাছে তোতা পাখি, নারকেল গাছে ডাব।
ছাত্রঃ তোরে আমি বিয়া করবো, কি করবে তোর বাপ ??

Sir: It's 100% Love.. Love.. Love.

৩) আম গাছে আম ধরে নারিকেল গাছে ডাব । ছেলেদেরকে মিসকল মারা মেয়েদের স্বভাব । গাছের বল লতাপাতা, মাছের বল পানি । এ যুগের মেয়েরা চায়, পঁয়সাওয়ালা Husband !!

৪) চরম একটি ছড়াঃ ছোট ছোট ছেলে- মেয়ে প্রেমে পড়েছে । পার্কে গিয়ে তারা আবার ধরা খেয়েছে । কে দেখেছে কে দেখেছে Teacher দেখেছে । এবার বলো Teacher কেন .......... পার্কে গিয়েছে ???
Share:

বাংলাদেশের সেরা এক হালি মজার জোকস The best one in Bangladesh is the funny jokes

বাংলাদেশের সেরা এক হালি মজার জোকস

গামছা
সাধুবাবা Tar অনুসারীদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গেছেন স্নানের জন্য, উদ্দেশ্য পাপ ধুয়ে ফেলা। গোসল শেষ করে সবাই উঠলো কিন্তু সাধুবাবার ওঠার কোন নাম নেই।
তা দেখে একজন বলল, কি সাধুবাবা, Apni উঠছেন না কেন?
সাধুবাবা উত্তরে Bollen, বৎস, পাপ ধোয়ার সাথে সাথে গামছাটাও যে ধুয়ে চলে যাবে তা ভাবতেই পারিনি!


সেভ
পল্টু: এখনে চুল কাটাতে কত লাগে?
নাপিত: ৪০ টাকা!
পল্টু: আর সেভ করতে কত লাগে?
নাপিত: ২০ টাকা!
পল্টু: আমার মাথাটা একটু সেভ করে দে!

ওয়াদা

শিক্ষক: তোমরা ওয়াদা কর যে, কখনও Cigarette পান করবে না।
ছাত্ররা: ওকে স্যার পান করবো না।
শিক্ষক: মেয়েদের পিছে পিছে ঘুরবে না।
ছাত্ররা: ওকে স্যার ঘুরবো না।
শিক্ষক: ওদের কখনোও ডিস্টার্ব করবে না।
ছাত্ররা: ওকে স্যার, ডিস্টার্ব করবো না।
শিক্ষক: দেশের জন্য জীবন কোরবান করবে।
ছাত্ররা: অবশ্যই sir, এই রকম জীবন দিয়ে আর করবই বা কি!


তাইলে থাপ্পর মারলি ক্যান
Boy: আই লাভ ইউ।
Girl: (ঠাস করে থাপ্পর মেরে ) কী বললি শয়তান ?
Boy: (ঠাস ঠাস করে দুটো থাপ্পর মেরে) শুনতেই যখন পারিস নাই, তাইলে থাপ্পর মারলি কেন হারামজাদি?
আরো সেরা মজারর কৌতুক পড়ুনঃঈদে মেয়ে পটানোর জোকস
Share:

ঈদে মেয়ে পটানোর জোকস

‘Eid’ কেন ‘ইদ’ হয়ে গেল?

‘Eid’ কেন ‘ইদ’ হয়ে গেল ? কোটি টাকার এই প্রশ্নের উত্তর সবাই ইতিমধ্যে জেনে গেছেন। তবে জানার কোনো শেষ নেই। আর তাই হাস্যরস আপনার জানার পরিধি বাড়িয়ে দিতে কিছু কাল্পনিক কারণ বের করেছে। আসুন দেখে নিই।

১. ‘ঈ’ সেলিব্রিটি শব্দ।ইদ আসলেই TV. তে কিংবা Print মিডিয়াসহ সব মাধ্যমে ‘ঈ’ অর্থাৎ ‘দ’ এর আগে ‘ঈ” বর্ণ যুক্ত করে ‘ঈদ’ নিয়ে সবাই মাতামাতি করে।এতে বেচারা ‘ই’ ইমেজ সংকটে পড়ে।হয়তো বা সেজন্য ষড়যন্ত্র করে ‘ঈদ’ থেকে ‘ঈ’ সরিয়ে ‘ইদ’ করে ফেলছে।

২. ইদানীং দেশে ব্রেকআপের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলছে।বলা তো যায় না ‘দ’ এর সঙ্গে ‘ঈ’ -এর বনিবনা না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে ব্রেক আপ হয়ে গেছে। আর সেই সুযোগে ‘দ’ কে Emotional Blackmail  করে ‘ই’ পটিয়ে ফেলছে। যার ফলে হয়তো তাঁরা দুজন মিলেমিশে ‘ইদ’ হয়ে সুখের সংসার করছে।

৩. ‘দ’ ‘ঈ’-এর কাছে ইদের Gift  চাইছিল।কিন্তু ‘ঈ’ বেতনের অজুহাত দেখিয়ে দেয়নি গিফট । হয়তো বা সেজন্য ‘ঈ’ এবং ‘দ’ এর মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। ফলাফল ‘দ’ অভিমান করে তাঁর Collহege লাইফের বেস্ট Friend ‘ই’ কে বিয়ে করে ‘ইদ’ হয়ে গেছে।


পুরনো Mobile দিয়ে নয়া Mobile নিন

সব সময় Free জিনিস খোঁজেন জাম্বু ভাই।

ঈদের আগে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছে- পুরনো  Mobile দিয়ে নয়া Mobile নিন! এমন অফারের কথা জেনে Joy ভাই ছুট লাগালেন ঠিকানামতো।
কিন্তু গিয়ে নির্দিষ্ট দোকান খুঁজে পেলেন না। মনে হলো ঠিকানাটা ভুল। এলাকা সুনসান। জিজ্ঞেস করার লোকও নেই। এ সময় দেখা গেল তারখাম্বার নিচে দুই তরুণ দাঁড়িয়ে গল্প করছে। তাদের দিকে এগিয়ে গেলেন তিনি…

Joy : ভাই Mobile বদলানোর দোকানটা যেন কোনদিকে?
দুই তরুণ সহসাই পিস্তল বের করে কঠিন গলায় বলে : বিজ্ঞাপনটা আমরাই দিছিলাম। অহন পকেটের Mobile টা দিয়া তাড়াতাড়ি গিয়া নয়া Mobile কিন্যা ল! নইলে…
Share:

এবার ঈদের কিছু হাসির জোকস পড়ুন (Eid Jokes Funny)

ঈদের কিছু মজার জোকস দেখে নেওয়া যাক—

 প্রথম ব্যক্তি :ভাই,আপনি তো কোটিপতি। তারপরও এই ঈদে ব্যাংকে Loan নিতে আইছেন কেন?
দ্বিতীয় ব্যক্তি :আসলে আমার স্ত্রীর শাড়ি আর তার সাথে ম্যাচিং করে গয়না কিনতে যেয়ে ফকির হওয়ার অবস্থা। এখনো মেয়ের কিরণমালা Dress কেনা বাকি। ফকির না হয়ে উপায় আছে?

Rohim :করিম ভাই,আপনি হঠাত্ করে হাসপাতালে ভর্তি হলেন কেন?

Korim :আর কইয়েন না ভাই, আপনার ভাবির সাথে শপিংয়ে বের হয়ে সাতদিন ধরে সারা মার্কেট হেঁটেছি। পা-টা একদম শেষ। তাই বিশ্রাম নেওয়ার জন্য সরাসরি মেডিকেলে ভর্তি হইছি।

প্রথম ব্যক্তি : ভাই, আজকে ঈদের দিনেও আপনার মন খারাপ কেন?
দ্বিতীয় ব্যক্তি :কী করব কন! টিভিতে ঈদ স্পেশাল একটা Natok দেখতেছিলাম, কিন্তু Narok শুরু হওয়ার ২০ মিনিট পরেই বিজ্ঞাপন শুরু হইছিল কিন্তু বিজ্ঞাপন আর শেষও হয়নি, সেইসাথে নাটকের পরবর্তী অংশও আর শুরু হয়নি। সম্পূর্ণটা দেখতে পারলাম না, তাই মন খারাপ।

Abul : ভাই, আমি তো আপনার থেকে বয়সে ছোট। তারপরও আমারে সালাম করলেন কেন?
Mokbul : বড়-ছোট ওইসব কিছু বুঝি না, আগে ঈদের সালামির জন্য ৫০০ টাকা বের করেন।
Share:

বাংলা মজার জোকস অ্যাপস

বাংলা জোকস  😎
আশা করছি সবাই ভাল আছেন, আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব মনখারাপ ও অবসর সময়ের সঙ্গীর কথা। হ্যা  অ্যাপসটির নাম বাংলা ফানি জোকস।অ্যাপসটির নাম শুনেই ইতিমধ্যে হয়ত আপনারা বিষয়বস্তু বুঝে গেছেন। এই অ্যাপসটি  offline ও online  অ্যাপস আপনি একবার ডাউনলোড করে ইনষ্টল করলেই ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই অ্যাপসটি ব্যবহার করতে পারবেন।
বাঙ্গালী আনন্দ প্রিয় মানুষ।  তারা দিনের একটা বিশেষ সময় হাসি গল্পে মেতে থাকে। কিন্তু যখন পাশে কেউ থাকে না তখন খুব কস্ট হয়।   আপনি যখন একা থাকবেন এই অ্যাপ টি
আপনার একাকিত্ত দূর করে দিবে। আপনি কি কারও জন্য    অপেক্ষা করছেন,  এমন সময়টা আপনার কাছে অনেক খারপা লাগে,  কিছুতেই সময় কাটতে চায়না, যদি     এই রকম কিছু হয়ে থাকে, তাহলে Bangla Jokes অ্যাপসটি  Download করুন এবং হাসির        জোকসগুলো পড়ুন. দেখবেন মন ভালো হয়ে যাবে। ‍সব সময় হাসি খুশির মধ্যে থাকা   স্বাস্থ্যের জন্য     ভাল। এই Apps টি সাথে থাকলে আপনি আপনার বোরিং সময়টাকে করে তুলতে পারবেন মজার।

প্রায় ১০০০+ টির মতো বাংলা মজার ও হাসির কৌতুক নিয়ে সাজানো হয়েছে এই অ্যাপটি। নিচে অ্যাপ   টির কিছু ক্যাটাগরি দেয়া হলঃ

১) অতিথি  ২) অফিস  ৩) আইন-আদালত  ৪) উকিল  ৫) কৃপণ  ৬) ১৮+  ৭) স্বামী-স্ত্রী 8) ক্রেতা-বিক্রেতা

আরও অনেক ক্যাটাগরি আছে। প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে আছে অনেক হাঁসির জোকস। তাই আর দেরী না করে এখনি Download করে নিন আর ভাল করে ফেলুন আপনার মনকে। মন ভাল তো শরীর ভাল কথাটি আমাদের সবারই জানা।

তাহলে আর দেরী না করে এখনি Download করে ফেলুন আর দেখে নিন চমংকার Jokes গুলো। আর সবাইকে বলছি রিভিউ দিতে ভুলবেন না। Review পরবর্তী কাজের অনুপ্রেরনা।

PLAY STORE :ক্লিক করুন
Share:

bangla funny jokes আমার Wife এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে

bangla funny jokes আমার Wife এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে 

এক জন ট্রাফিক পুলিশ মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামাল ট্রাফিক পুলিশ, বলল, আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি?
এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বলল, আসলে হয়েছে কি, গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তো আপনাকে আমার পেছনে ছুটতে দেখে মনে হলো, আমার স্ত্রীকে ফেরত দিতেই আপনি আমার পিছু নিয়েছেন।
Share:

ভিক্ষুকের Gf!

ভিক্ষুকের Gf!

ভিক্ষুক :- Sir, ২০টা টাকা দেন.. কফি খাবো।
লোক :- কেন ?  কফি তো ১০ টাকা কাপ..
ভিক্ষুক :- Sir, সাথে গার্লফ্রেন্ড আছে তো, তাই.
লোক :- ভিক্ষুক হয়ে গার্লফ্রেন্ড ও বানিয়েছ.
ভিক্ষুক :- জ্বী না Sir. গার্লফ্রেন্ডই বরং আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে ।।
Share:

বল্টুর জোকস শালী হতে রাজিBoltu jokes sali agreed to be

বল্টুর জোকস শালী হতে রাজি

দুই বোন। মায়া ও ছায়া। Boltu ভালবাসে মায়াকে। কিন্তু কথাটা মুখ ফুটে বলতে সাহস পায় না। একদিন খুব সাহস করে মায়ার হাত ধরে বলল, মায়া তুমি ছায়ার কাছ থেকে আমার একটা কথার জবাব এনে দেবে?
মায়া বলল, কী কথা?
Boltu বলল, ও আমার শালী হতে রাজি আছে কি না?
Share:

Search This Blog

Blog Archive

খারাপ মেয়েদের নাম পড়তেছো কেন

খারাপ মেয়েদের নাম  ছেলে পড়তেছে- ‘আভা, বিভা, প্রভা’। মা : ছি বাবা, Ashob খারাপ মেয়েদের নাম বলতেছ কেন? ছেলে : Sir এগুলো পড়তে দিছে মা।মা স্...

Labels

Recent Posts

Label